Nazbel Institute of Fire Engineering & Safety Management

Nazbel Institute of Fire Engineering & Safety Management

Share

Nazbel Institute of Fire & Safety Engineering is a professional institute for Fire Safety, Health Sa

20/02/2023
07/04/2020

মৃতদেহ সৎকার বা দাফনের জন্য যেসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন কেউ মারা গেলে, মৃতদেহ সরানো, পরিবহন, সৎকার বা দাফনের আগে অবশ্যই রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইইডিসিআর)কে জানাতে হবে।এ ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী একটি প্রটোকল তৈরি করেছে আইইডিসিআর।

আইইডিসিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তিকে পরিষ্কার করা, ধোয়া বা নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা ছাড়া স্পর্শ করা যাবে না। চার সদস্যের একটি দল সুরক্ষা পোশাক করে মৃতদেহ সৎকার বা দাফনের জন্য প্রস্তুত করবে। যেখানে তিনি মারা গেছেন, সেখানে প্লাস্টিকে মুড়িয়ে মৃতদেহ রাখতে হবে। মৃত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে আলাপ করে তাদের কোন অনুরোধ থাকলে জেনে নিতে হবে।
ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে মরদেহ গোছল করানো যাবে না। তবে মরদেহ গোছলের পরিবর্তে তৈয়াম্মুম বা পানি ছাড়া ওজু করানো যাবে।

সেলাইবিহীন সাদা সুতির কাপড় কাফনের কাপড় হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। কাফনের কাপড় প্লাস্টিকের ব্যাগে রেখে তার ওপর মরদেহ রাখতে হবে এবং ব্যাগের জিপার বন্ধ রাখতে হবে। এ সময় যারা মরদেহ উঁচু করে ধরবেন, তাদের অবশ্যই সুরক্ষা পোশাক পরে থাকতে হবে।

মৃতদেহ সৎকারের জন্য মৃতদেহের সব ছিদ্রপথ (নাক, কান, পায়ুপথ) তুলা দিয়ে ভালো করে বন্ধ করে দিতে হবে, যাতে কোন তরল গড়িয়ে না পড়ে। এরপর সংক্ষিপ্ত রুটে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মৃতদেহ সমাধিস্থলে নিয়ে যেতে হবে। দাফনের পর মৃতদেহ বহনকারী ব্যাগটি কখনোই খোলা যাবে না।

দাফনের পর কবর বা সমাধিস্থানটি ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার গভীর মাটির স্তর দিয়ে ঢাকার পাশাপাশি দাফন করা স্থানের আশপাশ উপযুক্ত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও মৃত ব্যক্তি যে স্থানে মারা গেছেন, সেই স্থানটিও যত দ্রুত সম্ভব জীবাণুমুক্ত করা ও মৃতদেহ দাফনের পর সেই স্থান ভালোভাবে ঘিরে রাখতে বলা হয়েছে।

নিদর্শনায় বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা যাবে না এবং মৃতদেহ পোড়ালে দেহাবশেষ বা ছাই থেকে করোনাভাইরাস ছড়ায় না।

06/04/2020

মানব সভ্যতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার আগুন। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী, দেবতা প্রমিথিউসের রোষে পৃথিবীতে সর্বপ্রথম অগি্নকাণ্ড ঘটেছিল। প্রমিথিউসের রোষে সর্বপ্রথম আগুন নাকি আদিম মানুষের পাথরে পাথর ঘষায় আগুনের উৎপত্তি- এসব নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রাচীন রহস্য উদঘাটনে বৈজ্ঞানিকভাবে সবচেয়ে স্বীকৃত কার্বন টেস্ট অনুযায়ী ফসিল রেকর্ডে আগুনের দেখা মেলে ৪২০ মিলিয়ন বছর আগে বৃক্ষের ভস্মীভবন ও কয়লার প্রাপ্তিতে, মধ্য অর্ডোভিশিয়ান যুগে ৪৭০ মিলিয়ন বছর আগে যখন ভূমণ্ডলে বৃক্ষরাজি জন্মাতে শুরু করে, এর ফলে বায়ুমণ্ডলে জমতে থাকে অক্সিজেন আর অক্সিজেনের ঘনীভবন শতকরা ১৩ ভাগ ছাড়িয়ে গেলে বনে আগুন লাগার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

দাউ দাউ করে জ্বলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এর নাম ওয়াইল্ড ফায়ার। বৈজ্ঞানিকদের আবিষ্কারে ৪১০ মিলিয়ন বছর আগে এমন ওয়াইল্ড ফায়ারে বৃক্ষ পুড়ে কয়লা হয়ে যাওয়ার প্রমাণ মিলেছে। যখন থেকে ঘাস জন্মাতে শুরু করে এবং প্রকৃতির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অধিকার করে নেয়। তখন বেড়ে যায় এ আগুন লাগার ঘটনাও। সময়টা ৬০ থেকে ৭০ লাখ বছর আগের। কারণ শুকনা ঘাসে আগুন লাগার সম্ভাবনাও বেশি। আগুন আবিষ্কৃত হওয়ার পর প্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত যতটা না আগুন জ্বালানো বরং তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে আগুন নিয়ন্ত্রণ। চার লাখ বছর আগে আগুনের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ছিল কিনা তা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান।

তবে ১৯ লাখ বছর আগেকার আগুনে ঝলসানো খাবারের অস্তিত্ব মিলেছে। এ থেকে ধারণা করা হয়, আগুনের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার কয়েক সহস্র শতাব্দী পুরনো। তবে আগুনের নিয়ন্ত্রিত, নিয়মিত ও বহুবিধ ব্যবহারের ইতিহাস ৫০ হাজার থেকে এক লাখ বছরের। যুগে যুগে ধ্বংসকারীদেরও প্রধান পছন্দ ছিল আগুন। এর প্রমাণ আমরা পাই সেই মধ্যযুগ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ের অনেক যুদ্ধবিগ্রহ পর্যন্ত। রণাঙ্গনে আগুনের গোলা নিক্ষেপের ইতিহাসও বেশ পুরনো। প্রথম ও দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে আগুনের ব্যাপক ব্যবহার হয়েছে। নাপাম বোমা, মলোটোভ ককটেল কিংবা আণবিক বোমা ধ্বংসযজ্ঞের এসব হাতিয়ারই শেষ পর্যন্ত আগুন জ্বেলে হরণ করে মানুষের জীবন ও সম্পদ।

06/04/2020

গরম থেকে বাঁচতে এখন এসি-এর ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু নানা কারণে অনেকে এসি-এর দ্বারস্থ হতে পারেন না। তাই এমন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি আছে, যা বাড়ির অন্দরমহলের পরিবেশকে একদম করে দেবে ঠান্ডা। জেনে নিন সেই সকল ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে-

১। টেবিল ফ্যানের সামনে বাটিভর্তি বরফ রাখুন। এটা অত্যন্ত সহজ পদ্ধতি। এতে বরফে লেগে ফ্যানের হাওয়া আরও ঠান্ডা হবে এবং সেই ঠান্ডা বাতাস ঘরে ছড়িয়ে যাবে।

২। ঘরে ক্রস ভেন্টিলেশন রাখুন। মানে যে দিকের দরজা বা জানলা খুলবেন, তার বিপরীতের দরজা এবং জানলা খুলে রাখুন। এতে ঠান্ডা বাতাস ঘরে প্রবেশ করবে এবং বিপরীত দিক দিয়ে গরম বাতাসকে বের করে দেবে।

৩। ঘর থেকে অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলুন। নজর রাখুন, ঘরে যেন খবরের কাগজ স্তূপাকৃত ভাবে না থাকে। সিল্কের জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলুন। মেঝেতে উলের কার্পেট পাতা থাকলে তুলে ফেলুন। কাচের পাত্রে বা পাথরের থালা অথবা বাটিতে জল ঢালুন। জল ভর্তি পাত্রে কিছু পাথর রাখুন। কিছু ফুল দিয়ে দিন। এবার যে দরজা বা জানলা দিয়ে সবচেয়ে বেশি হাওয়া আসে, তার সামনে রেখে দিন।

৪। ঘরে অযথা লাইট জ্বালিয়ে রাখবেন না। যত অত্যাধুনিক বৈদ্যুতিক ল্যাম্পই জ্বালান না কেন, অপ্রয়োজনে জ্বালিয়ে রাখবেন না। ল্যাম্পের আলো ঘরের বাতাসকে গরম করে তোলে। পারলে ঘরে কম পাওয়ারের আলো লাগান।

৫। চাল ভর্তি বালিশ তৈরি করুন। চাল খুব ঠান্ডা থাকে। তাই গরমকালে চালের তৈরি বালিশ মাথায় দিতে পারেন। এতে চোখে-মুখে ঠান্ডার সতেজতা পাবেন। বালিশে চাল ভরার আগে এর মধ্যে কিছু নিমপাতা মিশিয়ে দিন। এতে চালে পোকা হবে না।

৬। ঘরে পারলে অর্কিড জাতীয় গাছ রাখুন। গাছ ঘরের মধ্যে থাকা গরম বাতাস থেকে কার্বনডাই-অক্সাইড সংগ্রহ করে সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া চালু রাখে। এতে ঘরের গরম বাতাস হাল্কা হয় এবং তাতে প্রচুর পরিমাণে জলকণা সঞ্চিত হয়। ফলে, ঘরে ঠান্ডা থাকে।

৭। ইলেক্ট্রিক প্লাগ অন রাখবেন না। প্লাগে কোনও গ্যাজেট গুঁজে রাখলে তার কাজ শেষ হতেই সুইচ বন্ধ করে দিন এবং ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেটকে প্লাগ থেকে খুলে নিন।

৮। বারান্দায় বা জানলায় খসখস অথবা বাঁশের পর্দা ব্যবহার করুন। এতে জল দিয়ে দিন। এমন ঠান্ডা অনুভব করবেন যে, এসি-র কথা ভুলে যাবেন।

04/04/2020

পানিতে আগুন জ্বলে না কেন, এ আবার কী অদ্ভুত প্রশ্ন? পানি তো ব্যবহার করা হয় আগুন নেভানোর জন্য তাহলে পানিতে কেন আগুন জ্বলবে। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন যে, পানি হাইড্রোজেন আর অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত। হাইড্রোজেন একটি দাহ্য গ্যাস আর একে জ্বালানোর জন্য অক্সিজেনের প্রয়োজন। তবুও এই দুটির উপস্থিতির পরেও পানি কোন দাহ্য পদার্থ কেন নয়?

আসলে কোন কিছুকে পুড়িয়ে ফেলা বা জ্বালানো বলতে আমরা কী বুঝি সেটা আগে একটু খোলাসা করা যাক। অক্সিজেনের উপস্থিতিতে কোন কিছুতে বিক্রিয়ার ফলে যে শক্তির উৎপন্ন হয় তাকেই আমরা জ্বালানো বা পুড়িয়ে দেয়া বুঝি। এখন তাহলে পানির উৎপাদন প্রক্রিয়ার দিকে একটু খেয়াল করা যাক। হাইড্রোজেন অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পানি উৎপন্ন করে। কী কিছু বুঝতে পারছেন? অক্সিজেনের উপস্থিতিতে হাইড্রোজেন আসলে দাহ্য হয়েই পানি উৎপন্ন করে। তার মানে হাইড্রোজেনের জ্বলন্ত অবস্থার ফলাফল-ই হচ্ছে পানি।

কিন্তু যেকোন পরিমাণের হাইড্রোজেনের সাথে অক্সিজেনের বিক্রিয়াতেই কিন্তু পানির সৃষ্টি হবে তা নয়। দুই অণু হাইড্রোজেনের সাথে এক অণু অক্সিজেন মিলিত হলেই শুধু পানি উৎপাদন হবে। তাই পানি তার স্বরূপে আসার প্রক্রিয়াটাই হলো দাহ্য প্রক্রিয়া আর পানি যেহেতু একটি দাহ্য প্রক্রিয়ারই চূড়ান্ত রূপ তাই একবার জ্বলন্ত জিনিস আর পুনরায় জ্বলেনা।

আমরা খুব ভালভাবেই জানি যে যখন কোন দুই বা ততোধিক মৌলিক পদার্থ মিলে একটি যৌগ উৎপন্ন করে তখন এর বৈশিষ্ট্যের মধ্যে ঐ মৌলিক পদার্থগুলোর বৈশিষ্ট্য বিলীয়মান হয়ে যায়। হাইড্রোজেন নিজে খুবই দাহ্য এবং অস্থিতিশীল কিন্তু যখন এটি অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয় এটি অনেক বেশি স্থিতিশীল হয়ে যায়। হাইড্রোজেন স্থিতিশীল কম হওয়ায় ের থেকে শক্তি নির্গত হয়। এই শক্তি তাপ, আলো বা আমরা যে দহনের কথা বলছি সেই প্রক্রিয়াও হতে পারে। কিন্তু অক্সিজেনের সাথে সংযুক্ত হবার সাথে সাথেই এটি অনেক স্থিতিশীল হয়ে যায় ফলে শক্তি নির্গমন অনেক কমে যায় আর শক্তির নির্গমনের প্রয়োজন পড়ে না অর্থাৎ আগুন ও আর জ্বলেনা এবং পানিও কোন দহন এ অংশগ্রহণ করতে পারে না।

সুতরাং পানি ইতোমধ্যেই দহনের ফলাফল হিসেবে সৃষ্ট তাই পানি আর নতুন করে জ্বলে না বা জ্বলতে সাহায্যও করে না।

04/04/2020

প্রাথমিকভাবে পুড়ে যাওয়া তিন ধরনের। পুড়ে যাওয়ার মাত্রা অনুযায়ী এ ভাগ করা হয়েছে। ফার্স্ট ডিগ্রি বা প্রথম বা স্বল্প মাত্রার পোড়া, সেকেন্ড ডিগ্রি বা দ্বিতীয় বা মধ্যম মাত্রার পোড়া, থার্ড ডিগ্রি বা তৃতীয় বা মারাত্মক মাত্রার পোড়া। চিকিৎসাও নির্ভর করে কোন মাত্রায় পুড়েছে তার ওপর।

প্রথম মাত্রার পোড়া

শুধু চামড়ার উপরিভাগ পুড়ে গেলে তাকে প্রাথমিক মাত্রার পোড়া বলা হয়, সাধারণভাবে যাকে সামান্য পোড়া বলে। চামড়া বা ত্বকে দুটি স্তর থাকে। এপিডার্মিস ও ডার্মিস। এ ক্ষেত্রে শুধু এপিডার্মিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর লক্ষণ হিসেবে-

* চামড়া লাল হয়ে যায়

* আক্রান্ত স্থান ফুলে যায়

* আক্রান্ত স্থানে ব্যথা থাকে।

তবে মুখ, যৌনাঙ্গ, নিতম্ব, অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টে সামান্য পুড়ে গেলেও তাকে প্রথম মাত্রার পোড়া হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। এ ক্ষেত্রে বিশেষায়িত চিকিৎসা নিতে হবে। এ ছাড়া প্রথম মাত্রার অন্যান্য পোড়ার ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও চলবে।



দ্বিতীয় মাত্রার পোড়া

চামড়ার এপিডার্মিস ও ডার্মিস উভয় স্তর পুড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে চামড়ায় বা ত্বকে-

* ফোসকা পড়ে

* লাল হয়ে যায়

* অতিরিক্ত ব্যথা অনুভূত হয়

* ফুলে যায়।

দ্বিতীয় মাত্রার পোড়া সাধারণভাবে যদি তিন ইঞ্চি পরিমাণের বেশি বিস্তৃত না হয়, তবে সামান্য পোড়া হিসেবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও হবে। পোড়া অংশ যদি অধিক বিস্তৃত এবং হাত-পা, যৌনাঙ্গ, নিতম্ব, গিরায় বিস্তৃত হয়, তবে তা গুরুতর পোড়া হিসেবে অতিদ্রুত বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা করতে হবে।



তৃতীয় মাত্রার পোড়া

গুরুতর পোড়া। এ ক্ষেত্রে চামড়ার উভয় স্তর, চর্বি, মাংস এমনকি হাড়ও পুড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে

* পোড়া অংশ কালো হয়ে যায় অথবা শুষ্ক ও সাদা বর্ণ ধারণ করে

* শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয়

* কার্বন মনোক্সাইড নামক বাতাসের বিষাক্ত পদার্থ ফুসফুসে ঢুকে পড়ে

গুরুতর পোড়া রোগীর ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দেরি না করে হাসপাতালে নিতে হবে। সম্ভব হলে সরাসরি বার্ন ইউনিটে রোগী স্থানান্তর করতে হবে।

02/04/2020

এক শতাব্দী ধরে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে খোঁজ মিলল একটি অতিপরিবাহী পদার্থের, যা দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহনের তার বানালে বিদ্যুতের কোনো অপচয় হবে না। কারণ, ওই অতিপরিবাহী তারটি বিদ্যুৎ চলাচলে কোনো বাধার সৃষ্টি করবে না।

বিদ্যুতের ইতিহাসে মাইলফলক হতে যাচ্ছে নতুন এই আবিষ্কারটি। এই আবিষ্কারের ফলে কমে যেতে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ। ফলে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিলও কমে যাবে অনেকাংশে। যতটা বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, তার পুরোটাই পৌঁছে দেওয়া যাবে বহু দূরদূরান্তের প্রত্যন্ত এলাকার গ্রাহকদের কাছে। এমনকি, মরুভূমিতে সূর্যালোক বেশি বলে সেখানে বানানো সস্তা সৌরবিদ্যুৎও বহু দূরের এলাকায় পৌঁছে দেওয়া যাবে কোনো অপচয় ছাড়াই।

জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূপদার্থবিজ্ঞানী রাসেল হেমলের নেতৃত্বে আবিষ্কারক দলটির গবেষণাপত্র প্রকাশিত হবে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘ফিজিক্যাল রিভিউ লেটার্স’-এ।

ভূপদার্থবিজ্ঞানী হেমলে জানান, ল্যান্থানাম মৌলের সঙ্গে হাইড্রোজেন মৌলের হাতে হাতে জোড় বেঁধেই তারা ওই অতিপরিবাহী পদার্থটি বানিয়েছেন। যার নাম ‘ল্যান্থানাম হাইড্রাইড’, যা ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেও অতিপরিবাহী হয়ে ওঠে। গত ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চেষ্টার পরও এমন পদার্থ বানানো সম্ভব হয়নি।

সাধারণ কেবলের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচলের সময় তা বাধাপ্রাপ্ত হয় পদে পদে। বিজ্ঞানের পরিভাষায় এই বাধাপ্রাপ্তিকে বলে ‘রেজিস্টেন্স’। এই রেজিস্টেন্সের ফলে বিদ্যুতের প্রচুর অপচয় হয়। সরবরাহের সময় কেবলের মধ্য দিয়ে যেতে গিয়ে বিদ্যুৎকে বারবার থমকে যেতে হয়।

এভাবে তারের মধ্য দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের অনেকটা অংশ হারিয়ে যায়। ফলে, যতটা বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, তার অনেকটাই দূরদূরান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। অপচয় হয় বলে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Paradise Lakeview Nibash, Ba-73/1, Lake Drive Road, South Badda
Dhaka
1212