Tazweed Quran Academy

Tazweed Quran Academy

Share

অনলাইনে পবিত্র কুরআন শিক্ষার একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।

Photos from Tazweed Quran Academy 's post 17/09/2025

আমল গুলো ঠিক ভাবে পালন করছেন তো...??

10/09/2025

কুরআনিক দু'আ-১

رَبَّنَا ظَلَمْنَاۤ اَنْفُسَنَا وَ اِنْ لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَ تَرْحَمْنَا لَنَكُوْنَنَّ مِنَ الْخٰسِرِیْنَ.

হে আমাদের প্রতিপালক, আমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করেছি, যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং দয়া না করেন তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব। [সূরা আরাফ ২৩]

08/09/2025

আপনাকে আরও অনেক কিছু দিতে চাচ্ছেন....

08/09/2025

একটা দুআ শিখবেন? যে দুআর মধ্যে দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত দুআ এসে যায় এবং এই দুআ কখনো বিফলে যায় না?

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ وَالْمُعَافَاةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ

[আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ওয়াল মুআফাতা ফিদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ]

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাই। সুস্থতা চাই। আরো চাই দুনিয়া ও আখিরাতের যত কল্যাণ।

এই দুআ রাসূলে আকরাম ﷺ সাহাবায়ে আজমাঈন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমকে আযান ও ইক্বামাতের মাঝে যে সময়টুকু থাকে সেসময় পড়তে বলেছিলেন। কারণ সে সময়টায় কোনো দুআ ফেরত দেয়া হয় না।

04/09/2025

ধরুন—আপনি বাসা থেকে বের হয়েছেন। ভিক্ষুক আপনার কাছে হাত বাড়িয়েছে কিছু পাওয়ার জন্য। আপনি তাকে এড়িয়ে গেলেন। কিছু দিলেন না। সে নাছোড় হয়ে আপনার পাশে এসে আবার দাঁড়াল, অথবা আপনার কাছ থেকে সরল না। আপনার প্রথমে টাকা দেওয়ার ইচ্ছে ছিল না। তার পীড়াপীড়িতে মন গলে গেল অথবা আপনার মন কিছু দিতে বাধ্য হলো। আপনি না দিয়ে পারলেন না।

একজন সাধাসিধা মানুষ হয়েও আপনার মনে এতোটাই মায়া জন্মায় যে, ভিখারি হাত বাড়ালে আপনি কিছু একটা না দিয়ে থাকতে পারেন না। সে আপনিই কিনা মহান রবের কাছ থেকে কিছু চেয়ে না পাওয়ার অভিযোগ করেন। কী অদ্ভুত তাই না?

বই—কুরআনিক নসিহা

03/09/2025

আমার সন্তানের জন্য একজন যোগ্য কুরআন শিক্ষক খুঁজছি, তবে অনলাইনে কি পবিত্র কুরআন শিক্ষা করা সম্ভব?

Tazweed Quran Academy এর নাম শুনেছেন কিংবা এর কার্যক্রম সম্পর্কে জানেন এমন অনেক মা-বাবার মনে এ ধরনের দ্বিধা কাজ করে। আসলেই কি অনলাইনে যথেষ্ঠ পরিমাণ আন্তরিকতার সাথে পবিত্র কুরআন শিখানো হয়?

তাহলে আমাদের অভিজ্ঞতা শুনুন👉

আমাদের তাজভীদ কুরআন একাডেমি ২০২৩ সালে কুরআন শিক্ষার এক মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে।

বাংলাদেশের স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সবার মাঝে ব্যাপকভাবে পবিত্র কুরআন শিক্ষার প্রচার প্রসার এর লক্ষ্যেই মূলত তাজভীদ এর পথচলা।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল পড়ুয়া বাচ্চা থেকে শুরু করে সকল বয়সের পুরুষ এবং মহিলা রয়েছে।

বিশেষত মহিলা শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা অভিজ্ঞ কুরআন এর হাফেজা মহিলা শিক্ষিকাও রয়েছে।

🖋️ আমাদের নিকট আপনার সন্তানকে কেন ভর্তি করাবেন?

👉আমাদের সমস্ত ক্লাসগুলো ওয়ান টু ওয়ান সিস্টেমে হয়ে থাকে। অর্থাৎ ক্লাস এ শুধুমাত্র আপনার সন্তান এবং শিক্ষক থাকবেন, এতে করে আপনার সন্তান কখনোই এই ভয়ে তটস্থ থাকবেনা যে সে একটা পড়া ভুল করলে তার বন্ধুরা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে।

👉 আমরা প্রতি মাসে গার্ডিয়ান মিটিং করে থাকি। বেশ কয়েক মাস ধরেই মাসিক গার্ডিয়ান মিটিং এর আয়োজনে আমাদের শিক্ষার্থীদের গার্ডিয়ানেরা বেশ উৎফুল্লভাবে যুক্ত হচ্ছে। । সেখানে আপনি অংশগ্রহণ করে একাডেমির নিকট সন্তানের ব্যাপারে আপনার প্রত্যাশা এবং স্বপ্নগুলো তুলে ধরতে পারবেন এবং পাশাপাশি একাডেমিকে সবসময় সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকতে পারবেন।

👉 আপনার সন্তান হয়তো স্কুল এবং প্রাইভেট নিয়ে অনেক বেশী ব্যস্ত সময় পার করে। এ জন্য আমরা আপনার সন্তানের সুবিধাজনক সময়ে ক্লাসগ্রহণ করবো। কখনো যদি হঠাৎ ক্লাস এর সময় পরিবর্তন করা লাগে, সে চাইলে ক্লাস উস্তাদের সাথে কথা বলে সেটাও পরিবর্তন করে নিতে পারবে।

👉 মহিলাদের জন্য আমরা সবসময় আলাদা মহিলা শিক্ষিকা দিয়ে থাকি। কারন অনলাইন অথবা অফলাইন, পর্দা সবসময় সমানভাবে জরুরী।

👉 আমাদের একাডেমিতে আপনি পবিত্র কুরআন এর একদম শুরু থেকে শিখা শুরু করতে পারেন। অথবা যদি এমন হয় যে আপনি ছোটবেলায় পড়েছেন এখন শুধু চর্চা করতে চাচ্ছেন সেটাও আমাদের এখানে সম্ভব। কিংবা যদি আপনি পবিত্র কুরআন এর শুধুমাত্র কয়েকটি সুরা মুখস্ত করতে চাচ্ছেন, সেটাও Tazweed Quran Academy তে সম্ভব।

👉 আমরা মাঝেমাঝেই আমাদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইসলামের বিভিন্ন টপিকে ফ্রি সেশন নিয়ে থাকি। যেখানে আপনার সন্তান ইসলামের মৌলিক বিষয়ের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিখবে।

তবে এতো কিছুর পরও 𝗢𝗻𝗹𝗶𝗻𝗲 হওয়ার কারণে মনের মধ্যে একটা ছোট্ট সংশয়ের জায়গাটা থেকে যায় এটা আপনার মত আমরাও বুঝি। আর তাই আমরা নিয়মিত আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য একটি সম্পূর্ণ ফ্রি ক্লাস অফার করে থাকি।

এই অফারের আওতায় আপনি ৩০ মিনিটের সম্পূর্ণ ফ্রি একটি ক্লাসে জয়েন করতে পারবেন। এবং ক্লাসটাও হবে আপনার সুবিধাজনক সময়ে। ক্লাসটি ভালো লাগলে এরপর _আপনি আপনার সন্তানের পবিত্র কুরআন শিক্ষার দায়িত্ব আমাদের কাঁধে তুলে দিতে পারেন।

03/09/2025

শাইখ আলি তানতাবি রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, 'একবার আমার জানতে ইচ্ছে হলো, আল্লাহ কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসেন? আগ্রহ ও কৌতূহলের জায়গা থেকে আমি এর উত্তর পেতে চাইলাম কুরআন থেকে। কুরআন খুলে দেখতে লাগলাম যে, আল্লাহ কাদের ভালোবাসেন? কী তাদের বৈশিষ্ট্য?

আমি কুরআন খুলে দেখলাম, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা নেককারদের ভালোবাসেন। ভাবলাম, 'আমি কি নেককার বান্দা?' মনে হলো, না। তাহলে তো আমি এই তালিকা থেকে বাদ পড়লাম।

তারপর দেখলাম, আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন; কিন্তু নিজেকে খুব বেশি ধৈর্যশীল বলে মনে হলো না আমার। ফলে এই তালিকা থেকেও বাদ পড়ে গেলাম।

এরপর দেখলাম, আল্লাহ মুজাহিদদের ভালোবাসেন, যারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে; কিন্তু আমার মতন অলস আর অক্ষম ব্যক্তি তো এই তালিকায় ওঠার কথা ভাবতেও পারি না। ফলে এখান থেকেও ছিটকে গেলাম।

তারপর দেখলাম, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন, যারা সৎ কাজে এগিয়ে: কিন্তু নিজের আমল আর আখলাকের দৈন্যদশা দেখে এই তালিকাতেও নিজেকে ভাবা গেলো না।

একপ্রকার হতাশা আর গ্লানিবোধ নিয়েই আমি কুরআন বন্ধ করে ফেলি। নিজেরা আমল, তাকওয়া আর ইখলাসের দিকে তাকিয়ে আমি তাতে রাজ্যের ভুল-আন্তি ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পেলাম না। কিন্তু একটু পরেই আমার মনে হলো, "যাই আল্লাহ তো তাদেরও ভালোবাসেন যারা তাওবা করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে।'

মনে হলো, এই একটা বৈশিষ্ট্যই বুঝি আমার জন্য মজুদ আছে এবং আমি তা যখন-তখন নিজের মধ্যে ধারণ করতে পারি। এরপর আমি খুব বেশি পরিমাণে ইস্তিগফার পড়তে থাকি, যাতে করে আমি আল্লাহর সেসব বান্দাদের তালিকাভুক্ত হতে পারি, যারা অধিক পরিমাণে তাওবা করে এবং যাদের আল্লাহ ভালোও বাসেন।
আমরা হয়তো-বা নেককার হতে পারলাম না, আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদ হওয়ার সৌভাগ্যও হয়তো আমাদের কপালে নেই। অনুপম ধৈর্য্যের অধিকারী কিংবা যারা বেশি ভালো কাজে অগ্রগামী তাদের দলভুক্তও হয়তো হতে পারলাম না; কিন্তু তাই বলে কি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার ভালোবাসার তালিকা থেকে একেবারে বাদ পড়ে যাবো? কখনোই নয়। আল্লাহর প্রিয়ভাজন হওয়ার একটা রাস্তা সদা-সর্বদা খোলা রয়েছে আমাদের জন্য। আর সেই রাস্তা হলো-তাওবার রাস্তা। অধিক পরিমাণে তাওবা করা। আল্লাহর কাছে নিজের পাপ, নিজের ভুল, নিজের অবাধ্যতার জন্য কায়মনোবাক্যে ক্ষমা চাওয়া।

বই : এবার ভিন্ন কিছু হোক

01/09/2025

ঈমান হলো মানুষকে দেয়া আল্লাহ প্রদত্ত সবচেয়ে বড় নিয়ামত। ঈমানহীন দেহ লা শে র মতোই। ঈমানের শিখা যার ভেতর থাকবে সে-ই কেবল আল্লাহ তাআলার কাছে মূল্যবান।

সাহল ইবনে সা'দ রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

'আল্লাহ তাআলার কাছে যদি দুনিয়ার মূল্য মশার একটি ডানা পরিমাণও থাকতো, তাহলে কোনো কা ফে র কে তিনি দুনিয়া থেকে এক ঢোক পানিও পান করাতেন না।'১

এ হাদীসের মাধ্যমে দুনিয়ার তুচ্ছতার পাশাপাশি একজন ঈমানহীন কা ফে র যে আল্লাহ তাআলার কাছে কতটা ঘৃ ণি ত, তাও পরিষ্কার হয়ে যায়।

১। জামে' তিরমিযী, হাদীস নং ২৩২০; সুনানে ইবনে মাজাহ, ৪১১০, সহীহ

বই - নেক সুরতে শয়তানের ধোঁকা,

30/08/2025

⚫️ কাপল ভ্লগ -

কাপল ভ্লগের নামে আরেক নোংরামি এখন খুব বেশি দেখা যায়। স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মিলে ভ্লগ করে থাকে। তাদের দৈনন্দিনের বিভিন্ন কাজকর্ম, বিভিন্ন খুনশুটি, হাসি-ঠাট্টা, সুখ-দুঃখের একান্ত মুহূর্তগুলো তারা ভিডিও করে অনলাইনের লাখ লাখ মানুষের কাছে যেন বিক্রি করে দেয়। বিনিময়ে পায় কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। প্রথমত শরীয়তের দৃষ্টিতে এটা সুস্পষ্ট নাজায়েয কাজ। আর সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মানুষদের কাছে এটা চরম ঘৃণ্য কাজ।

মানুষের কিছু মুহূর্ত থাকে শুধুই একান্ত। এই মুহূর্তগুলো সবার সাথে শেয়ার করা যায় না, শেয়ার করার মতোও না। অথচ মানুষ আজকাল সেসব বিষয়ও লাখ লাখ মানুষের সামনে উন্মুক্ত করে দিচ্ছে। কমেন্টবক্সে অসংখ্য মানুষ তাদেরকে নিন্দা জানাচ্ছে, তবুও তারা সব নিন্দা তুড়ি মেরে এসব কাজ করে যাচ্ছে। যেখানে শরীয়তে স্পষ্ট বিধান রয়েছে পর্দার ব্যাপারে, সেখানে তারা বেপর্দার সর্বোচ্চ সীমা পেরিয়ে কাপল ভ্লগের নামে সফট সেক্সুয়াল কাজকর্ম করে যাচ্ছে। বিছানায় স্ত্রীর সাথে খুনশুটি, স্ত্রীর সাথে গা ঘেঁষাঘেষি এমন কোনো কাজ নেই যা তারা ব্লগে করে না। কেউ কেউ বোরকা-হিজাব পরেও কাপল ভ্লগ করে। ইসলামিক ক্যাপশন দিয়েও কেউ কেউ কাপল ভ্লগ করে।

দিন যাচ্ছে আর আমাদের বোধ-বুদ্ধি কমে যাচ্ছে। দিন যাচ্ছে আর আমাদের হায়া-অনুভূতি শেষ হয়ে যাচ্ছে। আগেকার যুগে যে কাজকে চরম লজ্জার মনে করা হতো, এখন সেটাকে আমরা আমাদের দৈনন্দিন কার্যে পরিণত করেছি। পশ্চিমা ধাঁচে চলতে গিয়ে আমরা আমাদের স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলেছি। ঘরের একান্ত খবরও আজ দুনিয়ার সবাই জানে। আমার স্ত্রী কোন রঙের পোশাক পরে, কোন ক্লিপ দিয়ে চুল বাঁধে, সে মোটা নাকি চিকন-এটা আজ লাখ লাখ মানুষ জানে। গুনাহের একটা সীমা থাকে, এটা তো সীমা ছাড়িয়েও বহুদূর চলে গিয়েছে। কিন্তু ভয়ংকর ব্যাপার হলো, কোনো দাওয়াত তাদের দিলে আঘাত করে না। কুরআন ও হাদীসের সুস্পষ্ট বাণী তাদের কর্ণকুহরে প্রবেশ করে না। অথচ তারা কিন্তু সবই জানে। তারাও কিন্তু আল্লাহ তাআলাকে রব ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাসূল হিসেবে বিশ্বাস করে। আখিরাতের আযাবের কথা তারাও জানে। জাহান্নামের আগুনের কথা তাদেরও জানা আছে। তবুও শয়তানের ধোঁকায় পড়ে, টাকার মোহে পড়ে তারা এ সবকিছুর ওপর নফসের চাহিদাকে প্রাধান্য দিচ্ছে।

এসব ব্লগ, টিকটক ইত্যাদি থেকে দূরে না সরতে পারার অন্যতম কারণ হলো সম্পদের লোভ। বহু মানুষেরই স্বপ্ন থাকে, একদিন সে প্রচুর টাকা কামাবে। যখন সে এই স্বপ্ন পূরণের এত সহজ একটি পথ পেয়ে যায়, তখন এর থেকে দূরে সরবেই বা কীভাবে! চাই এই পথ হালাল হোক বা হারাম, তাতে কিছু যায় আসে না। তাদের শুধু একটাই স্বপ্ন, আমার প্রচুর টাকা কামাতে হবে।

25/08/2025
25/08/2025

শিরক হলো ইসলামে সবচেয়ে বড় পাপ, যা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে অংশীদার স্থাপন করার মাধ্যমে ঘটে। শিরক শব্দটি আরবি "শারাকা" থেকে এসেছে, যার অর্থ "অংশীদার করা"। এটি ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস তাওহিদ (আল্লাহর একত্ব) এর বিপরীত।

* শিরকের সংজ্ঞা:
শিরক মানে হলো আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে ইবাদত করা, সাহায্য প্রার্থনা করা, বা তার গুণাবলিতে অংশীদার স্থাপন করা।

* শিরকের প্রকারভেদ: (তিন প্রকার)
১. শিরক ফি রুবুবিয়াহ (আল্লাহর প্রভুত্বে শিরক):
আল্লাহর প্রভুত্ব বা পরিচালনায় অন্য কাউকে অংশীদার করা।
উদাহরণ:
> বিশ্বাস করা যে আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ সৃষ্টি করে।
> প্রকৃতি বা গ্রহ-নক্ষত্রের ক্ষমতা রয়েছে বলে মনে করা।

২. শিরক ফি উলুহিয়াহ (ইবাদতে শিরক):
আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে উপাস্য বা উপাসনার উপযুক্ত মনে করা।
উদাহরণ:
> মূ-র্তি পূ-জা করা।
> ক,বর বা পীরের কাছে সেজদা করা।

৩. শিরক ফি আসমা ওয়াস সিফাত (আল্লাহর নাম ও গুণাবলিতে শিরক):
আল্লাহর গুণ বা বৈশিষ্ট্য অন্য কারো মধ্যে আরোপ করা।
উদাহরণ:
> আল্লাহর মতো জ্ঞান বা ক্ষমতা অন্য কারো আছে মনে করা।
> বিশ্বাস করা যে কোনো ব্যক্তি বা শক্তি আল্লাহর মতো সর্বজ্ঞানী বা সর্বশক্তিমান।

* শিরকের ক্ষতি:
1. মাফ হয় না:
আল্লাহ বলেন: > "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে শিরক করাকে ক্ষমা করবেন না এবং এর নিচে যা আছে, তা যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন।"
(সুরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৮)
2. আখিরাতে চিরস্থায়ী শাস্তি:
শিরককারীর জন্য জান্নাত হারাম এবং জাহান্নাম তার স্থায়ী ঠিকানা। (সুরা আল-মায়েদা: ৭২)
3. সকল আমল ধ্বং,স:
শিরক করলে তার সমস্ত সৎকর্ম বাতিল হয়ে যায়। (সুরা আল-আনআম: ৮৮)

* শিরক থেকে বাঁচার উপায়:
1. তাওহিদ সম্পর্কে জ্ঞানার্জন:
আল্লাহর একত্বে বিশ্বাস দৃঢ় করুন।
2. কোরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ:
শিরক সম্পর্কিত আয়াত ও হাদিস অধ্যয়ন করুন।
3. আল্লাহর ওপর ভরসা করুন:
জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর ওপর নির্ভর করুন।
4. ইস্তিগফার ও তাওবা করুন:
যদি শিরকের কোনো কাজ হয়ে থাকে, তাহলে আন্তরিক তাওবা করুন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Zigatola, Dhanmondi
Dhaka
1209