Baby Care Bangladesh

Baby Care Bangladesh

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Baby Care Bangladesh, Education Website, Gulshan/Badda , Dhaka/, Dhaka.

10/02/2026

আপনার সন্তান কি ভীতু বা লাজুক? ওকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে আপনার একটি প্রশংসাই যথেষ্ট।

আমরা অনেক সময় বাচ্চার ভুলগুলো খুব দ্রুত ধরিয়ে দিই, কিন্তু ওর ছোট ছোট সাফল্যগুলো এড়িয়ে যাই। মনে রাখবেন, একটি শিশুর কাছে তার বাবা-মায়ের স্বীকৃতিই সবচেয়ে বড় পুরস্কার। যখন ও নিজে নিজে এক গ্লাস পানি খায় বা নিজের খেলনাগুলো গুছিয়ে রাখে, তখন যদি আপনি বলেন—"বাহ! তুমি তো খুব দায়িত্বশীল!"—ওর মনে যে আনন্দ হবে তা ওকে আরও বড় কাজ করতে উৎসাহিত করবে।

প্রশংসা করার সঠিক নিয়ম:

১. সুনির্দিষ্ট হোন: শুধু "ভালো হয়েছে" না বলে বলুন, "তোমার আঁকা ছবির এই নীল রঙটা খুব সুন্দর হয়েছে।" এতে ও বুঝতে পারে আপনি মনোযোগ দিচ্ছেন।

২. প্রচেষ্টার প্রশংসা করুন: ফলাফলের চেয়ে ও যে চেষ্টা করেছে সেটাকে বড় করে দেখুন। পরীক্ষায় কম নম্বর পেলেও বলুন, "তুমি যে কষ্ট করে পড়াশোনা করেছো, আমি তাতে খুশি। পরের বার আরও ভালো হবে।"

৩. অন্যের সামনে প্রশংসা: আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুদের সামনে ওর ছোট কোনো ভালো কাজের গল্প করুন। এটি ওর আত্মসম্মান (Self-esteem) বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

আজকের দিনটি আপনার বাচ্চার কোনো একটি ভালো কাজের প্রশংসা দিয়ে শুরু করুন। কমেন্টে আমাদের জানান, আজ কোন কাজের জন্য ওকে বাহবা দিলেন? 💖

09/02/2026

আজ রাতেও কি আপনার সন্তান মোবাইল দেখে ঘুমাতে গেল? চলুন আজ থেকে পুরনো সেই গল্পের ঝুলি খুলি!

আমাদের নানি-দাদিদের কাছে শোনা সেই 'এক যে ছিল রাজা' কিংবা 'বুদ্ধিমান শেয়ালের গল্প'—এসব কেবল বিনোদন ছিল না, ছিল জীবন গড়ার পাঠশালা। ঘুমানোর আগে গল্পের বই পড়া বা গল্প শোনানো শিশুর মেধা বিকাশে দারুণ কার্যকরী। এটি তাদের কল্পনাশক্তিকে প্রসারিত করে এবং আপনাদের মাঝে এক গভীর বন্ধন তৈরি করে।

গল্পের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই শিশুকে নৈতিকতা শেখাতে পারেন। যেমন—ঈশপের গল্প থেকে সততা, হার না মানার মানসিকতা কিংবা পরোপকারের শিক্ষা দেওয়া সম্ভব। যখন আপনি গল্প বলেন, শিশু মনে মনে একটা দৃশ্যপট তৈরি করে, যা তার সৃজনশীলতাকে শাণিত করে।

কীভাবে গল্প শোনাবেন?

কণ্ঠস্বরে ভিন্নতা আনুন। বাঘের ডাক বা পাখির কিচিরমিচির শব্দ নকল করে গল্পটিকে জীবন্ত করে তুলুন। মাঝপথে গল্প থামিয়ে ওকে জিজ্ঞেস করুন, "আচ্ছা, এরপর কী হতে পারে বলতো?" এতে ওর চিন্তাশক্তি বাড়বে।

আপনার বাচ্চার সবচেয়ে প্রিয় গল্প কোনটি? অথবা ছোটবেলায় আপনি কার কাছে গল্প শুনতে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন? আমাদের জানান! 👇📚

06/02/2026

শীতের ঠান্ডায় আপনার সোনামণি কি পানি খেতে চাইছে না? এই অবহেলা বড় বিপদের কারণ হতে পারে!"

শীতকাল আসা মানেই শিশুদের পানি খাওয়ার প্রবণতা কমে যাওয়া। আমরা বড়রাই যেখানে পানি খেতে ভুলে যাই, সেখানে ছোটদের অবস্থা আরও খারাপ। পানির অভাব বা ডিহাইড্রেশনের ফলে শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য, শুষ্ক ত্বক, ক্লান্তি এবং প্রস্রাবে ইনফেকশন হতে পারে। বিশেষ করে যারা খুব চঞ্চল এবং সারাদিন ছোটাছুটি করে, তাদের শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখা খুবই জরুরি।

পানির পরিমাণ বাড়ানোর ৩টি কৌশল:

১. রঙিন বোতল ও স্ট্র: সাধারণ গ্লাসে পানি না দিয়ে ওর পছন্দের কার্টুন আঁকা রঙিন বোতলে পানি দিন। স্ট্র দিয়ে পানি খেতে বাচ্চারা খুব পছন্দ করে।

২. ফলের রস ও স্যুপ: কেবল সাধারণ পানি না দিয়ে বাড়িতে তৈরি করা কমলালেবুর রস বা টাটকা সবজির স্যুপ দিন। এতে পানির পাশাপাশি পুষ্টিও নিশ্চিত হবে।

৩. মজাদার বরফ কুচি: পানির গ্লাসে রঙিন ফলের টুকরো বা পুদিনা পাতা দিয়ে পানিকে আকর্ষণীয় করে তুলুন।

টিপস: মনে রাখবেন, রাতে ঘুমানোর আগে এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অন্তত আধা গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস ছোট থেকেই গড়ে তুলুন।

আপনার বাচ্চা কি দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করে? পানি খাওয়ানোর কোনো জাদুকরী আইডিয়া থাকলে শেয়ার করুন আমাদের কমেন্ট বক্সে! 👇

05/02/2026

বাচ্চার প্রিয় খেলনা—একটি স্মৃতি, একটি গল্প 🧸🚗

প্রতিটি শিশুর জীবনে এমন একটি খেলনা থাকে যা ছাড়া তার এক মুহূর্ত চলে না। আপনার ঘরের খুদে সদস্যটির প্রিয় খেলনা কোনটি?

খেলনা কেবল প্লাস্টিক বা কাপড়ের টুকরো নয়, শিশুদের কাছে এটি তাদের প্রথম বন্ধু। কেউ হয়তো তার পুরনো টেডি বিয়ারকে জড়িয়ে ধরে ঘুমায়, কেউ আবার তার ছোট্ট লাল গাড়িটা ছাড়া ভাতই খেতে চায় না। এই খেলনাগুলোর সাথেই জড়িয়ে থাকে তাদের শৈশবের হাজারো গল্প।

বাচ্চারা যখন একা থাকে, তখন এই খেলনাগুলোর সাথেই তারা কথা বলে, তাদের খাবার খাইয়ে দেয়, এমনকি নিজেদের কল্পনার জগতে এদের নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। এই খেলার মাধ্যমেই তাদের সৃজনশীলতা এবং সমমর্মিতা (Empathy) বাড়ে। একটি ভাঙা পুতুলকেও যখন শিশু যতন করে ব্যান্ডেজ করে দেয়, তখন বুঝতে হবে ওর মনে মায়া-মমতার বীজ বপিত হচ্ছে।

প্যারেন্টিং টিপস হিসেবে বলব, বাচ্চার সব খেলনা একসাথে ওর সামনে দেবেন না। মাঝে মাঝে কিছু খেলনা লুকিয়ে রাখুন এবং কয়েকদিন পর আবার বের করুন। দেখবেন ও সেগুলোকে নতুন খেলনা ভেবে আবারও আগ্রহ নিয়ে খেলছে। এতে খেলনার প্রতি আকর্ষণ বজায় থাকে।

আজকের পোস্টের কমেন্টে আপনার বাচ্চার প্রিয় খেলনাটির একটি ছবি শেয়ার করুন তো! আমরা দেখতে চাই আমাদের এই ছোট বন্ধুদের সবচেয়ে কাছের সঙ্গী কে। 😍📷

04/02/2026

সন্তানের জেদ সামলাবেন কীভাবে? চিৎকার নয়, প্রয়োজন ধৈর্য 😤❤️

দোকানে গিয়ে শুয়ে কান্না করা কিংবা পছন্দের খেলনা না পেলে চিৎকার—আপনার সন্তানও কি এমন জেদ করে? মেজাজ হারানোর আগে এই লেখাটি পড়ুন।

বাচ্চার জেদ বা ট্যান্ট্রাম সামলানো যেকোনো বাবা-মায়ের জন্য সবচেয়ে বড় অগ্নিপরীক্ষা। আমরা যখন দেখি বাচ্চা জনসমক্ষে চিৎকার করছে, তখন লজ্জায় বা রাগে আমরাও চেঁচামেচি শুরু করি কিংবা তাকে মারধর করি। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুর জেদ আসলে তার অবদমিত আবেগ বা অপূর্ণ ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ। সে যেহেতু গুছিয়ে কথা বলতে পারে না, তাই কান্নার মাধ্যমে নিজের অস্তিত্ব জানান দেয়।

জেদ সামলানোর ৪টি ধাপ:

১. শান্ত থাকুন: আপনার অস্থিরতা বাচ্চাকে আরও উত্তেজিত করবে। আপনি শান্ত থাকলে ও ধীরে ধীরে শান্ত হওয়ার সংকেত পাবে। গভীর নিশ্বাস নিন এবং ওর পাশে চুপ করে বসে থাকুন।

২. তর্ক করবেন না: জেদ করার সময় বাচ্চাকে কোনো যুক্তি বা উপদেশ দেবেন না। ওই মুহূর্তে ওর মস্তিষ্কের যৌক্তিক অংশ কাজ করে না। কেবল ওকে নিশ্চিত করুন যে আপনি ওর পাশেই আছেন।

৩. বিকল্প প্রস্তাব দিন: যদি ও এমন কিছু চায় যা দেওয়া সম্ভব নয়, তবে ওকে অন্য কিছুর প্রস্তাব দিন। যেমন—"আমরা এখন চকোলেট খাব না, তবে আমরা এখন তোমার প্রিয় লুডু খেলতে পারি।"

৪. শারীরিক স্পর্শ: অনেক সময় কেবল শক্ত করে জড়িয়ে ধরলে বাচ্চার রাগ মুহূর্তেই জল হয়ে যায়। একে বলে 'পজিটিভ ডিসিপ্লিন'।

জেদ করলে যদি আপনি তার দাবি মেনে নেন, তবে ও শিখে যাবে যে চিৎকার করলেই সব পাওয়া যায়। তাই না বলা শিখুন, তবে সেটা ভালোবেসে।

আপনার বাচ্চা যখন খুব জেদ করে, তখন আপনি শান্ত থাকার জন্য কী করেন? আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করুন। 👇

03/02/2026

ধুলোবালি মাখা শৈশব বনাম চার দেয়ালের বন্দি জীবন।।

আমাদের ছোটবেলা ছিল মাঠে দৌড়ঝাঁপ করার, আর এখনকার শিশুদের শৈশব কি শুধুই চার দেয়ালের বন্দি স্ক্রিনে?

আমরা যারা নব্বইয়ের দশকে বড় হয়েছি, আমাদের শৈশবটা ছিল একদম অন্যরকম। স্কুল থেকে ফিরেই ব্যাগটা ছুড়ে ফেলে দৌড় দিতাম মাঠের দিকে। গোল্লাছুট, কুতকুত, কিংবা বৃষ্টির পানিতে কাগজের নৌকা ভাসানো—সেই স্মৃতিগুলো আজও আমাদের মনে প্রশান্তি দেয়। কিন্তু আজকের প্রজন্মের শিশুদের দিকে তাকালে মাঝে মাঝে বড় মায়া হয়। বড় বড় শহরের ফ্ল্যাট বাড়িতে তারা যেন খাঁচাবন্দি পাখির মতো।

বাইরে মাঠ নেই, খেলার সাথি নেই, তাই তাদের একমাত্র সাথি হয়ে দাঁড়িয়েছে ইলেকট্রনিক গেজেটস। এর ফলে শিশুরা শারীরিক কসরত থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, যার ফলে ছোট বয়সেই স্থূলতা (Obesity) বা চোখের সমস্যার মতো রোগ বাড়ছে। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে তাদের সামাজিক দক্ষতায়। তারা মানুষের সাথে মিশতে ভয় পায়, একা থাকতে পছন্দ করে।

মা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব ওদের শৈশবটা অন্তত কিছুটা হলেও রঙিন করা। ছুটির দিনে ওদের পার্কে নিয়ে যান, মাটির স্পর্শ পেতে দিন। ওদের শেখান কীভাবে গাছ লাগাতে হয়, কীভাবে ঘুড়ি উড়াতে হয়। কৃত্রিম এই ডিজিটাল জগতের বাইরেও যে একটা সুন্দর পৃথিবী আছে, তা ওদের চেনা দরকার।

আপনার ছোটবেলার কোন খেলাটি আপনি সবচেয়ে বেশি মিস করেন? আপনার সন্তান কি সেই খেলাটি চেনে? কমেন্টে আমাদের শৈশবে ফিরে যাই চলুন! ✨

02/02/2026

খাবার মুখে তুলছে না বলে ফোন দিচ্ছেন? শান্ত করার জন্য ইউটিউব চালিয়ে দিচ্ছেন? সাবধান! এই সাময়িক স্বস্তি আপনার সন্তানের অপূরণীয় ক্ষতি করছে না তো?"

বর্তমান যুগে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট শিশুদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই ডিজিটাল আসক্তি শিশুদের মস্তিষ্কের নিউরোলজিক্যাল বিকাশে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যখন একটি শিশু দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকে, তখন তার মস্তিষ্কে 'ডোপামিন' নামক এক ধরণের হরমোন নিঃসৃত হয় যা তাকে এক ধরণের আসক্তিতে ফেলে দেয়। এর ফলে শিশু বাস্তব জগতের আনন্দ যেমন—মাঠের খেলা, গল্পের বই বা মানুষের সাথে কথা বলায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

আসক্তি দূর করার ৪টি কার্যকর উপায়:

১. ডিজিটাল ফ্রি জোন: বাড়ির নির্দিষ্ট কিছু স্থান যেমন—ডাইনিং টেবিল এবং বেডরুমকে 'নো গেজেট জোন' ঘোষণা করুন। খাওয়ার সময় অন্তত কোনো স্ক্রিন চলবে না।

২. প্যারেন্টাল লক ও সময়সীমা: দিনে বড়জোর ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা স্ক্রিন টাইম নির্দিষ্ট করে দিন। শিক্ষামূলক কার্টুন বা ডকুমেন্টারি দেখার সুযোগ দিন।

৩. বিকল্প ব্যস্ততা: শিশুকে রান্নার কাজে সাহায্য করতে বলুন, ছোট ছোট চারাগাছে পানি দেওয়া বা রঙের বাক্স নিয়ে ছবি আঁকতে উৎসাহিত করুন। ওর হাতে ফোন দেওয়ার বদলে একটি গল্পের বই তুলে দিন।

৪. নিজে উদাহরণ হোন: আপনি নিজে যদি সারাক্ষণ ফোনের স্ক্রিনে ডুবে থাকেন, তবে সন্তানকে ফোন থেকে দূরে রাখা অসম্ভব। ওর সামনে অন্তত ফোন ব্যবহার কমিয়ে ওকে সময় দিন।

স্মার্টফোন আমাদের প্রয়োজন, কিন্তু শিশুর শৈশব ধ্বংসের কারণ নয়। মনে রাখবেন, একটি মাঠের ধুলোমাখা বিকাল একটি ইউটিউব ভিডিওর চেয়ে অনেক বেশি দামী।

আপনার বাচ্চা কি ফোনের জন্য খুব জেদ করে? আপনি কীভাবে পরিস্থিতি সামলান? কমেন্টে আমাদের জানান, অন্য মায়েদেরও সাহায্য হবে! 👇

01/02/2026

আপনার বাচ্চা কি সবজি খেতে অনীহা দেখায়? তবে আজকের এই রেসিপি এবং টিপসগুলো আপনার জন্যই!

শিশুদের সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য রঙিন সবজি অপরিহার্য। বিশেষ করে শীতকালে প্রকৃতি আমাদের দুহাত ভরে দেয় গাজর, পালং শাক, ব্রকলি, সিম আর ফুলকপির মতো পুষ্টিকর সবজি। কিন্তু অনেক মা-ই অভিযোগ করেন যে বাচ্চারা সবজি দেখলেই মুখ ফিরিয়ে নেয়।

কেন এই 'রঙিন খিচুড়ি' সেরা?

সবজির খিচুড়ি মানেই কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ভিটামিনের এক আদর্শ প্যাকেজ। গাজরের বিটা-ক্যারোটিন চোখের জ্যোতি বাড়ায়, পালং শাকের আয়রন রক্তশূন্যতা দূর করে এবং ঘি বা তেলের ফ্যাট মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে।

কিছু কার্যকরী টিপস:

১. টেক্সচার পরিবর্তন করুন: সবজিগুলো একদম ব্লেন্ড করে হালুয়া বানিয়ে ফেলবেন না। এতে বাচ্চা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস হারায়। ছোট ছোট টুকরো করে দিন যাতে ও বিভিন্ন সবজির স্বাদ আলাদাভাবে বুঝতে পারে।

২. ঘি-এর জাদু: রান্নার একদম শেষে এক চামচ খাঁটি ঘি আর সামান্য জিরে গুঁড়ো দিন। এর সুঘ্রাণে বাচ্চার রুচি বাড়বে।

৩. সবজি দিয়ে আর্ট: প্লেটে খিচুড়ি দেওয়ার সময় সবজি দিয়ে স্মাইলি ফেস বা কোনো ফুল বানিয়ে দিন। বাচ্চারা খাবার দেখার সৌন্দর্য উপভোগ করে বেশি।

মনে রাখবেন: জোর করে খাওয়ানো হিতে বিপরীত হতে পারে। ওকে নিজের হাতে খেতে দিন, একটু মেখেঝুকে খেলে খেতে দিন। এতে ওর খাবারের প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে।

আপনার বাচ্চার সবচেয়ে প্রিয় সবজি কোনটি? অথবা সবজি খাওয়ানোর কোনো বিশেষ ট্রিক কি আপনার জানা আছে? কমেন্টে আমাদের আইডিয়া দিন! 👇

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Gulshan/Badda , Dhaka/
Dhaka
1212