Engineering, Medical, University Admission Helpline

Engineering, Medical, University Admission Helpline

Share

ভর্তিকালীন সময় টায়, শিক্ষার্থীর প্রশ্ন

14/03/2026

বাংলাদেশে একজন গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে রাষ্ট্রের বিনিয়োগ

বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একজন শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা করাতে রাষ্ট্রকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। এই ব্যয়ের বড় অংশই আসে দেশের করদাতাদের কাছ থেকে।

২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয়ের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে একজন শিক্ষার্থীর পেছনে বার্ষিক মাথাপিছু ব্যয় ৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা।

শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয়ের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে একজন শিক্ষার্থীর পেছনে বছরে গড়ে প্রায় ৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা ব্যয় হয়।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় প্রায় ৩ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

এর পরের অবস্থানে রয়েছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে প্রতিজন শিক্ষার্থীর জন্য ব্যয় হয় প্রায় ৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় প্রায় ৩ লাখ ১৪ হাজার ৪৭৭ টাকা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ব্যয় প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৭ টাকা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় প্রায় ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৮ টাকা, আর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৭০ টাকা।

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় প্রায় ২ লাখ ৮ হাজার টাকা।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) প্রায় ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৯৫ টাকা এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয় হয়।

এ ছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার ৩০৯ টাকা, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) প্রায় ৯২ হাজার ২৪২ টাকা, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) প্রায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৭৮ টাকা এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯০০ টাকা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)-এ শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় যথাক্রমে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার, ১ লাখ ১৬ হাজার এবং ১ লাখ ৩৯ হাজার ১৯ টাকা।

অন্যদিকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার ২৩১ টাকা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ব্যয় প্রায় ৮১ হাজার টাকা এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৭১ হাজার ৫৬৯ টাকা।

ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয়ের দিক থেকে সবচেয়ে কম অবস্থানে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী সেখানে একজন শিক্ষার্থীর পেছনে গড়ে ব্যয় মাত্র ৭০২ টাকা।

এর পরেই রয়েছে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় প্রায় ৩ হাজার ৪১৫ টাকা।

এ ছাড়া তুলনামূলক কম ব্যয়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় প্রায় ৪৩ হাজার ২২ টাকা এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে একজন শিক্ষার্থীর জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৪ হাজার টাকা।

বিশেষজ্ঞদের মতে উচ্চশিক্ষায় এই ব্যয় মূলত দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।

কারণ একজন গ্র্যাজুয়েট তৈরি হওয়া শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়। এটি দেশের মানুষের করের অর্থ দিয়ে গড়ে ওঠা একটি সামাজিক দায়িত্বও।

নোট: এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে!

Photos from Engineering, Medical, University Admission Helpline's post 19/02/2026

🎓 Admission Open – Spring 2026 🎓
B.Sc. in Biomedical Engineering at Bangladesh University of Health Sciences (BUHS), the country's First Private University in Health Sciences in Bangladesh
📝 Application Process
📍 Collect Application Form from Admission Office
🌐 Apply Online: https://buhs.ac.bd/erp/
📞 WhatsApp: +880 1913-588884
🌍 Website: www.buhs.ac.bd
📍 Address: 125/1, Darus Salam (Technical Morh), Mirpur-1, Dhaka-1216
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
Start Your Journey in Advanced Health Sciences Education
📢 Limited Seats – Apply Now!

30/01/2026

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে রেগুলার (নিয়মিত) মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন চলছে। বিভাগটিতে শূন্য আসনে মাস্টার্স অব সায়েন্স (এমএস) প্রোগ্রামে ভর্তিতে পদার্থবিজ্ঞানসহ সংশ্লিষ্ট ১৮ বিষয়ে অনার্স ডিগ্রি থাকলে ভর্তির সুযোগ পাবেন ভর্তিচ্ছুরা। ভর্তিচ্ছুদের আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনলাইনে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।
জানা গেছে, ভর্তির জন্য সব পাবলিক বা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞান, ফলিত পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল (ইইই), ফলিত গণিত, রসায়ন ও ফলিত রসায়ন, রাসায়নিক প্রকৌশল, বস্তু বিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই), বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা জৈবচিকিৎসা প্রকৌশল, আবহাওয়াবিদ্যা, রোবোটিক্স ও মেকাট্রনিক্স, বস্তু ও ধাতুবিদ্যা প্রকৌশল, পারমাণবিক প্রকৌশল, যন্ত্রকৌশল, পুরকৌশল, তথ্য প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্স ও যোগাযোগ প্রকৌশল (ইসিই) এবং ভৌত বিজ্ঞান ও প্রকৌশল সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়সমূহ যেকোনো বিষয়ে ন্যূনতম ৪ বছর মেয়াদী ব্যাচেলর (সম্মান) ডিগ্রী প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স প্রোগ্রামে শূন্য আসনে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

প্রার্থীদের মাধ্যমিক/সমমান ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ সহ প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০০ এবং বি.এস. (সম্মান) পরীক্ষায় ৪.০০ স্কেলে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.২৫ থাকতে হবে।

প্রসঙ্গত, ব্যাচেলর (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের অ্যাপিয়ার সার্টিফিকেট দিয়ে আবেদন করা যাবে; সেক্ষেত্রে ভর্তির সময় ন্যূনতম যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হবে।

বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রীধারী প্রার্থীরা অনুষদ কর্তৃক ডিগ্রীর সমতা নিরূপণ সাপেক্ষে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ভর্তিচ্ছু সব প্রার্থীদের ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসমূহের Scanned Copy-সহ বিভাগীয় ওয়েবসাইটে (https://www.du.ac.bd/body/PHY) অনলাইনে আবেদন জমা দিতে হবে। সরাসরি এই লিঙ্কে (https://h7.cl/1iMki) প্রবেশ করেও আবেদন সম্পন্ন করা যাবে।

সেই সঙ্গে পূরণকৃত এবং স্বাক্ষরকৃত ভর্তির আবেদন ফরমে এসএসসি ও এইচএসসি এবং ব্যাচেলর (সম্মান) ১ম বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষ পর্যন্ত সব মার্কশিটের সত্যায়িত ফটোকপি (৪র্থ বর্ষের ফলাফল প্রকাশিত না হলে ৩য় বর্ষ পর্যন্ত মার্কশীটের সত্যায়িত ফটোকপি এবং ৪র্থ বর্ষের মূল অ্যাাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট ) সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি স্ক্যান কপি যুক্ত করতে হবে। ভর্তি পরীক্ষার ফি বাবদ বিভাগের ব্যাংক হিসাবে (চেয়ারম্যান পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ৪৪০৫৭৩৪০৬৮৩৬৯, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা) টাকা ১ হাজার ৫০০ টাকা জমাদানের প্রমাণপত্র।

যেসব প্রার্থী ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার শর্ত পূরণ করবেন তাদের নামের তালিকা বিভাগের ওয়েবসাইটে ১১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত প্রার্থীরা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টার মধ্যে ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবিসহ উপস্থিত হয়ে বিভাগীয় অফিস থেকে পরীক্ষার প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।

ভর্তি পরীক্ষা ১৬ ফেব্রুয়ারি সময় দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক অংশ থাকবে এবং পরীক্ষার মোট নম্বর হবে ১০০। পরীক্ষাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পদার্থবিজ্ঞানের বি.এস. (সম্মান) শ্রেণির সিলেবাস অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রসঙ্গত, ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা বিভাগের ওয়েবসাইট (https://www.du.ac.bd/body/PHY) বা (https://www.du.ac.bd) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বিস্তারিত জানতে পারবেন।

30/01/2026

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে Professional Masters in Artificial Intelligence and Data Engineering, PMAIDE প্রোগ্রামের ১ম ব্যাচের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বিস্তারিত জানতে এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আবেদনের লিংক:
https://pmaide.cse.du.ac.bd/

আবেদন এর শেষ সময়: ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখ রাত ১১: ৫৯ মিনিট
ভর্তি পরীক্ষা: ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখ রোজ শুক্রবার সকাল ১০.৩০ ঘটিকা।

Application Starts: 18 January, 2026
Application Ends: 24 February, 2026

Other important dates:
Admit Card Publish: Within 25 February, 2026
Admission Test: 27 February, 2026 Friday, 10:30 AM - 11:30 AM (Venue: CSEDU)
Admission Test Result: 01 March, Sunday, 2026, 12.00 PM
Document Verification: 04 March, 2026, Wednesday, 5:30 PM-7.30PM
Admission Start: 08 March, 2026
Admission End: 25 March, 2026
Orientation and Class Start: 29 March, 2026

Duration of the program is one (1) year and six (6) months (3 semesters). Students are required to complete the degree program within 5 academic years (10 semesters)

Seat capacity is 40 for the program

Class time: Friday, Saturday: 10:00 AM to 9:00 PM. Weekdays: 6:00 PM to 9:00 PM (If Required)

08/12/2025

UGC-এর ৫০তম বাৎসরিক প্রতিবেদন ২০২৩ অনুযায়ী দেশে বর্তমানে ১১০টি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১০৩টি কার্যক্রম চালাচ্ছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩ সালে মোট শিক্ষক সংখ্যা ১৭,৪৭৯ জন, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মোট শিক্ষকসংখ্যার বিশ্লেষণ (২০২৩)

🔹 ফুল-টাইম শিক্ষক: ১৩,১৬৯ জন (মোটের ৭৫%)

২০২২ সালের তুলনায় ১,১৫৬ জন বৃদ্ধি

অধ্যাপক: ৯৫২

সহযোগী অধ্যাপক: ১,১১৯

সহকারী অধ্যাপক: ৩,৪১০

প্রভাষক: ৭,৪৭৮

অন্যান্য: ২১০

🔹 পার্ট-টাইম শিক্ষক: ৪,৩১০ জন (মোটের ২৫%)

২০২২ সালের তুলনায় ৩০৫ জন বৃদ্ধি

অধ্যাপক: ১,০০৭

সহযোগী অধ্যাপক: ৫৯৯

সহকারী অধ্যাপক: ৬৯৮

প্রভাষক: ১,৬৫০

অন্যান্য: ৩৫৬

🔸 নিয়ম না মানার বিষয়

UGC জানায়, অনেক বিশ্ববিদ্যালয় Private University Act 2010–এর নিয়ম (পার্ট-টাইম সর্বোচ্চ ১/৩) ঠিকভাবে মানছে না।

শিক্ষকসংখ্যায় শীর্ষ ২০ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় (২০২৩)

BRAC University – ১,১১৯

Daffodil International University – ১,০৬১

North South University – ৬৪১

Independent University, Bangladesh – ৫৫৮

Ahsanullah University of Science and Technology – ৫৩৮

American International University-Bangladesh – ৫২৬

East West University – ৫১৭

Uttara University – ৫১৩

International Islamic University Chittagong – ৪৮৫

Southeast University – ৪৬৫

BUBT – ৪২৮

ULAB – ৩৮৯

Dhaka International University – ৩৭৭

United International University (UIU) – ৩৫০

Northern University Bangladesh – ৩৩৯

Sonargaon University – ৩৩৬

University of Asia Pacific – ৩৩২

IUBAT – ৩৩১

Green University of Bangladesh – ৩১৭

Varendra University – ২৬২

📌 বিশেষ দ্রষ্টব্য

UGC এখন পর্যন্ত ২০২৩ সালের পর নতুন কোনো শিক্ষক সংখ্যা–সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেনি।

তাই এই তথ্যগুলো UGC-এর ৫০তম বাৎসরিক প্রতিবেদন ২০২৩ থেকে নেওয়া হয়েছে। নতুন রিপোর্ট প্রকাশ হলে সেই অনুযায়ী আপডেট করা হবে।

28/10/2025

চাকরির বাজারে অকেজো যে ১২ ডিগ্রি, বিকল্প উপায় কী
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৫,
বড় ডিগ্রি নয়, বরং সময় ও শ্রম কোথায় খরচ করছেন—সেই ‘ভ্যালু ক্রিয়েশন’ই এখনকার দিনে সফলতার মূলমন্ত্র। ছবি: সংগৃহীত
বড় ডিগ্রি নয়, বরং সময় ও শ্রম কোথায় খরচ করছেন—সেই ‘ভ্যালু ক্রিয়েশন’ই এখনকার দিনে সফলতার মূলমন্ত্র। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা শেষ করলেই ক্যারিয়ার ভালো হবে—এই ধারণা এখন আর আগের মতো শক্ত নয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনেক কোর্স এখনো ১০–২০ বছর আগের সিলেবাস আঁকড়ে ধরে আছে। অথচ অনেক কিছুই এখন ইউটিউবে বিনা মূল্যে শেখা যায় বা স্বল্প খরচের অনলাইন কোর্সেই পাওয়া যায় দরকারি দক্ষতা।

শুধু বড় ডিগ্রি নয়, বরং সময় ও শ্রম কীভাবে খরচ করে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করছেন—সেই ‘ভ্যালু ক্রিয়েশন’ই এখনকার দিনে সফলতার মূলমন্ত্র।

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় ১৩৭টি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের পড়াশোনার বিষয়ের ওপর একটি বিশ্লেষণ চালানো হয়েছে। এই বিশ্লেষণে তারা দেখেছে—কোন বিষয়ের ওপর পড়াশোনা করলে ভবিষ্যতে চাকরি বা পেশাজীবনে কতটা আর্থিক সুবিধা বা লাভ আরওআই (রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট) পাওয়া যায়। অর্থাৎ, কোন বিষয় থেকে পড়ালেখায় খরচ অনুযায়ী বেশি আয়ের সম্ভাবনা থাকে, আর কোন বিষয় তুলনামূলক কম লাভজনক। এই গবেষণা অনুযায়ী এমন ১২টি ডিগ্রি দেওয়া হলো, যেগুলোর আরওআই তুলনামূলকভাবে কম। তবে গবেষণাটিতে বিকল্প উপায়ও বাতলে দেওয়া হয়েছে।

১. এথনিক ও জেন্ডার স্টাডিজ

এই বিষয়টি মূলত জাতি, জাতিগত পরিচয় এবং লিঙ্গ-সংক্রান্ত সামাজিক ইস্যুর সমালোচনামূলক বিশ্লেষণে গুরুত্ব দেয়। তবে শিক্ষা খাতে বা অ্যাক্টিভিজমের বাইরের চাকরির বাজারে এই ডিগ্রির সরাসরি ব্যবহারিক চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম। কারণ, এখানে বেশির ভাগ প্রাথমিক চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত বা পেশাগত দক্ষতা সরাসরি শেখানো হয় না।

বিকল্প

এই বিষয়ে ডিগ্রি নিয়ে অ্যাডভোকেসি, শিক্ষা, গণমাধ্যম, ব্যবসা, সরকার, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ পেশায় কাজ করা সম্ভব। ব্যবসার ক্ষেত্রে, ডাইভার্সিটি ও ইনক্লুশন ম্যানেজার বা সিএসআর স্পেশালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা যায়। এ ছাড়া নীতিনির্ধারণ, সামাজিক সেবা, আইন এবং নৈতিক এআইসহ বিভিন্ন খাতে এই ডিগ্রির ব্যবহার বাড়ছে।

২. সংগীত ও পারফর্মিং আর্টস

এই খাতে ক্যারিয়ার গড়তে চাওয়া শিক্ষার্থীদের উচ্চ প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হয়। মাত্র অল্প কিছু শিল্পীই অর্থনৈতিকভাবে সফল হন, বাকিদের আয়ের ধারাবাহিকতা কম এবং সুযোগও সীমিত থাকে।

বিকল্প

সংগীত ডিগ্রি পারফরম্যান্স ছাড়াও নানা পথে পেশা গড়ার সুযোগ দেয়—যেমন মিউজিক প্রোডিউসার, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার বা ভিডিও গেম, সিনেমা ও টিভির জন্য কম্পোজার। শিল্পী ব্যবস্থাপনা, কনসার্ট প্রোমোশন, কিংবা সংগীত শিক্ষকতা ও গবেষণায়ও সফলতা অর্জন সম্ভব। মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে রেডিও ডিজে বা পডকাস্ট হোস্ট হিসেবেও প্রতিষ্ঠা পাওয়া যায়।

৩. আর্ট হিস্টোরি

আর্ট হিস্টোরি বিষয়টি সৃজনশীল ও সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তবে, চাকরির বাজারে এর সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম এবং বেতনও সাধারণত কম। কেউ যদি শিক্ষকতা বা জাদুঘরে কাজ করতে না চান, তাহলে বাস্তব চাকরির সুযোগ অনেক কমে যায়।

বিকল্প

চাকরির সম্ভাবনা বাড়াতে এই বিষয়ে ডিগ্রিকে মিউজিয়াম স্টাডিজ বা বিজনেস ডিগ্রির সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এতে করে পেশাগত ক্ষেত্র প্রসারিত হয় এবং কর্মজীবনে অগ্রগতির পথ সহজ হয়।

৪. ফ্যাশন ডিজাইন

ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা কঠিন। অনেক বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার, যেমন—কোকো শ্যানেল, কার্ল ল্যাগারফেল্ড বা রালফ লরেন, কলেজ ডিগ্রি ছাড়াই সফল হয়েছেন। অনেকেই শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করে বা নিজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করেছেন।

বিকল্প

একটি পেশাগত পোর্টফোলিও তৈরি করুন, হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন করুন এবং ইন্টার্নশিপ নিন। ব্যবসায়িক দক্ষতা থাকলে ফ্যাশন উদ্যোক্তা হিসেবেও সফলতা অর্জন সম্ভব।

৫. দর্শন

দর্শন মানুষকে যুক্তি ও নৈতিকতা বিষয়ে গভীর চিন্তা করতে শেখায়। এটি আলোচনার দক্ষতা, যোগাযোগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সহায়ক হলেও এর সরাসরি চাকরির বাজার তুলনামূলকভাবে সীমিত এবং আয় অনেক সময়েই কম।

বিকল্প

দর্শন নিয়ে আইন, ব্যবসায়িক নৈতিকতা, এআই নীতিমালা, মানবাধিকার, ডিজিটাল প্রাইভেসি এবং পাবলিক পলিসির মতো ক্ষেত্রে কাজ করা যায়। এ ছাড়া ব্র্যান্ড সুরক্ষা, ইউজার ইথিক্স বা এআই নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত কাজেও দর্শনের ব্যবহার বাড়ছে।

৬. রিলিজিওন বা থিওলজি

এ বিষয়টি সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিষয়ে গভীর অন্তর্দৃষ্টি দেয়। তবে একাডেমিক বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বাইরে এই ডিগ্রির আর্থিক পরিসর কম এবং ক্যারিয়ারের পরিধিও সীমিত হতে পারে।

বিকল্প

এ বিষয়ে ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ধর্মগুরু হিসেবে কাজ করতে পারেন অথবা হাসপাতাল, সেনাবাহিনী, কারাগার, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা করপোরেট পরিবেশে আধ্যাত্মিক সাহায্য দিতে পারেন। এ ছাড়া কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ও মানবিক সহায়তাকর্মী, গবেষক, কারিকুলাম ডেভেলপার, সাংবাদিক, শিক্ষক, কাউন্সেলর হিসেবে চাকরি এবং সমাজসেবামূলক কাজেরও সুযোগ রয়েছে।

এই ডিগ্রি নিয়ে আরও এগোতে চাইলে আইন, নৈতিকতা বা পাবলিক পলিসি বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নতুন পেশাগত দিগন্ত উন্মোচন করা সম্ভব। পাশাপাশি, জাদুঘর বা সাংস্কৃতিক সংস্থায় কাজ, ইন্টারফেইথ সম্পর্ক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ কিংবা করপোরেট নৈতিকতা পরামর্শক হিসেবেও ক্যারিয়ার গড়া যায়। মোটকথা, এই বিষয়টি সমাজ, সংস্কৃতি ও নৈতিক উন্নয়নের বহু দিকেই অবদান রাখার সুযোগ তৈরি করে।

৫. ফটোগ্রাফি

ফটোগ্রাফিতে ডিগ্রি থাকলে নির্ধারিত কাঠামোয় শেখার সুযোগ পাওয়া যায় ঠিকই, তবে এই ক্ষেত্রে সফলতার জন্য তা আবশ্যক নয়। কারণ, এটি একটি ফ্রিল্যান্স-নির্ভর পেশা। অনেক সফল ফটোগ্রাফার নিজের চেষ্টায়, অনলাইন রিসোর্স ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করেছেন। এই পেশায় সফলতা নির্ভর করে আপনার পোর্টফোলিও, কারিগরি দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও যোগাযোগ ক্ষমতার ওপর। তাই বাস্তব অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া ও প্রয়োগ করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বিকল্প পথ: অনলাইন কোর্স করা, শক্তিশালী পোর্টফোলিও গঠন এবং বাস্তব জীবনে কাজের অভিজ্ঞতা নেওয়া।

৬. সমাজবিজ্ঞান

সমাজবিজ্ঞানীরা সমাজের আচরণ ও কাঠামো সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করেন। তবে উচ্চ বেতনের চাকরিতে প্রবেশ করার জন্য প্রায়ই বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ বা উচ্চতর ডিগ্রির প্রয়োজন হয়। তবে এই ডিগ্রি বহুমুখী দক্ষতা দেয় যা শিক্ষা ছাড়াও অন্যান্য খাতে ব্যবহার করা যায়।

বিকল্প পথ: সামাজিক সেবা, কমিউনিটি ও যুব উন্নয়ন, মার্কেট রিসার্চ ও ডেটা বিশ্লেষণ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, গণমাধ্যম, জননীতি বিশ্লেষণ, নগর পরিকল্পনা, করপোরেট প্রশিক্ষণ, অপরাধ বিশ্লেষণ, আইন সহকারী বা গবেষক হিসেবে কাজের সুযোগ রয়েছে।

৭. ইংরেজি সাহিত্য ও সৃজনশীল লেখা

ইংরেজি সাহিত্য বা সৃজনশীল লেখায় ডিগ্রি থাকলেও শুধু এটুকু যথেষ্ট নয়; লেখার দক্ষতা ও কঠোর পরিশ্রমই বড় বিষয়। এই ক্ষেত্রের চাকরিগুলোর সংখ্যা কম এবং প্রতিযোগিতা বেশি, যার ফলে শুরুতে আয় কম হতে পারে।

বিকল্প পথ: কনটেন্ট রাইটিং, এসইও রাইটিং, টেকনিক্যাল রাইটিং, ডিজিটাল জার্নালিজম, কপিরাইটিং, স্ক্রিপ্টরাইটিং, প্রুফরিডিং, সাহিত্য সম্পাদক, পাবলিশার, পিআর স্পেশালিস্ট, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার, ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজিস্ট, পডকাস্ট প্রযোজক—এমন অনেক ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে এই দক্ষতা ব্যবহার করা যায়।

৮. কমিউনিকেশনস

কমিউনিকেশনস বা গণযোগাযোগে পাঠ্যক্রমগুলো সাধারণত তাত্ত্বিক ও ইতিহাসভিত্তিক। এই খাত সৃজনশীল হলেও অধিকাংশ কাজের বেতন কম এবং প্রতিযোগিতা অনেক বেশি, বিশেষ করে ক্যারিয়ারের শুরুতে।

বিকল্প পথ: সাংবাদিকতা, পিআর, করপোরেট কমিউনিকেশন, ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট, টিভি বা রেডিও প্রোডাকশন, স্ক্রিপ্ট রাইটিং, ভিডিও এডিটিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ইউটিউবার, পডকাস্টার, পাবলিক স্পিকারসহ অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে।

৯. ইতিহাস

ইতিহাস বিষয়ে পড়াশোনা করলে অতীত সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জিত হয়। তবে একাডেমিক বা জাদুঘরের বাইরে উচ্চ বেতনের কাজ পাওয়া কঠিন হতে পারে।

বিকল্প পথ: গবেষণা, জনসেবা, মিডিয়া, বিজনেস, গেম ডিজাইন, পডকাস্টিং, টেলিভিশন বা চলচ্চিত্রের ইতিহাস উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা যায়। এ ছাড়া পাবলিক সার্ভিস ও তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাণেও এই ডিগ্রির অনেক ব্যবহার রয়েছে।

১০. লিবারেল আর্টস

লিবারেল আর্টস ডিগ্রি অনেক বিষয়ের মিশ্রণ হলেও এতে নির্দিষ্ট কোনো টেকনিক্যাল স্কিলের ঘাটতি থাকে। ফলে উচ্চ আয় নিশ্চিত করা একটু কঠিন হয়।

বিকল্প পথ: আইন, ডিজিটাল মিডিয়া, সাংবাদিকতা, মানবসম্পদ, ইউএক্স রিসার্চ, ডেটা অ্যানালিটিক্স, টেকনিক্যাল রিক্রুটার বা ডিজিটাল হিউম্যানিটিজে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে।

১১. নৃবিজ্ঞান বা প্রত্নতত্ত্ব

নৃবিজ্ঞান বা প্রত্নতত্ত্বে ডিগ্রি থাকলে মানব ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে গভীর জ্ঞান পাওয়া যায়। তবে এই ক্ষেত্রের কাজ সাধারণত গবেষণা ও শিক্ষা-নির্ভর হয়, যা তুলনামূলকভাবে কম বেতনের।

বিকল্প পথ: ফরেনসিক অ্যানথ্রোপলজিস্ট, কূটনীতিক, জাদুঘর কিউরেটর, আর্কাইভিস্ট, ট্যুর গাইড, ইউএক্স রিসার্চার, এনজিওকর্মী, পলিসি অ্যানালিস্ট, লেখক ও ভ্রমণভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে কাজের সুযোগ রয়েছে।

১২. কুলিনারি আর্টস বা রান্না

রান্না একটি দক্ষতাভিত্তিক পেশা, যেখানে স্বাদ ও অভিজ্ঞতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ডিগ্রি না থাকলেও সফল শেফ হওয়া সম্ভব।

বিকল্প পথ: রেস্টুরেন্টে কাজ করা, কেটারিং ম্যানেজার, পার্সোনাল শেফ, ফুড স্টাইলিস্ট, রেসিপি ডেভেলপার, ফুড ক্রিটিক, ফুড সায়েন্টিস্ট, কুকিং ইনস্ট্রাক্টর, রেস্টুরেন্ট কনসালটেন্ট, ফুড পলিসি অ্যানালিস্ট ইত্যাদি কাজের সুযোগ রয়েছে।

তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

04/07/2025

শাফায়েত হোসেন মাসুম: আইইউটি থেকে গুগল!
আইইউটি'র প্রাক্তন শিক্ষার্থী শাফায়েত হোসেন মাসুমের কর্মজীবন একটি দৃষ্টান্তমূলক পেশাগত সাফল্যের গল্প। অ্যামাজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের পর তিনি এবার গুগলে যোগ দিতে প্রস্তুত।

বিশ্বজুড়ে অসংখ্য প্রযুক্তি পেশাজীবীর কাছে শীর্ষস্থানীয় টেক জায়ান্টগুলোতে কাজ করা একটি আরাধ্য স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকে অতিক্রম করে শাফায়েত অ্যামাজন এবং গুগলের মতো দুটি সেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

তিনি আইইউটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করার পর, ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস অ্যাট অস্টিন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে তাঁর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।শিক্ষাজীবন থেকেই শাফায়েত কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিংয়ে গভীর আগ্রহ এবং দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন। একইসাথে, গ্রীন ইউনিভার্সিটিতে প্রোগ্রামিং কোচ হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের নিবিড়ভাবে মেন্টরশিপ প্রদান করেছেন।
Photo : IUTCS

20/06/2025

IBA Admission Test-এর জার্নিটা যেমন ছিল:
a) IBA BBA (Year = 2012)
আইবিএ-তে সেই সময় (২০১২ সাল) যতবার ইচ্ছা ততবার বিবিএ এডমিশন টেস্ট দেয়া যেত। আমাদের মার্কেটিং বিভাগের ৪র্থ বর্ষের এক বড় ভাই আইবিএ বিবিএ এডমিশন টেস্ট দিয়ে আইবিএ বিবিএ তে ১ম বর্ষে ভর্তি হল। আইবিএর ডিমান্ড এমনই ছিল সবসময়। সেইবার আমি তখন অলরেডি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে চান্স পেয়ে ক্লাস শুরুর অপেক্ষায়। ২০১২ সালে বিবিএ এডমিশন টেস্টে রিটেন কোয়ালিফাই করে ভাইভা দেই। কিন্তু ভাইভা শেষে চূড়ান্ত রেজাল্টে আর রোল আসে নাই।
বিবিএ পরীক্ষা শেষে আমার বিশ্লেষণঃ
আইবিএ এডমিশন টেস্টের জন্য গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড ফলো করে। এখন বিবিএ এর জন্য SAT ফলো করা না হলেও ২০১০-২০১৫ এর দিকে GRE, GMAT এর সাথে SAT ও ফলো করা হত। তাই গোছানো প্রিপারেশন ছাড়া এমন গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ডের পরীক্ষায় চান্স পাওয়া কঠিন।
ম্যাথে আশানুরূপ ভালো করতে পারিনি। যদিও কাট মার্কস উৎরে গেছিলাম যেহেতু ভাইভা দিয়েছিলাম।
অ্যানালিটিক্যাল আমার স্ট্রং জোন ছিল তাই এই অংশে ভালো করেছিলাম।
ভোকাবুলারি তে আরও বেশি জোর দেয়া উচিৎ ছিল।
মক ভাইভা দিলেও আসল ভাইভা বোর্ডে আমি একটা বড় ভুল করেছিলাম যা আমাকে পরবর্তী এমবিএ এডমিশন টেস্ট, আইবিএ গৃহীত জব এক্সাম সহ এযাবৎকাল যত ভাইভা বোর্ড ফেস করেছি সেসবের জন্য একটি শিক্ষা নিয়ে এসেছিল।
সেই বিবিএ এডমিশন টেস্টের ভাইভা বোর্ডে অনেক সিনিয়র টিচারের সাথে ছিলেন আইবিএর বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর শাকিল হুদা স্যার। যেহেতু আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে চান্স পেয়ে ক্লাস শুরুর অপেক্ষায় ছিলাম তাই আমাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফবিএস ( ফ্যাকাল্টি অফ বিজনেস স্টাডিজ) ছেড়ে কেন আইবিএ চুজ করছি তা বলতে বলা হল। এই প্রশ্নের উত্তরে এফবিএস থেকে কেন আইবিএ বেটার বলতে গিয়ে আইবিএ বনাম এফবিএস এর তুলনায় চলে গেসিলাম। সাধারণভাবে উত্তরটি স্যারদের পছন্দ হয়নি। টিচারগণ আমাকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে কখনই কোন প্রতিষ্ঠানকে ছোট করতে নেই। আমি স্যারদের সাথে একমত হয়ে সরি বলেছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয় ফাইনাল রেজাল্টে এই ঘটনার ইমপ্যাক্ট ছিল।
ভাইভার এই প্রশ্ন পরবর্তীতে বিভিন্ন ভাইভায় বিভিন্নভাবে আমি অনেকবার ফেস করেছি। এখানে এমবিএ ছেড়ে ওইখানে এমবিএ কেন?, দেশ ছেড়ে বিদেশ কেন?, এই চাকরি ছেড়ে তমুক চাকরি কেন? কিন্তু কখনই আর এই ধরণের প্রশ্নে ভুল উত্তর দেয়নি।
IBA MBA [59D Intake (December, 2017)]
# পুরো বছরের প্রস্তুতিঃ
ফাইনাল ইয়ারের এক্সাম শেষ করেই প্রস্তুতি শুরু করেছিলাম। যেহেতু বিবিএ এডমিশন টেস্টে কোয়ালিফাই করেছিলাম তাই নিজের স্ট্রং ও উইক জোন জানা ছিল। কোন বই কতটুকু পড়তে হবে সবই ধারণা ছিল।
# এক্সাম যেমন হয়েছিলঃ
এক্সাম খুব ভালো দিয়েছিলাম। ম্যাথ ৩০ এ ৩০, ইংলিশ ২৫ এ ২৩ এবং অ্যানালিটিক্যাল এ ১৫ তে ১৫ টা দাগিয়েছিলাম। অ্যানালিটিক্যাল এর ১৫, ম্যাথের এবং ইংলিশের ৮০% ভাগ মার্ক পাব এই কনফিডেন্স ছিল।
# পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির জন্য যা পরেছি যা করেছিঃ
আইবিএ পরীক্ষার ৫ টি অংশে যা পরেছি, যা করেছি তা নিচে তুলে ধরা হলঃ
1. ENGLISH:
IBA BBA, MBA, EMBA এর বিগত বছরের সকল ENGLISH প্রশ্ন সলভ করেছি অন্তত ২ বার।
IBA JOB Solution থেকে বিগত বছরের সকল ENGLISH প্রশ্ন সলভ করেছি।
ভোকাবুলারি পড়েছি Barron's SAT Vocabulary High-Frequency Word List 800। এই ৮০০ ওয়ার্ডের পার্টস অফ স্পিচ আলাদা করে (শব্দটি Noun হলে শব্দটির বাকি পার্টস অফ স্পিচ অর্থাৎ Verb, Adjective, Adverb) বের করে পড়েছি। এই ৮০০ ছাড়াও Barron's SAT 3,500 Basic Word List আরও কিছু উপরের নিয়মে পড়েছি। IBA BBA, MBA, EMBA এর বিগত বছরের সকল ভোকাবুলারি এক যায়গায় করে প্রত্যেক ওয়ার্ডের ৩ টি করে Synonym এবং Antonym পড়েছি। GRE Big Book এর ২৭টি টেস্টের বেশ কিছু Synonym এবং Antonym প্র্যাকটিস করেছি।
Sentence Completion (Vocabulary related) Part এর জন্য GRE Big Book এর ২৭টি টেস্টের বেশ কিছু টেস্ট হতে Completion (Vocabulary related) প্র্যাকটিস করেছি।
Grammar Part (Sentence Correction) এর জন্য পড়েছি Cliff’s TOEFL, Barron’s TOEFL, এবং Common Mistakes in English। Grammar Part (Sentence Correction) প্র্যাকটিস করেছি GMAT Official Guide এর 200 Sentence Correction, Cliff’s TOEFL, Barron’s TOEFL এবং Barron's SAT-এর Pin Point Error।
Comprehension প্র্যাকটিস করেছি Cliff’s TOEFL এবং GRE Big Book থেকে।
ENGLISH Section এ ২৫ টি প্রশ্নের ভেতর ২৩ টি প্রশ্ন দাগিয়েছিলাম। Comprehension এর ৪ টি প্রশ্নের ভেতর ২ টি প্রশ্নের উত্তর দাগায়নি।
2. Math:
IBA BBA, MBA, EMBA এর বিগত বছরের সকল MATH প্রশ্ন সলভ করেছি অন্তত ২ বার।
IBA JOB Solution থেকে বিগত বছরের সকল MATH প্রশ্ন সলভ করেছি।
Arithmetic অংশের জন্য Saifur’s Math সলভ করেছি অন্তত ২ বার।
Algebra অংশের জন্য Nova’s GRE Math Bible পড়েছি।
Geometry অংশের জন্য পড়েছি Saifur’s Geometry এবং Nova’s GRE Math Bible।
এছাড়া পড়েছি Mentor’s Math Q Bank
Math Section এ ৩০ টি প্রশ্নের ভেতর ৩০ টি প্রশ্ন দাগিয়েছিলাম। কনফিডেন্স ছিল ৮০-৮৫% সঠিক হয়েছে।
3. Analytical:
IBA BBA, MBA, EMBA এর বিগত বছরের সকল Analytical প্রশ্ন সলভ করেছি।
Puzzle পড়েছি Saifur’s Analytical Puzzles বই থেকে। Puzzle প্র্যাকটিস করেছি GRE BIG BOOK থেকে। GRE Big Book এর ২৭টি টেস্টের অন্তত ১৫-১৭ টি টেস্টের সবগুলি Puzzle প্র্যাকটিস করেছি। IBA MBA Admission এর মেইন এক্সামের দিন Puzzle কমন পরেছিল।
Critical Reasoning পড়েছি Saifur’s Critical Reasoning বই থেকে। GMAT Official Guide এর সকল Critical Reasoning সলভ করেছিলাম। IBA MBA Admission এর মেইন এক্সামের দিন Critical Reasoning কমন পরেছিল।
Data Suffieciency পড়েছি GMAT Official Guide থেকে।
Analytical অংশে আমি ১৫ তে ১৫ পেয়েছি। এই Analytical অংশটি আমার সবচেয়ে স্ট্রং জোন ছিল।
4. Written:
রিটেন এর জন্য IBA BBA, MBA, EMBA, IBA JOB Solution থেকে বিগত বছরের সকল প্রশ্ন এনালাইসিস করেছিলাম।
রিটেন এর জন্য দুইটি খাতা করেছিলাম একটি ইংলিশ পত্রিকা (Daily Star) থেকে তথ্য তুলে রাখার জন্য। একটি খাতায় শুধু Rhetorical vocabulary, Sentence এবং ঊক্তি তুলে রাখার জন্য এবং অন্যটি জিকে টাইপের তথ্য তুলে রাখার জন্য। এই দুইটি খাতা আমার অনেক উপকারে এসেছিল। যেমনঃ Child Education নিয়ে Thematic Writing এ উক্তি দিয়েছিলাম “Give me a good mother and I will give you a good nation!” by Napoleon Bonaparte এবং তথ্য দিয়েছিলাম এইভাবে যে, “According to BBS, 26.3% of our Graduate students remain unemployed every year”
রিটেন এর জন্য একটি খাতায় Rhetorical vocabulary, Sentence এবং ঊক্তি এবং আরেকটি জিকে টাইপের তথ্য তুলে রাখার প্র্যাকটিস পরবর্তীতে আমাকে জবের পরীক্ষায়ও সাহায্য করেছে।
5. ভাইভাঃ
রিটেন পরীক্ষা খুব ভালো হওয়ায় শতভাগ কনফিডেন্স নিয়ে খুব ভালো ভাইভা দিয়েছিলাম। ভাইভাতে আমাকে তেমন কোন জটিল প্রশ্ন না করায় আমার কাছে মনে হয়েছে ভাইভা বোর্ডের কাছে ক্যান্ডিডেটের রিটেন মার্কস থাকে এবং সে অনুযায়ী ভাইভার ডিফিকাল্টি লেভেল আলাদা হয়। এটা মনে হয়েছে আমার আইবিএ তে বিবিএ এবং এমবিএ তে একই প্রতিষ্ঠানে দুই রকমের ভাইভা অভিজ্ঞতা হওয়ার কারণে।
# যে কারণে একটি Extraordinary এক্সাম দেয়ার মাধ্যমে IBA MBA 59D এ চান্স পেয়েছিলাম বলে মনে করিঃ
প্রস্তুতির শুরু থেকেই আমি একটি মেন্টর / কোচিং এর সাথে সংস্পর্শে ছিলাম। এতে আমার প্রস্তুতি হয়েছে গোছানো এবং কখনো ফোকাস হারায় নি। যেহেতু প্রস্তুতি লম্বা সময় ধরে নিতে হয় তাই ফোকাস ধরে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
IBA BBA, MBA, EMBA এবং IBA JOB Solution থেকে IBA গৃহীত বিগত বছরের সকল জবের প্রশ্ন প্রচুর এনালাইসিস করেছি। এই এনালাইসিস করতে যেয়ে আমার চোখে একটি বিষয় ধরা পরে। IBA গৃহীত “ডাক অধিদপ্তরের উপজেলা পোস্ট মাস্টার ২০১০” [Professors IBA JOB SOLUTION প্রশ্নটি রয়েছে] এবং Petrobangla / Tourism Board AD-2016 এর ENGLISH অংশের একটি Sentence Completion (Vocabulary related) হুবুহু IBA MBA June-2017 (MBA 58D) Intake এ চলে এসেছে।এই বিষয়টি বুঝতে পেরে IBA গৃহীত বিগত বছরের সকল জবের MATH, English অংশ প্র্যাকটিস করেছিলাম যা আমাকে IBA MBA 59D এর এডমিশন টেস্টে এক অনন্য Competitive advantage এনে দিয়েছিল।
আমার এমসিকিউ এর পাশাপাশি ৩০ মার্কের রিটেনের প্রস্তুতিও খুব ভালো ছিল। সর্বোপরি IBA MBA তে ভালো করতে হলে সব বিভাগেই ভালো করতে হবে এটা আমি বুঝতে পেরেছিলাম। তাই সব বিভাগের জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়ার চেষ্টা করেছি।
আমি প্রচুর মক টেস্ট দিয়েছি অফলাইনে (কোচিং এ গিয়ে) । তখন অনলাইন মক টেস্টের সুযোগও ছিল না। প্রচুর মক টেস্ট আমাকে অন্য এক কনফিডেন্স এনে দিয়েছিল।
এই ছিল আমার আইবিএ তে এডমিশন টেস্টের অভিজ্ঞতা।
আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে IBA 68th Batch এর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। যারা পরীক্ষা দিবেন তাদের সবার কথা ভেবে এই অভিজ্ঞতা লেখার আয়োজন। আমাদের সাথে আপনার প্রস্তুতি আরও শানিয়ে নিতে আমাদের 𝐅𝐥𝐚𝐠𝐬𝐡𝐢𝐩 𝐏𝐫𝐨𝐠𝐫𝐚𝐦- 𝐈𝐁𝐀 𝐉𝐨𝐛𝐬 + 𝐈𝐁𝐀 𝐌𝐁𝐀 𝐏𝐫𝐞𝐩𝐚𝐫𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 by iBA Excellence enroll করতে পারেন।
Shahriar Sagor
AM (Admin), Petrobangla
IBA MBA 59D

12/06/2025

BRAC University তে পড়তে কত টাকা খরচ হবে, তা একনজরে দেখে নিন

23/04/2025

বুয়েট Master's in URP পোস্টগ্রাজুয়েশন প্রোগ্রামঃ

১. URP কি?

- Urban & Regional Planning ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট না, তবে ইঞ্জিনিয়ারিং রিলেটেড সাবজেক্ট। মূলত Civil Engineering, Architecture এবং সামাজিক বিজ্ঞানের সংমিশ্রণ।

২. MURP কি রেগুলার মাস্টার্স নাকি ইভেনিং মাস্টার্স?

- বুয়েটে ইভেনিং মাস্টার্স কোর্স সিস্টেম চালু নাই। রেগুলার মাস্টার্সের রেগুলার স্টুডেন্টদের সাথে ক্লাস পরিচালিত হয়।

৩. কোন সময়ে আবেদন করতে হয়?

- প্রতিবছর এপ্রিলে ফলস শুরু হয়। মে মাসে সার্কুলার ছাড়ে। সার্কুলার ছাড়ার ডেট থেকে ১ মাসের মধ্যেই এক্সাম হয় এবং রেজাল্ট দেয়। জুন-জুলাই মাসের মধ্যেই সেমিস্টার ক্লাস শুরু হয়।

৪. ন্যাশনাল/প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবেদন করতে পারবে?

- আপনি ন্যাশনাল, প্রাইভেট, পাব্লিক নাকি ভুরুঙ্গামারী ডিগ্রি কলেজের স্টুডেন্ট, সেইটা ম্যাটার করে না। শুধু আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান UGC স্বীকৃত এবং আপনার অনার্সে URP ইকুয়েভ্যালেন্ট ডিগ্রি থাকতে হবে।

৫. সিজিপির রিকোয়ারমেন্ট কত?

- সিজিপিএ ম্যাটার করে না। সিজি ২.৫ থাকলেই আবেদন করা যায়। তবে ন্যুনতম সিজি ৩.০০+ আপনার প্রোফাইল ভারী করবে।

৬. আবেদন ফি কত টাকা?

- ৫০৫ টাকা।

৭. কতবার আবেদন করা যায়? বয়সসীমা কত?

- বারবার আবেদন করা যায়। যতবার খুশি এক্সাম দেওয়া যায়। স্টাডি গ্যাপ কোন বিষয় না।

৮. এইটা কি ফুল টাইম নাকি পার্ট টাইম মাস্টার্স?

- ফুল টাইম / পার্ট টাইম দুটি অপশনই আছে।

৯. MURP তে পোস্টগ্রাজুয়েশন করতে কত সময় লাগে?

- ফুলটাইমঃ ২ থেকে ২.৫ বছর। পার্ট টাইমঃ ৩.৫ বছর

১০. কত ক্রেডিটের কোর্স?

- for BURP ব্যাকগ্রাউন্ড: টোটাল ৩৬ ক্রেডিট
- for Non-BURP ব্যাকগ্রাউন্ড: টোটাল ৪৮ ক্রেডিট

১১. মাস্টার্স কম্পলিট করতে টোটাল কত খরচ হবে?

- ডেপ্ট+হল খরচ মিলিয়ে আনুমানিক ২৫-৩০ হাজার৷

১২. আন্ডারগ্রাজুয়েট সাবজেক্ট রিকোয়ারমেন্ট কি?

- সায়েন্স এবং সোশ্যাল সায়েন্স ফ্যাকাল্টির মধ্যে URP রিলেভেন্ট সাবজেক্ট গুলি হাইলি এলিজিবল।

প্রোসপেক্টাসে উল্লেখিতঃ
* অর্থনীতি, স্ট্যাটিস্টিক্স, সোশিওলজি, সোশ্যাল ওয়ার্ক/ওয়েলফেয়ার, পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন।

* সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার, ম্যাথমেটিকস, এপ্লাইড ম্যাথ, ফিজিক্স, জিওগ্রাফি, জিওলজি, ইউআরপি, এগ্রিকালচারাল ইকোনোমিকস অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং রিলেটেড সাবজেক্ট।

১৩. বিবিএ/কলা অনুষদ থেকে আবেদন করা যাবে?

- আবেদন করা যাবে। তবে আবেদন স্ক্রিনিংয়ের পর ওয়েবসাইটে এলিজিবল লিস্টে নাম আসলে কেবল এক্সাম দিতে পারবেন। সম্ভাবনা ক্ষীণ।

১৪. চাকরির পাশাপাশি কি করা সম্ভব?

- জ্বি সম্ভব, তবে পার্ট টাইম স্টুডেন্টশিপ নিতে হবে। আর অফিসের NOC লাগবে। তবে পার্ট টাইমে আবাসিক হল পাবেন না।

১৫. মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্যে আবাসিক হল আছে?

- জ্বি, ছেলেদের জন্যে শহীদ স্মৃতি হল, মেয়েদের জন্যে সাবেকুন নাহার সনি হল।

১৬. কতজন আবেদন করে এবং কয়টি সিট ফাকা আছে?

- আনুমানিক ৫০০ জনের মত আবেদন করে, সিট আছে ৪০ টি।

১৭. URP থেকে মাস্টার্স করলে কি কি অপরচুনিটি ক্রিয়েট হবে?

- সিজি এবং সুপারভাইজারের উপর বেইজ করে রিসার্চ ফেলোশিপ পাবেন ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া ফ্যাকাল্টিদের সাথে TA এবং RA হিসেবে জব পেতে পারেন। রিয়েল এস্টেট, এনজিও, ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে হেলথি এমাউন্টে জব করার সুযোগ। এছাড়া বুয়েট মাস্টার্সের ভাল মানের থিসিস ও পেপার থাকলে বিদেশে সরাসরি ফুল ফান্ডে PhD করার দ্বার উন্মুক্ত হতে পারে।

১৮. URP তে মাস্টার্স করার অসুবিধা গুলো কি?

- প্রতি ২০ জনে কেবল ২-৩ জন থিসিস নিয়ে পাশ করতে পারে। স্ট্রিক্ট রুলস এবং স্টিফ কারিকুলামের কারণে বাকিরা ড্রপ হয়ে যায়। অন্যান্য মাস্টার্স ডিগ্রির তুলনায় দীর্ঘ সময় লাগে। খুব প্যাশনেট আর ভ্যালিড ফিউচার গোল না থাকলে, MURP তে না আসাই বেটার।

১৯. এডমিশনে চান্স পাইতে রিসার্চ ব্যাকগ্রাউন্ড থাকতে হয়? হইলে কিরকম?

- প্রয়োজন নাই। তবে এক্সট্রাকারিকুলার এক্টিভিটিজ আবেদনে সংযুক্ত করতে হয়। প্রাইমেরি স্ক্রিনিংয়ে রিটেন টেস্টে এলিজিবল হইতে আপনাকে আগায়ে রাখতে পারে।

২০. এডমিশন এবং ডিগ্রি কারিকুলাম কোন ভার্সনে?

- অবশ্যই ইংরেজী ভার্সন।

২১. বুয়েটের অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের মাস্টার্স বা PhD করার গাইডলাইন কি?

- বুয়েটে প্রতিটা ডেপ্টে পোস্টগ্রাজুয়েশন প্রোগ্রাম রুলস এন্ড প্রসিডিউর আলাদা। অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নাই। বুয়েট কতৃপক্ষ থেকে তথ্য নেওয়া ভাল। তবে কারো তথ্য লাগলে লিংক করিয়ে দিতে পারবো। পিএইচডির ক্ষেত্রেও এক।

২২. কেন MURP করা উচিত? কেন করা উচিত না?

- আপনার ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং ক্যারিয়ার যদি MURP এর সাথে এলাইন করে তবেই এই ডিগ্রি নিবেন। অথবা আপনি যদি আপাতত দেশেই থাকতে চান এবং পাশাপাশি জব করতে চান। তবে আগামী ১ বছরের মধ্যেই যাদের বিদেশে পড়তে যাওয়ার ইচ্ছা আছে তাদের এখানে না আসাই বেটার।



১. পরীক্ষা কেমন হয়? কত মার্কসের? কত সময়?

- রিটেন টেস্ট এক্সাম, ৫০ মার্কস, সময়ঃ ১ ঘন্টা

২. কোন বই ফলো করতে হবে, কতদিন ধরে এডমিশন প্রিপারেশন নিবো?

- কোন বই ফলো করতে হবে না। আপনার ইংলিশ স্কিল ও একাডেমিক বেসিক নলেজ ভাল হইলে প্রেপ ছাড়াই চান্স হবে। কারিকুলাম বুঝতে ১০-১৫ দিন যথেষ্ট।

৩. এক্সাম টপিক কি এবং কি ধরনের প্রিপারেশন নিতে হবে?

★ Seen Comprehension
★ Fill In The Blanks
★ Argumentative Writing
★ Abbreviation Puzzle (Academic)
★ Two Short Notes (Academic)
★ Mental Ability
★ True-False (Graph Analysis)

সাজেশনঃ এক্সাম সিলেবাস দেখতে বোর্ড এক্সামের মত হইলেও, ভেতরের প্রশ্ন কিছুটা ক্রিটিক্যাল থাকে। প্রশ্নের কাঠামো চোখে সহজ, উত্তর করতে গেলে কনফিউজড। আবার এডভান্স ইংলিশ স্কিল আর একাডেমিক জেনারেল নলেজ থাকলে পানির মত সহজ।

৪. আমি ভাল স্টুডেন্ট না আমি কি চান্স পাবো?

- বুয়েট ট্যাগ দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নাই। অনেক সহজ। এক্সামে বসেন এমনি হয়ে যাবে। আপনি ন্যাশনাল/প্রাইভেট/ডিগ্রি কলেজ এসব ইন্সটিটিউশনাল ডিলুশনে ভুগে নিজের কনফিডেন্স ছোট করবেন না। মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Dhaka