26/03/2023
শিক্ষার্থী বেতন আদায় (01-04-23 থেকে 07-04-23)
Tejgaon Govt. High School, Dhaka
(This is the official page and maintained by the school authorities)
26/03/2023
শিক্ষার্থী বেতন আদায় (01-04-23 থেকে 07-04-23)
01/03/2023
এস এস সি ২০২৩
মূল্যায়ন পরীক্ষার প্রস্তুতি নেও।
R/G, (SSC-2023)
SSC-2023 candidates must sit for the evaluation test. They are asked to visit school website for the Exam Routine.
HM,
TGHS.
28/02/2023
We are going to live soon
R/G,
Students are asked to attend the Annual Doa Mahfil in school uniform at 8:30 AM on 20/2/23.
HM,
TGHS.
18/02/2023
- প্রভাতি শাখার শিক্ষকমন্ডলী।
18/02/2023
R/G,
Please be informed that school will remain closed on 19/2/23 for Shob-E-Meraj. Thanks.
HM,
TGHS.
17/02/2023
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৩
জনাব কানিজ ফাতিমা ইসলাম ও
জনাব ওবায়দুল ইসলাম
এর সাথে স্বেচ্ছাকর্মীদের সাথে একাংশ।
-------তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়------
তেজগাঁও পলিটেকনিক হাই স্কুল থেকে তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। এর সাথে আরেকটি নাম আরেকটি ব্যঞ্জনা জনাব নূর মোহাম্মদ। যুগে যুগে যাদের পদধুলিতে ধন্য এ দেশ তিনি তাদেরই একজন। এ বিদ্যালয়ের কথা লিখার আগে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে হয় এ মহান ব্যক্তিত্বকে।
আরও স্মরণ করতে হয় স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম শহীদ লুৎফর রহমান-কে যিনি ১৯৬৯ সালে এ বিদ্যালয় থেকেই এসএসসি পাস করেছিলেন। লুৎফর রহমানসহ এ বিদ্যালয়ের অসংখ্য ছাত্র যাদের রক্ত ও সাহসিকতার বিনিময়ে আজ এ দেশ স্বাধীন তাদের সবাইকে সশ্রদ্ধ সালাম।
তেজগাঁও পলিটেকনিক হাই স্কুল। বেড়ার ঘর, মাটির মেঝে, শিকবিহীন জানালা, কাঠের টুল। তবুও বাংলাদেশের সেরা প্রতিষ্ঠান। ষাট এর দশকে এমন কোন বৎসর খুঁজে পাওয়া যাবে না যা বৎসর এসএসসি পরীক্ষায় এ বিদ্যালয় থেকে সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্থান পায় নাই। আর আন্তঃস্কুল ফুটবলে প্রতিবছর চ্যাম্পিয়ন। ১৯৭৮ সালে এ বিদ্যালয়ের তিনজন ছাত্র সেরা স্কাউটের মর্যাদা লাভ করে।
তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৮১ সালে এর জাতীয়করণ হলেও ১৯৫৫ সাল থেকে এর যাত্রা শুরু। তখন একজন প্রধান শিক্ষক ও দুজন সহকারী প্রধান শিক্ষকের অধীনে তেজগাঁও পলিটেকনিক্যাল হাই স্কুলের বালক ও বালিকা শাখা চলতো। ১৯৫৫ সালে স্কুলের জন্য ভাওয়াল রাজার দানকৃত ২২ বিঘা জমি কোন ক্ষতিপূরণ ছাড়াই তৎকালীন সরকার হুকুম দখল করে নেয়। স্কুল নেই, আছে শুধু কয়েকজন ছাত্র, ম্যানেজিং কমিটি এবং কয়েকজন শিক্ষক। বিদ্যালয়ের এ ক্রান্তিলগ্নে ভাসমান নাম সর্বস্ব স্কুলটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক জনার নূর মোহাম্মদ। তিনি বিভিন্ন জায়গায় স্কুলের একটু জায়গার জন্য ধর্ণা দিতে শুরু করলেন। এ কাজে তাঁকে সহযোগিতা করেন মরহুম ডাঃ টি আহম্মদ এবং মরহুম দোহা। পাকিস্তানের তৎকালীন স্পিকার মরহুম তমিজ উদ্দিন খানের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় অবশেষে তিনি পি.আই এর খালি জায়গায় স্কুল করার অনুমতি পেলেন। কিছুদিন পর আজম খান পাকিস্তানের গভর্নর হলে স্কুলের মাথায় নেমে আসে এক মহাবিপদ সংকেত। ২৪ ঘন্টা সময় দেয়া হল স্কুল সরিয়ে নিতে। তিনি আবারও ছুটলেন স্কুলটিকে বাঁচানোর জন্য। এ সময় আবার পাশে এসে দাঁড়ালেন তমিজ উদ্দিন খান সাহেব। তিনি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা গভর্নরকে বোঝাতে সক্ষম হলেন। বেঁচে গেল স্কুল। এর সাথে তৎকালীন জেনারেল ওমরাও খানের নাম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হয়। সেই থেকে শুধুই সামনের দিকে এগিয়ে গেছে স্কুল, স্কুলের অবস্থান সম্পর্কে আর কাউকে ভাবতে হয় নি।