লাঞ্চের ফাকে এসে কিছু সিগনিফিকেন্ট আপডেট দিচ্ছি:
১) জেরুজালেমি অবস্থিত আমেরিকান এমব্যাসি আজ থেকে আগামী তিন দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা।
২) ইরান সাময়িকভাবে হরমুজ বন্ধ করার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে আলোচনা করছে। সিদ্ধান্ত শীঘ্রই জানা যাবে।
৩) ইসরায়েলে নিযুক্ত আমেরিকান এমবেসেডর আকাশ ও সমুদ্রপথে আমেরিকানদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।
৪) ১৩ তারিখ থেকে এই পর্যন্ত ইসরায়েল ১৭ বার ইরানকে এট্যাক করেছে আর ইরান একটু আগে (১০ মিনিট) ইজরায়েল অভিমুখে তাদের ৯ তম ব্যালিস্টিক হামলা শুরু করেছে। এটা মনে হচ্ছে আগেরটার চাইতে বড়। ইজরায়েল তাদের নাগরিকদের বম্ব শেল্টারে আশ্রয় নিতে বলেছে।
৫) ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল খবরে প্রকাশ যে ইজরায়েলি এয়ারডিফেন্সের ইন্টারসেপ্টিং মিসাইল এর স্টক অনেক কমে গেছে। আমার মতে এটাই ছিলো ইরানের এই ধরনের অল্প অল্প করে পুরাতন মডেলের রকেট আর ড্রোন হামলার মূল লক্ষ্য। সামনে আমরা তাদের অত্যাধুনিক মিসাইল হামলা দেখতে হবে আরও বেশি করে।
৬) আমেরিকা বিশ্বাস করে যে তারা যদি ইজরায়েলের সাথে ইরানকে ডাইরেক্ট হামলায় অংশগ্রহণ করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত তাদের সেনাদের উপর ইরানি হামলা হবে। এর আগে আমরা উভয়পক্ষকে এ নিয়ে কথা বলতে শুনেছি, এখন আমেরিকান জেনারেলস আর এডমিনিস্ট্রেশন বিশ্বাস করে ইরান এটা করবে, তাই তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে এখন পর্যন্ত দ্বিধা করছে। কিন্তু তারা যদি এমন প্ল্যান পুল করতে পারে যে এক হামলাতেই ইরানকে আত্মসমর্পণ করাতে পারবে, তাহলে তারা যুদ্ধে সেভাবে জড়াবে। অর্থাৎ, আমেরিকান সামরিক বাহিনী জড়ালে প্রথম এট্যাকই ভয়ঙ্কর এট্যাক হবে।
৭) ইরানিয়ান পুলিশ সাধারণ মানুষকে কোথাও লেজার (বিশেষ করে গ্রিন লেজার) এক্টিভিটি দেখলেই পুলিশকে খবর দিতে বলেছে। এটা ইরানের ভিতরে ড্রোন হামলার সাথে জড়িত।
৮) ইরানের প্রতিশোধমূলক ক্ষমতাও ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে, কিন্তু ভূগর্ভস্থ মজুদ এবং বহিরাগত সম্ভাব্য সাহায্য সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করতে পারে।
ইরান এখন দুই মুখী সংঘাতে জড়িত। বাইরে থেকে ইজরায়েল, আর ভিতর থেকে কলাবরেটরস।
লেখা সাবিনা আহমেদ।
ইসলামিক পেইজ BD
আদ্ দ্বীন বালিকা মাদ্রাসা ও এতিমখানা।
আল্লহু আকবার কাবির।
আলহামদুলিল্লাহ হামদান কাসিরন।
আলহামদুলিল্লাহ। বিজয় সিরিয়া!
11/06/2024
আমাদের মাদ্রাসার কুরবানী ফান্ডে মোট এসেছে ৭০৮৮২৳
এখানে দুজন আপুদের ওয়াজিব কুরবানী আছে,বিকাশ খরচ ২০০ এবং ৫০০৳ কাটিং খরচ সহ।
মাদ্রাসার ৫ ভাগ আর সেই দুজন আপুদের দুই ভাগ মোট ৭ ভাগে কুরবানী দেওয়া হবে মাদ্রাসার আবাসিক সবার জন্য।
এখন আমাদের আরও মোট লাগবে,
৪০০০৳ এর মতো। ৫০০৳ করে এক ভাগের কাটিং খরচ, বাজারের ট্যাক্স আর গরুর খাবার এবং ঈদের বাজার বাবদ।
ঈদের দুইদিন মেয়েরা থাকবে। গোস্ত গুছিয়ে দিয়ে যাবে তাই।
সাধারণ দান এবং হালাল ইনকাম থেকে অংশ গ্রহন করতে পারবেন।
যাকাত ফিতরা কাফফারা ফিদিয়া মান্নত ইত্যাদি ওয়াজিব সাদাকা থেকে অংশ গ্রহন করা যাবে না।
01939371810
বিকাশ, নগদ ও রকেট পার্সোনাল।
আলহামদুলিল্লাহ, মা শা আল্লাহ।
লাস্ট বার আমাদের
পথচারীদের খাবার এর
ভাত +ডাল +ডিম+আলুভর্তার প্রজেক্টে,
৬১৮ থেকে ১০০৳
২৮০ থেকে ১০০৳
২১২ থেকে ৪৬০৳
আরেক জন আপু দিয়েছেন
৩৫০৳
৫৭২ থেকে ৫০০৳
৪৯৪ থেকে ৪৫৫৳
৩০৬ থেকে ২০০৳
৩৭২ থেকে ২৮০৳
৯৫৬ থেকে ২০০৳
মোট ২৬৩৬৳
এসেছে।আমরা নরসিংদী পলাশ থানার,চরসিন্দুর বাজারে, জনপ্রতি ৯০৳ করে মোট ২৯ জন কে দুই দিনে,প্রথম দিন ১২ জন, আর ২য় দিন, ১৭ জন কে দুই প্লেট ভাত, দুইবার ডাল এবং একটা করে ডিম ভুনা ও আলুভর্তা দিয়ে আপ্যায়ন করেছি আলহামদুলিল্লাহ। সবার ভিডিও দেওয়া সম্ভব হয়নি।অনেকেই ভিডিও করতে গেলে মাইন্ড করে।
এই পথচারীদের খাবার প্রজেক্টটি সব সময় চলবেনা।
মাসের শেষ তিন দিন কালেকশন করে, মাসের শুরু তে আয়োজন করা হবে।এই মাসের জন্য এটাই শেষ। আবার আগামী মাসের শেষ তিন দিন কালেকশন করা হবে।
আল্লাহ তায়ালা সকলেই এই দান গুলো কবুল আর মঞ্জুর করুন আল্লহুম্মা আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।
22/05/2024
আলহামদুলিল্লাহ, মা শা আল্লাহ।
মাদ্রাসার কুরবানী ফান্ডে ৩২৩ থেকে ১০০০৳ এসেছে। আল্লাহ তায়ালা এই দান গুলো কবুল আর মঞ্জুর, করুন আল্লহুম্মা আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।
13/05/2024
এই গরমে রাস্তার রিকশা, অটো ওয়ালা ভাইদের কে শরবত খাওয়াতে চাই।আমার একজন কাজিন শরবত বিক্রি করে প্রতি গ্লাস ১০৳ করে। আপনারা যারা খাওয়াতে চান,01939371810
বিকাশ,,রকেট এ নগদ পার্সোনালে, শরবত রেফারেন্সে ১০৳ করে দিতে পারবেন।
যাকাত দেওয়া যাবে না এই খাতে।
কারন পথচারীদের কেও খাওয়ানো হবে।তারা সবাই যাকাতের উপযুক্ত কিনা জানা নেই।
02/05/2024
আমি ও আমার হাজবেন্ড প্রতি বছর কুরবানী দেই।আমার হাজবেন্ড তো আগে থেকেই দিত।তবে আমার উপর কুরবানী ওয়াজিব হোক বা না হোক আমি কুরবানী ঈদ আসার দুয়েক মাস আগে থেকেই ,কুরবানী করার জন্য টাকা জমিয়ে ৫ বছর যাবত একটা খাসী কুরবানী দেই।এবার আমার উপর ও ওয়াজিব তাই এবার ও দিব ইং শা আল্লাহ।
সেই সাথে তিন বছর যাবত মাদ্রাসার কুরবানী প্রজেক্ট থেকে এতিমখানা ও মাদ্রাসার অন্যান্য আবাসিক স্টুডেন্ট স্টাফ সবার জন্য কুরবানী দেওয়া হয়।গত ২ বছর ১ টা বড় গরু ও কয়েক টা, খাসী মাদ্রাসার জন্য কুরবানী দেওয়া হয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ। এবার মাদ্রাসার পক্ষ থেকে, মাদ্রাসার আবাসিক সবার জন্য, কুরবানী না দিতে পারলে,হয়তো সারা বছরেও ওদের জন্য এত দাম দিয়ে গরুর গোস্তের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে না!
এখন দ্রব্য মুল্যের যেই দাম!
সপ্তাহে একদিন মুরগী খাওয়ানো ও বিলাসিতা হবে!
#এতিমখানা ও মাদ্রাসার জন্য কুরবানী প্রজেক্ট।।
প্রিয় আপুরা আপনারা আপনাদের কুরবানীর একটা অংশ এতিমখানায় ও মাদ্রাসায় দিতে পারেন।।অবশ্যই হালাল ইনকাম এবং সাধারণ দান থেকে অংশ গ্রহন করতে হবে। হালাল ইনকাম না হইলে,এবং সাধারন দান থেকে না হইলে অংশ গ্রহন করবেন না। (অনেকেই ব্যাংকে জব করেন, বা সুদী এনজিও তে জব করেন অথবা প্রবাসে ইউরোপ কান্ট্রি গুলো তে রেস্টুরেন্টে জব করেন সেখানে শুকর এবং মদ খাওয়ানো হয় তাই সেখানে জব করলে ইনকাম হালাল হবে না। এছাড়া ও যাকাত,ফিতরা, কাফফারা মান্নত, ফিদিয়া ইত্যাদি ওয়াজিব দান থেকে হইলে ও অংশ গ্রহন করা যাবে না।)
#এছাড়া যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সাধারণ দান থেকে অংশ গ্রহন করতে পারেন এতিমখানায় ও মাদ্রাসার কুরবানী প্রজেক্টে।
তখন সবার অংশ গ্রহনে,মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ একজন কে মালিক বানিয়ে তার পক্ষ থেকে কুরবানী করা হবে মাদ্রাসার এতিমখানা ও আবাসিক সবার জন্য ইং শা আল্লাহ।।
৫/১০৳ দিয়ে ও অংশ গ্রহন করতে না পারলে অন্তত পোস্ট টি শেয়ার করুন। আপনি প্রচারে যে কেউ অংশ গ্রহন করবে,আপনি ও তার সমপরিমাণ সওয়াব এর ভাগীদার হবেন।
#বিকাশ, নগদ ও রকেট পার্সোনালঃ
01939371810
রেফারেন্স এ কুরবানী লিখবেন।
নয়তো এটা মাদ্রাসার ফান্ডের নম্বর।
রেফারেন্স না দিলে মাদ্রাসার
ফান্ডে চলে যাবে।।
#আল্লাহ তায়ালা সবাই কে তাওফীক দান করুন,এতিমখানা ও মাদ্রাসার কুরবানী প্রজেক্ট অংশ গ্রহন করার আল্লহুম্মা আমীন ইয়া রব্বুল আলামীন।
আলহামদুলিল্লাহ, মা শা আল্লাহ বরকতময় রাতে একজন আপু মাদ্রাসার ফান্ডে ২৯৩ থেকে ২০৪০৳ পাঠিয়েছেন। এই সদকায়ে জারিয়া আল্লাহ তায়ালা কবুল আর মঞ্জুর করুন আল্লহুম্মা আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।
06/04/2024
চারটি কালেমা সারা সকাল ইবাদতের চেয়েও ওজনে ভারী
উম্মুল মুমিনিন জুওয়ায়রিয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) প্রত্যূষে তাঁর নিকট থেকে বে হলেন। যখন তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন তখন তিনি সালাতের জায়গায় ছিলেন। এরপর তিনি –দুহা’র পরে ফিরে এলেন। তখনও তিনি বসেছিলেন। নবী (সা) বললেন, আমি তোমাকে যে অবস্হায় রেখ গিয়েছিলাম তুমি সেই অবস্হায়ই আছো?
তিনি বললেন, হ্যা। তখন নবী (সা) বললেনঃ আমি তোমার নিকট থেকে যাওয়ার পর চারটি কালেমা তিনবার পাঠ করেছি। আজকে তুমি এ পর্যন্ত যা বলেছ তার সাথে ওযন করলে এই কালেমা চারটির ওযনই বেশী হবে।
কালেমাগুলো এই- (তিনবার বলবে)
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ
আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি— তাঁর সৃষ্ট বস্তুসমূহের সংখ্যার সমান, তাঁর নিজের সন্তোষের সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান ও তাঁর বাণীসমূহ লেখার কালি পরিমাণ (অগণিত অসংখ্য)
সুব্হা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী ‘আদাদা খালক্বিহী, ওয়া রিদা নাফসিহী, ওয়া যিনাতা ‘আরশিহী, ওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহী।
মুসলিম ৪/২০৯০, নং ২৭২৬।
কালেক্টেড।
Click here to claim your Sponsored Listing.