Let's learn something meticulous per week

Let's learn something meticulous per week One week. One topic. One step wiser.
প্রতি সপ্তাহে শিখি কিছু meticulous, fascinating এবং thought-provoking বিষয়।

>> Epicurus & Epicureanism"The best life is a simple life with less fear, less pain and more meaningful happiness." - Ep...
13/07/2026

>> Epicurus & Epicureanism

"The best life is a simple life with less fear, less pain and more meaningful happiness." - Epicurus

("সর্বোৎকৃষ্ট জীবন সেটাই যেটা একটি সহজ সরল জীবনকে উৎসাহিত করে যেখানে ভয়, কষ্টের জায়গা নেই কিন্তু রয়েছে একটি অর্থযুক্ত সুখের।" - এপিকুরাস)

Epicurus ছিলেন প্রাচীন যুগের একজন গ্রীক দার্শনিক। Epicurus যে দর্শন প্রতিষ্ঠা এবং প্রচার করেছেন সেটাই Epicureanism বা এপিকুরীয় দর্শন।

Epicureanism হচ্ছে এমন একটি নৈতিক দর্শন যেখানে সুখ (Pleasure) কে জীবনের সর্বোচ্চ কল্যাণ (Highest Good) হিসেবে প্রচার করা হয়। তবে এই দর্শনে Pleasure বলতে বিলাসিতা বা ইন্দ্রিয়সুখ নয়; বরং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি (absence of pain) এবং মানসিক প্রশান্তি (ataraxia) বোঝানো হয়। এটি ভোগবাদ বা Hedonism থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। জীবনধারণের জন্যে অপ্রয়োজনীয় এবং বিলাসী জিনিসের পরিবর্তে প্রয়োজনীয় জিনিস বা লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে প্রকৃত সুখী হওয়ায় এই দর্শনের মূল কথা। এক কথায় বললে মধ্যম পন্থা অবলম্বন।

Utilitarianism বা উপযোগবাদ একটি পৃথক নৈতিক দর্শন, যা পরবর্তীতে Jeremy Bentham এবং John Stuart Mill বিকশিত করেন। সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের জন্যে সর্বাধিক সুখ অর্জনের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা হয় এই দর্শনের মূলমন্ত্র। ভূটানকে অনেক গবেষক আংশিকভাবে একটি Utilitarianism এর অনুসারী বলেছেন; যেহেতু তারা মানুষের সামগ্রিক কল্যাণের কথা চিন্তা করে GNH (Gross National Happiness) বা সামগ্রিক জাতীয় সুখ পরিমাপ করে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই দর্শনের প্রয়োগ আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রীয় দর্শন হিসেবে প্রচার এবং প্রসার না হলেও এটিকে পরামর্শ হিসেবে দেখা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভোগবাদ (Consumerism) কমানো, মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর, পরিবার ও সমাজের উন্নয়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার মানসিকতা দেখানো যেতে পারে।

Epicureanism এর ব্যবহার ঠিকমতো না করতে পারলে, সেটা মানুষকে অশান্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে। যেখানে প্রকৃত সুখের আশায় মানসিক অশান্তি পরিলক্ষিত হয়। সামাজিক বা জাতীয় দায়িত্ব পালনে অনেকাংশে নিজের প্রকৃত সুখকে বিসর্জন দেয়া জরুরি হতে পারে। সেক্ষেত্রে যদি কেউ আত্মচিন্তায় মগ্ন হয়ে পড়ে তবে সমাজ বা দেশ ক্ষতির সম্মুখীন হবে। তাই এই দর্শন প্রয়োগের ক্ষেত্রে এর প্রকৃত অর্থ ও সীমাবদ্ধতা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।




>> Dupe Economy Dupe Economy আবার কি?Dupe Economy দ্বারা এমন একটি অর্থনৈতিক ঘটনা (economic phenomenon) বোঝায় যা ভোক্তা প...
06/07/2026

>> Dupe Economy

Dupe Economy আবার কি?

Dupe Economy দ্বারা এমন একটি অর্থনৈতিক ঘটনা (economic phenomenon) বোঝায় যা ভোক্তা প্রবণতার (consumer trend) একটি বিশেষ দিককে নির্দেশ করে, যেখানে মানুষ কোনো দামী বিলাসবহুল ব্র‍্যান্ড এর বিপরীতে একইরকম স্টাইল কিংবা গুণগত মানের কম দামের বিকল্প পণ্য (low-cost alternative) কিনতে আগ্রহী হয়।

এটি একটি আইনসম্মত বিকল্প পণ্য। এটি কোনো নকল পণ্য হিসেবে বাজারজাত করা হয়না। যেমনটি Counterfeit Economy তে হয়।

উদাহরণ হিসেবে আমাদের দেশের Zara-style কিংবা H&M-style এর বিভিন্ন পোশাক এবং Gucci-inspired or Louis Vuitton-inspired ব্যাগ এর প্রসঙ্গ আনা যায়। যেখানে ওই নির্দিষ্ট ব্রান্ড এর লোগো ব্যবহার করা হয় না। কিন্তু পণ্য ব্যবহারে সমান অনুভূতি এবং টেকসই মানসিকতা দেখা যায়।

সুবিধার কথা বললে মধ্যবিত্ত সমাজ তাদের চাহিদাপূরণ কর‍তে পারছে। কম খরচে ভালো মানের পণ্য ক্রয় করা যাচ্ছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাশ্রয়ী মূল্যে বিলাসী একটু অনুভূতি আসছে।

অসুবিধার কথা বললে প্রথমেই চলে আসে ব্রান্ডগুলোর ক্ষতির বিবেচনাটি। এরপর আসে Design Ethics নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক। এছাড়াও খারাপ মানের Dupe Product বাজারে ভোক্তার অধিকার হারানোর মতো সম্ভাবনা।

Dupe Economy কে সচল করতে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মগুলোতে (বিশেষত Instagram, Twitter বা Tiktok) এই ব্যাপারে সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে হ্যাশট্যাগ কালচারের মাধ্যমে Influencer বা Content Creator রা এই অর্থনীতির প্রচার এবং প্রসার করতে সফল হচ্ছে।

বাংলাদেশের মতো মূল্য সংবেদনশীল (price-sensitive) দেশের জন্যে Dupe Economy একটি অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী সমাজ গড়ার ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করছে। জনগণের আস্থা এবং সরকারী প্রণোদনার মাধ্যমে এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধিত হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।






>>Ecofeminism নারী আর ধরিত্রী রক্ষাই কি সমাজের মূল দায়িত্ব নয়?Ecofeminism (Ecology+Feminism) হলো এমন একটি দর্শন ও সামাজি...
29/06/2026

>>Ecofeminism

নারী আর ধরিত্রী রক্ষাই কি সমাজের মূল দায়িত্ব নয়?

Ecofeminism (Ecology+Feminism) হলো এমন একটি দর্শন ও সামাজিক আন্দোলন (Social Movement), যা নারীর উপর নিপীড়ন (women’s oppression) এবং পরিবেশ ধ্বংস (environmental destruction) এই দুই সমস্যাকে একই সূত্রে বাঁধে। ফরাসি নারীবাদী লেখিকা Françoise d'Eaubonne সর্বপ্রথম Ecofeminism শব্দটি ব্যবহার করেন।

সহজে বললে যেভাবে মানুষ প্রকৃতিকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করছে এবং ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে, সেভাবে তারা নারীদের প্রতিও শোষণের মানসিকতা নিয়ে লিঙ্গ বৈষম্য (Gender inequality) প্রকাশ করছে। Ecofeminism যুক্তি দেখিয়ে বলে যে প্রকৃতি রক্ষা এবং লিঙ্গ সমতা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।

জাতিসংঘের (United Nations) টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs - Sustainable Development Goals) সরাসরি Ecofeminism-এর অংশ নয়, তবে SDG 5 (Gender Equality) এবং SDG 13 (Climate Action) এর মতো লক্ষ্যগুলো নারী অধিকার ও পরিবেশ রক্ষার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়, যা Ecofeminist চিন্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে Ecofeminism জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে গ্রামীণ ও প্রান্তিক নারীদের জীবনযাত্রার ওপর যে ক্ষতিকর প্রভাবগুলো পড়ছে সেগুলো নিয়ে কাজ করার কথা বলে। এছাড়াও উপকূল (Coastal area) এবং গার্মেন্টসশিল্পে নারীদের অবদানকে মর্যাদার সাথে দেখার আহবান জানায়।

যদিও বাংলাদেশে Ecofeminism নামে সরাসরি কোনো আন্দোলন গড়ে ওঠেনি। তবে জনগণের মাঝে এ বিষয়টি নিয়ে আরো প্রচার ও প্রসার পারে একটি পরিবেশবান্ধব এবং নারীবান্ধব সমাজ পরিচালনা কর‍তে। পরিবেশ সংরক্ষণ, নারী অধিকার এবং সামাজিক ন্যায়বিচার আন্দোলনের মাধ্যমে উপরিউক্ত Ecofeminism এর চিন্তাধারারই প্রতিফলন ঘটে।

সুতরাং একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে হলে নারী ও ধরিত্রীর প্রতি সম্মান, অধিকার সংরক্ষণ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অনস্বীকার্য।






>> Gig Economy & Remittance EconomyGig Economy কি একটি Slang Economy?Gig Economy বলতে এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে বোঝা...
22/06/2026

>> Gig Economy & Remittance Economy

Gig Economy কি একটি Slang Economy?

Gig Economy বলতে এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে মানুষ চিরাচরিত full-time job এর পরিবর্তে চুক্তিভিত্তিক কাজ বা ফ্রিল্যান্সিং (freelancing) করে আয় করে।

এখানে একজন কর্মরত ব্যক্তি সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানের অধীনে কর্মরত থাকে না। বরং স্বল্পসাময়িক প্রকল্প (short-time project, delivery, ride-sharing বা নির্দিষ্ট কাজের ভিত্তিতে আয় করে থাকে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উদাহরণ হিসেবে আমরা Uber, Pathao এর মতো ride-sharing প্রতিষ্ঠান বা foodpanda এর মতো খাবার ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান অথবা Upwork এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং বা ক্লাউড ওয়ার্ক (Cloud Work) করাকে দেখতে পারি।

অপরপক্ষে Remittance Economy হলো এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে মানুষ অর্থ উপার্জনের জন্যে প্রবাসে পাড়ি জমায়। বিদেশে থাকা প্রবাসী (migrant workers/expatriates) এর পাঠানো অর্থ (remittance inflow) দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রে চুক্তির মেয়াদ হতে পারে স্বল্পমেয়াদী অথবা দীর্ঘমেয়াদী।

প্রতিবছর উপসাগরীয় দেশগুলোতে (Gulf States) লাখ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী হিসেবে গমন করছে। যা দেশের Remittance Economy এ বিশাল বড় অবদান রাখছে।

Gig Economy এ কাজের স্বাধীনতা (Work Flexibility), অনভিজ্ঞ (Inexperience) কর্মীর কাজের সুযোগ এবং অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের ব্যবস্থা যেমন আছে তেমনি সহজে কাজ হারানো (Job Insecurity) বা আয়ের বৈষম্য (Income Volatility) এর দেখা দিতে পারে। যার কারণে বিশেষজ্ঞ এবং বিজ্ঞবানদের মধ্যে এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়াটি দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে।

একইভাবে Remittance Economy এ যেমন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, আর্থিক স্বচ্ছলতা অর্জন এবং অর্থনীতিতে অবদান রাখার মতো মর্যাদা থাকে এমনি মুদ্রার উল্টোপিঠে মেধাপাচার (Brain Drain), বৈশ্বিক সংকট (Global Crisis) এর জন্যে অর্থ উপার্জন না করতে পারা এবং দেশে ফেরার পর আর্থিক অস্বচ্ছলতার ব্যাপার দেখা যায়।





>>Sportswashing & Sports Diplomacy Whitewashing ই কি Sportswashing? না। যেখানে Whitewashing ক্রিকেটপ্রেমীদের একটি পরিচিত...
15/06/2026

>>Sportswashing & Sports Diplomacy

Whitewashing ই কি Sportswashing?

না। যেখানে Whitewashing ক্রিকেটপ্রেমীদের একটি পরিচিত শব্দ, সেখানে Sportswashing একটি রাজনৈতিক শব্দ।

Sportswashing মূলত এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো দেশের সরকার বা দেশের কোনো প্রভাবশালী কোম্পানি কোনো একটি খেলার জনপ্রিয়তা এবং global audience (বিশ্বব্যাপী ছড়ানো দর্শক); এগুলোকে ব্যবহার করে নিজেদের নেতিবাচক চরিত্র, controversies (বাদানুবাদ) বা human rights violation (মানবাধিকার লঙ্ঘন) থেকে সকলের নজর সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

সহজে বললে, global appeal (বৈশ্বিক আকর্ষণ) কে কাজে লাগিয়ে, খেলাধুলার আবেগকে পুঁজি করে নিজেদের negative reputation (ক্ষতিগ্রস্ত ভাবমূর্তি) কমিয়ে ফেলার প্রচেষ্টাকেই Sportswashing বলে।

উদাহরণস্বরূপ আমরা ফুটবল বিশ্বকাপের দিকে তাকাতে পারি। রাশিয়া, কাতার কিংবা যুক্তরাষ্ট্র কতৃক আয়োজিত বড় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ে সমালোচকরা এসব দেশের বিরুদ্ধে Sportswashing এর অভিযোগ তুলেছেন। যুদ্ধের থেকে নজর সরাতে হোক কিংবা নিজেদের brand building (ব্রান্ড গঠন) করতে।

আবার মধ্যপ্রাচ্যের ক্লাব ফুটবলের দিকেও নজর দেয়া যায়। যেখানে সৌদি আরবের রাজতন্ত্র এবং দেশের কোম্পানিগুলো ক্লাব ফুটবলে মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজেদের reputation revamping (ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার) করছে। যা বিভিন্ন সমালোচকদের মতে নিতান্তই নিন্দনীয়।

যেখানে Sportswashing এর মাধ্যমে কিছু দেশ ফায়দা অর্জন করছে। বিপরীতে Sports Diplomacy এর মাধ্যমে অন্যান্য দেশ কূটনৈতিকভাবে নিজেদের মধ্যে international relation (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) স্থাপন করছে।

Sports Diplomacy হলো এমন একটি কূটনীতি যেখানে খেলাধুলার মাধ্যমে দুই বা ততোধিক দেশ নিজেদের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে উন্নত করার চেষ্টা করে।

বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যেকার টেবিল টেনিস খেলাকে নেয়া যায়; যেটাকে বলা হয় Ping-Pong Diplomacy। একইভাবে বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার মধ্যেকার Football Diplomacy এর মাধ্যমে বিনিয়োগ ব্যবস্থা এবং সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়টাও আনা যায়।

২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রতি বাংলাদেশের জনগণের সমর্থন দেখে বাংলাদেশের প্রতি আর্জেন্টিনার কূটনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে নতুন বিনিয়োগ, পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন এবং সংস্কৃতির আদান-প্রদান এর সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। যা একান্তই প্রশংসনীয়।

সবশেষে বলা যায়, যেখানে Sportswashing মূলত image management (ভাবমূর্তি উন্নয়ন) এর জন্যে খেলাধুলাকে ব্যবহার করে, সেখানে Sports Diplomacy খেলাধুলার মাধ্যমে দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন ও পারস্পারিক বোঝাপড়া বাড়ানোর চেষ্টা করে।







>> Carbon Financing & Carbon CreditsCO₂ কি কেনা বেচা সম্ভব? উত্তরটা হ্যা সম্ভব তবে পরোক্ষভাবে। এবং সেটা সম্ভব Carbon Fin...
08/06/2026

>> Carbon Financing & Carbon Credits

CO₂ কি কেনা বেচা সম্ভব?

উত্তরটা হ্যা সম্ভব তবে পরোক্ষভাবে। এবং সেটা সম্ভব Carbon Financing এর মাধ্যমে।

Carbon Financing হলো এমন একটি আর্থিক ব্যবস্থা যেখানে greenhouse gas (মূলত CO₂ বা Carbon Di-oxide) এর emissions বা নির্গমন কমানোর জন্য economic incentives বা আর্থিক প্রণোদনা ব্যবহার করা হয়। এটি কোনো Financial Aid বা আর্থিক অনুদান নয়।

অপরদিকে Carbon Credits হচ্ছে একটি অনুমতিপত্র। যেটি গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন কমানোর একটি বাজারভিত্তিক এবং অনেকক্ষেত্রে তাত্ত্বিক পদ্ধতি, যেখানে ১ টন বা ১০০০ কেজি CO₂ এর নির্গমন কমানোর বিপরীতে দেয়া হয়।

এই অনুমতিপত্রের মাধ্যমেই Carbon Trading করা হয়; যেখানে Carbon Credits আন্তর্জাতিক বাজারে কেনা বেচা হয়। আর এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকে বলা হয় Carbon Financing. আশা করি এই ব্যাপারটা সহজ করা গেছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এটির আসলে দরকার টা কি? উত্তরটা হচ্ছে Carbon Offsetting বা সহজে বললে ক্ষতিপূরণ।

ধরুন আপনি একটা কোম্পানির মালিক। আপনার কোম্পানি Immense Amount বা অত্যধিক পরিমানে CO₂ emissions বা নি:সরণে যুক্ত। কিন্তু আপনি কোনোভাবে এই বিপুল পরিমান CO₂ পরিবেশে মুক্ত করার কোনো ছাড়পত্র বা অনুমতি সরকারের কাছ থেকে পাচ্ছেন নাহ। তখন আপনি Carbon Credits অর্জন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর থেকে Credits কিনবেন অথবা Eco-friendly বা পরিবেশবান্ধব কাজে বিনিয়োগ করে পরিবেশকে ক্ষতিপূরণ দিবেন। এই প্রক্রিয়াটিই Carbon Offsetting।

বাংলাদেশের জন্যে সুখবর হচ্ছে বাংলাদেশও এই Carbon Credits বিক্রির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছে। এই ক্ষেত্রে IDCOL নামক প্রতিষ্ঠানটি দেশে Renewable Energy বা নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অর্জন করছে মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের Carbon Credits।

অন্যদিকে Carbon Financing কাগজে কলমে বা তাত্ত্বিকভাবে সুন্দর শোনালেও, বাস্তবতা ভিন্ন। Green Washing বা শুধু প্রচারণার জন্যে Carbon Credits কেনা এবং জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যম হবার জন্য এটিকে অনেকে সন্দেহের চোখে দেখেন।

তবুও আশার কথা হচ্ছে বর্তমানে AI (Artificial Intelligence) এর সাহায্যে Carbon Financing কে আরো সম্ভাবনাময় করে উপস্থাপন করা হচ্ছে। Blockchain Technology (যেমন: Ethereum, Matic) এর মাধ্যমে এটিকে ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে। জালিয়াতি বা প্রতারণামুক্ত পরিবেশে এটির স্বচ্ছতা যাচাই হচ্ছে।

এজন্যেই Carbon Financing জলবায়ু পরিবর্তনকে Mitigate বা কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। যা পৃথিবীর জন্য সুসংবাদ।

অপরপক্ষে যদি নবায়নযোগ্য শক্তি ও উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়, তাহলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশও Carbon Finance খাতে বিলিয়ন ডলার মূল্যের বাজারের অংশীদার হতে পারে। যেটি হতে পারে দেশের জন্যও সুসংবাদ।








>> Polanyi's Paradox & Tacit Knowledge "We can know more than we can tell" - আমরা মুখে যতটুকু বলতে পারি, তার থেকে আমরা অ...
01/06/2026

>> Polanyi's Paradox & Tacit Knowledge

"We can know more than we can tell" - আমরা মুখে যতটুকু বলতে পারি, তার থেকে আমরা অনেক বেশি জানি।

Michael Polanyi নামের এই হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ দার্শনিক ষাটের দশকে তার "The Tacit Dimension" বইটিতে উল্লেখ করেছিলেন এই বিখ্যাত উক্তিটি। যা Tacit Knowledge এর সাথে সম্পর্কযুক্ত।

Tacit Knowledge হচ্ছে এমন এক ধরনের জ্ঞান বা দক্ষতা যা আমরা অনেকদিনের অভিজ্ঞতা এবং অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জন করি, কিন্তু ঠিক কীভাবে তা শিখেছি বা ব্যবহার করছি, তা সহজে ব্যাখ্যা করতে পারি না। উদাহরণ দিতে গিয়ে কিছু পেশাদারদের নাম বলা যায়। এই যেমন: Surgeon বা শৈল চিকিৎসক, Chess-master বা দাবাড়ু।

আবার আপনি যদি একজন বন্ধুর ছবি দেখেন, এক সেকেন্ডেই চিনে ফেলতে পারেন। কিন্তু কথা হচ্ছে "আপনি কীভাবে বুঝলেন যে এটাই আপনার বন্ধু?" আপনি হয়তো তার চোখ, মুখ, হাসি কিংবা physique (অবয়ব) এসব দেখে চিনছেন। কিন্তু বাস্তবে আপনার মস্তিষ্ক শত শত ক্ষুদ্র visual pattern একসাথে বিশ্লেষণ করেছে, যা আপনি সম্পূর্ণভাবে verbalize বা মুখে প্রকাশ করতে পারবেন না। এটাই Polanyi's Paradox।

এবার আসি এই কথাগুলো বর্তমান প্রাসঙ্গিকতায়। বর্তমানের Artificial Intelligence (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের মতো চিন্তা করে পৃথিবী দখল করে নিবে, এই চিন্তাটা করা কতটা যুক্তিযুক্ত এবং বাস্তবসম্মত?

Modern machine learning এবং deep learning নামক দুইটি বাঘা-বাঘা নামধারী টপিকের প্রোগ্রামিং করার সময় সরাসরি কোনো প্রসেস বা নিয়ম বা অনেক ক্ষেত্রে Algorithm ও লেখা হয় না। বরং AI-কে হাজার বা লক্ষ সংখ্যক উদাহরণ দেখানো হয়। ধরেন ১ লক্ষ বিড়ালের বা কুকুরের ছবি। যেগুলো থেকে AI নিজেই pattern গুলো শিখে ফেলে। মজার বিষয় হলো—অনেক ক্ষেত্রে এই AI নিজেও জানে না যে সে কীভাবে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

এখান থেকেই গবেষকরা ধারণা করছে Artificial General Intelligence বা AGI অদূর কিংবা সুদূর ভবিষ্যতে মানুষের মতো চিন্তা করতে বা Human Intelligence এর কিছু বৈশিষ্ট্য অর্জন করতে পারে। 2001: A Space Odyssey মুভিটিতে Haal 9000 চরিত্রটি AGI এর প্রাথমিক একটা উপস্থাপন হিসেবে ধরে নেয়া যেতে পারে।

অন্যদিকে যদি মানুষের প্রতিদিনকার কিছু জ্ঞান এমন হয় যা শুধু Tacit Knowledge থেকেই আসে এবং যন্ত্র কখনো যদি পুরোপুরি সেই জ্ঞান অর্জন করতে না পারে, তাহলে Polanyi's Paradox পারতপক্ষে AI-এর জন্য একটি স্বাভাবিক সীমা বা (natural limit) হয়ে দাঁড়াবে। যা Alexander the Great এর সমগ্র পৃথিবী জয়ের আকাঙ্ক্ষার মতো Artificial Intelligence এর মানবজাতি জয়ের সকল প্রচেষ্টাকে প্রলম্বিত করতে পারে।






Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Let's learn something meticulous per week posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category