আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ফ্রাইডে স্পেশাল অফলাইন ব্যাচ। ৫০% ডিস্কাউন্টে ভর্তি চলছে।
Exprocoder IT Institute
Exprocoder providing IT training and all kinds of online based services.
Friday Special Batch!
অফ্লাইন কোর্স যারা করতে চান তাদের জন্য অফলাইন ব্যাচে অর্তি চলছে। ক্লাস শুরু ১৫ই মে, ২০২৬।
04/05/2026
04/05/2026
Dream of every freelancer
03/05/2026
ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের বিবর্তন: রেডিও সিগন্যাল থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) পর্যন্ত! 🚀🌐
আজকাল আমরা স্ক্রল করলেই হাজারো বিজ্ঞাপন দেখি, কিন্তু আপনি কি জানেন ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের শুরুটা কীভাবে হয়েছিল? চলুন সংক্ষেপে জেনে নিই এর রোমাঞ্চকর ইতিহাস!
১. প্রথম পদক্ষেপ (১৮৯৬ - ১৯৯০): 📻
অনেকেই মনে করেন ইন্টারনেট দিয়েই এর শুরু, কিন্তু ১৮৯৬ সালে মার্কোনি যখন প্রথম রেডিও সংকেত পাঠিয়েছিলেন, তখনই ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের বীজ বপন করা হয়েছিল। এরপর ১৯৯০ সালে 'Archie' নামক প্রথম সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের দুনিয়ায় মার্কেটিংয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
২. ইমেইল ও ব্যানারের যুগ (১৯৯০ - ২০০০): 📧
১৯৯৩ সালে প্রথম ক্লিকযোগ্য ওয়েব ব্যানার চালু হয়। এরপর ১৯৯৪ সালে শুরু হয় ইমেইল মার্কেটিং। ইয়াহু (Yahoo!) এবং গুগল (Google) এর আগমনে তথ্য খোঁজার ধরণ বদলে যায় এবং ব্যবসায়ীরা অনলাইনের গুরুত্ব বুঝতে শুরু করেন।
৩. সোশ্যাল মিডিয়ার বিপ্লব (২০০০ - ২০১০): 📱
এই দশকেই আমরা দেখেছি ফেসবুক (Facebook), ইউটিউব (YouTube) এবং টুইটারের (Twitter) জন্ম। মানুষ একে অপরের সাথে যুক্ত হতে শুরু করে এবং মার্কেটিং হয়ে ওঠে 'পার্সোনালাইজড'। গুগলের 'AdWords' বিজ্ঞাপন দেওয়ার পুরো ধারণাই পাল্টে দেয়।
৪. স্মার্টফোন ও ডাটা চালিত মার্কেটিং (২০১০ - ২০২০): 📱📊
স্মার্টফোনের সহজলভ্যতা মার্কেটিংকে মানুষের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসে। বড় বড় কোম্পানিগুলো এখন আপনার পছন্দ-অপছন্দ বিশ্লেষণ করে (Big Data) ঠিক আপনার প্রয়োজনীয় পণ্যটির বিজ্ঞাপন আপনার সামনে নিয়ে আসছে। এসইও (SEO) এবং কনটেন্ট মার্কেটিং হয়ে ওঠে ব্যবসার মেরুদণ্ড।
৫. বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ (২০২০ - বর্তমান): 🤖✨
এখন আমরা বাস করছি AI (Artificial Intelligence) এবং অটোমেশনের যুগে। চ্যাটবট, ভয়েস সার্চ এবং ডাটা সায়েন্স ব্যবহার করে মার্কেটিং এখন আরও নিখুঁত। এখন বিজ্ঞাপন মানে শুধু বিক্রি নয়, বরং কাস্টমারের সাথে একটি সম্পর্ক তৈরি করা।
সারসংক্ষেপ: 💡
সময়ের সাথে সাথে শুধু মাধ্যম বদলেছে, কিন্তু মূল লক্ষ্য রয়ে গেছে একই—সঠিক মানুষের কাছে সঠিক সময়ে সঠিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া। যারা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমকে আপন করে নিয়েছে, তারাই আজ সফল।
আপনার কী মনে হয়? আগামী ১০ বছরে ডিজিটাল মার্কেটিং কোন পর্যায়ে পৌঁছাবে? কমেন্টে জানান! 👇
27/04/2026
🚀 ভবিষ্যতের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে নিজেকে এগিয়ে রাখতে চান? 🎯
বর্তমান সময়ে ব্যবসা হোক বা ক্যারিয়ার—সবই এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নির্ভর। প্রথাগত মার্কেটিংয়ের দিন শেষ! এখন সঠিক অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছাতে হলে আপনার প্রয়োজন আধুনিক ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিল। কেন এই কোর্সটি আপনার জন্য জরুরি?
ক্যারিয়ারের নিশ্চয়তা: ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বা লোকাল জব—সবখানেই ডিজিটাল মার্কেটারদের চাহিদা তুঙ্গে।
ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি: নিজের ব্যবসাকে সোশ্যাল মিডিয়া ও সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে দিন।
স্মার্ট ইনকাম: ঘরে বসেই গ্লোবাল ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করার সুযোগ।
আমাদের এই বিশেষ কোর্সে আপনি পাচ্ছেন ইন্ডাস্ট্রি লিডিং সব মডিউল এবং এক্সপার্ট গাইডলাইন।
📚 কোর্সের বিস্তারিত মডিউল:
✅ Meta Andromeda (Basic to Advanced): লেটেস্ট মেটা আপডেট ও অ্যাডভান্সড ট্র্যাকিং।
✅ TikTok Ads: বর্তমানের ট্রেন্ডিং প্ল্যাটফর্মে সেলস জেনারেট করার টেকনিক।
✅ Search Engine Marketing (SEM): গুগল অ্যাডস ও সার্চ নেটওয়ার্কের মাস্টারক্লাস।
✅ SEO Masterclass: অর্গানিক গ্রোথ ও কি-ওয়ার্ড র্যাঙ্কিংয়ের সিক্রেট।
✅ Basic WordPress & Shopify: কোডিং ছাড়াই ল্যান্ডিং পেইজ ও স্টোর তৈরি।
🌟 আমাদের বিশেষ সুবিধাসমূহ:
🎤 Live Classes: সরাসরি মেন্টরের সাথে লাইভ ক্লাস ও রিয়েল-টাইম প্রজেক্টে কাজ করার অভিজ্ঞতা।
🎥 Recorded Backup: প্রতিটি ক্লাসের হাই-কোয়ালিটি রেকর্ডিং থাকবে আজীবনের জন্য।
🤝 Lifetime Support: যেকোনো টেকনিক্যাল সমস্যায় বা কাজে আটকে গেলে পাবেন আজীবন সাপোর্ট।
🎓 Internship & Certificate: সফলভাবে কোর্স শেষে থাকছে সার্টিফিকেট এবং সরাসরি ইন্টার্নশিপের সুযোগ।
📅 ব্যাচ ডিটেইলস:
⏰ ক্লাস টাইম: রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার (রাত ৮:৩০ মিনিট)
📅 ক্লাস শুরু: ১৪ই মে, ২০২৬
আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট হওয়ার যাত্রা শুরু হোক আজই! নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলুন এবং বদলে ফেলুন আপনার ভবিষ্যৎ।
🔗 ভর্তির জন্য ইনবক্স করুন
22/04/2026
নতুন প্রযুক্তি আসা মানেই কাজ শেষ হয়ে যাওয়া নয়, বরং কাজের ধরণ পরিবর্তন হওয়া। ইতিহাসে এমন অনেক উদাহরণ আছে যেখানে মনে করা হয়েছিল প্রযুক্তি মানুষের রুটি-রুজি কেড়ে নেবে, কিন্তু বাস্তবে তা কর্মসংস্থান আরও বাড়িয়েছে।
নিচে এমন কিছু শক্তিশালী উদাহরণ দেওয়া হলো:
১. কম্পিউটারের আবিষ্কার (The Computer Revolution)
যখন সত্তোর-আশির দশকে অফিসে কম্পিউটার আসা শুরু হলো, তখন হিসাবরক্ষক (Accountants) এবং টাইপিস্টরা খুব ভয়ে ছিলেন যে তাদের চাকরি থাকবে না।
বাস্তবতা: কম্পিউটার আসার ফলে ডাটা এন্ট্রি, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, আইটি সাপোর্ট এবং ডিজিটাল অ্যানালাইসিসের মতো লক্ষ লক্ষ নতুন কাজের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। আজ কম্পিউটার ছাড়া কোনো অফিস চিন্তাই করা যায় না।
২. এটিএম বুথ ও ব্যাংকিং (ATMs in Banking)
সত্তরের দশকে যখন ATM মেশিন চালু হলো, অনেকে ভেবেছিলেন ব্যাংক টেলার বা ক্যাশিয়ারদের আর প্রয়োজন হবে না।
বাস্তবতা: দেখা গেল, এটিএম-এর কারণে ব্যাংক চালানোর খরচ কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলো আরও বেশি শাখা খুলতে শুরু করল। এতে টেলারদের সংখ্যা কমার বদলে আরও বেড়ে গেল, কারণ তারা তখন শুধু টাকা গণনার বদলে গ্রাহকদের লোন বা বীমার মতো জটিল সেবা দিতে সময় পেলেন।
৩. ই-কমার্স এবং অনলাইন শপিং (E-commerce)
অনলাইন শপিং আসার পর ধারণা করা হয়েছিল রিটেইল শপ বা দোকানের সেলসম্যানদের চাকরি চলে যাবে।
বাস্তবতা: দোকান হয়তো কিছু কমেছে, কিন্তু তার বদলে লজিস্টিকস, ডেলিভারি পারসন, গুদামঘর ব্যবস্থাপনা (Warehouse management) এবং ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরে কোটি কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
৪. অটোমোবাইল বা গাড়ি (Horse-less Carriages)
যখন ঘোড়ার গাড়ির বদলে মোটর গাড়ি এলো, তখন কোচম্যান বা ঘোড়ার গাড়ি চালকরা ভেবেছিলেন তাদের দিন শেষ।
বাস্তবতা: ঘোড়ার গাড়ি বিলুপ্ত হলেও অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রি তৈরি হওয়ার ফলে মেকানিক, ড্রাইভার, রোড কনস্ট্রাকশন এবং গ্যাস স্টেশনে কাজ করা মানুষের সংখ্যা আগের চেয়ে হাজার গুণ বেড়ে গেছে।
৫. এআই (AI) এর বর্তমান প্রভাব
এআই-কেও অনেকটা এই আগের প্রযুক্তিগুলোর মতোই দেখা হচ্ছে। এটি মূলত মানুষের সহকারী হিসেবে কাজ করছে।
উন্নতি: এআই আসার ফলে এখন 'প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং', 'এআই ডাটা লেবেলিং', এবং 'অটোমেশন স্পেশালিস্ট' এর মতো সম্পূর্ণ নতুন পেশা তৈরি হচ্ছে। আপনার মতো যারা এআই ড্রাইভেন ডিজিটাল মার্কেটিং শিখছেন, তারা সাধারণ মার্কেটারদের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত এবং নিখুঁত কাজ করতে পারছেন, যা ব্যবসার প্রসারে সাহায্য করছে।
সারকথা: প্রযুক্তি মানুষকে কর্মহীন করে না, বরং যারা প্রযুক্তির সাথে নিজেকে আপডেট করতে পারে না, তারাই পিছিয়ে পড়ে। এআই ব্যবহার করে একজন মানুষ এখন আগের চেয়ে ১০ গুণ বেশি কাজ করতে সক্ষম, যা নতুন নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরি করছে।
21/04/2026
২০২৬ সালের সেরা অফার!
16/04/2026
আমরা এখন এমন এক সময়ে বাস করছি যেখানে সকালের কফি থেকে শুরু করে রাতের ডিনার—সবই ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল। এই ডিজিটাল বিপ্লবের যুগে আপনি স্টুডেন্ট, চাকুরিজীবী কিংবা একজন উদ্যোক্তা যাই হোন না কেন, ডিজিটাল মার্কেটিং জানাটা এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং সময়ের দাবি।
কেন আপনার এটি শেখা উচিত? চলুন মূল কারণগুলো দেখে নিই:
১. ক্যারিয়ারের অবারিত সুযোগ 💼
বর্তমানে লোকাল কোম্পানি থেকে শুরু করে মাল্টিন্যাশনাল ব্র্যান্ড—সবারই একজন দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার প্রয়োজন। আপনি যদি এই স্কিলটি আয়ত্ত করতে পারেন, তবে চাকুরির বাজারে আপনি অন্যদের থেকে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকবেন।
২. উদ্যোক্তা হওয়ার সহজ পথ 📈
আপনার যদি ছোট কোনো ব্যবসা বা স্টার্টআপ থাকে, তবে ডিজিটাল মার্কেটিং আপনার সেরা অস্ত্র। কম খরচে সঠিক কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে এর কোনো বিকল্প নেই। নিজের পণ্যের ব্রান্ডিং আপনি নিজেই করতে পারবেন।
৩. ঘরে বসে আয়ের সুযোগ (Freelancing) 🌍
আপনি চাইলে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করতে পারেন। ফাইবার (Fiverr) বা আপওয়ার্কের (Upwork) মতো মার্কেটপ্লেসে ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিসের চাহিদা আকাশচুম্বী।
৪. সৃজনশীলতা ও টেকনিক্যাল স্কিলের সমন্বয় 🎨
এখানে যেমন সৃজনশীল চিন্তার সুযোগ আছে, তেমনি আছে ডেটা অ্যানালাইসিস বা টেকনিক্যাল কাজের মজা। এই বৈচিত্র্যময় কাজের ক্ষেত্র আপনার চিন্তাশক্তিকে আরও উন্নত করবে।
৫. ভবিষ্যৎ সব ডিজিটাল 🔮
ট্রেডিশনাল মার্কেটিং দিন দিন ম্লান হয়ে আসছে। ভবিষ্যতের পৃথিবী হবে ডেটা এবং অটোমেশনের। তাই নিজেকে আপডেট না রাখলে এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।
16/04/2026
আপনি কি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করতে চান? কিন্তু অনলাইন ক্লাসে ঠিকমতো বুঝতে পারছেন না? আপনাদের কথা চিন্তা করেই আমরা নিয়ে এসেছি সম্পূর্ণ অফলাইন ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স। সরাসরি ল্যাবে বসে হাতে-কলমে শেখার সুবর্ণ সুযোগ!
🎯 কোর্সে যা যা থাকছে:
✅ ৪ মাসের কমপ্লিট গাইডলাইন।
✅ সপ্তাহে ১ দিন (শুক্রবার) ৩ ঘণ্টার ইনটেনসিভ ক্লাস।
✅ সরাসরি ল্যাবে প্র্যাকটিক্যাল প্রজেক্টে কাজ করার সুযোগ।
✅ মার্কেটপ্লেস ও লোকাল ক্লায়েন্ট হ্যান্ডেলিং সাপোর্ট।
কেন আমাদের বেছে নেবেন?
আমাদের ক্লাসে আসন সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত (মাত্র ১৫ জন), যাতে প্রতিটি স্টুডেন্টকে আলাদাভাবে সময় দেওয়া এবং গাইড করা সম্ভব হয়।
📍 ঠিকানা: কনফিডেন্স সেন্টার, শাহজাদপুর, ঢাকা।
📞 ভর্তির জন্য কল করুন: ০১৭৫৮৭৮২০১৯
আসন সংখ্যা সীমিত! আজই আপনার সিটটি নিশ্চিত করুন। 🏃♂️💨
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1212