Student hostel projonmo&mongoldip

Student hostel projonmo&mongoldip

Share

Bangladesh Army

21/08/2021

শিক্ষার্থীদের বয়স ১৮ হলেই টিকা।

১৮ বা তার বেশি বয়সি শিক্ষার্থীদের এখন করোনা ভাইরাসের টিকা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে৷ সাধারণ নাগরিকের জন্য বর্তমানে ২৫ বা তার বেশি বয়সের সীমা থাকলেও শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে টিকা নেওয়ার বয়স কমিয়ে আনা হয়েছে৷ কোভিডের টিকার নিবন্ধনের জন্য সুরক্ষা অ্যাপ্লিকেশনের ‘পরিচয় যাচাই' অপশনে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সি শিক্ষার্থীদের নিবন্ধনের জন্য নতুন একটি অপশন খোলা হয়েছে৷

গত শুক্রবার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সেন্টার (এমআইএস)-এর পরিচালক এবং এইচআইএস অ্যান্ড ই-হেলথের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান বলেন, "গতকালই এই অপশনটি চালু হয়ে গেছে৷ সাধারণ নাগরিকের জন্য ২৫ বা তার বেশিই আছে এখনো৷ তবে শিক্ষার্থীদের জন্য এটা ১৮ বছর বা তার বেশি করা হয়েছে৷ সুরক্ষা অ্যাপ্লিকেশনের নিবন্ধনে ‘পেশা'র ঘরে ছাত্রছাত্রী লেখা থাকতে হবে৷'' তিনি আরো জানান, এভাবে পূরণ না করে থাকলে তাদের নিজেদের কলেজে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাধ্যমে আসতে হবে৷

করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর গত বছরের মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ৷ দীর্ঘ লকডাউন শেষে গত ১১ আগস্ট থেকে সব কিছু চালু হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে৷ তবে সংক্রমণ পরিস্থিতি অনুকূল হলে সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে টিকা দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷

টিকা নেওয়ার জন্য সুরক্ষা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে (surokkha.gov.bd) নিবন্ধন করতে হয়৷ গত ২৬ জানুয়ারিতে নিবন্ধন শুরু হয়৷ শুরুতে ৫৫ বছরের বেশি বয়সিরা টিকা পান, ধীরে ধীরে কমিয়ে জুলাই মাসে তা ২৫ বছরের বেশি বয়সিদের টিকা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়৷

এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৩১ হাজার ৯৩৪ নাগরিক টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন৷ তাদের মধ্যে ১ কোটি ৬১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৭৭ জন টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন৷ ৬২ লাখ ৫৪ হাজার ৪০২ জন পেয়েছেন দ্বিতীয় ডোজ৷

Photos from Student hostel projonmo&mongoldip's post 10/07/2021

বিশ্ব আজ এক বিরূপ পরিস্থিতিতে। করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত বিশ্বের প্রতিটি দেশ। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে এমনই বিরূপ পরিস্থিতিতে চলে যাচ্ছে যে, চিকিৎসা ব্যবস্থায় চিকিৎসকসহ পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা হিমশিম খাচ্ছে। এরূপ পরিস্থিতিতে কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে এবং হাসপাতাল বা ক্লিনিকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব না হলে যাতে প্রাথমিক চিকিৎসার ঘাটতি না হয় সে লক্ষ্যেই এই দিক-নির্দেশনামূলক প্রতিবেদন। লক্ষ্য একটাই, যাতে কভিড-১৯ এ আক্রান্ত কোনো রোগী প্রাথমিক অবস্থায় বাড়িতে বসে প্রাথমিক এবং ক্ষেত্রে বিশেষে (হাসপাতাল বা ক্লিনিক এ জায়গা না পেলে) সঠিক পদ্ধতিতে বাড়িতে চিকিৎসা নিতে পারেন। তবে, এরই মাঝে যোগযোগ রাখতে হবে বিভিন্ন হাসপাতাল বা ক্লিনিকের সাথে- যাতে প্রয়োজনে রোগীকে সেখানে স্থানান্তর করা যায়।

25/05/2021

●ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিস (সবার পড়ার জন্য অনুরোধ করবো)

সবে প্যান্ডেমিকের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সাথে একটা অসম লড়াইয়ে একটু একটু করে সামলে উঠতে শুরু করেছে আমাদের দেশ, এমতাবস্থায় ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে যথা গুজরাট, কর্ণাটক, রাজস্থানে আর একটি জীবাণুকে এপিডেমিক এক্ট এর আওতায় মহামারী ঘোষিত করা হলো। এছাড়াও উত্তরাখন্ড, তেলেঙ্গনা, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, হরিয়ানা, বিহারেও রোজ বাড়ছে এই মারণ ফাঙ্গাসের প্রকোপ। কেন্দ্র থেকে ইতিমধ্যেই প্রত্যেকটি রাজ্যকে অনুরোধ করা হয়েছে, এই ফাঙ্গাসটিকে 'Notifieable Disease' ঘোষণা করতে। এহেন পরিস্থিতিতে আমি মনে করি আমাদের প্রত্যেকের একটা বেসিক ধারণা থাকা উচিত ফাঙ্গাসটির ব্যাপারে। তাই এই লেখা।
কী নাম সেই ফাঙ্গাসের? কী তার ক্ষমতা, কী সিম্পটম, কারা টার্গেট, বাঁচার কী উপায়, ওষুধ কী?

◆পরিচয়

ফাঙ্গাসটির একধরনের ছত্রাক(mukormycetes) যার দ্বারা মিউকরমাইকোসিস রোগটি হয়। এই ফাঙ্গাস আমাদের এনভায়রেনমেন্টেই মজুত আছে।

◆কীভাবে শরীরে প্রবেশ করে?

বাতাসে ভেসে থাকা এই ফাঙ্গাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে আমাদের নাক, সাইনাস এবং লাংস এর মাধ্যমে। এ ছাড়াও শরীরের কোনও কাটা বা পোড়া অংশ থাকলে সেখান দিয়েও শরীরের ভিতরে প্রবেশ করতে পারে। যদি এই ফাঙ্গাস শরীরের কোনও কাটা বা পোড়া অংশ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে তবে লোকাল ইনফেকশন হয়। চিন্তার ব্যাপার নয় সেটা। কিন্তু যদি এই ফাঙ্গাস আমাদের শরীরে সাইনাস এর মাধ্যমে ঢোকে তবে তা ধীরে ধীরে প্রভাব ফেলে চোখে এবং ব্রেনে। ব্রেনে পৌঁছানোর পর এই ফাঙ্গাস মারাত্মক ভয়ানক রূপ ধারণ করে। তাছাড়াও এটি নাক দিয়ে ঢুকে ফুসফুসে প্রবেশ করলে পালমোনারী মিউকরমাইকোসিস তৈরি করে।

◆কেন হঠাৎ এই ফাঙ্গাস মারণ রূপ ধারণ করলো?

Aiims এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়ার মতে, এই কোভিড সিচ্যুয়েশনে স্টেরয়েডের যথেচ্ছ ব্যবহার, স্বস্তা স্টেরয়েডের ব্যবহার, সুগার লেবেলের যথেচ্ছ বাড়বাড়ন্ত, অক্সিজেন সিলিন্ডারের ফ্লো মিটারে অর্ডিনারী ট্যাপ ওয়াটারের ব্যবহার ইত্যাদি। এছাড়াও কোভিড পেশেন্টদের ইমিউনিটি কমে যাওয়ায় তাদের মধ্যে এই রোগ বেশি দেখা দিচ্ছে।

◆সিম্পটম কী?

ICMR এর মতে প্রাথমিক লক্ষ্মণ গুলো হলো সাইনাস পেন, একদিকের নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, মাথার একটা নির্দিষ্ট দিক যন্ত্রণা করা, দাঁতের যন্ত্রণা, দাঁত পড়ে যাওয়া। বড়ো বড়ো নার্সিংহোমগুলো জানাচ্ছে রুগীদের মধ্যে ঝাপসা দৃষ্টি, নাকের টিস্যু ডিস কালার হয়ে যাওয়া বা কালো হয়ে যাওয়া, মুখের ভিতর ব্ল্যাক লেসন ইত্যাদির লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছে। তাছাড়া জ্বর ও থাকছে সাথে।

◆টার্গেট কারা?

6 বছর বয়সের নিচের বাচ্চা,ডায়াবিটিস রুগী, সদ্য কোভিড থেকে সেরে ওঠা রুগী বা সেরে উঠছে, সঙ্গে (Immunocompromised eg steroids, stress or medicine induced hyperglycemia, cancer , lymphoma, Transplant patients, chronic diseases on immunosuppresants , cirrhosis liver patients , long duration ICU admitted patients) এমন রুগীরা ভীষণ সফ্ট টার্গেট। আপনার ডায়াবিটিস থাকলে, তা কন্ট্রোলে রাখুন। আর অন্য কোনও উপায় নেই সতর্ক হওয়ার।

◆ডায়াগনোসিস-

টিস্যু বায়োপসি,সিটি স্ক্যান করলে রোগটি ধরা পড়তে পারে।

◆চিকিৎসা কী?

শরীরে প্রবেশ করার পর এই ফাঙ্গাস নাকের মাধ্যমে চোখে প্রবেশ করে। তারপর ব্রেনে এট্যাক করে। ব্রেনে পৌঁছানোর পরেই এই ফাঙ্গাস মারণ রূপ নেয়। এই সময়ে আপনার প্রয়োজন এক্সপার্ট এর। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ফাঙ্গাস প্রাথমিক স্টেজে ধরা না পড়লে শরীরের বিভিন্ন পার্টের ক্ষতি সাধন করছে ফাঙ্গাসটি। শরীরের যে সমস্ত জায়গায় ফাঙ্গাসটা ছড়িয়ে পড়বে সেইসমস্ত জায়গা সার্জিক্যালি রিমুভ করতে হবে। কিছু রুগী নিজেদের চোখ হারিয়েছেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে মারী।

◆কতটা রিস্কি?

ফ্যাটালিটি রেট ভীষণই হাই। Mortality রেট প্রায় ৮০ শতাংশ যদি রুগীর সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হয়। চিকিৎসা হলেও এই রেট ৪০-৫০ শতাংশ। ডাক্তারদের মতে এই ফাঙ্গাসের বিরুদ্ধে চিকিৎসার সময় যে ড্রাগ ব্যবহার করা হয় তা ভবিষ্যতে কিডনি ড্যামেজ, নিউরোলজিকাল ডিসফাংশন এবং স্ট্রোক এর সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

◆চিকিৎসার জন্য কোন ওষুধ ব্যবহার করা হয়?

আপাতত ডাক্তাররা Lipsomal Amphotericin B ব্যবহার করছেন ব্ল্যাক ফাঙ্গাস এর বিরুদ্ধে। প্রায় ২০টা ভায়াল এর প্রয়োজন একজন রুগীর রোগ নিরাময় করতে। প্রত্যেকটা ভায়াল এর দাম প্রায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা। আপাতত বাজারে এই ওষুধের এভেলেবিলিটির অবস্থা সঙ্কটজনক। এছাড়াও posaconazole ও isavuconazole ব্যাবহার করা হচ্ছে।মনে রাখবেন এই রোগের ক্ষেত্রে সেল্ফ মেডিকেশন অত্যন্ত বিপদজনক এবং যে কোনও ওষুধের ব্যবহার ডাক্তারের প্রেসক্রাইব করার পরেই করতে হবে।

◆সুরক্ষাবিধি-

১. পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন।
২.ফুল হাতা জামা প্যান্ট পরে গার্ডেনিং,ঘর পরিষ্কার করুন।
৩. মাস্ক পরুন।
৪.কোথাও কেটে বা পুড়ে গেলে সাবান জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন।
৫.নোংরা,ধুলোময় জায়গা দিয়ে যাতায়াত এড়িয়ে চলুন।
৬.বাগানে কাজ করার সময় পায়ে জুতো এবং হাতে গ্লাভস ব্যবহার করুন।
৭.হাতে পায়ের নখ কেটে পরিষ্কার রাখুন।
৮.সর্বোপরি সচেতন হোন। সচেতনতা ছাড়া এই রোগ থেকে আমরা বাঁচতে পারবো না।

সোর্স - সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন।

17/04/2021

করোনা নিয়ে আমাদের অবচেতনের ভাবনা-চিন্তা, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা!

কোটিপতি লেপ-তোশকওয়ালা 09/02/2021

হবিগঞ্জের ছেলে জাকের জাহান ওরফে শুভ্র। মাত্র ৩৩ বছর বয়সেই একজন সফল উদ্যোক্তা। গড়ে তুলেছেন ‘লিভিংটেক্স’। ব্যেবসায় সফল তরুণদের এগিয়ে যাওয়ার তালিকায় জাকের জাহান ওরফে শুভ একটি তারার নাম। স্টুডেন্ট হোস্টেল প্রজন্মের ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য তার সফল উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প তুলে ধরা হলো........

কোটিপতি লেপ-তোশকওয়ালা হবিগঞ্জের ছেলে জাকের জাহান ওরফে শুভ্র ঢাকায় এসেছিল নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়তে। পড়া শেষ করে পুরোপুরি থি....

24/11/2020

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে সতর্ক ও সচেতন হই।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম ধাক্কা এখনো শেষ হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হওয়ায় নতুন করে লক-ডাউন, শাট-ডাউনসহ সামাজিক-অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নানামুখী নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। বিশেষত শীতপ্রধান দেশগুলোতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ এরই মধ্যে উদ্বেগ-আতংকের জন্ম দিয়েছে। আমাদের দেশেও শীতকাল সমাগত। আসছে শীতে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনো করোনা পরীক্ষায় আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখজনক ভাবে বেড়ে গেছে। এহেন বাস্তবতার মধ্যে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় মানুষের অনীহা, অসতর্কতা এবং বেপরোয়া মনোভাব দেখা যাচ্ছে। করোনাভাইরাস সময়ে সময়ে তার প্রকৃতি পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। আসন্ন শীতে আমাদের দেশে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হলে তার প্রকৃতি কি রকম হবে তা অজানা। তা মোকাবেলার জন্য সরকারের তরফ থেকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সরকারের পাশাপাশি স্টুডেন্ট হোস্টেল প্রজন্ম হোস্টেল কর্তৃপক্ষ পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়েছে এবং করনার শুরু থেকে হোস্টেলের ছাত্র/ছাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য সকল ছাত্র-ছাত্রীদের “নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য নির্দেশিকা (করনীয় ও অকরনীয়)” শিরনামে নির্দেশনা প্রদান করেছে এবং তা মেনে চলার ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। করোনা প্রতিরোধে ইতিমধ্যে গৃহিত পদ্ধতিগুলো যা আমাদের সকলের জানা তার উপরই আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে।

করোনার দ্বিতীয় ধাপে সংক্রমণ মারাত্মক ও ব্যাপক প্রাণঘাতি হয়ে ওঠার আগেই তা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। জনসমাগম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রচলিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন ও সতর্ক হওয়ার বিকল্প নেই। মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতাই পারে করোনা থেকে আপনাকে মুক্ত রাখতে।নিজে ভালো থাকুন অন্যকেও ভালো থাকতে সহায়তা করুন।

23/11/2020

স্টুডেন্ট হোস্টেল প্রজন্মে আপনাদের স্বাগতম।

যে সকল ছাত্র/ছাত্রীরা হোস্টেলে ভর্তির জন্য ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন এবং ভর্তি হতে ইচ্ছুক তারা আগামি ২০ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখের মধ্যে (সরকারি ছুটি ব্যতীত) অত্র অফিসে এসে ভর্তি হতে পারবেন।

যোগাযোগ ঠিকানাঃ

স্টুডেন্ট হোস্টেল প্রজন্ম
নির্ঝর আবাসিক এলাকা
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা ১২০৬
০১৭৬৯-০৩৫ ১৬৭ (হোস্টেল সুপার)

21/11/2020

স্টুডেন্ট হোস্টেল প্রজন্মে আপনাদের স্বাগতম।

যে সকল ছাত্র/ছাত্রীরা হোস্টেলে ভর্তির জন্য ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন তাদেরকে ভর্তির জন্য অত্র হোস্টেলে যোগাযোগ করতে বলা হলো।

প্রত্যেক ছাত্র/ছাত্রীকে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আমাদের অফিসে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সাথে জামানত (সিকিউরিটি মানি যা পরবর্তীতে ফেরত যোগ্য) বাবদ ১০,৫০০/- টাকা এবং নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের সিট রেন্ট বাবদ ৩,০০০/- টাকা জমা করে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

আমাদের আসন সংখ্যা খুব সীমিত তাই দেরি না করে আজই আপনার সিট বুকিং দিন।

যোগাযোগ ঠিকানাঃ
স্টুডেন্ট হোস্টেল প্রজন্ম
০১৭৬৯-০৩৫ ১৬৭ (হোস্টেল সুপার)
নির্ঝর আবাসিক এলাকা
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা ১২০৬

প্রজন্ম হোস্টেল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম 11/06/2020

স্টুডেন্ট হোস্টেল প্রজন্মে আপনাদের স্বাগতম।

১। ছাত্র-ছাত্রীরা অনলাইনে নতুন ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে ।

২। নতুন ভর্তির আবেদন করতে projonmohostel.com প্রবেশ করে নতুন ভর্তি আবেদন ক্লিক করুন অথবা http://projonmohostel.com/registration/ প্রবেশ করে নতুন ভর্তি সংক্রান্ত সকল তথ্য প্রদান করে নতুন ভর্তির আবেদন সম্পন্নকরণ করুন । ছাত্র/ছাত্রীরা অনলাইনে আবেদন জমার প্রেক্ষিতে একটি সিরিয়াল প্রাপ্ত হবে। পরবর্তীতে সেই সিরিয়াল অনুযায়ী নামীয় তালিকা জমাকারী অনলাইনে দেখতে পাবে।

৩। ছাত্র-ছাত্রীরা অনলাইনে ভর্তির পাশাপাশি আমাদের অফিসে এসে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করে তা পূরণ করে অত্র অফিসে জমার মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

আমাদের আসন সংখ্যা খুব সীমিত তাই দেরি না করে আজই আপনার সিট বুকিং দিন।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ শুধুমাত্র ঢাকার বাহিরে চাকুরীরত এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ও প্রতিরক্ষা খাত হতে বেতনভুক্ত সন্তানদের জন্য প্রযোজ্য।

যোগাযোগ ঠিকানাঃ
স্টুডেন্ট হোস্টেল প্রজন্ম
০১৭৬৯-০৩৫ ১৬৭ (হোস্টেল সুপার)
নির্ঝর আবাসিক এলাকা
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা ১২০৬

প্রজন্ম হোস্টেল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম Material design admin template with pre-built apps and pages

07/06/2020

করোনা প্রতিরোধে "স্টুডেন্ট হোস্টেল প্রজন্ম" পরিবারের সকল ছাত্র/ছাত্রীদের সাবধান এবং সচেতন থাকতে অনুরোধ করছি। নিজে ভালো থাকুন অন্যকেও ভালো থাকতে সহায়তা করুন।করোনাভাইরাসে আতঙ্কে গোটা বিশ্ব। ঘরের বাইরে বের হতে মাস্ক পরার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এক্ষেত্রে এন-৯৫ মাস্ক আদর্শ হলেও তা না পাওয়া গেলে সাধারণ সার্জিক্যাল মাস্ক বা ত্রিস্তরীয় কাপড়ের মাস্কও ব্যবহার করতে পারেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কিংবা সিডিসি আটলান্টার মতো সংস্থা এন-৯৫ র মতো মাস্ক একবার ব্যবহারের পরামর্শই দিয়েছে এ পর্যন্ত। যদিও, সম্প্রতি আমেরিকার ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখিয়েছেন, নির্দিষ্ট পদ্ধতি মানলে দ্বিতীয়বারও ব্যবহার করা সম্ভব এন-৯৫ মাস্ক।তবে, বাজারে প্রচলিত অন্য মাস্ক (এন-৯৫ নয়), সার্জিক্যাল মাস্ক এমনকী ত্রিস্তরীয় কাপড়ের মাস্কও কি দ্বিতীয় বার ব্যবহার করা সম্ভব? করা গেলে কীভাবে, চলুন দেখে নিই মাস্ক পুনরায় ব্যবহারে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সাকলাইন এর নির্দেশনা………

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

Nirjhor Residential Area, Dhaka Cantonment , Dhaka1206
Dhaka
1206