Parenting with Aleya

Parenting with Aleya

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Parenting with Aleya, Education, Dhanmondi, Dhaka.

এটি একটি পেশাদার প্ল্যাটফর্ম, যেখানে শিশু লালন-পালন, মানসিক বিকাশ, আচরণগত গাইডলাইন এবং প্যারেন্টিং দক্ষতা উন্নয়নে বিজ্ঞানসম্মত ও বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

28/05/2026

ইদ মোবারক

25/05/2026

“Serve and Return” — শিশুর মস্তিষ্ক গঠনের এক অসাধারণ বিজ্ঞানভিত্তিক ধারণা।

ধরুন, আপনার শিশু আপনাকে দেখে হাসলো
আপনি যদি তাকিয়ে হেসে উত্তর দেন, কথা বলেন বা আদর করেন—এটাই হলো “Serve and Return”।

শিশু যখন কোনো শব্দ করে, চোখে চোখ রাখে, কিছু দেখায়, কান্না করে বা আপনার মনোযোগ চায়—তখন সে আসলে “Serve” করছে।
আর আপনি যখন ভালোবাসা, কথা, স্পর্শ বা প্রতিক্রিয়া দিয়ে সাড়া দেন—তখন সেটাই “Return”।

এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই শিশুর ব্রেইনে নিউরনের সংযোগ শক্তিশালী করে।
এর মাধ্যমেই গড়ে ওঠে—

🌱 ভাষা শেখার ক্ষমতা
🌱 আবেগ নিয়ন্ত্রণ
🌱 আত্মবিশ্বাস
🌱 সামাজিক দক্ষতা
🌱 শেখার আগ্রহ
🌱 নিরাপদ মানসিক বন্ধন (Secure Attachment)

অন্যদিকে, যদি শিশুর বারবার ডাকে সাড়া না মেলে, বা সবসময় মোবাইল/টিভি তার জায়গা নিয়ে নেয়—তাহলে শিশুর ব্রেইনের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগগুলো দুর্বল হতে পারে।

শিশুর সাথে কথা বলা, চোখে চোখ রাখা, তার বকবক শুনা, খেলায় সাড়া দেওয়া—এগুলো “শুধু সময় কাটানো” না।
এগুলোই তার ব্রেইন ডেভেলপমেন্টের ভিত্তি।

Early Childhood Development, Neuroscience ও Child Psychology আমাদের শেখায়—
একজন responsive caregiver শিশুর ব্রেইনের healthy wiring তৈরিতে বিশাল ভূমিকা রাখে।

মনে রাখবেন,
শিশুর সবচেয়ে প্রয়োজন দামি খেলনা না,
প্রয়োজন একজন responsive মানুষ—যে তার অনুভূতিকে গুরুত্ব দেয়।

আজ অন্তত ১০ মিনিট পুরো মনোযোগ দিয়ে সন্তানের সাথে “Serve and Return” প্র্যাকটিস করুন।
দেখবেন, ছোট্ট এই যোগাযোগই তার ভেতরের পৃথিবীকে বদলে দিচ্ছে।






24/05/2026

মাস দুয়েক আগেও ফারাহকে মোবাইল ছাড়া খাওয়ানো প্রায় অসম্ভব মনে হতো।

খাবারের প্লেট সামনে আসলেই ফোন চাই, কার্টুন চাই।
না দিলে কান্না, রাগ, মুখ বন্ধ করে বসে থাকা—সবই হতো।

অনেক মা-বাবার মতো আমিও প্রথমে ভাবতাম,
“ফোন দিলে যদি খায়, সমস্যা কোথায়?”

কিন্তু পরে Child Development with Whole Brain Approach, child psychology এবং neuroscience নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে বুঝলাম—

খাওয়ার সময় অতিরিক্ত screen use শুধু একটা অভ্যাস না, এটা শিশুর brain development, attention span, emotional regulation এমনকি hunger cues-এর ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

শিশুর ব্রেন especially প্রথম কয়েক বছরে খুব দ্রুত develop করে।
এই সময় real-life interaction, eye contact, conversation, sensory experience—এসবই brain connections তৈরি করতে সাহায্য করে।

কিন্তু যখন খাওয়ার পুরো focus screen-এর দিকে চলে যায়, তখন শিশুর brain খাবারের taste, texture, smell, fullness—এসব natural sensory signal ঠিকভাবে process করার সুযোগ কম পায়।

Neuroscience অনুযায়ী, স্ক্রিন খুব দ্রুত dopamine stimulation দেয়।
ফলে শিশুর brain ধীরে ধীরে low stimulation activities—যেমন শান্তভাবে বসে খাওয়া, গল্প শোনা বা family interaction—এসবকে less interesting মনে করতে শুরু করতে পারে।

তাই আমি ফারাহর ক্ষেত্রে হঠাৎ করে ফোন completely বন্ধ করিনি।
কারণ child behaviour-এর পেছনে brain state এবং emotional need বুঝতে হয়।
শুধু behaviour control করলে long-term change আসে না, connection তৈরি করতে হয়

আমি ছোট ছোট কিছু পরিবর্তন আনি—

১. খাওয়ার সময় eye contact ও conversation বাড়াই
২. খাবার নিয়ে storytelling করতাম
“এই গাজর খেলে bunny-এর মতো fast দৌড়ানো যায়!”
৩. প্লেট colourful ও visually interesting করার চেষ্টা করেছি
৪. তাকে ছোট ছোট choice দিতাম
“চিকেন আগে খাবে নাকি ভাত?”
এতে তার sense of control বাড়তো
৫. কখনো রান্নাঘরে ছোট helper বানিয়েছি
৬. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—খাওয়াকে pressure না বানিয়ে connection-এর সময় বানানোর চেষ্টা করেছি।

শুরুটা সহজ ছিল না।

রাগ, কান্না, খাবার না খাওয়া—এসব phase গেছে।
কারণ brain already instant stimulation-এর সাথে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল।
কিন্তু consistency ধীরে ধীরে brain-কে নতুন routine accept করতে সাহায্য করেছে।

এখন আলহামদুলিল্লাহ, ফারাহ মোবাইল ছাড়া খায়।
খাওয়ার সময় গল্প করে, প্রশ্ন করে, খাবার explore করে।
সবচেয়ে সুন্দর বিষয় হলো—এখন feeding time আমাদের জন্য stress না, bonding time .

আমি একটা জিনিস খুব গভীরভাবে শিখেছি—
শিশুর behaviour change করতে শুধু rules যথেষ্ট না।
Safe connection, co-regulation এবং consistent response শিশুর developing brain-এর জন্য অনেক বেশি powerful।

Because children cooperate better when they feel connected, not controlled.






23/05/2026

প্রতিদিন সকালে স্কুলে বা ডে কেয়ার এ যাওয়ার আগে শিশুদের কানে বলা কিছু ছোট ছোট কথা—ওদের পুরো দিনের মানসিকতা বদলে দিতে পারে।

এই কথাগুলো শুধু উপদেশ নয়, বরং শিশুর আত্মবিশ্বাস, আচরণ আর মানসিক নিরাপত্তা গড়ে তোলার শক্তি রাখে।

প্রতিদিন সকালে আপনার শিশুকে বলুন—

১. “সবাইকে সম্মান দিয়ে কথা বলবে।"
২. “নিজের উপর বিশ্বাস রাখো, তুমি পারবে।"
৩. মারামারি বা ঝগড়া করবেনা।"
৪. “টিচারের বা আন্টিদের কথা মন দিয়ে শুনবে।”
৫. “সবার সাথে ভালো ব্যবহার করবে।”
৬. “ ভালো কাজ করবে, যেটা ভেবে তোমার নিজেরই আনন্দ পাবে।”

শিশুরা আমাদের কথা যতটা না শোনে, তার চেয়ে বেশি অনুভব করে।
প্রতিদিনের এই ছোট ছোট বাক্যগুলো তাদেরকে আত্মবিশ্বাসী ও সুন্দর মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ তৈরি করে।

21/05/2026

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আমি ফারাহর সাথে একটু গল্প করি, কথা বলি… তারপর ওকে ঘুম পাড়াই।

এই সময়টাতে ও খুব শান্ত থাকে, মন দিয়ে কথা শোনে, ছোট ছোট অনুভূতির কথাও বলতে চায়…
আর তখনই আমি বুঝতে পারি—
দিনের সবচেয়ে সুন্দর connection টা হয়তো এই কয়েক মিনিটেই তৈরি হয়।

Positive Parenting, Child Development with Whole Brain Approach, Child Psychology & Neuroscience নিয়ে পড়াশোনা ও কোর্স করার পর আমি আরও গভীরভাবে বুঝতে পেরেছি
শিশুর healthy brain development শুধু ভালো খাবার বা পড়াশোনার উপর নির্ভর করে না।
একটি শিশুর emotional safety, connection, এবং প্রতিদিনের ছোট ছোট meaningful conversation তার মস্তিষ্ক ও মানসিক বিকাশে গভীর প্রভাব ফেলে।

আগে আমি ভাবতাম,
শিশুকে ভালো রাখা মানেই ঠিকমতো খাওয়ানো, যত্ন নেওয়া, পড়ানো।
কিন্তু মা হওয়ার পর ধীরে ধীরে বুঝেছি…
শিশুর মনটাকেও প্রতিদিন একটু ছুঁয়ে দেওয়া দরকার।

তাই ঘুমানোর আগে আমি ফারাহকে কিছু ছোট ছোট প্রশ্ন করি…
যেগুলো শুধু প্রশ্ন না, বরং আমাদের সম্পর্ককে আরও গভীর করে।

"আজ তোমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে কোন বিষয়টা?”
আমি চাই ও ছোট ছোট আনন্দগুলো খুঁজে নিতে শিখুক।

“আজ কোনো কিছু কি তোমাকে কষ্ট দিয়েছে?”
কারণ আমি চাই না ও চুপচাপ মন খারাপ নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুক।

“কেউ কি আজ তোমার মন খারাপ করেছে?”
আমি চাই ও সবসময় অনুভব করুক
ওর অনুভূতির কথা শোনার জন্য আমি আছি।

“আজ নিজের কোন কাজটার জন্য তুমি proud fell করছ”
কারণ আমি চাই ও শুধু perfect হওয়ার চাপ না নিয়ে,
চেষ্টা করার আনন্দটাও বুঝুক

তুমি কি আমাকে কিছু বলতে চাও?”
বিশ্বাস করুন…
অনেক সময় শিশুরা রাতেই সবচেয়ে বেশি মন খুলে কথা বলে।

“তুমি জানো আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি?”
হয়তো ও জানে…
তবুও আমি প্রতিদিন বলতে চাই।

“আগামীকাল তুমি কোন কাজটা আরও ভালো করতে চাও?”
যাতে ভুলকে ভয় না পেয়ে, শেখার সাহস পায়।

“আজ সবচেয়ে মজার ঘটনাটা কী ছিল?”
দিন শেষে ওর হাসিটা দেখার জন্যই তো এত কিছু।

এখন আমি বুঝি…
শিশুরা শুধু খাবার আর খেলনায় বড় হয় না।
তারা বড় হয়—
ভালোবাসা দিয়ে,
নিরাপদ অনুভূতিতে,
আর প্রতিদিনের ছোট ছোট emotional connection-এ।

একদিন হয়তো ফারাহ বড় হয়ে যাবে…
কিন্তু আমি চাই, ওর মনে থেকে যাক—
ঘুমানোর আগে মা প্রতিদিন ওর মনের খবর নিত।

Parenting with Aleya পেইজ টি Follow করুন।

👇 আপনারাও কি ঘুমানোর আগে সন্তানের সাথে গল্প করেন?

#বাংলা_প্যারেন্টিং #সন্তানের_মন

20/05/2026

বাচ্চা অনেক বেশি স্মার্ট ও মেধাবী হতে পারে — যদি প্রথম ১ বছরে এই ৩টি বিষয় ঠিকভাবে করা যায়!

জীবনের প্রথম এক বছর হলো শিশুর ব্রেন ডেভেলপমেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময় বাচ্চার মস্তিষ্কে প্রতি সেকেন্ডে হাজার হাজার neural connection তৈরি হয়।

আর এই connections গড়ে ওঠে মূলত ভালোবাসা, স্পর্শ, movement আর sensory experiences থেকে
তাই expensive toys না, বরং ছোট ছোট natural experiences-ই শিশুর brain development এ বড় ভূমিকা রাখে।

১. Touch & Massage — জন্মের পর থেকেই
বাচ্চাকে নিয়মিত gentle touch ও massage দিন।
বিশেষ করে হাতের তালু, পায়ের তালু, পিঠ ও শরীরে নরমভাবে স্পর্শ করুন।
এতে -
sensory signals বাড়ে
brain & body connection শক্ত হয় bonding ও emotional . security তৈরি হয়
বাচ্চা বেশি calm ও responsive হয়
মায়ের স্পর্শ শিশুর ব্রেনের জন্য এক ধরনের “safe signal”

২. Different Texture Explore করতে দিন (৬–৭ মাস থেকে) 🫶
শিশুকে নিরাপদভাবে বিভিন্ন texture ছুঁতে ও অনুভব করতে দিন।
যেমন—
বালি
চাল, ডাল
আটা বা dough
নরম–কঠিন–খসখসে জিনিস
পানি বা ঘাস
Sensory play শিশুর brain কে activate করে এবং curiosity বাড়ায়
এতে শিশুর—
✔️ sensory processing উন্নত হয়
✔️ focus বাড়ে
✔️ problem solving skill develop হয়
✔️ learning ability stronger হয়

৩. Movement & Free Play — যত বেশি নড়াচড়া, তত বেশি শেখা
শিশুকে সবসময় restrain করে না রেখে free movement এর সুযোগ দিন।
বেলুনে লাথি মারা
হামাগুড়ি দেওয়া
ঘাসের উপর খালি পায়ে হাঁটা
বিভিন্ন safe object ধরতে দেওয়া
freely explore করতে দেওয়া

Movement শুধু শরীর না, brain development এর সাথেও গভীরভাবে জড়িত
কারণ movement এর মাধ্যমে—
✔️ motor skill develop হয়
✔️ balance & coordination বাড়ে
✔️ sensory integration improve হয়
✔️ নতুন neural pathways তৈরি হয়
মনে রাখবেন
“More screen” না,
বরং “More connection, touch & play” শিশুর ব্রেনকে সবচেয়ে বেশি grow করতে সাহায্য করে।
এটা কোনো magic shortcut নয়
এটা হলো শিশুর natural development কে scientifically support করার সুন্দর উপায়

✨ Parenting With Aleya ✨

19/05/2026

🌱 “শিশু বড় হয় শুধু খাবার আর পড়াশোনায় নয়, বড় হয় আপনার কথায়, আচরণে আর নিরাপদ ভালোবাসায়…”

অনেক সময় আমরা ভাবি— “আমি তো সন্তানের ভালোর জন্যই বকাঝকা করি।” কিন্তু শিশুর ছোট্ট মন ভালোবাসার ভাষা আর রাগের ভাষা আলাদা করে খুব গভীরভাবে অনুভব করে।

একটি শিশু যখন বারবার শুনে— ❌ “চুপ করো!” ❌ “তুমি কিছুই ঠিকমতো পারো না!” ❌ “এত জেদ কেন তোমার?”

তখন সে শুধু কথাগুলো শোনে না… সে ধীরে ধীরে নিজের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে শুরু করে।

অথচ একই পরিস্থিতিতে যদি আমরা বলি— ✅ “আমি বুঝতে পারছি তুমি কষ্ট পেয়েছো।” ✅ “চলো, আমরা একসাথে সমাধান করি।” ✅ “তুমি চেষ্টা করছো, এটাও অনেক বড় বিষয়।”

তাহলে শিশুর মস্তিষ্ক নিরাপদ অনুভব করে। আর নিরাপদ অনুভূতি থেকেই গড়ে ওঠে— আত্মবিশ্বাস, Emotional Intelligence, সুন্দর আচরণ, শক্ত মানসিক স্বাস্থ্য।

শিশুর ব্রেইন এখনও Developing Stage-এ থাকে। তাই তারা সবসময় নিজেদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ওদের “জেদ”, “রাগ”, “কান্না”— অনেক সময়ই সাহায্যের ভাষা, খারাপ আচরণ নয়।

একজন মা/বাবা হিসেবে আমাদের কাজ শুধু শাসন করা নয়… বরং শিশুর অনুভূতি বুঝে তাকে সঠিকভাবে গাইড করা।

আমি Child Development with Whole Brain Approach নিয়ে কাজ ও পড়াশোনা করতে গিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি শিখেছি তা হলো— “Connection before Correction.” অর্থাৎ, আগে শিশুর সাথে সংযোগ তৈরি করুন, তারপর তাকে শেখান।
আজ একটু সময় নিয়ে আপনার শিশুকে জড়িয়ে ধরুন… হয়তো সে নিখুঁত নয়, কিন্তু তার পৃথিবীটা এখনো আপনাকেই ঘিরে।







#শিশুর_মানসিক_বিকাশ
#সচেতন_প্যারেন্টিং

18/05/2026

মা হওয়ার পর বুঝেছি— সবচেয়ে বেশি “আমি ভালো আছি” বলার মানুষটাই অনেক সময় সবচেয়ে বেশি ক্লান্ত থাকে।

মা হওয়ার আগে ভাবতাম, সন্তানের যত্ন নেওয়াটাই হয়তো সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

কিন্তু মা হওয়ার পর বুঝেছি— একটা ছোট মানুষকে বড় করতে গিয়ে অনেক সময় মায়েরা নিজের ঘুম, নিজের শরীর, নিজের অনুভূতি— সবকিছুকেই শেষ তালিকায় রেখে দেন।

আমিও এমন অনেক দিন পার করেছি—
ঘুমহীন রাত, অকারণ কান্না, সবকিছু ঠিকভাবে করতে না পারার অপরাধবোধ, আর মনে হতো “আমাকেই সব সামলাতে হবে।”

বাইরে থেকে হয়তো সব স্বাভাবিক দেখাতো,
কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমি বুঝেছি
একজন ক্লান্ত মা শুধু নিজের জন্য না, সন্তানের জন্যও মানসিকভাবে চাপের পরিবেশ তৈরি করতে পারেন।

তাই ধীরে ধীরে কিছু জিনিস শিখেছি, যা সত্যিই আমার স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করেছে

১। প্রতিদিন অল্প হলেও নিজের জন্য সময় রাখা
মাত্র ১০ মিনিট হলেও নিজের পছন্দের কিছু করা।

২। সবকিছু পারফেক্ট করার চেষ্টা বন্ধ করা
ভালো মা হওয়া মানে সবকিছু নিখুঁত করা না।

৩। প্রয়োজন হলে সাহায্য চাওয়া
সব দায়িত্ব একা নেওয়া সবসময় যোগ্যতা নয়।

৪। নিজের ঘুম, খাবার ও শরীরের যত্ন নেওয়া
আমি ভালো না থাকলে আমার সন্তানও আমার সেরাটা পাবে না।

৫। নিজের অনুভূতি স্বীকার করা
কষ্ট হলে সেটা স্বাভাবিক বলে মেনে নেওয়া এবং প্রয়োজনে কথা বলা।

আজ আমি বিশ্বাস করি—
শিশুর জন্য সবচেয়ে বড় উপহার শুধু দামি খেলনা বা পারফেক্ট রুটিন না
একজন মানসিকভাবে ভালো থাকা মা।
যদি আপনি আজ খুব ক্লান্ত অনুভব করেন—
জানবেন, আপনি একা নন।
আর নিজের যত্ন নেওয়া কোনো স্বার্থপরতা নয়, এটা প্রয়োজন।

#মায়ের_যত্ন

17/05/2026

সম্প্রতি আমি Child Development with Whole Brain Approach কোর্সটি সম্পন্ন করেছি, এবং সেখানে একটি বিষয় খুব গভীরভাবে আমাকে নাড়া দিয়েছে—
আমরা অনেক সময় সন্তানকে “ভালো বাচ্চা” বানাতে চাই—
যে চুপচাপ থাকবে, কথা শুনবে, রাগ করবে না, কাঁদবে না।
কিন্তু শিশু তো রোবট নয়।

তাদেরও বড় বড় অনুভূতি আছে—শুধু সেই অনুভূতিগুলো বোঝার ভাষা এবং নিয়ন্ত্রণ করার দক্ষতা এখনও পুরোপুরি তৈরি হয়নি।
আর এখানেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে Emotional Intelligence (EI)

অর্থাৎ নিজের অনুভূতি বুঝতে পারা, তা স্বাস্থ্যকরভাবে প্রকাশ করা, অন্যের অনুভূতি বোঝা এবং সম্পর্ক সুন্দরভাবে পরিচালনা করার দক্ষতা।

The Whole-Brain Child–এর ধারণার সাথে মিল রেখে এই কোর্সটি আমাকে আরও পরিষ্কারভাবে বুঝিয়েছে—
শিশুর আচরণের পেছনে সবসময় অবাধ্যতা থাকে না, অনেক সময় থাকে তার developing brain-এর সীমাবদ্ধতা।

Emotional brain
Amygdala খুব দ্রুত react করে।
রাগ, ভয়, হতাশা হলে এটি alarm mode-এ চলে যায়।

Thinking brain
Prefrontal Cortex impulse control, problem solving এবং decision making নিয়ন্ত্রণ করে।
এটি ধীরে ধীরে mature হয়।

ফলাফল?
শিশু tantrum করে
কাঁদে
চিৎকার করে
জিনিস ছুঁড়ে ফেলে
এগুলো অনেক সময় intentional bad behavior নয়—
বরং Big emotions + immature brain response.

তাহলে আমরা কী করতে পারি?
✔ Connect before correct
আগে শিশুর emotion বুঝুন, পরে correction করুন।

✔ Name it to tame it
শিশুকে তার অনুভূতির ভাষা শেখান।

✔ Stay calm
আপনার calm nervous system শিশুকে regulate হতে সাহায্য করে।

✔ Teach empathy
অন্যের অনুভূতি বুঝতে শেখান।

✔ Encourage problem solving
সব সমস্যার সমাধান আপনি করে দিবেন না।

✔ Play-based learning
Play Therapy emotional growth-এর শক্তিশালী মাধ্যম।

✔ Be their safe place
শিশু যেন জানে—
“ভুল করলেও আমি ভালোবাসার যোগ্য।
আমার সবচেয়ে বড় শেখা—
শিশুর আচরণ control করার চেয়ে
তার brain understanding অনেক বেশি জরুরি।
কারণ আজ আপনি শুধু tantrum handle করছেন না—
আপনি একজন emotionally healthy future adult তৈরি করছেন।





15/05/2026

“মা হিসেবে সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগটা আমি শুনি

‘আমার বাচ্চা কোনো কিছুতেই মনোযোগ দিতে পারে না…’”
পড়তে বসলে কিছুক্ষণ পর উঠে যায়।
একটা খেলনা নিয়ে ২ মিনিট খেলেই অন্য কিছুতে চলে যায়
কথা শেষ হওয়ার আগেই মন অন্যদিকে চলে যায়
আর তখন অনেক মা-বাবা ভয় পেয়ে ভাবেন
“আমার বাচ্চার কি কোনো সমস্যা হচ্ছে?

সত্যিটা হলো—
ছোট শিশুদের মনোযোগ ধীরে ধীরে তৈরি হয়।
এটা বকা দিয়ে না, চাপ দিয়ে না…
বরং আপনার সাথে ছোট ছোট meaningful moments আর খেলাধুলার মাধ্যমেই গড়ে ওঠে।

আমি সবসময় বলি—
প্রতিদিন অনেক কিছু করার দরকার নেই,
শুধু ১০ মিনিট intentional time দিলেও অনেক পার্থক্য তৈরি হয়

আমরা যেসব সহজ খেলা খেলতে পারি—
১. কি হারিয়েছে বলো তো?
কিছু জিনিস সামনে রাখুন,
একটি সরিয়ে জিজ্ঞেস করুন— কোনটা নেই?

২. Color Hunt
বলুন— লাল/নীল রঙের কিছু খুঁজে আনো।

৩. Freeze Dance
গান বন্ধ হলে থেমে যেতে হবে।

৪. Puzzle বা Block Play
মন দিয়ে কিছু তৈরি করতে দিন।

৫. Follow My Instructions
ছোট ছোট নির্দেশ দিন এবং ফলো করতে বলুন।
এই ছোট খেলাগুলো শুধু মনোযোগই বাড়ায় না
আপনার সন্তানের সাথে আপনার সম্পর্কটাও আরও সুন্দর করে।
একদিন তারা বড় হয়ে হয়তো খেলাগুলোর নাম মনে রাখবে না

কিন্তু মনে রাখবে—
“আমার মা/বাবা আমার সাথে সময় কাটাতো।”
আপনি আজ আপনার শিশুর সাথে কোন খেলাটি খেলবেন? জানাতে পারেন কমেন্টে।

14/05/2026

৬ মাস বয়সী শিশুর বিকাশ এর বিভিন্ন মাইলফলক

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhanmondi
Dhaka
1205