Celebrating my 8th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
বগুড়া’র দই
বগুড়া'র দই বগুড়া তথা এ উপমহাদেশের মানুষের কৃষ্টি কালচার এর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত কয়েক দশক ধরে।
06/05/2025
প্রকৃতি এভাবেই লুট হয়।
05/05/2025
04/05/2025
উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।
21/04/2025
জুতা পরিষ্কার করা একটা দেশের অর্থনীতি ঘুরিয়ে দিতে পারে।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন তবুও তাদের হম্বিতম্বি খুব একটা নেই, অথচ আমেরিকা আজও তাদের নিয়ে চিন্তিত!
চীনের প্রায় প্রতিটা পরিবারে একটা ছোট কারখানা, একটা সেলস ইউনিট।
তারা যেমন দক্ষ প্রোডাক্ট তৈরিতে, তেমনি ভয়ানক স্কিলড মার্কেটিং ও সেলস-এও!
📌 এই দানবীয় দক্ষতার মূল উৎস কী জানেন?
→ চীনের শিক্ষা ব্যবস্থা।
চীনের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একটা বাধ্যতামূলক কোর্স আছে – প্রোডাক্ট সেলিং এক্সারসাইজ। এটা শুধু কোর্স না, এটা জীবন শেখার চর্চা।
কেউ জুতা পালিশ করছে, কেউ গান গেয়ে লোক আকর্ষণ করছে, কেউ চকলেট বা পানি ফ্রি দিচ্ছে, কেউ চোখ বেঁধে "বিশ্বাস" ক্যাম্পেইন করছে, সবচাইতে বড় শিক্ষা "সেল করো!"
সেলসের গুরুদের মতে, সেলস করতে হলে চামড়া মোটা করতে হয়, অনেক মোটা.. ভাল সেলসম্যান দের পাতলা চামড়া তার অযোগ্যতা।
হ্যাঁ, অনেকে তুচ্ছ ভাবছে তাকে, অথচ সে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, নিজের প্রজেক্টের অংশ হিসেবে মাঠে নেমেছে।
তাদের শিক্ষা:
নিজে পণ্য ঠিক করো → নিজের মত করে সেল করো → রিজেক্ট হও → আবার দাঁড়াও → শিখে ফেলো।
কারণ, একবার প্রোডাক্ট বিক্রি করতে মেক্সিমাম টাইম ১৩–১৫ বার “না” শুনতে হতে পারে..! প্রশ্ন হলো – ১৬তম বার কে দাঁড়িয়ে থাকে?
এই শিক্ষা থেকেই চীন দাঁড়িয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে।
কারণ, যে সেলস জানে, সে ঠেকে থাকে না।
সেলস মানে শুধু বিক্রি না,
সেলস মানে প্রেজেন্টেশন করতে জানা।
সেলস মানে পাব্লিক স্পিকিং করতে জানা।
সেলস মানে কমিউনিকেশন স্কিল জানা।
সেলস মানে ❝রিজেকশন❞ মেনে নেওয়ার শিক্ষা।
আরেকট শক দেই, পড়েন:
★ বাংলাদেশে বছরে স্টার্টআপ হয়: মাত্র ২,৫০০টি
★ আমেরিকায় প্রতি বছর: ৫ লাখ+
★ চীনে প্রতি বছর: ৬৫ লাখ+ (টাইপিং ভুল না! এটা সত্যিই ৬৫ লাখ!)
এটাই সেলস এর ক্ষমতা।
17/04/2025
লন্ড্রি থেকে শার্ট আনার পর এই অবস্থা।
বগুড়ায় শীলা বৃষ্টি।
26/03/2025
দীর্ঘ ১ বছর অপেক্ষার পর এমন সংবাদ। জাতি আজ ভারাক্রান্ত।
19/02/2025
আপনার ভাগে আর একটা আছে।
12/02/2025
দীর্ঘ অপেক্ষার পর আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে নতুন নির্মিত যমুনা রেল সেতুতে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে। এরই মধ্য দিয়ে আজ থেকেই যমুনা বহুমুখী সেতুতে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যমুনা রেল সেতু প্রকল্পের পরিচালক আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুরর রহমান।
প্রকল্প পরিচালক বলেন, বুধবার সকাল থেকে নতুন তৈরি যমুনা রেল সেতুতে নিয়মিত ট্রেন চলবে। রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি প্রথম পাড়ি দেবে যমুনা বহুমুখী সেতু থেকে উত্তর পাশে অবস্থিত নতুন এই সেতু দিয়ে। বুধবার সকাল ৭টায় সিল্কসিটি ট্রেন ছেড়ে আসবে, ১০টার দিকে ট্রেনটি সেতু অতিক্রম করবে। পর্যায়ক্রমে সিডিউল অনুযায়ী বাকি ট্রেনগুলো যাবে।
তিনি জানান, ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যমুনা রেল সেতুতে দুটি লাইন থাকলেও প্রথমে একটি লাইন দিয়েই উভয় দিকে ট্রেন চলাচল করবে। ঢাকা থেকে যেতে ডান পাশের লাইন, অর্থাৎ সেতুর উত্তর পাশের লাইনটি দিয়ে ট্রেন চলবে। আপাতত একটি লাইনে উভয়দিকে ট্রেন চলবে। তবে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। যোগাযোগ উপদেষ্টাসহ কর্মকর্তারা ওই অনুষ্ঠানে থাকবেন। ওই দিন থেকে দুই লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
রেল সেতু প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২০ সালের আগস্টে যমুনা নদীর ওপর সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। পরে এ ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এরমধ্যে ১২ হাজার ১৪৯ কোটি ২ লাখ টাকা ঋণ দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর করা হয়। এর আগে ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রকল্পটির অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। সেতুটির ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই জয়েন্ট ভেঞ্চার।
যমুনা নদীর ওপর অবস্থিত যমুনা বহুমুখীসেতুটি ১৯৯৮ সালে চালু হয়। এতে ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল ও সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়। তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় কমিয়ে দেওয়া হয় ট্রেনের গতিসীমা। ফলে দুর্ভোগে পড়তে হয় ট্রেন যাত্রীদের৷ এই দুর্ভোগ এড়াতে সেতুটির ৩০০ মিটার অদূরে নির্মাণ করা হয়েছে দেশের দীর্ঘতম যমুনা রেল সেতু।
যমুনা বহুমুখী সেতুর বিষয়ে জানা যায়, ১৯৪৯ সালে জননেতা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রথম রাজনৈতিক পর্যায়ে যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি উত্থাপন করেন। পরবর্তী ১৯৯৪ সালের ১০ এপ্রিল সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়। ১৯৯৪ সালের ১৫ অক্টোবর প্রকল্পের ভৌত নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন শুরু হয় এবং গ্যাস সঞ্চালন লাইন ব্যতীত সব কাজ ১৯৯৮ সালের জুনের মধ্যে শেষ হয়। ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন সেতুটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.