Schema Academy

Schema Academy বাংলাদেশের চাকরি প্রত্যাশীদের প্রয়োজনীয় সকল আপডেট-ম্যাটারিয়ালস-ক্লাশ পাবেন।
এখানে বিষয়ভিত্তিক অনেক ক্লাশ থাকবে।

🚨 পরবর্তী পোস্টে আসছে — Bangladesh Bank AD 2026 Math প্রশ্ন প্রেডিকশন! 🚨📊 IBA Math — কোন টপিক আগে পড়বেন? 📊গত ৮টি সাম্প্...
26/06/2026

🚨 পরবর্তী পোস্টে আসছে — Bangladesh Bank AD 2026 Math প্রশ্ন প্রেডিকশন! 🚨
📊 IBA Math — কোন টপিক আগে পড়বেন? 📊
গত ৮টি সাম্প্রতিক পরীক্ষা (IBA MBA + চাকরির পরীক্ষা) বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে কোন টপিক থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন এসেছে। প্রতিটি বারের রঙ দেখাচ্ছে প্রশ্নটি কোন পরীক্ষা থেকে এসেছে। 👇
🔥 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৪টি টপিক (Big 4):
✅ Time & Work — ১৩টি প্রশ্ন
✅ Ratio & Proportion — ১৩টি (একমাত্র টপিক যা সব পরীক্ষাতেই ছিল!)
✅ Simple Equation — ১২টি
✅ Percentage (%) — ১১টি
👉 শুধু এই ৪টি টপিক = পুরো পরীক্ষার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ! আগে এগুলো শেষ করুন।
📌 এরপরের ধাপ: Profit-Loss, Algebraic Equations, Average, Time & Distance।
💡 বিশেষ টিপস: যারা IBA MBA টার্গেট করছেন — Coordinate Geometry আর Set/Venn আলাদা করে পড়ুন, এগুলো IBA-এর প্রিয় টপিক!
📈 ডেটা = ৮টি বাস্তব প্রশ্নপত্র। তবে মনে রাখবেন, এটি একটি পূর্বাভাস, নিশ্চয়তা নয়।


📍 IBA-ই নিচ্ছে এই পরীক্ষা, তাই আমাদের প্রেডিকশন হবে একদম টার্গেটেড।
👉 প্রেডিকশন মিস করতে না চাইলে এখনই ফলো করুন! 🔔

🔖 পোস্টটি সেভ করে রাখুন আর বন্ধুদের ট্যাগ করুন যারা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে! 💪
©
#বাংলাদেশব্যাংক #চাকরিরপ্রস্তুতি

26 সাল ভিত্তিক সার্কুলার - সমন্বিত ব্যাংক প্রিলি প্রস্তুতি এটি কোনো বিশেষজ্ঞের মতামত নয়। ফেসবুকের বিভিন্ন পাতায় নানান ধর...
22/06/2026

26 সাল ভিত্তিক সার্কুলার - সমন্বিত ব্যাংক প্রিলি প্রস্তুতি
এটি কোনো বিশেষজ্ঞের মতামত নয়। ফেসবুকের বিভিন্ন পাতায় নানান ধরনের পরামর্শ প্রচলিত রয়েছে। এর কিছু আপনার জন্য উপযোগী হতে পারে, আবার কিছু নাও হতে পারে। দিনশেষে আপনাকেই নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী পড়াশোনা করতে হবে এবং সব রুটিন ও কৌশল নিজ দায়িত্বে গুছিয়ে নিতে হবে। এটি কেবল আমার ব্যক্তিগত অভিমত, যা আপনার নিজস্ব কৌশল সাজাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

ব্যাংকের পরীক্ষাগুলো সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাকাল্টি বা প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয়; যেমন— BIBM, FBS (Faculty of Business Studies), FSS (Faculty of Social Sciences), CTI (College of Training and Instruction), IBA (Institute of Business Administration), Ahsanullah University এবং Arts Faculty। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ফ্যাকাল্টিভেদে প্রশ্নপত্র প্রণয়নের ধরণ বা প্যাটার্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।

ব্যাংকের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সিলেবাস না থাকায় প্রতিটি ফ্যাকাল্টিই তাদের নিজস্ব পছন্দের অধ্যায় বা বিষয় থেকে প্রশ্ন তৈরি করে। কিন্তু শুরুতেই অনেকেই একটি বড় ভুল করে বসেন। তারা ফ্যাকাল্টিভিত্তিক প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন এবং কোন ফ্যাকাল্টি পরীক্ষা নেবে, তার পেছনে ছুটতে থাকেন।

আসলে ফ্যাকাল্টিভিত্তিক প্রস্তুতি বলে তেমন কিছু নেই। ব্যাংক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার অন্যতম বড় কারণই হলো এই ফ্যাকাল্টিভিত্তিক প্রিপারেশন।

আপনাকে নিতে হবে সামগ্রিক ও ভারসাম্যপূর্ণ প্রস্তুতি, যেন কোনো ফ্যাকাল্টিই আপনাকে বাধা দিতে না পারে এবং আপনার সফলতার সিঁড়ি আরও সহজ হয়ে ওঠে।

নিচের প্রতিটি সাজেশন আগামী ৫/৬ মাসের জন্য রুটিন আকারে নিজের মত করে সাজিয়ে নিন, আপনার প্রিলি মিস হবেনা, ইন শা আল্লাহ:

১। বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ পড়াশোনা:

বাংলা অংশের জন্য বই নিবেন “সাহিত্য কথা”, যারা বিসিএস নিয়ে সিরিয়াস তারা "জয়যাত্রা" নিতে পারেন।

সাহিত্য অংশটি যুগ ধরে নিয়ম করে পড়বেন। ৩০ জন লেখককে দিন অনুযায়ী ভাগ করে নেন — প্রতিদিন একজন লেখক পড়েন, পরের দিন নতুন লেখক, আর তিন দিন পর আগের তিনজনের পড়া অংশ রিভিশন দেন। এভাবে ধীরে ধীরে সাহিত্যকে নিজের নখদর্পণে নিয়ে আসেন।

ব্যাকরণ ও বিরচন অংশের জন্য নিবেন "অন্বেষণ আর টেক্কা"।

ব্যাকরণের ক্ষেত্রে বই ধরে ধরে সব টপিক শেষ করবেন এবং প্রচুর প্রশ্ন সলভ করবেন। বিরচন অংশে নিয়মিতভাবে ১০, ২০, ৩০ বা ৪০টি করে এক কথায় প্রকাশ, সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ, বাগধারা ইত্যাদি পড়েন। আপনি আপনার রুটিন অনুযায়ী সংখ্যা নির্ধারণ করে নিবেন, নিয়মিত পড়বেন।

বাংলায় ২৫ নম্বরের মধ্যে সর্বদা ১৭–১৮ নম্বরের টার্গেট রাখবেন। কারণ বাংলা কখনো কঠিন হয়, কখনো খুব সহজ। তাই বাংলাকে আপনার স্ট্রং জোন বানাতে হবে।

আর হ্যা, ইদানীং "অগ্রদূত" কে সাজেস্ট করছিনা। অন্বেষণ, সাহিত্যকথা কিংবা জয়যাত্রা অগ্রদূত'কে ছাড়িয়ে গেছে, সর্বজনস্বীকৃত।

২. ইংরেজি প্রস্তুতি:

ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ইংরেজি প্রস্তুতির ধরন একেকজনের জন্য একেক রকম। তবে কিছু মৌলিক দিক সবার জন্যই প্রযোজ্য। গ্রামারের জন্য “Master” বইটি অবশ্যই পড়তে হবে, কোন "যদি কিন্তু" নাই এতে।

যারা ইংলিশে একেবারেই ন্যুব, মানে যাচ্ছে তাই অবস্থা, কেবলমাত্র তারা A Passage To The English Language পড়বেন, এই বইটিকে আমি ইংরেজি শেখার বাইবেল বলে থাকি।

যারা একটু আপার লেভেলের প্রস্তুতি নিতে চান, সমন্বিত ব্যাংকের প্রস্তুতির পাশাপাশি প্রাইভেট ব্যাংক, বিবি এডি প্রস্তুতিকে আরো শাণিত করতে চান তারা Cliffs TOEFL ও Barron’s TOEFL বইও শেষ করবেন।

Toefl পড়ার কার্যকরী উপায় (Shivam Rathi ভাই):

শুরুতে ৩৯–২৩৭ পেজের গ্রামার অংশটি আগে শেষ করুন। প্রতিটি exercise হাতে-কলমে, বুঝে বুঝে সমাধান করবেন। এই exercise-গুলোর উত্তর দেওয়া আছে ২৩৮–২৬২ পেজে। বইটিতে শত শত রুলস রয়েছে—এগুলো মুখস্থ না করে practice করতে করতে শিখবেন।

এরপর ২৬৪–২৭৬ পেজে থাকা problem words ও confusing words ভালো করে পড়ুন। শব্দগুলো মুখস্থ করুন এবং সংশ্লিষ্ট exercise গুলো সমাধান করে ফেলুন। ২৭৬–২৮৪ পেজে থাকা প্রতিটি preposition-এর example ও rules মুখস্থ করতে হবে। ২৮৪–২৮৯ পেজের verbal idiom গুলোও মুখস্থ করুন। ২৮৯–২৯২ পেজে যা আছে, অন্তত একবার চোখ বুলিয়ে নেবেন—অনেক সময় সেখান থেকে কমন আসতে পারে।

এরপর mini test 5 এবং mini test 6 সমাধান করতে হবে। এই দুটির উত্তর দেওয়া আছে ২৬৭–২৯৯ পেজে। অনেকেই mini test 5 ও 6 বাদ দেন, কিন্তু এই দুটি একদমই বাদ দেওয়া যাবে না।

সবশেষে ৩১৫ পেজ থেকে ৪৯১ পেজ পর্যন্ত মোট ৬টি practice test দেওয়া আছে। প্রতিটি টেস্টে ৩টি করে সেকশন রয়েছে। সেকশন ১ আপনার দরকার নেই। মূলত পড়তে হবে সেকশন ২, যেখানে ৪০টি করে গ্রামার-ভিত্তিক প্রশ্ন আছে, এবং সেকশন ৩, যেখানে ৫টি করে reading passage দেওয়া আছে। প্রতিটি টেস্টের সেকশন ২ ও ৩ শেষ করলেই কাজ শেষ।

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া আছে ৪৯৮ পেজ থেকে ৬২৯ পেজ পর্যন্ত। খেয়াল করলে দেখবেন, আগে উত্তর দেওয়া আছে এবং এরপর তার ব্যাখ্যা। সেকশন ৩-এর কয়েকটি passage চাইলে বাদ দিতে পারেন, তবে সেকশন ২-এর সবগুলো প্রশ্ন বুঝে বুঝে হাতে-কলমে practice করতে হবে।
৬২৯ পেজ থেকে বইয়ের শেষ পর্যন্ত আর পড়ার প্রয়োজন নেই।

ভোকাবুলারির জন্য বই হিসেবে Arifur Rahman’s Bank Vocabulary, Eminent, অথবা One Plus — এর যেকোনো একটি যথেষ্ট। অনেকেই আপার লেভেলের প্রস্তুতির জন্য GRE Big Book বা Word Smart ব্যবহার করেন, যা শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করতে কার্যকর।

সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংকের প্রতিযোগিতায় ভোকাবুলারিতে এগিয়ে থাকার জন্য পুরোনো প্রশ্নপত্রগুলো (বিভিন্ন সময়ের ব্যাংক প্রশ্ন) পড়া অনেক বেশি কার্যকর। তবে IBA-এর নেওয়া এক্সাম বা আরও উন্নত প্রস্তুতির জন্য নিচের রিসোর্সগুলো চমৎকার সহায়ক হতে পারে:

Barron’s GRE High Frequency 333 Words ★★★

Barron’s GRE 800 Essential Words ★

Magoosh GRE Vocabulary (1400 Words) ★

Word Smart I & II ★★

GRE Big Book Analogy (27 Sets) ★★★★

501 Sentence Completions ★★★★

এই উপকরণগুলো অনলাইনে সহজেই পাওয়া যায় (গুগলে সার্চ করলেই PDF মেলে), এবং অনুশীলনের জন্য দারুণ সহায়ক। এছাড়া One Plus বা Eminent বইয়েও এই শব্দগুলো অনেকাংশে অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা ভোকাবুলারি শক্তিশালী করার জন্য আবশ্যক।

আনুমানিক ৫/৬ মাস ধরে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেকোনো একটি বই ৩–৪ বার শেষ করার চেষ্টা করুন। ভোকাবুলারি এমন একটি বিষয় যা ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বেশি, তাই বারবার রিভিশনই এখানে মূল চাবিকাঠি।

৩. গণিত প্রস্তুতি

আপনি যদি গণিতে একদম দুর্বল বা শূন্য অবস্থায় থাকেন, তাহলে শুরু করুন খায়রুল বেসিক ম্যাথ বই দিয়ে। যারা একেবারে নতুন, তারা এই বইটি দুইবার ভালোভাবে শেষ করবেন। এরপর পড়বেন খায়রুল ব্যাংক প্রিলি — এটিও দুইবার শেষ করুন। তারপর খায়রুল রিটেন ম্যাথ একবার পড়ে নিন। এরপর থেকে খায়রুল প্রিলি ও রিটেন ম্যাথ বই দুটি আপনার নিজস্ব স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী নিয়মিত অনুশীলনে রাখুন।

এখন আসি Agarwal বা Khairul Advanced Math–এর বিষয়ে। সাম্প্রতিক সময়ে BIBM কর্তৃক নেওয়া পরীক্ষাগুলোতে, আর্টস বা এফবিএসের নেওয়া পরীক্ষাগুলোতে Agarwal থেকে প্রশ্নের প্রভাব তেমন নেই। তাই বলা যায়, Agarwal করলে ক্ষতি নেই ! আপনি যদি প্রস্তুতিকে আপার লেভেলে নিতে চান, তাহলে Agarwal বা Advanced Math হাতে নিতে পারেন, তবে না নিলেও বড় ক্ষতি নেই।

তবে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে — গত ১–২ বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মাত্র ১–২ নম্বরের জন্য Agarwal-এর বোঝা টানা প্রয়োজন নেই। আপনি যদি টেক্সটবুকভিত্তিক প্রস্তুতি নেন এবং উপরোক্ত বইগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করেন, তবে গণিতে ভালো নম্বর পাওয়া একদমই সম্ভব।

একটি কথা মনে রাখবেন — প্রতিদিন অন্তত ১ ঘণ্টা গণিত অনুশীলন বাধ্যতামূলক।

গণিত টেক্সটবুক গাইডলাইন, যা বর্তমানে ব্যাংক প্রস্তুতির জন্য সবচেয়ে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর (Shivam Rathi ভাই) —

ক্লাস নাইন–টেনের সাধারণ গণিত বই থেকে যা করবেন:

১. অধ্যায় ২.১ – সেট

২. অধ্যায় ৩.১ – ৩.৫ – বীজগাণিতিক রাশি

৩. অধ্যায় ৪.১–৪.২ – সূচক ও লগারিদম

৪. অধ্যায় ৫.১–৫.২ – সমীকরণ (এক চলক)

৫. অধ্যায় ৯.১–৯.২ – ত্রিকোণমিতি

৬. অধ্যায় ১০ – দূরত্ব ও উচ্চতা নির্ণয়

৭. অধ্যায় ১১.২ – অনুপাত ও সমানুপাত

৮. অধ্যায় ১২.২, ১২.৪ – সমীকরণ (দুই চলক)

৯. অধ্যায় ১৩.১–১৩.২ – ধারা (Sequence and Series)

১০. অধ্যায় ১৬.১–১৬.৪ – পরিমিতি (Mensuration)

ক্লাস এইটের গণিত বই থেকে যা করবেন:

১. অধ্যায় ২.১ – সরল সুদ (Simple Interest)

২. অধ্যায় ২.২ – চক্রবৃদ্ধি সুদ (Compound Interest)

৩. অধ্যায় ৩ – পরিমিতি (Mensuration)

৪. অধ্যায় ৪ – বীজগাণিতিক রাশি (Algebraic Expression)

৫. অধ্যায় ৫.১ ও ৫.২ – সরলীকরণ অংশ (Simplification)

৬. অধ্যায় ৬.২ – সমান্তর সমীকরণ (Simultaneous Equation)

৭. অধ্যায় ৭ – সেট (Set)

উচ্চতর গণিত থেকে:

৮. অধ্যায় ১.১ – ভেন ডায়াগ্রাম (Venn Diagram)

৯. অধ্যায় ৫.১ – দ্বিঘাত সমীকরণ (Quadratic Equation)

১০. অধ্যায় ৫.৩ – সূচকীয় সমীকরণ (Exponential Equation)

১১. অধ্যায় ৬.১–৬.২ – অসমতা (Inequalities)

১২. অধ্যায় ১৩ – Solid Geometry (পৃষ্ঠা ৭–২৪)

১৩. অধ্যায় ১৪ – সম্ভাবনা (Probability)

ধারাবাহিকভাবে প্র্যাকটিস করলে ব্যাংক ম্যাথে ২০–২৫ এর মধ্যে ১৫–২০ নম্বর নিশ্চিতভাবে তুলতে পারবেন।

৪. সাধারণ জ্ঞান:

সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতির জন্য MP3 বইটি অপরিহার্য। এর সঙ্গে একটি ব্যাংক–বেইজড জিকে বই রাখুন (যেমন: স্পটলাইট/ রুট)। নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে, পাশাপাশি প্রতিদিন সংবাদপত্র পড়ার অভ্যাস তৈরি করুন — বিশেষ করে অর্থনীতি, ব্যাংকিং, আন্তর্জাতিক সংস্থা, সাম্প্রতিক জাতীয় ও বৈশ্বিক ঘটনাবলি সংক্রান্ত খবরগুলো।

মূল লক্ষ্য হবে নিজেকে চারপাশের ঘটনাবলির সাথে আপডেটেড রাখা। কারণ ব্যাংক জিকে অনেকটা “জুয়া”–র মতো — কখন কোন টপিক থেকে প্রশ্ন আসবে, আগে থেকে অনুমান করা কঠিন। তাই যত বেশি জানবেন, তত বেশি সুযোগ তৈরি হবে ভালো স্কোর করার।

৫. আইসিটি:

ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আইসিটি অংশটি তুলনামূলক সহজ। পুরোনো প্রশ্নপত্রগুলো পড়লেই প্রায় ৭–৮টি প্রশ্ন সরাসরি কমন পড়ে। আমি ব্যক্তিগতভাবে “Self Suggestion ICT” বইটি ব্যবহার করতাম — এটি একাই যথেষ্ট। বিকল্প "আলাল"।

আপনি যেকোনো একটি নির্ভরযোগ্য আইসিটি বই বেছে নিয়ে পুরোটা শেষ করুন, তারপর পুরোনো প্রশ্নগুলো নিয়মিত অনুশীলন করুন। এতেই প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।

৬. জব সল্যুশনস:

আমি ব্যক্তিগতভাবে টপিক–ভিত্তিক জব সল্যুশনস পদ্ধতিটিকেই বেশি পছন্দ করি।

মাথায় রাখবেন, ব্যাংক-বেসড জব সল্যুশনস মানেই আপনার পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নয়, বরং কেবলমাত্র সহায়িকা—তবে সেটিও সঠিক ব্যবহারের উপরে নির্ভরশীল।

কিছু কথা নতুনদের জন্য গুছিয়ে বলার চেষ্টা করছি—

আপনি যদি কেবলমাত্র চাকরির পরীক্ষায় মাঠে নামছেন, এখনো ব্যাসিক পড়াশোনার হাতেখড়ি হয়নি, কিন্তু ব্যাংক-বেসড জব সল্যুশনস কিনতে চাচ্ছেন, তাহলে আপনি ভুলের মাঝে আছেন। আপনাকে সর্বপ্রথম ব্যাসিক সাবজেক্টের ব্যাসিক জিনিসপত্র পড়াশোনা করতে হবে। “শেষ করছি মোটামুটি” — এই আত্মবোধটুকু ভিতরে থাকতে হবে।

সর্বপ্রথম যদি আপনাকে কোনো জব সল্যুশনস পড়তে হয়, তবে সেটা হবে ১০-৪৯ তম বিসিএস প্রশ্নব্যাংক। এবং এটা একপ্রকার বাধ্যতামূলক। এই মুহুর্তে "Live Mcq" এর বইটি সর্বেসর্বা। বিকল্প "প্রফেসর" "প্রিসেপ্টর্স"। এই প্রশ্নভান্ডার ব্যাখ্যাসহ আপনি পড়লে, আপনি এগিয়ে থাকবেন—ব্যাংকের পরীক্ষাতেও, অন্যান্য পরীক্ষাতেও।

ইন জেনারেল/হোলিস্টিক প্রিপারেশনের জন্য আমি বা অনেকেই একটা “টপিক-বেসড জব সল্যুশনস” সাজেস্ট করি। এটা বর্তমান সময়ে অনেকটা বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে।

কেন “টপিক-বেসড”? দেখুন, প্রিপারেশনের একদম শুরুতে এইভাবে গৎবাঁধা প্রশ্ন পড়ে যাওয়া কোনো কাজে দেয় না। ধরুন, আপনি ❝প্রাদি সমাস❞ কী, তা জানেনই না, তাহলে সাধারণ প্রশ্নব্যাংকে উপজেলা নির্বাচন অফিসের কম্পিউটার অপারেটর পদের প্রশ্নপত্র থেকে ঐ টপিকের উত্তর পড়ে খুব বেশি লাভবান হবেন না।

বরং, আপনি কোনো একটা বিষয়ে বই/গাইড থেকে পড়ে নেওয়ার পর, উক্ত বিষয়ে আরো কী কী প্রশ্ন পরীক্ষার বাজারে এসেছিল, তা এই ❝টপিক-বেসড জব সল্যুশনস❞ থেকে পড়ে নেওয়া যায়। এতে উক্ত বিষয়ে এবং টপিকে প্রস্তুতি শাণিত হয়।

কিন্তু এই টপিক-বেসড বইয়ের বাজার খুব এলোমেলো অবস্থায় আছে। তাই আমাদের অনেক বেগ পেতে হয় বই বাছাই করতে।

প্রথমত, নতুন সংস্করণে ক্র্যাকের সাধারণ জ্ঞান ব্যতীত অন্য অংশ নেই। তবুও সাধারণ জ্ঞান, বিজ্ঞান, ভূগোল, আইসিটি অংশের জন্য ক্র্যাকের কোনো বিকল্প এই মুহূর্তে বাজারে নেই।

দ্বিতীয়ত, ইংরেজির জন্য কোনো জব সল্যুশনসের প্রয়োজন হয় না—মাস্টার থাকলেই এনাফ। গণিতেরও প্রয়োজন নেই। থাকলো বাংলা। বাংলার জন্য আপনি শিকর কিনে নিতে পারেন।

তৃতীয়ত, ফেনোম পড়ে অনেকেই। ফেনোমে সব বিষয় একবারে বিদ্যমান, নতুন সংস্করণ অনেক বড়, এডমিশন কুয়েশ্চন এডেড, দেখে সন্তুষ্ট হলে কিনে নেন।

ব্যাংক নিয়ে বলা যাক:

“আমার ব্যাসিক প্রস্তুতি বেশ পরিমাণে শেষ। আমি এখন ব্যাংকের পরীক্ষায় নামব। বেশ কিছু এক্সাম দিয়েছি, ব্যাংকের পরীক্ষা এবারই প্রথম, ব্যাংকে কী ধরণের প্রশ্ন আসে, আমি জানি না। ঠিক এমন সময়ে।”

কিন্তু মোটামুটি নতুন যারা, তাদের জন্য এখানেও আমার একই পরামর্শ—বাংলা বই থেকে কারক পড়ে নিয়ে, তারপরে ব্যাংকের একটা টপিক-বেসড জব সল্যুশনস বের করে কারক সম্পর্কিত কী কী প্রশ্ন এসেছে, তা দেখে নিলে ভালো না!?

এটি ব্যক্তিগত মতামত।

ব্যাংকের জন্য বাজারে যে কয়টি জব সল্যুশনস আছে, প্রত্যেকটা নিয়েই অনেক অভিযোগ-অভিমান আছে। বইগুলো কেনার আগে এই অভিযোগ মাথায় রেখেই আপনাকে বই কিনতে হবে। সমাধান একটাই—বইগুলোকে একমাত্র প্রস্তুতির মাধ্যম ভাবা যাবে না; এগুলোকে বানাতে হবে আপনার নিজস্ব স্ট্র্যাটেজি ফুলফিলের সহায়ক।

আপনারা ৪ ইন ১-এর কথা জিজ্ঞাসা করেন—বইটি ভালো, ৪টা ফ্যাকাল্টির আসা প্রশ্নগুলো এক্সামওয়াইজ সাজানো। সমস্যা—ভুলের পরিমাণ কিছু আছে।

আপনারা ৭ ইন ১-এর কথা জিজ্ঞাসা করেন—বইটি টপিক ও ফ্যাকাল্টি-বেসড আলাদা সাজানো। সমস্যা—অতিরিক্ত ব্যাখ্যা।

আপনারা ওয়ান পাবলিকেশন্স-এর বইয়ের কথা জিজ্ঞাসা করেন—বইটা ফ্যাকাল্টি-ওয়াইজ সাবজেক্ট-বেসড করে সাজানো, টপিক-বেসড না।

দেখুন, ৩টি বইয়ের ফাংশনই আলাদা, কিন্তু প্রশ্ন ও বিষয়বস্তু প্রায় একই। আপনি আসলে কিনবেন আপনার স্ট্র্যাটেজি অনুসারে। টপিক-বেসড পড়তে মন চাইলে এমিনেন্ট কিনুন, সাবজেক্ট-বেসড মন চাইলে ওয়ান প্লাস।

কিন্তু এত বেশি ডিলেমায় থাকবেন না। ব্যাংক-বেসড একটা জব সল্যুশনস বই হাতে নিলেই বুঝবেন—এই বইগুলো নিয়ে এত বেশি হাইপড বা ডিলেমায় থাকা উচিত না। এগুলো আপনার প্রস্তুতির সহায়িকা কেবলমাত্র; আপনার পড়ার বিষয় কোনদিকে আগাবে, কী বাদ দেওয়া যেতে পারে—এসব দিকনির্দেশনার জন্যই একটা ব্যাংক-বেসড জব সল্যুশনস লাগে, আর কিছু না। এবং চাকরির যে বাজার, আপনি হোলিস্টিক অ্যাপ্রোচ প্রস্তুতি না নিলে পিছিয়ে পড়বেন।

লেখা: মুহারিব লিলদিন
(চুড়ান্ত সফলতা প্রত্যাশী)

22/06/2026

Collect info to hit your brain & work hard🧌

19/06/2026

For Your Motivation

19/06/2026

You'll Get More videos Insha Allah
English Grammar 1st Class
Topic: Tag Question


মূর্খতা সাপের বিষের চেয়েও প্রাণঘাতী। বাংলাদেশে মানুষ সাপের বিষে নয়, মা*রা যারা অজ্ঞতা আর কুসংস্কারে। ঘটনাটা পড়লেই বুঝবেন...
19/06/2026

মূর্খতা সাপের বিষের চেয়েও প্রাণঘাতী। বাংলাদেশে মানুষ সাপের বিষে নয়, মা*রা যারা অজ্ঞতা আর কুসংস্কারে। ঘটনাটা পড়লেই বুঝবেন।

কুমিল্লার চান্দিনায় রাতের বেলা ৪ জন বন্ধু মিলে মাছ মা*রতেছিলো। এমতাবস্থায় 'দিদার' নামের ২২ বছরের একজন অসাবধানতাবসত সাপের গায়ে পা দিলে সাপ কাঁমড় দেয়। সময় আনুমানিক ১০ টা।

সাথে সাথেই মাছ মারার টেঁটা দিয়ে সে সাপটাকে মে/রে ফেলে। চলে আসে বাসায়। ওদের মধ্যে একজন ছিলো আমার ফলোয়ার, সাপ সম্বন্ধে মোটামুটি জানে। সে সাপটিকে চিনতেও পারে। যা ছিলো বিষধর "কালাচ" সাপ।

চিকিৎসায় যেনো সুবিধা হয় এজন্য সে সাপটাকে সাথে নিয়ে চলে আসে বন্ধুর বাসায়। কিন্তু আহত 'দিদার' এর অভিভাবকেরা হাসপাতালে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

পাশের গ্রামে নাকি একজন অভিজ্ঞ ওঝা আছে, তিনি ঝাড়িয়ে বিষ নামাতে পারে। সেজন্য তাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়।

সচেতন বন্ধুটি অনেক বুঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। শুধু পা ধরতে বাকি রেখেছিলো। তবুও পরিবার রাজি হয়নি। নিয়ে যাওয়া হয় ওঝার কাছেই। তখন রাত ১১ টা, কাঁমড়ের এক ঘণ্টা অতিবাহিত হয়েছে।

ওঝা ৩ ঘণ্টা ঝাঁড়ফুক করে বিষ নামায়। আবার এটাও বলে, সাপটা নাকি জ্বীন ছিলো। তাই জ্বীনও ছাড়াতে হয়েছে। এখন আর সমস্যা নেই।

তারপর 'দিদার' বাসায় চলে আসলে গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে যায়। নিউরোটক্সিন বিষের প্রভাবে সে মৃতপ্রায়। তখন প্রায় রাত ৩ টা। এতক্ষণে এম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালের নিতে গেলে পথেই তার মৃত্যু হয়।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

এখানে আপনি কাকে দোষ দিবেন?

সাপ তো তার পরিবেশেই ছিলো। গায়ে পা দিলে সাপ আত্মরক্ষার্থে কাঁমড় দিবেই। কুমিল্লা মেডিকেলে এন্টিভেনমও ছিলো। যদি তৎক্ষনাৎ তাকে হাসপাতালে নেয়া হতো, তাহলে হয়তো বেঁচে যেতো।

শুধুমাত্র অভিভাবকের মূর্খতা, অজ্ঞতা আর কুসংস্কারের কারণেই এই তাজা প্রাণটা ঝরে গেলো। বাংলাদেশে সাপের কাঁমড়ে মৃত্যুগুলো এভাবেই হয়।

পৃথিবীর সবচেয়ে তীব্র বিষধর সাপগুলো পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়াতে। ২৫ মিনিটেই মানুষের মৃত্যু হয়ে যায়। তবুও অস্ট্রেলিয়াতে আমাদের মতো সাপের কাঁমড়ে মানুষ মা*রা যায় না কেনো?

কারণ ওখানে কেউ ওঝার কাছে যায় না। সেখানে উন্নত চিকিৎসা আছে। যত তীব্র বিষধর সাপই হোক, সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিলেই বেঁচে যাবে।

আমাদের দেশে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো না, সত্য। তবে তারচেয়েও ভয়ংকর এই কুসংস্কার। আপনি যদি হাসপাতালেই না যান, চিকিৎসার তো প্রশ্নই আসে না।

আগে ওঝা ছেড়ে হাসপাতালমূখী হন। তখন চিকিৎসাতেও পরিবর্তন আসবে। এটা করতে পারলেই সাপে কাঁমড়ে মৃত্যুহার ৯০% কমে যাবে।

লেখাঃ নুর হাসান নাহিদ।

SO 26 Bank Choice Listব্যাংকে আবেদনের আগে দুটো ক্রাইটেরিয়া স্মরণ করে নেন:ক। ব্যাংকে থাকবেন না এইটা নিশ্চিত। আপাতত একটা জ...
18/06/2026

SO 26 Bank Choice List
ব্যাংকে আবেদনের আগে দুটো ক্রাইটেরিয়া স্মরণ করে নেন:

ক। ব্যাংকে থাকবেন না এইটা নিশ্চিত। আপাতত একটা জব হিসেবে যোগদান। ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছে নাই।

খ। আরও চেষ্টা চালালেও কিছু না হলে ব্যাংকে ক্যারিয়ার গড়বেন!

ফ্যাক্ট: বাংলাদেশে খুব অল্প চাকরিই আছে ব্যাংক জবের মতো আর্থিক সুবিধা প্রদান করে সাথে ভালো একটা ক্যারিয়ার আপনাকে দিবে। ক্যারিয়ার মানে প্রমোশন+অন্যান্য ভাতা সুবিধা। পুঁজিবাদী সমাজে ব্যাংকের প্রস্পেক্টস সর্বদাই ভালো।

চ্যালেঞ্জেস: অবকাঠামো দুর্বল থাকায় সরকারি ব্যাংকে লেইট সিটিং হয়, টানা বসে কাজ করায় শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।

প্রস্পেক্টস: প্রমোশন, ভাতাদি, লোন, হেলদি ট্রান্সফার পলিসি।

আসি কাজের কথায়:

১১টা ব্যাংক,তাই না? দুটো NBFI, চারটি SOCB, তিনটি বিশেষায়িত আর দুটি Non-Scheduled Banks. সবচাইতে বেস্ট টু রূপালী আর অগ্রণী! NBFI-এর মধ্যে আগে অবশ্যই BHBFC! সবার নিচে থাকবে দুটো অ-তফশীলিভুক্ত ব্যাংক (সবার লাস্টে কিন্তু অবশ্যই কেবি)।

একটা ইনজেনারেল ব্যাংক চয়েজ এমন হতে পারে:

BHBFC > ICB > Rupali > Agrani > BKB/RAKUB > RAKUB/BKB > BDBL > BASIC/PKB > Basic/PKB > Ansar-VDP > KB

( টপ ৫ লকড, বটম ৫ লকড, মাঝে রাকাব/কৃষি। যা চেইঞ্জ আসবে সব নিজ নিজ সাবগ্রুপে আসবে। টপ ৫ কোনোভাবেই বটম ৫-এ আসবেনা বা বটম ৫ কোনোভাবেই টপ ৫-এ আসবেনা)

লাস্টের ৫টি যেন আপনাদের না আসে সে চেষ্টাই করবেন। এখানে কোনো ক্যারিয়ার পাবেন না। হতাশ হবেন।

আমি ব্যক্তিগতভাবে NBFI-কেও পরে রাখার পক্ষপাতী। আমি না, ভাইভা বোর্ডের যেকোনো স্যারই আসলে আমার ধারণাই পোষণ করেন। আমি হলে Rupali-Agraniকে আগে রাখতাম, যারা খ ক্যাটাগরিতে, তারাও আগে রাখেন এইদুটোকে। আর ক ক্যাটাগরিতে যারা তারা হাউজ-আইসিবিকে আগে রাখতে পারেন। বয়স শেষের দিকে হলে রূপালী-অগ্রণী দুটোকেই আগে রাখেন। তবে, লাস্টের ৫টি লকড। এগুলা চেইঞ্জ করবেন না কিন্তু। যা চেইঞ্জ টপ সিক্সে করেন। রাকাবের পোস্টিং উত্তরবঙ্গে, সেখানে কৃষির শাখা নাই। যাদের উত্তরবঙ্গে বাসা, তারা রাকাবকে কৃষির আগে রাখতে পারেন। যাদের বাড়ি ওদিকে না, তারা উল্টো কাজ করবেন।

বিডিবিএল-কে যারা টপে রাখবেন, তারা ভাইভাতে বাঁশ খাওয়ার জন্য আগেভাগেই প্রস্তুতি রাখবেন।

লাস্ট কথা: আমি ইন-জেনারেল ব্যাংক চয়েজ দিছি। আপনারা ব্যক্তিভেদে নিজ নিজ ফ্যাক্টরের উপর ভিত্তি করে চয়েজ একটু এদিক সেদিক করে নিজের মত কাস্টমাইজ করে নেন,অবশ্যই চৌকস এবং বুদ্ধিমান কারও সাথে পরামর্শ করে, ফেসবুকের কারও সাথে না প্লিজ। আমি কাঠামো দেয়ার চেষ্টা করেছি কেবল। মজার কথা হলো, আমি কিন্তু লাস্টের ৫টির দুটিতেই কর্মরত ছিলাম। জেনেই বলছি, প্লিজ এভয়েড দিজ ফাইভ ইফ পসিবল।

শেষ করছি একটা মজার তথ্য দিয়ে। আপনারা অনেকেই চান বিসিএসের মত ব্যাংক চয়েজেও যেন সব দেয়ার বাধ্যবাধকতা না থাকে। আমিও বলেছিলাম এই কথা৷ স্যার আমাকে কী বলেছে জানেন, "আরেহ বোকা,এমন হলে নিচের সারির প্রতিষ্ঠান কেউই চয়েজে দিবেনা। ওরাও লোক পাবেনা, পরে ওরা বিএসসি’র নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে নিজেরা দুর্নীতি করে নিয়োগ দিবে যেটা আগে করত"। (২০১৫সাল পর্যন্ত নিচ সারির অনেক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ হত আন-ফেয়ার ভাবে)

একটা ভুল চয়েজ সারাজীবনের কান্না। ভালো ব্যাংকে শুরুর প্রেশার শুরুর দিকে কান্না (পেইন) দিলেও শেষ দিকে আপনাকে দুহাত ভরে দিবে। মাইন্ড ইট। 🕺

11/06/2026

ব্রেকিং! 💫
HSC পাশেই চাকরির সুযোগ।
৫ হাজার চিকিৎসক এবং ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা! নারীদের জন্ য কোটা ৮০ শতাংশ।

'হলিস্টিক' চাকরি প্রস্তুতি: সংবিধান পর্ব ০১বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে সংবিধান নিয়ে বেশ শোরগোল শোনা যাচ্ছে। সংবিধানকে বলা হ...
11/06/2026

'হলিস্টিক' চাকরি প্রস্তুতি: সংবিধান পর্ব ০১

বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে সংবিধান নিয়ে বেশ শোরগোল শোনা যাচ্ছে। সংবিধানকে বলা হয় দেশের সর্বোচ্চ আইন। রাষ্ট্রের সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবেও আপনাদের সংবিধানে কী বলা আছে জানা উচিত।

চাকরিপ্রার্থীদের (বিশেষত নবম গ্রেড চাকরি প্রার্থীদের) সংবিধান জানাটা ফর‍য একরকম। খেয়াল করে দেখবেন কয়েকদিন আগেই বলেছিলাম সংবিধান আর মুক্তিযুদ্ধ আবারও প্রাসঙ্গিক চাকরি পরীক্ষায়। সম্প্রতি বিসিএস ৫০-এর লিখিত বাংলাদেশ বিষয়াবলীতে বেশ কিছু প্রশ্ন এসেছে যা সংবিধানের ধারাকে কেন্দ্র করেই লেখা যায়।

এখন তাহলে আসি....
সংবিধান কেমন করে পড়ব?


ধরলাম আপনি একদমই বিগিনার। আপনার ম্যাটেরিয়াল হতে পারে ছবির লাল বইটি। সহজ ভাষায় বাংলাদেশ সংবিধান বইটি আপনি রাখতে পারেন। কেবলই অনুচ্ছেদ আছে এখানে, বাংলায়। এখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো পড়বেন। প্রিলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ নিয়ে দ্রুত ব্রেইনবক্স থেকে পোস্ট পাবেন। এই বইটিকে মেইন বই হিসেবে হিসেব করলে আপনার দরকার গাইড বই। গাইড বই হিসেবে ক্র‍্যাকের বইটি থেকে সংবিধান অংশ পড়ে নেন। অনুশীলনের জন্য ক্র‍্যাকই ভালো মনে হল। এছাড়া এমপিথ্রি থাকলে সেখানে অনেক প্রশ্ন আছে। অনুচ্ছেদ একটা একটা পড়বেন আর এমসিকিউ অনুশীলন করবেন।

সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো আপনাকে যেসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে:

ক। প্রিলি: হুবুহু প্রিলিতে প্রশ্ন আসে। বিসিএস বা পিএসসির পরীক্ষায় সংবিধান থেকে আসবেই প্রশ্ন। ব্যাংকের এক্সামেও মাঝেমধ্যে প্রিলিতে প্রশ্ন আসতে দেখা যায়।

খ। লিখিত: বিসিএস লিখিততে সংবিধানকে ভিত্তি করে প্রশ্ন আসে সচরাচর। ৫০ লিখিত দেখেন। বেশিরভাগ প্রশ্নই সংবিধানের রেফারেন্সে লেখা যায়। ব্যাংকের রিটেন ফোকাসেও সংবিধানকে কিন্তু সাইট করা যায়। 😁 এছাড়া, দুদক বা এইধরনের চাকরির লিখিত এক্সামেও সরাসরি সংবিধান থেকে আসে৷

গ। ভাইভা: মূলত বিসিএস ভাইভাতেই প্রশ্ন বেশি হয়। ব্যাংক জবের ভাইভাতে এনালাইসিস ভিত্তিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হলেও অন্যান্য ভাইভাতে প্রিলি স্টাইলেই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হয়ে থাকে। আমার এক বন্ধুকে চিটাগাং সিটি কর্পোরেশনের ভাইভায় জিজ্ঞেস করেছিল "চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী বলা কতটা যৌক্তিক?", সে সুন্দর করে সংবিধানের ভিত্তিতে উত্তর দিয়েছিল এবং গেস হোয়াট? বোর্ড খুশি হয় এবং সে চাকরিও ক্র‍্যাক করে।

মোরাল অব দ্য স্টোরি:

১. সংবিধান পড়া উচিত যদি নাইন গ্রেডের ভালো জব আপনার টার্গেট থাকে।
২. শুরুতে মিনিমাল ভার্সনের বই দিয়েই শুরু করা উচিত। সাদা বইটি মূল সংবিধান। এটা কেনার দরকার নাই তবে গুরুত্বপূর্ণ ধারার ইংরেজি অনুবাদের জন্য অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বইটির ভাষ্য পেয়ে যাবেন।

🔥🔥পড়ার রুটিন কীভাবে সাজাবেন.??শুরুতেই একটা ভুল ধারণা ভাঙি। অনেকে ভাবেন, শিখতে হলে একটানা ৮-১০ঘন্টা পড়তে হবে।গবেষণা আসলে ...
11/06/2026

🔥🔥পড়ার রুটিন কীভাবে সাজাবেন.??

শুরুতেই একটা ভুল ধারণা ভাঙি। অনেকে ভাবেন, শিখতে হলে একটানা ৮-১০ঘন্টা পড়তে হবে।

গবেষণা আসলে উল্টোটা বলছে। একটানা লম্বা সময়ের চেয়ে ছোট ছোট ভাগে শিখলে তথ্য বেশি মনে থাকে।

কারণ আমাদের মস্তিষ্ক একসাথে অনেক কিছু ধরে রাখতে পারে না। ছোট অংশে দিলে চাপ কমে, শেখা সহজ হয়।

এই পদ্ধতির নাম microlearning, আর ব্যস্ত মানুষের জন্য এটাই সবচেয়ে কার্যকর। চলুন রুটিনটা সাজাই।

সকালে ভোরে উঠুন। নামাজ পড়ে একগ্লাস পানি খেয়ে পড়তে বসুন।

★৬টা-৭টা = এক ঘন্টা সবচেয়ে কঠিন পড়াটা শিখুন। হতে পারে vocabulary , Preposition , সংবিধান এসব। এখানে কোনো ব্রেক দেয়া যাবেনা। এই সময় ব্রেইন যথেষ্ট নিতে পারে।

★ ৭:০০-৭:৩০= পারলে হালকা নাস্তা সেরে নিন। একটু হাঁটাহাঁটি করুন। সকালে উঠে যে পড়তে বসলেন, সেটার জন্য নিজেকে ধন্যবাদ দিন। আর নিজের স্বপ্নের কথা চিন্তা করুন। আজ থেকে ২-৩ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান, ভাবুন।

★৭:৩০ থেকে- ৮:০০ = সেকেন্ড সেশন। এই সেশনে আগের দিনের সব পড়া রিভিশন দিবেন। যাস্ট একবার হলেও চোখ বুলিয়ে যাবেন।

★৮:১০-৮:৪৫= থার্ড সেশন। আগের রাতেই দিনে কোন সাবজেক্ট পড়বেন,তা লিখে রাখবেন। আমি সাধারণত আমার ব্যাচে ইংরেজি বা ম্যাথের পাশাপাশি একটা সাবজেক্ট সম্পূর্ণ শেষ করাই। ধরুন- সাধারণ জ্ঞান পড়বেন। তাহলে সেকেন্ড সেশনে আজকের যে টপিক বা ১০-১৫ পাতা পড়া, সেটাকে এই ৩৫ মিনিটে যাস্ট রিডিং দিবেন একবার। চোখ বুলিয়ে যান। আর পুরো পড়াকে ৭-৮ সেগমেন্টে ভাগ করে ফেলুন।

প্রতি ভাগে ৩৫ মিনিট করে রাখুন।

আপনার কাজ হলো, সকালে মিনিমাম ৩-৫সেগমেন্ট পড়া, আর রাতে ৩-৫ সেগমেন্ট পড়া।

একটানা না পড়ে সকালে কিছুক্ষণ, দুপুরে বা বিকালে কিছুক্ষণ, রাতে কিছুক্ষণ পড়ুন।

যারা সংসার সামলাতে হয়, আপনি সময় বের করুন। যখন কোন কাজ থাকেনা তখন পড়ুন। হতে পারে সেটা রাতে(আমি এটা সাপোর্ট করিনা, কারণ সারাদিন কাজ করে রাতে ব্রেইন আর পড়া নিতে চায় না). আমি বলব পারলে রাতে ঘুমিয়ে ভোরে উঠেই ২-৩ঘন্টা পড়ে ফেলুন। এটা ইফেক্টিভ হবে।

যারা চাকরি করেন, অফিস থেকে এসে রাতে ২-৪ঘন্টা পড়ুন। অথবা, রাতে না পড়ে,খেয়ে দেয়ে ঘুম দিন। ভোর ৪টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ৫ঘন্টা পড়ুন। এটা অন্যদের ১০ ঘন্টা পড়ার সমান।

অনেকেই বলেন, ১৪-১৫ঘন্টা না পড়লে ক্যাডার হওয়া যাবেনা। আমি বলব, প্রতিদিন ৫-৭ ঘন্টা পড়েও অহরহ ক্যাডার হচ্ছেন অনেকে। আসলে, আপনি যদি মন দিয়ে পড়েন, ফোকাস ঠিক রাখেন, দেখবেন ৫ঘন্টাতেই অনেএক পড়া হয়ে যাবে।

টেবিলে ঘড়ি রাখুন। ৭-৮ সেগমেন্টে পড়াকে ভাগ করুন। প্রতি ভাগে ৩৫মিনিট করে রাখুন। এই ৩৫ মিনিটে ব্রাজিল ৫ গোল খেয়ে হারতে লাগলেও আপনি দেখতে যাবেন না। কারণ আপনার ক্যাডার হতে হবে,তাছাড়া আপনি আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। 🇦🇷

প্রতিটা সেগমেন্ট সফলতার সাথে শেষ করবেন, আর দেখবেন মনে এত্ত শান্তি লাগছে.!! একদিন অন্তত এভাবে পড়ুন। যার যতটা সম্ভব ৫,৬,৭,৮,১০ঘন্টা পড়ুন। বাট, হুদাই মোবাইল নিয়ে বসে থেকে লোক দেখাবেন না যে পড়ছেন। ৩৫মিনিট পড়ুন, ১০ মিনিট হেঁটে আসুন, মাথাটা টেবিলে রেখে চুপচাপ শুয়ে থাকুন, অথবা দিনে ৩-৪বার শাওয়ার নিন। মাঝে মধ্যে ২০-২৫ মিনিটের ঘুম দিন। হালকা এক্সসারসাইজ করুন। মনকে শান্ত রাখুন।
স্বপ্ন দেখে পড়ুন, তাহলে ক্লান্তি আসবে না, ক্যাডার আসবে।

এসব মেনে চলুন। দেখবেন,পড়া হচ্ছে। পড়া মনেও থাকছে। রুটিনটা নিজের মত করেই সাজিয়ে নিন। আবার, প্রত্যেকটা মানুষের পড়ার একটা জোস আসে দিনের একটা ফিক্সড টাইমে। আমার সেটা হতো দুপুরে বা মাগরিবের পরপর। আপনার কখন আসে? সেটা খুজে বের করুন। তখন পড়তেই হবে। এই সময়ে ১ঘন্টায় ৩ঘন্টার পড়া কাভার হয়ে যায়।

It’s not about studying 14 hours. It’s about studying the right way, at the right time, with the right focus..

আসলে চাকরি, পড়া, সংসার সামলে শেখার সময় বের করা কঠিন, এটা সত্যি। কিন্তু অসম্ভব না। আপনি কতক্ষণ পড়েন? কোন রুটিন ফলো করেন? জীবনে সর্বোচ্চ কত ঘন্টা পড়েছেন.?

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Schema Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share