ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে , শোন আসমানী তাগিদ।
তোর সোনা-দানা, বালাখানা সব রাহে লিল্লাহ
দে যাকাত , মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিঁদ
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদগাহে
যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
আজ ভুলে যা তোর দোস্ত-দুশমণ, হাত মেলাও হাতে,
তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ।
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
যারা জীবন ভরে রাখছে রোজা, নিত্য উপবাসী
সেই গরীব ইয়াতীম মিসকিনে দে যা কিছু মুফিদ
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন আসমানী তাগিদ।
ঢাল হৃদয়ের তশতরীতে শিরনি তৌহিদের,
তোর দাওয়াত কবুল করবেন হজরত হয় মনে উম্মীদ।।
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন আসমানী তাগিদ।
Informations
any kinds of information
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্ আসমানি তাগিদ।।
তোর সোনা–দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ্।
দে জাকাত মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ্।।
আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদগাহে।
যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।।
আজ ভুলে যা তোর দোস্ত ও দুশমন হাত মিলাও হাতে।
তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ।।
ঢাল হৃদয়ের তোর তশ্তরিতে শির্নি তৌহিদের।
তোর দাওয়াত কবুল করবে হজরত হয় মনে উম্মীদ।।
06/06/2020
নামাজের অবিশ্বাস্য ১১ টি উপকারিতাঃ
১/ নামাজে যখন সিজদা করা হয় তখন আমাদের মস্তিস্কে রক্ত দ্রুত প্রবাহিত হয়। ফলে আমাদের স্মৃতি শক্তি অনেকবৃদ্ধি পায়।
২/ নামাজের যখন আমরা দাড়াই তখন আমাদের চোখ জায়নামাজের সামনের ঠিক একটি কেন্দ্রে স্থির অবস্থানে থাকে ফলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
৩/ নামাজের মাধ্যমের আমাদের শরীরের একটি ব্যায়াম সাধিত হয়। এটি এমন একটি ব্যায়াম যা ছোট বড় সবাই করতে পারে।
৪/ নামাজের মাধ্যমে আমাদের মনের অসাধারন পরিবর্তন আসে।
৫ নামাজ সকল মানুষের দেহের কাঠামো বজায় রাখে। ফলে শারীরিক বিকলঙ্গতা লোপ পায়।
৬/ নামাজ মানুষের ত্বক পরিষ্কার রাখে যেমন ওজুর সময় আমাদের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার করা হয় এর ফলে বিভিন্ন প্রকার জীবানু হতে আমরা সুরক্ষিত থাকি।
৭/ নামাজে ওজুর সময় মুখমন্ডল ৩বার ধৌত করার ফল আমাদের মুখের ত্বক উজ্জল হয় এবং মুখের দাগ কম দেখা যায়।
৮/ ওজুর সময় মুখমন্ডল যেভাবে পরিস্কার করা হয় তাতে আমাদের মুখে একপ্রকার মেসেস তৈরি হয়। ফলে আমাদের মুখের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং বলিরেখা কমে যায়।
৯/ কিশোর বয়সে নামাজ আদায় করলে মন পবিত্র থাকে এর ফলে নানা প্রকার অসামাজিক কাজ সে বিরত থাকে।
১০/ নামাজ আদায় করলে মানুষের জীবনি শক্তি বৃদ্ধি পায়।
১১/ কেবল মাত্র নামাজের মাধ্যমেই চোখের নিয়ম মত যত্ন নেওয়া হয় ফলে অধিকাংশ নামাজ আদায়কারী মানুষের দৃষ্টি শক্তি বজায় থাকে।
FB ID=mostafizurdu81
PLS ADD MY FACEBOOK
SKYPE ID=mostafizur14098
''CLICK'' US TO GET STARTED
www.mrtechbd.com
''LIKE'' US TO GET STARTED
https://www.facebook.com/Santinagor?ref=hl
https://www.facebook.com/informationson?ref=hl
https://www.facebook.com/pages/Mrtechnology/545915685468936
https://www.facebook.com/pages/Malibag/592467174096824?ref=hl
Delivery Available At Anywhere In Bangladesh With In 24
Hours
ZECONO MOBILE LAPTOP DEX TOP COMPUTER EXECUTRICES LCD/LED TV TABLET PC CAMERA PAIKARY ABONG KHOSRA BIKRY KORA HOY.
CALL FOR MOR DETAILES..
MOSTAFIZ........
01611277711
01199277711
01712587723
01915646633
Email=[email protected]
Amader Shop..........
MR.Tachnology
24/3,Chamelibagh,Shantinagor Chourasta
Madhumita Mistighorer Pase
1st Floor shope no 207
Shantinagar Dhak- 1217
Agora Super Shoper ulta Pase
# # আপনার প্রিয়জনদের কাছে পৌঁছে দিন ইসলামের শাশ্বত বাণী। হৃদয় থেকে হৃদয় উদ্ভাসিত হোক ঈমানের আলোকচ্ছটায়।
06/06/2020
মোবাইল পকেটে রাখলে যে ক্ষতি
মোবাইল ফোন পকেটে রাখলে শুক্রাণুর ঘনত্ব কমে যেতে পারেযেসব পুরুষ সাধারণত তাঁদের প্যান্টের পকেটে মোবাইল ফোন রাখেন তাঁদের প্রজননের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। যুক্তরাজ্যের এক্সেটর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা তাঁদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য পেয়েছেন। আজ ১০ জুন জিনিউজের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক্সেটর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োসায়েন্সের গবেষক ফিয়োনা ম্যাথিউসের নেতৃত্বে একদল গবেষক এ সংক্রান্ত বিগত ১০টি গবেষণার রিভিউ করেন এবং এক হাজার ৪৯২টি নমুনা পর্যবেক্ষণ করেন। মোবাইল ফোন ব্যবহারে ক্ষতির বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানতে এই উদ্যোগ নেন তাঁরা।
গবেষণা সংক্রান্ত নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে ‘এনভায়রনমেন্টাল ইন্টারন্যাশনাল’ সাময়িকীতে। গবেষক ম্যাথিউস বলেন, সারা বিশ্বে প্রচুর মোবাইল ফোন ব্যবহূত হচ্ছে। পরিবেশে এর উন্মুক্ত ব্যবহারে সম্ভাব্য ভূমিকাগুলো আরও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
ম্যাথিউস স্বীকার করেছেন, তাঁরা যে গবেষণা করেছেন তাতে দেখা গেছে মোবাইল থেকে নির্গত হওয়া রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন শুক্রাণুর গুণগত মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
এর আগে ভারতের মুম্বাইভিত্তিক প্রসূতি ও ধাত্রীবিদ্যা বিষয়ক গবেষক নন্দিতা পালসহেটকার বলেছিলেন, মুঠোফোন থেকে হাই ফ্রিকোয়েন্সির ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন নির্গত হয়। এতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে পুরুষের প্রজননতন্ত্রেরও। এ ধরনের ক্ষতিকর তরঙ্গ শুক্রাণুর ওপর প্রভাব ফেলে এবং শুক্রাণুর ঘনত্ব কমিয়ে দিতে পারে।
মোবাইল ফোনের তরঙ্গে শুক্রাণুর ক্ষতি বিষয়ক সাম্প্রতিক এক গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরাও এ ধরনের তথ্য পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
06/06/2020
সর্দি-জ্বর সারানোর ৬ উপায়
আষাঢ়-শ্রাবণ মানে না তো মন…শরীরও মানিয়ে নিতে পারে না এই ঠাণ্ডা - এই গরম আবহাওয়ার সঙ্গে। বছরের এই সময়টাতেই তাই সর্দি-জ্বর আর সেই সঙ্গে খুসখুসে কাশি লেগেই থাকে। সর্দি-গরমে প্রকোপ কমিয়ে দ্রুত সুস্থ হওয়ার ৬ উপায় বাতলে দিচ্ছে টনিক।
১. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন
কাজ বাদ দিয়ে পরিপূর্ণ বিশ্রাম নিন। তাতে নিজেও জলদি সুস্থ হবেন আর আশেপাশের মানুষের মধ্যেও আপনার থেকে জীবাণু ছড়াবে না।
২. খেতে হবে ঠিকমতো
মৌসুমী সর্দি-জ্বরের ঘরোয়া ওষুধ হলো ঘরে বানানো চিকেন সুপ। আর তার সাথে সাথে তাজা শাকসবজি আর ফল খেতেও ভুলবেন না যেন।
৩. প্রচুর পানি খান
সর্দি-জ্বরে দেহ পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই এ সময় বেশি করে পানি খেতে হবে। এছাড়া ফলের রস খেতে পারেন। তবে চা-কফি এড়িয়ে চলাই ভালো। হালকা গরম পানিতে মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।
৪. কফ সিরাপ
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কফ সিরাপ খান, ঠাণ্ডা আর কাশির সুরাহা হবে।
৫. কাশির লজেন্স খেতে পারেন
গলা ব্যথা বা খুসখুসে কাশির জন্য মেন্থলযুক্ত লজেন্স পাওয়া যায়। খুসখুসে কাশি আর গলা ব্যথা উপশমে কাজে লাগতে পারে।
৬. ভালো ভালো চিন্তা করুন
শরীরের সাথে মনের সম্পর্ক তো চিরন্তন। তাই শুভ চিন্তা করুন। এটা আপনাকে সুস্থ হতে সাহায্য করবে।
যদি কাশি, গলা ব্যথা, জ্বর সপ্তাহ খানেকের বেশি থাকে আর সুস্থ না হয়ে যদি অসুখ আরও বাড়ে তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
আর্টিকেলটি ভালো লাগলে এখনি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
ওষুধ ছাড়াই জ্বর-সর্দি-কাশি সারানোর উপায়
হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তনে সর্দি, কাশি, জ্বরের কবলে পড়তে হচ্ছে অনেককে। এই সময়ে বিভিন্ন ভাইরাল ইনফেকশনে ভুগতে হয়। তবে এই জ্বর, সর্দি, কাশির চিকিৎসার বেশ কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে।
রসুন: বলা হয় রসুনের থেকে ভালো ওষুধ আর হয় না। রসুনের গুণাগুণ অনেক। ভাইরাল ফিভার, ঠাণ্ডা লাগার মতো অসুখের প্রতিরোধ করতে রসুন খুব উপকারী। শুধু ঠান্ডা লাগাই নয়, উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ কোলেস্টেরল, হার্ট অ্যাটাক এবং স্টোক প্রতিরোধেও রসুন খুব কাজে দেয়। ৫ থেকে ৬ কোয়া রসুন থেঁতো করে নিন। তারপর সেটা শুধু খেতে পারেন কিংবা স্যুপের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন।
আদা: রসুনের মতোই আদাও খুবই উপকারী একটি ঘরোয়া উপাদান। অনেক রকমের রোগ প্রতিরোধ করতে আদা খুব উপকারী। জ্বর কমাতে এক কাপ আদার রসে মধু মিশিয়ে খান। সঙ্গে সঙ্গেই ফল পাবেন।
দারুচিনি: গলা ব্যথা, ঠাণ্ডা লাগা, কফ সারাতে দারুচিনি খুবই উপকারী। এতে অ্যান্টি ফাংগাল, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান রয়েছে। এক চামচ দারুচিনির গুঁড়ো মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তিন দিন দুই থেকে তিন বার খান।
তুলসী পাতা: জ্বর, সর্দি, গলা ব্যথা, ব্রঙ্কাইটিস, ম্যালেরিয়া এবং আরও অনেক রোগের উপশমকারী উপাদান হিসেবে তুলসী পাতার রস বেশ উপকারী। এতে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিবায়োটিক এবং আরও অনেক উপাদান রয়েছে। ৮ থেকে ১০টি তুলসী পাতা ভালো করে জলে ধুয়ে নিন। তারপর গরম জলে বেশ কিছুক্ষণ ধরে পাতাগুলো ফোটান। সেই ফোটানো জল এক কাপ করে রোজ খান।
ধনে বীজ: বিভিন্ন রান্নায় আমরা ধনে বীজ হামেশাই ব্যবহার করে থাকি। যে কোনও রান্নায় আলাদা স্বাদ যোগ করে এটি। শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ানোই নয়, ভাইরাল ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে এটি খুবই উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এটি সাহায্য করে।
06/06/2020
জেনে নিন ডায়াবেটিস রোগীর ফল খাওয়ার পরিমাণ
এখন চলছে ফলের মৌসুম। চারদিকে শুধু ফল আর ফল। নানা রংয়ের বিভিন্ন স্বাদের দেশি-বিদেশি ফলে ভরপুর। এই সময় কম বেশি সবাই ফল খেয়ে থাকেন। কিন্তু যারা রোগী বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে। তারা কি ফল খাবেন না? চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে তাদেরও ফল খাওয়া একেবারেই নিষেধ নয়। তবে ফলমূল খাওয়ার বেলায় তাদের হিসাব করে অর্থাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে।
ডায়াবেটিস রোগীর খাবারের বেলায় ক্যালরী, শর্করা, প্রোটিন এবং ফ্যাট ইত্যাদি বিবেচনা করে খেতে হয়। এগুলো যে খাবারে কম থাকে সেগুলো রোগীর জন্য খাওয়া উত্তম।
এবার জেনে নেই ডায়াবেটিস রোগী দিনে কোন ফল কতটুকু খেতে পারবেন :
আম : সর্বত্র এখন আমের মৌ মৌ গন্ধ। এই ফলটি স্বাদে অতুলনীয়। খেতে সবারই মন চায়। ডায়াবেটিস রোগীও খেতে পারবেন। যার পরিমাণ ৩০ গ্রাম অর্থাৎ ছোট আমের অর্ধেক।
কাঁঠাল : জাতীয় ফল কাঁঠাল। পুষ্টিগুণে ভরপুর। কিন্তু যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা ৫০ গ্রাম কাঁঠাল খেতে পারবেন। মাঝারি আকারের ৩টি কোয়া।
লিচু : স্বল্প সময়ের ফল লিচু। ডায়াবেটিস রোগীরও মন চায় এই ফল খেতে। তবে তারাও খেতে পারবেন ৪০ গ্রাম লিচু। গুনে গুনে বড় আকারের ৬টা।
আনারস : এই ফলও খেতে পারবেন, তবে ৬০ গ্রাম। সাড়ে তিন ইঞ্চি মাপের এক অথবা দুই টুকরা।
তরমুজ : এই ফল খাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন না ডায়াবেটিস রোগী। তরমুজ খাবেন ১৫০ গ্রাম। ৩.৫ ইঞ্চি ×৩.৫ ইঞ্চি× ৬ ইঞ্চি সাইজের এক ফালি।
পেয়ারা : কাঁচা পেয়ারা বেশি খেতে পারবেন তবে পাকা পেয়ারা খেতে পারবেন ৪০ গ্রাম। অর্থাৎ বড় সাইজের ১টি।
পেঁপে : কাঁচা অবস্থায় যত খান বাধা নেই। ডায়াবেটিস রোগীরা ৬০ গ্রাম পাকা পেঁপে খেতে পারবেন। ৩.৫ ইঞ্চি ×২ .৫ ইঞ্চি মাপের এক টুকরা।
আতা ফল : গ্রাম বাংলার ফল আতা। ৩০ গ্রাম ওজনের মাঝারি সাইজের একটি ফল খাওয়া যাবে।
পাকা কলা : ডায়াবেটিস রোগী পাকা কলা খেতে পারবেন ২৫ গ্রাম। যা একটি কলার অর্ধেক।
বেদানা : বেদানা খেতে পারবেন ৪০ গ্রাম। একটি ফলের অর্ধেক।
মিষ্টি বরই : টক বরই বেশি পরিমাণে খেতে পারবেন এই রোগীরা। কিন্তু মিষ্টি বরই ২৫ গ্রাম খাওয়া যাবে। মাঝারি আকারের ৬টি।
কমলা : কমলা খাওয়া থেকেও বঞ্চিত হবেন না। এই ফল ৬০ গ্রাম খাওয়া যাবে। মধ্যম আকারের একটি।
আপেল : ডায়াবেটিস রোগীরা মাঝারি সাইজের একটি আপেল খেতে পারবেন। যার ওজন হবে ৪০ গ্রাম।
মাল্টা : এই ফল খাবেন ৫০ গ্রাম। অর্থাৎ মধ্যম আকারের একটি।
নাসপাতি : ৪০ গ্রাম নাসপাতি খাবেন। এটিও মাঝারি সাইজের হতে হবে।
পাকা বেল : আধা কাপ পরিমাণ বেল খাবেন। যার ওজন হবে ৩০ গ্রাম।
মনে রাখবেন এই ফলগুলো একদিনে সব খাওয়া যাবে না। প্রতিদিন এর মধ্য থেকে একটি ফল খেতে পারবেন।
তথ্যসূত্র : বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির গাইড বই।
চার ঘরোয়া উপায়ে নিয়ন্ত্রণে রাখুন ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস বর্তমানে একটি মহামারির নাম। শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণ ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে রক্তের সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। এ কারণে ডায়াবেটিস ঘটে।
নিয়মিত ওষুধ সেবন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এগুলোর পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে দেখতে পারেন। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বোল্ডস্কাই।
১. করল্লা
তিন থেকে চারটি করল্লা নিন। এবার ভেতরের বীজগুলো ফেলে করল্লা ব্ল্যান্ডারে দিয়ে জুস তৈরি করুন। নিয়মিত এই জুস খাওয়া রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে উপকারী।
২. নিম
নিম আরেকটি চমৎকার উপাদান রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে। প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি নিমের পাতা খালি পেটে খান। এটি ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে। এটি ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথির রোগীদের জন্য একটি উপকারী ঘরোয়া উপায়।
৩. আমলকি
প্রতিদিন দুই বেলা ২০ মিলিলিটার করে আমলকির জুস খাওয়া ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য ভালো। এ ছাড়া প্রতিদিন দুই বেলা আমলকির গুঁড়াও খেতে পারেন। এটি রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
৪. গ্রিন টি
এই ভেষজ চা পেনক্রিয়াসের কার্যক্রম বাড়িয়ে ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে। তাই রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত গ্রিন টি পান করতে পারেন।
ডায়াবেটিস রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
যেহেতু ডায়াবেটিস রোগটি একবার হলে আর সারে না তাই সুস্থ থাকার জন্য ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা ভীষণ জরুরি। ঘরোয়া কিছু উপাদান আছে যেগুলো গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে কিছুটা বা অনেকখানি সহয়তা করে। আর এই ঘরোয়া উপাদানগুলোর মধ্যে অধিকাংশই আমরা আমাদের কিচেন থেকে অর্থাৎ খুব সহজে পেতে পারি।
নিচে কিছু হোম রেমেডিস উল্লেখ করা হল। যেটি আপনার কাছে সহজ মনে হয় সেটি করুন। পাশাপাশি প্রতিদিন ৩০-৪৫ মিনিট সকাল-সন্ধ্যায় হাঁটলে সুগার নিয়ন্ত্রণ এবং সুস্থতা দুটিই অর্জিত হবে।
মেথি গুড়া
১ চা চামচ মেথি গুড়া, ১ গ্লাস গরম পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেতে হবে। মেথি পানি,রক্ত এবং ইউরিনের সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
আমলকি
২ চা চামচ আমলার রস ১ বা আধা গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। চাইলে প্রতিদিন ২-৩টা গোটা আমলকিও খেতে পারেন।
সজিনার পাতা
একমুঠো কচি সজিনার পাতা জুস করে অথবা ১-২ চা চামচ সজিনা পাতার পাউডার পানিতে মিশিয়ে খেলেও সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে।
দারুচিনি গুড়া
সারাদিনে ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া খেলে সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। চায়ে চিনির পরিবর্তে দারুচিনি গুড়া নেয়া যেতে পারে অথবা পানিতে মিশিয়েও খাওয়া যেতে পারে।
করলার রস
প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ করলার রস খেলে সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে, এটি হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ফলাফল দেবে না, তবে নিশ্চিতভাবে ধীরে ধীরে তীব্রটা কমাতে সহায়তা করবে।
আম পাতা
সুগার নিয়ন্ত্রণে আম পাতা খুব কার্যকর। ১০-১৫টি আমপাতা ১ গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে নিন এবং সারারাত মিশ্রণটি রেখে দিন এবং পরদিন সকালে শুধু পানিটুকু খান।
অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা জেলে ফাইটোস্ট্যারলস নামক শক্তিশালী উপাদান থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ফাইটোস্ট্যারলসের অ্যান্টিহাইপার গ্লাইসেমিক প্রভাব আছে যা টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য উপকারী।
হলুদ, তেজপাতা ও অ্যালোভেরা জেল পানির সাথে মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন।
জামরুল
এই ফলটিতে Jamboline নামক একটি রাসায়নিক পদার্থ আছে যা শর্করাকে চিনিতে রূপান্তরিত হতে বাধা দিয়ে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং জামরুল খাবেন।
জামের বীচি
জামের শুকনো বীচির গুড়া ১ গ্রাম করে সকালে, দুপুরে ও রাতে খাওয়ার কিছুক্ষণ আগে গ্রহণ করুন। গবেষণায় দেখা গেছে, ১. জামের বীচি অভুক্ত অবস্থায় রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়, ২.মাংসপেশির কোষে গ্লুকোজ গ্রহণ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় ও গ্লুকোজ থেকে গ্লাইকোজেনে পরিণত হওয়া তরান্বিত করে এবং ৩. রক্তে চর্বির মাত্রা কমায়।
হোম রেমেডিস এর ক্ষেত্রে সাবধানতা
মাত্রাতিরিক্ত বা অন্যান্য ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অতিরিক্ত কমে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। কাজেই এ বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।
এই ৫ ঘরোয়া টোটকায় রক্তে চিনি কমবেই, মিলিয়ে নিন!
ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়। তবে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা যায়। কিছু প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে আপনাকে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এক ঝলকে দেখে নিন কী খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
করলা
করলা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কারণ এটি রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে পারে। ইনসুলিনের নিঃসরণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে করলা। দুই বা তিনটি করলার বীজগুলি ফেলে দিয়ে রস বের করে নিন। করলার রসের সঙ্গে জল মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খান।
দারচিনি
যাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য দারচিনি খুবই উপকারী। এটি অগ্নাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে উদ্দীপ্ত করে এবং রক্তের সুগার লেভেল কমায়। দারচিনির গুঁড়ো চা, জল বা অন্য পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে পান করতে পারেন।
অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা জেলে ফাইটোস্ট্যারলস নামক শক্তিশালী উপাদান থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ফাইটোস্ট্যারলসের অ্যান্টিহাইপার গ্লাইসেমিক প্রভাব আছে যা টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য উপকারী। হলুদ, তেজপাতা ও অ্যালোভেরা জেল জলের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন।
আম পাতা
৩-৪ টি আম পাতা জলে ফুটিয়ে নিন। প্রতিদিন সকালে এই মিশ্রণটি খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কমে। আম পাতা শুকিয়ে গুঁড়া করে রাখতে পারেন। দিনে দুবার আধা চামচ করে এই আম পাতার গুঁড়ো খেতে পারেন।
মেথি
ডায়াবেটিসের সবচেয়ে ভালো একটি প্রতিকার হচ্ছে মেথি। ২ টেবিল চামচ মেথি বীজ ১ গ্লাস জলে ভিজিয়ে রাখুন সারা রাত। সকালে মেথি বীজ-সহ জল পান করুন। মেথি বীজের জৈব উপাদান ইনসুলিনকে উদ্দীপিত করে। এছাড়াও এতে উচ্চ মাত্রার ফাইবার থাকে বলে স্টার্চকে গ্লুকোজে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ধীর করে যা ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের সাহায্য করে।
Let's look at my life in new ways, learn from others' lives. Light is filled with lightning
প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে
প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে; এ থেকে কেউই বাদ যাবে না
كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ ثُمَّ إِلَيْنَا تُرْجَعُونَ
প্রতিটি প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে তারপর আমার কাছেই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। আন-কাবুত, ২৯/৫৭
وَمَا كَانَ لِنَفْسٍ أَنْ تَمُوتَ إِلا بِإِذْنِ اللَّهِ كِتَابًا مُؤَجَّلا
আর কোন প্রাণীই আল্লাহর অনুমতি ছাড়া মরতে পারে না, তার মেয়াদ লিখিত আছে। আলে ‘ইমরান, ৩/১৪৫
أَيْنَمَا تَكُونُوا يُدْرِكُكُمُ الْمَوْتُ وَلَوْ كُنْتُمْ فِي بُرُوجٍ مُشَيَّدَةٍ
তোমরা যেখানেই থাক না কেন মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবে, যদিও তোমরা সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান কর। আন-নিসা,
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1217