Job Preparation Journey with ARK

Job Preparation Journey with ARK Learner and Teacher.

25/07/2026

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে প্রস্তুতি

আপনারা ইতোমধ্যে নিশ্চয়ই অবগত রয়েছেন যে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই ২০২৫ সালে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১১২২টি পদের বিপরীতে লোকবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। এ ব্যাপারে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা না হলেও, শীঘ্রই উক্ত পদে পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। এই পোস্টে উক্ত পদের পরীক্ষা পদ্ধতি ও প্রস্তুতি সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে সাধারণত দুইভাবে লোকবল নিয়োগ করা হয়- (১) সহকারী শিক্ষক পদ হতে পদোন্নতির মাধ্যমে, এবং (২) সরকারি নিয়োগের মাধ্যমে। সর্বশেষ প্রণীত নিয়োগ বিধিমালা অনুসারে, মোট শূন্যপদের ৮০% পদোন্নতির মাধ্যমে এবং ২০% সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণযোগ্য। তন্মধ্যে সরাসরি নিয়োগ প্রক্রিয়া আবার সাধারণত দুইভাবে সম্পন্ন হয়ে থাকে- (১) বিসিএস ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য হতে নন ক্যাডার পদে সুপারিশের মাধ্যমে , এবং (২) বিপিএসসি কর্তৃক স্বতন্ত্র নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে। ২০২৫ সালে বিপিএসসি কর্তৃক প্রকাশিত স্বতন্ত্র নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আলোকে লোকবল নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের কথা শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক সূত্র মারফত।

এবার আসি উক্ত পদের পরীক্ষা পদ্ধতি ও মানবণ্টনের আলোচনায়। উক্ত পদের নিয়োগ পরীক্ষা দুই ধাপে সম্পন্ন হয়ে থাকে- লিখিত ও ভাইভা। লিখিত পরীক্ষায় ৯০ মার্কের এমসিকিউ প্রশ্ন থাকে। তন্মধ্যে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য থেকে ২৫, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য থেকে ২৫, গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান থেকে ২০, এবং সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) থেকে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। উক্ত পরীক্ষায় সর্বনিম্ন পাশ মার্ক রাখা হয়েছে ৫০%; প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫ করে নেগেটিভ মার্কিংয়ের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষায় ১০ নম্বরের বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং তন্মধ্যে সর্বনিম্ন পাশ মার্ক রাখা হয়েছে ৫০%। উল্লেখ্য যে, সর্বনিম্ন পাশ মার্ক ৫০% নির্ধারণ করা হলেও, প্রার্থীর স্থায়ী ঠিকানা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট উপজেলায় বিদ্যমান শূন্যপদ অনুযায়ী কাটমার্ক নির্ধারিত হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। অর্থাৎ উপজেলা অনুযায়ী কাটমার্ক কম-বেশি হতে পারে। তবে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কোনো কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

এবারে উক্ত পদের প্রস্তুতি সম্পর্কে আলোচনা করা যাক। প্রথমে বিগত প্রশ্ন দেখতে হবে কোনো জব সল্যুশন বই থেকে। এ সংক্রান্ত পিডিএফ ফাইলও চাইলে দেখতে পারেন; অনলাইনে সার্চ করলেই পাবেন। এজন্য বিপিএসসি কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পরীক্ষার বিগত প্রশ্ন দেখতে হবে; সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদের প্রশ্নের পাশাপাশি। এছাড়া বাংলা, ইংরেজি , সাধারণ জ্ঞান এবং গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান অংশের জন্য , আপনি যেসব বই চাকরির প্রস্তুতির জন্য পড়ে থাকেন, সেগুলো ভালো করে পড়াই যথেষ্ট। এর জন্য এই স্বল্প সময়ে নতুন কোনো বই বা শিট না পড়াই উত্তম। সাধারণ জ্ঞান অংশে শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় ভালো করে পড়তে হবে। তন্মধ্যে শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতি ও বিধিমালা বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। একইসাথে সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নানা উদ্যোগ, সম্মেলন, পুরষ্কার, আয়োজন (যেমন: ফুটবল বিশ্বকাপ) ইত্যাদি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে। এর পাশাপাশি নিজের অবস্থান ও ভুল-ত্রুটি যাচাইয়ের জন্য অনলাইনে লাইভ এমসিকিউ বা অনুরূপ কোনো ভালো প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত মডেল টেস্ট দিতে পারেন। এটা আপনার প্রস্তুতিতে বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা রাখি। একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, বিগত প্রশ্ননির্ভর প্রশ্ন আসে বলে এসব প্রশ্নে যথাসম্ভব ভুল করা যাবে না।

আজ এ পর্যন্ত-ই। কারো কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্ট বা মেসেজ করতে পারেন।

সকলের জন্য শুভ কামনা।

Attention Economy এর আদ্যোপান্ত সাম্প্রতিককালে Attention Economy বা মনোযোগের অর্থনীতি প্রত্যয়টি বেশ আলোচিত হয়েছে। এই লেখ...
24/07/2026

Attention Economy এর আদ্যোপান্ত

সাম্প্রতিককালে Attention Economy বা মনোযোগের অর্থনীতি প্রত্যয়টি বেশ আলোচিত হয়েছে। এই লেখাটিতে উক্ত প্রত্যয়ের আদ্যোপান্ত সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করব। মূলত আধুনিক প্রযুক্তির যুগে মানুষের মনোযোগকে কীভাবে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে কাজে লাগানো হয়, সেটা বোঝাতে এই প্রত্যয়টি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

Attention Economy কী?

আলোচনার শুরুতেই জেনে নেওয়া যাক, Attention Economy জিনিসটা আসলে কী। নাম দেখে নিশ্চয়ই এতক্ষণে আপনারা কিছুটা হলেও আন্দাজ করে ফেলেছেন; এবার খোলাসা করা যাক। Attention Economy বলতে এমন অর্থনীতিকে বোঝানো হয়, যেখানে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় মানুষের মনোযোগ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বব্যাপী ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ও এক্স সহ অজস্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উদ্ভব ঘটেছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীর সংখ্যা; সাথে বেড়েছে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের পেছনে মানুষের ব্যয়িত সময় বা Screen On Time (SOT). এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সময় মানুষের রুচি-পছন্দ চিহ্নিত করা হয়। গুগল, ইউটিউব বা ফেসবুকে কোনো কিছু সার্চ করা হলে বা কোনো কনটেন্ট দেখা হলে , উক্ত কনটেন্ট সংক্রান্ত কনটেন্ট বারবার সামনে আসতে থাকে। এর পাশাপাশি ঐ সংক্রান্ত পণ্যের বিজ্ঞাপন আসতে থাকে। এটাই Attention Economy. বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তাদের অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এসব তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। পরবর্তীতে এসব তথ্য বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির কাছে চড়া দামে বিক্রি করা হয়। এভাবে মানুষের মনোযোগকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করা-ই Attention Economy.

Attention Economy এর ইতিহাস

Attention Economy প্রত্যয়টি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন হার্বার্ট এ. সিমন; বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকে। তখন তিনি অতিরিক্ত অর্থনৈতিক তথ্যপ্রবাহ বোঝাতে এই প্রত্যয়টি ব্যবহার করেছিলেন। নব্বইয়ের দশকে ইন্টারনেট প্রযুক্তির প্রসার ঘটতে থাকে। তখন এই প্রত্যয় নতুনভাবে আলোচিত হতে থাকে। পরবর্তীতে ২০০১ সালে ডেভেনপোর্ট ও বেক Attention Economy এর সংজ্ঞা দিতে গিয়ে, এটাকে "মানব মনোযোগকে দুর্লভ সম্পদ হিসেবে বিবেচনাকারী তথ্যের ব্যবস্থাপনা" (An approach to the management of information that treats human attention as a scarce commodity)
বলে আখ্যায়িত করেন। অতি সাম্প্রতিককালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশের ফলে এই প্রচেষ্টা অনন্য পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।

আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে Attention Economy এর প্রভাব

Attention Economy এর প্রভাবে প্রথাগত বিজ্ঞাপন তথা বিপণনের ধারণা পুরোপুরিভাবে বদলে গিয়েছে। আগে পণ্যের প্রসারে পত্রপত্রিকা, টেলিভিশন, রেডিও, সাময়িকী ও বিলবোর্ডে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পণ্যের বিপণন কার্যক্রম পরিচালিত হত। এখনকার দিনে প্রথাগত বিপণন কার্যক্রম চালু থাকলেও, আগের তুলনায় প্রভাব কমে গিয়েছে। এখন আর কেউ অফলাইন বিজ্ঞাপন দেখে আকৃষ্ট হয় না আগের মতো। এছাড়াও নিম্নোক্ত আর্থ-সামাজিক প্রভাবসমূহ পরিলক্ষিত হয়ে থাকে:
• ব্যক্তিগত ডাটা ব্যবহার করে তাদের রুচি-পছন্দ সম্পর্কে সহজেই জানা যায়। ফলে মানুষের কাছে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায়।
• Attention Economy এর প্রসারের ফলে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে স্বল্প খরচে অধিক সংখ্যক লোকের কাছে পৌঁছে যেতে পারছে। ফলে বিপণনের খরচ বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে।
• ব্যক্তিগত ডাটার প্রবেশাধিকার সহজেই পাওয়া যায় বলে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও প্রাইভেসি অনেক সময় ঝুঁকির মুখে পড়ে যায়। অনেক সময় অনেকে এগুলোকে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কাজে ও অপরাধকর্মে ব্যবহার করে থাকে, যা ব্যক্তিগত ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

লেখা: আশিকুর রহমান খান
সিনিয়র অফিসার (সোনালী ব্যাংক পিএলসি)
বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা ) (সুপারিশপ্রাপ্ত)

20/07/2026

চাকরিপ্রত্যাশী ভাই-বোন সমীপে দুটো কথা!

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম-কেন্দ্রিক বিভিন্ন চাকরির গ্রুপে চাকরির প্রস্তুতিতে করণীয় সম্পর্কে বিভিন্নজন আপনাদেরকে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাদের এসব পরামর্শ নিঃসন্দেহে আপনাদের উপকারে আসে বলে অন্তত আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আপনারা ব্যাপারটাকে কীভাবে নেন, আমি জানি না। যাহোক, সে তুলনায় চাকরির প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কী কী করা যাবে না , সে ব্যাপারে তেমন কোনো আলাপ চোখে পড়ে না কোথাও। এই ব্যাপারটাকে মাথায় রেখে উক্ত বিষয়ে দুই-চার লাইন আপনাদের উদ্দেশ্যে লিখবো বলে মনঃস্থির করলাম। সে ভাবনা থেকেই এই লেখার অবতারণা। এই লেখা থেকে যদি একজন চাকরিপ্রত্যাশী-ও উপকৃত হতে পারেন, তবেই আমার এই প্রচেষ্টা সার্থক হবে।

যা'হোক, মূল কথায় ফিরে আসি। একজন চাকরিপ্রত্যাশী হিসেবে নিম্নোক্ত কাজগুলো অবশ্যই বর্জন করবেন:

১) অপ্রয়োজনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। ইলেকট্রনিক ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহার আপনার মস্তিষ্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণায় এই কথা প্রমাণিত হয়েছে যে, ইলেকট্রনিক ডিভাইস হতে নিঃসৃত আলো মানুষের নিদ্রাহীনতার (ইনসোমনিয়া) অন্যতম প্রধান কারণ। চাকরির প্রস্তুতির প্রয়োজনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের প্রয়োজন হলে , সেটা দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে করতে হবে। পড়াশোনার সময় স্মার্টফোন হাতের নাগালে না থাকাটাই শ্রেয়।

২) অনলাইনে আকর্ষণীয় বা চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে নামসর্বস্ব অনলাইন কোর্সে বা কোচিং-এ ভর্তি হওয়া চলবে না। ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত কেউ ভর্তি হয়ে থাকলে, কিংবা কোনো স্বনামধন্য মেন্টর সাজেস্ট করলে, তবেই ভর্তি হবেন কোনো কোর্সে। মনে রাখবেন, কোচিং বা অনলাইন কোর্স আপনাকে চাকরিপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা দিতে পারে না কখনো; মূল পড়াশোনা আপনাকেই করতে হবে। এক্ষেত্রে নিয়মিত পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।

৩) চেষ্টা করবেন বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতির জন্য পঠিত বইয়ের সংখ্যা যথাসম্ভব কম রাখতে। কোনো বিষয়ের জন্য একাধিক বই না পড়ে , একই বই একাধিকবার পড়া শ্রেয়। ভালো মানের প্রস্তুতির জন্য রিভিশনের কোনো বিকল্প বা সমকক্ষ নেই। বেশি বেশি সংখ্যক বই পড়লেই অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় এগিয়ে থাকা যাবে- এই ভ্রান্ত ধারণা সর্বাগ্রে পরিহার করতে হবে।

৪) বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রথম শ্রেণির পদে যেসব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়ে থাকে, তন্মধ্যে বিসিএস ও সমন্বিত ব্যাংক বাদে অন্যান্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শূন্যপদের সংখ্যা অতি নগণ্য থাকে। শূন্যপদের সংখ্যা কম থাকলে, ফেয়ার নিয়োগ হবার সম্ভাবনা কম থাকে বলে আমরা জানি। এ কারণে অনেকে কম সংখ্যক পদের বিপরীতে আবেদন করতে অনাগ্রহী থাকেন। এই চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কোনো নিয়োগ ফেয়ার হবে কি-না, সে ব্যাপারে আমরা আগে থেকে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারি না। কোনো কোনো সেক্টরের নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হলেও, এটা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়োগকারী কমিটির উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। মোদ্দা কথা হচ্ছে , এসব চিন্তা না করে আপনি আবেদন না করলে রেস থেকে আগেই বাদ পড়ে যাবেন। [একই কথা অল্পসংখ্যক পদের বিপরীতে লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা দেবার ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য। ] এক্ষেত্রে এই অধমের পরামর্শ হলো, আর্থিক ইস্যু না থাকলে অবশ্যই আবেদন করবেন।

৫) সবশেষে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে আলোকপাত করা যাক। চাকরির প্রস্তুতি গ্রহণকালে অনেকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও, বিভিন্ন চাকরিতে ঢুকে যায় , যেটা তার কাঙ্ক্ষিত চাকরি নয়। পরবর্তীতে তারা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন হতে অনেকটাই ছিটকে পড়ে। চাকরির প্রস্তুতি গ্রহণকালে ভালো জবের লিখিত বা ভাইবা না দেওয়া থাকলে , নিম্নস্তরের (১১-২০তম গ্রেডের) চাকরিতে যোগদান না করাই শ্রেয়। এতে কিছুটা হলেও চাকরির প্রস্তুতিতে ভাটা পড়বে। তবে এই ব্যাপারটাকে কোনো একক প্যারামিটার দিয়ে বিচার করা ঠিক হবে না। এর সাথে আপনার আর্থিক ইস্যু, অন্য চাকরি প্রাপ্তির সম্ভাবনা ও আত্মবিশ্বাস এবং বয়সসীমার মতো বিষয়গুলো ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। এর কোনোটাকে অবজ্ঞা করার কোনো সুযোগ আসলে থাকে না। এগুলো সব আপনার পক্ষে থাকলে তবেই চাকরিতে যোগদান না করে প্রস্তুতি চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেবেন।

উপর্যুক্ত বিষয়গুলো একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত। আপনারা কেউ চাইলে , মানতে পারেন, এড়িয়ে যেতে পারেন কিংবা দ্বিমত পোষণ করতে পারেন (বিশেষত সর্বশেষ পয়েন্টের সাথে)। যেকোনো ধরনের মতামত বা ভিন্নমত সাদরে গ্রহণযোগ্য।

- আশিকুর রহমান খান

সিনিয়র অফিসার (সোনালী ব্যাংক পিএলসি)

বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) (সুপারিশপ্রাপ্ত) (৪৫তম বিসিএস)

ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ ***চ্যাম্পিয়ন -স্পেন (দ্বিতীয় বার) গোল্ডেন বুট -ক্লিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স) গোল্ডেন বল -রদ্রি (স্পে...
20/07/2026

ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ ***
চ্যাম্পিয়ন -স্পেন (দ্বিতীয় বার)
গোল্ডেন বুট -ক্লিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)
গোল্ডেন বল -রদ্রি (স্পেন)
গোল্ডেন গ্লাভস -উনাই সিমন (স্পেনের গোলরক্ষক)
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় -কুবারসি (স্পেন)

18/07/2026

🔥 ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আপডেট তথ্য জেনে নিন:

🔹 মাথাপিছু আয় — ৩০২০ মার্কিন ডলার।
🔹 মাথাপিছু জিডিপি — ২৮৮৬ মার্কিন ডলার।
🔹 জিডিপির আকার — ৫০১ বিলিয়ন ডলার।
🔹 জিডিপির প্রবৃদ্ধি — ৪.১৪%।
🔹 সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি — ৪.৫৯% (সবচেয়ে বেশি)।
🔹 শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি — ২.৮৬%।
🔹 কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি — ২.৭৮%।

▫️২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় কৃষি ও সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি কমলেও শিল্প খাতে বেড়েছে।

🔹 বেসরকারি বিনিয়োগ অনুপাত — ২১.৫৩%।

➡️ ব্যাংক সংক্রান্ত আপডেট তথ্য

🔸 বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ — ৩৭.৫৮ বিলিয়ন ডলার; ৩২.৯৩ বিলিয়ন ডলার (IMF BPM6 মতে) [জুন, ২০২৬ রিপোর্ট]
🔸 Policy Rate (Repo Rate) — 10.00%।
🔸 SLF Rate — 11.50%।
🔸 SDF Rate — 7.50%।
🔸 Bank Rate — 4.00%।
🔸 SLR — Traditional Bank - 13%, Islamic Bank - 5.5%।
🔸 CRR (Cash Reserve Ratio) — 4%।

[তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) রিপোর্ট (২০২৫-২৬), পত্রিকা রিপোর্ট ও বাংলাদেশ ব্যাংক ]

আজকে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন কার পরীক্ষা কেমন হলো? কত মার্ক আশা করছে...
17/07/2026

আজকে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন
কার পরীক্ষা কেমন হলো?
কত মার্ক আশা করছেন এই প্রশ্নে?

14/07/2026

সম্প্রতি সিজিএ কার্যালয়ের অডিটর পদের পুনঃবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অনেকেই এই চাকরির সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জানতে চাইছেন। এই চাকরির সুযোগ-সুবিধা ও পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু ধারণা দেওয়ার জন্য এই পোস্ট করছি।

শুরুতেই এই পদের বেতন-ভাতা নিয়ে কথা বলা যাক। জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী, ১১তম গ্রেডের এই পদে ১২৫০০ টাকা স্কেলে বেতন পাওয়া যায়। এর সাথে কর্মস্থল অনুযায়ী বাসা ভাড়া, মেডিকেল ভাতা, টিফিন ভাতা ও বিশেষ প্রণোদনা ভাতা সহ সবমিলিয়ে ২১/২২ হাজার টাকার মতো বেতন পাওয়া যায়। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে কোনো ভিজিটে গেলে বা ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণ করলে তার জন্য আলাদা টিএ/ডিএ বিল পাওয়া যায়। এগুলোর বাইরে সেভাবে বৈধ আয়ের সুযোগ নেই। (অবৈধ আয় সম্পর্কে আমরা সবাই কম-বেশি অবগত রয়েছি; তাই এ ব্যাপারে আলাপ করাটা অপ্রয়োজনীয়। তবে সবাইকে সমান ভাবলে ভুল হবে।)

এবার কথা বলবো, এই পদের পদোন্নতি ও পদায়ন নিয়ে। এই পদে নিয়োগপ্রাপ্তদেরকে শুরুতে সিজিএ কার্যালয়ে (সেগুনবাগিচা, ঢাকা) যোগদান করতে হয়। এরপর অফিস অর্ডারের মাধ্যমে ঢাকা সহ সারা দেশে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হিসাবরক্ষণ অফিসে পদায়ন দেওয়া হয়। পদায়নের পর এক মাসব্যাপী একটা বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট একাডেমি (ফিমা)-তে। এর পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদী ইন-হাউস প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়ে থাকে অনেক সময়। চাকরিকাল ৩ বছর হলে (বর্তমান বিধিমালা অনুযায়ী), এসএএস পরীক্ষা নামক বিভাগীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হলে, এসএএস সুপার (১০ম গ্রেড) পদে পদোন্নতি লাভের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া ডিএ পরীক্ষার মাধ্যমে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ে ১০ম গ্রেডে পদায়নের সুযোগ রয়েছে। তবে এই পরীক্ষা নিয়মিত হয় না, যতদূর জানি। যাহোক, পরবর্তীতে শূন্যপদ থাকা সাপেক্ষে উপজেলা একাউন্টস অফিসার/অডিট & একাউন্টস অফিসার (৯ম গ্রেড, নন ক্যাডার)> এসিন্ট্যান্ট একাউন্টস জেনারেল (৯ম গ্রেড, ক্যাডার)> ডিসট্রিক্ট একাউন্টস অফিসার/ সমমর্যাদা (৬ষ্ঠ গ্রেড) পদে পদোন্নতি লাভের সুযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য যে, প্রথম পদোন্নতি (১০ম গ্রেডে) লাভের পর, আপনি চাইলে সিএজি/সিজিডিএফ/ এডিজি (ফাইন্যান্স), বাংলাদেশ রেলওয়ে কার্যালয়ে বদলী হতে পারেন; কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে।

এবার আসি পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে। এই পদে সাধারণত তিন ধাপে পরীক্ষা নেওয়া হয়ে থাকে > প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা। ১০০ মার্কের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হয়ে থাকে। মূলত বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষার বিগত প্রশ্ন নির্ভর প্রশ্ন আসে পরীক্ষায়। পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কার্যালয় নিয়ে থাকে। বিগত প্রশ্ননির্ভর প্রশ্ন হওয়ায়, কাটমার্ক অনেক বেশি (+-৮০) থাকে। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হলে, লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। লিখিত পরীক্ষায় পিএসসি নন ক্যাডার প্যাটার্নের লিখিত পরীক্ষা হয়ে থাকে। দেড় ঘণ্টার এই পরীক্ষায় ৭০ মার্কের প্রশ্ন আসে। মোটামুটি কমন টপিক থেকে প্রশ্ন আসে। এ কারণে যথাসম্ভব ভুল করা যাবে না। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে ভাইভা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় সিএজি কার্যালয়ে। এই তিন ধাপের পরীক্ষা খুব কম সময়ের মধ্যে হয়ে যায়; মোটামুটিভাবে মাসখানেকের মধ্যে (প্রিলিমিনারি থেকে ভাইভা পর্যন্ত)। চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের ৩/৪ সপ্তাহের মধ্যে যোগদান সম্পন্ন হয়ে যায়।

সর্বশেষ নিয়োগের সময় সার্কুলারে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের শর্ত ছিল না। এবারের সার্কুলারে উক্ত শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। আবার, সনদ থাকা বাধ্যতামূলক কিনা, সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট করে কোনো কিছু উল্লেখ করা হয়নি। তাই এ ব্যাপারে আন্দাজে কোনো মন্তব্য না করাই শ্রেয়। তবে ইতোপূর্বে কখনো কম্পিউটার টেস্ট নেওয়া হয়নি বা ভাইভাতে প্রশিক্ষণ সনদ চাওয়া হয়নি।

আজ এ পর্যন্তই। কারোর কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে, কমেন্ট/ইনবক্স করতে পারেন।

- আশিকুর রহমান খান
সাবেক অডিটর (সিএজি কার্যালয়) (২০২২ ব্যাচ)
সিনিয়র অফিসার (সোনালী ব্যাংক পিএলসি)

12/07/2026

Funeral Diplomacy: An Anatomy

সাম্প্রতিক সময়ে Funeral Diplomacy বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কূটনীতি প্রত্যয়টি নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। মূলত ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আয়োজনকে কেন্দ্র করে ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা এই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে সাম্প্রতিককালে বিশ্বব্যাপী আলোচিত এই প্রত্যয়ের ইতিহাস কিন্তু বেশ পুরনো। এই লেখাটিতে আমরা Funeral Diplomacy বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কূটনীতি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব।

Funeral Diplomacy কী?

Funeral Diplomacy বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কূটনীতি বলতে কোনো উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কিংবা ধর্মীয় নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গৃহীত কূটনৈতিক তৎপরতাকে বোঝানো হয়। এটা মূলত উক্ত মৃত্যু উপলক্ষে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সমাবেশকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। সহজ কথায়, বিশ্বের কোনো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা ধর্মীয় নেতা মারা গেলে, তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিনিধিদল সেখানে উপস্থিত হন। উক্ত আয়োজনকে ঘিরে কোনো কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হলে, সেটাই Funeral Diplomacy বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কূটনীতি নামে অভিহিত হবে। এটাকে মূলত এক ধরনের অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক তৎপরতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এই ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা Brush-by Diplomacy হিসেবেও সমধিক পরিচিত।

অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কূটনীতির ইতিহাস

ইতোমধ্যে বলেছি যে, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কূটনীতির ইতিহাস বেশ পুরনো। সপ্তদশ শতকে কানাডায় এই প্রত্যয়ের জন্ম হয়। তবে বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকে বিশ্বব্যাপী এর চর্চা শুরু হয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের মৃত্যুর পর ১৯৬৫ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড উইলসন সর্বপ্রথম এই প্রত্যয় আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহার করেছিলেন। পরবর্তীকালে বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা ধর্মীয় নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এই কূটনৈতিক তৎপরতা পরিচালনা অব্যাহত থাকে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, রুশ বিপ্লবী নেতা লেনিনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় তুরস্কের কূটনৈতিক তৎপরতা, ব্রিটিশ রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসের সাথে বিভিন্ন বিশ্বনেতৃবৃন্দের বৈঠক, এবং পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় বিশ্বনেতৃবৃন্দের বৈঠক অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কূটনীতির আলোচিত ঘটনা। তবে সাম্প্রতিককালে ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে। সংক্ষেপে বললে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আয়োজনে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদেরকে , তাদের প্রতি কূটনৈতিক বার্তা-স্বরূপ পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআনের বিভিন্ন আয়াতের তিলাওয়াত শোনানো হয়েছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রসমূহকে স্পষ্ট কূটনৈতিক বার্তা ও সতর্কতা প্রদান করা হয়েছে বলে বিশ্লেষকগণ মনে করছেন।

© আশিকুর রহমান খান
সিনিয়র অফিসার (সোনালী ব্যাংক পিএলসি)
বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) (সুপারিশপ্রাপ্ত) (৪৫তম বিসিএস)

12/07/2026

🎯 জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭
গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা

🟢 মোট ব্যয়: ৯,৩৮,০০০ কোটি টাকা
🟢 GDP: ৬.৫%
🟢 মূল্যস্ফীতি: ৭.৫%
🟢 বাজেট: ৫৫তম (অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট ব্যতীত)
🟢 ঘোষণা: ১১ জুন ২০২৬
🟢 ঘোষক: মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
🟢 বাজেট অনুমোদন: ১১ জুন ২০২৬
🟢 বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই ২০২৫
🟢 এটি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট এবং বিএনপি সরকারের ১৭তম বাজেট।

🎯 এক নজরে বাজেট
🟢 বাজেটের আকার ৯,৩৮,০০০ কোটি টাকা
🟢 পরিচালন ব্যয় ৬,০৫,৭৪০ কোটি টাকা (বাজেটের ৬৬.৩%)
🟢 উন্নয়ন ব্যয় ৩,১৬,০৭৫ কোটি টাকা (বাজেটের ৩৩.৭%)
🟢 রাজস্ব আয় ৬,৯৫,০০০ কোটি টাকা
🟢 জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর ৬,০৪,০০০ কোটি টাকা
🟢 জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বাইরের কর ২৫,০০০ কোটি টাকা
🟢 করবর্হিভূত আয় ৬৬,০০০ কোটি টাকা
🟢 বৈদেশিক ঋণ ১,০৯,৮৫০ কোটি টাকা
🟢 বৈদেশিক অনুদান ৬,১৫০ কোটি টাকা
🟢 ঘাটতি ২,৪৩,০০০ কোটি টাকা
🟢 সামাজিক খাতে বরাদ্দ ১,৪৪,৩৩৮ কোটি টাকা
🟢 সুদ পরিশোধ ১,২৭,৫০০ কোটি টাকা
🟢 বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১.১ বিলিয়ন ডলার
🟢 রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৭.৯%
🟢 আমদানি প্রবৃদ্ধি ১৫.৮%
🟢 মোট GDP ৬৮,৩০,০২৪ কোটি টাকা

শব্দ ও তরঙ্গ বিষয়ক নোট পরবর্তী আপডেট পেতে Job Preparation Journey with ARK এর সাথে থাকুন।
11/07/2026

শব্দ ও তরঙ্গ বিষয়ক নোট
পরবর্তী আপডেট পেতে Job Preparation Journey with ARK এর সাথে থাকুন।

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Job Preparation Journey with ARK posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category