স্পর্স

স্পর্স

Share

JUST THOUGHT EDUCATION CONSULTANT (JTEC)" IS AN INTERNATIONAL STUDENT CONSULTANCY INSTITUTE IN DHAKA.

20/06/2020

পূর্ব রাজাবাজারের মানুষের আবদার; রাত চারটায় কোমল পানীয়, রাত দুইটায় আইসক্রিম অথবা রাত ১২টায় বয়লার মুরগীর জন্য ফোন!

16/06/2020

শ্বশুরও বাবা!

16/06/2020
11/06/2020

কথা কি ঠিক নাকি ?

09/06/2020

07/06/2020

একটু বিনোদন...!!

07/06/2020

বেশি বেশি শেয়ার করুন! :)

06/06/2020

সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মাস্ক পরা, জনসমাগম এড়িয়ে চলা এসব তো করা হচ্ছে কিন্তু কিছু কিছু ভুল যা অজান্তে হয়ে যাচ্ছে। সবাই চেষ্টা করবো এই পয়েন্ট গুলো খেয়াল রেখে আরও বেশি সচেতন হওয়ার।
 
◾হাত ধোয়ার সময় ট্যাপের মাথা সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিবেন। যারা টিউবওয়েল ব্যবহার করেন তারা কলের হাতল ভালো ভাবে সাবান লাগিয়ে নিবেন। নয়তো হাত ধোয়ার পরেও ভাইরাস আবার হাতে লেগে যাবে। মনে রাখবেন মানব দেহের পর করোনা ভাইরাসের সবচেয়ে প্রিয় স্থান হচ্ছে স্টিল লোহা ইত্যাদি ধাতব পদার্থ। এসব স্থানে তারা কয়েকদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
 
◾হাত ধোয়ার কথা অনেক শুনেছেন কখনো পা ধোয়া নিয়ে ভেবেছেন? পা কিন্তু ভাইরাস বহনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। করোনা ভাইরাস যেহেতু তুলনামূলক ওজনে ভারি তাই এই ভাইরাস হাঁচি-কাশি থেকে ছড়িয়ে মাটিতে পড়ে থাকে বেশি। নিচ থেকে পায়ের স্পর্শ পাওয়া ভাইরাসের কাছে খুব সহজ। যতই সাবধানে পা ফেলেন না কেন ধুলাবালি পায়ে লাগবেই। তাই বাহির থেকে এসে পা সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
 
◾বাইরে থেকে ধুলাবালি পাড়িয়ে এসে জুতা সাবধানে নিরাপদ স্থানে রাখুন। খালি পায়ে বাসায় প্রবেশ করবেন না। প্রবেশের আগে বাসার স্যান্ডেল পরে নিন এরপর ধোয়ার জন্য ওয়াশরুমের দিকে চলে যান। যাদের বাহিরে ধোয়ার ব্যবস্থা আছে তারা বাহির থেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে এরপর বাসায় ঢুকুন। পা ঘষে ধোয়ার সময় পরনের স্যান্ডেলটা ঘষে নিতে ভুলবেন না।
 
◾দীর্ঘ সময় বাহিরে থাকলে কিংবা জনসমাগম এরিয়ায় হাঁটাচলা করে আসলে পরিধেয় জামাকাপড় খুলে নিরাপদ স্থানে রেখে দিন যাতে কারো হাত না পড়ে। সেই জামা ধুয়ে দিলে ভালো, না ধুলেও সমস্যা নেই, দুই তিন দিন পর বের করে আবার ব্যবহার করবেন। ভাইরাস কাপড়ে লেগে থাকলেও সেগুলো দুই তিনদিনে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। একইভাবে মাস্ক, মানিব্যাগ, ঘড়ি এসব খুলে নিরাপদ স্থানে রেখে দিন যাতে তৎক্ষণাৎ কারো হাত না পরে। মানিব্যাগ এবং টাকা খুবই ভয়ংকর জিনিস। বাসায় ফেরার পর এসব যতবার হাতে নিবেন ততোবার সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলবেন।
 
◾বাজারের ব্যাগ, শপিং ব্যাগ, পলিথিন, দ্রব্য সামগ্রী যেকোনো কিছুতেও ভাইরাস থাকতে পারে কিন্তু সবকিছু পরিষ্কার করা চাইলেও সম্ভব না। এজন্য চেষ্টা করবেন বাইরে থেকে নিয়ে আসা জিনিসপত্র কমপক্ষে বারো ঘন্টা সেভাবেই ঘরের এক কোণে ফেলে রাখার। সময় যত পার হবে ভাইরাস ততই নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। তাই নিয়ে আসা সামগ্রী তৎক্ষণাৎ হাত না দেওয়াই ভালো। দিলেও মনে করে হাত ধুয়ে নিতে ভুলবেন না।
 
◾সবকিছু ধৌত করে গোসল করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়েও একটা জিনিস পরিষ্কার করতে অনেকে ভুলে যায়, সেটা হচ্ছে চশমা। যারা চশমা পরেন তারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নের সময় চশমা ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিবেন। স্বচ্ছ গ্লাসেও করোনা ভাইরাস দীর্ঘ সময় জীবিত থাকতে পারে।
 
◾বাসায় অল্প পরিমাণ হলেও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা উচিৎ। কিছু কিছু জিনিস আছে যা পানিতে ধুয়া যায় না। এরমধ্যে অন্যতম ভাইরাসবাহী বস্তু হচ্ছে মোবাইল ফোন। বাইরে মোবাইল ব্যবহার করা হলে বাসায় এসে হেক্সাসল অর্থাৎ হ্যান্ড স্যানিটাইজার পদার্থ তুলায় নিয়ে ঘষে মোবাইল জীবাণুমুক্ত করে নিবেন। একইভাবে বাহিরের কলিং বেলের সুইচ এটা দিয়ে মাঝেমধ্যে পরিষ্কার করে নিবেন কারণ সেখানে বহিরাগতদের নোংরা হাত বেশি লেগে থাকে।
 
◾বাসার লোহার গেইটের হাতল, দরজার হাতল, তালাচাবি মাঝেমধ্যে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে নিবেন। এসব স্থানে হাত বেশি লাগে এবং ভাইরাস দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকে। আপনি চাইলে দশ লিটার পানিতে এক টেবিল চামচ ব্লিচিং পাউডার মিশিয়ে ভাইরাস জীবাণু নাশক পানি তৈরি করতে পারেন। মিশ্রিত স্বচ্ছ পানিটুক দিয়ে এসব জিনিসপত্র ভাইরাস মুক্ত করে নিতে পারবেন। এই পানি ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র অথবা ঘর মোছার সময়েও ব্যবহার করা যাবে।
 
করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে যেভাবে ছড়াচ্ছে একটা সময় প্রত্যেকের বাসার বাহিরে করোনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবে। এমন অবস্থা তৈরি হতে খুব বেশি দেরি নেই। তখন ভাইরাসরা আপনার করা ছোট্ট একটি ভুলের অপেক্ষায় থাকবে। তাই সচেতনতার বিকল্প কিছু নেই। কে নিয়ম মানলো নাকি মানলো না সেটা নিয়ে না ভেবে নিজে সচেতন হয়ে যাই। ভাইরাস ঘরে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে মনোযোগ দেই। অন্যান্য বাকিসব নির্দেশনা তো মুখস্থ হয়েই আছে, সেগুলো যেন অবহেলা না করি। অনেকের করোনা নিয়ে গা ছাড়া ভাব। তাদের ভাষায় করোনা হলে হলো, কম বয়সীদের মরার চান্স বেশি নাই, কিছুদিন ভুগে ভালো হয়ে যাবো। তাদেরকে বলছি আপনি অবশ্যই বাসায় একা বসবাস করেন না, আপনার পরিবার পরিজনেরা আছে। বিশ্বে প্রতি একশো আক্রান্ত বৃদ্ধ রোগীর মাঝে পনের জন করে মারা যাচ্ছে। তাদের উন্নত চিকিৎসা, ভেন্টিলেটর এসব থাকার পরেও এই অবস্থা। আমাদের দেশের চিকিৎসা সেবা হিসেব করলে অনুমান করা যায় একশো বয়স্ক মানুষ আক্রান্ত হলে পঞ্চাশ জনই মারা যেতে পারে।
 

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

House # KA-40/2 (Lavel-5) South Baridhara, Nadda Bus Stand, (Near Foot Overbridge) Shahid Harez Sorok
Dhaka
1229