Nucleus-BUET

Nucleus-BUET

Share

Nucleus, a tribute to the Masterminds of nation's awakening.

28/05/2026

গালিভিত্তিক রাজনীতি সম্পর্কে এ অভিমত প্রদান করেন তিনি।

28/05/2026

গরু সংগ্রাম বিষয়ে তিনি এ কথা বলেন।

27/05/2026

ব্যক্তিটি কুরবানির উদ্দেশ্যে সুদ থেকে বিরত থাকার উপদেশ দেন।

27/05/2026

সোর্স কমেন্টে।

Photos from Nucleus-BUET's post 27/05/2026

আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি বাহিনীর অকুতোভয় কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গিয়াস উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, বীর বিক্রম, আজ ২৬ মে, ২০২৬ তারিখে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ইন্তেকাল করেছেন।

তাঁর জীবন ও কর্মের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:

প্রাথমিক জীবন ও বিদ্রোহ: তিনি প্রাথমিকভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর '১৬ ফ্রন্টিয়ার ফোর্স'-এ কমিশন লাভ করেন। ১৯৭০ সালে তাঁকে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর)-এর ইন্টেলিজেন্স উইং এবং পরবর্তীতে ক্যাপ্টেন ও সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে ইপিআর-এর ৭ নং উইংয়ে ডেপুটেশনে পাঠানো হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' শুরু করার পর, তিনি ৭ নং উইংয়ের কমান্ডার মেজর নাজমুল হক এবং পুরো উইংয়ের সদস্যদের সাথে একাত্ম হয়ে বিদ্রোহ করেন এবং ২৬ মার্চ থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার সিদ্ধান্ত নেন।

মুক্তিযুদ্ধে অবদান: পাকিস্তানি ২৫ পাঞ্জাব রেজিমেন্টের বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রতিরোধ ব্যর্থ হওয়ার পর, তিনি ভারতে চলে যান। সেখান থেকে তিনি রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় মুক্তি বাহিনীর গেরিলা অপারেশন পরিচালনা শুরু করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ৭ নং সেক্টরের অধীনে 'লালগোলা সাব-সেক্টর' কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাঁকে 'বীর বিক্রম' খেতাবে ভূষিত করা হয়।

পরবর্তী কর্মজীবন: দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি সদ্য গঠিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে উন্নীত হন। সামরিক বাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি অস্ট্রেলিয়া, নর্ডিক দেশসমূহ (ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেন) এবং বাহরাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর এই মহতি অবদান ও দেশপ্রেম জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

27/05/2026

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "কুরবানির দিন (ঈদুল আযহার দিন) রক্ত প্রবাহিত করার (পশু কুরবানি করার) চেয়ে অধিক প্রিয় আল্লাহর নিকট আদম সন্তানের আর কোনো আমল নেই।"
সুনান আত-তিরমিজি (হাদিস নং ১৪৯৩)

27/05/2026
27/05/2026

27/05/2026

একাত্তরের চেতনাকে ব্যঙ্গ করার প্রবণতার বিরুদ্ধে জবাব।
Heygen AI ব্যবহার করে তৈরি একটি বার্তা

#বাংলাদেশ #৭১

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

P9GV+J3F
Dhaka
1000