18/07/2024
সাউন্ড বোম বা স্টান গ্রেনেড থেকে রক্ষায় করণীয়ঃ
সাধারণত ক্লোজ ফাইট,দরজা ভাঙ্গা কিংবা আন্দোলনকারী দের ছত্রভঙ্গ করার কাজে স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়। স্টান গ্রেনেড ব্যবহারে প্রচুর আলো এবং শব্দ উৎপন্ন হয়। সাধারণত স্টান গ্রেনেড ব্যবহারে ১৭০ ডেসিবল(শব্দের তীব্রতা মাপার একক) পর্যন্ত শব্দ উৎপন্ন হয়। যেখানে ১৫০ ডেসিবল এর উপর শব্দ অনেকসময় মানুষকে বধির করে দিতে পারে। সাধারণত স্টান গ্রেনেড এর বাইরে একটা স্টিলের আস্তরণ থাকে যেখানে অনেকগুলো ছিদ্র থাকে। আর ভেতরে ম্যাগনেশিয়াম অথবা এলুমিনিয়াম এর সাথে পটাশিয়াম পারক্লোরেট বা নাইট্রেট এর মিশ্রন থাকে। যখনই ভেতরের কেমিক্যালগুলোর বিক্রিয়া ঘটে তখনই বিকট শব্দ(সাধারণ ম্যাগনেশিয়াম নাইট্রেট) উৎপন্ন হয় এবং বাইরের স্তরের ছিদ্রগুলো দিয়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
এই স্টান গ্রেনেড থেকে রক্ষা পেতে হলে কিছু উপায় অবলম্বন করা যায়। প্রথমত,বদ্ধ জায়গায় স্টান গ্রেনেড অনেক ক্ষতি করে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে যেহেতু খোলা জায়গায় গ্রেনেড ফাটানো হচ্ছে; তাই কিছু ব্যবস্থা নিলে ক্ষতির পরিমাণ কমবে। সাধারণত স্টান গ্রেনেড চার্জ করার ১-৩ সেকেন্ডের মাঝে বিস্ফোরিত হয়,পাশাপাশি এর থেকে যেই আলো এবং শব্দ উৎপন্ন হয় তা মূলত ৩ মিটার ব্যাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। তবে কিছু নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায় যে, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী'র ব্যবহৃত গ্রেনেডগুলো ৩-৫ সেকেন্ড এর মধ্যে বিস্ফোরিত হয়। তাই এই সময়ের মধ্যে যত দ্রুত পারা যায় দূরে সরে যাওয়া উচিত। আর এগুলোতে সরাসরি তেমন ক্ষতি হবে না।তাই যদি দ্রুত সরে না যাওয়া যায় তবে কান চেপে ধরে গ্রেনেডের উলটো দিকে ফিরে যেতে হবে। পিঠ গ্রেনেডের দিকে দিয়ে দিলে কোন ক্ষতি হবে না। এছাড়াও কানে তুলা বা এয়ারবাড ব্যবহার করেও শব্দ থেকে কানকে রক্ষা করা সম্ভব। সাউন্ড গ্রেনেড শুধু আতঙ্ক সৃষ্টিকারী জিনিস।
🖨️ (C)