ভূগোল ও পরিবেশ - Geography and Environmental Science World

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ভূগোল ও পরিবেশ - Geography and Environmental Science World

ভূগোল ও পরিবেশ - Geography and Environmental Science World Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ভূগোল ও পরিবেশ - Geography and Environmental Science World, Educational consultant, Dhaka.

🌍 Welcome to ভূগোল ও পরিবেশ - Geography and Environmental Science
📚 Here you will Get:
• Geography & Environment related educational content
• GIS,RS & research tools tutorial
• Academic notes,thesis & dissertation guidelines
• NTRCA, BCS, Job Geography

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায়ের সিলেবাস!  ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের পরীক্ষা পদ্ধতি:(NTRCA)👉চূড়ান্ত ৩টি ধাপ:◾প্রিলি◾লিখিত◾ভ...
01/09/2026

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায়ের সিলেবাস!
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের পরীক্ষা পদ্ধতি:(NTRCA)
👉চূড়ান্ত ৩টি ধাপ:
◾প্রিলি
◾লিখিত
◾ভাইভা

🌍 ভূমিকম্প (Earthquake) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য১. ভূমিকম্পের সংজ্ঞা (Definition)ভূ-পৃষ্ঠের অভ্যন্তরে সঞ্চিত শক্তি হঠাৎ ম...
26/07/2026

🌍 ভূমিকম্প (Earthquake) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

১. ভূমিকম্পের সংজ্ঞা (Definition)

ভূ-পৃষ্ঠের অভ্যন্তরে সঞ্চিত শক্তি হঠাৎ মুক্ত হওয়ার ফলে ভূ-অভ্যন্তরে কম্পন সৃষ্টি হয় এবং সেই কম্পন ভূ-পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়লে তাকে **ভূমিকম্প (Earthquake)** বলে।

সাধারণত ভূত্বকের বিভিন্ন **টেকটোনিক প্লেট (Tectonic Plate)** পরস্পরের দিকে অগ্রসর হওয়া, দূরে সরে যাওয়া বা পাশাপাশি ঘর্ষণের ফলে ভূ-অভ্যন্তরে প্রচুর চাপ সৃষ্টি হয়। এই চাপ কোনো একটি পর্যায়ে শিলাস্তরের সহনশীলতা অতিক্রম করলে শিলাস্তর ভেঙে বা সরে যায় এবং সঞ্চিত শক্তি **সিসমিক তরঙ্গ (Seismic Waves)** হিসেবে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলেই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।

---
২. ভূমিকম্পের প্রকারভেদ (Types of Earthquake)

ভূমিকম্পকে বিভিন্নভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা যায়।

# # # ক) উৎপত্তির কারণ অনুযায়ী

**১. টেকটোনিক ভূমিকম্প (Tectonic Earthquake)**
টেকটোনিক প্লেটের চলাচল, সংঘর্ষ বা ফল্টে (Fault) আকস্মিক স্থানচ্যুতির কারণে যে ভূমিকম্প হয়, তাকে টেকটোনিক ভূমিকম্প বলে। এটি সবচেয়ে সাধারণ এবং শক্তিশালী ধরনের ভূমিকম্প।

**২. আগ্নেয়গিরিজনিত ভূমিকম্প (Volcanic Earthquake)**
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের আগে বা সময় ম্যাগমার চলাচল ও চাপের পরিবর্তনের কারণে যে ভূমিকম্প হয়, তাকে আগ্নেয়গিরিজনিত ভূমিকম্প বলে।

**৩. ধসজনিত ভূমিকম্প (Collapse Earthquake)**
ভূগর্ভস্থ গুহা, খনি বা শিলাস্তর ধসে পড়ার ফলে ছোট মাত্রার যে কম্পন সৃষ্টি হয়, তাকে ধসজনিত ভূমিকম্প বলে।

**৪. মানবসৃষ্ট ভূমিকম্প (Induced Earthquake)**
বড় বাঁধের জলাধার, খননকাজ, ভূগর্ভে তরল প্রবেশ করানো বা কিছু শিল্পকারখানার কার্যক্রমের কারণে ভূ-অভ্যন্তরে চাপের পরিবর্তন হলে যে ভূমিকম্প সৃষ্টি হতে পারে, তাকে মানবসৃষ্ট বা Induced Earthquake বলা হয়।

# # # খ) গভীরতা অনুযায়ী

**১. অগভীর ভূমিকম্প (Shallow Earthquake):** ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার গভীরতার মধ্যে উৎপত্তি হলে।

**২. মধ্যবর্তী ভূমিকম্প (Intermediate Earthquake):** প্রায় ৭০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হলে।

**৩. গভীর ভূমিকম্প (Deep Earthquake):** প্রায় ৩০০ থেকে ৭০০ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হলে।

---

৩. ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলকে বলা হয় **Focus বা Hypocenter**। এটি ভূ-পৃষ্ঠের নিচে অবস্থিত সেই স্থান, যেখান থেকে ভূমিকম্পের শক্তি প্রথম নির্গত হয়।

Focus-এর ঠিক উপরে ভূ-পৃষ্ঠের যে বিন্দুতে ভূমিকম্পের কম্পন তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হয়, তাকে **Epicenter বা উপকেন্দ্র** বলা হয়।

**সহজভাবে:**
🌍 ভূ-অভ্যন্তরের উৎপত্তিস্থল = **Focus/Hypocenter**
🌍 ভূ-পৃষ্ঠের ঠিক উপরের বিন্দু = **Epicenter**

---

৪. ভূমিকম্পের ইতিহাস (History of Earthquakes)

ভূমিকম্প মানবসভ্যতার ইতিহাসে বহুবার ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করেছে। প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন সভ্যতায় ভূমিকম্পের ঘটনা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বিশ্বের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভূমিকম্প হলো:

🔹 **1556 সালের Shaanxi Earthquake, China**
ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্প হিসেবে এটি পরিচিত।

🔹 **1755 সালের Lisbon Earthquake, Portugal**
এই ভূমিকম্পের সঙ্গে সুনামি ও অগ্নিকাণ্ড যুক্ত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

🔹 **1906 সালের San Francisco Earthquake, USA**
শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর অগ্নিকাণ্ডে শহরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।

🔹 **1960 সালের Great Chilean Earthquake, Chile**
এটি আধুনিক যন্ত্রে রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। এর মাত্রা ছিল প্রায় **9.5 Mw**।

🔹 **2004 সালের Indian Ocean Earthquake**
সুমাত্রার কাছে সংঘটিত এই শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে ভয়াবহ সুনামি সৃষ্টি হয় এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বহু দেশে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে।

🔹 **2011 সালের Japan Earthquake**
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সুনামি সৃষ্টি হয়, যা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে এবং Fukushima পারমাণবিক দুর্ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।

---

🇧🇩 ৫. বাংলাদেশে ভূমিকম্প (Earthquake in Bangladesh)

বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে একটি **ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে** অবস্থিত। দেশের অবস্থান ভারতীয় প্লেট, ইউরেশীয় প্লেট এবং মিয়ানমার অঞ্চলের সক্রিয় টেকটোনিক কাঠামোর প্রভাবাধীন হওয়ায় এখানে ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে।

বাংলাদেশের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিশেষভাবে ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। **সিলেট, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম** অঞ্চলের বিভিন্ন অংশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়।

# # # বাংলাদেশের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্প

**🔸 1762 সালের Bengal-Arakan Earthquake**
বাংলা ও আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত এই শক্তিশালী ভূমিকম্প বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রভাব ফেলেছিল বলে ঐতিহাসিক নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

**🔸 1885 সালের Bengal Earthquake**
বাংলাদেশ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য কম্পন সৃষ্টি করেছিল।

**🔸 1897 সালের Great Assam Earthquake**
এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকম্প। এর প্রভাব বর্তমান বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অনুভূত হয়েছিল এবং বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

**🔸 1918 সালের Srimangal Earthquake**
সিলেট অঞ্চলের শ্রীমঙ্গলকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এই ভূমিকম্প বাংলাদেশের জন্য উল্লেখযোগ্য একটি ঐতিহাসিক ভূমিকম্প।

**🔸 1997 সালের Chittagong Earthquake**
চট্টগ্রাম অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য কম্পন অনুভূত হয় এবং কিছু স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।

**🔸 2023 সালের বিভিন্ন ভূমিকম্প**
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে ও আশপাশের অঞ্চলে একাধিক মাঝারি ও ছোট ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যা দেশের ভূমিকম্প ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে সচেতনতা তৈরি করেছে।

---

# # ৬. বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি কেন বেশি?

বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি শুধু ভূমিকম্পের মাত্রার ওপর নির্ভর করে না। বরং কয়েকটি বিষয় ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়:

🏢 অপরিকল্পিত নগরায়ণ
🏢 বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন নির্মাণ
🏢 পুরোনো ও দুর্বল ভবন
🏢 ঘনবসতিপূর্ণ নগর এলাকা
🏢 নরম ও জলসন্তৃপ্ত মাটি
🏢 অপর্যাপ্ত খোলা জায়গা
🏢 জরুরি উদ্ধার ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা
🏢 জনসচেতনতার অভাব

বিশেষ করে **ঢাকা শহরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়** বড় ভূমিকম্প হলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা অনেক বেশি হতে পারে।

---

৭. ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি (Effects)

ভূমিকম্পের ফলে বিভিন্ন ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে:

🔹 ভবন ও সেতু ধসে পড়া
🔹 রাস্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া
🔹 ভূমিধস
🔹 অগ্নিকাণ্ড
🔹 বিদ্যুৎ ও গ্যাস লাইনে দুর্ঘটনা
🔹 সুনামি
🔹 মাটির তরলীকরণ (Soil Liquefaction)
🔹 প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতি
🔹 মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও মানসিক চাপ

---
৮. ভূমিকম্পের মাত্রা কীভাবে পরিমাপ করা হয়?

ভূমিকম্পের শক্তি বা মাত্রা বোঝাতে বর্তমানে **Moment Magnitude Scale (Mw)** ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। অতীতে **Richter Scale** বহুল ব্যবহৃত ছিল।

অন্যদিকে ভূমিকম্পের কারণে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে মানুষ ও স্থাপনার ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়েছে, তা বোঝাতে **Intensity বা তীব্রতা** ব্যবহার করা হয়। এর জন্য **Modified Mercalli Intensity (MMI)** Scale ব্যবহৃত হয়।

**মনে রাখবেন:**
📌 Magnitude = ভূমিকম্পের উৎস থেকে নির্গত শক্তির পরিমাণ
📌 Intensity = নির্দিষ্ট স্থানে ভূমিকম্পের অনুভূত প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা

---

🛡️ ৯. ভূমিকম্পের সময় কী করবেন?

ভূমিকম্প চলাকালীন:

**Drop, Cover, Hold On** অনুসরণ করুন।

⬇️ **Drop:** নিচু হয়ে যান।
🛡️ **Cover:** শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন।
✊ **Hold On:** টেবিল বা আশ্রয়স্থল শক্তভাবে ধরে থাকুন।

এছাড়া:

✅ জানালা ও কাঁচ থেকে দূরে থাকুন
✅ লিফট ব্যবহার করবেন না
✅ বাইরে থাকলে ভবন, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছ থেকে দূরে থাকুন
✅ গাড়িতে থাকলে নিরাপদ স্থানে থামুন
✅ কম্পন থামার পর গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ পরীক্ষা করুন
✅ আফটারশকের (Aftershock) জন্য প্রস্তুত থাকুন

---

🌍 শেষ কথা

ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে **সঠিক পরিকল্পনা, ভূমিকম্প-সহনশীল ভবন নির্মাণ, বিল্ডিং কোড বাস্তবায়ন, জনসচেতনতা এবং দুর্যোগ প্রস্তুতি** গ্রহণের মাধ্যমে এর ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

**বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে, তাই আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়া এবং প্রস্তুত থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।**

📌 **ভূমিকম্পকে থামানো সম্ভব নয়, কিন্তু ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব।**

#ভূমিকম্প #ভূগোল

16/07/2026

Argentina 2-1 England
Argentina Win ���

🔔শেষ সুযোগ-১৯ তম নিবন্ধন📢📣নিবন্ধনে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে প্রস্তুতি- ৩য় ব্যাচ চলমান।প্রস্তুতি পদ্ধতি:√টপিক ধরে পরীক্ষা√পড়া...
16/07/2026

🔔শেষ সুযোগ-১৯ তম নিবন্ধন📢📣
নিবন্ধনে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে প্রস্তুতি- ৩য় ব্যাচ চলমান।

প্রস্তুতি পদ্ধতি:

√টপিক ধরে পরীক্ষা
√পড়ার গাইডলাইন
√রিলেটেড সাপোর্ট

এরপর আর কোন ব্যাচ করবো না, কারণ যেকোন সময় নিবন্ধনের সার্কুলার প্রকাশিত হবে।
ভর্তি হতে ইচ্ছুক হলে জানাবেন।

ভূগোল হলো পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মানবীয় কর্মকাণ্ডের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া এবং স্থানিক বিন্যাসের বৈজ্ঞানিক চর্চা। এর পরি...
01/07/2026

ভূগোল হলো পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মানবীয় কর্মকাণ্ডের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া এবং স্থানিক বিন্যাসের বৈজ্ঞানিক চর্চা। এর পরিধি বিস্তৃত—ভূমি, জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য, অর্থনীতি, সমাজ ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন থেকে শুরু করে পরিবেশ সংরক্ষণ পর্যন্ত। অধ্যয়নের সুবিধার্থে ভূগোলকে প্রধানত দুটি শাখায় ভাগ করা হয়: প্রাকৃতিক ভূগোল এবং মানব ভূগোল। [1, 2, 3, 4]

১. প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical Geography)

পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ, গঠন এবং প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াগুলো নিয়ে এই শাখায় আলোচনা করা হয়। এর প্রধান উপশাখাগুলো হলো: [1, 2]

ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology): পৃথিবীর পৃষ্ঠের ভূমিরূপ এবং তাদের গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা।

জলবায়ুবিদ্যা (Climatology): আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদী ধরন ও জলবায়ু পরিবর্তন।

মৃত্তিকা ভূগোল (Soil Geography): মাটির গঠন, গুণাগুণ এবং বণ্টন।

জলবিজ্ঞান (Hydrology): জলসম্পদ, মহাসাগর এবং ভূগর্ভস্থ পানির গতিশীলতা।

২. মানব ভূগোল (Human Geography)

মানবসৃষ্ট পরিবেশ, মানুষের কার্যকলাপ এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠে এর প্রভাব নিয়ে এই শাখায় আলোচনা করা হয়। এর প্রধান উপশাখাগুলো হলো:

জনসংখ্যা ভূগোল (Population Geography): জনসংখ্যার বণ্টন, ঘনত্ব, এবং স্থানান্তরের ধরন।

অর্থনৈতিক ভূগোল (Economic Geography): সম্পদ, শিল্প, কৃষি, বাণিজ্য এবং বিশ্বায়নের স্থানিক দিক।

নগর ভূগোল (Urban Geography): শহরের বৃদ্ধি, উন্নয়ন এবং নগর পরিকল্পনার অধ্যয়ন। [1, 2, 3, 4, 5]

৩. পরিবেশ ভূগোল (Environmental Geography)

মানবসৃষ্ট ক্রিয়াকলাপের ফলে পরিবেশের পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিয়ে এই শাখায় আলোচনা করা হয়।

৪. ভৌগোলিক কৌশল (Geographical Techniques)

ভৌগোলিক গবেষণায় ব্যবহৃত পদ্ধতি ও প্রযুক্তি এই শাখার অন্তর্ভুক্ত। যেমন:

কার্টোগ্রাফি (Cartography): মানচিত্র তৈরি এবং ব্যাখ্যার কলাকৌশল।

জিআইএস (GIS - Geographic Information Systems): স্থানিক তথ্য বিশ্লেষণ ও মডেলিং।

What is The Full Meaning of GIS?Comment Please ❤️
22/06/2026

What is The Full Meaning of GIS?
Comment Please ❤️

The River system of Bangladesh🌎
20/06/2026

The River system of Bangladesh🌎

11/06/2026

🔥১ নাম্বার কমন 🔥
সমাজসেবার অধীনে বয়স্ক ভাতা চালু হয় কত সালে

১৯৯৫ / ১৯৯৮

🚀 মহাকাশে হাঁটার ইতিহাস : প্রথম পুরুষ ও প্রথম নারী..😲😲😲🌠 মহাকাশে হাঁটা বা স্পেসওয়াক (Extravehicular Activity বা EVA) মা...
25/05/2026

🚀 মহাকাশে হাঁটার ইতিহাস : প্রথম পুরুষ ও প্রথম নারী..😲😲😲

🌠 মহাকাশে হাঁটা বা স্পেসওয়াক (Extravehicular Activity বা EVA) মানব সভ্যতার মহাকাশ অভিযানের এক যুগান্তকারী অধ্যায়। মহাকাশযানের বাইরে বেরিয়ে শূন্য মহাকর্ষে কাজ করাকে স্পেসওয়াক বলা হয়। এই অসাধারণ কৃতিত্ব প্রথম অর্জন করেছিলেন সোভিয়েত মহাকাশচারী Alexei Leonov এবং পরে প্রথম নারী হিসেবে ইতিহাস গড়েন Svetlana Savitskaya।

🌌 মহাকাশে হাঁটা প্রথম মানুষ : আলেক্সি লিওনভ।

👨‍🚀 পরিচয়:- আলেক্সি আর্কিপোভিচ লিওনভ ছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের একজন কিংবদন্তি মহাকাশচারী। তিনি মানব ইতিহাসে প্রথম ব্যক্তি যিনি মহাকাশযানের বাইরে বেরিয়ে মহাশূন্যে মুক্তভাবে ভেসেছিলেন।

📅 ঐতিহাসিক অভিযান:-
▪️তারিখ: ১৮ মার্চ ১৯৬৫
▪️মহাকাশযান: Voskhod 2
▪️দেশ: সোভিয়েত ইউনিয়ন
এই অভিযানের সময় লিওনভ মহাকাশযান থেকে বেরিয়ে প্রায় ১২ মিনিট ৯ সেকেন্ড মহাশূন্যে অবস্থান করেন। এটি ছিল পৃথিবীর বাইরে মানুষের প্রথম স্বাধীন চলাচল।

⚠️ ভয়াবহ বিপদের মুখোমুখি
▪️ স্পেসওয়াক চলাকালীন তাঁর স্পেসস্যুট শূন্যচাপের কারণে অতিরিক্ত ফুলে ওঠে। ফলে তিনি মহাকাশযানের এয়ারলকের ভেতরে ঢুকতে পারছিলেন না। পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক হয়ে ওঠে যে, অক্সিজেন শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
এই অবস্থায় লিওনভ নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্যুটের চাপ কমিয়ে দেন। এতে শরীরের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা ছিল, তবুও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে এয়ারলকে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।

🌍 তাঁর অবদানের গুরুত্ব
▪️ আলেক্সি লিওনভের এই সফল স্পেসওয়াক প্রমাণ করে যে মানুষ মহাশূন্যে বেরিয়ে কাজ করতে সক্ষম। ভবিষ্যতে মহাকাশ স্টেশন নির্মাণ, উপগ্রহ মেরামত এবং চাঁদ-মঙ্গল অভিযানের পথ তাঁর এই সাফল্যের মাধ্যমেই উন্মুক্ত হয়।

👩‍🚀 মহাকাশে হাঁটা প্রথম নারী : স্বেতলানা সাভিৎস্কায়া।

👩 পরিচয়:- স্বেতলানা ইয়েভগেনিয়েভনা সাভিৎস্কায়া ছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিখ্যাত নভোচারী এবং বিশ্বের প্রথম নারী যিনি মহাকাশে হাঁটার কৃতিত্ব অর্জন করেন।

📅 ঐতিহাসিক স্পেসওয়াক
▪️তারিখ: ২৫ জুলাই ১৯৮৪
▪️মহাকাশ স্টেশন: Salyut 7
▪️সময়কাল: প্রায় ৩ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট
তিনি মহাকাশ স্টেশনের বাইরে বেরিয়ে সফলভাবে EVA সম্পন্ন করেন এবং ইতিহাসে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখেন।

🔧 বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা:-
এই স্পেসওয়াকের সময় তিনি সহকর্মী ভ্লাদিমির জান

🌍 বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে ১০টি সংক্ষিপ্ত তথ্য1️⃣ পৃথিবীকে ঘিরে থাকা গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলা হয়।2️⃣ বায়ুমণ্ডলে প্রায় ৭৮% ...
18/05/2026

🌍 বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে ১০টি সংক্ষিপ্ত তথ্য

1️⃣ পৃথিবীকে ঘিরে থাকা গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলা হয়।

2️⃣ বায়ুমণ্ডলে প্রায় ৭৮% নাইট্রোজেন, ২১% অক্সিজেন এবং সামান্য অন্যান্য গ্যাস রয়েছে।

3️⃣ বায়ুমণ্ডল সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে।

4️⃣ আবহাওয়া ও জলবায়ুর সকল পরিবর্তন বায়ুমণ্ডলের মধ্যেই ঘটে।

5️⃣ বায়ুমণ্ডলের প্রধান ৫টি স্তর হলো: ট্রপোস্ফিয়ার, স্ট্রাটোস্ফিয়ার, মেসোস্ফিয়ার, থার্মোস্ফিয়ার ও এক্সোস্ফিয়ার।

6️⃣ ট্রপোস্ফিয়ার স্তরে মেঘ, বৃষ্টি, ঝড়সহ সব ধরনের আবহাওয়া সৃষ্টি হয়।

7️⃣ স্ট্রাটোস্ফিয়ারে ওজোন স্তর অবস্থান করে, যা ক্ষতিকর UV রশ্মি শোষণ করে।

8️⃣ উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে সাধারণত বায়ুর চাপ ও ঘনত্ব কমে যায়।

9️⃣ বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

🔟 বায়ুদূষণ বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।

📚 #বায়ুমণ্ডল

Address

Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভূগোল ও পরিবেশ - Geography and Environmental Science World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share