07/05/2026
বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী ব্যক্তি ২০২৬: প্রযুক্তির দখলে সম্পদের সাম্রাজ্য
দ্য ফিনগ্রাফ | বিশেষ প্রতিবেদন || ০২ মে, ২০২৬
২০২৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকা আবারও প্রমাণ করেছে—আজকের অর্থনীতি মূলত প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উপর দাঁড়িয়ে আছে। Forbes–এর সাম্প্রতিক তালিকা অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী ব্যক্তির বেশিরভাগই প্রযুক্তি খাতের সাথে যুক্ত, যা ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক শক্তির দিক নির্দেশ করে।
➡️ ২০২৬ সালের শীর্ষ ১০ ধনী ব্যক্তি (Forbes অনুযায়ী)
১. ইলন মাস্ক (Elon Musk)
২. ল্যারি পেজ (Larry Page)
৩. সের্গেই ব্রিন (Sergey Brin)
৪. জেফ বেজোস (Jeff Bezos)
৫. মার্ক জাকারবার্গ (Mark Zuckerberg)
৬. ল্যারি এলিসন (Larry Ellison)
৭. মাইকেল ডেল (Michael Dell)
৮. জেনসেন হুয়াং (Jensen Huang)
৯. রব ওয়ালটন (Rob Walton)
১০. জিম ওয়ালটন (Jim Walton)
➡️ কেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা শীর্ষে?
২০২৬ সালের তালিকা বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয় স্পষ্ট—Big Tech dominates wealth
▫️ইলন মাস্কের সম্পদের বড় অংশ এসেছে Tesla ও SpaceX থেকে
▫️Google-এর প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন এখনও শীর্ষে
▫️Meta (Facebook)-এর মার্ক জাকারবার্গ ও Amazon-এর জেফ বেজোসও তালিকায় শক্ত অবস্থানে
▫️AI ও সেমিকন্ডাক্টর বিপ্লবের কারণে Nvidia-এর CEO জেনসেন হুয়াং প্রথমবারের মতো টপ ১০-এ উঠে এসেছেন—যা প্রযুক্তির নতুন যুগের ইঙ্গিত দেয়।
➡️ সম্পদের বৈষম্য: বাস্তবতা কী বলছে?
২০২৬ সালে বিশ্বে মোট বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩,৪২৮ জন, যাদের মোট সম্পদ প্রায় ২০.১ ট্রিলিয়ন ডলার।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলে—
👉 বিশ্বে ধনী আরও ধনী হচ্ছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবন কি সেই গতিতে উন্নত হচ্ছে?
➡️ The Fingraph ইনসাইট
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এই তালিকার বড় শিক্ষা হলো:
১. প্রযুক্তি হলো নতুন সম্পদের চাবিকাঠি:
স্টার্টআপ, AI, ফিনটেক—এই সেক্টরগুলোতেই ভবিষ্যতের সুযোগ।
২. উদ্যোক্তা মানসিকতা অপরিহার্য:
এই তালিকার প্রায় সবাই প্রতিষ্ঠাতা বা উদ্যোক্তা।
৩. পুঁজিবাজার ও উদ্ভাবনের সংযোগ:
যেসব কোম্পানি উদ্ভাবনে এগিয়ে, তারাই বিনিয়োগকারীদের কাছে বেশি মূল্যবান।
🇧🇩 বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা
বাংলাদেশের তরুণদের জন্য বার্তা স্পষ্ট:
▫️শুধু চাকরি নয়, value creation–এ মনোযোগ দিতে হবে
▫️ প্রযুক্তি ও ফিন্যান্স একসাথে বুঝতে হবে
▫️গ্লোবাল চিন্তা না করলে বড় হওয়া কঠিন
➡️ শেষ কথা
২০২৬ সালের এই তালিকা শুধু ধনীদের তালিকা নয়—এটি একটি ভবিষ্যতের রোডম্যাপ। যেখানে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং সাহসী সিদ্ধান্তই তৈরি করছে নতুন অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য।
24/04/2026
উপায় (upay)-এর সিইও হিসেবে শ্যামল বরণ দাসের নিয়োগ: লক্ষ্য নেক্সট-জেন ফিনটেক প্রবৃদ্ধি
দ্য ফিনগ্রাফ || ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
ঢাকা || করপোরেট লিডারশিপ আপডেট
বাংলাদেশের দ্রুত পরিবর্তনশীল মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (MFS) বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করতে উপায় (upay) আনুষ্ঠানিকভাবে শ্যামল বরণ দাস-কে তাদের নতুন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (CEO) হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।
দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অধিকারী জনাব দাস উপায়ের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন বা রূপান্তরের যাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন এবং প্রতিযোগিতামূলক ফিনটেক বাজারে কোম্পানির অংশীদারিত্ব বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
➡️ ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের অভিজ্ঞ সেনানী
ব্যাংকিং এবং প্রযুক্তি খাতে শ্যামল বরণ দাস একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। গ্রাহক-কেন্দ্রিক ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরির ক্ষেত্রে তার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। উপায়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শীর্ষস্থানীয় পদে দায়িত্ব পালন করেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
▫️ অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর, নগদ (Nagad)
▫️ ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিআইও, মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড
▫️ চিফ ডিজিটাল অফিসার, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড
▫️ সিইও, ব্র্যাক আইটি সার্ভিসেস লিমিটেড
ডিজিটাল ওয়ালেট, এজেন্ট ব্যাংকিং এবং এসএমই (SME) খাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নে তার গভীর অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের আধুনিক আর্থিক কাঠামো গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
➡️ একাডেমিক ও বৈশ্বিক স্বীকৃতি
জনাব দাসের সুযোগ্য নেতৃত্বের মূলে রয়েছে তার চমৎকার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড। তিনি ব্যাঙ্গালোর ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিগ্রি এবং লন্ডনের রয়্যাল হলোওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি-তে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন।
এ ছাড়া তিনি বিশ্বের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে করনেল (Cornell), হার্ভার্ড, এমআইটি স্লোন (MIT Sloan), অক্সফোর্ড, ইনসেড (INSEAD), কলাম্বিয়া বিজনেস স্কুল এবং লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স (LSE)।
➡️ উপায়ের জন্য কৌশলগত প্রত্যাশা
ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে উপায় বর্তমানে তাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার দিকে নজর দিচ্ছে। জনাব দাসের নেতৃত্বে ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞরা যা প্রত্যাশা করছেন:
১. পণ্যের উদ্ভাবন: আরও বৈচিত্র্যময় এবং সহজবোধ্য ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল টুলস প্রবর্তন।
২. স্কেলেবিলিটি: ক্রমবর্ধমান গ্রাহক সংখ্যা সামলাতে ব্যাক-এন্ড ইনফ্ল্যাস্ট্রাকচার বা অবকাঠামোগত উন্নয়ন।
৩. আর্থিক অন্তর্ভুক্তি: ডিজিটাল বিভাজন কমিয়ে আনতে এজেন্ট নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ পর্যায়ে সেবা পৌঁছে দেওয়া।
➡️ দ্য ফিনগ্রাফ ইনসাইট
এই নিয়োগ বাংলাদেশের এমএফএস খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবণতাকে নির্দেশ করে: যা হলো কেবল "যেকোনো মূল্যে প্রবৃদ্ধি" থেকে সরে এসে "অভিজ্ঞতা-নির্ভর কৌশলগত উদ্ভাবন"-এর দিকে যাত্রা। বাজার যত পরিপক্ক হচ্ছে, শ্যামল বরণ দাসের মতো একজন ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন বিশেষজ্ঞের আগমন ইঙ্গিত দেয় যে, উপায় এখন আরও প্রযুক্তি-নিবিড় প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই পদক্ষেপ বর্তমান বাজার ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে এবং প্রতিযোগীদের তাদের ডিজিটাল ইন্টিগ্রেশন কৌশলগুলো নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করতে পারে।
24/04/2026
𝙎𝙝𝙮𝙖𝙢𝙤𝙡 𝘽𝙤𝙧𝙖𝙣 𝘿𝙖𝙨 𝘼𝙥𝙥𝙤𝙞𝙣𝙩𝙚𝙙 𝙖𝙨 𝘾𝙀𝙊 𝙤𝙛 𝙪𝙥𝙖𝙮 𝙩𝙤 𝘿𝙧𝙞𝙫𝙚 𝙉𝙚𝙭𝙩-𝙂𝙚𝙣 𝙁𝙞𝙣𝙩𝙚𝙘𝙝 𝙂𝙧𝙤𝙬𝙩𝙝
The Fingraph || April 24, 2026
Dhaka || Corporate Leadership Update
In a strategic move to fortify its position in Bangladesh’s rapidly evolving Mobile Financial Services (MFS) market, upay has officially announced the appointment of Shyamol Boran Das as its new Chief Executive Officer (CEO).
With a career spanning over 25 years, Mr. Das is expected to spearhead upay’s digital transformation journey and accelerate its market share in the competitive fintech landscape.
➡️ A Veteran in Digital Transformation
Mr. Das is a recognized leader in the banking and technology sectors, known for his expertise in building customer-centric digital ecosystems. Prior to joining upay, he held several high-profile executive positions, including:
▫️ Additional Managing Director at Nagad
▫️ Deputy Managing Director & CIO at Meghna Bank Limited
▫️ Chief Digital Officer at BRAC Bank Limited
▫️ CEO of BRAC IT Services Limited
His deep-rooted experience in digital wallets, agent banking, and inclusive finance for SMEs has been instrumental in shaping the modern financial architecture of Bangladesh.
➡️ Academic and Global Credentials
Mr. Das’s leadership is backed by an impressive academic foundation. He holds a degree in Computer Science & Engineering from Bangalore University and a Master’s degree in Information Management & Security from Royal Holloway, University of London.The furthermore, he has completed multiple executive leadership programs from world-renowned institutions, including Cornell, Harvard, MIT Sloan, Oxford, INSEAD, Columbia Business School, and the London School of Economics (LSE).
➡️ Strategic Outlook for upay
As the fintech subsidiary of UCB Fintech Company Limited, upay is currently focusing on scaling its operations. Under Mr. Das’s leadership, the industry expects:
1. Product Innovation: Introduction of more diversified and user-friendly digital financial tools.
2. Scalability: Enhancing the backend infrastructure to support a growing customer base.
3. Financial Inclusion: Strengthening agent networks and rural reach to bridge the digital divide.
➡️ The Fingraph Insight
This appointment underscores a critical trend in the Bangladeshi MFS sector: the transition from "growth-at-all-costs" to "strategic innovation led by experience." As the market matures, the entry of a seasoned digital transformation expert like Shyamol Boran Das indicates that upay is gearing up for a more tech-intensive competition. This move could potentially disrupt the current market dynamics, forcing other players to rethink their digital integration strategies.
14/04/2026
📊🌿 শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ 🌿📊
Finance Club Bangladesh এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নতুন বছরের এই প্রারম্ভ হোক নতুন চিন্তা, নতুন পরিকল্পনা ও সঠিক আর্থিক সিদ্ধান্তের সূচনা।
আসুন, আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলি সচেতন, দক্ষ ও আর্থিকভাবে শক্তিশালী একটি সমাজ।
পুরনো বছরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে
নতুন বছরে এগিয়ে যাই আরও স্মার্ট ফাইন্যান্সিয়াল মাইন্ডসেট নিয়ে।
✨ সঞ্চয় হোক অভ্যাস
📈 বিনিয়োগ হোক ভবিষ্যতের ভিত্তি
💡 জ্ঞান হোক সাফল্যের চাবিকাঠি
🌸 শুভ হোক আপনার ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুভ নববর্ষ!
— Finance Club Bangladesh
26/03/2026
🇧🇩 বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে Finance Club Bangladesh-এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন।
এই গৌরবময় দিনে আমরা গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের, যাদের ত্যাগ ও আত্মদানে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। তাদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি দক্ষ, সচেতন ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
— Finance Club Bangladesh 🇧🇩
25/03/2026
জ্ঞানের উদ্দেশ্য জ্ঞান নয়, বরং কর্ম। - অ্যারিস্টটল
[“The Purpose of Knowledge is Action, not Knowledge.” - Aristotle]
20/03/2026
ফিন্যান্স ক্লাব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক!
নতুন চাঁদের আগমনে শুরু হোক এক নতুন অধ্যায়। এই ঈদ আপনার এবং আপনার প্রিয়জনদের জীবনে বয়ে আনুক সমৃদ্ধি, শান্তি এবং অফুরন্ত সম্ভাবনা।
ফিন্যান্স ক্লাব বাংলাদেশ শুধুমাত্র ঈদের আনন্দই উদযাপন করে না, বরং আমরা বিশ্বাস করি প্রবৃদ্ধি, ঐক্য এবং আর্থিক ক্ষমতায়নের চেতনায়। একটি ক্রমবর্ধমান শেয়ার বাজারের মতোই আপনার আগামীর পথচলা সাফল্য, বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত এবং ক্রমাগত উন্নতিতে ভরে উঠুক।
আপনার জন্য রইল একটি আনন্দময় ও সমৃদ্ধ ঈদুল ফিতর ২০২৬-এর শুভকামনা।
অনুপ্রাণিত থাকুন। ক্ষমতায়ন বজায় রাখুন।
[Eid Mubarak from Finance Club Bangladesh!
As the crescent moon shines and a new chapter begins, may this Eid bring prosperity, peace, and endless opportunities to you and your loved ones.
At Finance Club Bangladesh, we celebrate not only the joy of Eid but also the spirit of growth, unity, and financial empowerment. May your journey ahead be filled with success, wise decisions, and upward progress—just like a rising market
Wishing you a blessed and prosperous Eid ul-Fitr 2026
Stay inspired. Stay empowered.]
30/01/2026
"ভাড়া থাকা নাকি নিজের বাড়ি কেনা— ২০২৬ সালের হাউজিং মার্কেটে স্মার্ট সিদ্ধান্ত কোনটি?"
২০২৬ সালে এসে বাড়ি কেনার চেয়ে ভাড়া থাকা কি আসলেই বেশি লাভজনক? 'দ্য ইকোনমিস্ট' (The Economist) তাদের সাম্প্রতিক একটি নিবন্ধে এই প্রশ্নটিই খতিয়ে দেখেছে—এবং এর উত্তর আপনাকে অবাক করতে পারে। যারা পরবর্তী আবাসন নিয়ে ভাবছেন, তাদের জন্য মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. প্রচলিত ধারণা বনাম কঠোর আর্থিক যুক্তি
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাড়ি কেনাকে আর্থিক সাফল্যের চূড়ান্ত মাপকাঠি হিসেবে দেখা হয়েছে—সম্পদ গড়া এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে। কিন্তু আবেগ সরিয়ে রেখে যদি নিছক হিসাবের দিকে তাকান, তবে চিত্রটি বদলে যায়:
➡️ বর্তমান বাজারে ভাড়া থাকাই সাশ্রয়ী: যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক উন্নত অর্থনীতিতে বর্তমানে বন্ধকী সুদের হার (Mortgage rates) বেশ চড়া। অন্যদিকে, বাড়ির দাম সেই তুলনায় খুব দ্রুত বাড়ছে না। ফলে বিনিয়োগ হিসেবে বাড়ি কেনা খুব একটা আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে না।
➡️ আগের তুলনায় পরিবর্তন: ২০১৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে কম সুদের কারণে বাড়ি কেনা সস্তা ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি উল্টে গেছে; একই ধরণের বাড়িতে থাকার জন্য একজন নতুন বাড়ির মালিককে ভাড়ার তুলনায় প্রতি মাসে কয়েকশো ডলার বা টাকা বেশি খরচ করতে হচ্ছে।
২. কেন বর্তমানে ভাড়া থাকা বেশি লাভজনক?
২০২৬ সালে অনেকের জন্য ভাড়া থাকাই কেন যৌক্তিক তার কিছু মূল কারণ রয়েছে:
➡️ উচ্চ সুদের হার: করোনা মহামারীর আগের তুলনায় দীর্ঘমেয়াদী বন্ধকী সুদের হার এখনো চড়া, যা বাড়ি কেনাকে ব্যয়বহুল করে তুলেছে।
➡️ বাড়ির দামের ধীরগতি: বাড়ির দাম আশানুরূপভাবে না বাড়ায় বিনিয়োগের দিক থেকে মালিকরা পিছিয়ে পড়ছেন।
➡️ উন্নত ভাড়াটিয়া অধিকার: অনেক দেশেই এখন ভাড়াটিয়াদের সুরক্ষায় কঠোর আইন ও ভাড়া নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু হয়েছে, যার ফলে ভাড়া থাকা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ।
➡️ সুযোগ ব্যয় (Opportunity Cost): ডাউন পেমেন্ট বা বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের টাকা যদি শেয়ার বাজার বা অন্য কোনো লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করা হয়, তবে সেখান থেকে অনেক ক্ষেত্রে ভালো রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৩. বাড়ি কেনার সুবিধাগুলো কি তবে শেষ?
একদমই না। কিছু ক্ষেত্রে বাড়ি কেনা এখনও বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে:
➡️ দীর্ঘমেয়াদী সম্পদ গঠন: বাড়ি কেনার মাধ্যমে আপনি 'ইক্যুইটি' (Equity) তৈরি করেন, যা ভাড়াটিয়ারা পায় না।
➡️ স্থায়িত্ব ও নিয়ন্ত্রণ: নিজের বাড়িতে থাকলে বাৎসরিক ভাড়া বৃদ্ধির দুশ্চিন্তা থাকে না এবং নিজের মতো করে থাকার পূর্ণ স্বাধীনতা পাওয়া যায়।
➡️ আবেগীয় ও সামাজিক মূল্য: অনেকের কাছে নিজের একটি ঠিকানা থাকা মানেই এক ধরণের প্রশান্তি। আর তাছাড়া স্হানীয় কমিউনিটির সাথে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন তৈরি হয়।
৪. তাহলে আপনার কী করা উচিত?
মূল কথা হলো—কোনো একটি অপশনই সবার জন্য সেরা নয়। সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে আপনার ব্যক্তিগত পরিস্থিতির ওপর:
➡️ ভাড়া থাকা ভালো— যদি আপনি জীবনযাত্রায় নমনীয়তা চান, বর্তমান মাসিক খরচ কমাতে চান অথবা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে স্থান পরিবর্তনের পরিকল্পনা থাকে।
➡️ বাড়ি কেনা ভালো— যদি আপনি অন্তত ৫-১০ বছর এক জায়গায় থাকার পরিকল্পনা করেন, সম্পদ গড়তে চান এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বহন করার সামর্থ্য রাখেন।
বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে যেখানে সুদের হার বেশি—সেখানে ভাড়া থাকাই সাময়িকভাবে এবং অর্থনৈতিকভাবে একটি যুক্তিযুক্ত সিদ্ধান্ত।
শেষ কথা: "বাড়ি কেনা সব সময় ভালো"—এই সনাতন ধারণা আজকের দিনে সব ক্ষেত্রে সত্য নয়। সুদের হার এবং আপনার নিজস্ব লক্ষ্য বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
(০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে The Economist -এ প্রকাশিত আর্টিকেল "Is it better to rent or buy?” অবলম্বনে।)
30/01/2026
“এআই মানুষের স্থান নেবে না। কিন্তু যারা এআই ব্যবহার করে তারা তাদের স্থান নেবে যারা ব্যবহার করে না।” – স্যাম অল্টম্যান, প্রতিষ্ঠাতা, ওপেনএআই
[“AI won’t replace humans. But humans who use AI will replace those who don’t.” – Sam Altman, Founder, OpenAI]