যখন তুমি
''First propose'' পাও🤭
তখন কোন Class এ পড়তে?☺️
ক্যাম্পাসের আড্ডা
Student's Community
▒▒▒ ব্রেকিং নিউজ ▒▒▒█
🔳 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে।
🔳 পরীক্ষা হবে শর্ট সিলেবাসে।
✅ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ ভর্তি পরীক্ষার সর্বশেষ দেখে নাও ✅
🔳 আবেদনের যোগ্যতা :
☑️ বিজ্ঞান : 8.00
☑️ মানবিক বিভাগ : 7.00
☑️ বাণিজ্য : 7.50
☑️ প্রাথমিক আবেদন শুরু ২৫ মে- ৯ জুন।
☑️ প্রাথমিক আবেদন ফি ৫৫ টাকা।
☑️ প্রাথমিক আবেদন শেষে সিলেকশন রেজাল্টের পর চুড়ান্ত আবেদন ১৫ জুন -২৮ জুন।
☑️ চুড়ান্ত আবেদন ফি ১১০০ টাকা।
☑️ প্রতি ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পাবে ৭২,০০০ জন।
পরীক্ষা হবে চার শিফটে।
প্রতি শিফটে ১৮,০০০ জন পরীক্ষা দিতে পাবে।
🔳 পরীক্ষার তারিখ :-
☑️ C- ইউনিট ( বিজ্ঞান বিভাগ)=২৫ জুলাই,
☑️ A- ইউনিট ( মানবিক বিভাগ)=২৬ জুলাই
☑️ B- ইউনিট (বাণিজ্য বিভাগ ) =২৭ জুলাই
১ম শিফট = সকাল ৯ -১০ টা
২য় শিফট = সকাল ১১-১২ টা
৩য় শিফট=দুপুর ১-২ টা
৪র্থ শিফট = দুপুর ৩-৪ টা।
প্রশ্ন ভিন্ন হবে এবং মেধাতালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ করা হবে।
🔳 পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের।
MCQ থাকবে ৮০ টি।
কোন রিটেন নাই।
প্রতিটি প্রশ্নের মান ১.২৫।
নেগেটিভ মার্ক ০.২০।
পাস মার্ক ৪০
🔳 A- ইউনিট (কলা অনুষদ, আইন অনুষদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ও চারুকলা অনুষদ এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট)-এর প্রশ্নপত্রে ক, খ, গ ৩টি অংশ থাকবে।
যেখানে-
ক. বাংলা- ৩০ নম্বর
খ. ইংরেজি- ৩০ নম্বর
গ. সাধারণ জ্ঞান- ৪০ নম্বর
মোট ১০০ নম্বর।
🔳 A- ইউনিট (মানবিক + বিভাগ পরিবর্তন)
১. বাংলা- ৩০ নম্বর
২. ইংরেজি- ৩০ নম্বর
৩. সাধারণ জ্ঞান- ৪০ নম্বর।
মোট ১০০ নম্বর।
প্রাথমিক আবেদন থেকে ‘এ’ ইউনিটে ৪৫ হাজার (১৫,০০০ + ১৫,০০০ + ১৫,০০০) শিক্ষার্থী বাছাইয়ের পর মানবিক থেকে ৬০% এবং অন্য বিভাগ থেকে ৪০% শিক্ষার্থীর নির্ধারণ করা হবে।
🔳 B- ইউনিট ( এ ইউনিটে বাণিজ্য শাখা এবং অবাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারবেন)
🔳 শুধু বাণিজ্য শাখা থেকে পরীক্ষার্থীদের নম্বর বণ্টন-
১. ইংরেজি- ২৫ নাম্বার
২. আইসিটি- ১৫ নাম্বার।
৩. হিসাববিজ্ঞান- ২৫ নাম্বার
৪. ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা- ২৫ নাম্বার
৫. বাংলা- ১০ নাম্বার
মোট ১০০ নম্বর।
🔳 B- ইউনিট- অবাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীদের নম্বর বণ্টন
১. ইংরেজি- ৩০ নাম্বার
২. বাংলা- ২০ নাম্বার।
৩. সাধারণ জ্ঞান- ২০
রাজধানীর অন্তত ৬৫ ভাগ অলিগলিতে আমার পা পড়েছে। সেটা বছিলা হোক আর শনির আখড়া হোক। দক্ষিণ খান বা সারুলিয়া।
রাজধানীজুড়ে এই যে ভয়াবহ যানজট, কেবল রিকশা, অটো রিকশা বন্ধ করলে অন্তত ত্রিশভাগ কমে যাবে। অলিগলির জট প্রধান সড়কে এসে গড়ায়।
রাজধানীর অন্তত ৯০ ভাগ সড়ক পাবেন, যার মাত্র ৫০ ভাগ ব্যবহৃত হয়। বাকি অংশে পাড়ার মাস্তান, হিরোইনখোররা দোকান বসিয়ে বখড়া খায়। পিকআপ ড্রাইভার, প্রাইভেটকার চালকদের নিরাপদ পার্কিং জোনও এই সড়ক।
হাতিরপুল থেকে কারওয়ানবাজার পর্যন্ত রাস্তাটায় সারাবছর জ্যাম লেগে থাকে। অদ্ভুত কি জানেন, এই রাস্তার ৭৫ ভাগ থাকে বেদখলে। ব্যবহার হয় মাত্র পচিঁশ ভাগ। এমন উদাহরণ নিজ চোখে দেখা অন্তত অর্ধশতাধিক রাস্তায় দেওয়া যাবে।
রিকশার ডিস্টার্বটা খালি চোখে দেখবেন না। কোনো গাড়ি হয়তো দ্রুত গতিতে চলছে, হঠাৎ রিকশা সামনে। গাড়ি শ্লথ। এমনও হয় পুরো রাস্তায় সারিবদ্ধ রিকশা, অন্য গাড়ির জন্য একটুও সাইড দিবেনা। ফলে পেছনে জ্যাম শুরু। রিকশা চালকরা সিরিয়ালে চলবে না, উল্টো রাস্তা খুঁজে সবসময়। প্রধান সড়কে দেদারসে চলছে।
বাস, সিএনজি-যেখানে ইচ্ছা সেখানেই থামিয়ে যাত্রী নেয়। পিছনে গাড়ির দীর্ঘ জট, কিন্তু এরা নির্ভার। রাজধানীর রাস্তায় ত্রিশ সেকেন্ড গাড়ি চলাচল বন্ধ করলে ত্রিশ মিনিটের গাড়ির জট হয়। এত গাড়ি। আর এসব বাস-সিএনজি কয়েক মিনিট নিজেদের মত দাঁড়িয়ে থাকে।
আপাতত রিকশা চালকদের লেন মানতে বাধ্য করা এবং বড় সড়কগুলোতে ওঠা বন্ধ করা যেতে পারে। এরপর ক্রমান্বয়ে শহরে রিকশা নিষিদ্ধ। আবেগ দেখালে শহর চলবে না। গণপরিবহন বাড়াতে হবে, এভাবে মানুষের টানা বাহন চললে যানজটও মানতে হবে।
অল্প কয়েকটি সমস্যা, চাইলে একদিনের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। ট্রাফিক জ্যাম অন্তত ষাটভাগ কমে যাবে।
এরপর কয়েকমাসের টার্গেট নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের অফিস বাসে চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। সেটা সচিব হোক বা কেরানি। মানতে হবে। স্কুলগুলোতে স্কুল বাস থাকবে। কোনোভাবেই ব্যক্তিগত গাড়িতে শিক্ষার্থীদের আনা-নেওয়া করা যাবেনা। কঠোর আইন করতে হবে, কোনো পরিবারে একাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি যেনো না থাকে। কোনোভাবেই পার্কিং এরিয়ার বাইরে গাড়ি পার্কিং করতে দেওয়া যাবে না।
আপাতত ট্রাফিক পুলিশ ভাইদের দিয়ে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র পরীক্ষা বন্ধ রেখে, এসব সিদ্ধান্ত ইমপ্লিমেন্টের কাজে লাগানো যেতে পারে। তবে যেনতেনভাবে নয়, কঠোরভাবে।
সরকার চাইলে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে মাত্র কয়েক মাসের ব্যাপার। কিন্তু আদৌ বাস্তবায়ন হবে কি !
তাহলেতো আবার জ্যাম কমানোর পরিকল্পনার নামে শত শত কোটি টাকা লোপাট করা যাবে না। বিদেশ ভ্রমণ হবে না। এই উদ্যোগ, সেই উদ্যোগ টেস্টিংয়ের নামে বড় কর্তাদের আত্নীয়-স্বজনরা টাকা মারতে পারবে না।
সমস্যা রাস্তায়, সাধারণের। এই সমস্যা সমাধানও রাস্তায় হেঁটে হেঁটে করতে হবে। নিজ চোখে দেখতে হবে সমস্যার কারণগুলো কি ! এসি রুমে, দামি গাড়িতে, প্রোটোকল নিয়ে ঘুরে বক্তব্য-বিবৃতিতে জ্যাম সমস্যার সমাধান হবে না। জ্যাম নিয়ে গবেষণার জন্য আলাদা বরাদ্দ, কোনো বিদেশী ডিগ্রীধারী স্কলারেরও দরকার নেই।
ঢাকার জ্যাম কমানোর জন্য আলাদা পরিকল্পনাই লাগবে না। কারণ এই শহর আলাদা, মানুষ বেশি। চাইলেই কোনো মডেলে ফেলা যাবে না। এখন থেকে উল্লেখিত বিষয়গুলো ইমপ্লিমেন্ট শুরু করুণ। এক সপ্তাহের মধ্যে চলাচলের উপযোগী হবে শহর।
আমাদের বাঁচতে দিন। সবাই অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। নানা রোগব্যাধীতে কাবু মানুষ। এই শহর পরিত্যক্ত হওয়ার আগেই কঠোর উদ্যোগ নেন।
07/04/2022
চেষ্টা করে দেখবেন নাকি? সেক্ষেত্রে এটার নাম কী হতে পারে?
ইফতারের পর হার্ট এটাক বাড়ছে :
সতর্ক হতে হবে:
ইফতারের পর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ভর্তি হওয়ার হার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।অনেকে হার্ট এটাকের ব্যাথা কে ভুল করে এসিডিটির পেইন মনে করে এন্টাসিড বা ইনো খেয়ে আরো বেশী অসুস্থ হয়ে বা তীব্র বুকের ব্যাথা নিয়ে রমজান মাসে সন্ধ্যা বেলা ইফতারির পর চিকিৎসক এর চেম্বারে বা হসপিটালের ইমারজেন্সী বিভাগে চলে আসেন। ইসিজি করার পর প্রতীয়মান হয় যে উনার হার্ট এটাক হয়েছে এবং ততক্ষণে জটিলতা বেড়ে যায়।
যেকোনো ভারী খাবার দাবারের পর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রচুর খাবার একসাথে গেলে সেগুলোকে সামাল দেয়ার জন্য পাকস্থলীকে তার কাজ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে হয়। বেশি কাজ মানেই বেশি শক্তি। এই অতিরিক্ত শক্তির জন্য তার রক্তও দরকার হয় বেশি। কিন্তু এই রক্ত সে পাবে কই?
পাকস্থলীর মোটামোটি কাছের প্রতিবেশী যেহেতু হার্ট, তখন হার্টকে স্যাক্রিফায়েস করতে হয় বেশ খানিকটা রক্ত। আর ঠিক তখনই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।
রোজায় সারাদিন না খেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বেশ ক্ষুধার্ত থাকি। ব্রেইন বারবার সিগনাল পাঠাতে থাকে - খাবার দাও, খাবার দাও।
টেবিলে সাজানো সুস্বাদু সব খাবার আর ব্রেইনের সিগনালের ফাঁদে আমরা খুব সহজেই ধরা পড়ে যাই। গোগ্রাসে প্রচুর খাবার গিলতে থাকি।
তারপর আমাদের অজান্তেই শরীরের মধ্যে চলতে থাকে আন্তঃপ্রতিবেশী রক্ত আদান-প্রদান। কখনো কখনো হজম প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে শরীরের বিভিন্ন অর্গান বা অংগ থেকে পাকস্থলী বা স্টম্যাক এর দিকে রক্তের ডাইভারসন হয়, এর মাঝে হৃদপিন্ড বা হার্ট অন্যতম যেখানে রক্ত চলাচলে স্বল্পতা ঘটে।ফলশ্রুতিতে ভারী খাবার দাবারের ২ ঘন্টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রায় চারগুণ।
তাই, ইফতারে খাবার কম খান। দরকার হলে অল্প অল্প করে ২/৩ বারে খান।
নিজের স্বজনদের খাবারের দিকেও খেয়াল রাখুন।
Collected
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ১১ মাস চুরি করে।
আর রমজান মাসে ডাকাতি করে 😭
এদেশের ইমাম আর মুয়াজ্জিনের বেতন যদি ৫০ হাজার টাকা হতো। বিশ্বাস করেন BCS বাদ দিয়ে সব ছেলেরা হাফেজ হয়ে যেত।
সুবর্না মোস্তফাও সাংসদ?
টিপ কান্ড না ঘটলে জানতামই না😀
শিক্ষামন্ত্রী কি এখন বোরকা পরবেন?
শুনছি পুলিশ কনস্টেবল নাজমুলের গর্ভবতি স্ত্রী ডাক্তার দেখিয়ে স্বামীর দিকে নাকি আসছিলেন। হন্তোদন্ত ছুটে টিপপরা ওই মহিলা গর্ভবতি মহিলার পায়ে পাড়া দেন । নাজমুল সাহেবের স্ত্রী ব্যাথায় চিৎকার দিয়ে ওঠেন।টিপপরা মহিলা নাজমুল সাহেবের স্ত্রীকে লক্ষ্য করে বলেন "বোরকা একটা পরে হাটে, পাশের দিকে দেখেনা" নাজমুল সাহেব " অনেক কথার মধ্যে ও " টিপ পড়ছিস কেন?
আসলেই তো! নাজমুল সাহেবের স্ত্রীর বোরকা পরলে যদি সমস্যা হয় তাহলে তুই বেটি টিপ পরেছিস কেন? পরবি পর, আরেকজনের বোরকাকে তাচ্ছিল্য করার অধিকার তোকে কে দিয়েছে? হাঁটার সময় চোখ কোথায় থাকে?
সবাই সরব হলো। সংসদে টিপপন্থী সাংসদও টিপের ফজিলত নিয়ে আলোচনা করলেন। বিচারপতি মানিক পুলিশ বাহিনী থেকে ধর্মান্ধদের উৎখাতের দাবিতে কলাম লিখেলেন। বাদ থাকলেন না শিক্ষামন্ত্রীও। তিনিও টিপ পরে ছবি দিলেন। কিন্তু এই তো কয়েকদিন আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ছাত্রীকে নিকাব খুলতে বলেছিল। তখন কিন্তু তিনি নেকাব পরে ওই মেয়ের পক্ষে দাঁড়াননি।
এদেশের সাহসী সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ, নাজমুল সাহেবের স্ত্রীর সাক্ষাতকার নিন! ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বের করুন! যদি দেখা যায় কটূক্তির শুরুটা ওই অভদ্র মহিলাই করেছে, বোরকাকে তাচ্ছিল্য করেছে তাহলে কি বিচারপতি মানিকরা বোরকার পক্ষে কলাম লিখবেন?? কোনো নারী এমপি কি বোরকার পক্ষে সংসদের কথা বলবেন? গর্ভবতী ওই বোরকাপরা মায়ের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে আমাদের শিক্ষামন্ত্রীও কি এখন বোরকা পরবেন?
রোজার দিনে একজন গাড়িওয়ালা পুলিশ কনস্টেবলকে এভাবে হেনস্তা করা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। সুষ্টু তদন্ত হোক! নাজমুল সাহেবের স্ত্রীকে আইনের আশ্রয় নোবার অনুরোধ করছি। দ্বীনদার আইনজীবীদের তার পাশ দাঁড়াবার অনুরোধ করছি।
পুলিশ কনস্টেবলের মুখে দাড়ি দেখে হয়তো টিপওয়ালির সাহসটা বেড়েই গিয়েছিল। ভেবেছিল, তাকে ঘায়েল করা সহজ হবে। টিপের কাছে দাড়ি-টুপি ও হিজার অপমানিত। রোজার দিনে টিপের কাছে দাড়ি-টুপি আর বোরকার অবমাননা আমরা সহ্য করতে পারছি না। নাজমুলের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি করছি এবং ওই টিপপরা মহিলার বোরকা অবমাননার শাস্তি দাবি করছি।
দ্বিনদার পুলিশ কনস্টেবল নাজমুল সাহেবের পাশে দাঁড়ান, আপনিও কথা বলুন!
05/04/2022
মীম তুমি কার...
মেডিকেলে চান্সপ্রাপ্ত সবাইকে অভিনন্দন।
তোমাদের মধ্য থেকেই আমরা পেয়ে যাব দেশের সেরা মেধাবী ও চৌকস পুলিশ অফিসার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্যাডার সার্ভিসের লোকজন।
ধনীরা চিকিৎসার জন্য যাবে সিংগাপুর। মধ্যবিত্ত যাবে ইন্ডিয়া আর গরীবের ডাক্তার হয়ে অবশিষ্ট তোমরা যারা থাকবে তাদের প্রতি এ জাতি আজীবন কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেই যাবে।
জিনিসপত্রের দাম কেনো বাড়ছে জানতে চান? আসুন একটু পড়াশোনা করি....
মুদ্রাস্ফীতি সম্পর্কে কিছু পড়াশোনা করেছিলাম কয়েক বছর আগে। সেটা নিতান্তই কৌতূহল বশত। বর্তমানে প্রবলভাবে উপলব্ধি করতেছি - মুদ্রাস্ফীতির সাথে খেলাপী ঋণ ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।
প্রথেমেই বুঝতে হবে মুদ্রাস্ফীতি জিনিস টা আসলে কি? খুব সহজভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছি।
মুদ্রাস্ফীতিঃ কোন দেশে সর্বোপরি যতটুকু সম্পদ আছে তার মূল্য ওই দেশের বর্তমানের মোট মুদ্রামাণের(টাকা) সমান। মনে করুন, বাংলাদেশে সর্বমোট ১৫ টাকা আছে এবং এই দেশের সম্পদ বলতে সাকুল্যে আছে ৫ টি কমলা। আর কিছুই নেই। যেহেতু দেশের মোট সম্পদের মূল্য মোট মুদ্রামানের সমান, সেহেতু এই ৫ টি কমলার মূল্য ১৫ টাকা। অর্থাৎ, প্রতিটি কমলার মূল্য ৩ টাকা। এখন যদি আরো ৫ টাকা ছাপানো হয়, তাহলে মোট মুদ্রামান হয়ে যাবে ১৫+৫ = ২০ টাকা। কমলা কিন্তু বাড়েনি। তারমানে এখন[নতুন করে ৫ টাকা ছাপানোর পর] ৫ টি কমলার মোট মূল্য হয়ে গেল ২০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি কমলার বর্তমান মূল্য ৪ টাকা।
এই যে সম্পদ না বাড়িয়ে অতিরিক্ত টাকা ছাপানোর ফলে কমলার দাম ৩ টাকা থেকে ৪ টাকা হয়ে গেল, এইটাই সহজ ভাষায় "মুদ্রাস্ফীতি"। একই পণ্য আগের থেকে বেশি দামে ক্রয় করা মানেই মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে।
অর্থাৎ, আমরা বলতে পারি "কোন দেশের সম্পদের পরিমাণ না বাড়িয়ে টাকা ছাপালে মুদ্রাস্ফীতি হবে।"
এইবার আসি খেলাপী ঋণের প্রসঙ্গে। সহজ ভাষায় ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করলে সেই ঋণ কে খেলাপী ঋণ বলা যায়। আবার সেই ১৫ টাকা এবং ৫ কমলায় ফিরে আসা যাক।
মনে করুন, এই ১৫ টাকা থেকে এক ব্যক্তি ৫ টাকা ঋণ নিল। যতক্ষণ পর্যন্ত ঋণের ৫ টাকা দেশের মধ্যেই থাকছে, ততক্ষন দেশের মোট মুদ্রামান ১৫ টাকাই থাকে। মানে প্রতিটি কমলার মূল্য ৩ টাকাই থাকে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি এখন পর্যন্ত ঘটেনি।
এইবার ধরুন ওই ব্যক্তি ঋণের ৫ টাকা ডলারে কনভার্ট করে বিদেশে গিয়ে খরচ করে ফেলেছে এবং সে ঋণ পরিশোধ করতে অক্ষম। ডলারে কনভার্ট করার মানে হচ্ছে ওই ৫ টাকা এখন আর টাকা নাই। ধরুন ১ ডলার হয়ে গেছে[ধরি, ১ ডলার = ৫ টাকা]। এখন ওই ১ ডলার কিন্তু আর বাংলাদেশে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। যে দেশের মুদ্রা শুধুমাত্র সে দেশেই ব্যবহার করা যায়। মানে ওই ৫ টাকা বাংলাদেশের মধ্যে আর নাই!! অথচ খাতা কলমের হিসাবে বাংলাদেশের মোট টাকার মান এখনো ১৫ ই আছে!!! কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আছে ১০ টাকা। ওই খেলাপী ৫ টাকার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আবার ৫ টাকা অতিরিক্ত ছাপানো হয়। অর্থাৎ খাতাকলমে মোট মুদ্রামান হয়ে যায় ২০। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ১৫ টাকা থাকে।
এইখানে দুইটা ভয়কংর ঘটনা ঘটেঃ
১)যেহেতু টাকা ছাপানো হয় নতুন করে, সেহেতু মুদ্রাস্ফীতি হবে। অর্থাৎ একই কমলার দাম আগে ছিল ৩ টাকা। এখন হয়ে যাবে ৪ টা।
২)উপরের সমস্যা টাও খুব একটা প্রভাব ফেলত না যদি সত্যি সত্যি দেশে ২০ টাকা থাকত। তাহলে পণ্যের দাম বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বাড়ত। কিন্তু সেটা তো হচ্ছে না। কারন দেশে তো ২০ টাকা নাই। আছে ১৫ টাকা। ৫ টা গায়েবুল হাওয়া হয়ে গেছে। মানে আমাদের কাছে ১৫ টাকা। কিন্তু পণ্য কিনতে হচ্ছে এমন দামে যেন আমাদের ২০ টাকা আছে।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বর এর পর মোট খেলাপী ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ১৬৮ কোটি টাকা। এর অর্থ এই হিউজ পরিমাণ টাকা আমাদের দেশে নাই। অথচ আমাদের পণ্য ক্রয়ের সময় এমন দাম দিতে হচ্ছে যেন ওই ১ লক্ষ ১৬৮ কোটি টাকা আমাদের মুদ্রামাণে যুক্ত আছে। কি ভয়ংকর!!! এইসব হিসাবেই গ্যাসের সিলিন্ডার আজ ১৪০০ টাকা, অথচ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সেই ৭০০ টাকা ই আছে।
ভয়ংকর ব্যাপার। আপনাকে টাকা না দিয়ে বলা হচ্ছে টাকা দিয়েছি, আছে তোমার পকেটে, বেশি দাম দিয়ে চাল, ডাল, তেল কিনবা। নাহলে না খেয়ে মরবা।
________©
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
1200