BNMPC Bangla Language & Literature Club

BNMPC Bangla Language & Literature Club Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BNMPC Bangla Language & Literature Club, Education, Birshrestha Noor Mohammad Public College, Peelkhana, Dhaka.

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যচর্চায় নিবেদিত, সৃজনশীলতা ও মাতৃভাষার ভালোবাসার এক প্রাণমঞ্চ।

“স্বাধীনতা তুমি-রবীন্দ্রনাথের অজর কবিতা,অমর পঙ্‌ক্তিমালা।” - শামসুর রাহমানআজ ১৭ আগস্ট। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি, নাগ...
17/08/2026

“স্বাধীনতা তুমি-
রবীন্দ্রনাথের অজর কবিতা,
অমর পঙ্‌ক্তিমালা।”
- শামসুর রাহমান

আজ ১৭ আগস্ট। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি, নাগরিক কবিতার অনন্য কণ্ঠস্বর ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দৃঢ় কবি শামসুর রাহমানের প্রয়াণ দিবস।

একটি সময়কে বোঝার জন্য কখনো কখনো ইতিহাসের বইয়ের চেয়ে একটি কবিতাই বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। শামসুর রাহমান ছিলেন তেমনই এক কবি—যিনি তাঁর কবিতায় ধারণ করেছেন বাঙালির স্বপ্ন, সংগ্রাম, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, নাগরিক জীবনের টানাপোড়েন এবং সময়ের নির্মম বাস্তবতা।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার স্বপ্ন ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁর কবিতা হয়ে উঠেছিল মানুষের কণ্ঠস্বর। তাঁর শব্দে স্বাধীনতা কখনো কেবল একটি রাজনৈতিক অর্জন নয়; বরং তা ছিল মানুষের মর্যাদা, অধিকার ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

‘স্বাধীনতা তুমি’, ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’সহ অসংখ্য কবিতায় তিনি যে স্বদেশপ্রেম ও মানবিক চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছেন, তা বাংলা কবিতার ইতিহাসে তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কবিতা আমাদের শিখিয়েছে—কবি কেবল সময়ের দর্শক নন, প্রয়োজনে তিনি সময়ের বিবেকও হয়ে উঠতে পারেন।

আজ তাঁর প্রয়াণের বহু বছর পরও শামসুর রাহমানের কবিতা আমাদের চারপাশের সমাজ, রাষ্ট্র ও মানুষের দিকে নতুন করে তাকাতে শেখায়। তাঁর শব্দে যে স্বাধীনতার স্বপ্ন, মানবিকতার আকাঙ্ক্ষা ও সত্যের প্রতি অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়েছে, তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে আমাদের অনুপ্রাণিত করে চলবে।

শামসুর রাহমানের প্রয়াণ দিবসে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাব গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছে বাংলা কবিতার এই মহান কবিকে। তাঁর কবিতার স্বাধীনতা, মানবিকতা ও প্রতিবাদের দীপ্তি আমাদের চিন্তা, চেতনা ও সাহসে চিরকাল জাগরুক থাকুক।

"তুমি সে তো স্নিগ্ধ আলো, ভোরের সুরের গান,তোমার ছোঁয়ায় শান্ত যে হয় পরোপকারী প্রাণ।"     — কবি সুফিয়া কামালফাতেহা, আমাদের ...
16/08/2026

"তুমি সে তো স্নিগ্ধ আলো, ভোরের সুরের গান,
তোমার ছোঁয়ায় শান্ত যে হয় পরোপকারী প্রাণ।"
— কবি সুফিয়া কামাল

ফাতেহা, আমাদের বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও অন্যতম মিষ্টি মুখ। তোমার মিষ্টি আচরণের স্নিগ্ধতার মাঝেও সবার প্রতি দায়িত্ববোধ ও পরোপকারী মানসিকতা প্রায়শই আমাদের মুগ্ধ করে। ক্লাবসহ বিভিন্ন কাজে তোমার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তোমার আশেপাশের সকলের জন্যেই দারুণ এক অনুপ্রেরণার সৃষ্টি করে। সাহিত্যের এই সুন্দর আঙিনায় তোমার প্রতিটি দিন হয়ে উঠুক বসন্তের আগত নতুন ফুলের কুড়ির মতো। যা একদিন প্রস্ফুটিত হয়ে তার ঘ্রাণ প্রতিটি মানুষের মনকে সৌন্দর্যে আমোদিত করবে।

তোমার প্রিয় সাহিত্য ক্লাবের পক্ষ থেকে শুভ জন্মদিন, ফাতেহা। আজকের দিনের সকল মুহুর্ত তোমার জন্য হয়ে উঠুক বিশেষ।🌷

“অসম্ভব শব্দটি কেবল বোকাদের অভিধানেই পাওয়া যায়; আর ইতিহাস রচিত হয় তাদের হাতেই, যারা নিজেদের ভাগ্য নিজের তলোয়ার দিয়ে লিখে...
15/08/2026

“অসম্ভব শব্দটি কেবল বোকাদের অভিধানেই পাওয়া যায়; আর ইতিহাস রচিত হয় তাদের হাতেই, যারা নিজেদের ভাগ্য নিজের তলোয়ার দিয়ে লিখে।”
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট

শুনুন! শুনুন! শুনুন!

ইউরোপের সিংহাসন কাঁপানো বীর, রাজদণ্ডের মহিমান্বিত প্রতীক, রণাঙ্গনের জীবন্ত ইতিহাস, সেনাপতিদের সেনাপতি, কূটনীতির উজ্জ্বল মণিমুকুট— ফ্রান্সের মহামান্য সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের আজ ২৫৬তম জন্মজয়ন্তী।

করসিকা দ্বীপের এক অতি সাধারণ ও মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া একটি বালক কেবল নিজের অদম্য মেধা, শৃঙ্খলা ও তলোয়ারের শক্তিতে বদলে দিয়েছিলেন বিশ্বইতিহাসের গতিপথ। ফরাসি গোলন্দাজ বাহিনীতে একজন সাধারণ জুনিয়র অফিসার বা সিপাহি হিসেবে যাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল, ফরাসি বিপ্লবের উত্তাল দিনে নিজের অতুলনীয় রণকৌশল দেখিয়ে তিনি দ্রুত সামরিক পদোন্নতি লাভ করেন এবং মাত্র ২৪ বছর বয়সে ‘জেনারেল’ পদে উন্নীত হন।

ইতালির রণাঙ্গনে অস্ট্রীয় বাহিনীকে পরাস্ত করে তিনি নিজের সামরিক প্রতিভার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন। এরপর মিসর অভিযানে গিয়ে পিরামিডের পাদদেশে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দেওয়া কিংবা আলেকজান্দ্রিয়ার বুকে ফরাসি পদাঙ্ক আঁকা—সবই তাঁকে সমগ্র ইউরোপের কাছে এক অপরাজেয় কিংবদন্তিতে পরিণত করে। ফ্রান্সে ফিরে তিনি ‘কু দেতা’-এর মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন এবং ‘ফার্স্ট কনসাল’ বা রাষ্ট্রের প্রথম নাগরিক হিসেবে ফ্রান্সের শাসনভার গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে নটরডেম ক্যাথেড্রালে তিনি নিজেকে ফরাসিদের সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেন।

সম্রাট হওয়ার পর অস্ট্রিয়াকে একাধিকবার পরাজিত করে এবং শত শত বছরের পুরনো পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে তিনি ইউরোপের রাজনৈতিক মানচিত্র নতুন করে আঁকেন। ১৮০৫ সালের ঐতিহাসিক ‘অসটারলিটজের যুদ্ধ’—যা ইতিহাসে ‘তিন সম্রাটের যুদ্ধ’ নামে পরিচিত—সেখানে নেপোলিয়নের নিখুঁত সামরিক ফাঁদ ও যুদ্ধকৌশল সামরিক ইতিহাসের অন্যতম সেরা মাস্টারপিস হিসেবে স্থান করে নেয়।

ইউরোপ কাঁপানো যুদ্ধের দামামা আর রাজকীয় জাঁকজমকের মাঝেও নেপোলিয়নের জীবনের এক বিশাল অংশ জুড়ে ছিলেন তাঁর প্রথমা স্ত্রী ও প্রণেত্রী জোসেফাইন। রণাঙ্গনের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাঝেও জোসেফাইনের প্রতি তাঁর আকুল প্রেমপত্রগুলো প্রমাণ করে—একদিকে তিনি যেমন ছিলেন রণক্ষেত্রের কঠোর নির্দেশক, অন্যদিকে ছিলেন এক তীব্র অনুরাগী হৃদয়।

বিশ্বরাজনীতি ও উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে, মহীশূরের বীর ‘মাইসোর টাইগার’ টিপু সুলতানের সাথে তাঁর চিঠি আদান-প্রদান ছিল ইতিহাসের এক অতি সম্ভাবনাময় অধ্যায়। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে গুঁড়িয়ে দিতে টিপু সুলতান ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়নের সাথে সামরিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। নেপোলিয়নও মিসর থেকে ভারতে ব্রিটিশ শক্তির মূল উপড়ে ফেলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। যদি এই দূরবর্তী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতো, তবে বঙ্গসহ সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশদের পতন বহু আগেই ত্বরান্বিত হতো এবং দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস এক নতুন আলোয় পুনর্লিখিত হতো।

কিন্তু ভাগ্যের চাকা চিরকাল এক জায়গায় স্থির থাকে না। ১৮১২ সালে প্রায় ৬ লক্ষ সৈন্যের বিশাল ‘গ্র্যান্ড আর্মি’ নিয়ে তিনি রাশিয়া অভিযান শুরু করেন। তবে রাশিয়ার ‘পোড়ামাটি নীতি’ এবং মস্কোর হাড়কাঁপানো বরফাবৃত শীত তাঁর অপরাজেয় সামরিক শক্তির মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়। এই বিপর্যয়ের পর মিত্রবাহিনী ফ্রান্স আক্রমণ করে এবং তাঁকে সম্রাট পদ থেকে উৎখাত করে ভূমধ্যসাগরের ‘এলবা’ দ্বীপে নির্বাসিত করা হয়।

সিংহের পতন ঘটলেও তাঁর ভেতরে থাকা অদম্য স্পৃহা মেটেনি। এলবা দ্বীপে বন্দি থাকার পরও তিনি অলৌকিকভাবে পালিয়ে ফ্রান্সে ফিরে আসেন এবং পুনরায় ‘১০০ দিন’-এর জন্য ফ্রান্সের ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেন। তবে ১৮১৫ সালের ঐতিহাসিক ‘ওয়াটারলুর যুদ্ধে’ সম্মিলিত মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে তাঁর শেষ লড়াই পরাস্ত হয়।

ওয়াটারলুর পর ইংরেজরা তাঁকে আটলান্টিক মহাসাগরের চরম নির্জন ও সুদূর ‘সেন্ট হেলেনা’ দ্বীপে নির্বাসনে পাঠায় এবং সেই নির্জন দ্বীপে বন্দী অবস্থায় ১৮২১ সালে এই মহানায়কের জীবনের শেষ অধ্যায় রচিত হয়।

আজ বিএনএমপিএসসি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবের ইতিহাস ও দর্শন বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা গভীর শ্রদ্ধায় ও বিস্ময়ে স্মরণ করি এই অদম্য বীরকে- যাঁর নাম উচ্চারিত হলেই আজও ইতিহাসের অশ্বখুরের ধ্বনি গর্জে ওঠে, আর যাঁর পতনহীন মানসিকতা ও মেধা যুগে যুগে বিশ্বজুড়ে নেতৃত্ব ও সাহসের অমর বার্তা ছড়িয়ে যাবে।

মহাবিশ্বের ক্যানভাসঅসীম আঁধারে বুনে যাওয়া এক সুতোহীন শতজাল,তারই বুকে জ্বলে কোটি কোটি কোটি আলোর অনন্ত কাল।কত শত ছায়াপথ ফি...
15/08/2026

মহাবিশ্বের ক্যানভাস

অসীম আঁধারে বুনে যাওয়া এক সুতোহীন শতজাল,
তারই বুকে জ্বলে কোটি কোটি কোটি আলোর অনন্ত কাল।
কত শত ছায়াপথ ফিসফাস করে দূর নীহারিকা-কোণে,
কত আলো ভেসে যায় নীরবতায়, সময়ের দিন গোনে।

এখানে জন্মে নক্ষত্ররাজি, আলো ছড়ায় অপার,
নিভে যায় তারা নিঃশব্দে আবার, ভাঙিয়া অহংকার।
কৃষ্ণগহ্বর লুকিয়ে রেখে গোপন গহন তৃষা,
গিলে খায় আলো, গিলে খায় কাল, মুছে দেয় সব দিশা।

আমরা কেবল ধূলিকণা এক এই মহাকাশ-ভেলায়,
ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র অস্তিত্ব মোদের মহাকালের এ খেলায়।
তবু এই চোখে নক্ষত্র আঁকা, বুকে অসীম তৃষ্ণা,
মহাবিশ্বের বিশালতা মাঝে খুঁজে ফিরি মোদের চেনা ঠিকানা।

মহাশূন্যের নীরব কান্না, আলোর বিচ্ছুরণ,
প্রতিটি কণার স্পন্দনে যেন বিধাতারই বন্দন।
সীমাহীন এই নীলাভ ক্যানভাসে আমরা ক্ষণের আলো,
অন্ধকারের অতলে তব মহাবিশ্বই ভালো।

তোমরা কি জানো?একসময় যে পাখির ডাকে ভারত মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপ মরিশাসের সকাল হতো, যে পাখিটি পৃথিবীর আর কোনো কোণেই বাস করত ...
15/08/2026

তোমরা কি জানো?

একসময় যে পাখির ডাকে ভারত মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপ মরিশাসের সকাল হতো, যে পাখিটি পৃথিবীর আর কোনো কোণেই বাস করত না—সেই 'ডোডো' (Dodo) পাখির হারিয়ে যাওয়া কিন্তু কোনো প্রকৃতির দুর্যোগে ছিল না। সেটি ছিল মানুষের চরম লোভ, অবহেলা আর এক নির্দয় কৌতুকের এক করুণ ট্র্যাজেডি।

লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মরিশাসের নির্জন দ্বীপে ডোডো পাখিরা বেঁচে ছিল সম্পূর্ণ নিশ্চিন্তে। ডাঙায় তাদের শিকার করার মতো কোনো হিংস্র প্রাণী ছিল না। ফলে উড়তে শেখার প্রয়োজনই পড়েনি তাদের; ডানাদুটো ধীরে ধীরে ছোট হয়ে এসেছিল, আর বুকের ভেতর ছিল না কোনো ভয়ের লেশমাত্র। ১৯৫০-এর দশকেও ডোডোদের কাছে মানুষ ছিল একদম অচেনা এক প্রাণী। কিন্তু ষোড়শ শতকে ওলন্দাজ (ডাচ) নাবিকেরা যখন প্রথম সেই দ্বীপে পা রাখল, তখন থেকেই শুরু হলো সেই নিস্পাপ প্রজাতির নিঃশব্দ ধ্বংসলীলা।

উড়তে না পারা, দ্রুত দৌড়াতে না জানা আর মানুষের প্রতি চরম অবিশ্বাস্য বিশ্বাস রাখা ডোডোরা নাবিকদের কাছে ছিল একদম সহজ শিকার। নাবিকরা যখন খিদে পেত, তখন শুধু হেঁটে গিয়ে ডোডোদের গায়ে হাত বাড়িয়ে ধরে ফেলত—পাখিগুলো পালাতেও জানত না! শুধু মানুষই নয়, জাহাজে করে দ্বীপে নিয়ে আসা শুকোর, কুকুর আর ইঁদুরেরা ডোডোদের মাটিতে পাড়া ডিমগুলোকে নির্বিচারে ধ্বংস করতে শুরু করল।

মরিশাসের মাটিতে পা রাখার মাত্র এক শতকের মধ্যে—১৬৮১ সালের দিকে—পৃথিবী থেকে চিরতরে মুছে গেল শেষ ডোডো পাখিটি।

ভাবা যায়? যে প্রাণীটি কোনো দিন কারো ক্ষতি করেনি, যে শুধু আত্মরক্ষার কোনো সুযোগ না পেয়ে মানুষকে বন্ধু ভেবে কাছে এসেছিল, তাকে পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে মানুষের লেগেছিল ১০০ বছরেরও কম সময়! ডোডো পাখিটি ধ্বংস হওয়ার পর পরিবেশবিদরা লক্ষ্য করলেন, মরিশাসের এক বিশেষ প্রজাতির বিশাল গাছও আর নতুন করে বংশবৃদ্ধি করতে পারছে না—কারণ সেই গাছের বীজ ফুটতে ডোডো পাখির পরিপাকতন্ত্রের সাহায্য লাগত। একটা প্রজাতির বিলুপ্তিতে ভেঙে পড়েছিল পুরো দ্বীপের ইকোসিস্টেম।

আজ পৃথিবীর কোনো যাদুঘরেও আস্ত একটা ডোডো পাখির চামড়া বা শরীর সংরক্ষিত নেই-রয়ে গেছে শুধু কয়েক টুকরো হাড় আর আঁকা কিছু ছবি। ডোডোর সেই বোবা চোখের চাহনি আর হারিয়ে যাওয়া কিন্তু বিজ্ঞান ও ইতিহাসের পাতায় এক চরম আফসোস আর হাহাকার হয়ে রয়ে গেছে। মানুষ তার দম্ভ আর অজ্ঞতায় কীভাবে একটি সম্পূর্ণ নিরীহ প্রাণীকে শূন্যতায় মিলিয়ে দিল—'ডোডো' আজও সেই অপরাধবোধের এক বেদনাময় প্রতীক।

ডিজিটাল দুনিয়ার এনালগ চড়,হজম হলে বাড়ে ডর...
15/08/2026

ডিজিটাল দুনিয়ার এনালগ চড়,
হজম হলে বাড়ে ডর...

তোমার উত্তরটি জানিয়ে দাও কমেন্টের মাধ্যমে। ✨
15/08/2026

তোমার উত্তরটি জানিয়ে দাও কমেন্টের মাধ্যমে। ✨

শব্দজট খুলে ফেলো,বুদ্ধির দোলা দিলো।শব্দের গুছিয়ে দাও সারি,কমেন্টে উত্তর দিতেই পারি!🤔
15/08/2026

শব্দজট খুলে ফেলো,
বুদ্ধির দোলা দিলো।
শব্দের গুছিয়ে দাও সারি,
কমেন্টে উত্তর দিতেই পারি!🤔

বাংলা ভাষার শব্দভান্ডার, এক অর্থে অনেক প্রকাশ...(প্রতিশব্দ)
15/08/2026

বাংলা ভাষার শব্দভান্ডার, এক অর্থে অনেক প্রকাশ...
(প্রতিশব্দ)

তোমার পড়া উচিত!ইতিহাসের পাতায় কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের জীবন শেষ হয়ে গেলেও তাঁদের গল্প শেষ হয় না। নেপোলিয়ন বোনাপার্ট...
15/08/2026

তোমার পড়া উচিত!

ইতিহাসের পাতায় কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের জীবন শেষ হয়ে গেলেও তাঁদের গল্প শেষ হয় না। নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তেমনই একজন। যুদ্ধের ময়দান থেকে ফ্রান্সের সিংহাসন, আর সেখান থেকে দূর সেন্ট হেলেনা দ্বীপের নিঃসঙ্গ নির্বাসন—তাঁর জীবন যেন ক্ষমতা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা, বিজয় ও পতনের এক দীর্ঘ উপাখ্যান।

মেমোরিয়াল দ্য সাঁত-এলেন সেই উপাখ্যানের শেষ অধ্যায়ের এক অনন্য দলিল। সেন্ট হেলেনায় নির্বাসিত নেপোলিয়নের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতা ও স্মৃতিচারণের ভিত্তিতে লাস কেজ এই গ্রন্থটি রচনা করেন। এখানে নেপোলিয়ন ফিরে দেখেছেন তাঁর শৈশব, যুদ্ধ, রাজনীতি, সাম্রাজ্য, ইউরোপ এবং নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোকে।

বইটি পড়তে পড়তে নেপোলিয়নকে শুধু একজন সম্রাট বা সেনাপতি হিসেবে নয়, বরং একজন মানুষ হিসেবেও দেখা যায়—যিনি নিজের অতীতকে স্মরণ করছেন, নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন এবং ইতিহাসের কাছে নিজের অবস্থানটি নির্ধারণ করার চেষ্টা করছেন।

তবে এই বইয়ের সৌন্দর্য এখানেই যে, এটি নিছক নিরপেক্ষ ইতিহাস নয়। এটি অনেকটা নেপোলিয়নের নিজের চোখে নেপোলিয়নকে দেখা। তাই তাঁর বক্তব্যের মধ্যে যেমন আত্মবিশ্বাস আছে, তেমনি আছে আত্মপক্ষসমর্থনও। আর সেখানেই বইটি ইতিহাসের পাশাপাশি মানুষের মনস্তত্ত্ব বোঝারও এক অসাধারণ উপকরণ হয়ে ওঠে।

একসময়ের ইউরোপ-কাঁপানো সম্রাট যখন পৃথিবীর এক প্রান্তের ছোট্ট দ্বীপে বসে নিজের অতীতের দিকে ফিরে তাকান, তখন বিজয়ের চেয়েও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে সময়ের নির্মমতা।

মেমোরিয়াল দ্য সাঁত-এলেন তাই শুধু নেপোলিয়নের স্মৃতিকথা নয়—এটি এক পরাজিত সম্রাটের নিজের ইতিহাসকে নিজের ভাষায় বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা।

Address

Birshrestha Noor Mohammad Public College, Peelkhana
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BNMPC Bangla Language & Literature Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to BNMPC Bangla Language & Literature Club:

Shortcuts

Share

Category