26/06/2025
ইসলামের দৃষ্টিতে বৃক্ষরোপনের উপকারিতা, আসুন চলতি মৌসুমে সাধ্যমত গাছ লাগাই!
"আল্লাহ তায়ালার অসংখ্য নিয়ামতের মাঝে গাছপালা অন্যতম। কুরআন মাজীদে অনেক বার আল্লাহ তায়ালা বৃক্ষরাজির কথা আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। জীবন ধারনের জন্য অক্সিজেনের জোগান আসে এই গাছপালারই মাধ্যমে। জুন-জুলাই-আগস্ট মাস গাছ লাগানোর জন্য উপযুক্ত সময়। আসুন পরিবেশের কথা চিন্তা করে ও সাদকায়ে জারিয়ার অংশ হিসাবে সাধ্য মত গাছ লাগাই। পরিবারের ছোটদেরকে সাথে নিয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন করি।
বৃক্ষরোপনের কিছু উপকারিতা:
গাছ লাগানো সাদাকা হিসাবে বিবেচিত হয়। যদি তার ফলমূল থেকে মানুষ বা পশুপাখি উপকৃত হয়।
এমন কি কেউ যদি গাছের ফল চুরি করে, তবুও গাছের মালিক সাদাকার সওয়াব পাবেন।
বৃক্ষরোপনকারীর মৃত্যুর পরও ঐ গাছের দ্বারা সাদাকার সওয়াব পাওয়া যায়। যত দিন গাছটি উপকারে আসে।
চাষাবাদ বা আর্থিক উদ্দেশ্যে যিনি গাছ লাগান, তিনি যদি পাশাপাশি মানবজাতি ও পরিবেশের উপকারের নিয়ত করেন তাহলেও ইনশাআল্লাহ তিনি সওয়াব পাবেন। পাশাপাশি আর্থিক ভাবেও লাভবান হবেন।
বৃক্ষরোপনের সামাজিক আন্দোলন শুরু করি আজ থেকেই। একজনের পক্ষে ১ কোটি চারাগাছ রোপন করা কঠিন কাজ। কিন্তু ১ কোটি মানুষ মিলে কাজটি খুব সহজেই করে ফেলা যায়। তাই আসুন গাছ লাগাই, সৃষ্টির সেবা করি, পরিবেশ রক্ষা করি।"
19/06/2025
প্রতিদিন আপনাদের সাথে অনেক পরিচিত বা অপরিচিত মানুষের সাথে দেখা হয় ও কথা হয়।
সর্বদা চেষ্টা করবেন প্রতিটি মানুষের কাছে নিজের মুগ্ধতা ছড়িয়ে দিতে।
কারন সেই মানুষ গুলো আপনার জীবনে দ্বিতীয় বার নাও আসতে পারে বা দেখা নাও হতে পারে। ❤️
17/04/2024
প্রয়োজনের সময় কেউ যোগাযোগ করলে অনেকেই বিরক্ত হন।রেগে গিয়ে ভাবেন,এমনিতে খোঁজ নেয়না, কাজের সময় অমনি কথা বলছে।ব্যাটা স্বার্থপর!
কিন্তু মানুষের প্রয়োজনের সময় কাজে লাগতে পারাটাই তো আসল,তাই না!আজকের এই প্রচণ্ড গতিশীল সময়ে কেউ যে তার কোন দরকারে বা বিপদে আপনাকে মনে করেছে,এতেই মানুষ হিসেবে আপনার গর্বিত হওয়া উচিৎ।কারণ আপনি তার কাছে নিজের সেই নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণ করতে পেরেছেন।আর তা কি আপনার নিজেরও এচিভমেন্ট নয়?
মানুষের প্রয়োজনে তার পাশে থাকলে,সাধ্যমত সাহায্য করলে যে স্বর্গীয় অনুভূতিটা আসে,তা কিন্তু কাঁড়ি কাঁড়ি টাকাতেও মেলে না।
09/10/2023
একজন ধার্মিক বন্ধু আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যেতে পারে ইনশাআল্লাহ।
27/09/2023
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আমি কি তোমাদেরকে এমন লোকের সংবাদ দিব না? যার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম হয়ে যায়; আর আগুনও তাকে স্পর্শ করতে পারবে না। এমন প্রত্যেক ব্যক্তি যার মেজায নরম, স্বভাব কোমল, মানুষের নিকটতম (মিশুক) এবং আচরণ সরল সহজ’ (আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৫০৮৪)।
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘ঈমানদার মানুষ সরল ও ভদ্র হয়। পক্ষান্তরে পাপী মানুষ ধূর্ত ও হীন চরিত্রের হয়’ (তিরমিযী হা/১৯৬৪; মিশকাত হা/৫০৮৫)।
14/09/2023
তওবা
০১. বান্দা যখন অপরাধ স্বীকার করে এবং তওবা করে, তখন আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন। -সহিহ বোখারি
তওবা মানে ফিরে আসা। তওবা করার অর্থ হলো- অন্যায়, অপরাধ ও ভুল হয়ে গেলে তা স্বীকার করে সে জন্যে অনুশোচনা করা ও তা থেকে, ফিরে আসা এবং এমন কাজ আর কখনও না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া।
০২. সব আদম সন্তানই ভুল করে। তবে এদের মধ্যে উত্তম হলো- তারা যারা ভুলের জন্যে তওবা করে। -তিরমিজি