09/07/2023
السلام عليكم و رحمة الله و بركته
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহী ওয়া বারকাতুহু
আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির জন্য শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলকে দীনের আলোয় আলোকিত করাই আমাদের লক্ষ্য
09/07/2023
السلام عليكم و رحمة الله و بركته
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহী ওয়া বারকাতুহু
07/06/2023
সালাম-৩
সালাম সম্পর্কিত কিছু হাদিস।
৪/
আবূ উমারা বারা ইবনে আযেব রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সাতটি (কর্ম করতে) আদেশ করেছেনঃ (১) রোগী দেখতে যাওয়া, (২) জানাযার অনুসরণ করা, (৩) হাঁচির জবাব দেওয়া, (৪) দুর্বলকে সাহায্য করা, (৫) নির্যাতিত ব্যক্তির সাহায্য করা, (৬) সালাম প্রচার করা, এবং (৭) শপথকারীর শপথ পুরা করা।
(সহীহুল বুখারী ১২৩৯, ২৪৪৫, ৫১৭৫, ৫৬৩৫, ৫৬৬০, ৫৮৩৮, ৫৮৪৯, ৫৮৬৩, ৬২২২, ৬২৩৫, ৬৬৫৪, মুসলিম ২০৬৬, তিরমিযী ১৭৬০, ২৮০৯, নাসায়ী ১৯৩৯, ৩৭৭৮, ৫৩০৯, ইবনু মাজাহ ২১১৫ আহমাদ ১৮০৩৪, ১৮০৬১, ১৮১৭০)
৫/
আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’’আল্লাহ যখন আদম আলাইহিস সালাম-কে সৃষ্টি করলেন। তখন তাঁকে বললেন, ’তুমি যাও এবং ঐ যে ফিরিশ্তামন্ডলীর একটি দল বসে আছে, তাদের উপর সালাম পেশ কর। আর ওরা তোমার সালামের কী জবাব দিচ্ছে তা মন দিয়ে শুনো। কেননা, ওটাই হবে তোমার ও তোমার সন্তান-সন্ততির সালাম বিনিময়ের রীতি।’ সুতরাং তিনি (তাঁদের কাছে গিয়ে) বললেন, ’আসসালামু আলাইকুম’। তাঁরা উত্তরে বললেন, ’আসসালামু আলাইকা অরহমাতুল্লাহ’। অতএব তাঁরা ’অরহমাতুল্লাহ’ শব্দটা বেশী বললেন।
(সহীহুল বুখারী ৩৩২৬, ৬২২৭, মুসলিম ২৮৪১, আহমাদ ৮০৯২, ১০৫৩০, ২৭৩৮৮)
ইমরান ইবনে হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একটি লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে এভাবে সালাম করল ’আসসালামু আলাইকুম’ আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জবাব দিলেন। অতঃপর লোকটি বসে গেলে তিনি বললেন, ’’ওর জন্য দশটি নেকী।’’ তারপর দ্বিতীয় ব্যক্তি এসে ’আসসালামু আলাইকুম অরহমাতুল্লাহ’ বলে সালাম পেশ করল।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালামের উত্তর দিলেন এবং লোকটি বসলে তিনি বললেন, ’’ওর জন্য বিশটি নেকী।’’ তারপর আর একজন এসে ’আসসালামু আলাইকুম অরহমাতুল্লাহি অবারাকাতুহ’ বলে সালাম দিল। তিনি তার জবাব দিলেন। অতঃপর সে বসলে তিনি বললেন, ’’ওর জন্য ত্রিশটি নেকী।’’ (আবূ দাউদ, তিরমিযী হাসান সূত্রে)
(তিরমিযী ২৬৮৯, আবূ দাউদ ৫১৯৫, আহমাদ ১৯৪৪৬, দারেমী ২৬৪০)
চলবে।
05/06/2023
📌জেনে নেওয়া যাক পানাহারের কিছু আদব:
🖊️আল্লাহর বান্দাদের উপর যতগুলি অনুগ্রহ আছে তার মাঝে অন্যতম প্রধান অনুগ্রহ হল পানাহার। মানুষের শরীর গঠন,বর্দ্ধন ও টিকে থাকার মূল উপাদান হচ্ছে পানাহার। এই নেয়ামতের দাবি হল এর দাতার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। আর এ কৃতজ্ঞতা আল্লাহর প্রশংসা এবং তাঁর দেয়া বিধান পালন করার মাধ্যমে আদায় করা যেতে পারে।এ নেয়ামতের আরো একটি দাবি হচ্ছে, এর সহায়তায় আল্লাহর নাফরমানি করা যাবে না।
পানাহারের অনেকগুলো আদব ও বিধান রয়েছে, যাকে দুইভাবে ভাগ করা যেতে পারে :
প্রথমত : যে বিষয়গুলোর গুরুত্ব দেয়া আবশ্যক। যেমন:
১) খাদ্য এবং পানীয় জাতীয় জিনিসের এহতেরাম করা আর এই বিশ্বাস রাখা যে এগুলি আল্লাহর নেয়ামত যা আল্লাহ তাআলা তাকে দিয়েছেন।
২) খাদ্য জাতীয় জিনিসকে অবহেলা-অসম্মান না করা; ডাস্টবিন ও ময়লা আবর্জনার ভিতরে না ফেলা।
৩) খাবার শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা। বিশুদ্ধ অভিমত হল: খাবার শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা ওয়াজিব, কেননা অনেকগুলো সহীহ এবং সুস্পষ্ট হাদীস এ নির্দেশই করে। আর এ নির্দেশের বিপরীত কোন হাদীস নেই। এ মতের বিরুদ্ধে সর্বসম্মত ঐক্যমত্যও সৃষ্টি হয়নি যে, এর প্রকাশ্য অর্থ থেকে বের করে দেবে। আর যে ব্যক্তি পানাহারের সময় বিসমিল্লাহ বলবে না তার পানাহারে শয়তান শরীক হবে।
বিসমিল্লাহ ওয়াজিব হওয়ার প্রমাণ সমূহ :―
عن عمر بن أبي سلمة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له: «يا غلام، سمّ اللّه، وكل بيمينك، وكل مما يليك». البخاري ( ৪৯৫৮)
আমর বিন আবু সালামা থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেন:হে বৎস! বিসমিল্লাহ বল এবং ডান হাত দিয়ে খাও। আর খাবার পাত্রের যে অংশ তোমার সাথে লাগানো সে অংশ থেকে খাও
وفي حديث حذيفة -رضي الله عنه- أن النبي صلى الله عليه وسلمقال: «إن الشيطان يستحل الطعام أن لا يذكر اسم الله عليه».مسلم (৩৭৬১)
অর্থাৎ, হুযাইফা রা. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, শয়তান ঐ খাবারকে নিজের জন্য হালাল মনে করে যার শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা হয় নি।
(১) বান্দা খাবার পাত্রের যেদিক তার সাথে লাগানো সেদিক থেকে খাবে । উপরে বর্ণিত উমর বিন আবু সালামা রা.-এর হাদীসের কারণে। আর খাবার যদি বিভিন্ন ধরনের হয় তা হলে অন্যদিক -যা তার সাথে লাগোয়া নয়- থেকে খাওয়াতে কোন দোষ নেই।
(২) যদি খাবারের কোন লোকমা পড়ে যায় তবে উঠিয়ে খাবে, যদি ময়লা লাগে ধুয়ে ময়লা মুক্ত করে খাবে। কারণ এটিই সুন্নত এবং এর মাধ্যমেই রাসূলুল্লাহর নির্দেশের অনুসরণ করা হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন :―
«إذا سقطت لقمة أحدكم فليُمِط عنها الأذى، وليأكلها، ولا يدَعْها للشيطان».مسلم(3794)
অর্থাৎ, যদি তোমাদের কারো খাবারের লোকমা পড়ে যায় তবে তার থেকে ময়লা দুর করবে এবং তা খেয়ে ফেলবে, শয়তানের জন্য রেখে দেবে না।
(৩) খাবারের প্লেট পরিষ্কার করবে, তার ভিতর যা কিছু থাকবে মুছে খাবে।
عن جابر رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر بلعق الأصابع والصحفة، وقال: «إنكم لا تدرون في أيه البركة». مسلم (৩৭৯২)
জাবের রা. থেকে বর্ণিত যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঙুল এবং বর্তন চেটে খেতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন তোমরা জানো না কোনটায় বরকত রয়েছে।[4]
وفي حديث أنس رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم أمرنا أن نسلت القصعة، قال: «فإنكم لا تدرون في أيّ طعامكم البركة»،. الترمذي (১৭২৫)
আনাস রা. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থকে বর্ণনা করেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, আমরা যেন বর্তন পরিষ্কার করে খাই। তিনি বলেন―তোমরা জানো না তোমাদের খাবারের কোন অংশে বরকত রয়েছে। বরকত দ্বারা উদ্দেশ্য হল যার দ্বারা উপকার এবং পুষ্টি লাভ হয়।
(৪) আঙুল ধোয়ার পূর্বে চেটে খাবে―
عن كعب بن مالك رضي الله عنه قال: رأيت رسول الله يأكل بثلاث أصابع، فإذا فرغ لعقها.مسلم (৩৭৯০)
কা’ব বিন মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন : আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি তিন আঙুল দিয়ে খাচ্ছেন এবং খাওয়া শেষে আঙুল চেটে খাচ্ছেন।
عن أبي هريرة رضي اللّه عنه مرفوعاً: «إذا أكل أحدكم فليلعق أصابعه، فإنه لا يدري في أيتهن البركة»..مسلم (৩৭৯৩)
আবু হুরাইরা রা. থেকে মারফু হাদীসে বর্ণিত, যখন তোমরা কেউ খাবার খাবে তার উচিত আঙুল চেটে খাওয়া কেননা সে জানে না কোন আঙুলে বরকত রয়েছে।
আলেমগণ বলেন : নির্বোধ-মূর্খ লোকদের আঙুল চেটে খাওয়াকে অপছন্দ করা ও একে অভদ্রতা মনে করাতে কিছু যায় আসে না। তবে হ্যাঁ খাওয়ার মাঝখানে আঙুল চেটে খাওয়া উচিত নয়। কেননা আঙুল আবার ব্যবহার করতে হবে আর আঙুলে লেগে থাকা লালা ও থুতু প্লেটের রয়ে যাওয়া খাবারের সাথে লাগবে আর এটি এক প্রকার অপছন্দনীয়ই বটে।
(৫) খাবারের প্রশংসা করা মুস্তাহাব , কেননা এর মাধ্যমে খাবার আয়োজন ও প্রস্ত্তত কারীর উপর একটা ভাল প্রভাব পড়বে। সাথে সাথে আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো কখনো এমন করতেন―
عن جابر رضي اللّه عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم سأل أهلَه الأدُمَ، فقالوا: ما عندنا إلا خلّ، فدعا به، فجعل يأكل به، ويقول: «نعم الأدُم الخلّ، نعم الأُدُم الخل».مسلم (৩৮২৪)
জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় পরিবারের নিকট তরকারী চাইলেন। তারা বললেন, আমাদের কাছে সিরকা ছাড়া আর কিছু নেই। তিনি সিরকা আনতে বললেন এবং তার দ্বারা খেতে লাগলেন। অতঃপর বললেন, সিরকা কতইনা উত্তম তরকারী; সিরকা কতইনা উত্তম তরকারী।
(৬) পানি পান কারীর জন্য সুন্নত হল:তিন শ্বাসে পান করা। একটু পান করার পর পাত্র মুখ থেকে দুরে সরিয়ে নিয়ে শ্বাস নিবে। অতঃপর দ্বিতীয়বার এরপর একই ভাবে তৃতীয়বার। যেমন আনাস রা.-এর হাদীসে এসেছ―
أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يتنفس في الشراب ثلاثا، وفي رواية لمسلم: «ويقول: إنه أروى وأبرأ وأمرأ». البخاري (৫২০০)،مسلم (৩৭৮২)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পান করার মাঝে তিনবার শ্বাস নিতেন। মুসলিম শরীফের অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি বলতেন: এইভাবে পান করা অধিক পিপাসা নিবারণকারী অধিক নিরাপদ অধিক তৃপ্তিদায়ক।
পানাহারের শেষে আল্লাহর নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ স্বরূপ তাঁর প্রশংসা করবে। সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে অন্তত আলহামদুলিল্লাহ বলা।
«إن الله ليرضى عن العبد أن يأكل الأكلة فيحمده عليها، أو يشرب الشربة فيحمده عليها«.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : যে ব্যক্তি খাবারের পর আল্লাহর প্রশংসা করে।অনুরূপ পান করার পর আল্লাহর প্রশংসা করে। আল্লাহ সে বান্দার প্রতি সন্তুষ্ট হন।
আর যদি হাদীসে বর্ণিত কোন দোআ পড়ে তাহলে তাহবে সর্বোত্তম। সবচেয়ে বিশুদ্ধ দোআ যা সাহাবী আবু উমামার হাদীসে এসেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দস্তরখান উঠাতেন তখন বলতেন:
«الحمد لله كثيراً طيباً مباركاً فيه، غير مكفي ولا مودع، ولا مستغنى عنه ربّنا»
(৭) যখন অনেক লোকের সাথে বসে পান করবে আর পান করার পর কাউকে দিতে চাইবে তাহলে ডান পাশ্বে বসা ব্যক্তিকে দিবে, সে যদি বয়সে ছোট হয় আর বাম পার্শ্বস্থজন তার থেকে বড়, তবুও। হ্যাঁ; যদি ছোট থেকে অনুমতি নিয়ে বড়কে দেওয়া হয় তাহলে কোন দোষ নেই । আর যদি অনুমতি না দেয় তাহলে তাকেই দিবে কারণ সেই আগে পাওয়ার বেশি অধিকার রাখে।
এর প্রমাণ হল সাহাবী সাহল বিন সা’দ রা.-এর হাদীস :―
أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي بشراب فشرب منه وعن يمينه غلام، وعن يساره أشياخ، فقال للغلام: «أتأذن لي أن أعطي هؤلاء؟» فقال الغلام: لا والله! لا أوثر بنصيبي منك أحداً، قال: فتَلَّه رسول الله صلى الله عليه وسلم في يده. البخاري (২৪১৫)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কিছু পানীয় আনা হল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পান করলেন। রাসূলের ডান দিকে একটি ছোট ছেলে বসা ছিল এবং বামদিকে বয়স্ক লোক। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছেলেটিকে বললেন―তুমি কি আমাকে তোমার আগে তাদেরকে দেয়ার অনুমতি দিবে ? তখন ছেলেটি বলল, না, কখনও নয়। আল্লাহ শপথ! আমি আমার অংশের উপর আপনি ব্যতীত অন্য কাউকে প্রাধান্য দেব না। বর্ণনাকারী বলেন―রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (পানপাত্র) ছেলেটির হাতে দিয়ে দিলেন। [8]
আর এক হাদিসে আনাস রা. বর্ণনা করেন :―
وفي حديث آخر: عن أنس رضي الله عنه أنه كان عن يمين النبي r أعرابي، وعن يساره أبو بكر، وعُمَرُ وُجَاهَه، فلما شرب النبي r قال عمر: يا رسول الله أعط أبا بكر، فأعطاه النبي r الأعرابي، وقال:«الأيمن فالأيمن»، . مسلم (৩৭৮৪)
এক মজলিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ডানে ছিলেন এক বেদুঈন সাহাবী এবং বামে আবু বকর আর উমর ছিলেন তাঁর সোজাসুজি। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পান শেষ করলেন উমর বললেন, হে আল্লাহর রাসূল আবু বকরকে দিন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ডানে বসা উক্ত বেদুঈনকে দিলেন এবং বললেন: (নিয়ম হচ্ছে) আগে ডান অতঃপর ডান। অর্থাৎ প্রথমে ডান পাশের জন পাবে অত:পর তার ডান পাসের জন এবং এভাবেই ।
وفي رواية لمسلم قال: «الأيمنون، الأيمنون، الأيمنون». قال أنس رضي اللّه عنه: فهي سنّة، فهي سنّة، فهي سنّة. البخاري (২৩৮৩)
মুসলিম শরিফের এক বর্ণনায় আছে, তিনি বলেন, ডান দিকের লোক ডান দিকের লোক ডান দিকের লোক। আনাস রা. বলেন : এটিই সুন্নত, এটিই সুন্নত, এটিই সুন্নত।
________________________________________________
💢আমাদের লং কোর্স সমূহ ( ৬ মাস - ১ বছর)
➡️ তাজবীদ ও কোরআন শিক্ষা কোর্স (নূরানী মাসায়েল)
➡️নাজেরা ও হেফজ
(যে সমস্ত সূরা হেফজ করানো হবে: আম্মা পারা, সূরা ইয়াসিন, আর- রহমান, ওয়াক্বিয়া, মূলক)
💢আমাদের শর্ট কোর্স সমূহ (১ মাস)
➡️ নূরানী মাসায়েল ও চল্লিশ হাদীস কোর্স
➡️ তাজবীদ কোর্স
➡️ মাসনূন দোয়া, আসমাউল হুসনা কোর্স
🔷 ক্লাসের সময়:
বাদ ফজর ও বাদ এশা
🔷 ক্লাস করার মাধ্যম : জুম এ্যাপ
🔷 ক্লাস শুরু হবে পহেলা জুন থেকে
🔷যে কোন লং কোর্সে ভর্তি- ১০২০৳,
বেতন -৫০০৳
🔷 যে কোন শর্ট কোর্স ভর্তি - ১০২০৳
🔷 ভর্তি সংক্রান্ত আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক করুন অথবা
যোগাযোগ করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে : 01711143976
04/06/2023
সালাম-২পর্ব
সালাম সম্পর্কিত কিছু হাদিস।
১/ আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল ’আস রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করল, ’সর্বোত্তম ইসলামী কাজ কী?’ তিনি বললেন, “(ক্ষুধার্তকে) অন্নদান করবে এবং পরিচিত-অপরিচিত নির্বিশেষে সকলকে (ব্যাপকভাবে) সালাম পেশ করবে।
(সহীহুল বুখারী ১২, ২৮, ৬২৩৬, মুসলিম ৩৯, তিরমিযী ১৮৫৫, নাসায়ী ৫০০০, আবূ দাউদ ৫১৯৪, ইবনু মাজাহ ৩২৫৩, ৩৬৯৪, আহমাদ ৬৫৪৫, ৬৮০৯, দারেমী ২০৮১)
২/ আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’’তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর যতক্ষণ না তোমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা গড়ে উঠবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা প্রকৃত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি কাজ বলে দেব না, যা করলে তোমরা একে অপরকে ভালবাসতে লাগবে? (তা হচ্ছে) তোমরা আপোসের মধ্যে সালাম প্রচার কর। (মুসলিম ৫৪, তিরমিযী ২৬৮৮, আবূ দাউদ ৫১৯৩, ইবনু মাজাহ ৬৮, ৩৬৯২, আহমাদ ৮৮৪১, ৯৪১৬, ৯৮২১, ১০২৭২, ২৭৩১৪)
৩/ আবূ ইউসুফ আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ’’হে লোক সকল! তোমরা সালাম প্রচার কর, (ক্ষুধার্তকে) অন্নদান কর, আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখ এবং লোকে যখন (রাতে) ঘুমিয়ে থাকে, তখন তোমরা নামায পড়। তাহলে তোমরা নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (তিরমিযী ২৪৮৫, ইবনু মাজাহ ১৩৩৪, ৩২৫১, দারেমী ১৪৬০)
....... চলবে
03/06/2023
السلام عليكم و رحمةالله
আল্লাহ তায়ালা আপনাদের উপর শান্তি এবং রহমত বর্ষণ করুন।
সালামের আদব ও ফজিলত সম্পর্কে কিছু কথা।
আল্লাহ বলেছেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَدْخُلُواْ بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّىٰ تَسْتَأْنِسُواْ وَتُسَلِّمُواْ عَلَىٰٓ أَهْلِهَا ﴾ [النور: ٢٧]
অর্থাৎ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য কারও গৃহে গৃহবাসীদের অনুমতি না নিয়ে ও তাদেরকে সালাম না দিয়ে প্রবেশ করো না।” (সূরা নূর ২৭ আয়াত)
তিনি অন্যত্র বলেন,
﴿ فَإِذَا دَخَلۡتُم بُيُوتٗا فَسَلِّمُواْ عَلَىٰٓ أَنفُسِكُمۡ تَحِيَّةٗ مِّنۡ عِندِ ٱللَّهِ مُبَٰرَكَةٗ طَيِّبَةٗۚ ﴾ [النور: ٦١]
অর্থাৎ “যখন তোমরা গৃহে প্রবেশ করবে, তখন তোমরা তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম বলবে। এ হবে আল্লাহর নিকট হতে কল্যাণময় ও পবিত্র অভিবাদন।” (সূরা নূর ৬১ আয়াত)
তিনি অন্য জায়গায় বলেন,
﴿ وَإِذَا حُيِّيتُم بِتَحِيَّةٖ فَحَيُّواْ بِأَحۡسَنَ مِنۡهَآ أَوۡ رُدُّوهَآۗ ﴾ [النساء: ٨٦]
অর্থাৎ “যখন তোমাদেরকে অভিবাদন করা হয় (সালাম দেওয়া হয়), তখন তোমরাও তা অপেক্ষা উত্তম অভিবাদন কর অথবা ওরই অনুরূপ কর।” (সূরা নিসা ৮৬ আয়াত)
তিনি আরো বলেছেন,
﴿ هَلۡ أَتَىٰكَ حَدِيثُ ضَيۡفِ إِبۡرَٰهِيمَ ٱلۡمُكۡرَمِينَ ٢٤ إِذۡ دَخَلُواْ عَلَيۡهِ فَقَالُواْ سَلَٰمٗاۖ قَالَ سَلَٰمٞ ﴾ [الذاريات: ٢٤، ٢٥]
অর্থাৎ “তোমার নিকট ইব্রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত এসেছে কি? যখন তারা তার নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, ’সালাম।’ উত্তরে সে বলল, ’সালাম।’” (সূরা যারিয়াত ২৪-২৫ আয়াত)
চলবে।
28/05/2023
السلام عليكم و رحمة و بركاته
কেনো কোরআন সহীহ ভাবে তেলোয়াত করব ,,,,,,,,,,,,,,,
🖋️ কোরআনে কারিম তেলোয়াতে ঈমান বৃদ্ধি পায়। (আনফাল - ২)
🖋️অন্তরে নূর সৃষ্টি হয়। (বায়হাকি)
🖋️ গুনাহ মাফ হয় । ( ইবনে হিব্বান)
🖋️প্রতি অক্ষরে দশ নেকী লাভ হয়। ( তিরমিযী)
🖋️ তেলোয়াতকারীর জন্য কোরআন কেয়ামতের দিন সুপারিশ করবে। (মুসলিম)
🖋️ নিরবতা ও মনোযোগ সহকারে কোরআন তেলাওয়াত শ্রবণকারীর উপর আল্লাহর রহমত অবতীর্ণ হয়। ( সূরা আরাফ - ২০৪)
🖋️ রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেন, যে মু'মিন ব্যক্তি কোরআন তেলাওয়াত করে সে কমলা লেবুর মতো । এর ঘ্রাণও ভালো, স্বাদও ভালো। আর যে মু'মিন কোরআন তেলাওয়াত করে না সে খেজুরের মতো, এর ঘ্রাণ নেই , খেতে মিষ্টি। ( বুখারী, মুসলিম)
🖋️ যার অন্তরে কোরআনের কোন অংশ নেই সে পরিত্যক্ত বিরান ঘরের মতো। ( তিরমিয)
__________________________________
➡️ আমাদের কোর্স সমূহ ------
➡️ তাজবীদ ও কোরআন শিক্ষা কোর্স (নূরানী মাসায়েল)
➡️নাজেরা ও হেফজ
(যে সমস্ত সূরা হেফজ করানো হবে: আম্মা পারা, সূরা ইয়াসিন, আর- রহমান, ওয়াক্বিয়া, মূলক)
🔷 লং কোর্স (৬ মাস ও ১বছর)
🔷 ক্লাসের সময়:
বাদ ফজর ও বাদ এশা
🔷 ক্লাস করার মাধ্যম : জুম এ্যাপ
🔷 ক্লাস শুরু হবে পহেলা জুন থেকে
🔷যে কোন কোর্সে ভর্তি- ১২২০৳,
বেতন -৫০০৳
🔷 ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক করুন অথবা
যোগাযোগ করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে : 01711143976
27/05/2023
السلام عليكم و رحمة و بركاته
🟢 রিমাইন্ডার: যারা যারা ভর্তি হতে ইচ্ছুক ৩০শে মে এর মধ্যে ভর্তি হয়ে যাবেন। ১লা জুন থেকে ক্লাস শুরু হবে ইনশাআল্লাহ । (শুধুমাত্র ভাইদের জন্য)
➡️ আমাদের কোর্স সমূহ ------
➡️ তাজবীদ ও কোরআন শিক্ষা কোর্স (নূরানী মাসায়েল)
➡️নাজেরা ও হেফজ
(যে সমস্ত সূরা হেফজ করানো হবে: আম্মা পারা, সূরা ইয়াসিন, আর- রহমান, ওয়াক্বিয়া, মূলক)
🔷 লং কোর্স (৬ মাস ও ১বছর)
🔷 ক্লাসের সময়:
বাদ ফজর ও বাদ এশা
🔷 ক্লাস করার মাধ্যম : জুম এ্যাপ
🔷 ক্লাস শুরু হবে পহেলা জুন থেকে
🔷যে কোন কোর্সে ভর্তি- ১২২০৳,
বেতন -৫০০৳
🔷 ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক করুন অথবা
যোগাযোগ করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে : 01711143976
25/05/2023
السلام عليكم و رحمة و بركاته
অনেক রাত হয়েছে চলুন ঘুমাতে যাবার আগে একটু ঘুমানোর সুন্নত তরীকাটা শিখে নেই-----
১. ইশার নামাজের পর তাড়াতাড়ি ঘুমানোর চেষ্টা করা । ( বুখারী)
২. ওযু করে শুতে যাওয়া । ( বুখারী, মুসলিম)
৩.ঘুমানোর পূর্বে সম্ভব হলে কোরআন তেলাওয়াত করা ( যেমন: সূরা ইখলাস,কাফিরুন,মূলক , আলিফ লাম মীম সেজদা )। ( তিরমিযী, মুসনাদে আহমাদ)
৪. তাসবিহে ফাতেমী পড়া। ( سبحان الله ৩৩ বার, الحمد لله ৩৩ বার , الله اكبر ৩৪ বার )। আবু দাউদ, নাসায়ী
৫. ডান হাত ডান গালের নিচে রেখে ডান কাতে কেবলামুখী হয়ে শোয়া। বুখারী
৬. ঘুমানোর পূর্বে ৩ বার ইসতেগফার পড়া ।(তিরমিযী)
৭.ঘুমানোর পূর্বে এই দোয়া পড়া , اللهم باسمك اموت و احيا ।( বুখারী)
৮. ঘুম থেকে উঠে এই দোয়া পড়া _ الحمد لله الذى احيانا بعد ما اماتنا و اليه النشور। ( বুখারী)
__________________________________
আমাদের কোর্স সমূহ (শুধু মাত্র ভাইদের জন্য) _
➡️ তাজবীদ ও কোরআন শিক্ষা কোর্স (নূরানী মাসায়েল)
➡️নাজেরা ও হেফজ
(যে সমস্ত সূরা হেফজ করানো হবে: আম্মা পারা, সূরা ইয়াসিন, আর- রহমান, ওয়াক্বিয়া, মূলক)
🔷 ক্লাসের সময়:
বাদ ফজর ও বাদ এশা
🔷 ক্লাস করার মাধ্যম : জুম এ্যাপ
🔷 ক্লাস শুরু হবে পহেলা জুন থেকে
🔷যে কোন কোর্সে ভর্তি- ১২২০৳,
বেতন -৫০০৳
🔷 ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক করুন অথবা
যোগাযোগ করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে : 01711143976
25/05/2023
السلام عليكم و رحمة و بركاته
হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, মীম একটি হরফ।’ (-তিরমিজি )
_________________________
আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ
আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবি ও ব্যবসায়ী ভাইদের জন্য আমরা দারুল আরকাম হামিয়ুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসা -র পক্ষ থেকে শুরু করেছি অনলাইন ------
➡️ তাজবীদ ও কোরআন শিক্ষা কোর্স (নূরানী মাসায়েল)
➡️নাজেরা ও হেফজ
(যে সমস্ত সূরা হেফজ করানো হবে: আম্মা পারা, সূরা ইয়াসিন, আর- রহমান, ওয়াক্বিয়া, মূলক)
🔷 ক্লাসের সময়:
বাদ ফজর ও বাদ এশা
🔷 ক্লাস করার মাধ্যম : জুম এ্যাপ
🔷 ক্লাস শুরু হবে পহেলা জুন থেকে
🔷যে কোন কোর্সে ভর্তি- ১২২০৳,
বেতন -৫০০৳
🔷 ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক করুন অথবা
যোগাযোগ করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে : 01711143976
23/05/2023
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَمَه.
তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সেই, যে নিজে কুরআন শেখে এবং অন্যকে তা শেখায়। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৫০২৭
কুরআন আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নাযিলকৃত সর্বশেষ আসমানী গ্রন্থ। মানবজাতির হেদায়েতের জন্যে, তাদেরকে আল্লাহ ও পরকালের পথে আহ্বান করার জন্যে, সঠিক পথের দিশা দেবার জন্যে আল্লাহ পাঠিয়েছেন অনেক অনেক নবী-রাসূল। তাঁদের মধ্যে কাউকে কাউকে দিয়েছেন কিতাব। পবিত্র কুরআন হচ্ছে সেই ধারাবাহিকতার সর্বশেষ কিতাব, যা নাযিল করা হয়েছিল সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর। কুরআন নাযিলের পর থেকে ইতিমধ্যে পেরিয়ে গেছে শত-সহ¯্র বছর। কিন্তু মানবজাতির ইতিহাসে এ কুরআনই এমন এক গ্রন্থ, এত দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও যাতে কেউ বসাতে পারেনি বিকৃতির সামান্য আঁচড়। শত্রুরা তো আর কম চেষ্টা করেনি! কিন্তু হাজারো চেষ্টা সত্ত্বেও তারা সফল হয়নি কুরআনকে মানুষের রচিত গ্রন্থ বলে প্রমাণ করায়। বরং কুরআন যখন অবিশ্বাসীদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছে-
وَ اِنْ كُنْتُمْ فِیْ رَیْبٍ مِّمَّا نَزَّلْنَا عَلٰی عَبْدِنَا فَاْتُوْا بِسُوْرَةٍ مِّنْ مِّثْلِهٖ وَ ادْعُوْا شُهَدَآءَكُمْ مِّنْ دُوْنِ اللهِ اِنْ كُنْتُمْ صٰدِقِیْنَ.
আমি আমার বান্দার ওপর যা নাযিল করেছি তা নিয়ে যদি তোমরা সামান্য সন্দেহেও থেকে থাক, তবে এর মতো একটি সূরা বানিয়ে নিয়ে আসো! আর তোমরা তোমাদের সকল সাহায্যকারীকে (প্রয়োজনে) আহ্বান করো, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক! -সূরা বাকারা (২) : ২৩
তখনো তারা একটি ছোট্ট সূরাও হাজির করতে পারেনি। তখনো পারেনি, এ আধুনিক কালেও নয়। এ বৈশিষ্ট্যে পাক কুরআন অনন্য। মানুষের হেদায়েতের জন্যে সর্বশেষ নাযিলকৃত এ গ্রন্থকে সংরক্ষণের ভারও নিয়েছেন মহান রাব্বুল আলামীন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন-
اِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَ اِنَّا لَهٗ لَحٰفِظُوْنَ.
এ কুরআন আমিই নাযিল করেছি আর আমিই তা হেফাযত করব। -সূরা হিজ্র (১৫) : ৯
কুরআন আল্লাহর কালাম। নবী ও রাসূল হিসেবে হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে কয়টি মৌলিক দায়িত্ব ছিল, সেসবের মধ্যে অন্যতম- মানুষকে কুরআনের শিক্ষা প্রদান করা। পবিত্র কুরআনের ভাষ্য-
لَقَدْ مَنَّ اللهُ عَلَی الْمُؤْمِنِیْنَ اِذْ بَعَثَ فِیْهِمْ رَسُوْلًا مِّنْ اَنْفُسِهِمْ یَتْلُوْا عَلَیْهِمْ اٰیٰتِهٖ وَ یُزَكِّیْهِمْ وَ یُعَلِّمُهُمُ الْكِتٰبَ وَ الْحِكْمَةَ .
আল্লাহ মুমিনদের প্রতি অবশ্যই অনুগ্রহ করেছেন, যখন তিনি তাদের নিজেদের মধ্য থেকে তাদের নিকট রাসূল প্রেরণ করেছেন, যে তাঁর আয়াতসমূহ তাদের নিকট তিলাওয়াত করে, তাদেরকে পরিশোধন করে এবং তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয়। -সূরা আলে ইমরান (৩) : ১৬৪
নবীর পরবর্তীতে যখন কেউ তাঁর দায়িত্ব আঞ্জাম দেবে, সে তো শ্রেষ্ঠ হবেই। উপরোক্ত হাদীসের বক্তব্যে কোনো অস্পষ্টতা নেই- যিনি প্রথমে কুরআনের শিক্ষার্থী হয়েছেন, এরপর কুরআনের শিক্ষক হয়েছেন, তিনি শ্রেষ্ঠ মানুষ।(মাসিক আল কাউসার জানুয়ারি ২০২০ )
___________________________________
আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবি ও ব্যবসায়ী ভাইদের জন্য আমরা দারুল আরকাম হামিয়ুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসা -র পক্ষ থেকে শুরু করেছি অনলাইন ------
➡️ তাজবীদ ও কোরআন শিক্ষা কোর্স (নূরানী মাসায়েল)
➡️নাজেরা ও হেফজ
(যে সমস্ত সূরা হেফজ করানো হবে: আম্মা পারা, সূরা ইয়াসিন, আর- রহমান, ওয়াক্বিয়া, মূলক)
🔷 ক্লাসের সময়:
বাদ ফজর ও বাদ এশা
🔷 ক্লাস করার মাধ্যম : জুম এ্যাপ
🔷 ক্লাস শুরু হবে পহেলা জুন থেকে
🔷যে কোন কোর্সে ভর্তি- ১২২০৳,
বেতন -৫০০৳
🔷 ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক করুন অথবা
যোগাযোগ করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে : 01711143976
22/05/2023
السلام عليكم و رحمة الله
🕌ইসলামে ইলমের গুরুত্ব অপরিসীম। মুসলিমের প্রতি ইসলামের প্রথম বার্তাই- اِقْرَاْ- পড়, ইলম অর্জন কর। ইসলাম থেকে ইলমকে আলাদা করা অসম্ভব। ইসলামের প্রতিটি অংশের মধ্যেই ইলম বিরাজমান। ইলম ছাড়া যথাযথভাবে ইসলাম পালন সম্ভব নয়। ইলম ছাড়া ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন- কোনো ক্ষেত্রেই সত্যিকার অর্থে ইসলাম পালন সম্ভব নয়। তাবেঈ উমর ইবনে আব্দুল আযীয রাহ. বলেন-
من عمل على غير علم كان ما يفسد أكثر مما يصلح.
যে ব্যক্তি ইলম ছাড়া আমল করবে সে সঠিকভাবে যতটুকু করবে না করবে, বরবাদ করবে তার চেয়ে বেশি। -তারীখে তাবারী ৬/৫৭২
দ্বীনী ইলমের বিভিন্ন স্তর ও ভাগ রয়েছে। একটি ভাগ ফরযে আইন ও ফরযে কেফায়া হিসাবে। ফরযে আইন বলা হয়, যা শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য। বিশেষভাবে এই প্রকারের ইলমের ব্যাপারেই হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে-
طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ.
প্রত্যেক মুসলিমের উপর ইলম অর্জন করা ফরয। -মুসনাদে আবু হানীফা (হাছকাফী), হাদীস ১, ২; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ২২৪
___________________________________
🕌আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবি ও ব্যবসায়ী ভাইদের জন্য আমরা দারুল আরকাম হামিয়ুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসা -র পক্ষ থেকে শুরু করেছি অনলাইন ------
➡️ তাজবীদ ও কোরআন শিক্ষা কোর্স (নূরানী মাসায়েল)
➡️নাজেরা ও হেফজ
(যে সমস্ত সূরা হেফজ করানো হবে: আম্মা পারা, সূরা ইয়াসিন, আর- রহমান, ওয়াক্বিয়া, মূলক)
🔷 ক্লাসের সময়:
বাদ ফজর ও বাদ এশা
🔷 ক্লাস করার মাধ্যম : জুম এ্যাপ
🔷 ক্লাস শুরু হবে পহেলা জুন থেকে
🔷যে কোন কোর্সে ভর্তি- ১২২০৳,
বেতন -৫০০৳
🔷 ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক করুন অথবা
যোগাযোগ করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে : 01711143976
21/05/2023
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ
আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবি ও ব্যবসায়ী ভাইদের জন্য আমরা দারুল আরকাম হামিয়ুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসা -র পক্ষ থেকে শুরু করেছি অনলাইন ------
➡️ তাজবীদ ও কোরআন শিক্ষা কোর্স (নূরানী মাসায়েল)
➡️নাজেরা ও হেফজ
(যে সমস্ত সূরা হেফজ করানো হবে: আম্মা পারা, সূরা ইয়াসিন, আর- রহমান, ওয়াক্বিয়া, মূলক)
🔷 ক্লাসের সময়:
বাদ ফজর ও বাদ এশা
🔷 ক্লাস করার মাধ্যম : জুম এ্যাপ
🔷 ক্লাস শুরু হবে পহেলা জুন থেকে
🔷যে কোন কোর্সে ভর্তি- ১২২০৳,
বেতন -৫০০৳
🔷 ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক করুন অথবা
যোগাযোগ করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে : 01711143976