আরিফ'স দাওয়াহ নোটস - Arif’s Dawah Notes

আরিফ'স দাওয়াহ নোটস - Arif’s Dawah Notes

Share

"সহীহ কুরআন ও সুন্নাহর আলোয় জীবন গড়ার এক ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আরিফ'স দাওয়াহ নোটস-এর সাথেই থাকুন।"

10/06/2026

বাচ্চাদের ভিডিও
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ

03/06/2026

হযরত লোকমান (عليه السلام) তার আপন ছেলেকে দেওয়া ৭৬ টি উপদেশ _____________________________👇

১। বেটা !কর্জ হইতে নিজেকে হেফাজাত রাখিও।কেননা ইহা দিনের বেলায় অপমান এবং রাত্রিতে দুশ্চিন্তা।

২। বেটা !তুমি মোরগের চাইতে বেশী অক্ষম হইও না।সে তো শেষ রাত্রিতে জাগিয়া চিৎকার শুরু করিয়া দেয়,আর তুমি নিজের বিছানায় পড়িয়া ঘুমাইতে থাকো।

৩। বেটা ! গুরুত্ব সহকারে জানাযায় শরীক হইও এবং অহেতুক অনুষ্ঠানাদি শরীক হওয়া হইতে বাঁচিয়া থাকিও।

৪। বৎস আল্লাহর সান্নিধ্য অবলম্বন করবে ।

৫। অন্যকে উপদেশ দেওয়ার আগে নিজে আমল করার চেষ্টা কর ।

৬। নিজের মান মর্যাদা বজায় রেখে কথা বলবে ।

৭। ভাল মানুষ রূপে বিবেচিত হওয়ার চেষ্টা করবে ।

৮। স্বীয় অধিকারের প্রতি সচেতন থাকবে ।

৯। গোপন তথ্য কারো নিকট প্রকাশ করবে না ।

১০। বিপদে বন্ধুর পরীক্ষা নিবে ।

১১। বন্ধুদের ভাল মন্দ উভয়টাই পরীক্ষা করবে ।

১২। বিচক্ষণ এবং জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে বন্ধুত্ব করবে ।

১৩। ভালকাজে পুণঃপুণঃ অংশগ্রহণ করবে ।

১৪। নিজের কথা প্রমাণ করে দিবে ।

১৫। বন্ধুদের সাধ্যমত ভালবাসবে ।

১৬। শত্রু মিত্র সকলের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করবে ।

১৭। মাতা পিতাকে সর্বাধিক সম্মান করবে ।

১৮। শিষ্যকে সর্বাধিক মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখবে ।

১৯। আয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে ব্যয় করবে ।

১৯। প্রত্যেক কাজে মধ্যপন্হা অবলম্বন করবে ।

২০। কথা বলার সময় মুখ আয়ত্বের মধ্যে রাখবে ।

২১। বীরত্ব কে নীতি হিসাবে গ্রহণ করবে ।

২২। শরীর এবং পোষাক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখবে ।

২৩। ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকবে ।

২৪। প্রচলিত অস্ত্র সস্ত্র ও যানবাহন পরিচালনা শিখে নিবে ।

২৫। প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব প্রদান করবে ।

২৬। রাতের বেলায় যদি কথা বলার প্রয়োজন হয় তাহলে আস্তে এবং নরম স্বরে কথা বলবে ।

২৭। দিনের বেলায় কথা বলার সময় চতুর্দিকে লক্ষ্য করে কথা বলবে ।

২৮। কম কথা বলা কম খাওয়া এবং কম ঘুমানোর অভ্যাস করবে ।

২৯। নিজের জন্য যা পচন্দ করো না তা অন্যের জন্য পচন্দ করবে না ।

৩০। বিচক্ষণতা ও কৌশল অবলম্বন করে কাজ করবে ।

৩১। উপযুক্ত শিক্ষিত না হয়ে অন্যকে শিখাতে যেও না ।

৩২। অন্যের ধন সম্পদের প্রতি লক্ষ্য করবে না ।

৩৩। নীতিহীনদের কাছ থেকে কৃতজ্ঞতা আশা করবে না ।

৩৪। কোনো কাজেই চিন্তামুক্ত হইও না ।

৩৫। যে কাজ তুমি করনি এরূপ কাজ করেছ বলে মনে করো না ।

৩৬। আজকের কাজ আগামীকালের জন্য ফেলে রাখবে না ।

৩৭। বড়দের সাথে হাসি ঠাট্টা করতে যেও না ।

৩৮। আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করিও না ।

৩৯। তোমার প্রতি যারা আশা রাখে তাদের নিরাশ করো না ।

৪০। বড়দের সামনে কথা দীর্ঘায়িত করবে না ।

৪১। অতীতের তিক্ততা মনে রেখো না ।

৪২। নিজের ধন সম্পদের কথা অন্যের নিকট প্রকাশ করবে না ।

৪৩। সৎ লোকদের নিন্দা করবে না ।

৪৪। আপনজনদের কাছ থেকে কখনও বিচ্ছিন্ন হইও না।

৪৫। অহংকার করবে না ।

৪৬। মানুষের সামনে দাঁত খেলাল করবে না ।

৪৭। মানুষের সামনে মুখে বা নাকে অঙ্গুল প্রবেশ করবে না ।

৪৮। শব্দ করে থুতু ফেলবে না ।

৪৯। হাই তোলার সময় মুখে হাত রাখবে ।

৫০। কাউকে জনসম্মুখে লজ্জা দিবে না ।

৫১। চোখ দিয়ে ইঙ্গিত করবে না ।

৫২। এক কথা বারবার বলবে না ।

৫৩। তামাশা মূলক অবাস্তব কথা বলবে না ।

৫৪। ঠাট্টা বিদ্রুপ থেকে বিরত থাকবে ।

৫৫। অন্যের সামনে নিজের প্রশংসা করবে না ।

৫৬। মেয়েদের ন্যায় সাজসজ্জা করবে না ।

৫৭। কথা বলার সময় হাত নাড়াচাড়া করবে না ।

৫৮। আপনজনদের শত্রুর সাথে উঠাবসা করবে না ।

৫৯। কারো মৃত্যুর পর তার সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করবে না ।

৬০। যথাসম্ভব ঝগড়া বিবাদ থেকে বিরত থাকবে ।

৬১। সৎলোকের প্রতি সুধারণা রাখবে ।

৬২। নিজের খানা অন্যের দস্তারখানায় নিয়ে যাবে না ।

৬৩। কোনো কাজেই তাড়াহুড়ো করবে না ।

৬৪। পার্থিব স্বার্থের মোহে নিজেকে দুঃখ কষ্টে ফেল না ।

৬৫। রাগান্বিত অবস্থায়ও ধীর শান্ত ভাবে কথা বলবে ।

৬৬।জামার আস্তিন দ্বারা নাক পরিস্কার করবে না ।

৬৭। সূর্য উদয়ের পূর্বেই শয্যা ত্যাগ করবে ।

৬৮। পথ চলার সময় বড়দের আগে চলবে না ।

৬৯। এদিক সেদিক উকি মেরে দেখবে না ।

৭০। অন্যের কথার মধ্যে বাধা দিয়ে কথা বলবে না ।

৭১। মেহমানের সামনে কারো প্রতি রাগান্বিত হইও না ।

৭২। সন্দেহপ্রবণতা ত্যাগ করতে না পারলে দুনিয়ায় তুমি কোনো বন্ধু খুঁজে পাবে না।

৭৩। বেটা !তুমি এত মিষ্ট হইও না যে,মানুষ তোমাকে গিলিয়া ফেলে।আর এত তিক্ত হইও না যে মানুষ তোমাকে থুথুর মতো ফেলিয়া দেয়।

৭৪। বেটা !নিজের খানা আল্লাহ্ভীরু লোকদের ব্যতীত কাহাকেও খাওয়াইও না।আর নিজের কাজে আলেমগনের নিকট হইতে পরার্মশ লইতে থাকিও।

৭৫। বেটা !মূর্খের সহিত বন্ধুত্ব করিও না।এমন না হয় তাহার মূর্খতা সুলভ কথাবার্তা তোমার ভালো লাগিত আরম্ভ করে।আর জ্ঞানী লোকের সহিত শত্রুতা করিও না।এমন না হয় যে,সে তোমার দিক হইতে মুখ ফিরাইয়া রাখে।

৭৬। বেটা !তুমি যেদিন হইতে দুনিয়াতে আসিয়াছ,প্রতিদিন আখেরাতের নিকটবর্তী হচ্ছো।

আল্লাহ আমাকে এবং আপনারা সবাইকে সাধ্যমতো সবগুলো কথা আমল করার তৌফিক দান করুক।

আল্লাহ তুমি কবুল করো। (আমিন)

আমার এই পথচলায় আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা একান্ত কাম্য। দ্বীনের এই বার্তাটুকু পৌঁছে দিতে পেজটি Follow করে এবং পোস্টটি Share করে আপনিও হতে পারেন এই নেক কাজের অংশীদার।আল্লাহ আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে কবুল করুন। আমিন। 🤲—

আরিফ
প্রতিষ্ঠাতা, আরিফ'স দাওয়াহ নোটস।
#আরিফুল_বিন_আসাদুল্লাহ

29/05/2026
29/05/2026

অফিসে ইদের ছুটি উপলক্ষে খাবার আয়োজন
CKDL 2

22/05/2026

হে আল্লাহ!
আমাদেরকে ধৈর্য দান করুন কঠিন সময়ে এবং শোকর করার তাওফিক দিন সুখের দিনে, আমিন!

22/05/2026

হে রহমান, আমাকে এমন এক জীবন দান করুন যা ঈমানে পরিপূর্ণ, এমন এক জিহ্বা যা আপনার যিকিতে সিক্ত, এমন এক হৃদয় যা শুধু আপনার জন্যই স্পন্দিত হয় এবং এমন চোখ যা আপনার প্রতি ভয় ও ভালোবাসায় কাঁদে। আমাকে শয়তানের কুমন্ত্রণা, অহংকার ও উদাসীনতা থেকে দূরে রাখুন।

22/05/2026

দোয়া ইউনুস পড়লে দোয়া কবুল হয়;"লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যোয়ালিমিন!🖤

19/05/2026

বছরের শ্রেষ্ঠ ১০টি রাত হলো রমজানের শেষ দশক, আর বছরের শ্রেষ্ঠ ১০টি দিন হলো জিলহজ্বের প্রথম দশক। আল্লাহর কাছে এই ১০ দিনের আমল অনেক প্রিয়। জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিনে আমরা যে আমলগুলো করতে পারি—

১। জিলহজ্বের প্রথম ৯ দিন নফল রোজা রাখা; বিশেষ করে আরাফার দিন :

জিলহজ্বের প্রথম দশকে রোজার বিষয়ে উম্মুল মুমিনীন হযরত হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, ❝চারটি আমল রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো ছাড়তেন না। আশুরার রোজা, জিলহজ্বের প্রথম দশকের (অর্থাৎ প্রথম নয় দিনের) রোজা, প্রত্যেক মাসের তিন দিনের রোজা, ফজরের আগে দুই রাকাত সুন্নত নামাজ।❞
— সুনানে নাসায়ী : ২৩৭৪; সহীহ ইবনে হিব্বান : ৬৪২২; মুসনাদে আহমাদ : ২৬৩৩৯।

রাসূল (ﷺ) বলেন, ❝আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর দ্বারা বিগত বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।❞
— সহীহ মুসলিম : ১১৬২

২। সামর্থ্য থাকলে হজ্জ ও উমরাহ করা :

আল্লাহ তা'আলা বলেন, ❝তাতে রয়েছে স্পষ্ট নির্দশনসমূহ, মাকামে ইবরাহীম। আর যে তাতে প্রবেশ করবে, সে নিরাপদ হয়ে যাবে এবং সামর্থ্যবান মানুষের উপর আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ্জ করা ফরজ। আর যে কু*ফরী করে, তবে আল্লাহ তো নিশ্চয় সৃষ্টিকুল থেকে অমুখাপেক্ষী।❞
— সূরা আল-ইমরান : ৯৭

৩। সামর্থ্য থাকলে কুরবানি করা :

❝কাজেই তুমি তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নামায আদায় কর এবং কুরবানী কর।❞
— সূরা আল-কাউসার : ২

৪। চুল ও নখ না কাটা :

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, ❝যখন তোমরা জিলহজ্ব মাসের (নতুন চাঁদ দেখতে পাও) আর তোমাদের কেউ কুরবানি করার ইচ্ছা করে, তবে সে যেন তার চুল না ছাটে ও নখ না কাটে।❞
— সহীহ মুসলিম : ১৯৭৭

৫। আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে তাওবাহ করা :

এ দিন গুলোতে তাওবাহ করে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার একটি সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
❝হে মোমিনগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তাওবাহ কর—বিশুদ্ধ তাওবাহ; সম্ভবত তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের মন্দ কাজগুলো মোচন করে দেবেন এবং তোমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। সে দিন আল্লাহ লজ্জা দেবেন না নবীকে এবং তার মোমিন সঙ্গীদেরকে, তাদের জ্যোতি তাদের সম্মুখে ও দক্ষিণ পার্শ্বে ধাবিত হবে। তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জ্যোতিকে পূর্ণতা দান কর এবং আমাদেরকে ক্ষমা কর, নিশ্চয় তুমি সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।❞
— সূরা আত-তাহরীম : ৮

৬। অধিক পরিমাণে আল্লাহর যিকির করা :

আল্লাহ ত'আলা বলেন, ❝যাতে তারা তাদের কল্যাণময় স্থানগুলোতে উপস্থিত হতে পারে এবং তিনি তাদেরকে চতুষ্পদ জন্তু হতে যা রিজিক হিসেবে দান করেছেন তার উপর নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে।❞
— সূরা আল-হাজ্জ : ২৮

অধিকাংশ আলেম বলেছেন : এ আয়াতে নির্দিষ্ট দিন বলতে জিলহজ্বের প্রথম দশ দিনকে নির্দেশ করা হয়েছে। এ সময়ে আল্লাহর বান্দাগণ বেশি বেশি করে আল্লাহর প্রশংসা করেন, তার পবিত্রতা বর্ণনা করেন, তার নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেন, কুরবানির পশু য*বেহ করার সময় আল্লাহর নাম ও তাকবীর উচ্চারণ করে থাকেন।
হাদিসে আছে চারটি বাক্য আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।
ক. সুবহানাল্লাহ, খ. আলহামদুলিল্লাহ, গ. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ঘ. আল্লাহু আকবর। এ দিনগুলোতে এ যিকিরগুলো করা যেতে পারে।

৭। বেশি বেশি তাকবীর, তাহলীল ও তাহমীদ পাঠ করা :

রাসুল (ﷺ) বলেন, ❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্বের দশ দিনের আমলের চেয়ে মহান এবং প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং, তোমরা সেই দিনগুলোতে অধিক পরিমাণে
তাসবিহ ( سُبْحَانَ اللّٰهِ ), সুবহানাল্লাহ
তাহমিদ ( ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ ), আলহামদুলিল্লাহ
তাহলিল ( لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ ) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
ও তাকবির ( اللّٰهُ أَكْبَر ) আল্লাহ আকবার, পড়ো।❞
— মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৬; (হাদিসটির সনদ সহীহ)

এবং আরাফার দিন অর্থাৎ জিলহজ্বের ৯ তারিখ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একাকী বা জামাতে নামাজ আদায়কারী, নারী অথবা পুরুষ— প্রত্যেকের জন্য একবার তাকবিরে তাশরিক —
(اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ، لَاإِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الحَمْدُ)
পাঠ করা ওয়াজিব। পুরুষরা উচ্চ আওয়াজে বলবে, আর নারীরা নিচু আওয়াজে।
— ইবনু তাইমিয়্যাহ, মাজমু‘উ ফাতাওয়া : ২৪/২২০; ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ : ২/৩৬০; ইবনু আবিদিন, রাদ্দুল মুহতার : ৩/৬১।

৮। সকল প্রকার গুনাহ থেকে বিরত থাকা :

চারটি সম্মানিত মাসের একটি হলো জিলহজ্ব; তাই এই মাসের সম্মানে যথাসম্ভব সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ❝নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সংরক্ষিত ফলকে (বছরে) মাসের সংখ্যা বারোটি—আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তার মধ্যে চারটি (মাস) সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা (গুনাহ করার মাধ্যমে) নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।❞
— সূরা আত-তাওবা : ৩৬

৯। বেশি বেশি নফল ইবাদত করা :

এই দিনগুলো বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ, তাই অধিক পরিমাণে নেক আমল করা।

রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্বের (প্রথম) দশ দিনের আমলের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই। সাহাবিগণ বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ রাস্তায় জি*হা/দও কি এর চেয়ে উত্তম নয়?’ তিনি বললেন, না। আল্লাহর রাস্তায় জি*হা/দও নয়। তবে যে ব্যক্তি তার জান ও মাল নিয়ে (জি*হা/দে) ঝাঁপিয়ে পড়লো এবং এর কোনো কিছু নিয়েই আর ফিরে এলো না (অর্থাৎ, শহীদ হয়ে গেলো, তার কথা ভিন্ন)।❞
— সহীহ বুখারী : ৯৬৯; মুসনাদে আহমাদ : ৬৫০৫; আবু দাউদ : ২৪৩৮।

❝জিলহজ্ব মাসের ১ম ১০ দিনের ফরজ ইবাদত অন্যান্য মাসের ফরজ ইবাদতের তুলনায় অধিক মর্যাদার। এই দশদিনের নফল ইবাদত অন্যান্য মাসের নফল ইবাদতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।❞
— ইবনু রজব, ফাতহুল বারি : ৯/১৫

১০। বেশি বেশি দান-সাদাকাহ করা :

দান-সাদাকাহ এমনিতেই গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল। বিশেষ দিনে এর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। তাই জিলহজ্ব মাসে দান-সাদাকাহ করা বিশেষ সওয়াবের কাজ ও ফজিলতপূর্ণ আমল। অন্যের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মর্যাদা সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ❝যারা নিজের সম্পদ দিনে বা রাতে প্রকাশ্যে অথবা গোপনে আল্লাহর পথে খরচ করে তাদের পুরস্কার তাদের প্রতিপালকের কাছে আছে। তাদের কোনো ভয় নেই। তাদের কোনো চিন্তাও নেই।❞ — সূরা বাকারা : ২৭৪

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো সহীহ নিয়তে আমল করার তাওফিক দান করুন।

আমার এই পথচলায় আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা একান্ত কাম্য। দ্বীনের এই বার্তাটুকু পৌঁছে দিতে পেজটি Follow করে এবং পোস্টটি Share করে আপনিও হতে পারেন এই নেক কাজের অংশীদার।আল্লাহ আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে কবুল করুন। আমিন। 🤲—

আরিফ
প্রতিষ্ঠাতা, আরিফ'স দাওয়াহ নোটস।
#আরিফুল_বিন_আসাদুল্লাহ

18/05/2026

তিন শ্রেণীর মানুষের সাথে আল্লাহপাক কেয়ামতের মাঠে কথা বলবেন না

Want your school to be the top-listed School/college?

Website