18/06/2025
লাঞ্চের ফাকে এসে কিছু সিগনিফিকেন্ট আপডেট দিচ্ছি:
১) জেরুজালেমি অবস্থিত আমেরিকান এমব্যাসি আজ থেকে আগামী তিন দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা।
২) ইরান সাময়িকভাবে হরমুজ বন্ধ করার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে আলোচনা করছে। সিদ্ধান্ত শীঘ্রই জানা যাবে।
৩) ইসরায়েলে নিযুক্ত আমেরিকান এমবেসেডর আকাশ ও সমুদ্রপথে আমেরিকানদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।
৪) ১৩ তারিখ থেকে এই পর্যন্ত ইসরায়েল ১৭ বার ইরানকে এট্যাক করেছে আর ইরান একটু আগে (১০ মিনিট) ইজরায়েল অভিমুখে তাদের ৯ তম ব্যালিস্টিক হামলা শুরু করেছে। এটা মনে হচ্ছে আগেরটার চাইতে বড়। ইজরায়েল তাদের নাগরিকদের বম্ব শেল্টারে আশ্রয় নিতে বলেছে।
৫) ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল খবরে প্রকাশ যে ইজরায়েলি এয়ারডিফেন্সের ইন্টারসেপ্টিং মিসাইল এর স্টক অনেক কমে গেছে। আমার মতে এটাই ছিলো ইরানের এই ধরনের অল্প অল্প করে পুরাতন মডেলের রকেট আর ড্রোন হামলার মূল লক্ষ্য। সামনে আমরা তাদের অত্যাধুনিক মিসাইল হামলা দেখতে হবে আরও বেশি করে।
৬) আমেরিকা বিশ্বাস করে যে তারা যদি ইজরায়েলের সাথে ইরানকে ডাইরেক্ট হামলায় অংশগ্রহণ করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত তাদের সেনাদের উপর ইরানি হামলা হবে। এর আগে আমরা উভয়পক্ষকে এ নিয়ে কথা বলতে শুনেছি, এখন আমেরিকান জেনারেলস আর এডমিনিস্ট্রেশন বিশ্বাস করে ইরান এটা করবে, তাই তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে এখন পর্যন্ত দ্বিধা করছে। কিন্তু তারা যদি এমন প্ল্যান পুল করতে পারে যে এক হামলাতেই ইরানকে আত্মসমর্পণ করাতে পারবে, তাহলে তারা যুদ্ধে সেভাবে জড়াবে। অর্থাৎ, আমেরিকান সামরিক বাহিনী জড়ালে প্রথম এট্যাকই ভয়ঙ্কর এট্যাক হবে।
৭) ইরানিয়ান পুলিশ সাধারণ মানুষকে কোথাও লেজার (বিশেষ করে গ্রিন লেজার) এক্টিভিটি দেখলেই পুলিশকে খবর দিতে বলেছে। এটা ইরানের ভিতরে ড্রোন হামলার সাথে জড়িত।
৮) ইরানের প্রতিশোধমূলক ক্ষমতাও ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে, কিন্তু ভূগর্ভস্থ মজুদ এবং বহিরাগত সম্ভাব্য সাহায্য সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করতে পারে।
ইরান এখন দুই মুখী সংঘাতে জড়িত। বাইরে থেকে ইজরায়েল, আর ভিতর থেকে কলাবরেটরস।
লেখা সাবিনা আহমেদ।