SexEd - যৌনশিক্ষা

SexEd - যৌনশিক্ষা

Share

যৌনশিক্ষার (SexEd) জন্য এটি একটি আদর্শ প্লাটফর্ম

17/09/2021

নারী পুরুষের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে যে যে খাবার খাওয়া উচিত।

09/09/2021

স্বপ্নদোষ কেন হয়? এটা কি শুধু পুরুষের হয়? স্বপ্নদোষের সমাধান কি?

05/09/2021

স্বপ্নদোষ এর কারণ

দাম্পত্যে সুখে থাকার ১২ টিপস 21/08/2021

দাম্পত্যে সুখে থাকার ১২ টিপস স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে যেমন ঝগড়া হবে আবার ভালোবাসাও থাকবে। দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া ঠিক থাকলে দাম্পত্যে সুখ বজায় থাক.....

পিরিয়ডের দিনগুলোতে কী খাবেন 20/08/2021

পিরিয়ডের দিনগুলোতে কী খাবেন পিরিয়ডের দিনগুলোতে রক্তক্ষরণের কারণে শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয়। এই ঘাটতি পুষিয়ে এ সময়ে নিজেকে সুস্থ ও কর্মক্ষ....

মাসিকের সময়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা ব্যথা নিরসনে দরকার পুষ্টিকর খাবার - BBC News বাংলা 31/05/2021

মাসিকের সময়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা ব্যথা নিরসনে দরকার পুষ্টিকর খাবার - BBC News বাংলা আজ শুক্রবার ২৮শে মে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্য দিবস। মেন্সট্রুয়াল বা মাসিকের সময়ে মেয়েদের শরীরে বেশ ক....

27/05/2021

নারী স্বাস্থ্য: সচেতনতা ও পরিচর্যায় মাসিক স্বাস্থ্য

লেখক: অধ্যাপক আফজালুন্নেসা চৌধুরী, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ঢাকা

পিরিয়ড, মাসিক বা ঋতুস্রাব প্রত্যেক নারীর স্বাভাবিক জীবনচক্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একজন নারীর নিয়মিত ও সঠিকভাবে মাসিক হওয়ার অর্থ তিনি সন্তান ধারণে সক্ষম। বিষয়টি স্বাভাবিক হলেও এটি নিয়ে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি এখনো স্বাভাবিক নয়। এমনকি পিরিয়ড নিয়ে পরিচিতদের কাছে তাচ্ছিল্যের শিকার হন অনেকে। যদিও দিন দিন মানুষের মধ্যে ট্যাবু ভাঙছে, সচেতনতা বাড়ছে।

পিরিয়ড নারীদের প্রজননপ্রক্রিয়াতে প্রভাব বিস্তার করে। সাধারণত ১১ থেকে ১৪ বছর বয়সেই মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হয়। গড়ে ২৮ দিন পরপর এটা হয়ে থাকে। এ মাসিক চক্রটা কারও কারও ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে ২১ বা ৩৫ দিন পরপর হতে পারে এবং ৫০ থেকে ৫২ বছর বয়সে বন্ধ হয়ে যায়। শারীরিক গঠন বা বৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে কারও এর আগে কিংবা দেরিতে পিরিয়ড শুরু হতে পারে। আমাদের দেশে এখনো যেহেতু পিরিয়ডকে একটি লজ্জার ব্যাপার হিসেবে ধরা হয়, তাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এ বয়সী মেয়েদের জন্য পিরিয়ডের প্রথম অভিজ্ঞতা বেশ ভয়াবহ ও বিব্রতকর হয়ে থাকে। পিরিয়ডের সময় অনেকেই ভয় ও লজ্জায় কাউকে কিছু জানায় না। এটি পরবর্তী সময়ে কিশোরীর মানসিক ও শারীরিক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পিরিয়ড চলাকালে পেটে ব্যথা, শরীরের বিভিন্ন অংশ ব্যথা, মানসিক অবসাদ, বিরক্তি দেখা দিতে পারে। তাই এ সময় বাড়তি কিছু যত্নের প্রয়োজন হয়। তেমনি কিছু বিষয়ে সচেতন থাকাও দরকার।

পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করতে হবে। নিয়মিত গোসল করতে হবে। স্যানিটারি প্যাড (৪–৬) ঘণ্টা অন্তর পরিবর্তন করতে হবে।

এ সময়ে হরমোনের প্রভাবে কিছুটা মানসিক ও শারীরিক পরিবর্তন ঘটে, তাই মানসিক চাপমুক্ত থেকে ও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত না হয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কর্মচঞ্চল জীবন যাপন করতে হবে।

মাসিক চলাকালে চুলের গোড়া আলগা হয়ে যায়, ফলে লোমকূপ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। তাই এ সময়ে শ্যাম্পু ব্যবহার না করাই ভালো।

এ সময় যেহেতু জরায়ুমুখ উন্মুক্ত থাকে, তাই পুকুর বা নদীতে গোসল করা উচিত নয়।

খেয়াল রাখতে হবে যেন এ সময়ে পেটে কোনো প্রকার আঘাত না লাগে। মাসিক চলাকালে জরায়ু অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় থাকে, তাই সামান্য আঘাতে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

পিরিয়ডের সময় কাপড় ব্যবহার না করে স্যানিটারি ন্যাপকিন বা মেনস্ট্রুয়াল ক্যাপ ব্যবহার করা অধিক স্বাস্থ্যসম্মত।

এ সময়ে ভারী কাজ, ব্যায়াম, সাঁতার বা সাইকেল চালানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

অনিয়মিত পিরিয়ডসহ অন্য যেকোনো সমস্যা অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
সূত্র: প্রথম অালো।

04/05/2021

করোনো কালে অন্তঃসত্ত্বা নারীর যত্ন

লেখক: ডা. শারমিন আব্বাসি, সহযোগী অধ্যাপক, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগ, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের এ সময় অন্তঃসত্ত্বা নারীদের অনেকেই সংক্রমিত হচ্ছেন। গর্ভধারণের পর এমনিতেই রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম থাকে। তাই এ সময়ে করোনায় সংক্রমিত হলে ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু খুব বেশি জটিল লক্ষণ দেখা না গেলে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না। এতে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তাঁর অনাগত সন্তান—দুজনেরই জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। তাই নিজের ও গর্ভের সন্তানের সুরক্ষার জন্য দরকার বাড়তি সতর্কতা।
গবেষণায় দেখা গেছে, করোনায় সংক্রমিত অন্তঃসত্ত্বা নারীর শারীরিক জটিলতা বেড়ে গেলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। প্রিম্যাচিউরড বেবি জন্মের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

কাজেই যে বাড়িতে করোনার সংক্রমণ রয়েছে, সেখানে অন্তঃসত্ত্বা নারী থাকলে তাঁর জন্য আলাদা সুরক্ষাপ্রাচীর গড়ে তুলতে হবে। মহামারির কারণে এ সময় নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে টেলিমেডিসিন সেবা একটি সমাধান হতে পারে। এ ছাড়া বাসায় ওজন পরিমাপক যন্ত্র, রক্তচাপ মাপার যন্ত্র ও গ্লুকোমিটার দিয়ে নিয়মিত ওজন, রক্তচাপ, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পর্যবেক্ষণসহ অন্য শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করুন। নিয়মিত হাসপাতালে যেতে না পারলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আলট্রাসাউন্ড অবশ্যই করতে হবে। যেমন গর্ভের শিশুর জন্মগত কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা দেখার জন্য ২২ থেকে ২৪ সপ্তাহে অ্যানোমালি স্ক্যান অবশ্যই করতে হবে। বাসার আশপাশের চার–পাঁচটি হাসপাতালের ঠিকানা, ফোন নম্বর ও সেখানকার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে রাখুন।

অন্তঃসত্ত্বা নারী করোনায় সংক্রমিত হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। তাঁর চিকিৎসার জন্য এমন হাসপাতাল বাছাই করতে হবে, যেখানে গর্ভাবস্থা ও করোনার সংক্রমণ—উভয়েরই চিকিৎসাসেবা পাওয়া যায়। করোনার সংক্রমণে অন্তঃসত্ত্বা নারীর কিছু পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। এর মধ্যে সিবিসি, সিআরপি, ডি ডাইমার, ফেরিটিন, এলডিএইচ অন্যতম। প্রয়োজনে বুকের এক্স–রে বা সিটি স্ক্যান করতে হতে পারে।
সন্তান জন্মদানের পর কোনো মা করোনায় সংক্রমিত হলে তিনি সন্তানকে বুকের দুধ দিতে পারবেন। বুকের দুধের মাধ্যমে নবজাতকের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে সে ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। মা মুখে মাস্ক পরে, হাত ধুয়ে এবং একটি পরিষ্কার কাপড় পরিধান করে সন্তানকে বুকের দুধ দেবেন। মা যদি সঠিকভাবে বুকের দুধ দিতে না পারেন, তাহলে অন্য কারও সহায়তা নিয়ে বুকের দুধ দেবেন।
করোনার টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার পর যাঁরা গর্ভ ধারণ করেছেন, তাঁরা টিকার দ্বিতীয় ডোজও নিতে পারবেন। তবে টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার আগে গর্ভ ধারণ করলে টিকা নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। যাঁরা সন্তানকে বুকের দুধ দিচ্ছেন, তাঁদের টিকা নিতে কোনো সমস্যা নেই।

সূত্র: প্রথম অালো।

27/04/2021

অনিয়মিত ঋতুস্রাব হয় যেসব কারণে

ডা. শামীমা ইয়াসমিন
সহকারী রেজিস্ট্রার, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা

যেকোনো বয়সী নারীর অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে। নারীর ঋতুচক্র বা পিরিয়ড সাধারণত ২৮ দিন পরপর হয়। ২৮ দিনের ৭ দিন আগে বা পরে, অর্থাৎ ২১ থেকে ৩৫ দিন পরপর হলেও তা যদি নিয়মিত ব্যবধানে হয়, তাকেও স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। তবে ২১ দিনের আগে বা ৩৫ দিনের পরে হলে এবং তা যদি ৩ দিনের কম বা ৭ দিনের বেশি স্থায়ী হয়, তখন তাকে অনিয়মিত ঋতুচক্র বলে।
অনেক কারণে অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
● অতিরিক্ত মানসিক চাপ
● শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়া
● হঠাৎ ওজন অনেক কমিয়ে ফেলা
● মাত্রাতিরিক্ত শরীরচর্চা
● পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম
● জরায়ুর টিউমার ও এন্ডোমেট্রিওসিস
● থাইরয়েডের সমস্যা
● জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল এবং কপার টি ব্যবহার
● যেসব মা সন্তানকে বুকের দুধ দেন
● কিশোর বয়সে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের তারতম্যের কারণে।

অনিয়মিত ঋতুস্রাবে যেসব সমস্যা হতে পারে
● এক মাসে রক্তপাত বেশি তো অন্য মাসে একেবারে কম হতে পারে।
● বেশি সময় ধরে রক্তপাত হওয়া এবং পরিমাণে বেশি রক্ত যাওয়া।
● সন্তান ধারণের ক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি।
● কিছু ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ।
● মানসিক অশান্তি এবং মেজাজ খিটখিটে হওয়া।
চিকিৎসকের কাছে যাবেন কখন
● ২১ দিনের আগে বা ৩৫ দিনের পর ঋতুস্রাব হলে।
● দুই ঋতুচক্রের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান দিন দিন পরিবর্তিত হতে থাকলে।
● পিরিয়ডের স্থায়িত্ব যদি ৩ দিনের কম বা ৭ দিনের বেশি হয়।
● ঋতুস্রাবের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত এবং পেটে অসহ্য ব্যথা অনুভব করলে।
● বছরে তিনবার বা তার কম ঋতুস্রাব হলে।
প্রতিরোধ
● স্বাস্থ্যকর জীবনাচরণে গুরুত্ব দিতে হবে।
● মানসিক চাপমুক্ত থাকুন, অতিরিক্ত উদ্বেগ পরিহার করুন।
● ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
● নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। তবে তা যেন অতিরিক্ত না হয়।
● ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলুন। পুষ্টিকর ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার খাবেন।
সূত্র: প্রথম অালো।

25/04/2021

যৌনরোগ থেকে সুরক্ষিত থাকুন, জেনে নিন কিছু জরুরি তথ্য

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অর্থাৎ ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজ়েশনের মতে সারা পৃথিবী জুড়ে দশ লক্ষেরও বেশি মানুষ যৌনরোগ বা সংক্রমণে আক্রান্ত হন প্রতিদিন। এসটিডি বা সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজ়িজ বা যৌনরোগ মানে শুধু এইচআইভি বা এইডস নয়। এই তালিকায় রয়েছে গনোরিয়া, ক্ল্যামাইডিয়া, সিফিলিসের মতো আরও অনেক রোগ যা অসুরক্ষিত যৌন সংসর্গ থেকে ছড়ায়। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না হলে এ সব সংক্রমণ শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে দিতে পারে। অথচ এইডস বা এইচআইভি সম্পর্কে যতটুকু সচেতনতা গড়ে উঠেছে, সে তুলনায় প্রায় কিছু আলোচনাই হয়নি বাকি যৌনরোগগুলো নিয়ে। কীভাবে সাবধান হবেন এ সব রোগের থেকে? জানাচ্ছি আমরা।

সুরক্ষিত রাখুন যৌন সম্পর্ক
যে কোনও ধরনের এসটিডি এড়াতে হলে অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কে কখনও জড়াবেন না। ওরাল, ভ্যাজাইনাল বা অ্যানাল, যে কোনওভাবেই যৌনরোগ ছড়াতে পারে। শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সময় কন্ডোম ব্যবহার করুন। কন্ডোম থাকলে যৌনরোগ সংক্রমণের আশঙ্কা 97% কমে যায়।

নিজের ও পার্টনারের রক্ত পরীক্ষা করান
অনেক সময় যৌনরোগ হলেও তার কোনও লক্ষণ শরীরে ধরা পড়ে না। অজান্তেই যৌনরোগ শরীরে বাসা বাঁধছে কিনা জানার জন্য নিয়মিত নিজের ও পার্টনারের চেকআপ করান। প্রাথমিক অবস্থায় সংক্রমণ ধরা পড়সলে তা অ্যান্টিবায়োটিকেই সেরে যায়। অতিরিক্ত ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ, যৌনাঙ্গে আলসার, বাথরুমে যাওয়ার সময় বা ইন্টারকোর্সের সময় ব্যথা, এ সবই যৌনরোগের সাধারণ লক্ষণ।

কিছু সংক্রমণ/রোগ প্রাণঘাতীও হতে পারে
কিছু যৌনরোগ চিকিৎসায় কমে গেলেও এমন অনেক রোগ আছে যা ধরা না পড়লে বা চিকিৎসা না হলে শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে জখম করে দিতে পারে, এমনকী মৃত্যুর কারণও হতে পারে। যেমন ক্ল্যামাইডিয়ার চিকিৎসা না হলে তা থেকে প্রচণ্ড পেটে ব্যথা হতে পারে এবং মেয়েদের বন্ধ্যাত্বও দেখা দিতে পারে।

মনে রাখবেন, যৌন সংক্রমণ হয়েছে কিনা জানতে যদি আপনি শারীরিক পরীক্ষা করান, তাতে লজ্জার কিছু নেই। আপনার স্বাস্থ্যের দায়িত্ব আপনারই এবং সুরক্ষিত থাকার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে দ্বিধা করবেন না।

কী কী সংক্রমণের পরীক্ষা করানো উচিত:
কোনও নতুন সম্পর্কে জড়ানোর আগে দু’জনে মিলে বেশ কিছু সাধারণ পরীক্ষা করিয়ে নিন। এর মধ্যে পড়ে ক্ল্যামাইডিয়া, গনোরিয়া, এইচআইভি, সিফিলিস, হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, হেপাটাইটিস এ, হারপিস টাইপ 1, হারপিস টাইপ 2, এইচআইভি টাইপ 1 এবং টাইপ 2

চিকিৎসকের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলুন। আপনি যদি বিশেষ কোনও রোগের জন্য টেস্ট করাতে চান, সেটাও বলুন। কীভাবে ভবিষ্যতে সংক্রমণ এড়ানো যায়, তা চিকিৎসক আপনাকে বলে দেবেন।

24/04/2021

কনডম যেভাবে ব্যবহার করবেন

১. কনডম ব্যবহারের আগে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ শেষ হওয়া কনডম ব্যবহার করা উচিত নয়।

২. ভ্যাজায়নার সাথে পেনিসের কোন রকম স্পর্শের আগেই কনডম পরে নেওয়া উচিত। কেননা স্পার্ম (বীর্য) আউট ছাড়াও প্রি-কাম-ফ্লুইড (Pre-Cum-Fluid) বলে তরল পদার্থ পেনিস থেকে বের হয় যা ছেলেরা টের পায় না খুব একটা, কিন্তুতাতে ঠিকই স্পার্ম থাকে। তাই পুল আউট ব্যাবস্থা, অর্থাৎ স্পার্ম আউটের আগে পেনিস বের করে ফেলা কার্যকর নয় বাস্তবে। অবশ্যই কনডম ব্যবহার করুন, প্রেগনেন্সি ও সকল ঝামেলা এড়াতে চান যদি।

৩. প্রত্যেক সঙ্গমের জন্য একটি কনডম ব্যাবহার করুন। কখনোও একটি কনডম একাধিকবার ব্যবহার করবেন না।

৪. প্যাকেট থেকে কনডম বের করার সময় সাবধান। ছিড়ে ফেললে বা ভেঙ্গে গেলে আরেকটা কনডম ব্যবহার করুন। ভেঙ্গে যাওয়া কনডম কোন দিক থেকেই সেক্সকে নিরাপদ করে না।

৫. প্রয়োজনে কনডমের ভেতর এক দুই ফোটা লুব্রিক্যান্ট দিতে পারেন। এতে কনডম পরতে সুবিধা হয়।

৬. পেনিস পুরোপুরি দাড়ানোর পরই কনডম পরুন।

৭. সামনের দিকে আধা ইঞ্চির মত জায়গা রাখুন কনডমে স্পার্ম ধারনের জন্য।

৮. সামনের দিকে বাতাস থাকলে তা হাত দিয়ে চেপে ভেতরে নিয়ে যান এবং পেনিসের উপর কনডম যতটুকু স্ট্রেচ হয় ততটুকু করুন। কোন বাতাসের বুদবুদ থাকলে তা সমান করুন, এগুলো কনডম ভেঙ্গে ফেলতে পারে। কনডম পরার পর চাইলে লুব্রিক্যান্ট দিতে পারেন উপরে সেক্স শুরুর সময়।

৯. পেনিস নরম হওয়ার আগেই ভ্যাজাইনা থেকে পেনিসটি কনডম সহ বের করে ফেলুন।

১০. কনডম খোলার সময় একজন কনডম ধরে রাখুন আরেকজন খুলুন, এতে স্পার্ম ছড়িয়ে পরবে না।

১১. কনডম কখনো টয়লেটে বা কমোডে ফ্লাশ করবেন না। বাচ্চাদের নাগালের বাইরে কোন ট্র্যাশ বিনে ফেলুন। কনডম একবার খোলার পর পেনিস ভাল করে সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে নিন, আরেকবার ভ্যাজায়নাতে ঢুকানোর আগেই। তবে যেখানে সেখানে কনডম ফেলবেন।

ধন্যবাদ।

23/04/2021

ডায়াবেটিস ও প্রজনন স্বাস্থ্য

ডা. শাহজাদা সেলিম, সহকারী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

ডায়াবেটিস একটি সর্বগ্রাসী শারীরিক সমস্যা যা শরীরের প্রায় প্রতিটি অঙ্গকে আক্রান্ত করে। এটি শরীরের কোষগুলোর বহুবিধ পরিবর্তন আনে যা ধীরে ধীরে দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় পরিণত হয়। ডায়াবেটিস প্রজনন স্বাস্থ্যকেও আক্রান্ত করে। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, যাদের ডায়াবেটিসের নিয়ন্ত্রণ ভালো নয়, তাদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসই সন্তান ধারণের প্রধান বাধা। এমনকি প্রি-ডায়াবেটিস অবস্থাতেও পুরুষ ও নারীদের প্রজনন ক্ষমতা ঝুঁকিতে থাকে। ডায়াবেটিস নানাভাবে পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এটি পুরুষের প্রজননতন্ত্রের প্রায় প্রতিটি অঙ্গকে কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ ক্ষেত্রে নিয়ামকের ভূূমিকায় থাকে ডায়াবেটিসের বয়স, ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রণের মাত্রা এবং স্থূলতা। ডায়াবেটিস আক্রান্ত পুরুষদের ইলেক্টোরাল ডিসফাংশন একটি সাধারণ সমস্যা। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ যত খারাপ এর মাত্রাও তত বেশি। ইজাকুলেটরি সমস্যাও হয়। ডায়াবেটিসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শুক্রাশয় বা অন্ডকোষ। অতিরিক্ত গ্লুকোজ সরাসরি শুক্রাণু উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে। গুণগত মানও নষ্ট করে। পুরুষদের প্রধান যৌন হরমোন টেস্টোসটেরন এর কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অপরদিকে ডায়াবেটিক মহিলাদের সন্তান ধারণ ক্ষমতা অর্ধেকে নামিয়ে আনে। যারা দীর্ঘদিন এ রোগে ভোগেন এবং চতুুর্থ দশকে এসে সন্তান ধারণ করতে চান, তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটি আরও ব্যাপক। পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম নারীদের বন্ধ্যত্বের অন্যতম কারণ। ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সের বিপুলসংখ্যক নারী পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমে ভুগছেন। পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত নারীদের মধ্যে ৪০ শতাংশের বয়স ৪০ হওয়ার আগেই টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। এ নারীদের ডায়াবেটিস বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এ জন্য সন্তান নিতে আগ্রহী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারী-পুরুষদের এখনই সতর্ক হওয়া জরুরি। কঠোরভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, যা পরবর্তীও বজায় রাখতে হবে। ডায়াবেটিস নিয়েই যে নারীরা গর্ভধারণের কথা ভাবছেন তাদের জরুরি ভিত্তিতে হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে নিখুঁতভাবে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদেরও ডায়াবেটিস স্ট্ক্রিন করা উচিত। ডায়াবেটিক রোগীর জন্য সুষম খাদ্য তালিকা মেনে চলা, পরিমিত শারীরিক শ্রম এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিগত অভ্যাসগুলো (জর্দ্দা, গুল, সাদা পাতা গ্রহণ ও ধূমপান) ত্যাগ করা আবশ্যক। তাই ডায়াবেটিস থাকলে সন্তান ধারণ পরিকল্পনার শুরুতেই একজন প্রসূতিবিদ ও হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ভালো থাকুন।

সূত্র: দৈনিক সমকাল।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Dhaka