19/05/2026
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, Dhaka.
19/05/2026
19/05/2026
কামরুল ইসলাম দর্পন
নীলফামারী সদর উপজেলা
19/05/2026
প্রিয় রাণীশংকৈলবাসী
আমি আপনাদের সন্তান, আপনাদেরই একজন। সুখে-দুঃখে, সংকটে-সম্ভাবনায় সবসময় রাণীশংকৈলের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আজ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন চাই। আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানে ক্ষমতা নয়, মানুষের সেবা।
রাণীশংকৈলকে একটি দুর্নীতিমুক্ত, উন্নত, মানবিক ও আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কৃষক, শ্রমিক, যুবসমাজ, শিক্ষার্থী, নারী ও প্রবীণ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অধিকার ও উন্নয়নই হবে আমার অঙ্গীকার।
আমি প্রতিশ্রুতি নয়, কাজের মাধ্যমে আস্থা অর্জন করতে চাই।
আপনাদের ভোট হবে উন্নয়ন, সততা ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে একটি সাহসী সিদ্ধান্ত।
আসুন, দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় রাণীশংকৈল গড়ে তুলি।
দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।
ভালোবাসা রইলো রাণীশংকৈলের প্রতিটি মানুষের প্রতি। ❤️
18/05/2026
জুলাই আগষ্টের গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ২ হাজার ছাত্র জনতাকে হ!ত্যা করাসহ ক্ষমার অযোগ্য অসংখ্য অপরাধ করেও যাদের মাঝে সামান্যতম অনুশোচনা নেই, তাদের প্রতি আমাদেরও সামান্যতম সহানুভূতি নেই।
রাকিবুল ইসলাম রাকিব
- সভাপতি, ছাত্রদল
27/04/2026
তানভীর বারি হামিম 🗣️
More details in the comment section.
19/04/2026
তেঁতুলিয়ার রিয়া বেগমের ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স। তিনি বলেন-
আমার নাম: রিয়া বেগম
আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ-৫৫ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
আমি তেঁতুলিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৭ সালে পিএসসি, কাজী শাহাবুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২০২৩ সালে এসএসসি ও ২০২৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দেই এবং সব বোর্ড পরীক্ষাতেই জিপিএ ফাইভ অর্জন করি ।
বাড়ি: পুরাতন বাজার, তেঁতুলিয়া,পঞ্চগড়।
বাবা-মোঃ আব্দুল খালেক
আমার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাপ্ত ফলাফল -
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়:১৩৬ তম B ইউনিট
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:৬১৬ তম A ইউনিট
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়:৪৭৬তম D ইউনিট
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়:১১৩১তম B ইউনিট
04/04/2026
মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিলে সালাহউদ্দিন আহমেদের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দারুণ একটা লিখিত বক্তব্য দিয়েছিলেন পঞ্চগড়-১ থেকে বিএনপির সাংসদ এবং অধ্যাদেশ পর্যালোচনা কমিটিরই আরেকজন সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।
ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের এই লিখিত বক্তব্য পড়ে একটা কথাই মাথায় ঘুরতেছে। সালাহউদ্দিন আহমেদের হাত থেকে বিএনপি এবং বাংলাদেশকে রক্ষা করতে না পারলে সামনে ভয়াবহ বিপদ অপেক্ষা করছে।
তার চিঠির উপসংহারটা আগে বলি। তিনি শেষে লিখেছেন-
এই কমিটির সামনে একটি স্পষ্ট সুযোগ আছে। শুধু একটি সিদ্ধান্ত – অধ্যাদেশটি দুটি ছোট সংশোধনসহ অক্ষুণ্ণ রেখে পাস করা। If we don't do this, it will be correctly read as a retreat from human rights obligations by the BNP government in its very first month. This is not in our best interest.
(৪১ টা পয়েন্টে তার বিশাল চিঠির গুরুত্বপূর্ণ ২০ টা পয়েন্ট পোস্টে দিচ্ছি। পুরো বক্তব্য কমেন্টের লিংকে পাবেন)
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠকে আলোচনার প্রেক্ষিতে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এর (সংসদ সদস্য ১, পঞ্চগড়-১) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ সম্পর্কিত লিখিত বক্তব্য।
সম্মানিত সভাপতি, কমিটির সম্মানিত সদস্যবৃন্দ,
১। একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে যে: যদি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ Lapse (বাতিল) করতে দেওয়া হয়, তাহলে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া বা পরিণতি হতে পারে। সেই প্রসঙ্গে আমি শেষে বিস্তারিত বলব। শুরুতে আইন মন্ত্রণালয় যে আপত্তি সমূহ উপস্থাপন করেছে, সেগুলি নিয়ে আলোচনা হওয়া বাঞ্ছনীয়।
যে আপত্তিগুলোর সঙ্গে আমি একমত
দুটি আপত্তিতে আমার কোনো দ্বিমত নেই।
২। প্রথমটি ধারা ২৬(১) নিয়ে কমিশন যে "প্রয়োজনীয় আদেশ" দিতে পারবে, সেই আদেশের ধরন আইনে সুনির্দিষ্ট করা উচিত। বলা যেতে পারে যে কমিশনের আদেশ দেওয়ানি আদালতের প্রতিকার দেবার যে ক্ষমতা সে ক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। এটি সহজেই সংশোধনযোগ্য এবং আমি এর পক্ষে।
৩। দ্বিতীয়টি ধারা ২৬(৩) নিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ব্যক্তিগত দায়ের বিধান নিয়ে। এই আপত্তিটির ব্যাপারে আমি একমত। প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করাই যথেষ্ট, কারণ প্রতিষ্ঠান দায়ী হলে তার নেতৃত্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই দায়ের আওতায় আসেন। আলাদা করে ব্যক্তিগত দায়ের বিধান না রাখলেও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির কাঠামো অক্ষুণ্ণ থাকে।
যে আপত্তিগুলোর সঙ্গে আমি একমত নই
প্রথমত: ধারা ৩ (২) কমিশনকে লেজিসলেটিভ বিভাগের অধীনে রাখার প্রস্তাব
৪। আইন মন্ত্রণালয়ের আপত্তিটি বলেছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কোনো মন্ত্রণালয়ের আওতায় নেই এটি একটি বড় অসঙ্গতি। এবং প্রস্তাব করা হয়েছে, কমিশনকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সঙ্গে প্রশাসনিকভাবে যুক্ত করতে হবে।
এই প্রস্তাবটি মানবাধিকার কমিশনের মূল নীতির বিরুদ্ধে। একটি National Human Rights Commission (NHRC) এর কাজ হলো রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করা। সেই সংস্থা যদি একটি সরকারি বিভাগের আওতায় থাকে, তাহলে সে কার্যত সরকারি বিভাগ হয়ে যায়।
সরকারি বিভাগ সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে না, অন্তত বিশ্বাসযোগ্যভাবে পারে না। এই কারণেই বিশ্বের কোথাও Global Alliance Network For National Human Rights Institutions (GANHRI) মানদণ্ডে Status A মানবাধিকার কমিশন সমূহ সরকারি বিভাগের অধীনে থাকে না। এটি NHRC-এর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের মৌলিক শর্ত।
দ্বিতীয়ত: ধারা ৭ বাছাই কমিটিতে আরও বেশি নির্বাহী প্রতিনিধির দাবি
৫। আপত্তিটি বলেছে, বাছাই কমিটিতে আরও সরকারি প্রতিনিধি যুক্ত করতে হবে।
এই দাবির প্রেক্ষিতে কমিটিকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ইতোমধ্যেই বাছাই কমিটিতে আছে।
এই উপস্থিতি প্যারিস প্রিন্সিপালসের (Principles relating to the Status of National Institutions) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং GANHRI এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলবে বলে আমি আশঙ্কা করি। বাছাই কমিটির দুটি সদস্যপদ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত এবং দুইজন এমপি'ও আছেন, যার মধ্যে একজন সরকার দলীয় এমপি। বাংলাদেশের সাংবিধানিক বাস্তবতায় রাষ্ট্রপতির মনোনয়ন মানে কার্যত নির্বাহী মনোনয়ন। তার মানে আট সদস্যের কমিটিতে ইতোমধ্যে কমপক্ষে চারজন নির্বাহী-ঘনিষ্ঠ। আরও বেশি নির্বাহী প্রতিনিধি যুক্ত করা শুধু অপ্রয়োজনীয়ই না, তখন কমিশনারদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠবে এবং কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা শুরু থেকেই ক্ষুণ্ণ হবে।
তৃতীয়ত: ধারা ৮ - প্রতিটি পদে দুটি নাম প্রস্তাবের দাবি
৬। আপত্তিটি বলেছে, বাছাই কমিটি প্রতিটি পদের বিপরীতে একটির পরিবর্তে দুটি নাম প্রস্তাব করুক।
এই দাবির যুক্তিটি অস্পষ্ট। আট সদস্যের একটি বাছাই কমিটি পাঁচটি পদের জন্য নাম বাছাই করবে। যদি প্রতিটি পদে দুটি করে নাম দেওয়া হয়, তাহলে অযথা দশটি নামের তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে। এর ফলে বাছাই কমিটির কাজ নামসর্বস্ব হয়ে পড়বে। এটি নিয়োগ প্রক্রিয়াকে দুর্বল করবে, কারণ রাষ্ট্রপতি সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে বাধ্য।
চতুর্থত: ধারা ১৩- নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্তে সরকারের পূর্বানুমতির দাবি
৭। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ (ধারা ১৩) এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ ২০২৫ (ধারা ১৩(৯)) দুটোর ক্ষেত্রেই একই আপত্তি তোলা হয়েছে যে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ খতিয়ে দেখার আগে সরকারের অনুমতি নেয়ার বিধান নেই।
গত পনেরো বছরে গুম, নির্যাতন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রায় সকল অভিযোগ নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে। যদি এই বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের আগে সরকারের অনুমতি লাগে, তাহলে কমিশনের কার্যকারিতা থাকে না। A watchdog that must ask the permission of the institution it is watching before it can investigate is not a watchdog. It is a shield for that institution.
৮। এই প্রশ্নে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দেখুন। নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, ঘানা, কলম্বিয়া এই প্রতিটি দেশ নিরাপত্তা বাহিনীর দীর্ঘ নির্যাতনের ইতিহাস বহন করে এবং প্রতিটি দেশ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ নিরাপত্তা বাহিনীকে NHRC-এর এখতিয়ারের আওতায় রাখা হয়েছে।
কারণ নতুন সরকারগুলো বুঝেছিল যে সরকারি প্রশাসনের নিরাপত্তা বাহিনীর উপর নিয়ন্ত্রণ (Civilian Control over Security Forces) সরকারের নিজের স্বার্থেই জরুরী। এই সবগুলো দেশ আজ Status A তে আছে। বাংলাদেশও সেই পথে যেতে পারে যদি এই অধ্যাদেশ অক্ষুণ্ণ থাকে।
৯। এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য যে পূর্বে সংঘটিত সকল গুমের এখতিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আছে। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের যে প্রস্তাবিত এখতিয়ার সেটি কেবল ভবিষ্যতে সংঘটিত অপরাধের নিমিত্তে। আমি বিশ্বাস করি যে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কোনো গুমের ঘটনা ঘটবে না এবং এ ব্যাপারে আমরা সরকারি দল হিসেবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কাজেই মানবাধিকার কমিশনের গুমের তদন্তকরার এখতিয়ারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না বরং এ সকল আপত্তি উল্লেখ করে আইনটিকে Lapse করতে দিলে তা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আমাদের সরকারের একদিকে যেমন ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে অন্যদিকে গুমের ব্যাপারে সরকারের কঠোর অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।
পঞ্চমত: ধারা ১৬ আদালতের বদলে সরকারের অনুমতিতে গ্রেফতারের দাবি
১০। এই আপত্তিটি বিস্ময়কর। ধারা ১৬ ইতিমধ্যেই বলেছে, কোনো সরকারি কর্মচারী বা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে গ্রেফতার করতে হলে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ট্রাইবুনালের পূর্বানুমতি লাগবে। আপত্তি বলেছে, আদালতের পরিবর্তে সরকারের অনুমতি লাগাতে হবে।
এটি একটি বিচারিক ক্ষমতাকে নির্বাহী ক্ষমতায় রূপান্তর করার প্রস্তাব। আদালত স্বাধীনভাবে যা আদেশ দিতে পারে, সেটার জন্যও সরকারের অনুমোদন লাগবে এই যুক্তিটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। কমিটি যদি এই আপত্তি মেনে নেয়, তাহলে কার্যত বলা হবে যে বিচারক আদেশ দিতে পারবেন না যদি সরকার না চায়। এটি আমরা সজ্ঞানে কিভাবে আইনে লিপিবদ্ধ করব?
অধ্যাদেশ Lapse (বাতিল) হলে কী হবে
১১। এবার সেই প্রশ্নে আসি যেটা এই কমিটিকে সবচেয়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। প্রস্তাব করা হয়েছে যে অধ্যাদেশটি Lapse করতে দেওয়া হোক এবং পরে সংশোধনসহ নতুন আইন করা হোক। এই প্রস্তাবটি দেখতে যতটা নিরীহ, বাস্তবে ততটা নয়।
১২। প্রথমত, গুম আইনের সঙ্গে আইনগত সংকট তৈরি হবে। ২০২৫ সালের গুম অধ্যাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে নির্দিষ্ট ক্ষমতা দিয়েছে। সেই ক্ষমতার আইনি ভিত্তি ২০২৫ সালের NHRC অধ্যাদেশ। NHRC অধ্যাদেশ Lapse (বাতিল) হলে গুম অপরাধের জন্য কোন মানবাধিকার ভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। এই আইনি শূন্যতা যে কোন সরকারের জন্য বিপদজ্জনক এবং আমাদের নতুন সরকারের সদিচ্ছাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।
১৩। দ্বিতীয়ত, দুটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনের বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘিত হবে। বাংলাদেশ Optional Protocol to the Convention Against Torture (OPCAT) এ স্বাক্ষর করেছে। এই প্রটোকল রাষ্ট্রপক্ষকে একটি জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা (National Preventive Mechanism) স্থাপন করতে বাধ্য করে; এমন একটি সংস্থা যা আটক কেন্দ্রগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করবে। ২০২৫ সালের NHRC অধ্যাদেশের ধারা ৩০ক সেই ন্যাশনাল প্রিভেনটিভ মেকানিজম বিভাগটি NHRC-এর অধীনে প্রতিষ্ঠা করেছে। অধ্যাদেশ Lapse হলে এই বিভাগটির আইনি ভিত্তি থাকবে না। বাংলাদেশ তখন OPCAT-এর অধীনে তার আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা পালনে ব্যর্থ হবে। এই সরকার গত পনেরো বছরের নির্যাতন ও আটকের বিরুদ্ধে জনমানুষের রায় নিয়ে এসেছে। সেই রায়ের প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য OPCAT কার্যকর রাখা অপরিহার্য।
১৪। এছাড়াও বাংলাদেশ Enforced Disappearance Convention (International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance) এ স্বাক্ষর করেছে। সেই কনভেনশন বলেছে, গুম প্রতিরোধের জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় কাঠামো থাকতে হবে। NHRC সেই কাঠামোর কেন্দ্রবিন্দু। যে পরিবারগুলো তাদের স্বজনদের ফিরে পায়নি, যারা এই সরকারকে ভোট দিয়েছেন পরিবর্তনের প্রত্যাশায় তাদের প্রতি এই প্রতিশ্রুতি রাখতে হবে। Lapse হলে এখানেও সমস্যা সৃষ্টি হবে।
১৫। তৃতীয়ত, GANHRI Status A এর পথ বন্ধ হয়ে যাবে। দক্ষিণ এশিয়ায় কেবল বাংলাদেশ আর মালদ্বীপ Status - B তে রয়ে গেছে, অর্থাৎ সর্বনিম্ন স্তরে রয়ে গিয়েছে। এটি গত পনেরো বছর ধরে চলছে। ২০২৫ সালের NHRC অধ্যাদেশটি অবশেষে সেই দুর্বলতাগুলো সরাসরি সংশোধন করেছে যা অক্ষুণ্ণ থাকলে, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ Status A-র পথে যেতে পারে। এটি বাংলাদেশ এবং নতুন সরকার উভয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রাতিষ্ঠানিক অর্জন হবে।
কেন এই অধ্যাদেশগুলো অপরিবর্তিত রাখা উচিত?
২৭। এই অধ্যাদেশগুলো দীর্ঘ আইনি ও পরামর্শভিত্তিক প্রক্রিয়ার ফল। NHRC Ordinance প্রণয়নের সময় ৬০০-এরও বেশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারীর একটি বিস্তৃত কনসালটেশনের মধ্য দিয়ে প্রস্তুত হয়েছে। যেহেতু ব্যাপক অংশিদারিত্ব ইতিমধ্যেই আছে, এখন হঠাৎ বিচ্ছিন্নভাবে পরিবর্তন করাকে প্রক্রিয়াগত উন্নতি হিসেবে দেখানো কঠিন হবে।
২৮। গুম সংক্রান্ত অধ্যাদেশটিও বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। এই কাঠামোর অধীনে NHRC-কে দায়িত্ব দিলে কমিশন অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়বে এমন উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু অধ্যাদেশের বিধানই এই আশঙ্কাকে সমর্থন করে না। NHRC-এর ভূমিকা প্রযোজ্য হবে শুধু সেই সব ভবিষ্যৎ অভিযোগে, যেগুলো আইন কার্যকর হওয়ার পর উদ্ভুত হবে।
পূর্বের অভিযোগগুলো, অর্থাৎ কার্যত সব বিদ্যমান গুমের মামলা, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী ICT-এর কাছেই থাকবে। সরকার যেহেতু নীতিগতভাবে গুমের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, ভবিষ্যতে গুমের অভিযোগ যথেষ্ট সীমিত থাকবে অথবা থাকবে না। অতএব কমিশনের ওপরের অতিরিক্ত চাপের প্রশ্নই আসে না।
২৯। তবে স্বাধীন কমিশন থেকে সরিয়ে ভবিষ্যৎ গুমের অভিযোগ অন্য কোথাও দাখিলের পন্থা করলে, স্বাধীন নজরদারি কমবে এবং অতীতের দায়মুক্তির কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো আবারও ফিরে আসার ঝুঁকি তৈরি হবে। এতে সুরক্ষাব্যবস্থাই দুর্বল হয়ে যাবে। অতএব প্রকৃত ঝুঁকি আসছে NHRC-এর ভূমিকা অক্ষুণ্ণ রাখা নয়, বরং তা দুর্বল করা। এই মুহূর্তে অধ্যাদেশটি দুর্বল করা বা Lapse হতে দেওয়া শুধু একটি আইনগত পদক্ষেপ নয়। এটি একটি সংকেত। দেশে ও বিদেশে সকলে সেই সংকেতটি পড়বে।
৩০। সুপারিশকৃত পরিবর্তনগুলি একটি কার্যকর মানবাধিকার কমিশন তৈরি করবে না। এগুলো একটি নিষ্ক্রিয় প্রতিষ্ঠান তৈরি করবে - যেটা আগের পনেরো বছরে ছিল। এবং এই মুহূর্তে নিষ্ক্রিয় NHRC মানে শুধু আন্তর্জাতিক সমালোচনা নয়। এর মানে OPCAT-এর বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন। এর মানে এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স কনভেনশনের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, এবং এর মানে Status A এর পথ আবারও বন্ধ।
৪১। এই কমিটির সামনে একটি স্পষ্ট সুযোগ আছে। শুধু একটি সিদ্ধান্ত – অধ্যাদেশটি দুটি ছোট সংশোধনসহ অক্ষুণ্ণ রেখে পাস করা। If we don't do this, it will be correctly read as a retreat from human rights obligations by the BNP government in its very first month. This is not in our best interest.
01/04/2026
অক্সফোর্ড ইউনিয়নের বিতর্কে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত এনসিপি নেতা সারজিস আলম!
বিটিভির ন্যাশনাল ডিবেট কম্পিটিশনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চারবার নির্বাচিত সেরা বক্তা হয়েছিলেন সারজিস আলম।
২২ সালে ডিইউডিএস কতৃক আয়োজিত উপস্থিত বক্তৃতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া সারজিস আলম এইবার যাচ্ছেন অক্সফোর্ড ইউনিয়নে।
সারজিস ভাইয়ের বিতর্কের পথচলা ব্যাপক সাফল্যমণ্ডিত। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি সেক্টরে সর্বোচ্চ পুরষ্কার পেয়েছেন এবং দায়িত্ব পালন করেছেন হল, বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং ক্লাবে।
31/03/2026
হাসনাত আব্দুল্লাহ আজকের সংসদে ভুলে আমাদের মন্ত্রী সালাউদ্দিন সাহেবকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী না বলে জনাব সালাউদ্দিন সাহেব বলে ফেলেন৷ তবে, সংসদের নিয়ম অনুযায়ী সংসদে যিনি যে পদে আছেন, তাকে সেটাই ডাকার নিয়ম৷
এরপর হাসনাত নিজের ভুল বুঝতে পেরে বলেন, "আমার বয়স এখন সাড়ে ২৭ বছর৷ সেদিকে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমার জন্মের আগ থেকেই এমপি৷ আমরা নতুন আমাদের ভুল হতে পারে৷ আপনারা শুধরে দিলে আমরা সংশোধন করতে রাজী"
হাসনাতের কথা শুনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হেসে হেসে বলেন, "অল্প বয়সে সংসদে আসাটা ভাগ্যের ব্যাপার এতে অনেক কিছুই শেখা যায়"
এটাই রাজনৈতিক সৌন্দর্য, নতুন রাজনৈতিক চর্চা। 🖤
১/১১ নিয়ে সমালোচনায় আসা সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রে'প্তার
17/03/2026
পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়ন থেকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন আবু নাঈম।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে হাফিজাবাদ ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু নাঈম ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Dhaka