22/05/2026
কোনো ইনসিডেন্ট হয়ে গেলে আমরা ভয় পাবো, আতংকে থাকবো। তখন আপনারা বলবেন, “সাবধানে থাকেন, বাচ্চাকে সাবধানে রাখেন।”
আমরাও রাখি। রাখার চেষ্টা করি প্রতিটা মুহূর্তে।
কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকেই যায়—
এভাবে কেন বাঁচতে হবে আমাদের?
কাউকে বিশ্বাস করার আগে কেন বারবার ভাবতে হবে? ২০-২৫ বছর আগেও, ঠিক আমাদের সময়টাতে যখন আমরা ছোটো ছিলাম, জীবনটা তো এমন ছিল না!
এতো ভয়, অবিশ্বাস, আতঙ্ক তো ছিলো না!
এখন দেশে সচেতনতা বেড়েছে। ধর্মের প্রতি, ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতি মানুষের ঝোঁক বেড়েছে৷ অন্তত আমার তাই মনে হয়। আমরা যখন ছোটো ছিলাম, তখন ধর্মীয় অনুশাসন নিয়ে এতো কলহ-কাঁদা ছোড়াছুড়ি তো হতো না। এখন সবাই কতো বুঝে কতো জানে, অন্তত ২০ বছর আগের মানুষদের তুলনায়। তবুও,
প্রতিবেশীর বাসায় বাচ্চাকে খেলতে পাঠাতে কেন বুক কাঁপবে?
নিজের আপন মানুষ, নিজের আত্মীয়ের কোলে দিতেও কেন দ্বিধা কাজ করবে?
একটা শিশু তার স্কুলেই কেন নিরাপদ বোধ করবে না?
রাস্তায় হাঁটার সময় কেন মাথায় হিসাব চলবে— কোন রাস্তা তুলনামূলক কম বিপদজনক?
পেছনে কেউ আসছে কিনা দেখে বারবার কেন ফিরে তাকাতে হবে?
বাস ভর্তি পুরুষ মানুষ দেখলে কেন আতঙ্ক কাজ করবে?
কোথায় একটু নিরাপদ থাকা যায়, সেই চিন্তা করতেই কেন জীবন শেষ হয়ে যাবে?
এটা কেমন জীবন?
মানুষ হয়ে, মানুষের মাঝেই কেন সবচেয়ে বেশি ভয় নিয়ে বাঁচতে হয়?
আচ্ছা, অপরাধীরা এতো ভয়ডরহীন, মাতাল হয়ে গেলো কেনো? তারা কি বুঝে গেছে তাদের আসলেই কোনো শাস্তি নাই, নাকি অন্তত মৃত্যুর ভয়টুকু তাদের নাই? প্রতিটাদিন একই ঘটনা কিভাবে বারবার ঘটছে। এতো লালসা কিভাবে কিছু মানব আকৃতির ক্রিয়েচারদের তারা করে বেড়াচ্ছে? কিভাবে?