NSS Is Next Step Solutions For Everyone

NSS Is Next Step Solutions For Everyone

Share

আমরা সুযোগ তৈরি করছি প্রত্যেকের জন্য, ক্যারিয়ারের সাফল্য বৃদ্ধি করছি, যারা সত্যিকারের চেষ্টা করে !

Education or Job Abroad Consultation Or Visa Assistance Globally, You Can Try Our Services আমাদের পরিদর্শন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমরা প্রত্যেককে একটি দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা দিতে এবং খারাপ অভিজ্ঞতাকে একটি ভাল অভিজ্ঞতাতে পরিণত করতে কঠোর পরিশ্রম করি ।

আপনি জেনে খুশি হবেন যে, আমাদের আছে উচ্চ প্রশিক্ষিত কাউন্সেলর এবং ভিসা প্রসেসিং বিশেষজ্ঞ এবং আমাদের কাছে সর্বনিম্ন সম্ভাব্য খরচে এয়ারটিকিট ইস্যু করার

02/10/2024

আমেরিকার F1/F2 ভিসা সাকসেস রেট সবথেকে বেশি আমাদের কারন আমরা দিচ্ছি আমেরিকার সেরা কিছু পাবলিক ইউনিভার্সিটি যেখানে রয়েছে কমপক্ষে ৭০% স্কলারশিপ।

সবথেকে কম খরচে আমেরিকার সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে আবেদন করুন ৭০% পর্যন্ত স্কলারশিপ সহ।

আমাদের মাধ্যমে কেন আবেদন করবেন ?

👉 আমরা এম্বাসি ফেস করার আগে কমপক্ষে ৩ টি ফ্রি মক টেস্ট নেই এতে ছাত্রছাত্রীরা ফুল কনফিডেন্ট থাকে এবং যথেষ্ট প্রস্ততি নিয়ে এম্বাসি ফেস করে।
👉 আমরা সবসময় টপ র‍্যাঙ্কে থাকা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করি তাই ভিসা Ratio সবসময় ভালো থাকে।
👉 আমাদের ভিসার আগে কোন টাকা দিতে হয়না এবং সার্ভিস চার্জ সবথেকে কম সাথে দেই সব ডকুমেন্ট সাপোর্ট।
👉 অনেক বেশি তথ্য সংগ্রহ করে নির্ভুল ভাবে স্টুডেন্টের সামনে ds-160 পুরন করি তাই ভিসার হার সবসময় বেশি থাকে।

সহজেই আবেদন করুন আমাদের সহযোগিতায় ।

02/10/2024

জার্মানির অপরচুনিটি কার্ড ভিসা: একটি সংক্ষিপ্ত গাইড
✒️ জার্মানি দক্ষ কর্মী আনার জন্য নতুন "অপরচুনিটি কার্ড" বা Chancenkarte চালু করেছে, যা প্রবাসীদের সহজে কাজ খুঁজে পেতে এবং সেখানে বসবাস করার সুযোগ দিচ্ছে। এটি মূলত একটি পয়েন্ট-ভিত্তিক সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে। দক্ষ পেশাজীবী, যেমন—প্রোগ্রামার, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, আইটি বিশেষজ্ঞ ইত্যাদি পেশার লোকদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ।
💧 পয়েন্ট সিস্টেম:
আপনার শর্ত অনুযায়ী ৬ পয়েন্ট অর্জন করতে হবে, যা নিম্নলিখিত ক্যাটাগরির উপর নির্ভর করে:
1. শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি বা পেশাগত প্রশিক্ষণ।
2. কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা: গত ৭ বছরে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে ৩ পয়েন্ট, ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে ২ পয়েন্ট।
3. ভাষাগত দক্ষতা: B2 স্তরের জার্মান জানলে ৩ পয়েন্ট, B1 স্তর জানলে ২ পয়েন্ট, A2 স্তর জানলে ১ পয়েন্ট।
4. বয়স: ৩৫ বছরের কম বয়স হলে ২ পয়েন্ট, ৪০ বছরের কম হলে ১ পয়েন্ট।
5. অতিরিক্ত পয়েন্ট: জার্মানিতে ৬ মাস থাকা থাকলে, বা সঙ্গী সহ আবেদন করলে ১ অতিরিক্ত পয়েন্ট।
💧 ভিসার বৈশিষ্ট্য:
- এটি প্রাথমিকভাবে ১ বছরের জন্য বৈধ থাকে এবং ২ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যায়।
- চাকরি খুঁজতে গেলে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দেখাতে হবে, অর্থাৎ বছরে প্রায় €১২,৩২৪ ব্লকড অ্যাকাউন্টে রাখতে হবে।
- চাকরি খোঁজার সময়ে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ আছে।
💧 চাকরির সুযোগ ও সীমাবদ্ধতা:
অপরচুনিটি কার্ড আপনাকে সরাসরি জার্মানিতে প্রবেশ করে চাকরি খোঁজার সুযোগ দেবে। তবে চাকরি পাওয়ার পরই আপনি দীর্ঘমেয়াদী বসবাসের অনুমতি পাবেন।
💧 যে কাজের জন্য উপযুক্ত:
ডেটা সায়েন্স, আইটি, প্রকৌশল, চিকিৎসা ও গবেষণা ইত্যাদি উচ্চ চাহিদা সম্পন্ন ক্ষেত্রগুলিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য এটি বিশেষভাবে কার্যকর। তবে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে, যেমন—যোগ্যতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতা।
এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে, এখানে দেখুন:
- WEPSA https://www.wepsa.de
- Talents2Germany https://www.talents2germany.de
- Handbook Germany https://www.handbookgermany.de
এটি বিশেষ করে দক্ষ কর্মীদের জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ যারা জার্মানিতে কাজ এবং ভবিষ্যৎ গড়তে ইচ্ছুক।

30/09/2024

ইউরোপের এই ৫ টি দেশে সহজেই কাজের ভিসা পাওয়া যায়:
ইউরোপে কাজের ভিসা পেতে সহজতম দেশের মধ্যে কিছু দেশ হতে পারে:

১. পোল্যান্ড: পোল্যান্ডে সার্বিক কাজের ভিসা পেতে সহজ প্রক্রিয়া আছে, যেমনঃ বাংলাদেশী সার্বিক কাজের অনুমতি সংগ্রহ করতে গিয়ে আপনি অবশ্যই একটি পোল্যান্ডি কোম্পানির সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে।
২. পর্তুগাল: পর্তুগালে কাজের ভিসা পেতে সহজ হতে পারে, প্রয়োজনে কাজ খুঁজে পেতে অনলাইনে আবেদন করা যায়।
৩. হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরি কাজের ভিসা পেতে সহজ হতে পারে, সার্বিক কাজের ভিসা জন্য কিছু সার্বিক শর্তাবলী আছে তবে প্রক্রিয়া সাধারণত সহজ।
৪. ক্রোয়েশিয়া : ক্রোয়েশিয়ার কাজের ভিসা পেতে অনেকেরই সহজতম প্রক্রিয়ায় অনলাইনে আবেদন করা যায়।
৫. লিথুনিয়া: লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার জন্য তেমন ঝামেলা পোহাতে হয়না।

25/09/2024

বিদেশে পড়তে যাওয়ার ১ বছর আগে থেকেই কি কি করণীয়:

১ :আপনার নাম এবং আপনার পিতামাতার নামের সাথে মিল রেখে সার্টিফিকেটে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করবেন, হতে পারে নামের বানানে ভুল বা অন্য কিছু, এ সময়ে একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন আপনার পিতামাতার ভোটার আইডিতে যে নাম আছে ঔ নাম ই যেন সার্টিফিকেটে থাকে, মোট কথা আপনার জন্মসনদ, সার্টিফিকেট এবং বাবামার এনআইডিতে যেন সেম নাম থাকে
,
২ পাসপোর্ট তৈরি ঃ পাসপোর্ট তৈরির সময় পূর্বের সার্টিফিটের মতো নাম এবং স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানার দিকে খেয়াল রাখবেন, এমন যেন না হয় জন্মসনদে আছে বর্তমান ঠিকানা বরিশাল কিন্তু পাসপোর্টে কোনোভাবে এসে গেছে নোয়াখালী
,
( ১,২ নং পয়েন্টে কোনোভাবে ভুল হলে এগুলো সংসোধন বিদেশে পরতে যান বা না যান এমনিতেই জরুরি এবং সংসোদন একটু সময় সাপেক্ষ বিষয়)
,
,
৩ SSC, HSC এর নম্বরপএ এবং সার্টিফিকেট বোর্ড থেকে সংগ্রহ করা এবং মাস্টার্সে যেতে চাইলে অনার্সের সার্টিফিকেট বিশব্বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সংগ্রহ করে রাখা
,
৪ সার্টিফিকেট সংগ্রহের পর Transcript Ready করা (English version)
,
৫ IELTS preparation :আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রিপারেশন টা একটু আগে থেকেই নেওয়া ভালো, কারন অনেকের কাঙ্খিত স্কোর তুলতে অনেক বেশি সময় লেগে যায় এবং এই সময়ের কারণে, অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন মিস করে ফেলে, যার জন্য এডুকেশন গ্যাপ বেড়ে যায় যার জন্য ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে যায়
,
৬ স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা থাকলে আন্ডার-গ্র্যাজুয়েটের স্টুডেন্টদের জন্য SAT/ ACT পরীক্ষা এবং স্নাতকোত্তর ছাত্রীদের জন্য GRE/ GMAT পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আগে থেকে নেওয়া ভালো
,
৭ আপনার পরিচিত বা যে সকল শিক্ষকরা আপনাকে ভালো জানে, এই সকল শিক্ষকদের মধ্য থেকে দুইজন টিচারের রেকমেন্ডেশন লেটার সংগ্রহ করে রাখা
,
৮ SOP লেখার প্রিপারেশন ঃ বিদেশে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য SOP লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি প্রিপারেশন অনেক আগে থেকেই নেওয়া ভালো, যে কিভাবে আপনি এটাকে লিখবেন, এর জন্য অভিজ্ঞ ভাইদের সহযোগিতা নেওয়া বা বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ বা অন্য কোথা থেকে সহযোগিতা নেওয়া এবং নিজের মতো করে এটাকে প্রস্তুতি নেওয়া যাতে SOP ভাষাটা নিজের মতো করে হয়
,
৯ ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল রেখে আপনি যে দেশে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই দেশের মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে বের করে রাখা এবং যে সাবজেক্টে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই সাবজেক্টটা যেন আপনার পূর্বের পড়া সাবজেক্ট এর সাথে মিল খায়,ধরেন ধরেন আপনি সায়েন্স থেকে এইচএসসি পাশ করছেন সুতরাং আপনাকে এমন কোন সাবজেক্টই পরবর্তীতে চয়েজ করতে হবে যেটা সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল খায় বা ব্যবসা শিক্ষা বিষয় থেকে আগে পড়াশোনা করে থাকলে এমন সাবজেক্ট পছন্দ করতে হবে যেটা যেন ব্যাবসা শিক্ষার সাথে মিল থাকে
,
১০ আপনার বাজেট, আপনার পছন্দের শহর সহ সব কিছু বিষয় মাথায় রেখে মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ আগে থেকে পছন্দ করে রাখা
,
১১ আপনি যে সকল বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করবেন সে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের ডেডলাইনের দিকে খেয়াল রাখা এবং সে অনুযায়ী আগে থেকেই আবেদন করা
,
১২ ভলেন্টিয়ার সংগঠনে যুক্ত ঃআপনি যদি খুব সহজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন করে সিলেক্ট হতে চান বা স্কলারশীপ পেতে চান এবং সহজেই ভিসা পেতে চান তাহলে কিছু ভলেন্টিয়ার সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকা এবং তার যথেষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ করে রাখা
,
১৩ বিদেশে গেলে বেশিরভাগ সময় আপনাকে নিজেকে নিজের রান্না করে খেতে হবে সুতরাং আগে থেকেই দেশ থেকে রান্না শিখে যাওয়া টা ভালো
,
১৪ যদি সম্ভব হয় ড্রাইভিং শেখা তাহলে শিখে ফেলুন, ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখুন এবং যদি আরও সম্ভব হয় তাহলে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখতে পারেন
,
১৫ যদি সম্ভব হয় তাহলে কম্পিউটারে নিজের স্কিল দেশ থেকে আপগ্রেড করে যান যেমন microsoft-office, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের কাজ শেখা এবং সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে রাখতে পারেন এটা বিদেশে আপনাকে অনেক সাপোর্ট দিবে
,
আমার কাছে এই ১৫ টা পয়েন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়ছিল, আশা করি অনেকের কাজে আসবে ।

20/09/2024

হাঙ্গেরি নতুন ভেকেন্সি ✈️

👉 বিবরণ: ওয়ার্ক পারমিট ভিসা।
✅ ভিসার মেয়াদ: দুই বছর।
✅ কাজের ধরন: ওয়ার হাউস ওয়ার্কার, ফ্যাক্টরি ওয়ার্কার, প্যাকেজিং, কনস্ট্রাকশন ওয়ারকার।
✅ ভিসা প্রসেসিং টোটাল সময়: সাত থেকে আট মাস।
✅ দুই মাসের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট আসবে।
✅ বেতন: ১০০০ থেকে ১২০০ ইউরো
✅ দৈনিক ১০ ঘন্টা ডিউটি।
✅ ওভারটাইমের ব্যবস্থা আছে।
✅ থাকা ও খাওয়ার কোম্পানি বহন করবে।
✅ সকল কার্যক্রম বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ হবে।
✅ কাগজপত্র: পাসপোর্ট/ ছবি ৮ কপি (৩৫"/৪৫") সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড/একাডেমি সার্টিফিকেট যদি থাকে/ জীবন বৃত্তান্ত (সি ভি)/ভোটার আইডি কার্ড।
✅ চাকুরী প্রার্থী কে অবশ্যই বেসিক ইংলিশ জানতে হবে

19/09/2024

হাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা: বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সুযোগের দ্বার**

➡️ পরিচিতি:
হাঙ্গেরি, ইউরোপের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি সমৃদ্ধশালী দেশ, তার শিল্প, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাঙ্গেরি তার অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য বহিরাগত শ্রমিকদের আকৃষ্ট করছে। বাংলাদেশিদের জন্য হাঙ্গেরি বর্তমানে কাজের সুযোগ এবং অভিবাসনের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। হাঙ্গেরির ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বাংলাদেশিদের জন্য তুলনামূলক সহজ হয়ে উঠেছে, যা চাকরি এবং বসবাসের এক নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে।

➡️ হাঙ্গেরিতে কাজের সুযোগ:
হাঙ্গেরির অর্থনীতি দ্রুতগতিতে বিকশিত হচ্ছে, এবং এর ফলে বিভিন্ন খাতে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে তথ্য প্রযুক্তি (আইটি), নির্মাণ, উৎপাদন, এবং স্বাস্থ্য খাতে কাজের সুযোগ বেশি পাওয়া যায়। বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য এই খাতগুলোতে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা তাদের জন্য হাঙ্গেরিতে কর্মজীবন শুরু করার উপযুক্ত ক্ষেত্র হতে পারে।

➡️ ওয়ার্ক পারমিট ভিসার প্রয়োজনীয়তা:
হাঙ্গেরিতে কাজ করতে হলে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবশ্যক। এই ভিসার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে হয়:

1. চাকরির প্রস্তাবপত্র: ভিসা পাওয়ার জন্য প্রথমে হাঙ্গেরির কোনো নিয়োগকর্তা থেকে চাকরির প্রস্তাবপত্র থাকতে হবে। নিয়োগকর্তা হাঙ্গেরির সরকারের কাছ থেকে কাজের অনুমোদন নিতে হবে।

2. আবেদনপত্র পূরণ: হাঙ্গেরির দূতাবাসে নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করতে হয়, যেখানে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য এবং কাজের সম্পর্কিত তথ্য দিতে হয়।

3. চাকরি সংক্রান্ত নথিপত্র: আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, এবং চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

4. ভিসা ফি প্রদান: ভিসার জন্য নির্দিষ্ট ফি প্রদান করতে হয়।

5. স্বাস্থ্য বীমা ও আর্থিক সাপোর্ট: ভিসা প্রক্রিয়ার সময়, আবেদনকারীকে হাঙ্গেরিতে থাকার সময়ের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ এবং স্বাস্থ্য বীমার প্রমাণ দিতে হয়।

🔀 প্রক্রিয়া ও সময়সীমা:
হাঙ্গেরির ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য প্রক্রিয়াটি সাধারণত 3 থেকে 4 মাস সময় নিতে পারে, তবে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এই সময়ের পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে। বাংলাদেশে অবস্থিত হাঙ্গেরি দূতাবাস থেকে আবেদন করা হয় এবং প্রয়োজনীয় নথি সরবরাহ করার পর দূতাবাস আবেদন যাচাই করে থাকে।

ভিসার সুবিধাসমূহ:
হাঙ্গেরির ওয়ার্ক পারমিট ভিসা শুধু কাজের সুযোগই প্রদান করে না, বরং এটি বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে যেমন:

1. পারিবারিক পুনর্মিলন: হাঙ্গেরিতে স্থায়ী চাকরি এবং দীর্ঘমেয়াদী বসবাসের অনুমতি পেলে আবেদনকারীর পরিবারকেও সেখানে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়।

2. স্থায়ী বসবাসের সুযোগ: হাঙ্গেরিতে কাজের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের পর স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া সম্ভব।

3. ইউরোপের অন্যান্য দেশে যাতায়াতের সুবিধা: হাঙ্গেরির শেনজেন অঞ্চলভুক্ত দেশ হওয়ায়, ওয়ার্ক পারমিট ভিসাধারী সহজেই ইউরোপের অন্যান্য শেনজেন দেশগুলোতে ভ্রমণ করতে পারেন।

কেন হাঙ্গেরি?
বাংলাদেশিদের জন্য হাঙ্গেরি বর্তমানে একটি চমৎকার কর্মস্থল হতে পারে। এখানকার জীবনযাত্রার মান ভালো, জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলকভাবে কম, এবং এখানকার চাকরি খাত বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত। এছাড়াও, হাঙ্গেরির ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় এবং চাকরির সুযোগ বেশি থাকায় এটি বাংলাদেশের কর্মজীবীদের জন্য নতুন দিগন্ত হতে পারে।

শেষ কথা:
হাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে গেলে অবশ্যই সঠিক নিয়ম এবং প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশিরা ইউরোপে একটি সুনিশ্চিত এবং সফল কর্মজীবন গড়ে তুলতে পারেন।

Contact Us For Your Visa Assistance!

FASTER, EFFICIENT AND TRUSTED SERVICE PROVIDER

16/09/2024

ইউরোপে অল্প বাজেটে যারা যেতে চান তারা যোগাযোগ করুন

কাতার, কুয়েত, ইউ এ ই, সৌদিআরব এ সকল দেশে যারা জরুরী ভিত্তিতে জব ভিসা নিয়ে যেতে চান তারা দ্রুত যোগাযোগ করুন । ভালো বেতন এবং থাকা খাওয়া সুবিধা সহ সরাসরি কোম্পানিতে লোক নিয়োগ করা হবে ।

বেতন বাংলাদেশি টাকায় ৪৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা ।
দুই বছরের কন্ট্রাক্ট দুই বছর পর আবার রিনিউ করতে পারবেন
অভিজ্ঞতার আলোকে বেতন নির্ধারিত হবে ।

মাত্র তিন থেকে সাড়ে তিন মাসে ফ্লাইট হবে যদি আপনি মেডিকেল ফিটনেস এ উত্তীর্ণ হতে পারেন ।

যারা এই কাজের ভিসায় যাবেন তারা দুই থেকে আড়াই বছর পর ইউরোপে যাওয়ার জন্য সহজেই আমাদের মাধ্যমে ভিসা প্রসেস করতে পারবেন । খুব সহজেই অত্যন্ত কম খরচে তখন আপনি ইউরোপে বৈধভাবে পাড়ি দিতে পারবেন ! সেনজেন কান্ট্রি স্লোভেনিয়া, চেক রিপাবলিক, হাঙ্গেরি, রমানিয়া সহ ইউরোপের অন্যান্য দেশে গিয়ে স্থায়ী ভাবে বসবাস এবং নাগরিকত্ব লাভ করতে পারবেন ।

যারা ওয়েল্ডিং, পাইপ ফিটিং, টাইলস ফিটিং, ড্রাইভিং, পেন্টিং কনস্ট্রাকশন এর কাজ জানেন তারা অতি দ্রুত যোগাযোগ করুন ।

সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য আমাদের সাথে আলোচনা করতে চাইলে আপনি আলোচনার মাধ্যমে আপনার জন্য সঠিক সুযোগটি বেছে নিতে পারবেন ।

07/09/2024

কুয়েত কোম্পানি ভিসা ও কোম্পানি ভিসা আবেদন কিভাবে করবেন ? চলুন জেনে নেয়া যাক :

সারা বিশ্বের মধ্যে আরেকটি অন্যতম উন্নত দেশ হচ্ছে কুয়েত। অন্যান্য দেশের তুলনায় কুয়েত অর্থনৈতিক দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে আছে। কারণ অন্যান্য দেশের থেকে কুয়েতে টাকার মান সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও কুয়েতে সব ধরনের কাজে উন্নত মানের প্রযুক্তি বা যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। এজন্য কুয়েতের শ্রমিকদের পরিশ্রম অনেক কম হয় এবং প্রতি মাসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারে। এজন্য বাংলাদেশের হাজারো শ্রমিক রয়েছে যারা কুয়েত কোম্পানি ভিসা কাজের জন্য যেতে চায়।

এছাড়াও যখন কুয়েতে বিভিন্ন বড় বড় নির্মাণের কাজ শুরু হয় তখন কাজের চাহিদা অনুযায়ী শ্রমিকদের সংখ্যা কম থাকায় কুয়েতের সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে থাকে। সাধারণত আপনি কুয়েতে যাওয়ার জন্য কয়েকটি ক্যাটাগরির ভিসা পেয়ে যাবেন। তবে বর্তমানে কুয়েতের অন্যান্য ভিসা সহ কুয়েত কোম্পানি ভিসা বের করা অনেক কঠিন এবং অনেক টাকা খরচ হয়। তবে প্রত্যেক বছর বোয়েসেল সরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

আপনারা বোয়েসেলের সাহায্য নিয়ে খুব অল্প টাকায় কুয়েত কোম্পানি ভিসা করে নিতে পারবেন। বেসরকারিভাবে দালালের মাধ্যমে কুয়েত কোম্পানি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন কিন্তু অনেক খরচ বেশি হবে। প্রত্যেক বছরের শুরুতে কুয়েতের বিভিন্ন কোম্পানি থেকে শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে থাকে। তখন আপনারা কুয়েত কোম্পানি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তাই আজকের পোস্টে কুয়েত কোম্পানি ভিসা সম্পর্কে তথ্য এবং কুয়েত ভিসা আবেদন করার নিয়ম গুলি তুলে ধরব।

কুয়েত কোম্পানি ভিসা :

বর্তমানে কুয়েতে যাওয়ার জন্য কয়েকটি ক্যাটাগরির ভিসা চালু রয়েছে। তবে কুয়েতের আরেকটি জনপ্রিয় ভিসা হচ্ছে কুয়েত কোম্পানি ভিসা। বাংলাদেশ থেকে যারা কুয়েতে কাজের উদ্দেশ্যে যেতে চায় তাদের মধ্যে অধিকাংশ শ্রমিক কুয়েতের কোম্পানি ভিসায় কাজের জন্য যেতে চায়। কারণ কুয়েতের কোম্পানিতে কাজে অনেক সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায় এবং প্রতি মাসে বেতনও অনেক বেশি পাওয়া যায়।

এজন্য বাংলাদেশ থেকে যারা কুয়েতে কাজের জন্য যেতে চাচ্ছে তাদের মধ্যে অধিকাংশ লোক কুয়েতের কোম্পানি ভিসায় বিভিন্ন কাজের জন্য যেতে চায়। তবে কিছু সংখ্যক মানুষ রয়েছে যারা জানতে চায় কুয়েতের কোম্পানি ভিসার মধ্যে কি কি ক্যাটাগরির কোম্পানির কাজ রয়েছে। তাই এখন আপনাদের জানাবো কুয়েত কোম্পানি ভিসার মধ্যে কি কি ক্যাটাগরির কোম্পানির কাজ রয়েছে।

কনস্ট্রাকশন কোম্পানি।
ইলেকট্রনিক কোম্পানি।
ড্রাইভিং কোম্পানি।
হোটেল কোম্পানি।
রেস্টুরেন্ট কোম্পানি।
ফার্ম কোম্পানি।
সার্ভিসিং কোম্পানি।
শিল্প কারখানার কোম্পানি।
এছাড়াও আরো কিছু কোম্পানি রয়েছে।

কুয়েত কোম্পানি ভিসা বেতন কত ?

বর্তমানে কুয়েতে বিভিন্ন ধরনের কাজের কোম্পানি রয়েছে। আর একেক কাজের কোম্পানির বেতন একেক রকম ভাবে নির্ধারণ করা থাকে। এছাড়াও আপনার কোম্পানির কাজের ওপর যদি ভালো অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে কুয়েতে যেগুলো সাধারন কোম্পানী রয়েছে সেগুলো কোম্পানিতে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন দিয়ে থাকে।

কুয়েতে আরো উচ্চমানের বিভিন্ন কোম্পানি রয়েছে আর সেগুলো উচ্চ মানের কোম্পানিতে প্রতি মাসে ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকার উপরে বেতন দিয়ে থাকে। এছাড়াও যারা কুয়েত কোম্পানির প্রফেশনাল শ্রমিক এবং কাজ রয়েছে সেগুলো কাজের বেতন প্রতি মাসে ৭০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার উপরে দিয়ে থাকে। যারা নতুন অবস্থায় শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কাজের উপর অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে ৬০ হাজার টাকার উপরে ইনকাম করা যায়।

কুয়েত কোম্পানি ভিসার জন্য কি কি প্রয়োজন :

কুয়েতে কোম্পানি ভিসায় যেতে চাইলে অবশ্যই একটি কোম্পানি ভিসা থাকতে হবে। তবে কুয়েতের কোম্পানির ভিসা পেতে চাইলে অবশ্যই ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। কিন্তু আবেদন করার আগে জেনে নিতে হবে কুয়েত কোম্পানি ভিসার জন্য কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন পড়ে। এজন্য অনেকেই অনলাইনে কুয়েত কোম্পানি ভিসার জন্য কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন হয় তা জানতে চায়। তাই এখন আপনাদের জানাবো কুয়েত কোম্পানির ভিসার জন্য কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন।

একটি বৈধ পাসপোর্ট।
সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড এর ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সার্টিফিকেট।
চেয়ারম্যান কর্তৃক সত্যায়িত সনদপত্র ইত্যাদি।
কুয়েত ভিসা আবেদন
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কুয়েত বিভিন্ন কোম্পানির কাজের জন্য যেতে চাইলে অবশ্যই একটি ভিসার প্রয়োজন পড়বে। তবে কুয়েত কোম্পানি ভিসা তৈরি করার জন্য ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। বর্তমানে যারা কুয়েত কোম্পানি ভিসার জন্য আবেদন করতে চাচ্ছে তাদের মধ্যে অধিকাংশ লোকের আবেদন করার সঠিক নিয়ম জানা নেই।

তবে কুয়েতের কোম্পানি ভিসার জন্য আবেদন করতে চাইলে অবশ্যই নিয়ম গুলি জানা থাকতে হবে কোন কিছু কারণ ভুল হলে ভিসা আবেদন বাতিল করে দেয়া হবে। এছাড়াও কিছু সংখ্যক মানুষ অনলাইনে কুয়েত কোম্পানি ভিসা আবেদন করার নিয়ম গুলি জানতে চায়। তাই এখন আপনাদের মাঝে কুয়েত ভিসা আবেদন করার নিয়ম গুলি তুলে ধরবো।

প্রথমে https://kuwait.mofa.gov.bd/ এই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর আপনার সামনে তথ্য প্রদান করার ফরম চলে আসবে আর সেখানে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, পাসপোর্ট এর তথ্য ও কোম্পানির তথ্য ইত্যাদি প্রদান করতে হবে।
আবেদন ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করার পর সংগ্রহ করুন এবং সেটিকে প্রিন্ট করুন। আবেদন ফরমটির সাথে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন পাসপোর্ট কপি, ব্যবসায়ের লাইসেন্স ও ব্যবসায়িক নিবন্ধন সনদ এগুলো যুক্ত করে দিন। এরপর আপনাকে কুয়েতের এম্বাসিতে যাওয়ার জন্য নির্দেশন দিয়ে দিবে এবং সেখানে গিয়ে আবেদন ফরম এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র গুলো জমা দিয়ে ভিসার আবেদন কাজ সম্পন্ন করুন।
আবেদন ফরম এবং যোগ্যতা পরীক্ষা পরিপূর্ণ হওয়ার পর আপনার কুয়েত কোম্পানি ভিসা প্রদান করে দেওয়া হবে। এছাড়াও আপনারা বাংলাদেশের ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমেও কুয়েত কোম্পানি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
শেষ কথাঃ
আজকের পোস্টে কুয়েতের কোম্পানি ভিসার যাবতীয় তথ্য এবং কুয়েতের কোম্পানির ভিসার আবেদন করার নিয়ম গুলি আপনাদের জানানোর চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনারা কুয়েতের কোম্পানি ভিসার যাবতীয় সব ধরনের তথ্য জানতে পেরেছেন।

আমাদের সহযোগিতা নিতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন! আমরা আপনাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে প্রদান করব । এবং সম্ভবত সর্বনিম্ন খরচে আপনারা এই সেবাটি পেতে পারেন ।

07/09/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! A Rumon, Mehedi BD, Dawlat Chakraborty Arnob, Kalam Pathan Hossain, Mehedi Hasan Shishir, Susthir Talukdar, MD Emon Khan, Sohel Khan Shohel, Md Rofiqul Islam, Usmi Sarkar, Md Hannan, Ajijul Sheik, Md Noyan Mea, MD Holod Mia, Thahaz Vai, Mohasin Ahmed, Dalim Ahmed

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

145 Shantinagar
Dhaka
1213