01/04/2026
এইদেশে কম বয়সে বিবাহ করলে সবাই সমালোচনা করে কিন্তু টয়লেটে গিয়ে হিন্দু ছেলেকে সতিত্ব বিলিয়ে দিয়ে আসলে তাদের কিছু যায় আসেনা।
সম্প্রতি লুবাবা মেয়েটির বিয়ে নিয়ে দেশের একাংশের খুব গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। তাদের কথা হলো কেন সে এত তাড়াতাড়ি বিয়ে করলো?
ঐদিকে সম্প্রতি রোজার মাসে একটি মুসলিম মেয়ে বোরকা-হিজাব পড়ে টয়লেটে একটি হিন্দু ছেলেকে তার সতিত্ব বিসর্জন দিয়ে আসলো, তাতে তাদের কিছু যায় আসেনা।
তাদের কথা হলো ঐরকম টয়লেটে গিয়ে আগে সতিত্ব বিসর্জন দিয়ে কয়েক বছর হারাম সম্পর্কে জিবন কাটিয়ে তারপর বুড়ী হয়ে একটা ছেলের গলায় ঝুলে পড়তে পারলেই হয়।
কিন্তু লুববা কেন এইসব অপকর্মে জড়ানোর আগেই বিয়ে করে ফেললো এখানেই তাদের সমস্যা।
একটা প্রবাদ আছে লেচ কাটা শিয়াল চায় সব শিয়ালের লেচ কাটা পরুক। ঠিক তেমনি টয়লেটে সতিত্ব বিসর্জন দেওয়ারাও চায় সব মেয়েরাও যাতে তাদের মতো মুক্তমনা হয়ে যার তার সাথে টয়লেটে গিয়ে তাদের ইজ্জত আব্রু বিলিয়ে দিয়ে আসে । তারা একা এই অন্ধকার জগতে ঘুরপাক খাবে কেন। তাই তারা সবাইকেও সেই পথে নিয়ে যেতে চায়।
23/03/2026
হালালভাবে একটি নারীকে স্পর্শ করতে গেলে একজন পুরুষকে প্রায় ২৮–৩০ বছর সময় ব্যয় করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হয়।
ভালো স্যালারি, একটি স্থায়ী চাকরি, মোহরানা পরিশোধের সক্ষমতা—সবকিছুই নিশ্চিত করতে হয়।
এর সঙ্গে থাকে সমাজের নানা বাধা ও প্রত্যাশা।
অথচ একই নারীকে হারামভাবে স্পর্শ বা উপভোগ করতে খুব বেশি কিছু লাগে না।
মাত্র দুই দিনের সম্পর্কেই তা সম্ভব—না লাগে চাকরি, না লাগে স্যালারি, না লাগে কোনো দায়বদ্ধতা।
১৭–১৮ বছর বয়সেই সে পথে জড়িয়ে পড়া যায়, তখন সমাজও তেমন বাধা দেয় না।
কিন্তু বিয়ের কথা বললেই শোনা যায়—“এখনো বয়স হয়নি”, “ক্যারিয়ার গড়ো”, “এখনো সময় আছে”।
অসংখ্য অঘোষিত নিয়ম ও সামাজিক বাঁধা সামনে এসে দাঁড়ায়।
এই বৈপরীত্যই আমাদের সমাজ ব্যবস্থার এক কঠিন বাস্তবতা।
30/03/2025
হামজা যখন শেফিল্ড ইউনাইটেডের জার্সিতে দস্যি ছেলের দুরন্তপনায় দেখায়, তখন বাংলাদেশের এক টুকরো আকাশও হয়তো হাসে। মেঘেরা জানে—এই পারফরম্যান্সের সুরে মিশে আছে সিলেটের ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি, ঢাকার যানজটের শব্দ আর কক্সবাজারের অবিশ্রান্ত ঢেউ।
আসলে মানুষ যখন স্বপ্ন নিয়ে হাঁটে, ক্লান্তি তার পায়ের জুতোয় আটকে যায়।
- ম্যাচ রেটিং ৭.৪/১০
- ৪ ইন্টারসেপশন
- ২ সফল ট্যাকল
- ১ শট ব্লক
29/03/2025
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের গর্ব আব্দুল জব্বার মন্ডল।
তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমে স্বস্তিতে ঢাকাবাসী। তাঁর মত প্রতি বিভাগে আর একজন করে আব্দুল জব্বার থাকলে পুরো দেশ স্বস্তিতে থাকতো।
মহান আল্লাহ তাঁকে সুস্থতার সাথে দেশের সেবা করার তৌফিক দান করুন।
আমিন।