Voice of islam

Voice of islam

Share

Basic knowledge

03/11/2024

ইনশাআল্লাহ,,
দেখা হচ্ছে রাজপথে....

27/08/2024
27/08/2024

আলহামদুলিল্লাহ,
মানবতার ফেরিওয়ালা..

27/08/2024

আলহামদুলিল্লাহ...
ইসলামের সৈনিক কখনো দাওয়াত থেকে বিরত থাকে না।

11/12/2023

ধূ-ধূ দিগন্ত থেকে আমি স্বপ্ন দেখি তোমার উত্থানের। আমি জানি, তোমার বুকে গেঁথে আছে বেদনার সহস্র উপাখ্যান। কত স্বপ্ন থমকে গেছে এখানে.. কত সূর্য অর্ধেক উঠে ডুবে গেছে। পৃথিবীর সব রাত শেষ হয়ে দিন হয়ে যায়। কিন্তু, তোমার চারপাশে যেন অন্ধকারের উহুদ পর্বত!

তবুও আমি জানি, খুব শীঘ্রই তুমি উঠে দাঁড়াবে। বিজয়ের প্রথম ভোরটা তুমিও দেখবে, সবার আগেই। যে শিরদাঁড়া নুইয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়, সেটা একবার উঠে দাঁড়ালে আকাশ ছাড়িয়ে যায়।

যে আগুন জ্বলজ্বল করে জ্বলছে তোমার শরীরে, সে আগুনেই ছাই হয়ে যাবে সব বেইনসাফ। যে ক্রোধের হিসেব জমছে একটু-একটু করে, সেই ক্রোধ থেকেই জেগে উঠবে আজাদীর আগ্নেয়গিরি।
ইনশা-আল্লাহ।

__ __মোনাব্বির হাসান...

..
..

07/10/2023

লেখাটি হৃদয় ছুঁয়েছে....৷

বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা. এর পিতা আব্দুল্লাহ, একদিন মক্কার বাজারে গিয়েছিলেন কিছু কেনা-কাটা করার জন্য I এক জায়গায় তিনি দেখলেন, এক লোক কিছু দা'স- দা'সী নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বিক্রি করছে I

আব্দুল্লাহ দেখলেন সেখানে দাঁড়িয়ে আছে, একটা ছোট নয় বছরের কালো আফ্রিকান আবিসিনিয়ার মেয়ে I মেয়েটাকে দেখে আব্দুল্লাহর অনেক মায়া হলো, একটু রু'গ্ন হালকা-পাতলা কিন্তু কেমন মায়াবী ও অ'স'হা'য় দৃ'ষ্টি দিয়ে তাঁকিয়ে আছে I

তিনি ভাবলেন ঘরে আমেনা একা থাকেন, মেয়েটা পাশে থাকলে তার একজন স'ঙ্গী হবে I এই ভেবে তিনি মেয়েটাকে কিনে নিলেন I

মেয়েটিকে আব্দুল্লাহ ও আমেনা অনেক ভালোবাসতেন I স্নেহ করতেন I এবং তারা লক্ষ্য করলেন যে, তাদের সংসারে আগের চেয়েও বেশি রাহমাত ও বরকত চলে এসেছে I
এই কারণে আব্দুল্লাহ ও আমেনা মেয়েটিকে আদর করে নাম দিলেন "বারাকাহ"I

এই গল্প, বারাকার গল্প I

তারপর একদিন আব্দুল্লাহ, ব্যবসার কারণে সিরিয়া রওনা দিলেন I আমেনার সাথে সেটাই ছিল উনার শে'ষ বি'দায় I

উনার যাত্রার দুই এক দিন পর আমেনা একরাতে স্বপ্নে দেখলেন, আকাশের একটা তারা যেন খুব আলো করে তার কোলে এসে পড়লো I

পরদিন ভোরে তিনি বারাকাকে এই স্বপ্নের কথা বললেন I
উত্তরে বারাকা মৃ'দু হেসে বললেন, "আমার মন বলছে আপনার একটা সুন্দর সন্তানের জন্ম হবে"

আমেনা তখনও জানতেন না তিনি গ'র্ভ ধারণ করেছেন কিন্তু কিছুদিন পর তিনি বুঝতে পারলেন, বারাকার ধারণাই সত্যি I

আব্দুল্লাহ আর ফিরে আসেন নি, সিরিয়ার পথেই মৃ'ত্যু'বরণ করেছেন I

আমেনার সেই বিরহ ও ক'ষ্টে'র সময়ে, বারাকা ছিলেন একমাত্র সবচেয়ে কাছের স'ঙ্গী I

একসময় আমেনার অপেক্ষা শেষ হয় এবং তিনি জন্ম দিলেন আমাদের প্রিয় নবীকে I

শেখ ওমর সুলাইমানের বর্ণনা অনুযায়ী, সর্বপ্রথম আমাদের নবীকে দেখার ও স্পর্শ করার সৌভাগ্য হয়েছিল যে মানুষটির, সে হলো এই আফ্রিকান ক্রিতদাসী ছোট কালো মেয়েটি I

আমাদের নবীকে নিজ হাতে আমেনার কোলে তুলে দিয়েছিলেন, আনন্দে ও খুশিতে বলেছিলেন,
"আমি কল্পনায় ভেবেছিলাম সে হবে চাঁদের মত কিন্তু এখন দেখছি, সে যে চাঁদের চেয়েও সুন্দর "

এই সেই বারাকা I নবীজির জন্মের সময় উনার বয়স ছিল তের বছর I ছোটবেলায় শিশু নবীকে আমেনার সাথে যত্ন নিয়েছেন, গোসল দিয়েছেন, খাওয়াতে সাহায্য করেছেন,আদর করে ঘুম পাড়িয়েছেন I

মৃ'ত্যু'র সময় আমেনা, বারাকার হাত ধরে অনুরোধ করেছিলেন তিনি যেন তাঁর সন্তানকে দেখে শুনে রাখেন I
বারাকা তাই করেছিলেন Iবাবা-মা দুজনকেই হারিয়ে, ইয়াতিম নবী চলে আসলেন দাদা আবদুল মোত্তালিবের ঘরে I

উত্তরাধিকার সূত্রে নবী হলেন বারাকার নতুন মনিব I
কিন্তু তিনি একদিন বারাকাকে মুক্ত করে দিলেন, বললেন,
-"আপনি যেখানে ইচ্ছে চলে যেতে পারেন , আপনি স্বাধীন ও মুক্ত I"

সেই শিশুকাল থেকেই নবী এই ক্রীতদাস প্রথাকে দূর করতে চেয়েছিলেন Iবারাকা নবীকে ছেড়ে যেতে রাজি হলেন না I রয়ে গেলেন I মায়ের ছায়া হয়ে পাশে থেকে গেলেন I

এমনকি নবীজির দাদা উনাকে বিয়ে দেয়ার জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তিনি কিছুতেই রাজি হলেন না I উনার একই কথা, -"আমি আমেনাকে কথা দিয়েছি, আমি কোথাও যাবো না"

তারপর একদিন খাদিজা (রাঃ) এর সাথে নবীজির বিয়ে হলো I বিয়ের দিন রাসূল (সাঃ) খাদিজা (রাঃ) এর সাথে বারাকাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন I তিনি বললেন, "উনি হলেন আমার মায়ের পর আরেক মা "

বিয়ের পর রাসূল (সাঃ) একদিন বারাকাকে ডেকে বললেন,
-"উম্মি ! আমাকে দেখাশুনা করার জন্য এখন খাদিজা আছেন, আপনাকে এখন বিয়ে করতেই হবে I" (নবীজি উনাকে উম্মি ডাকতেন, নাম ধরে ডাকতেন না )

তারপর রাসূল (সাঃ) ও খাদিজা মিলে উনাকে উবাইদ ইবনে জায়েদের সাথে বিয়ে দিয়ে দিলেন I কিছুদিন পর বারাকার নিজের একটা ছেলে হলো, নাম আইমান I এরপর থেকে বারাকার নতুন নাম হয়ে গেলো "উম্মে আইমান"I

একদিন বারাকার স্বামী উবাইদ মৃত্যু বরণ করেন, নবীজি গিয়ে আইমান ও বারাকাকে সাথে করে নিজের বাড়ি নিয়ে আসেন এবং সেখানেই থাকতে দিলেন I

কিছুদিন যাওয়ার পর নবীজি একদিন বেশ কয়েকজন সাহাবীকে ডেকে বললেন,

"আমি একজন নারীকে জানি, যার কোন সম্পদ নেই, বয়স্ক এবং সাথে একটা ইয়াতিম সন্তান আছে কিন্তু তিনি জান্নাতি, তোমাদের মধ্যে কেউ কি একজন জান্নাতি নারীকে বিয়ে করতে চাও?"

এইকথা শুনে জায়েদ ইবনে হারিসা (রাঃ) নবীজির কাছে এসে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন I নবীজি উম্মে আইমানের সাথে কথা বলে বিয়ের আয়োজন করলেন I

বিয়ের দিন রাসূল (সাঃ) জায়েদকে বুকে জড়িয়ে আনন্দে ও ভালোবাসায়, ভেজা চোখে, কান্না জড়িত কণ্ঠে বললেন,
"তুমি কাকে বিয়ে করেছো, জানো জায়েদ ?"
-হাঁ, উম্মে আইমানকে I জায়েদের উত্তর I নবীজি বললেন, -"না, তুমি বিয়ে করেছো, আমার মা কে "

সাহাবীরা বলতেন, রাসূল (সাঃ) কে খাওয়া নিয়ে কখনো জোর করা যেত না I উনি সেটা পছন্দ করতেন না I কিন্তু উম্মে আইমান একমাত্র নারী, যিনি রাসূল (সাঃ) কে খাবার দিয়ে "খাও".." খাও".. বলে তাড়া দিতেন I আর খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাশে বসে থাকতেন I নবীজি মৃ'দু হেসে, চুপ চাপ খেয়ে নিতেন I

রাসূল (সাঃ) উনার দুধ মাতা হালিমাকে দেখলে যেমন করে নিজের গায়ের চাদর খুলে বিছিয়ে তার উপর হালিমাকে বসতে দিতেন ঠিক তেমনি মদিনায় হিজরতের পর দীর্ঘ যাত্রা শেষে উম্মে আইমান যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন নবীজি উনার গায়ের চাদরের একটা অংশ পানিতে ভিজিয়ে, উম্মে আইমানের মুখের ঘাম ও ধুলোবালি নিজ হাতে মুছে দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, "উম্মি ! জান্নাতে আপনার এইরকম কোন কষ্ট হবে না"

নবীজি মৃ'ত্যু'র আগে সাহাবীদের অনেক কিছুই বলে গিয়েছিলেন I সেই সব কথার মধ্যে একটা ছিল, উম্মে আইমানের কথা Iবলেছেন, "তোমরা উম্মে আইমানের যত্ন নিবে, তিনি আমার মায়ের মত I তিনিই একমাত্র নারী, যিনি আমাকে জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেছেন I আমার পরিবারের একমাত্র সদস্য, যিনি সারাজীবন আমার পাশে ছিলেন I"

সাহাবীরা সেই কথা রেখেছিলেন I গায়ের রং নয়, এক সময়ের কোন ক্রিতদাসী নয়, তাঁর পরিচয় তিনি যে নবীর আরেক মা I মায়ের মতোই তাঁরা, এই বৃদ্ধা নারীকে ভালোবেসে আগলে রেখেছিলেন I

সূত্র: ইবনে হিশাম ও শেখ ওমর সুলাইমান।

15/09/2023

~ Alhamdulillah....

We are now at the first and popular Islamic institute in Bangladesh..

পরিদর্শন করছি....
আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম বা হাটহাজারী মাদ্রাসা বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ কওমী মাদ্রাসা। এটিকে বেসরকারি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ও বলা হয়। এটি বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসা সমূহের মা বা উম্মুল মাদারিস নামে খ্যাত যা বাংলাদেশে দেওবন্দ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।

06/09/2023

এক কলেজ পড়ুয়া বোনের মন্তব্য।

আমাদের ক্লাসে একটা মেয়ে ছিলো,মৌলবি টাইপের,মেয়েটার মাঝে আলাদা একটা ব্যক্তিত্ব ছিলো,যেটা আমার খুব বিরক্ত লাগতো।

অনার্স লাইফটা যেখানে আমরা সব ফ্রেন্ডরা এনজয় করে কাটাচ্ছি ওই মেয়েটাকে দেখতাম তখন চুপচাপ বসে থাকতো সামনে একটা বই নিয়ে।ক্লাসে স্যার আসতে দেরি হলে যেখানে হৈ-হুল্লোড় করে আমরা ছেলেমেয়ে সবাই মিলে আড্ডা দিতে ব্যস্ত ছিলাম সেখানে মেয়েটাকে দেখতাম মোবাইল নিয়ে বসে থাকতো।

মেয়েটাকে কেনো জানি আমার প্রথম থেকেই বিরক্তিকর লাগতো।হাতে পায়ে মোজা পরে,নেকাব লাগিয়ে মেয়েটা ক্লাস করতো,কখনো নেকাব খুলতো না ক্লাসে ইভেন কমনরুমে ও মেয়েদের সামনে নেকাব খুলতো না।
আমার কাছে মেয়েটাকে ওভার স্মার্ট মনে হতো বা মাঝে মাঝে মনে হতো যে আটেনশান সিকার।
মেয়েটার সাথে আমার কিসের এতো দ্বন্দ্ব ছিলো আমি জানি না।

আমাদের হাফ ইয়ার্লি এক্সামের পর সেদিন ক্লাসে রাজিব স্যার জিজ্ঞেস করলেন তোমাদের এখানে রোল ৬০৪ কার?
মেয়েটা উঠে দাড়ালো।
স্যারঃ তোমার নাম কি?
মেয়েটাঃ আয়েশা বিনতে আশরাফ।
স্যারঃ আমি কাল রাতে তোমাদের ইকোনমিকস খাতা দেখেছি,সবগুলো খাতার চাইতে তোমার খাতার প্রেজেন্টেশন আমার অনেক ভালো লেগেছে।তোমার লেখা ও অনেক সুন্দর যাকে বলে মুক্তার মতো অক্ষর, তুমি কি জানো সেটা??
আয়েশাঃ জ্বী স্যার,আমি স্কুল লাইফ থেকেই শুনে আসছি কথা টা।
স্যারঃ তুমি সবার চাইতে বেশী মার্কস পেয়েছো,তোমার খাতা আমি আজকে আমার সব ক্লাসে দেখিয়েছি স্টুডেন্ট দের,যাতে ফাইনাল এক্সামে সবাই তোমার মতো করে খাতা প্রেজেন্ট করে,আমরা স্যাররা খাতার সব লিখা পড়ি না,খাতার প্রেজেন্টেশনটা আগে দেখি,সেটা দেখেই স্টুডেন্ট দের মূল্যায়ন করা হয়।

স্যার যখন আয়েশার খাতা সবাইকে দেখাচ্ছে আমার কেনো জানি হিংসা হচ্ছে,আমার মনে হচ্ছিলো এই মেয়ে না থাকলে স্যার আমার খাতায় সবাইকে দেখাতো আমার লিখাও তো অনেক সুন্দর।

আয়েশার উপর আমার রাগ দিন দিন বাড়তেছে,ওরে একটা শিক্ষা দিতে ইচ্ছে করতেছে।যদিও মেয়েটা জানে না আমি যে ওরে এতো অপছন্দ করি।
মেয়েটা ক্লাসে কারো সাথেই খুব একটা কথা বলে না।

সেদিন ক্লাসের পরে শপিং মলে যাই ৩টা ফ্রেন্ড মিলে,আমি যাই একটা ড্রেস নিতে,আয়েশাও যায় দোকানে বোরকা নিতে।দোকানি ছেলেটা অনেকগুলো ড্রেস বের করে,আয়েশার জন্য বোরকা বের করে।
দোকানী দের ট্রিকস হচ্ছে মানুষকে পাম্প দেয়া আমাকে একটা ড্রেস দেখিয়ে বললো ম্যাডাম,এই ড্রেসটা নেন,বিশ্বাস করেন আপনাকে হট লাগবে এটাতে,প্রাইস ও রিজনেবল,আমি জানি এই কথা ওনারা সবাইকে বলে,তবু আমি খুশি হয়ে উঠছিলাম শুনে,মনে হচ্ছে সত্যি আমাকে অনেক সুন্দর লাগবে।খুশিতে গদগদ হয়ে গেলাম আমি শুনে,ঠিক করলাম এটাই নিবো।
জ্বী ভাইয়া,তাইলে প্যাক করে দেন ড্রেসটা।

আয়েশাকে বোরকা দিয়ে বললো আপু,এই যে নেন।

আমি অবাক হলাম,লোকটা আমাকে ম্যাডাম বললো আর ওরে আপু,কাকে বেশি সম্মান দিলো??

হাফ ইয়ার্লি রেজাল্টে আয়েশা ১ম হলো, আর আমি ২য়।
আমার চাইতে ৪৭ মার্কের ব্যবধানে ও ১ম হলো। রাগে আমার মাথার চুল ছিড়তে ইচ্ছে করে।

আমাকে ওর মতো হতেই হবে নিজের মধ্যে একটা জেদ চেপে যায়।কেনো যেনো রাগে ওরে অনেকগুলো কথা শুনিয়ে ফেলি।আয়েশা আমার সব কথা চুপচাপ শুনে যায়,কিছুই বলে না।
ওর মৌনতা আমার আরো রাগ বাড়ায়।
আমিঃ এরকম বোরকা,হাতে পায়ে মোজা সবাই লাগাতে পারে, এতে করে নিজেকে সস্তা প্রমাণ করা ছাড়া আর কিছুই হয় না,জানো তুমি সেটা???
তোমার তো এসব লোক দেখানো।

আয়েশাঃ তুমি পারবে ১০ দিন এরকম করে আসতে আমার মতো??

এই প্রথম আয়েশা জবাব দিলো আমার কথার।

আমিঃ ১০০ বার পারবো,এটা কোনো বিষয় হলো!!
আয়েশাঃ ঠিক আছে,চ্যালেঞ্জ ১০ দিনের। যদি তুমি জিতো তাইলে আমি কখনো তোমার চাইতে বেশি মার্কস পাওয়ার চেষ্টা করবো না। তোমার ১ম পজিশন কেড়ে নিবো না।

আমিঃ ঠিক আছে।

পরেরদিন সকালে বোরকা,নেকাব,হাতে পায়ে মোজা পরে বাসা থেকে বের হলাম,প্রতিদিনের মতো বাসে খুব ভীড় ছিলো, কিন্তু তারপরেও দেখলাম যে একটা লোক সীট থেকে উঠে আমাকে বসার জায়গা করে দিলো,যেখানে অন্যসব দিনে আমাকে দাড়িয়ে মানুষের সাথে ঠেলাঠেলি করে যেতে হয়।
অথচ আজ এভাবে কেউ সীট ছেড়ে দিলো যা আমার জীবনের প্রথম।
স্টেশন থেকে ভার্সিটি ২ মিনিটের পথ,মোড়ের দোকানে কতোগুলো ছেলে বসে বসে সব সময় গান গাইতো মেয়েদের দেখলে,কার ফিগার কেমন সেটা নিয়ে নানান মন্তব্য করতো,তাই লজ্জায় মাথা নিচু করে ক্লাসে যেতে হতো,কিন্তু আজকে তেমন কিছু হলো না।ছেলেগুলো আজকে আমাকে একটা কথা ও বললো না।আমার কেনো জানি নিজেকে খুব ভাগ্যবতী মনে হতে লাগলো।

১০ দিন খুব দ্রুতই কেটে গেলো,কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো এটাই যে,আমাকে এই ১০ দিনে একবার ও বাসে দাড়িয়ে থাকতে হয় নি।দোকানে কেউ আমাকে বলে নি এই পোশাকে আমাকে হট লাগবে,পাড়ার ছেলেগুলো আমার পিছন পিছন সিটি বাজায় নি,আমি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে শুরু করেছি,কুরআন পড়তে শুরু করেছি।
পর্দা করার গুরুত্ব,ফজীলত নানতে পেরেছি।পর্দা মেয়েদেরকে করে তোলে সম্মানিতা ।

আল্লাহ তায়া’লা বলেন,"‘(হে নারীগণ!) তোমরা আপন গৃহে অবস্থান করো এবং জাহেলিয়াতের যুগের মতো সাজসজ্জা সহকারে অবাধে চলাফেরা করো না।’ (সূরা আহজাবঃ আয়াত-৩৩)

১০ দিন পরে ও আমি বোরকায় নিজেকে আবৃত করে ক্লাসে গেলাম,আয়েশার পাশে গিয়ে বসলাম।
আয়েশাঃ তুমি জিতে গেছো।
আমিঃ না তুমি জিতে গেছো আয়েশা।আমি বুঝতে পেরেছি পর্দাতেই নারীর সৌন্দর্য। আমি বুঝতে পেরেছি হিংসা মানুষকে বিপথগামী করে,বন্ধুত্ব মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সাহায্য করে। তুমি আমাকে মাফ করে দিও,আমি তোমাকে ভুল বুঝেছিলাম।
আমাকে তোমার বন্ধু হিসেবে গ্রহন করে নিবে?
আয়েশাঃ আলহামদুলিল্লাহ,অবশ্যই তুমি আমার বন্ধু।এখন থেকে আমরা একসাথে ধর্মীয় বিধিনিষেধ মেনে চলতে একে অপরকে সাহা্য্য করো

26/08/2023

~তাঁর সাথে আবার কিসের হিসাব?
যিনি বিনা হিসাবেই দিয়ে থাকেন!💫

26/08/2023

,,,.. শুধু মাদ্রাসার ছাত্ররাই বুঝবে,,,,
..আর বাকিরা জাস্ট ছাইয়া থাকবে🤩🤩,,..

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Kishoreganj
Dhaka
NO