Red Leaf

Red Leaf Committed to keeping you informed throughout the legal process.

14/08/2025

রিমান্ডে আসামীকে মারধোর, IO এর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট ; মামলার আদেশ স্থগিত করলেন দায়রা জজ।

এজাহারনামীয় আসামী মোঃ মাসুদ রানা কে ০৩দিনের পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় তদন্তকারী কর্মকর্তা। উক্ত আসামীর দোষ স্বীকারোক্তির জন্য আসামীকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থাপন করা হলে তাকে পুলিশ হেফাজতে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে মর্মে আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেন। আদালত আসামীর জবানবন্দি গ্রহণান্তে আসামীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করেন। আসামীর মেডিকেল সনদপত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে আদালত গত ১১/০৮/২০২৫ খ্রি. তদন্তকারী অফিসার এসআই (নিঃ) মোঃ গোলাম রাব্বানী এর বিরুদ্ধে ০৩ কার্য দিবসের মধ্যে মামলা দায়ের করার জন্য আদেশ প্রদান করেন।

উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে গত ১৩/০৮/২০২৫ ইং দায়রা জজ বরাবর রিভিশন মামলা দায়ের করা হয়। এসআই (নিঃ) মোঃ গোলাম রাব্বানীর রিভিশন মামলার শুনানী শেষে আদালতে মামলা দায়েরের প্রদত্ত আদেশ স্থগিতাদেশ প্রদান করেন।

এ পর্যায়ে আইনগত প্রশ্ন হলো, মামলা দায়ের করার আদেশ দায়রা জজ স্থগিত করতে পারেন কি না?

Abdul Matin vs The State, 42 DLR 286 মামলায় বলা হয়েছে "The Court of Sessions or the HCD has no jurisdiction to interfere with the discretion of the Magistrate in the matter of taking cognizance of any offence irrespective of the fact whether the offence is triable by a Court of Sessions or not."

সুতরাং রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে আমলী আদালতের অত্র আদেশ স্থগিত করার সুযোগ নেই।

©️

22/07/2025

Celebrating my 5th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

14/07/2025

কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়ের করলে তার প্রতিকার উল্লেখ আছে:-

১. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ২৫০:
ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামিকে খালাস দেওয়ার সময় প্রমাণ পান যে মামলাটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট বাদীকে কারণ দর্শানোর নোটিশসহ ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন।

২. দণ্ডবিধি ১৮৬০, ধারা ২০৯:
মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করলে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।
২১১ ধারায় মিথ্যা ফৌজদারি মামলা দায়ের করার শাস্তির ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো অভিযোগ দায়ের করলে অথবা কোনো অপরাধ সংঘটিত করেছে মর্মে মিথ্যা মামলা দায়ের করলে মামলা দায়েরকারীকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করারও বিধান রয়েছে।

৩. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, ধারা ১৭:
মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে। ধারা মতে, যদি কোনো ব্যক্তি কারও ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে এই আইনের অন্য কোনো ধারায় মামলা করেন, তবে তার আইনানুগ কারণ নেই বলে জ্ঞাত হয়েও মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন অথবা করান, তবে সেই অভিযোগকারী অনধিক সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।

৪. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ ধারা ২৮ গ (১):
মিথ্যা বলে জ্ঞাত হয়েও বা তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে কোন ব্যক্তি ভিত্তিহীন কোন তথ্য প্রদান করে এবং যে তথ্যের বিত্তিতে কোন তদন্ত বা বিচার কার্য পরিচালনার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন বলে গণ্য হবে। উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ২ (দুই) বছর বা অনধিক ৫ (পাঁচ) বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৫. শিশু আইন, ২০১৩ ধারা ৮৩:
কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন মামলার কার্যক্রমে কোন আদালতে কোন শিশুর সম্পর্কে যদি এমন কোন তথ্য প্রকাশ করেন যা মিথ্যা, বিরক্তিকর বা তুচ্ছ প্রকৃতির তাহলে আদালত প্রয়োজনীয় তদন্ত এবং শো-কজ সাপেক্ষে কারণ লিপিবদ্ধ করে যার বিপক্ষে উক্ত তথ্য প্রদান করা হয়েছে তাকে ২৫ (পঁচিশ) হাজার টাকার ঊর্ধ্বে যেকোন পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীর প্রতি নির্দেশ প্রদান করতে এবং অনাদায়ে অনধিক ৬ (ছয়) মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবে।

৬. পর্নোগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ ধারা ১৩ (১):
সর্বোচ্চ ২(দুই) বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড।

৭. পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০, ধারা ৩২:
অনধিক ১ (এক) বছর কারাদন্ড অথবা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ড।

ধন্যবাদ

Collected

09/07/2025

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৮৪ এর ভাষ্য:

এ ধারায় মূলত এমন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে যা এমন ব্যক্তি দ্বারা সংঘটিত হয়েছে যার অপরাধটি সংঘটনকালে, উক্ত অপরাধের প্রকৃতি বা ক্ষতি বা এটি যে অপরাধ তা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার কোন অবকাশ বা অবস্থায় ছিলো না তাহলে সংঘটনকারী ব্যক্তির ঐ কাজ অপরাধ বলে গন্য হবেনা।

তবে এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, বদমেজাজি হলে অপ্রাকৃতিস্থতামূলক নিরাপত্তা পাওয়া যায় না বা এই ব্যতিক্রম দাবি করা যায় না--- MIR 1947 Patna 222

এই ধারায় অপরাধীর যে ব্যতিক্রম অবস্থার কথা বলা হয়েছে তা সেই অপরাধীকেই প্রমাণ করতে হবে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১০৫ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি যদি দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের সাধারণ ব্যতিক্রম দাবী করে তাহলে উক্ত দাবিকারী ব্যক্তিকেই তা প্রমাণ করতে হবে।

এবং

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ০৪ অনুযায়ী, বিধান মতে আদালত কোন ঘটনা অনুমান করতে পারে, উক্ত ঘটনা মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা সত্য বলে ধরে নিবে। অর্থাৎ ধারা ১০৫ অনুযায়ী সাধারণ ব্যতিক্রম প্রমাণের আগে কোর্ট দাবিকারী ব্যক্তিকে দোষী বলে গন্য করবে।

এক্ষেত্রে, অপরাধের পূর্বপ্রস্তুতির প্রমাণ থাকলে দণ্ডবিধির ধারা ৮৪ এর সাধারণ ব্যতিক্রমের অজুহাত নাকচ হয়ে যায়--- MIR 1919 Lahore 470

05/01/2021

How are you people????

We are coming to provide you the best products at best prices

Address


Telephone

+8801959913373

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Red Leaf posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your school to be the top-listed School/college?

Share