M.Rahman

M.Rahman

Share

I am Md. Mostafizar Rahman, Islam is my religion. Our Prophet Muhammad (PBUH). Allah is our creator.

24/06/2025

এক রাতের জন্য প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা বাজি রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র—ইসরায়েলের জন্য ইরানের বিরোদ্বে!

আমরা অনেক সময় ভাবি যুদ্ধ শুধু পলিসি বা স্ট্র্যাটেজির ব্যাপার। কিন্তু বাস্তবতা হলো—এটা বিশুদ্ধ "বিনিয়োগ"। এবং যুক্তরাষ্ট্র সেই বিনিয়োগ করেছে ইসরায়েলকে টিকিয়ে রাখতে, মুসলিম শক্তিকে ধ্বংস করতে।

চলুন একটু হিসাব করি:

💣 একটি বাংকার ব্ল্যাস্টার বোমা = প্রায় ৬০০ কোটি টাকা
➡️ ৬টি ব্যবহৃত হয়েছে = ৩৬০০ কোটি টাকা

🚀 একটি টমাহক ক্রুজ মিসাইল = ২০ কোটি টাকা
➡️ ৩০টি ব্যবহার = ৬০০ কোটি টাকা

💥 মোট ব্যবহৃত বোমার আনুমানিক মূল্য = ৪,২০০ কোটি টাকা

✈️ B-2 স্টিলথ বোমারু বিমান = একটির দাম ২৪,০০০ কোটি টাকা
➡️ ৬টি বিমান অংশ নেয় হামলায় = ১,৪৪,০০০ কোটি টাকা

🛠️ যন্ত্রপাতি, ফুয়েল, অপারেশন, স্যাটেলাইট সাপোর্ট, সাইবার নিরাপত্তা, মানব রিসোর্স—সব মিলিয়ে আনুষঙ্গিক খরচ ধরলে
➡️ মোট খরচ দাঁড়ায় প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা!

👉 প্রশ্ন হচ্ছে—কে এই খরচ দিয়েছে?
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের জন্য।

কারণ তারা তাদের ধর্মীয়-জাতিগত বন্ধনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।
তারা জানে—"আমার গোষ্ঠীই আগে",
তারা জানে—"আমার মিত্র দুর্বল হলে, আমি নিজেও দুর্বল হয়ে যাবো।"

🎯 অন্যদিকে মুসলিম উম্মাহ?

আমরা শুধু বলে যাই—

“তুই হক না তুই বাতেল?”

“তুই শিয়া, তুই সুন্নি”

“তুই মুরতাদ, তুই মুনাফিক”

“তোর ফিকহ ঠিক না, তুই কাফের!”

এই বিভাজন, এই কাদা ছোড়াছুড়ির ফাঁকেই
আমাদের দেশে বোমা পড়ে,
আমাদের শিশুরা শহীদ হয়,
আমাদের রাষ্ট্রগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে।

🔔 যুক্তরাষ্ট্রের ঐক্য জুড়ে রাখা হয়েছে উপনিবেশিক স্বার্থ আর ইহুদি লবির স্বার্থে।
আর মুসলিমদের একতা ভেঙে দেয়া হয়েছে মাযহাব, দল, রাষ্ট্র ও ভাষার নামে।

আমরা যদি না জাগি আজ, তবে কবে জাগব ?
আমরা যদি না জোট বাঁধি আজ, তবে কে বাঁধবে?
তারা যেখানে ‘এক জাতি, এক লক্ষ্য’,
আমরা সেখানে ‘তুই হক না আমি?’ তুই সিয়া তুই সু ন্নি এই নিয়ে ব্যস্ত!

🛑 সময় এসেছে—মুসলিম উম্মাহর একটি ‘গ্লোবাল ঐক্য ফ্রন্ট’ গঠনের।
না হলে ইতিহাস আবার আমাদেরই রক্ত দিয়ে লেখা হবে।

---

21/05/2025

বিমান বন্দরের নতুন ৩য় টার্মিনালে চাই বিদেশি কোম্পানি (জাপানি কোম্পানি) আর চট্রগ্রাম বন্দরের আলাদা আলাদা ৩ টি টার্মিনাল আলাদা আলাদা ৩টি বিদেশি কোম্পানিকে পরিচালনা করতে দিলে নাকি চট্রগ্রাম বন্দর দখল করে ফেলবে🥴

মাতারবাড়ি ডিপ সি পোর্ট বিদেশি কোম্পানিকে দিলে সমস্যা নাই, চট্রগ্রামের নতুন বে টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিকে দিলেও সমস্যা নেই, সমস্যা কেবল চট্রগ্রাম পোর্টের ৩ টা টার্মিনাল পরিচালনার দ্বায়িত্ব ৩টি আলাদা আলাদা কোম্পানিকে দিলেই না কি চট্রগ্রাম পোর্ট দখল হয়ে যাবে।

নোট - হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা করতে জাপানকে দিলে জাপান যদি বিমানবন্দর দখল করে ফেলে, হায় হায় কস কি মতিন, তাহলে বিমানবন্দরের টার্মিনালও দেওয়া যাবে না, লাগা ফেইসবুকে পোস্ট।

হায় রে মতিন, ফেইসবুকে পোস্ট করার আগে যদি একটু কস্ট করে গুগল করতি, বিশ্বের নামি-দামি সি পোর্টের টার্মিনালগুলো কোন কোন বিদেশি কোম্পানিগুলো চালায়। যা হউক, কস্ট করে আর গুগলও করতে হবে না মতিন, জাস্ট কস্ট করে কমেন্ট সেকসানে একটু নজর দিও DP World কোন কোন দেশে টার্মিনাল হ্যান্ডেল করে।

আরেকটা কথা কইতে ভুইলা গেছি, এই পোস্ট যে মতিন লিখছে লাগা তার পিছনে দালালির ট্যাগ

20/05/2025

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান অর্থনীতির লাইফলাইন,
গেটওয়ে টু দ্য ওয়ার্ল্ড।

কিন্তু একবার কি ভেবে দেখেছেন,
আমাদের বন্দরটা দুনিয়ার সামনে আসলে কতটা “অকেজো” হয়ে গেছে?

পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপিন্স, নাইজেরিয়া, ঘানা, কেনিয়া, মিশর, মরক্কো, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম মোট ১১টি দেশের ১৫টি বন্দর।

সেই তুলনায় আমাদের বন্দরের অবস্থা কতটা করুন জানেন?

🟣 চট্টগ্রাম বন্দরে একেকটা জাহাজকে ঘাট পেতে গড়ে ২.৭ দিন লাগে।
এটাই দুনিয়ার অন্যতম দীর্ঘ সময়।

🟣 ঘাট পেলেও টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম ৩.২৩ দিন।
বেশিরভাগ পোর্টে এটা দেড় দিনের নিচে।

🟣 ক্রেনের গতি?
ঘণ্টায় মাত্র ১৫-২০ কনটেইনার।
অন্য ১০টা পোর্টে এটা ২৫-৩০ এর ওপর।

🟣 একটা পুরো ঘাট মিলে ঘণ্টায় ৩৫টা কনটেইনার হ্যান্ডেল হয় চট্টগ্রামে।
কলম্বোতে ৮০-১০০, গুজরাটে ২১৫।
এমনকি কেনিয়ার পোর্ট পর্যন্ত আমাদের চেয়ে এগিয়ে।

🟣 সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় ছিলো ডিউয়েল টাইম:
আমাদের বন্দর থেকে রপ্তানির মাল উঠিয়ে...
জাহাজ বের হতে লাগে ১১ দিনের বেশি!
ভিয়েতনামে ৫-৭ দিন, কলম্বোতে ৭-৮ দিন।
এই কারণেই বিশ্বব্যাংকের তালিকায়...
আমাদের বন্দরের র‍্যাংকিং ৪০৫টির মধ্যে ৩৩৪তম।

এত খারাপ তো এমনি এমনি হইনি।
এই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের গেটওয়ে সিন্ডিকেট আর দুর্নীতিতে জর্জরিত।

এখন যদি কেউ আসে, উন্নতির চেষ্টা করে,
বিদেশি ইনভেস্টর আনতে চায়, তখনই শুরু হয় নাটক।

"বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে বন্দর!"
এই কান্নাকাটি শুরু হয়!

যে অপারেটরদের গালাগালি করা হচ্ছে,
তারা সিঙ্গাপুর, দুবাই, ডেনমার্কের মতো দেশের।
তারা বিশ্বের ৩০-৭০টি বন্দরে কাজ করছে,
কোথাও বন্দরের ‘মালিক’ হয়ে যায় নাই।

আর আমাদের "অপেরেটর" কারা জানেন?
সাইফ পাওয়ারটেক।
টেন্ডারে কম দাম দিলে কাজ পায় নাই।
উল্টো বেশি দর দিয়ে কাজ পেয়ে বছরের পর বছর ধরে...
কোটি কোটি টাকার কাজ লুটেপুটে খেয়েছে।
এখন যখন এই দুধের বাটি হাতছাড়া হচ্ছে,
তখনই তারা গলা ফাটিয়ে কাঁদছে!

এদিকে একজন লোক আশিক চৌধুরী,
ইনভেস্টমেন্ট এনভায়রনমেন্ট ঠিক করার জন্য লড়ছে।
আপনার-আমার দেশের জন্য, দেশের পণ্য যাতে সময়মতো রপ্তানি হয়, দেশের মানুষ যেন প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।

যদি উন্নত অপারেটর আসে তাহলে কী হবে?

- পোর্ট অকুপেন্সি ৮০% থেকে কমে যাবে ৬০%-এর নিচে।
- মাল গেট থেকে জাহাজে পৌঁছাতে ২২ দিনের জায়গায় সময় লাগবে ৯ দিন।
- রপ্তানিকারকরা বাঁচবে।
- বাংলাদেশ হবে বিনিয়োগকারীদের ফার্স্ট চয়েস।

বিদেশিরা সবকিছু খেয়ে ফেলবে...
এই তত্ত্বে ভয় খেলে নিজের ঘরেই আগুন লাগবে।
সিঙ্গাপুর, কলম্বো, ভিয়েতনাম সব দেশে বহু বিদেশি অপারেটর কাজ করছে তারা তো শেষ হয়ে যায় নাই!

বাংলাদেশকে যদি আগাতে হয়,
চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিক করতে হবেই।
আর সেটার জন্য সাহসী সিদ্ধান্ত দরকার, কান্না-ভরা মায়াকান্না না।

তথ্যভিত্তিক আলোচনায় ফিরে আসুন।
চোখ খোলেন। অন্য দেশ কীভাবে দৌড়াচ্ছে তা একবার দেখুন।

07/05/2025
07/05/2025

গাযওয়াতুল হিন্দ বা হিন্দুস্থানের সাথে মুসলিমদের যু*দ্ধের ভবিষ্যতবাণী
▬▬▬▬✪✪✪▬▬▬
প্রশ্ন (১/৪১) : ‘গাযওয়াতুল হিন্দ’ নামে এক যু*দ্ধের কথা কোন কোন বক্তা প্রচার করে থাকেন। উক্ত যু*দ্ধের সত্যতা ও বিবরণ সম্পর্কে জানতে চাই।
এছাড়া আরেক শতাব্দী পর মুসলমানরা ইসলামী খেলাফত ফিরে পাবে মর্মে কোন ভবিষ্যদ্বাণী আছে কি?

উত্তর:
‘গাযওয়াতুল হিন্দ’ নামে এক যু*দ্ধের বর্ণনা বিভিন্ন হাদীছে রয়েছে, যার মধ্যে একটিমাত্র ছহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে। যেমন:

ছাওবান (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন:

عِصَابَتَانِ مِنْ أُمَّتِي أَحْرَزَهُمَا اللَّهُ مِنْ النَّارِ : عِصَابَةٌ تَغْزُو الْهِنْدَ ، وَعِصَابَةٌ تَكُونُ مَعَ عِيسَى بْنِ مَرْيَمَ عَلَيْهِمَا السَّلَام
‘আমার উম্মতের দু’টি দল রয়েছে যাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। তাদের একটি দল হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। আরেকটি দল যারা ঈসা (আঃ)-এর পক্ষে থাকবে’ (নাসাঈ হা/৩১৭৫; আহমাদ হা/২২৪৪৯; ছহীহাহ হা/১৯৩৪)।

উপরোক্ত হাদীছে হিন্দুস্থানের যে যুদ্ধে বিজয়ের ভবিষ্যদ্বাণী রাসূল (ছাঃ) করেছিলেন, তা ইতিমধ্যে ঘটে গেছে। কেননা মুসলমানগণ হিন্দুস্থানে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেছেন। যেমন:

➤ ওমর (রাঃ)-এর খেলাফতকালে সর্বপ্রথম ১৫ হিজরীতে ওছমান বিন আবুল ‘আছের নেতৃত্বে একটি সেনাদল প্রেরিত হয়। যারা হিন্দুস্থানের থানা, ব্রূছ ও দেবল বন্দরে সফল অভিযান পরিচালনা করেন। থানাকে বর্তমানে মুম্বাই, ব্রূছকে গুজরাট এবং দেবলকে করাচী বলা হয়। তারা এ সময় ‘সরনদীব’ জয় করেন। যাকে বর্তমানে শ্রীলঙ্কা বলা হয় (আতহার মুবারকপুরী, আল-ইক্বদুছ ছামীন ফী ফুতূহিল হিন্দ (কায়রো : দারুল আনছার, ২য় সংস্করণ ১৩৯৯ হি./১৯৭৯) ১/২৬, ৪০, ৪২, ৪৪)।

➤ অতঃপর মু‘আবিয়া (রাঃ)-এর খেলাফতকালে (৪১-৬০ হি.) হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে যু*দ্ধ পরিচালিত হয় (আল-বিদায়াহ ৬/২২৩)।

➤ এরপর ৯৩ হিজরীতে খলীফা ওয়ালীদ বিন আব্দুল মালিকের আমলে (৮৬-৯৬ হি.) মুহাম্মাদ বিন কাসেম ছাক্বাফী-র নেতৃত্বে সিন্ধু ও হিন্দুস্থান বিজিত হয় (আল-বিদায়াহ ৯/৭৭, ৯৫; আল-ইক্বদুছ ছামীন ১/১৪১-৪২)।

➤ এছাড়া ৫ম শতাব্দী হিজরীর প্রথম দিকে গযনীর সুলতান মাহমূদ (৩৮৮-৪২১ হি.) হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি ভারতের বিখ্যাত সোমনাথ মন্দিরে প্রবেশ করে সকল মূর্তি ভেঙ্গে চুরমার করেন। অতঃপর বিজয়ী হয়ে ফিরে আসেন (আল-বিদায়াহ ৬/২২৩, ১২/৩০; আহলেহাদীছ আন্দোলন ২০৬-২০৮ পৃ.)।

অপরপক্ষে হযরত আবু হুরায়রাহ, কা‘ব ও ছাফওয়ান বিন ‘আমর (রাঃ) থেকে দুর্বল সূত্রে এ বিষয়ে কিছু হাদীছ বর্ণিত হয়েছে যে, ‘হিন্দুস্থানের নেতাদেরকে মুসলিম সেনারা বেড়ীবদ্ধ অবস্থায় শামে নিয়ে যাবে। অতঃপর ঈসা (আঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করবে’। যেগুলির সবই যঈফ।

(নাসাঈ হা/৩১৭৩-৭৪; আহমাদ হা/৭১২৮; হাকেম হা/৬১১; নু‘আঈম বিন হাম্মাদ, আল-ফিতান হা/১২০২, ১২১৫, ১২৩৬)।
এসকল যঈফ বর্ণনা থেকে অনেকে ধারণা করেন যে, এই গাযওয়াতুল হিন্দ ক্বিয়ামতের পূর্বকালে সংঘটিত হবে।

🔰 দ্বিতীয়ত, ক্বিয়ামতের পূর্বে ইমাম মাহদীর মাধ্যমে ইসলামী খেলাফত পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হবে এবং যা সাত বছর অব্যাহত থাকবে-মর্মে রাসূল (ছাঃ)-এর ভবিষ্যদ্বাণী রয়েছে (আবূদাঊদ হা/৪২৮৪-৮৫; মিশকাত হা/৫৪৫৩-৫৪; ছহীহাহ হা/১৫২৯)। তবে সেই খেলাফত এখন থেকে এক শতাব্দীকাল পর প্রতিষ্ঠিত হবে, এমন কোন সময়সীমা নির্দিষ্ট করার সুযোগ নেই। আল্লাহু আলাম
[মাসিক আত-তাহরীক, ২২তম বর্ষ, ২য় সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৮-অনলাইন ভার্সন]

উল্লেখ্য যে, ইতেপূর্বে একাধিকবার রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভবিষ্যতবাণী বাস্তবায়িত হলেও কিয়ামতের পূর্বে আবারও গাযওয়াতুল হিন্দ হবে না তা বলার সুযোগ নেই। অর্থাৎ কিয়ামতের পূর্বে আবারও তা সংঘটিত হতে পারে। সে যু*দ্ধে আল্লাহ তাআলা মুসলিমদেরকে বিজয় দান করবেন বলে আমরা দৃঢ়ভাবে আশা করি যেভাবে ইতোপূর্বে ভারতের ভীতু হি*ন্দুদের উপর বীর মুসলিমদেরকে বিজয় দান করেছিলেন।
হে আল্লাহ, তুমি ভারতবর্ষের মুসলিমদের ঈমানী শক্তি বৃদ্ধি করো, যেন তারা অত্যাচারী হি*ন্দুদের অত্যাচার থেকে রক্ষা পায় এবং পুনরায় ভারতের সর্বত্র অতীতের মত ইসলামের বিজয় পতাকা উড্ডীন করতে পারে। আল্লাহুম্মা আমীন।
▬▬▬▬✪✪✪▬▬▬
সংকলনে (সামান্য পরিমার্জন ও সংযোজন সহ):
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Tejgoan
Dhaka
1215