১৩. হে মানুষ! আমরা তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী হতে(১), আর তোমাদেরকে বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমরা একে অন্যের সাথে পরিচিত হতে পার।(২) তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সে ব্যক্তিই বেশী মর্যাদাসম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে বেশী তাকওয়াসম্পন্ন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সম্যক অবহিত।
(১) আল্লাহর এ বাণীটিই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার বিভিন্ন বক্তৃতা ও উক্তিতে আরো স্পষ্ট করে বর্ণনা করেছেন। যেমন-মক্কা বিজয়ের সময় কা'বার তাওয়াফের পর তিনি যে বক্তৃতা করেছিলেন তাতে বলেছিলেনঃ “সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি তোমাদের থেকে জাহেলিয়াতের দোষ-ত্রুটি ও অহংকার দূর করে দিয়েছেন। হে লোকেরা! সমস্ত মানুষ দু’ ভাগে বিভক্ত। এক, নেককার ও পরহেজগার যারা আল্লাহর দৃষ্টিতে মর্যাদার অধিকারী। দুই, পাপী ও দুরাচার যারা আল্লাহর দৃষ্টিতে নিকৃষ্ট। অন্যথায় সমস্ত মানুষই আদমের সন্তান। আর আদম মাটির সৃষ্টি।” [তিরমিযী: ৩১৯৩]
অনুরূপভাবে, বিদায় হজ্জের সময় আইয়ামে তাশরীকের মাঝামাঝি সময়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বক্তৃতা করেছিলেন। তাতে তিনি বলেছিলেন, “হে লোকজন! সাবধান তোমাদের আল্লাহ একজন। কোন অনারবের ওপর কোন আরবের ও কোন আরবের ওপর কোন অনারবের কোন কৃষ্ণাঙ্গের ওপর শ্বেতাঙ্গের ও কোন শ্বেতাঙ্গের ওপর কৃষ্ণঙ্গের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই আল্লাহভীতি ছাড়া। তোমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশী আল্লাহভীরু সেই আল্লাহর কাছে সর্বাধিক মর্যাদাবান। আমি কি তোমাদেরকে পৌঁছিয়েছি? তারা বলল, আল্লাহর রাসূল পৌঁছিয়েছেন। তিনি বললেন, তাহলে যারা এখানে উপস্থিত আছে তারা যেন অনুপস্থিত লোকদের কাছে এ বাণী পৌছিয়ে দেয়।” [মুসনাদে আহমাদ: ৫/৪১১]
অন্য হাদীসে এসেছে, “তোমরা সবাই আদমের সন্তান। আর আদমকে মাটি দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছিল। লোকজন তাদের বাপদাদার নাম নিয়ে গর্ব করা থেকে বিরত হোক। তা না হলে আল্লাহর দৃষ্টিতে তারা নাক দিয়ে পায়খানা ঠেলে এমন নগণ্য কীট থেকেও নীচ বলে গণ্য হবে।” [মুসনাদে বাযযার: ৩৫৮৪] আর একটি হাদীসে তিনি বলেছেনঃ “আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন তোমাদের বংশ ও আভিজাত্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন না। তোমাদের মধ্যে যে বেশী আল্লাহভীরু সে-ই আল্লাহর কাছে সর্বাধিক মর্যাদার অধিকারী”। [ইবনে জারীর: ৩১৭৭২] আরো একটি হাদীসের ভাষা হচ্ছেঃ “আল্লাহ তা'আলা তোমাদের চেহারা-আকৃতি ও সম্পদ দেখেন না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও কাজ-কর্ম দেখেন।” [মুসলিম: ২৫৬৪, ইবনে মাজাহ: ৪১৪৩]
(২) কোন কোন মুফাসসিরের মতে, বড় বড় গোত্রকে سعوب আর তার চেয়ে ছোট গোত্রকে قبائل বলা হয়। অপর কারও মতে, অনারব জাতিসমূহের বংশ পরিচয় যেহেতু সংরক্ষিত নেই সেহেতু তাদেরকে سعوب বলা হয় এবং আরব জাতিসমূহের বংশ পরিচয় সংরক্ষিত আছে, তাদেরকে قبائل বলা হয়। [দেখুন: কুরতুবী, ফাতহুল কাদীর]
সখের রেসিপি-Amateurism Recipes
নিষাদের গল্প ও কবিতা আপনার ছবি, জীবন বৃত্তান্ত, ফোন নাম্বার ও যোগাযোগের ঠিকানাসহ আপনার রেসিপি লিখে doc/jpeg আকারে অ্যাটাচ করে পেইজে ইনবক্স করুন ।
সমুদ্র দেখার জন্য মাইলের পর মাইল হেঁটে দক্ষিণে যাবার কোনো প্রয়োজন নেই 🥀🏞️
প্রতিটি মানুষের মধ্যেই একটা করে সমুদ্র আছে এবং দুঃখের সমুদ্র, সে সমুদ্রের জল ও লোনা !😔🌠
Made By - নিষাদ আফসারী
নক্ষত্রের রাত - হুমায়ূন আহমেদ
একটা প্রেমের গান লিখেছি
゚
🪗📽️🎭গানের ই খাতায় স্বরলিপি লিখে বলো কি হবে 🎬📺 পুরনো দিনের বাংলা সিনেমার গান 🍿🍂🌿
#বাংলাগান #বাংলাসিনেমা
#গান
নিষাদ আফসারী
চা এবং কফি বানানোর যে টিপস যা ইউটিউবে পাবেন না 🌴📽️🎥🌻🪗📻🪘🎨🟡🦜🪻🌿
03/01/2025
ঝুমকা
দাম: 120
দয়া করে আমাকে এই পেইজ থেকে রিমুভ করুন।
13/03/2018
কোন ফলগুলো ত্বকের রং ফর্সা করে?
আমাদের ত্বকের রঙ গাড় হয় মেলানিন নামে একটি রঞ্জক ত্বকে উপস্থিত থাকার কারণে। বয়স, অতিরিক্ত রোদে পোড়া, স্ট্রেস, গরমে বেশি সময় কাজ করাসহ নানাবিধ কারণে ত্বকে মেলানিনের উৎপাদন বেড়ে যায়, ফলে ত্বক ক্রমশ কালো হয়ে যেতে থাকে। ত্বকে দেখা দেয় কালো ছোপ, অসমান ত্বকের রঙ, মেছতা, কালো তিল, পিগমেনটেশন সহ নানান রকমের সমস্যা।
ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করে তোলার জন্য আছে নানান রকমের চিকিৎসা, প্রসাধনী দ্রব্য। কিন্তু আপনি চাইলে, কেবল সাধারণ কিছু ফলের মাধ্যমেই কালো দাগছোপ দূর করে ত্বককে করে তুলতে পারেন উজ্জ্বল ও তারুণ্যের জেল্লাময়। কীভাবে? তাহলে আজ জেনে নিন কোন ফলগুলো ত্বক ফর্সা করে এবং কীভাবে সেগুলো ব্যবহার করবেন।
ত্বক ফর্সা করতে সাহায্য করা ফলগুলো
যেসব ফলে সাইট্রিক এসিড ও ভিটামিন সি আছে, সেগুলো সবই ত্বকের জন্য ভালো। অর্থাৎ লেবু বা কমলা কিংবা এমন টক জাতীয় সকল ফল ত্বক ফর্সা করে তুলতে ভূমিকা রাখে। সব টক জাতীয় ফল আপনি খেতে পারেন, কিন্তু রূপচর্চায় ব্যবহারের জন্য লেবু বা কমলাই সবচাতে উপকারী। এতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের কালোদাগ দূরে করে ফর্সা করে এবং রোদে পোড়া দাগ কমায়, অতিরিক্ত মেলানিনের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে।
অন্যদিকে টমেটো কেবল খেতে ভালো না, ত্বকের রং ফর্সা করতেও দারুণ। টমেটোকে বলা হয় প্রাকৃতিক ব্লিচ। তবে লেবু বা টমেটো রূপচর্চায় ব্যবহার পর কিছুক্ষণের জন্য ত্বক সেনসিটিভ হয়ে পড়ে বিধায় রোদে যাওয়া ঠিক নয়। রোদে যেতে হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করে তবেই যাওয়া ভালো।
আরেকটি ফল আছে, কাঁচা পেঁপে। পেঁপেতে আছে প্যাপেইন নামক একটি উপাদান, সেটাও প্রাকৃতিক ভাবে কালো দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
পদ্ধতি ১- টক কমলা বা লেবুর রস বের করে নিন। ১ চামচ রসের সাথে ১ চামচ চিনি মিশিয়ে স্ক্রাবার তৈরি করে নিন। এটা মুখে ও শরীরে ম্যাসাজ করে লাগান। ২ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।
পদ্ধতি ২- টমেটোর ভেতরের বীজ ওয়ালা অংশ বের করে নিন, একে পাল্প বলে। এই পাল্পের সাথে মধু ও ভিটামিন ই মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করুন। মুখে ও শরীরে মেখে শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এটা সপ্তাহে ৩ দিন করতে পারেন।
পদ্ধতি ৩- পেঁপের মাস্ক তৈরি জন্য কাঁচা পেঁপে বাটা নিন ২/৩ চামচ। এর সাথে এক চামচ করে মধু, অলিভ অয়েল, লেবুর রস ও চিনি মিশিয়ে নিন। ভালো করে ম্যাসাজ করে মুখে ও শরীরে লাগান। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার করতে পারেন।
রূপচর্চা যেটাই করুন না কেন, ভালো ফল পেতে নিয়মিত করুন। প্রাকৃতিক পণ্যে রূপচর্চা নিয়মিত চালিয়ে যেতে হয়।
13/03/2018
নিজেকে সুন্দর করে তুলতে শসার ৩ ব্যবহার
শসা ফলটি সালাদে দারুণভাবে সমাদৃত। কাঁচা খেতে ভালো লাগলেও একটু পাকা শসা অনেক অঞ্চলেই রেঁধে খাওয়া হয় সবজির মতন। মাছ বা মুরগির সাথে রাঁধলেও বেশ লাগে। এখন যদি বলি, এই শসাকেই দারুণভাবে ব্যবহার করা সম্ভব আপনার রোজকার রূপচর্চায়?
হ্যাঁ, হরেক গুণের এই শসা কোনো রকম বাড়তি পরিশ্রম ছাড়াই আপনার সৌন্দর্য রুটিনে একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পেতে পারে।
আপনি নারী হোন আর পুরুষ হোন, নিজেকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় রাখতে শসার তিনটি দারুণ ব্যবহার জেনে নিন আজ। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই কাজে আসবে এই টিপসগুলো। ওজন কমানো থেকে শুরু করে ব্রণ দূর করা ও ত্বক সুন্দর রাখা, সবই থাকছে থাকছে আজকের লিখায়। পড়ুন :
ওজন কমানোর জন্য
শসা এমন একটি খাদ্য যা ওজন কমানোর জন্য অনেক বেশি উপকারী। কঠোর ডায়েট করতে হবে না, কেবল নিজের খাদ্যতালিকায় যোগ করুন শসা। তিনবেলা খাবারের সাথে বড় এক কাপ শসার সালাদ খাওয়া অভ্যাস করে নিন। এতে খাবার তো অনেক কম গ্রহণ করা হবেই, অন্যদিকে খাবার দ্রুত হজম হয়ে যাবে। শসা আমাদের মেটাবলিজম বাড়ানোর পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করে। তবে হ্যাঁ, শসায় এসিডিটির সমস্যা হয়ে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।
ব্রণের সমস্যা দূর করতে
ব্রণের সমস্যা দূর করতে শসাকে ব্যবহার করুন মাস্ক হিসেবে। সমপরিমাণ শসার রস, নিম পাতার রস ও মধু মিশিয়ে নিন। এটা মুখে মেখে অপেক্ষা করুন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। একদিন পর পর ব্যবহার করলে ব্রণ কখনো আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না।
ত্বকের কালো দাগ দূর করে উজ্জ্বল ত্বক পেতে
এ ক্ষেত্রে শসা ব্যবহার করুন খুব সহজ পদ্ধতিতে। মুখ ধুয়ে তাজা শসার রস তুলোর সাহায্যে মুখে লাগিয়ে নিন রাতে ঘুমানোর আগে। শুকিয়ে গেলে সেভাবেই ঘুমিয়ে পড়ুন, সকালে ধুয়ে ফেলবেন। চোখের নিচের কালো দাগ সহ আরও অনেক দাগছোপ মুছে গিয়ে ত্বক হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত।
Click here to claim your Sponsored Listing.