13/04/2026
নববর্ষ পালনের উৎসবটা ঐতিহাসিকভাবে প্যাগান সংস্কৃতি; হোক সেটা ইংরেজি সন কিংবা বাংলা। ইসলামপূর্ব সময়ে ইরান ও মিসর অঞ্চলে নওরোজ তথা নববর্ষ পালনের রীতি ছিল। সাহাবায়ে কেরাম নওরোজকে ইসলাম ও মুসলিমদের সংস্কৃতি হিসেবে গ্রহণ করেননি।
এজন্য ইসলামে নববর্ষ পালন বা উৎসবের কোন ইতিহাস ও সংস্কৃতি নেই। এটা এক প্রকার মুশরিকদের সাথে সাদৃশ্যতা অবলম্বন। পহেলা বৈশাখও নববর্ষ হিসেবে এই ক্যাটাগরিতে চলে আসে।
তার উপর পহেলা বৈশাখ ঐতিহাসিকভাবেও এই অঞ্চলে মুশরিকদের চালু করা উৎসব। আবার এর সাথে সম্পর্ক অত্যাচারী জমিদার শ্রেণির। এর সাথে এই অঞ্চলের মুসলিম ও ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই।
তাছাড়া বর্তমান সময়ে পহেলা বৈশাখে কিছু উৎসব পালন করতে দেখা যায়, যেমন মঙ্গল শোভাযাত্রায় বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি ও মুখোশ নিয়ে যাত্রা করা, প্রতিমাসদৃশ অবয়ব বহন ইত্যাদি। এসব উৎসবে যারা অংশগ্রহণ করে তাদের মধ্যে অধিকাংশই মুসলিম। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা এ উৎসব পালন করলেও একজন মুসলিম এধরনের উৎসবে অংশ নিতে পারেন না। কারণ মুসলিম কখন প্রতিমায়ে বিশ্বাসী হতে পারেন না।
মূর্তি বা প্রতিকৃতির ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে ঈমানদারগণ! মদ, জুয়া, মূর্তি (আনসাব) ও ভাগ্য নির্ধারণের শরগুলো শয়তানের অপবিত্র কাজ; সুতরাং এগুলো থেকে দূরে থাকো যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।” [সুরা আল মায়েদা, আয়াতঃ ৯০]
তাছাড়া এই দিনটিতে গায়রে মাহরাম নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা চলে, যার বৈধতা ইসলাম কোন মুসলিমকে দেয় না।
এ ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে…” [সূরা আন-নূর, আয়াতঃ ৩০]
এবং “মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে ও লজ্জাস্থান হেফাজত করে…” [সূরা আন-নূর, আয়াতঃ ৩১]
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ ﷺ মদীনাতে এসে দেখেন, মদীনাহবাসীরা নির্দিষ্ট দু’টি দিনে খেলাধুলা ও আনন্দ করে থাকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ এ দু’টি দিন কিসের? সকলেই বললো, জাহিলী যুগে আমরা এ দু’ দিন খেলাধুলা করতাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, মহান আল্লাহ তোমাদের এ দু’ দিনের পরিবর্তে উত্তম দু’টি দিন দান করেছেন। তা হলো, ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিত্বরের দিন। [সুনান আবূ দাউদ]
তাই মুসলিম যারা আছেন তাদের উচিত এই দিনটি পালন করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকা, কারণ এসবের মাধ্যমে ইসলামের মূলনীতি যেমন তাওহীদ, শালীনতা ও সংযম এসব বিষয় ক্ষুণ্ণ হয়, এবং খেয়াল রাখা যে এদিনের কোন কাজ যেন আমাদের ঈমান ও আখিরাতের ক্ষতির কারণ না হয়ে দাঁড়ায়।
08/04/2026
The Wait is Over!
Here’s the official schedule of 3rd DRMC National Islamic Cultural Festival & Book Fair 2026 Organised by DRMCICC
From insightful segments to exciting competitions — everything is lined up for you!
🗓️ Don’t miss your preferred segments.
📌 Save the schedule & stay prepared!
04/04/2026
Alhamdulillah, grateful to DRMC Islamic Cultural Club for selecting us as a Club Partner of the 3rd DRMC National Islamic Cultural Festival & Book Fair 2026 Organised by DRMCICC
May Allah grant barakah in this journey and make it beneficial for all, in shaa Allah.
03/04/2026
📖 Online Quran Recitation Competition-2026
✨ Congratulation to-
🥇Junayed Ahmad
(Holy Family Red Crescent Medical College)
🥈Md. Taibur Rahman
(Islamic University of Technology)
🥉Tawhidul Islam Shimul
(Jalalabad Cantonment Public School and College)
May Allah give you Barakah in your recitations. And جَزَاكَ اللهُ خَيْرًا to all participants.
28/03/2026
Alhamdulillah, as a proud Club Partner AUST Ahsanullah Roh. Peace Club - ARPC is delighted to share that submissions are now officially OPEN for the preliminary rounds of the 3rd DRMC National Islamic Cultural Festival 2026 Organised by DRMCICC
From spiritually uplifting segments like Quran Recitation, Nasheed, Azan, and Poem Presentation to insightful writing categories and creative showcases including Calligraphy, Typography, Poster Designing, and Halal Memes — this platform welcomes your voice, your words, and your creativity.
This is your opportunity to be part of one of the largest national-level Islamic cultural platforms and express your talent with purpose.
📌 Submission Deadline: 6 April 2026
🔗 Explore segment-wise details and submit through the provided links
🔗 Stay updated via the Event Page and Submission Group
We encourage everyone to participate and make the most of this incredible opportunity.
Submissions are now OPEN for the preliminary rounds of online segments of the 3rd DRMC National Islamic Cultural Festival 2026!
From soulful presentation-based segments like Quran Recitation, Nasheed, Azan, and Poem Recitation, to expressive writing fields like Article Writing, History-Based Writing, and July Through Our Eyes, and not to forget the creative arena of Calligraphy, Typography, Poster Designing, and Halal Memes the stage is truly yours!
Whether you speak through your voice, your words, or your art, bring it forward and let it shine on this biggest national level Islamic Cultural platform.
📌 Submission Deadline: 6 April 2026
For specific segment wise details:
Quran Recitation: https://www.facebook.com/share/p/17xYUkaNJK/
Nasheed: https://www.facebook.com/share/p/18gvQb7Raj/
Azaan: https://www.facebook.com/share/p/1AUx2vTuA7/
Poem Presentation: https://www.facebook.com/share/p/1AvKwCMUD3/
Calligraphy: https://www.facebook.com/share/p/16PG3Vwd6N/
Typography: https://www.facebook.com/share/p/1BBkHVw27W/
Poster Designing: https://www.facebook.com/share/p/18G3LDNuVv/
Article Writing: https://www.facebook.com/share/p/1FVC8S7thL/
History Based Writing: https://www.facebook.com/share/p/1Dah4PZ3an/
July Through Our Eyes: https://www.facebook.com/share/p/1Dj2jQaAbv/
Halal Memes: https://www.facebook.com/share/p/1FRgMGJBXH/
Check out the Event Page & Submission Group for all the latest updates:
Event Page: https://www.facebook.com/share/1HWktioFHr/
Facebook Submission Group:
https://www.facebook.com/groups/163810932510380/?ref=share&mibextid=NSMWBT
For any queries feel free to contact at:
Md. Sajid Zaman
President
Contact: 01580-618575
Facebook profile: https://www.facebook.com/share/178g8sDgQt/
Sadman Shahriar Ridom
Organising Secretary
Contact: 01706581297
Facebook profile: https://www.facebook.com/share/18H2fMe8Dy/
Ahsan Mahim
Olympiad Secretary
Contact: 01768338140
Facebook profile: https://www.facebook.com/share/18EVgFeaRb/
21/03/2026
রমজান কখনো হঠাৎ করে শেষ হয়ে যায় না; সে হৃদয়ের গভীরে এক অমর আলো জ্বালিয়ে রেখে যায়। এক মাসের সিয়াম, তারাবীর নীরব রাত, কুরআনের আয়াতে কাঁপা হৃদয়, সব মিলিয়ে রমজান ছিল আত্মাকে নবায়ন করার সময়। রমজান ক্ষুধা ও তৃষ্ণার মাধ্যমে আমাদের নফসকে সংযত করতে শিখিয়েছে, সিজদায় চোখের পানির মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ফিরে আসতে শিখিয়েছে।
এখন শাওয়াল এসেছে সেই পরিবর্তনকে স্থায়ী করার আহ্বান নিয়ে। যদি রমজান আমাদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে থাকে, তবে শাওয়াল সেই পবিত্রতার ধারাবাহিকতার পরীক্ষা।
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
“যে রমজানের রোজা রাখল, অতঃপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারা বছর রোজা রাখল।” [সহীহ মুসলিম]
এই হাদিস কেবল সওয়াবের সুসংবাদ নয়; এটি আমাদের শেখায় যে আল্লাহর নিকট প্রিয় হলো ধারাবাহিক আমল। রমজান ছিল তাকওয়ার বীজ বপনের ঋতু, আর শাওয়াল সেই বীজকে যত্নে লালন করার সময়। শাওয়াল আমাদের শেখায়, একজন মুমিনের জীবন কোনো মৌসুমি ইবাদতের উপর নির্ভরশীল নয়; এটি এক অবিরাম যাত্রা, যা আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকে প্রবাহিত হয়।
আসুন, শাওয়ালকে আমরা রমজান থেকে প্রাপ্ত আত্মশুদ্ধির ধারাবাহিক অঙ্গীকারে রূপ দিই। রমজান ছিল সুন্দর সূচনা, আর শাওয়াল হোক সেই সূচনার দৃঢ় ধারাবাহিকতা। আল্লাহ আমাদেরকে ইবাদতে স্থিরতা, আমলে ইখলাস এবং জীবনে তাঁর নূরের পথে চলার তাওফিক দান করুন।
21/03/2026
ঈদ,আনন্দের দিন, কিন্তু শুধু আনন্দের নয়। ঈদ শুধু নতুন পোশাক, ঘুরাঘুরি বা খাবারের দিন নয়। ঈদ হলো কৃতজ্ঞতা, ইবাদত এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এক মাসের সিয়াম সাধনার পর আল্লাহর রহমত ও ক্ষমার আশায় মুসলমানরা ঈদ উদযাপন করে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
“...তোমরা রমযান মাস পূর্ণ কর এবং আল্লাহ তোমাদেরকে সঠিক পথ দেখিয়েছেন এজন্য তাঁর মহিমা ঘোষণা কর এবং যেন তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।” [সূরা আল-বাকারা, আয়াতঃ১৮৫]
ঈদের উদ্দেশ্য কী?
ঈদের মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, আত্মশুদ্ধি অর্জন করা এবং মুসলিমদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করা। এটি এমন একটি দিন যখন মুসলমানরা ইবাদত, দোয়া এবং পারস্পরিক ভালোবাসার মাধ্যমে আনন্দ ভাগাভাগি করে।
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“প্রতিটি জাতির উৎসব আছে, আর এটি আমাদের উৎসব।” [সহিহ বুখারি]
ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ঃ
সাহাবায়ে কেরাম ঈদের দিনে পরস্পরের সাথে দেখা হলে বলতেন
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ
উচ্চারণঃ তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
অর্থঃ আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের সব ভালো কাজ কবুল করুন। (ফাতহুল কাদির)
ঈদের দিনে করণীয়ঃ
-ঈদের নামাজ আদায় করা
-তাকবির ও আল্লাহর জিকির করা
-আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সাথে সাক্ষাৎ করা
-দরিদ্রদের সাহায্য করা
-কৃতজ্ঞতা ও বিনয় প্রকাশ করা
ঈদের দিনে বর্জনীয়ঃ
-অপচয় ও অশালীন আনন্দ-উৎসব
-নামাজ বা ইবাদত থেকে গাফেল হয়ে যাওয়া
-অহংকার বা প্রদর্শনী
ঈদ শুধু উৎসব নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, কৃতজ্ঞতা এবং ভ্রাতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। আমাদের ঈদ তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন আমরা এই দিনের আনন্দের সাথে আল্লাহর সন্তুষ্টিকেও গুরুত্ব দেব।
14/03/2026
আলহামদুলিল্লাহ, রমাদান আমাদের জীবনে এক বিশেষ নেয়ামত। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তটি একজন মুমিনের জন্য অত্যন্ত আবেগ ও বরকতের সময়। এই সময়টি কেবল দস্তরখান সাজানোর নয়, বরং আল্লাহর দরবারে হাত পেতে কিছু চেয়ে নেওয়ার সেরা সুযোগ।
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় নাঃ ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার ব্যক্তি যতক্ষণ না সে ইফতার করে এবং মজলুমের দোয়া।"
[সুনানে ইবনে মাজাহ]
আমরা অনেক সময় ইফতারের আয়োজন নিয়ে এত ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে, এই মূল্যবান সময়টুকু দোয়া ছাড়া পার করে দেই। অথচ এটাই সেই সময়, যখন বান্দা তৃষ্ণার্ত ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় পরম করুণাময় আল্লাহর সবচেয়ে কাছে থাকে।
ইফতারের মুহূর্তে করনীয়ঃ
১। এই ইফতারের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অন্তত ৫-১০ মিনিট আগে দস্তরখানে বসার চেষ্টা করা ।
২। এই সময়ে গল্পগুজব বা ফোনে না কাটিয়ে মনে মনে তওবা ও ইস্তিগফার করা।
৩। নিজের পাপের কথা স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। আল্লাহ এই বিনয় খুব পছন্দ করেন।
৪। ইফতারের মুহূর্তে পরিবারের বাকি সদস্যদেরকেও দোয়া করার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করা। এতে ঘরে বরকত বৃদ্ধি পায়।
৪। সময় হওয়ার সাথে সাথে দেরি না করে ইফতার করা। এটিও রসূলুল্লাহ ﷺ এর সুন্নাহ এবং এতে রয়েছে বরকত।
ইফতার করার পর এই দোয়াটি পড়া সুন্নাহঃ
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
অর্থঃ পিপাসা মিটেছে, শিরাগুলো সিক্ত হয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ (আল্লাহর ইচ্ছায়) সওয়াব নির্ধারিত হয়েছে।
[সুনানে আবু দাউদ]
ইফতারের মুহূর্তে দস্তরখানে বসে খাবারের চিন্তা না করে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতায় নিমগ্ন থাকলে রমাদান হবে আরও বরকতময়।
12/03/2026
দরজায় কড়া নাড়ছে রমাদানের বিদায়ক্ষণ। সিয়াম, কিয়াম, তিলাওয়াত ,দান-সদকা আর দোয়ার যে দিনগুলো আমাদের ইমানকে দৃঢ় করে ছিল, হৃদয়কে নরম
করে ছিল, সে গুলো ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে। আমরা কি প্রস্তুত এই বিদায়ের আগে নিজের হিসাবটা মিলিয়ে নিতে?
প্রতি বছর আল্লাহ তায়ালার দয়ায় আমরা রমাদানের দেখা পাই। রমাদানের প্রথম কিছুদিন ইবাদাতের স্পৃহা থাকলেও প্রথম দশক শেষ হতেই সেই স্পৃহা হারিয়ে যায়। আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমত যে আল্লাহ عَزَّوَجَلَّ আমাদেরকে রমাদানের শেষ দশকে লাইলাতুল ক্বদর দান করেছেন ক্ষমা ও তওবার জন্য।
রসূলল্লুাহ ﷺ বলেছেন, “যে কেউ ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় লাইলাতুল ক্বদর রাত্রিতে সালাত আদায় করতে দাঁড়াবে তার পূর্ববর্তী সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।” [সহিহ বুখারি]
রসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,”তোমরা রমাদানের শেষ দশকে লাইলাতুল ক্বদর অন্বেষণ করো।“[সহিহ বুখারি ও মসুলিম]
এছাড়াও রসুল ﷺ বলেছেন, ”তোমরা রমাদানের শেষ দশকের বিজোড় রাতে লাইলাতুল ক্বদর অনুসন্ধান কর।“ [সহিহ বুখারি]
অর্থাৎ লাইলাতুল ক্বদর শেষ দশকের যে কোন রাতেই হতে পারে। আল্লাহ এ রাতটিকে গোপন রেখেছেন যাতে বান্দা বেশি বেশি আমলের মাধ্যমে অনুগ্রহ লাভ করে।
শবে ক্বদর এর গুরুত্ব সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
১। إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ
অর্থঃ নিশ্চয়ই আমি এটি (কুরআন) নাযিল করেছি লাইলাতুল ক্বদরে।
২। وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ
অর্থঃ তোমাকে কিসে জানাবে লাইলাতুল ক্বদর কি?
৩। لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ
অর্থঃ লাইলাতুল ক্বদর হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম।
৪। تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ
অর্থঃ সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল) তাদের রবের অনুমতিক্রমে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ করে।
৫। سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ
অর্থঃ শান্তিময় সেই রাত, ফজরের সূচনা পর্যন্ত।
[সুরা আল ক্বদর]
রমাদানের শেষ পর্যায়ে এসে মনে হতে পারে শুরুতে তো অবহেলায় কাটিয়েছি। আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার কি যোগ্য আমি? অবশ্যই যোগ্য। কেননা আল্লহ সুবহানাওয়া তায়ালা গফুরুর রহিম। আমরা তাঁর রহমত থেকে নিরাশ হব না।
কারণ আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, "বলুন, হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" [সুরা জুমার, আয়াতঃ ৫৩]
লাইলাতুল কদরে পড়ার দোয়া:
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
অর্থ: “হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।”
তাই আসুন, শেষ মুহূর্তগুলকে অবহেলায় না কাটিয়ে তওবা ও ক্ষমার জন্য লাইলাতুল ক্বদর অন্বেষণ করি।