Sifaratul Afkaar Institute

Sifaratul Afkaar Institute

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sifaratul Afkaar Institute, Education, Dhaka.

07/07/2025

Let’s Learn Arabic in 1 Minute!

Can you name these classroom items in Arabic?
From pen = قَلَم to chair = كُرْسِيّ, it’s easier than you think!

📘 Our Basic to Advanced Arabic Course is Coming Soon at Sifaratul Afkaar Institute.

Stay with us to learn Arabic step by step — the fun way!

29/06/2025

Do you know the names of the 12 Arabic months? 🗓️

From Muharram to Dhul-Hijjah, each month carries history, meaning, and spiritual significance.

Let’s reconnect with the Islamic calendar — not just as dates, but as part of our identity. 🌙🕋

📖 Stay with us — Sifaratul Afkaar Institute is bringing a full Arabic course, from Basic to Advanced, very soon! INSHALLAH


25/06/2025

Do you know the Arabic names of your body parts? 🧠👁️🖐️🦶

Start your journey into the language of the Qur'an — one word at a time.

Stay tuned! A complete Basic to Advanced Arabic course is coming soon from Sifaratul Afkaar Institute. 📚✨

22/05/2025

شجرة علوم اللغة العربية

تمثّل هذه الصورة تصورًا تربويًا جميلًا لعلوم اللغة العربية الأساسية، حيث تُشبّه اللغة بشجرة، تتكامل أجزاؤها كما تتكامل علوم اللغة. وجدتها في درسي لتعلم البلاغة.

علم المعجم (المعاني)

علم الصرف (بنية الكلمة)

علم النحو (تركيب الجملة)

علم البلاغة (جمال التعبير)

علم الأدب (النص المتكامل)

رغم أن علوم اللغة تتجاوز هذه الخمسة إلى أكثر من اثني عشر علمًا، إلا أن هذا النموذج يُركّز على الركائز الأساسية التي لا غنى عنها لفهم اللغة وإنتاج الكلام السليم.

فهم هذه العلوم الخمسة هو الخطوة الأولى نحو إتقان العربية وتذوق بيانها.

15/10/2020

#যোগ্যতা_গাছে_ধরেনা__গড়ে_নিতে_হয়।

প্রায়ই একটা বাক্য শুনতে হয়। " বর্তমানে কাজের লোক নেই, যোগ্য ব্যক্তির দুর্ভিক্ষ চলছে। সব হল অথর্ব।
এই কথাটা শুনলে আমার খুব রাগ হয়। কাজের লোক কি গাছে ধরে? নাকি মায়ের পেট থেকে কেউ যোগ্যতা নিয়ে আসে?
সবাই শুধু যোগ্য লোক চায়। প্রিন্সিপাল সাহেব বহুমুখী জ্ঞানের অধিকারী শিক্ষক সন্ধান করে, প্রকাশক প্রতিষ্ঠিত লেখক খুঁজে বেড়ায় এরপর আশা অনুযায়ী না পেলে হতাশা প্রকাশ করে
অথচ বিদ্যালয়গুলোর দিকে একটু গভীরভাবে লক্ষ করলেই দেখা যায়, কত প্রতিভাবান তরুণ হাঁটাহাঁটি করছে! কত সম্ভাবনাময় ছেলে গলিতে গলিতে ঘুরছে, কাজের সন্ধানে চলতে চলতে জুতা ক্ষয়ে যাচ্ছে।
তাদের একটু সহায়তা করলেই তারা বারুদের মত জ্বলে উঠবে। মাথায় হাত বুলিয়ে সামান্য উৎসাহ দিলে এবং কাজের সুযোগ করে দিলে পৃথিবীময় বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলবে।
কিন্তু তাদের প্রতি কারো দৃষ্টি নেই। একটু কষ্ট করতে বা রিস্ক নিতে কেউই রাজি নয়। এক দুইটা বই প্রকাশ পাওয়ার পর প্রকাশকরা হুমরি খেয়ে পড়ে
অথচ প্রথম বই প্রকাশ করতে তার যে কত প্যারায় পড়তে হয়েছে তা শুধু নিজেই জানে। তা আর ক'জন লক্ষ করে! । এই প্যারার ভয়ে কতজন যে দক্ষ কলম থাকা সত্ত্বেও নিশ্চুপ হয়ে যায় তার ইয়ত্তা নেই।
সকলেরই চাই প্রস্তুতকৃত যোগ্যতা এরপর না পেলে হতাশা প্রকাশ করবে যে, কাজের লোক নেই।
ইতিহাস পাঠ করে দেখেন যারা বড় হয়েছেন, যে সকল মনীষী আজ আমাদের দিশারি, অনুসরণীয় তাদের মনীষী হওয়ার পিছনে কারো না কারো হাত আছে। বাতাসে বড় হয়ে যাননি।
নিকট অতীতে শাইখুল হাদীস যাকারিয়া রহিমাহুল্লাহ। তিনি এত বড় হয়েছেন তার বাবার প্রচেষ্টায়। আলী নদভী র.। তিনি নিজেকে চিনতে পেরেছেন মা ও তার বড় ভাইয়ের সাধনায়।
কাশ্মীরি, মাদানী, থানভী, ইলিয়াস কান্ধলভি রাহিমাল্লাহুমদের মতো ইতিহাসখ্যাত ব্যক্তি হওয়ার পেছনেও রয়েছে একজন ব্যক্তির নিবিড় তত্ত্বাবধানে। শায়খুল হিন্দ মাহমুদুল হাসান র.।
এমনকি ইমামে আজম আবু হানিফা র. এর যোগ্যতাও ছিল সুপ্ত। আল্লাহর ইচ্ছায় এক ব্যক্তি যদি সচেতন না করতেন তাহলে হয়তো আজ আমরা অনেক জ্ঞান এবং ফিকহ থেকে বঞ্চিত হতাম।
তিনি হলেন ইমাম শাবি রহিমাহুল্লাহ।
ইতিহাসের পাতায় পাতায় লেখা আছে এসব ঘটনা। যাদের আজ আমরা কাজের লোক ভাবছি তাদের যোগ্য হওয়ার পিছনে রয়েছে কারও নিবিড় তত্ত্বাবধানে, তিনি উৎসাহ দিয়েছেন, নিজের প্রতিভা সম্পর্কে সচেতন করেছেন, কাজের সুযোগ করে দিয়েছেন, প্রথমদিকে কিছুটা রিস্ক নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য সহায়তা করেছেন তবেই তারা আজ বড় হতে পেরেছেন।
আপনি রিজাল শূন্যতায় ভুগছেন তাহলে আপনি নিজে কিছু তরুণকে গড়ে তুলুন অথবা গড়ে ওঠার জন্য সুযোগ করে দিন।
তারপরও যদি আপনি বলেন ব্যক্তিত্বের দুর্ভিক্ষের কথা তাহলে এর দায় এখনকার বড়দের উপরও বর্তায়। কেন তারা ব্যক্তিত্ব গঠন করতে পারছেন না? সুতরাং শুধু প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি সন্ধান না করে কিছু তরুণকে গড়ে তোলার চেষ্টা করুণ।
আর এসব আফসোস প্রকাশ করে তরুন সমাজকে হতাশ করা থেকে বিরত থাকুন।
#অন্তরলিপি।

15/10/2020

#মস্তিষ্কে_ছেয়ে_আছে_কাল্পনিক_সাপ।
মিশরের বিখ্যাত ঐতিহাসিক। শায়খ মুহাম্মদ ইবনে আফিফি। শায়েখ খিযরী নামে প্রসিদ্ধ। অদ্ভুত এক রোগ হয়েছে তাঁর। তাঁর ধারণা, তার পেটে একটা অজগর সাপ ঢুকে গেছে। পাকস্থলীতে তা ঘোরাঘুরি করছে। এ নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত। ডাক্তারদের কাছে ছোটাছুটি শুরু করলেন। সবাই একথা ওকথা বলে বুঝাল যে, আসলে কিছুই না। কোন সাপ ঢুকেনি কিন্তু এমন একজন বিদ্বান ব্যক্তি কে এই সহজ বিষয়টি কেউ-ই বুঝাতে সক্ষম হল না। এলাকার ছোট ছোট বাচ্চারা তাকে নিয়ে মিটমিট করে হাসতে শুরু করল।।
শহরে ছিল এক বিচক্ষণ ডাক্তার। সে শায়েখের রোগ ধরতে পারল। একটা ঔষধ খাইয়ে বাথরুমে ঢুকিয়ে দিল। বাথরুমে পূর্ব থেকেই একটা সাপ রাখা ছিল। বাথরুমে বসে যখন সাপটা দেখতে পেলেন তখন ভাবলেন, যাক তাহলে সাপটা বের হয়ে গেল।
অবশেষে তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেন। পুনরায় নিজের সৃজনশীল লেখালেখিতে উদ্যমী হলেন।
এখানে শায়খের পেটে বাস্তবে কোন সাপ প্রবেশ করেনি। প্রবেশ করেছে কাল্পনিক সাপ। ঠিক এমনই মনের সাপ কুড়েকুড়ে খাচ্ছে আমাদের তরুণ সমাজের বিকাশযোগ্য মেধাগুলোকে।
কারা যেন মগজ ধোলাই করে রেখেছে যে, তুমি পারবে না। তোমার ক্ষমতা নেই।
তুমি ইরানীদের মত সুঠামদেহী নও।
তুমি অস্ট্রেলিয়ানদের মত লম্বা না।
তোমার আরব শায়খদের মতো অর্থবিত্ত নেই।
তোমার দেশ সুইজারল্যান্ড এর মত উন্নত না
তাই তুমি পারবেনা। এখানে থেকে কিছুই করতে পারবে না।
এসব কাল্পনিক সাপ আমাদের তনুমনে কিলবিল করছে। সৃজনশীল কোন কাজ করতে গেলেই এগুলো সামনে এসে উপস্থিত হয়। কাজ করতে সাহসী হয়না। তরুণদের কি দোষ? সমাজটাই আবদ্ধ হয়ে গেছে।
এখন প্রয়োজন কিছু বিচক্ষণ সংস্কারকের যে, ছলে-বলে-কৌশলে বুঝিয়ে দিবে যে, তুমি পারবে। এ দেশের মাটি এখনো অনেক উর্বর। তুমি স্বপ্নের বীজ বপন করে দেখো, কিভাবে তা তরতর করে বেড়ে ওঠে। সবুজ-শ্যামল হয়ে চারদিকে সজীবতা ছড়ায়।
তুমি তরুণ হও বা তরুণী, মাদ্রাসায় পড়ো বা স্কুলে, শহরে থাকো বা মফস্বলে, তুমি পারবে।
মানসিক শক্তি কে যে কাল্পনিক সাপটি আচ্ছন্ন করে রেখেছে তুমি শুধু তাকে মন থেকে বের করে দাও। মনে মনে জপো, "আমি পারবো হবে। আমার দ্বারা হবে।"
#অন্তরলিপি।

15/10/2020

#আলতো_স্পর্শ।
বিমর্ষমুখে পার্কের বেঞ্চিতে বসে আছে এক তরুণ। চোখ কোটরগত। চেহারাতে সাঁঝের আঁধার, যেন প্রচণ্ড ঝড় বয়ে গেছে তার উপর দিয়ে। বেঞ্চের অন্য পাশে বসা এক বৃদ্ধ লোক তা লক্ষ করে এগিয়ে এল,
বৃদ্ধ- বাবা তোমার কি হয়েছে?
তরুণ-- এক দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল, জীবনের যুদ্ধে হেরে গেছি। বাবা অসুস্থ। ঋণের ভারে নুইয়ে পড়ছি। আমি ছাড়া উপার্জনক্ষম ঘরে কেউ নেই আর আমারও এত পুঁজি নেই যে পরিবারের জন্য কিছু করতে পারব তাই বিমর্ষ হয়ে বসে আছি।
- তুমি কি করতে চাও আর কত পুঁজি আছে তোমার কাছে?
--আমি ছোটখাটো একটা ব্যবসা করতে চাই। আমার হাতে কিছু টাকা আছে।
তখন বৃদ্ধ একটা চেক বের করে দিয়ে বলল, দেখো এখানে এক লক্ষ টাকা আছে। আমি তোমাকে ব্যবসার উদ্দেশ্যে দিলাম। যতক্ষণ তোমার হাতে তোমার পুঁজি থাকবে ততক্ষণ তুমি আমার এই চেক ভাঙ্গাবেনা। একান্ত নিরুপায় হলে তবেই এতে হাত দিবে।
তরুণের মুখে তারুণ্যের দীপ্তি ফিরে এল। সে চলে গেল।
ঠিক এক বছর পর আবার সেখানে এল। সেই পার্কে। তার চেহারা এখন ঝলমলে। নিজের সাফল্যে আনন্দিত। পরিবার স্বাচ্ছন্দে চলছে। কোনো ঋণ নেই। সে তার পরম উপকারী বৃদ্ধ দাদাকে খুঁজছে।
হঠাৎ দেখতে পেল বৃদ্ধ লোকটিকে দুজন সাদা পোশাক পরিহিত ব্যক্তি ধরে নিয়ে যাচ্ছে। জিজ্ঞেস করে জানতে পারল, তার পরম উপকারী বৃদ্ধ আসলে মানুসিক রোগী। তার মত সে অনেক তরুণকেই এমন চেক দিয়েছে। আসলে তার ব্যাংকে কোনো টাকা-পয়সা নেই।
তরুণ তখন অনেক আশ্চর্য হল। এই টাকার সাহসেই সে আজ এত বড় ব্যবসায়ী। যখন কোন ব্যবসা শুরু করতে গিয়ে লসের আশংকা করত তখন মনে মনে বলত, কি সমস্যা। চেকটা তো আছেই।

এ তরুণের প্রতিচ্ছবি আমাদের সমাজের প্রতিটি তরুণ। আছে প্রতিভা, আছে বিকাশের যোগ্যতা। তারপরও পৃথিবীব্যাপী তারুণ্যের যে জয়জয়কার তার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না।
সঙ্কটটা কোথায়?
আমাদের এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাঁধা হল ' হীনম্মন্যতা ', আত্মবিশ্বাসের অভাব। আমাদের প্রতিভাবান তরুণরা নানাবিধ সমস্যা দেখে আপন খোলাসে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। বের হতে ভয় পায়।
প্রয়োজন এখন কিছু অভিজ্ঞ অভিভাবকের, যারা বৃদ্ধের মতো পিঠে হাত বুলিয়ে সাহস দিবে। উৎসাহ দিবে। নিজের কিছু থাক বা না থাক।

আমি তো গবেট। বৈশিষ্ট্যহীন এক তরুণ কিন্তু আমার উপলব্ধি ক্ষমতা দারুণ। দেশসেরা কিছু বিদ্যালয়ে আমার পড়ার সুযোগ হয়েছে। আশেপাশে অনেক তরুণের মধ্যে আমি এমন বিস্ময়কর মেধা দেখতে পেয়েছি যে আমি অভিভূত হয়ে গিয়েছি কিন্তু এও দেখেছি যে, কিছুদিন পর তারা চুপসে গেছে। সঠিক যত্নের অভাবে।
তাই আমাদের প্রয়োজন এ বৃদ্ধের মত অভিভাবকের আলতো স্পর্শ। একটু সাহস যে, বাবা! তোমরা চলো। আমরা আছি তোমাদের সাথে। তবেই দেখতে পাবেন এক অনন্য বিপ্লব। যার কল্পনা করতেও আমাদের আজ কষ্ট হয়।

#অন্তরলিপি।

14/10/2020

#রোহিঙ্গা_ইস্যু।
#পাখিরা_জেগে_গেছে___তোমরা_এখনো_জাগলেনা?।
( ২য় পর্ব।)

পঁচিশে আগস্ট। অন্ধকার রাত। আমি মায়ের সাথে বাসায় ঘুমিয়ে আছি। হঠাৎ কলেজে ফাটা ভয়ঙ্কর আর্তচিৎকারে আমার ঘুম ভেঙে গেল। বন্দুকের ঠা ঠা শব্দ। আহতদের মরণ চিৎকারে বাতাস যেন থমকে দাঁড়িয়েছে। আগুনের লকলকে জিহ্বা আকাশ ছুঁতে চাইছে। আমি এক ছুটে গ্রামে গেলাম। এ কি! কোন মানুষ নেই! শুধু রক্ত, লাল রক্ত!! এবড়োথেবড়ো লাশ!!! অগ্নিদগ্ধ কিশোর।
হঠাৎ একটু দূরে একটি শিশু কেঁদে উঠল। হয়তোবা কোন মা শেষ সময় হায়নার চোখ ফাঁকি দিয়ে কলিজার টুকরো কে ছুঁড়ে দিয়েছে। পৃথিবীর কাছে পরম আকুতি নিয়ে আমানত রেখেছে কিন্তু মানুষ কোথায়? যে আমানত গ্রহণ করবে!।
বিশ্ববাসী তখন ঘুমে বেঘোর। কোন মানবসংস্থা এ দৃশ্য দেখে নি। কোন সিসি ক্যামেরায়ও এ দৃশ্য ধারণ করেনি।
আমি দেখেছি। বিভীষিকাময় নির্মম এ হত্যাযজ্ঞ আমি দেখেছি। তাদের এ করুণ আর্তনাদে আকাশ কেঁদেছে। বাতাস থমকে দাঁড়িয়েছে। গাছপালা মুষড়ে পড়েছে। শুধু মানব জাগেনি।
সেই যে আগুন জ্বলে উঠল আর নিভেনি। রক্তের স্রোত শুরু হল তা আর থামেনি। নরপশুরা প্রতিদিন নব উদ্যমে মুসলমানদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। সোল্লাসে মেতে হত্যাক্রীড়ায় মেতে উঠেছে। প্রতিনিয়ত হাজার হাজার যুবকের রক্তে আরাকান ভূমি স্নাত হয়েছে। মা-বোনেরা তাদের পাশব আচরণ থেকে বাঁচতে দিয়েছে মৃত্যু তরঙ্গে ঝাঁপ দিয়েছে আর ফুলকলির মত পবিত্র শিশুদের সাথে তাদের নৃশংসতা বর্ণনাতীত!
পাখিরাও কেঁদেছে। অথচ তোমরা হে বাঙালি! নরপশুদের শকুনি দৃষ্টি এড়িয়ে নিজেদের সর্বস্ব ত্যাগ করে তারা যখন তোমাদের সীমান্তে এল, তোমরা তাদের বন্দুকের নল দিয়ে স্বাগত জানালে! আবার ফিরিয়ে দিতে চাইলে জ্বলন্ত চিতায়। হায় রোহিঙ্গা! ওপারের লোকেরা তাড়িয়ে দেয় বাঙালি মুসলিম বলে, এ পাশের সীমান্তরক্ষীরা ঠেকিয়ে দেয় অনুপ্রবেশকারী বলে
আর নাফ নদী! লাল দরিয়া!! সে কার্পণ্য করে করেনি। অবাধে গ্রহণ লাশ গ্রহণ করেছে। একসময় কাঁটাতারে মুখ ঘষতে থাকা বিপন্ন চেহারাগুলো দেখে তোমরা দয়াদ্র হলে। সীমান্ত খুলে দিলে। তারপর তোমরা এ বিপন্ন জাতির পাশে পুষ্পের কোমলতা নিয়ে দাঁড়ালে। ক্ষুধিত শিশুর মুখে খাবার তুলে দিলে। আমি যেন আবার চৌদ্দশত বছর পূর্বের শ্রুতিমধুর আনসার-মুহাজিরদের কিছুটা ঝলক দেখতে পেলাম।

আর সারাবিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আরাকানীদের ভাইয়েরা! মুসলিম রাষ্ট্র নায়কগণ!! ও আই সি!!! ধর্মের বাঁধন কেমন যেন ঢেলে হয়ে পড়েছে। সবাই আপন গদি নিয়ে ব্যস্ত।
অথচ তারা কি জানেনা জাতিসংঘেরকান দুইটি। একটি দিয়ে পূর্বতিমুর ও দক্ষিণ সুদানের মত দেশের কথা শুনে আরেক কান দিয়ে ফিলিস্তিন, কাশ্মীর ও ইয়েমেনের মতো নির্যাতিত মুসলিম দেশের কথা শুনে।
হ্যাঁ। কিছু সাহসী কন্ঠ জেগেছে। তুরস্ক প্রতিবাদ করেছে। গাম্বিয়া তাদের সক্ষমতার স্বল্পতা সত্ত্বেও তারা আন্তর্জাতিক আদালতে আপিল করেছে। বিশ্বদরবারে গণহত্যা বন্ধের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশে এসে রোহিঙ্গাদের সমব্যাথী হয়েছে কিন্তু এসবের দৌড় আর কত দূর! কার্যকরী কিছুই তো হচ্ছে না। কতদিন আর তাদের বালুর প্রাসাদের মাধ্যমে ভুলিয়ে রাখা যাবে? কতদিন শিকড়হীন উদ্বাস্তুদের মতো জীবন যাপন করবে?
ওপারে তো এখনো রক্ত ঝরছে। গণহত্যা চলছে। সেদিন রাতে তুলাতুলি গ্রামের হত্যাকাণ্ড যদি তুমি দেখতে!
নদীর ধারে যুবকদের সারিবদ্ধ ভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পুরো গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে আগুনের লাভায় বনের প্রাণীরাও দগ্ধ হয়। অসংখ্য পাখির সাথে আমার মা-ও মারা যায়। আমি কোন রকম বেঁচে আছি।
আমরা পাখিরা অনেক কিছু করতে চেয়েছি। কিন্তু কিছুই করতে পারিনি। কামনা করতাম, " হায়!'ত্বয়রান আবাবিলে' র মতো যদি আমাদেরও শক্তি দান করা হত!"
কিন্তু তোমরা হে মুসলিম জাতি! বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম শক্তির অধিকারী। তোমাদের ৭০/৭১ টি দেশ আছে। তোমরা কেন স্বতন্ত্র জাতিসত্তার পরিচয় দিচ্ছ না? নিজেদের সবকিছু থাকতেও কেন অন্যের তাবেদারি করছ? ইতিহাস কি তোমাদের বলে না যে, তোমাদের কান্না তোমাদেরই কাঁদতে হবে। অন্য কেউ তোমাদের সঙ্গী হবে না। আমরা পাখিরা কত আগে জেগে গেছি। তোমরা কেন এখনো জাগছোনা?
আমি মুগ্ধ হয়ে পাখিটির কথা শুনছিলাম। হৃদয়ে রক্তক্ষরণ। চোখে অশ্রু ধারা প্রবাহিত হচ্ছে। আমি কেমন যেনো অবচেতন হয়ে পড়লাম।
আচমকা পাখি উড়াল দিল দূর দিগন্তে হারিয়ে গেল। পাখির শেষ বাক্যটি বারবার আমার কানে অনুরণিত হচ্ছিল। " আমরা পাখিরা কত আগেই জেগে গেছি। তোমরা কেন এখনো জাগছোনা? "
সমাপ্ত।

#পুনশ্চঃ
এখানে পাখি চরিত্রটি হলো আমার কল্পনা যার আশ্রয়ে আমি রোহিঙ্গাদের বাস্তব ইতিহাস তুলে ধরেছি।
#তথ্যসূত্র। মাসিক আল কাউসার, আল কলম। নয়া দিগন্ত। প্রথম আলো। ইত্যাদি পত্রিকা।

আস সালাম পত্রিকায় প্রকাশিত।
শ্রদ্ধায়।

আবরার।
যার ভয়ে আমি লিখেছি।

14/10/2020

#রোহিঙ্গা_ইস্যু ;
#পাখিরা_জেগে_গেছে__তোমরা_এখনো_জাগলেন_?
( ইতিহাস নির্ভর রূপক গল্প।-৩ )
১ম পর্ব।
কোকিল ডাকছে। ভোরের কাঁচা রোদ্দুরে ঘাসের ডগায় ঝুলে থাকা শিশিরকণাগুলো জ্বলজ্বল করছে। বিলে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখির কলরব। শূন্যে মেঘশিরীষের ছোট ছোট পাতার ওড়াউড়ি। আকাশে বিশাল বিশাল পরিযায়ী বুনোহাঁসের ডানার পতপত শব্দ। মেঘের পাহাড়ে নানাবর্ণের অপার্থিব দৃষ্টি নন্দন ভাস্কর্য। এ সবই যেন একটি সংবাদ দিচ্ছে, "শীত এসে গেছে"।
পাঠক! ধরেই নিয়েছ এখন আমি শীতকালীন সৌন্দর্য তুলে ধরব। ঘাসফড়িঙের নাচন আর ফুলেফলে বাগান সুরভিত হওয়ার কথা বলে তোমার মাঝে এক সম্মোহন সৃষ্টি করব।
হ্যাঁ, এটাই ছিল স্বাভাবিক কিন্তু আমার চোখে জল। হৃদয়ে রক্তক্ষরণ। আমি দেখছি হাড়কাঁপানো এ শীতে হাজার হাজার শীতপীড়িত বস্ত্রহীন শরণার্থী। উপরে পলিথিন আর নিচে চাটাই। বেশি হলে কোনরকম টিনের ছাপড়া। যুবকরাও ঠকঠক করে কাঁপছে।
চোখ বুজলেই ভেসে উঠে রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিভৎস লাশ। সেনাবাহিনীর শ্বাপদ উল্লাসে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্মম দৃশ্য। " জীব হত্যা মহাপাপ" প্রবক্তা ভিক্ষুদের বেয়নেটের নৃশংস খোঁচায় শিশুর রক্তাক্ত করোটি। হাজার যুবকের রক্তস্নাত আরাকান ভূমি।
এসবের পরেও কি আমি শীতের কমনীয়তা তুলে ধরব? এক স্বাধীন জাতির পরাধীনতার উপখ্যান রেখে কচি পাতার স্নিগ্ধতার কথা লিখব!
হৃদয় হাহাকার করে উঠে। আমি পরিদর্শনে আসা শাহপরী দ্বীপের একটি কড়ই গাছের ছায়ায় বসে পড়ি।
একটু তন্দ্রা এসে গিয়েছিল মনে হয় হঠাৎ কিন্নরকণ্ঠে একটি ডাক শুনতে পেলাম। এদিকে ওদিকে দেখলাম।
কই, কেউ তো নেই! একি, পাখি! রক্তাক্ত ডানা!! আমি বিস্ময়ের দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম।
- হে ছেলে! অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কালের বিবর্তন যেমন বালককে বুড়োতে পরিণত করে তেমনি তোমাদের অসহনীয় ঔদাসীন্য ও ভোঁতা চেতনাকে জাগিয়ে তুলতে আল্লাহ আমাকে বাকশক্তি দান করেছেন।
-- আচ্ছা! তুমি কি আহত, ডানায় রক্ত কেন?
- এক পরাধীন আকাশে ওড়ে বেড়ানো পাখির স্বাস্থ্যের কথা জিজ্ঞেস করছ? কষ্টে হৃদয় ফেটে মারা যায়নি এই তো বেশি।
- তোমরা তো স্বাধীন জাতি ছিলে। পরাধীন হলে কিভাবে?
পাখির চোখ ছলছল করে উঠে। বিষাদের দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল, " সে এক করুণ ইতিহাস। শুনতে যেহেতু চাচ্ছ? তাহলে শোন…,
আরাকান। আমার প্রিয় মাতৃভূমি। তোমাদের দেশের মতো শ্যামলিমায় ঘেরা। একপাশে ইয়োমো পর্বতমালা সৌন্দর্য বর্ধনের পাশাপাশি দেশ সুরক্ষা করে যাচ্ছিল। অন্যদিকে নাফনদী এঁকেবেঁকে দেশকে ফুলে-ফসলে সমৃদ্ধ করছিল। তাই এর অধিবাসীরা ছিল স্বাবলম্বী আত্মনির্ভর ও সচ্ছল। চারপাশে সবুজের সমারোহ, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখির কিচিরমিচির, শিশু-কিশোরদের হৈ-হুল্লোড়, সব মিলিয়ে এক আনন্দময় সরব জনপদ।
ওদিকে আবার আজান হওয়ার সাথে সাথে কৃষক, ব্যবসায়ী, বুড়ো, জোয়ান সবাই মসজিদ পানে ছুটতো। ধনী-গরীব নির্বিশেষে এক কাতারে মহান প্রভুর দরবারে সমর্পিত হত।
মা উড়ে উড়ে এগুলো উপভোগ করত। সন্ধ্যায় এসে আমাকে সব সোনাত। আনন্দে আমি এডাল থেকে ও ডালে লাফালাফি করতাম। পাখা গজায়নি বলে মার সাথে উড়ে গিয়ে দেখতে পেতাম না।
তখন ১৭৮৩ সাল। একদিন মা উৎকণ্ঠিত হয়ে ফিরে এলো। কাঁদো কাঁদো হয়ে বলতে লাগল, " সব শেষ "। বার্মার বৌদ্ধ রাজা ' রোদাওফার ' আরাকানের উপর হামলা করেছে। নির্বিচারে হত্যা করছে। সাজানো জনপদ বধ্যভূমিতে পরিণত করছে। আমি যেতে চাইলাম। মা আমায় বাঁধা দিলেন।
ওখান থেকেই শুরু হলো স্বাধীন আরাকানের পরাধীনতার উপাখ্যান।
৪২ বছর এ অত্যাচারী বৌদ্ধ রাজার কাছে থাকার পর ১৮২৫ সালে সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ আরাকান দখল করে।
আমার তখন বুঝার বয়স হয়েছে। আমি ডানায় ভর করে বিভিন্ন জনপদে যেতাম। ইংরেজদের শোষণে পর্যদুস্ত মুসলিমদের করুন অবস্থা দেখতাম।
কখনো আমি দেড় মাইল দীর্ঘ নাফনদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আসতাম। তোমাদের অবস্থাও শোচনীয় ছিল। হিন্দুদের সহায়তায় তোমাদের উপর অসহনীয় নির্যাতন চলছিল। প্রতিনিয়ত তোমরা তাদের থেকে পরিত্রাণের দোয়া করে যাচ্ছিলে। সংগ্রামী হচ্ছিলে।
তবে আরাকান তখন গোলকধাঁধায়। ইংরেজরা তাদের স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অপরিণামদর্শী নেতারা তাদের পাতা ফাঁদে পা দিল।
যুগ যুগ ধরে মুসলমানদের সাথে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ইতিহাস থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে তাদের আশ্বাসে আশ্বস্ত হয়ে গেল। বিশ্বযুদ্ধে তাদেরই পক্ষ নিল।

কিন্তু ইংরেজরা বিশ্বাসঘাতকতা করে স্বাধীন আরাকানকে বার্মার অঙ্গরাজ্য বানিয়ে দিল।
এমন কি বার্মার ১৩৫ টি জাতির তালিকা থেকে রোহিঙ্গাদের নাম মুছে দিল। নেতারা হায় হায় করে উঠল।
ধূর্ত ইংরেজ ১৯৫৮ সালে গণভোটের মাধ্যমে ভাগ্য নির্ধারণের অঙ্গীকার দিল অথচ এটাও ছিল ফাঁকা বুলি। নীলনকশার অংশ।
শুরু হল অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। ১৯৬৩ সালে সামরিক শাসক নে-উইন আসে। " দুনিয়ার মজদুর এক হও" আপাতমধুর শ্লোগান দিয়ে জনগণকে সমাজতন্ত্রের ধূম্রজালে আবদ্ধ করে। সে জানতো আরাকানের মুসলমানগন স্বাধীনচেতা। সমাজতন্ত্রের শিকলে আবদ্ধ হবে না। ফলে তাদের উপর নতুন মাত্রায় বর্বর নির্যাতন শুরু করে।
আরাকানে বৌদ্ধ- মুসলিমের মাঝে ভাতৃত্বমূলক সম্প্রীতি ছিল।
নে-উইন আশঙ্কা করল মগরা মুসলিমদের সংস্পর্শে জেগে যাবে তাই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মগদের মধ্যে উগ্র জাতীয়তাবাদী চেতনা ঢুকিয়ে দিল। এতে কাজও হল
বৌদ্ধ-মুসলিম সম্প্রীতি ভেঙে গেল।
জেনারেল নে-উইন ১৯৫৮ সালের গণভোটের অঙ্গীকার থেকে ফিরে গিয়ে ১৯৭৮ সালে আরাকানের স্বায়ত্তশাসন রহিত করে দেয়।
১৯৯২ সালে এ সামরিক জান্তারা বিশ্ববিবেককে লাথি মেরে মাতৃভূমিতে নাগরিকত্ব বাতিল করার মতো জঘন্য ইতিহাস সৃষ্টি করে।
রোহিঙ্গারা এখন নিজ দেশেই অপয়া। মাতৃভূমিতে উদ্বাস্তু। রুখে দাঁড়াবার শক্তি তো পূর্বেই হারিয়েছে। এ বিষয়টি সার্বজনীন যে, #মুসলিম_জাতির_শক্তির_উৎস_হল_তাদের_আদর্শ। যতদিন তাদের শিক্ষা-সংস্কৃতি বহাল থাকবে ততদিন তাদের সর্বোতভাবে দমানো যাবেনা।
তাই ২০১২ সালের অক্টোবরে রোহিঙ্গাদের শিক্ষাদীক্ষা নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। বার্মিজরা এভাবে তাহজিব-তামাদ্দুন ও ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর সর্বগ্রাসী হামলা চালায়।
তখন যদি তুমি আরকানি মুসলিমদের দেখতে! প্রতিটি চেহারায় যেন সাঁঝের আঁধার। শিশু-কিশোররা হাসতে ভুলে গেছে। সবাই যেন দুঃখে, শোকে পাথর হয়ে গেছে।

মুসলিমবিশ্বের তখন তার ভাইদের দিকে তাকানোর সময় কোথায়? সবাই নিজের মসনদ নিয়ে ব্যস্ত কিন্তু পাখিরা! বিষাদগ্রস্ত হয়েছে। তাদের জন্য কেঁদেছে। সকাল-সন্ধ্যা তখন আনন্দের কিচিরমিচির শোনা যেত না। গল্পের রানী আমার মা-ও কেমন বোবা হয়ে গিয়েছিল।
তুমি জানো কিনা জানি না। বান্দা যখন ভালো কাজ করে প্রাণীজগতও আনন্দিত হয়। পুণ্যবান ব্যক্তি কষ্টে পড়লে প্রাণীরাও শোকাহত হয়।

চলবে.....…….

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Culinary Team

Attire

Website

Address

Dhaka