12/05/2026
২.৯১ সিজিপিএ নিয়েও তিতুমীর কলেজের আশিকুরের ফুল ফান্ডেড পিএইচডি!
আশিকুর রহমান তিতুমীর কলেজ থেকে ফিজিক্সে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। তার একাডেমিক প্রোফাইল ছিল খুবই সাধারণ সিজিপিএ ২.৯১, জিআরই ৩১৯ এবং টোফেলে ৯০। কোনো রিসার্চ পাবলিকেশন বা চাকরির অভিজ্ঞতাও ছিল না। তবুও তিনি নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে থেমে যাননি।
সীমিত প্রোফাইল নিয়েই তিনি ধারাবাহিকভাবে প্রফেসরদের সাথে যোগাযোগ করেন এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন চালিয়ে যান। অসংখ্য রিজেকশন ও নীরবতার মাঝেও তিনি ধৈর্য হারাননি। শেষ পর্যন্ত তার সেই অবিরাম প্রচেষ্টার ফলেই তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের The University of Southern Mississippi তে ফিজিক্সে পিএইচডি এর শেষ বছরে অধ্যয়নরত আছেন।
অনেকেই মনে করে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লে জীবনে কিছু করা সম্ভব নয় বিদেশে স্কলারশিপ, বড় কোম্পানিতে চাকরি গুগল,নাসা, মাইক্রোসফট, ফেসবুকে কিংবা বিজ্ঞানী বা প্রফেসর হওয়া যেন অসম্ভব।
লাইফে যা হওয়ার তা ইতোমধ্যেই হয়েছে। এখন গুরুত্বপূর্ণ হলো সামনে কী হবে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন পূরণ হয়নি, প্রাইভেটেও সুযোগ হয়নি, কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন এসব অতীতকে আর বোঝা বানিয়ে রাখার সময় নেই। এখন প্রয়োজন সামনে এগোনোর সিদ্ধান্ত। এক গ্লাস পানি মরুভূমিতে যেমন জীবন রক্ষাকারী, তেমনি আপনার বর্তমান সামর্থ্য নিয়েই আপনাকে সামনে এগোতে হবে।
শুরুটা বড় না হলেও ধারাবাহিকতা আপনাকে বড় জায়গায় পৌঁছে দিতে পারে।প্রথম ধাপ হলো অতীতের ব্যর্থতা ও আফসোস থেকে বের হয়ে আসা। নিজের ভবিষ্যতের দিকে ফোকাস করা জরুরি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েও আপনি পিছিয়ে নেই বরং সঠিক স্কিল ও পরিকল্পনা থাকলে আপনি আরও এগিয়ে যেতে পারেন।
বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে মূল বিষয় হলো ডিগ্রি, স্কিল এবং রিসার্চ ইচ্ছা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নয়। চার বছরের অনার্স ডিগ্রি থাকলেই আপনি আবেদন করার যোগ্যতা রাখেন। তাই কেউ যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেখে আপনাকে নিরুৎসাহিত করে, তাদের কথায় থেমে যাবেন না। নিজে শিখুন, নিজেকে গড়ে তুলুন, এবং অন্যদেরও জানার সুযোগ দিন। ধন্যবাদ।
© Scholarship Funding with Low CGPA