28/11/2023
গুরুত্বপূর্ণ,শিক্ষনীয় বিষয়,
শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন!
আপনি নিজে সেই পরিবর্তন হোন যা আপনি সারা বিশ্বে সবার মধ্যে দেখতে চান।
28/11/2023
গুরুত্বপূর্ণ,শিক্ষনীয় বিষয়,
শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন!
আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে। পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়, এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুন্ঠিত হই।
—প্রমথ চৌধুরী।
টিয়া পাখির মতো মুখস্ত করে বড় বড় সার্টিফিকেট অর্জন করে বড় বড় চাকরি পাওয়াকে শিক্ষা বলে না, শিক্ষা হচ্ছে সেটা যা একজন মানুষের ভিতরের কুশিক্ষাকে দূর করে সমাজের পরিবর্তনে এগিয়ে আসার উৎসাহ যোগায়।
– রেদোয়ান মাসুদ
10/09/2023
শরীরে শক্তি আর ক্ষমতা আছে বলেই সব জায়গায় তা প্রয়োগ করতে যাবেন না।
শরীরে শক্তি আর ক্ষমতা আছে বলেই সব জায়গায় তা প্রয়োগ করতে যাবেন না। কখন যে কোথায় আটকে গিয়ে মাটির সাথে মিশে যাবেন তা আপনি নিজেও বুঝতেই পারবেন না!
অহংকার আর দাম্ভিকতা পতনের লক্ষন তাই অহংকারী না হয়ে সহনশীল হওয়া উচিৎ।
ক্ষমতার গর্ব না করে –
মনে রাখবেন, আপনার চেয়ে বড় বড় পালোয়ান, শক্তিবান এই পৃথিবীতে পরিস্থিতির বেড়াজালে আটকে পড়ে ধ্বংস হয়ে গেছে। শক্তি, ক্ষমতা, রূপ আর অহংকার চিরস্থায়ী নয়।
মানবজাতির মধ্যে একটি বিষয় সব সময় কাজ করে। অন্যকে ছোট করে দেখা, তাকে ছোট করে রাখা, তাকে দমিয়ে রাখা, কিন্তু তা কখনও সম্ভব নয় কারণ আপনি ও ক্ষণস্থায়ী জীবনে বসবাস করছেন ভুলে যাবেন না।
আজকে আপনি তাকে ভালোবেসে কাছে টেনে বুকে জড়িয়ে ধরুন। আপনার যে কোন বিপদ ঐ মানুষটিকে কাছে পাবেন। যাকে আপনার ভালোবাসায় আবদ্ধ করে ছিলেন। তাকে তার সাফল্যের পথে হাঁটতে শেখান সেই প্রত্যেকটি স্তরে আপনার কথা স্বরণ করবে। আপনার নামটি শ্রদ্ধার সাথে মনে রাখবে।
তাই আসুন সবার সাথে বিনয়ী হই বিনয়ের সাথে কথা বলি। ছোট বড় কোন ভেদাভেদ না করে সবাইকে ভালোবাসা দিয়ে পাশে রাখার চেষ্টা করি বিনয়ের সাথে কথা বলি। এটাই আপনাকে সম্মানের উচ্চতায় নিয়ে
যাবে।
10/09/2023
“শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেঁতো হলেও এর ফল মিষ্টি।”
– এরিস্টটল
19/06/2020
শ্রদ্ধেয় নন্দী স্যারের স্মরণে
প্রাইমারী শেষ করে তখনকার স্বপ্নের বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর যে সকল শ্রদ্ধেয় শিক্ষককে পেয়েছিলাম, তার মধ্যে প্রয়াত নন্দ দুলাল নন্দী স্যার একজন প্রিয় স্যার। স্যার আমাকে খুবই স্নেহ করতেন। নন্দী স্যার আমাদের বাংলা পড়াতেন। তিনি ছিলেন খুবই রসিক মনের মানুষ।
ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময় স্যারের দু'টি কথা আমার এখনও মনে আছে, যা কোনদিনও ভুলব না। প্রথমটি হল, তখন তো আর এখনকার মত পাকা টয়লেট বা বাথরুম ছিল না। বেশিরভাগ বাড়িতেই ছিল খোলা বা কাঁচা পায়খানা। স্যার বলতেন, " কখনো খালি পায়ে পায়খানায় যাবে না, জুতা বা সেন্ডেল পায়ে দিয়ে যাবে। নয়তো কৃমি সংক্রমণ সহ নানা ধরনের রোগ হতে পারে।"
আর দ্বিতীয়টি হল, "পায়খানায় বসে কোন কথা বলা যাবে না এবং থুতু ফেলা যাবে না,মুখ ঢেকে রাখতে হবে। পায়খানায় বসে কথা বললে বা থুতু ফেললে দাঁতের ক্ষতি হয়।"
এখনো প্রতিবার পায়খানা বা বাথরুমে ঢোকার সময়ই আমার এই কথাগুলো মনে হয় এবং আমি তা পালন করতে চেষ্টা করি।
নন্দী স্যারের একটা বিশেষ গুন বা কেরামতি ছিল, তিনি পানিতে মরার মতো করে ভেসে থাকতে পারতেন অনেক সময় ধরে। এটা জানার পর আমাদের অনুরোধে স্যার একবার পুকুরে নেমে ভেসে থেকে আমাদেরকে দেখিয়েছিলেন।
আমি স্যারের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।
#হুমায়ুন_কবির
#আমরা_গর্বিত_আমরা_বি_উপসিয়ান_EX_BUTPHS_STUDENTS
15/06/2020
সন ২০১৪ খ্রি:
বিগত বছরগুলোতে বড় ভাইয়েরা স্কুলে শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট করত। সেই ধারা বজায় রেখে আমরাও খেলা আয়োজন করেছিলাম। টুর্নামেন্টে ষষ্ঠ শ্রেনি থেকে দশম শ্রেনির অনেকগুলো দল অংশগ্রহণ করেছিলো।
১ সপ্তাহ গ্রুপ পর্যায়ের খেলা শেষে ফাইনালে পৌঁছায় দশম শ্রেনির বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার দুই দল।
ফাইনাল খেলার উদ্ভোদন করেন অত্র বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকগণ। (ছবিতে)
আমাদের ব্যাচের সকলে সৌভাগ্যবান ছিলাম কারণ তখন আমরা শিক্ষাগুরু হিসেবে যাদের পেয়েছি তাঁরা সকলে শুধু শিক্ষক ছিলেন না। তাঁরা আমাদের অবিভাবক হিসেবেও দায়িত্ব প্রত্যক্ষ ও পরক্ষভাবে পালন করেছেন। আমাদের সকল আবদার ইচ্ছে পূরনে তাঁরা সর্বত্রই সহযোগিতা করেছেন।
আমাদের খেলা খুব ভালোভাবেই চলছিলো। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে আমরা সবাই এক দুঃসংবাদ পেয়ে থমকে যাই। খবর পাই আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় নিরঞ্জন মন্ডল স্যার মারা গেছেন।
সেই খবর পেয়ে সাথে সাথেই স্কুল ছুটি দিয়ে দেওয়া হয় এবং সকল শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা স্যারকে শেষ বারের মত দেখতে ছুটে যান।
আমাদের বিজয়ী পুরষ্কার দেওয়ার জন্য অবশ্য ২ জন শিক্ষক আমাদের সাথেই ছিলেন।
হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পরে অবশেষে আমাদের ব্যবসার শিক্ষা শাখা জয়লাভ করে।
সম্মানিত শিক্ষকগণ আমাদের হাতে ট্রফি তুলে দেন।
ট্রফি টি এখনও নীলিমা দেবনাথ ম্যাডামের বাড়িতে খুব সুন্দর করে সাজানো আছে।
খেলা শেষে আমরা সকল খেলোয়াড় ও অবশিষ্ট শিক্ষকগণ নিরঞ্জন মন্ডল স্যারকে দেখতে তার বাড়িতে যাই।
সম্ভবত আমরাই শেষ শিক্ষার্থী যারা এই খেলা আয়োজন করেছিলাম।
এখন সময়ের বিবর্তনে এই খেলার আনুষ্ঠানিকতা বিদ্যালয় থেকে চলে গেছে।
হয়তো এই স্মৃতি খুব অল্প দিন আগের। এবং এতে ঐতিহাসিক কিছু নেই। তবুও বিঝারী উপসী তাঁরা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে স্কুলের একটি বিশেষ স্মৃতি বহন করে। একই সাথে দিনটির সঙ্গে আমাদের একজন অতুলনীয় শিক্ষককে চিরদিনের জন্য হারানোর স্মৃতিও জড়িত।
মোঃ রাকিব খান
#আমরা_গর্বিত_আমরা_বি_উপসিয়ান_EX_BUTPHS_STUDENTS
07/06/2020
#শ্রদ্ধেয়_শিক্ষাগুরু_স্মৃতিচারণঃ
আমার প্রাণের বিদ্যাপিঠের একজন অন্যতম শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু,আমার অতি প্রিয় আঃ আজিজ বি.এস.সি স্যার।
যার প্রতিভা ছিল অবিশ্বাস্য। যা লিখে বা বলে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। সাধারণ গনিত,উচ্চতর গনিতের ম্যাক্সিমাম উত্তর ছিল যার মুখস্থ।প্রশ্ন দেখেই যিনি ফলাফল বলে দিতে পারতেন। পদার্থ,রসায়ন,জীববিজ্ঞান এবং ইংরেজিতেও যিনি ছিলেন অত্যন্ত পারদর্শী। স্যার আমার মায়েরও শিক্ষক ছিলেন। তখন আমদের বাড়িতে থেকে আমার মাকে পড়াতেন। আমি যখন নবম শ্রেণিতে ১ম সাময়িক পরীক্ষায় গনিতে খুব খারাপ করলাম,তখন আমার আব্বা স্যারকে ২য় বারের মতো আমাদের বাড়িতে থেকে আমাকে পড়ানোর জন্য অনুরোধ করলেন। স্যার তখন উপসী নুরুল আমিন শেখ ভাইদের বাড়িতে থাকতেন। আব্বার অনুরোধে স্যার আমাদের বাড়িতে থাকতে রাজি হয়ে আমাকে পড়াতে শুরু করলেন। স্যার এর একটি কথা আমার সারাজীবন মনে থাকবে। আমাকে বলেছিলেন,তোকে আমি গনিতের জাহাজ বানাবো। আমার আব্বাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন,আপনি শাহীনের কি ফলাফল প্রত্যাশা করেন?আব্বা বলেছিলেন,আমার প্রত্যাশা ৮৫০ মার্কস। স্যার তখন বলেছিলেন ইনশাআল্লাহ হবে। আল্লাহর ইচ্ছায় সবই হয়েছে। অবশ্য তাতে আরও কয়েকজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদেরও অবদান ছিল। তন্মধ্যে শ্রদ্ধেয় সুনীল ঘোষ স্যার(ইংরেজি গ্রামার এর আইডল),সুনীল বি এস সি স্যার(গনিত),আঃসাত্তার স্যার(গনিত) অন্যতম।
কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস,আমার এত প্রিয় একজন শিক্ষককে এস.এস.সি পরীক্ষার পরে আর দেখার সৌভাগ্য হয়নি। ১৯৯৮ সালের ১৩ জুন স্যার সবাইকে কাঁদিয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যান।
যোগাযোগ ব্যাবস্থা তখন যদি এত আধুনিক থাকতো,তাহলে হয়তো স্যারকে একবার শেষবারের মতো দেখতে পেতাম। তিনি অত্যন্ত ভাল মানুষ ছিলেন। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন।। সবাই স্যার এর জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন স্যারকে জান্নাতুল ফেরদাউস নছিব করুন।আমিন।
স্যার আপনার কাছে অনেক অনেক ঋনী,যা কোনদিনই শোধ হবার নয়।
প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীদেরই উচিৎ প্রিয় শিক্ষকদের জন্য কিছু করা। কিন্তু সময় এবং ব্যাস্ততা আমাদের প্রত্যেককেই এমনভাবে বেধে রাখে,ইচ্ছে থাকলেও আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনা।
শিক্ষাগুরুদের সম্পর্কে লিখতে যেয়ে আজ উপলব্ধি করছি,তাদের অবস্থান আমাদের অন্তরের কোথায়।
তাই বর্তমান প্রজন্মের কাছে অনুরোধ থাকবে-তোমরা প্রিয় শিক্ষকদের একটু খোঁজখবর হলেও নিও। তাদেরকে স্মরণ রেখো।
পিতামাতার উছিলায় একজন সন্তান পৃথিবীর আলো দেখে,কিন্তু তাকে মানুষরূপে গড়ে তোলেন একজন শিক্ষক।
তাই শিক্ষাগুরুর মর্যাদা অনেক উর্ধ্বে।
ভাল থাকুন প্রিয় শ্রদ্ধেয় সকল শিক্ষাগুরু।
বিঃদ্রঃ গ্রুপ ছবিতে অন্যান্য স্যারদের সাথে
শ্রদ্ধেয় আঃ আজিজ স্যার।
স্যারের সিঙ্গেল তেমন কোন ছবি নেই।
©শাহিন খান
#আমরা_গর্বিত_আমরা_বি_উপসিয়ান__EX_BUTPHS_STUDENTS
অন্যদের ভুল থেকে শিক্ষাগ্রহণ করুন এবং সেইরকম মানুষ হয়ে যাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখুন যাদের ভুলগুলো থেকে অন্যেরা শিক্ষাগ্রহণ করে।
– শাইখ ইয়াসির ক্বাদী
একজন ঘুমন্ত ব্যক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগ্রত করতে পারে না।
– শেখ সাদি