04/03/2026
With Unique Teaching Method – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
মানবিক মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা
04/03/2026
With Unique Teaching Method – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
28/01/2026
With Tapasi Das – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
20/01/2026
দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মাদকের নাম জানেন? কেবল শ্রেষ্ঠই নয়,নিরাপদও। জানেন না! এই রহস্যময় বডি ও মাইন্ড ফ্রেন্ডলি মাদকের নাম হলো বই।
বিখ্যত রাইটার ফ্রানৎস কাফকা বলেছিলেন, বই হলো মাদক দ্রব্য।"
অন্য নেশা মানুষকে ধ্বংস করে, কিন্তু বইয়ের নেশা মানুষকে চিন্তা, মনন ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ মানবিক মানুষে পরিণত করে। এবার বলুনতো কারা কারা এই নেশায় আসক্ত? আপনার প্রিয় বইয়ের নাম কমেন্টে লিখে যান।
19/01/2026
চেতনার আড্ডা একটি শিক্ষামূলক এবং সামাজিক চেতনা বিকাশে প্রচারমুলক পেজ। পেজটিতে ফলো দিয়ে পাশে থাকুন।
17/01/2026
With Ripon Mia – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
05/01/2026
ঋণজালের দিনলিপি-২
জননী: আমার নিঃশব্দ মহাবিশ্ব
ছ’মাস হলো ‘মা’ পরপারে চলে গেছেন। মরণব্যাধি ক্যান্সার কেড়ে নিয়েছে মায়ের মমতা। আজও প্রতিটি ভোরে যখন চোখ মেলি, মনে হয় ঘরময় সেই ঘাম আর বাসি ভাতের চিরচেনা গন্ধটা লেগে আছে। লোকে বলে বাবা নাকি বটগাছ, কিন্তু আমার ধূসর মরুভূমির মতো জীবনে ‘মা’ ছিলেন নীল আকাশ আর শ্রাবণের মেঘ। স্নেহ কিংবা শাসন কেমন-তা বোঝার আগেই পিতৃহীন হয়েছিলাম। দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান হওয়ায় পৈতৃক ভিটায় জায়গা হয়নি; ঠাঁই মিলেছিল নানা বাড়ির অবহেলা আর বঞ্চনার ঘেরাটোপে।
আমার শৈশব ছিল বঞ্চনার এক দীর্ঘ মিছিল। বন্ধুরা যখন নতুন জামা পরে স্কুলে আসত, আমি তখন মায়ের তালি দেওয়া পুরনো শার্টের ভেতরে নিজেকে লুকিয়ে রাখতাম। ছেঁড়া ব্যাগের চেইনটা আটকে রাখতে রাখতে আঙুল ব্যথা হয়ে যেত। মাঝে মাঝে খাতা কেনার পয়সা চাইতাম, কিন্তু মায়ের আঁচলের সেই পরিচিত খুচরো পয়সার ঝনঝনানি যখন স্তব্ধ থাকত, তখন বুঝতাম অভাব আজ ঘরের দরজায় দাঁত বের করে হাসছে।
কিন্তু মা! তিনি ছিলেন এক অনন্য জাদুকর। নিজের পেটে ক্ষুধার হাহাকার পুষে রেখে যখন আমাকে খাইয়ে দিতেন, তখন তাঁর শুকনো ঠোঁটের কোণে যে হাসিটা ফুটে উঠত, আমার মনে হতো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ তৃপ্তি বুঝি ওইটুকুতেই।
মা কোনোদিন স্কুলের বারান্দায় পা রাখেননি, কিন্তু জীবনের কঠিন সব সংকটে তিনি যখন বলতেন,“চিন্তা করিস না রে পাগল, সব ঠিক হয়ে যাবে”, তখন মনে হতো মহাবিশ্বের সমস্ত লাইব্রেরির জ্ঞান ওই একটা বাক্যেই লুকানো আছে।
বগুড়া, রাজশাহী কিংবা ঢাকার মেসে যখন অনাহারে রাত কেটেছে, তখন মায়ের সেই নির্ভীক কণ্ঠস্বর আমাকে ধ্রুবতারার মতো পথ দেখাত। আমি রাজনীতি করতাম বলে অনেকে বাঁকা চোখে তাকাত, কিন্তু মা ছিলেন আমার সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস। বুক ফুলিয়ে মানুষের কাছে বলতেন, “আমার ছেলে তো নিজের জন্য না, দশের জন্য লড়ে।” মায়ের এই এক চিলতে বিশ্বাসই ছিল আমার রাজনৈতিক জীবনের শিরদাঁড়া।
আমার মা শিক্ষিত ছিলেন না ঠিকই, কিন্তু তিনি ছিলেন আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠতম অধ্যাপক। কোনো কিতাব ছাড়াই তিনি আমাকে শিখিয়েছিলেন ‘মানুষ’ হওয়ার পাঠ। আজ জীবনের সফলতার স্বর্ণশিখরে দাঁড়িয়ে কেবল একটি আক্ষেপই বুকের পাঁজরে বিঁধে থাকে-মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে কোনোদিন বলতে পারিনি, “মা, তোমাকে বড্ড ভালোবাসি।”
মায়ের গায়ের ঘামের গন্ধ আর চোখের জলের ঋণ শোধ করার মতো কোনো মুদ্রা আজও এই ধরণীতে আবিষ্কৃত হয়নি। মা নেই, কিন্তু আমার প্রতিটি সৎ পদক্ষেপে তিনি বেঁচে আছেন। ‘মা’ তোমায় বিনম্র শ্রদ্ধা।
(চলবে। আগামী পর্বে আমার জীবন লড়াইয়ের পাশে থাকা অন্য কারো কাহিনী নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে।)
#ঋণজালের_দিনলিপি #ঋণমুক্তি #সচেতনত #জীবনযুদ্ধ
#বাস্তবতা #আমার_গল্প #ঘুরে_দাঁড়ানোর_লড়াই
#বেঁচে_থাকার_লড়াই #নিঃসঙ্গ_লড়াই
#চলনবিল #মানবিকতা_বেঁচে_থাকুক #মানুষের_গল্প
04/01/2026
ঋণজালের দিনলিপি-সূচনা পর্ব
জীবন কি কেবলই একা পথচলা? আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে প্রশ্ন করি। আমার অতীত বলছে, জীবন লড়াইয়ের এই দীর্ঘ পথে আমি একা হাঁটিনি। আমার প্রতিটি নিশ্বাস, ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতিটি গল্পে মিশে আছে কিছু নিঃস্বার্থ মানুষের ছায়া।
শৈশব থেকে আজকের এই মধ্যবয়সী আঙিনা-জীবন লড়াইয়ের বাঁকে বাঁকে আমি যখনই ক্লান্ত হয়ে থমকে গিয়েছি, কঠিন বাধা বুকে জমাট বেঁছে-তখনই কেউ না কেউ হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। কেউ হয়তো তপ্ত রোদে ছাতা হয়ে দাঁড়িয়েছে, কেউ বা নিছক এক চিলতে ভরসার হাসি দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে সাহসের মশাল।
আমার চেতনার স্বচ্ছতা আমায় প্রশ্ন করে-
"যাদের হাত ধরে এই খাড়া পাহাড়টা বাওয়া সহজ হলো, তাদের নামগুলো কি কেবল স্মৃতির সিন্দুকেই বন্দি থাকবে?"
‘না’, তা হয় না।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করলে বোধহয় মানুষ হিসেবে পূর্ণতা আসে না।
আমি জানি, এই ঋণ শোধ করার সাধ্য আমার নেই। কিছু ঋ শোধ করাও যায় না, আজীবন তা সযত্নে হৃদয়ে লালন করতে হয়।
তাই মূল্যবোধের তাগিদে কলম ধরা।
সামাজিক মাধ্যমের এই দেয়ালে আমি একে একে লিখে যাব সেই মানুষগুলোর কথা, যারা আমার জীবন লড়াইয়ের দিনে নেপথ্যের কারিগর ছিলেন। আমার সাফল্যে যারা তৃপ্তির হাসি হেসেছেন, আর ব্যর্থতায় যারা হাত ছাড়েন নি।
এটি কেবল কোনো স্মৃতিচারণ নয়, বরং আমার সত্তার গভীরে থাকা সেই মানুষগুলোর প্রতি এক পরম কৃতজ্ঞতাঞ্জলি।
আপনারা যারা আমার জীবন লড়াইয়ের বাঁকে বাঁকে আশীর্বাদ হয়ে এসেছিলেন, এই শব্দগুলো আপনাদের চরণে আমার সশ্রদ্ধ নিবেদন।
আসছে ধারাবাহিকভাবে...
#আমারকথা #গল্প #উপন্যাস #লেখক #দিনলিপি #মানবতা
24/11/2025
দিনের আলো নিভে গেছে। গলির রাস্তায় ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আভা। যাত্রীর অপেক্ষায় থেমে থাকা রিক্সার লাল-সবুজ বাতি। মাঝে মাঝে ফেরিওয়ালার সওদা বিক্রির বিদায় চিৎকার। আলো-অন্ধকারের খেলায় জীবন লড়াইয়ে ক্লান্ত মানুষ ছুটছে শান্তির নীড়ে। ‘মানুষ’ শব্দটা মনে পড়তেই শিহাবের বুকে একটা ধাক্কা মারে। আমরা কী আসলেই মানুষ! নাকি জীববিজ্ঞানের ভাষায় প্রাণী জগতের একটি সত্তা; যারা শিক্ষা, সংস্কৃতি, সভ্যতা ও অনুশীলনের মাধ্যমে মানুষে পরিণত হয়।
হাতে সিগারেট, টি-টেবিলে রাখা লাল চা’য়ের ধোঁয়ায় এমন কঠিন প্রশ্নের উত্তরে শিহাবের মনে পড়ে ত্রিশ বছর আগে স্কুল জীবনের শিক্ষক হাকিম স্যারের সেই কণ্ঠস্বর: “আমরা সবাই মানুষ, কিন্তু মানুষের ভীড়ে মানবিক মানুষ পাওয়া বড়ই দুষ্কর।” ‘মানুষ!’ ‘মানবিক মানুষ!’-ক্লান্ত শিহাবের কানে বার বার প্রতিধ্বনিত হতে থাকে। বিকালে অফিস থেকে বাসায় ফিরতে পুরান ঢাকায় মানুষ হয়ে মানুষকে পাথর দিয়ে থেঁতলিয়ে হত্যার যে দৃশ্য শিহাব দেখেছে তা ভুলতে পারছে না এক মূহুর্তের জন্য। এখনো কানে ভেসে আসছে নীরব দাঁড়িয়ে থাকা সেই সব পথচারীর দীর্ঘশ্বাসে উচ্চারণ “ওরা মানুষ নয়, অমানুষ!” উহ! আর পারছি না-হাহাকারের নিঃশ্বাস ছেড়ে শিহাবে বুকফাটা চিৎকার,“মানুষ, অমানুষ, মানবিক মানুষ!” জীবন লড়াইয়ের কঠিন প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত এই নগরীর কোথায় গেলে উত্তর মিলবে?
বাজারের খাদ্যে বিষ, দুধে ভেজাল, সবজি, মাছ ও ফলে ফরমালিন, ওজনে কারচুপি। অফিসে নোট ছাড়া কর্তাবাবুর ফাইল নড়ে না। ছোট্ট শিশুর হাতে বইয়ের বদলে হাতুড়ি। কারো কারো হাতে তাও নেই, আছে পলিথিন আটার নিঃশ্বাস! চার দেয়ালে বন্দি অসহায় নারীর আর্তনাদ! রাস্তায় নারী হত্যা, ধর্ষণ, লাঞ্চনা। শিক্ষালয়ে শিক্ষার্থীর কাছে অসহায় শিক্ষক! উদ্বিঘ্ন অভিভাবক!-এ এক বিশাল আঁধারের সমুদ্র। আবার এই আধাঁরের ভিড়েই তো দুরন্ত যুবকের দল নিঃস্বার্থভাবে রক্ত দেয়। শীত-বন্যায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়। রাস্তার মিছিলে, সেমিনার-সিম্পুজিয়ামে মানবতার জয়গান গায় রাজনৈতিক নেতা ও সামাজ বদলের কর্মীরা। তাহলে কারা মানুষ কিংবা মানবিক মানুষ আর কারা মানুষের খোলষে অমানুষ?- মাথার ভেতরে এক তীব্র ঝিমঝিম শব্দ। ডান হাতে ধরা সিগারেটটা পুড়তে পুড়তে কখন যেন আঙ্গুল ছুঁয়েছে, তার তাপও টের পায়নি শিহাব। ছাই হয়ে যাওয়া সিগারেট, আর ছাই হয়ে আসা চিন্তা-দুইয়ের ভারে তার মস্তিষ্ক যেন স্তব্ধ।
"না" শিহাবের ঠোঁট নড়ে ওঠে। "মানবিক মানুষ খুঁজে নিতে হয়। এই ভিড়ের মধ্যেই আছে। শিহাব চেয়ার ছেড়ে ওঠে। দাঁড়ায় ব্যালকনির রেলিং ধরে। শহরের আলো তখনো জেগে। “আমাকে জানতেই হবে। এই মানুষের সমুদ্রে কারা মানবিক মানুষ?”
‘মানবিক মানুষ’ উপন্যাসের যাত্রা শুরু
সুচনা অধ্যায়: নীরব জিজ্ঞাসা
30/03/2025
সকলকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা
22/04/2024
05/02/2024
শিক্ষকের আত্মকথা ( কেবল কবিতা নয়, এ আমার আত্মউপলব্ধি) মানুষ গড়ার মহান করিগর সকল শিক্ষকমণ্ডলীকে আমার শতকোটি সালাম।