MNF Foundation

MNF Foundation

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MNF Foundation, Education, (Head Office) Boro Vat Mosjid, Lalbagh Road, .

Mawlana Nuruddin Fatehpuri (rh) Foundation (MNF) একটি শিক্ষা, গবেষণা ও সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান। জ্ঞানচর্চা, মৌলিক গবেষণা, প্রকাশনা, শিক্ষাবৃত্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রমই যার লক্ষ্য।

18/07/2026

আরবী ভাষায় আবুল ফজল ফয়জী 'তাফসিরে ছাওয়াতিউল ইলহাম' বা তাফসিরে বে-নেকাত বিন্দুবিহীন রচনা করেছেন এবং উর্দু ভাষায় করাচীর মাওলানা ওয়ালী রাজি কর্তৃক লিখিত রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনী 'হাদিয়ে আলাম' গ্রন্থটিও নোক্তাবিহীন জীবনীগ্রন্থ। আশ্চর্যের ব্যাপার যে, আরবী ২৯টা অক্ষরের মধ্যে ১৫টি অক্ষরই নোক্তা বা বিন্দুযুক্ত। উর্দুতে ৩৬টি অক্ষর থেকে ১৮টি অক্ষরই বিন্দুযুক্ত। আরবী বর্ণমালা থেকে ১৫টি অক্ষর বাদ দিয়ে মাত্র ১৪টি অক্ষর দ্বারা এবং উর্দুতে ৩৬টি অক্ষর থেকে মাত্র ১৮টি অক্ষর দ্বারা বিশাল তাফসির ও জীবনীগ্রন্থ তাঁরা রচনা করতে পেরেছেন অথচ বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে ৪৮টি অক্ষর, তার মধ্যে মাত্র চারটি অক্ষর হল বিন্দুযুক্ত। তবুও এই চারটি অক্ষর বাদ দিয়ে বাকি ৪৪টি অক্ষর দ্বারা গ্রন্থ রচনা আজ পর্যন্ত কেউ করেছে বলে জানা যায়নি।

ঠিক এই শূন্য জায়গাটিতেই কলম ধরেছেন বিশিষ্ট আলেম, গবেষক মাওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরী। হযরত আদম আলাইহিস সালাম থেকে নিয়ে পাকিস্তান হওয়ার আগ পর্যন্ত ইতিহাস তিনি সংগ্রহ করেছেন এবং রচনা করেছেন কোন প্রকার বিন্দুযুক্ত অক্ষর ছাড়াই। অর্থাৎ 'র' 'য়' 'ড়' 'ঢ়' এই চারটি বিন্দুযুক্ত অক্ষর বাদ দিয়ে বাকি ৪৪টি অক্ষর দিয়ে তিনি ৩২ পৃষ্ঠার সংক্ষিপ্ত একটি পুস্তিকা রচনা করেছেন। ইতিহাসগুলো তিনি সংগ্রহ করেছেন 'তারিখে ফেরেশতা', স্যার সৈয়দের 'আসারু স্বানাদীদ', আবুল ফজল ফয়জীর 'আইনে আকবরী'। তাওয়ারিখে হিন্দ, তাওয়ারীখে বাঙালা ইত্যাদি গ্রন্থ থেকেও তিনি সাহায্য নিয়েছেন। পাকিস্তান ও পরবর্তী সময়ের তথ্য বিভিন্ন বই-পুস্তক, ইতিহাস ও সংবাদপত্র থেকে এবং স্বাধীনতা ও তার পরবর্তী ইতিহাস তিনি নিজের স্মৃতিচারণ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি সংবাদপত্র থেকেও তথ্য সংগ্রহ করেছেন। উক্ত বইয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং তার পরবর্তী সময়ের অনেক দুর্লভ তথ্যও বইটিতে তিনি উল্লেখ করেছেন।

বইটিতে বিন্দুযুক্ত অক্ষর এড়াতে গিয়ে যদিও কিছু কৃত্রিমতার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। তবুও সংক্ষিপ্ত ইতিহাস হিসেবে পাঠকের জন্য সুখপাঠ্য হবে বলেই আশা করি।

বইটির নাম 'বাংগালী ও বাংলাদেশ'।
বশির মেসবাহর প্রচ্ছদে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছে অক্টোবর ১৯৯৫ সালে।

16/07/2026

মাওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরি রহঃ কে নিয়ে আলোকিত জ্ঞানী অনুষ্ঠানের স্মৃতিচারণ।

15/07/2026

বই: বিন্দু-বিহীন বর্ণে মহানবী

লেখক: মাওলানা নূরুদ্দীন ফতেহপুরী (রহ.)
প্রকাশনী: আল মাহমুদ প্রকাশন

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনালেখ্য প্রতিটি মুমিনের হৃদয়ের এক চিরন্তন আগ্রহের বিষয়। যুগে যুগে অসংখ্য লেখক তাঁর পবিত্র জীবনকে কলমবন্দি করেছেন, আর পাঠক সেই সিরাত পাঠ করে নিজের জীবনকে সুন্নাহর আলোয় আলোকিত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সেই চিরচেনা সিরাত যদি একেবারেই ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়, তবে কেমন হয়?

এই অভিনব প্রয়াসই দেখা যায় প্রখ্যাত আলেম, গবেষক ও সাহিত্যিক মাওলানা নূরুদ্দীন ফতেহপুরী (রহ.)-এর রচিত ‘বিন্দু-বিহীন বর্ণে মহানবী’ গ্রন্থে। বাংলা সাহিত্যে এটি এক অনন্য ভাষাশৈলীর নিদর্শন। লেখক এমন সব বর্ণ ব্যবহার করে পুরো বইটি রচনা করেছেন, যেখানে বিন্দুযুক্ত অক্ষর পরিহার করা হয়েছে। এই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনকে সাবলীল ও অর্থবহভাবে তুলে ধরেছেন—যা নিঃসন্দেহে তাঁর ভাষাদক্ষতা ও সাহিত্যিক কৃতিত্বের পরিচায়ক।

মাত্র ১১২ পৃষ্ঠার এই সংক্ষিপ্ত গ্রন্থে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জন্ম থেকে ওফাত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নির্ভরযোগ্য সিরাতগ্রন্থের আলোকে সংকলিত হয়েছে। সংক্ষিপ্ত হলেও বিষয়বস্তুর ধারাবাহিকতা ও প্রয়োজনীয়তা বজায় রাখা হয়েছে।

বিন্দুবিহীন ভাষা রক্ষার কারণে লেখক অনেক ক্ষেত্রে প্রতিশব্দ ব্যবহার করেছেন এবং কোথাও কোথাও সাধুভাষার আশ্রয় নিয়েছেন। যেমন, ‘তোমাদেরকে’-এর পরিবর্তে ‘তোমাদিগকে’ এবং ‘গাজওয়া’-এর পরিবর্তে ‘গাজওআ’ লিখেছেন। তাই বইটি পড়ার আগে লেখক ও প্রকাশকের নিবেদন পড়ে নিলে এসব ভাষাগত বৈশিষ্ট্য সহজেই বুঝা যাবে।

সব মিলিয়ে, ‘বিন্দু-বিহীন বর্ণে মহানবী’ শুধু একটি সিরাতগ্রন্থ নয়; এটি বাংলা ভাষায় এক অভিনব সাহিত্যিক প্রয়াস। যারা ভিন্নধর্মী রচনাশৈলী উপভোগ করেন এবং একই সঙ্গে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত অথচ নির্ভরযোগ্য ধারণা অর্জন করতে চান, তাদের জন্য বইটি নিঃসন্দেহে একটি চমৎকার সংযোজন।

14/07/2026

মাওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরি রহঃ এর কোন কর্ম এবং অবদান সম্পর্কে আপনি জানেন? কমেন্টে লিখুন...

Photos from MNF Foundation's post 13/07/2026

কে ছিলেন এই মহান মনিষী?

বাংলাদেশের প্রাচীন শিলালিপি চর্চার ক্ষেত্রে মওলানা মুহাম্মদ নুরুদ্দীন ফতেহ্পুরী এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। আরবী, ফারসি ও উর্দু ভাষায় সুপণ্ডিত মওলানা ফতেহ্পুরী তরুণ বয়সে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষত বৃহত্তর ঢাকা জেলার মসজিদ, মাযার, কাটরাসহ বিভিন্ন প্রাচীন স্থাপত্যের শিলালিপির পাঠ সংগ্রহ শুরু করেন। সরজমিনে শিলালিপির পাঠ সংগ্রহের ঘটনা বাংলাদেশে ইতিহাস চর্চায় এটিই প্রথম।
মওলানা ফতেহ্পুরী প্রায় ৪০ বছর বড় কাটরা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। পুরান ঢাকার মুঘল আমলের একটি মসজিদে খতিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘকাল। সৃজনশীল লেখালেখি ও অনুবাদ করেছেন বিভিন্ন সময়ে। তবে তাঁর প্রিয় বিষয় ইতিহাস, বিশেষত শিলালিপি চর্চা। দীর্ঘ জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি মগ্ন থেকেছেন আরবী, ফারসি ও উর্দু শিলালিপি পাঠোদ্ধার, উচ্চারণ ও অনুবাদের কাজে।
ঢাকার স্থাপত্য বিষয়ক গ্রন্থ প্রণয়ন কমিটির ঢাকার প্রাচীন শিলালিপি বিষয়ক গ্রন্থ প্রণয়নের কাজে মওলানা ফতেহ্পুরী ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে আত্মনিয়োগ করেন। কমিটির প্রকাশিতব্য গ্রন্থে সর্বাধিক শিলালিপি পাঠোদ্ধার ও অনুবাদ করেছেন মওলানা ফতেহ্পুরী। কমিটির অনুবাদক ও সম্পাদক মওলানা ফতেহ্পুরী বছরের পর বছর দিনে-রাতে শ্রম দিচ্ছেন শিলালিপির পাঠোদ্ধার, উচ্চারণ ও অনুবাদের কাজে। সম্পাদনার কাজে সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার ডান হস্তে পরিণত হন মওলানা ফতেহ্পুরী। সম্পাদকমণ্ডলীর সভা, কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানসহ কমিটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে মওলানা ফতেহ্পুরীর প্রাণবন্ত উপস্থিতি থাকে নির্ধারিত সময়ের আগে।

আলোকচিত্র : সৈয়দ জাকির হোসেন, জিয়া ইসলাম, শেখ হাসান, জয়ীতা রায়, ফায়হাম ইবনে শরীফ ও অপূর্ব হাসান

লেখা সংগ্রহ : Architecture in Dhaka

বিস্তারিত জানতে ডেইলি স্টারের কলামটি পড়ুন। লিংক কমেন্টে দেওয়া হলো

Photos from MNF Foundation's post 31/12/2025

ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল (রহ.) একবার জুলুমের শিকার হয়ে বলেছিলেন, "আমাদের এবং তাদের মধ্যে পার্থক্য প্রকাশ পাবে আমাদের জানাজার দিন।"

সংসদ ভবন, মানিক মিয়া, থেকে শুরু করে কাওরান বাজার, বিজয় স্মরনী, আগারগাঁও, ধানমন্ডি এলাকা সহ পুরো ঢাকা শহর আজ বেগম জিয়ার জানাজায় শামিল হয়েছে। এরপর গায়েবানা জানাজা হবে সারাদেশে।

বিদায় দেশরত্ন!

29/12/2025

বরেণ্য আলেমে দ্বীন, বিখ্যাত ওয়ায়েজ আল্লামা নজরুল ইসলাম কাসেমি সাহেব মাহফিলে আলোচনারত স্ট্রোক করেছেন। বর্তমানে পিজি হসপিটালে সিসিউতে আছেন।

সকলের নিকট বিশেষভাবে দোয়ার মোহতাজ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ওনাকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন। আমীন।

Want your school to be the top-listed School/college?

Website