আলহামদুলিল্লাহ আমাদের উচ্চারণ এর স্থান আমরা ভুলে যাই না ♥️
Soul Weave
Soul Weave – I-CREATE Programme.
We believe every child can learn, create, and shine.
💙 Inclusion | 🌈 Acceptance | ✨ Empowerment
I-create programme
Class :Fine arts
Teacher : Bidhan Chandra Sarkar
25/07/26
I-create programme
Class :English
Teacher : Taznuva Halim Tuly
Date-25/07/26
আজকের প্রশিক্ষণ এর একাংশ
২০/৭/২৬
আমাদের মানুষ হিসেবে বুঝতে শিখুন,স্পেশাল নিডস হিসেবে না:
আমার জীদটাই শুধু দেখা যায় কিন্তু এর পেছনে কারন তোমরা খোজ না, আমাকে অনেক এক্সারসাইজ করে ক্লান্ত করার মধ্যে সমাধান না।আমার বয়সী বাচ্চারা কি করে?ফেইসবুক, বন্ধু, আড্ডা, ট্রাভেল মন ভালো হবার কত অপশন। আমি আমার মনের কথা সুন্দর ভাবে এক্সপ্রেস করতে পারি না বলে আমার কোন বন্ধু নাই কিন্তু আমার ও তো মন চায় দিনশেষে এ অনুভব গুলো কাউকে শেয়ার করতে, বোঝাতে।
আমার ও ডিপ্রেশন লাগে।আমাকে আমার মতো করে সময় দাও আমি রাগ, জীদ এর মতো খারাপ আবেগ নিয়ন্ত্রণ শিখে নেব।
19/07/2026
শিশুদের শেখার প্রক্রিয়ার পূর্বে তাদের মানসিক ও পরিবেশগত ৫টি মৌলিক চাহিদা পুরন জরুরী ।
একটি শিশুর সফলভাবে শেখার জন্য শুধু ক্লাসরুম বা বই-খাতাই যথেষ্ট নয়। পড়াশোনা বা যেকোনো কিছু শেখার আগে প্রতিটি শিশুর মানসিক ও পরিবেশগত কিছু মৌলিক চাহিদা পূরণ হওয়া প্রয়োজন। যখন এই চাহিদাগুলো পূরণ হয়, তখন তাদের শেখার প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।
আসুন জেনে নিই সেই ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে:
১. নিরাপদ বোধ করা (To Feel Safe): শিশুরা যখন নিজেকে নিরাপদ মনে করে, তখন তাদের শরীর শান্ত থাকে এবং তাদের মস্তিষ্ক কোনো বিষয়ে ভালোভাবে মনোযোগ দিতে পারে। ভয় বা আতঙ্কের পরিবেশে শিশুরা শিখতে পারে না।
২. গুরুত্ব পাওয়া বা মতামত প্রকাশের সুযোগ (To Feel Heard): শিশুদের কথা যখন মনোযোগ দিয়ে শোনা হয়, তখন তারা নিজেদের মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। এর ফলে তারা যেকোনো কাজে বা শেখার প্রক্রিয়ায় আরও বেশি স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।
৩. বোঝাপড়া ও গ্রহণযোগ্যতা (To Feel Understood): যখন শিশুদের মানসিক অবস্থা এবং তাদের চাওয়া-পাওয়াগুলো বোঝা যায়, তখন তারা অনুভব করে যে তারা যেমন, ঠিক সেভাবেই তাদেরকে মেনে নেওয়া বা গ্রহণ করা হয়েছে।
৪. সবার সাথে সম্পৃক্ততা অনুভব করা (To Feel Connected): অন্যদের সাথে সুসম্পর্ক বা সংযোগ থাকলে শিশুরা মনে করে যে তারা একা নয়, বরং তারা একটি সুন্দর পরিবেশ বা পরিবারের অংশ। এই একাত্মতাবোধ তাদের মানসিকভাবে শক্তিশালী করে।
৫. সাফল্যের আনন্দ পাওয়া (To Feel Successful): ছোট ছোট অর্জনে যখন শিশুরা সফলতার স্বাদ পায়, তখন তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এবং নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা বা মোটিভেশন তৈরি হয়।
শিশুর চারপাশের পরিবেশ যখন এই ৫টি চাহিদা পূরণ করতে পারে, তখন তাদের জন্য নতুন কিছু শেখা এবং জানা অনেক সহজ ও আনন্দের হয়ে ওঠে। তাই আসুন, আমাদের সন্তানদের জন্য এমন একটি ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তুলি।
শাহনাজ শারমিন
স্পেশাল এডুকেটর এন্ড ডেভেলপমেন্ট থেরাপিস্ট
19/07/2026
প্রশিক্ষণের একাংশ
১৯/০৭/২৬
18/07/2026
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের হাত ও আঙুলের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য Theraputty (থেরাপুটি) একটি অসাধারণ ও কার্যকর মাধ্যম। ছবিতে দেওয়া ২৪টি থেরাপুটি এক্সারসাইজ বা ব্যায়ামের নিয়ম ও উপকারিতা দেওয়া হলো:
থেরাপুটি এক্সারসাইজ
১. স্কুইজেস (Squeezes - মুঠো করা): পুটি দিয়ে একটি বল বানিয়ে পুরো হাত দিয়ে শক্ত করে চাপুন। এটি হাতের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায়।
২. ফ্ল্যাটেনিং (Flattening - চ্যাপ্টা করা): হাতের তালু দিয়ে চেপে পুটিটিকে একদম চ্যাপ্টা করুন। এতে হাতের তালুর শক্তি ও নিয়ন্ত্রণ বাড়ে।
৩. ফিঙ্গার প্রেস (Finger Press - আঙুলের চাপ): প্রতিটি আঙুল আলাদা আলাদাভাবে পুটির ওপর চেপে বসান। এটি আঙুলের পেশি মজবুত করে।
৪. পিঞ্চেস (Pinches - চিমটি কাটা): বুড়ো আঙুল ও অন্য আঙুলগুলো দিয়ে পুটিটিকে চিমটি কাটুন। এটি লেখার দক্ষতা বাড়াতে দারুণ সাহায্য করে।
৫. রোল অ্যান্ড এক্সটেন্ড (Roll & Extend - রোল ও প্রসারিত করা): পুটিটিকে ডলে সাপের মতো লম্বা করুন এবং টেনে আরও প্রসারিত করুন। এটি হাতের নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় বাড়ায়।
৬. হাইড অ্যান্ড ফাইন্ড (Hide & Find - লুকোচুরি): পুটির ভেতর ছোট পুঁতি লুকিয়ে রাখুন এবং শিশুকে তা খুঁজে বের করতে বলুন। এটি মনোযোগ ও স্পর্শ অনুভূতি বাড়ায়।
৭. থাম্ব প্রেস (Thumb Press - বুড়ো আঙুলের চাপ): বুড়ো আঙুল দিয়ে পুটিটি জোরে চেপে ধরুন। এটি বুড়ো আঙুল ও হাতের পেশি শক্তিশালী করে।
৮. পুল অ্যাপার্ট (Pull Apart - দুদিকে টানা): দুই হাত দিয়ে পুটিটিকে দুই দিকে টেনে ছিঁড়ে বা আলাদা করুন। এটি দুই হাতের কাজের সমন্বয় ও শক্তি বাড়ায়।
৯. ডোনাট মেক (Doughnut Make - ডোনাট তৈরি): পুটি দিয়ে ডোনাটের মতো গোল রিং তৈরি করুন। এটি আঙুলের শক্তি ও নিয়ন্ত্রণ উন্নত করে।
১০. ফিঙ্গার স্প্রেড (Finger Spread - আঙুল ছড়ানো): পুটির ভেতরে আঙুলগুলো ঢুকিয়ে বাইরের দিকে ছড়ানোর চেষ্টা করুন। এটি আঙুলের প্রসারণ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়।
১১. গ্রিপ অ্যান্ড টার্ন (Grip & Turn - মুঠো ও মোচড়ানো): পুটিটিকে শক্ত করে ধরে মোচড় দিন। এটি হাতের মুঠো ও কবজির স্থায়িত্ব বাড়ায়।
১২. বিড ইমপ্রিন্ট (Bead Imprint - পুঁতির ছাপ): পুটির ওপর ছোট পুঁতি বা খেলনা চেপে ধরে নকশার ছাপ তৈরি করুন। এটি সূক্ষ্ম নড়াচড়ার দক্ষতা (Fine motor control) বাড়ায়।
১৩. রোল অ্যান্ড পিঞ্চ (Roll & Pinch - রোল ও চিমটি): পুটি দিয়ে ছোট ছোট বল বানিয়ে বুড়ো আঙুল ও অন্য আঙুল দিয়ে চিমটি কাটুন। এটি আঙুলের চিমটি কাটার শক্তি বাড়ায়।
১৪. মার্বেল পুশ (Marble Push - মার্বেল ধাক্কা): পুটির ভেতরে একটা একটা করে মার্বেল আঙুল দিয়ে চেপে ঢুকিয়ে দিন। এটি আঙুলের শক্তি বাড়ায়।
১৫. ফিঙ্গার ড্র্যাগ (Finger Drag - আঙুল টানা): পুটির ওপর দিয়ে প্রতিটি আঙুল টেনে স্ক্র্যাচ করার মতো করে আনুন। এটি প্রতিটি আঙুলকে আলাদাভাবে সচল করতে সাহায্য করে।
১৬. পাম প্রেস (Palm Press - তালুর চাপ): হাতের তালু দিয়ে পুটির ওপর জোরে চাপ দিয়ে ধরে রাখুন। এটি হাতের তালুর শক্তি ও স্থায়িত্ব বাড়ায়।
১৭. সিজার কাট (Scissor Cut - কাঁচি দিয়ে কাটা): পুটি লম্বা সাপের মতো বানিয়ে বাচ্চাদের নিরাপদ কাঁচি দিয়ে টুকরো করে কাটুন। এটি কাঁচি চালানোর পূর্ব-প্রস্তুতি হিসেবে চমৎকার।
১৮. স্ট্যাম্প ইট (Stamp It - সিল মারা): পুটির ওপর বিভিন্ন খেলনা বা স্ট্যাম্প চেপে নকশা তৈরি করুন। এটি শিশুর সৃজনশীলতা ও সূক্ষ্ম পেশির বিকাশ ঘটায়।
১৯. ক্যাটারপিলার ওয়াক (Caterpillar Walk - শুঁয়োপোকার হাঁটা): পুটির ওপর আঙুলগুলো এমনভাবে চালান যেন শুঁয়োপোকা হেঁটে যাচ্ছে। এটি আঙুলের নড়াচড়া ও সমন্বয় বাড়ায়।
২০. ফিঙ্গার লিফট (Finger Lift - আঙুল ওঠানো): পুটির ওপর সব আঙুল চেপে রেখে একেকবার একেকটি আঙুল ওপরে তোলার চেষ্টা করুন। এটি আঙুলের স্বাধীনতা ও নিয়ন্ত্রণ বাড়ায়।
২১. কোন শেপ (Cone Shape - মোচাকৃতি তৈরি): পুটি দিয়ে আঙুলের সাহায্যে একটি কোণ বা মোচার মতো আকৃতি তৈরি করুন। এটি হাতের সূক্ষ্ম কাজের নিখুঁততা বাড়ায়।
২২. টোয়ার্ল (Twirl - পাকানো): পুটি লম্বা করে পাকিয়ে জিলাপির মতো কুণ্ডলী তৈরি করুন। এটি হাতের নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় বাড়ায়।
২৩. স্কুইজ অ্যান্ড হোল্ড (Squeeze & Hold - চেপে ধরে রাখা): পুটিটিকে হাতের মুঠোয় শক্ত করে ৫-১০ সেকেন্ড চেপে ধরে রাখুন। এটি হাতের সহনশীলতা ও শক্তি বাড়ায়।
২৪. অবজেক্ট রিট্রিভ (Object Retrieve - বস্তু উদ্ধার): পুটির ভেতরে ছোট খেলনা লুকিয়ে রেখে আঙুলের সাহায্যে তা বের করে আনতে বলুন। এটি আঙুলের কৌশলী দক্ষতা বাড়ায়।
💡 অভিভাবকদের জন্য কিছু জরুরি টিপস:
সঠিক পুটি বাছুন: প্রথমে নরম (Soft) পুটি দিয়ে শুরু করুন, পরে বাচ্চার শক্তি বাড়লে শক্ত পুটি ব্যবহার করুন।
সময় সীমিত রাখুন: সেশনগুলো ছোট রাখুন (৫-১০ মিনিট) এবং খেলার ছলে আনন্দদায়ক করুন।
রঙের ব্যবহার: আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন রঙের পুটি ব্যবহার করুন।
সবসময় পাশে থাকুন: ব্যায়াম করার সময় শিশুকে সবসময় নজরে রাখুন এবং তাকে উৎসাহিত করুন।
নিয়মিত চর্চা: সেরা ফলাফলের জন্য প্রতিদিন নিয়মিত অল্প করে চর্চা করান।
🌵সমস্যার বিবরন:চোখে হাত সব সময় এবং একচোখ ছোট করে তাকান।চোখের পানি এনে স্বাদ নেয়া।
🌻কারন:দুইটা কারন খুজে পাওয়া গেছে
১.তীব্র স্বাদ (নোনতা)এর সেন্স নেয়া।
২.প্রোপ্রিওসেপ্টিব সেন্স নেবার জন্য চোখে প্রেশার দিয়ে তাকানো।
🌼সমাধান এর উপায় :১ অন্ধকারে কোন তীব্র আলো তে ফোকাস এটেনশন।
২.চামচ এর উপর এ মার্বেল নিয়ে ভারসাম্য করতে চোখ এর দৃস্টি নাক বরাবর স্থীর রাখা।
৩.কুলিং আইপ্যাড এর ব্যাবহার।
৪.ভিজ্যুয়াল প্যাড এ লিখা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
1229