Nargis Tutorial

Nargis Tutorial

Share

All over the world we are passing a difficult time because of Covid 19. Stay safe and blessed.

All of our school shutdown now, As a teacher I decided to start online schooling , so students can prepare themselves for their upcoming exam.

03/06/2025

আসসালামু আলাইকুম?

24/04/2020

আমার প্রানপ্রিয় শিক্ষার্থীরা,

প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের বিষাক্ত ছোবলের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে রহমত ও বরকতের মাস মাহে রমজান।
ইতিমধ্যে নীরবে অতিবাহিত হয়েছে রজব ও শাবান, তবে করোনার প্রাদুর্ভাব মুমিনের হৃদয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে অন্যরকম এক অনুভূতি।

যে অনুভূতি ক্ষমা ও পাপ থেকে মুক্তির অনুভূতি।

তাইতো মানুষ এবারের রমজানে মসজিদমুখী হতে না পারলেও প্রতিটি ঘরকে পরিণত করবে মসজিদ ও মাদরাসায় ইনশাআল্লাহ।
শিক্ষার্থীরা,
আমি আশা করবো ইনশাআল্লাহ তোমরাও ঘরে ঘরে নামাজের মসল্লায় সেজদায় লুটিয়ে পড়বে আর রোগ-শোক ক্ষুধা-দারিদ্রতা থেকে হেফাজতের জন্য বিশ্ব-বাসির জন্য দোয়া করবে ।

আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক ভাবে জেনে বুঝে আমল করার তাউফিক দান করুন...

তোমাদের ম্যাডাম
এ কে উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ
দনিয়া, ঢাকা।

24/04/2020

Topic: Finance & Banking
Lesson_18
Student of class 9&10

23/04/2020

Topic: Finance & Banking
Lesson_17
Student of class 9&10

20/04/2020

Topic: Finance & Banking
Lesson_16
Student of class 9&10

16/04/2020

Topic: Finance & Banking
Lesson_15
Student of class 9&10

15/04/2020

Topic: Finance & Banking
Lesson_14
Student of class 9&10

14/04/2020

Topic: Finance & Banking
Lesson_13
Student of class 9&10

12/04/2020

Topic: Finance & Banking
Lesson_12
Student of class 9&10

09/04/2020

প্রিয় শিক্ষার্থী,
আজ লাইলাতুল বরাত।
আজকের রাতটি মুসলিম মিল্লাতের জন্য মহা তাৎপর্যপূর্ণ একটি রাত।
মহামারী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এবার একটি ভিন্ন পরিস্থিতিতে আমাদের সামনে শবেবরাত উপস্থিত।
সামাজিক বিচ্ছিন্নতার স্বার্থে সরকারের পক্ষ থেকে সারাদেশের মসজিদগুলোতে বড় জামাতে নামাজের বিষয়ে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।
দেশের প্রখ্যাত আলেমরাও বলছেন ঘরে নামাজ পড়তে।
তাই আজকের এই রাতে ঘরে থেকেই তোমরা সহি-শুদ্ধ ভাবে এবং পরিবারের সবাইকে নিয়ে এবাদত করবে বলেই আশা করছি।
আল্লাহ আমাদেরকে মাফ করুন আর আমাদের সকল প্রকার গুনাহ এবং কুপ্রবণতা থেকে বিরত রাখুক.....আমিন

তোমাদের জন্য দোয়া থাকলো

09/04/2020

প্রিয় শিক্ষার্থীরা,
করোনায় ঘরে থাকা ! একটু কষ্টই বটে, কিন্তু যখন এটাই নিরাপদ তখন কিন্তু ঘরে থাকাটা আমরা মেনেই নিব।
এই ঘরে থাকা ভবিষ্যতে কিভাবে আমাদের জন্য সুখের অতীত হবে, তা নিয়ে লিখেছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনষ্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ আহমেদ হেলাল...... এসো পড়ে নেই,

আতঙ্কিত হবেন না, সচেতন হোন’, ‘কোয়ারেন্টিনে থাকাকালে বই পড়ুন’,
উপদেশগুলো দেওয়া যত সহজ, পালন করা ততই কঠিন। বৈশ্বিক মহামারি একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। এই অস্বাভাবিক সময়ে আতঙ্কগ্রস্ত ও উদ্বিগ্ন হওয়াই স্বাভাবিক। এ সময় কোনো কিছুতে সহজে মন বসে না।
বিজ্ঞান বলে, এ সময়ে মানসিক চাপ কমাতে না পারলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমবে আর চিন্তাভাবনা এলোমেলো হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যসতর্কতাও ঠিকমতো মানা যায় না। এ জন্য ঘরবন্দী অবস্থায় মন ভালো রাখতেই হবে। থাকতে হবে মানসিক চাপমুক্ত। যাঁরা চাকরি বা ব্যবসা করেন কিংবা পড়ালেখা করেন, তাঁরা এ সময় বাইরে যেতে পারছেন না। ঘরের ভেতর মনটা তো ছটফট করবেই। এই অস্থিরতা আর ছটফটানি কমাতে যা যা করা উচিত, তা হলো:

● দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন: সবার আগে আপনার মনোভাব আর দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে ফেলুন। এটি একটি যুদ্ধাবস্থা। এই যুদ্ধে জিততে হলে আপনাকে ঘরে থাকতেই হবে। তাই নিজেকে ঘরবন্দী ভাববেন না। কিছুই করছেন না, এটা ভাববেন না।

● রুটিন পাল্টাবেন না: ঘরে আছেন, অফিস বা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ—এই চিন্তায় দৈনন্দিন রুটিন আমূল বদলে ফেলবেন না। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে যতটুকু সময় অফিসে কাটাতেন বা পড়ালেখা করতেন, এ সময়টুকুতে বাড়িতে বসে অফিসের কাজ বা পড়ালেখা করার চেষ্টা করবেন।

● ঘুমের নিয়ম: রাতে বেশি জাগবেন না। বেশি বেলা পর্যন্ত ঘুমাবেন না। দিনের বেলা বিছানায় বা সোফায় শুয়ে থাকবেন না।

● ‘করোনা’, ‘করোনা’ নয়: সারা দিন যদি কেবল করোনা নিয়েই পড়ে থাকেন, টিভি আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেবল করোনার সংবাদ দেখতে থাকেন, তবে সত্যিকারের ভাইরাসের আক্রমণের আগেই আপনি একধরনের তথ্য-ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়বেন। জীবন করোনাময় হয়ে যাবে। তাই অন্যান্য বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করুন।

● সামাজিক যোগাযোগ: সামাজিক দূরত্ব রাখতে বলা হয়েছে এই করোনাকালে। বিকল্প উপায়ে সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখবেন। প্রতিদিন আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ফোন, মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করুন। তাঁদের কুশলাদি জানুন।

● পরিবার গুরুত্বপূর্ণ: পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে, নিরাপদভাবে গুণগত সময় কাটান। ঘরোয়া খেলাগুলো খেলুন। বিশেষ করে শিশুদের চাওয়া-পাওয়ার দিকে বেশি মনোযোগী হোন। সবাই মিলে একটি সিনেমা দেখে, সেটা নিয়ে আলোচনা করুন। বই পড়ায় হয়তো মন বসবে না। তাই সবাই মিলে কয়েকটি বই নির্দিষ্ট করে সবাইকে সেগুলো পড়ে একটি ছোট আলোচনার ব্যবস্থা করুন। লুডু, ক্যারমের মতো ঘরোয়া খেলা খেলতে পারেন।

● ঘরোয়া কাজে অংশ নিন: ঘরের কাজে পরিবারের ছোট–বড়, নারী-পুরুষ—সবাই অংশ নিন। এতে একজনের ওপর কাজের চাপ কমে যাবে আর প্রত্যেকের মানসিক চাপ কম থাকবে।

● নিজেকে সময় দিন: প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে নিজেকে নিয়ে ভাবুন। জানালার ধারে বা বারান্দায় অল্প সময়ের জন্য বসুন। প্রয়োজনে ডায়েরি লিখতে পারেন।

● ইতিবাচকভাবে কাজে লাগান: লেখালেখির অভ্যাস থাকলে লিখুন। অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট আছে (গুগল গ্যারেজ, বিদেশি ভাষা শেখা), যেখানে অনেক কিছু শেখা যায়, সেগুলো শেখার চেষ্টা করুন।

● কী খাবেন: এ সময় শারীরিক কাজগুলো কম হয়। আর চাপের কারণে বাড়তে পারে ওজন। সব মিলিয়ে পুষ্টিকর অথচ ওজন বাড়ে না, এমন ধরনের খাদ্য গ্রহণ করবেন। চিনি, চর্বি, কোমল পানীয় বর্জন করবেন। শাকসবজি ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করে খাবেন।

● স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন: কোভিড-১৯–এর কোনো লক্ষণ দেখা দিলে বিচলিত না হয়ে টেলিফোনে স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আতঙ্কিত হয়ে আগেই হাসপাতালে ছুটবেন না। মনে রাখবেন, আপনার ছোটাছুটি রোগটির বিস্তার বাড়াতে পারে। তাই সবার আগে টেলিফোনে পরামর্শ নিন।

সূত্রঃ প্রথম আলো

তোমাদের জন্য শুভকামনা রইল,
তোমাদের ম্যাডাম
এ কে উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, দনিয়া, ঢাকা

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Dhaka