15/12/2025
শুভ জন্মদিন প্রিয়
আগামীর লার্নেড
আইন পেশায় আপনার প্রতিটি পদক্ষেপ হোক সফলতা ও ন্যায়বিচারের পথে।
সকলের সাপোর্টে এগিয়ে যেতে চাই
মানবতার কল্যাণে💝🤲🏻🤝🏻🌹
15/12/2025
শুভ জন্মদিন প্রিয়
আগামীর লার্নেড
আইন পেশায় আপনার প্রতিটি পদক্ষেপ হোক সফলতা ও ন্যায়বিচারের পথে।
📢📢 ভ্যাট রিটার্ণ হল ব্যবসায়ের সকল অর্থনৈতিক কার্যক্রমের প্রতিচ্ছবি। অসামঞ্জস্য তথ্য দিয়ে ভ্যাট রিটার্ণ দাখিল না করে সঠিক উপায়ে কম খরচে ভ্যাট রিটার্ণ সাবমিশন করে ভবিষ্যতে অডিট ও জরিমানার হাত থেকে মুক্ত থাকুন।
👇 ভ্যাট সম্পর্কিত আমাদের সেবাসমূহঃ
✅ রিটার্ণ দাখিল
✅ মূল্য ঘোষণা/ সহগ (৪.৩)
✅ রিফান্ড প্রাপ্তি ও অব্যহতি গ্রহণ
✅ উৎসে কর্তন ( VDS হিসাব চুড়ান্তকরণ )
✅ ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন
✅ মামলা নিষ্পত্তি
📞 একদম ফ্রি পরামর্শের জন্যঃ
01711-124109
01911137518
দেওয়ানি কার্যবিধি সংশোধন করে তাতে যুগান্তকারী কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সহজ ভাষায় দেওয়ানি কার্যবিধির সেসকল নতুন বিধান এই পোস্টে তুলে ধরা হলোঃ
১। বাদী-বিবাদীকে আদালতে দাঁড়িয়ে আরজি/জবাব মুখস্ত করে মৌখিক জবানবন্দি দিতে হবে না। এখন থেকে এফিডেভিট আকারে লিখিত জবানবন্দি জমা দিতে হবে হবে। আগে এই জবানবন্দি নিতে বাদীর প্রায় ২-৩ টি এবং বিবাদীর আরও ২-৩ টি তারিখ প্রয়োজন হতো এবং যার জন্য গড়ে প্রায় ২ বছর সময় লাগতো এখন সেটা কমে আসবে।
২। দেওয়ানি আদালত রায় ও আদেশ কার্যকর করতে পুলিশসহ যেকোনো আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিতে পারবে। এতে মামলার রায় বা আদেশের কার্যকারিতা বাড়বে এবং রায়/আদেশ দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
৩। দেওয়ানি মামলায় বিবাদীর জেল (দেওয়ানি আটকাদেশ) হলে তার জেলে থাকার খরচ সরকার বহন করবে। আগে বাদীকে উক্ত খরচ বাবদ সরকারকে অর্থ প্রদন করতে হতো। এতে মলার রায় পাওয়া বাদীর এখন থেকে আর অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হবেনা, সরকারই এই ব্যয়ভার বহন করবে।
৪। রায় পাওয়ার পর পৃথক জারি মামলা করতে হবে না, মূল মামলার অধীনেই দরখাস্ত করে জারি কার্যক্রম করা যাবে। এতে নতুন জারি মামলার খরচ ও সময় বাচবে।
৫। টাকা আদায়ের মামলায় (মানি স্যুট) বিশেষ জারির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে দেওয়ানি আদালত টাকা আদায়ের মামলায় ডিক্রিপ্রাপ্ত বাদীর আবেদনের ভিত্তিতে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত জেল (দেওয়ানি আটকাদেশ) প্রদান করতে পারবে।
৬। মামলা বিলম্বিত করতে সময়ের আবেদন করার সুযোগ কমছে। আগে একেকটি মামলায় ছয়বার পর্যন্ত সময় চাওয়া যেত। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী এখন চারবারের বেশি সময় চাওয়া যাবে না। এতে মামলা নিষ্পত্তিতে দ্রুততা আসবে।
৭। এখন থেকে মোবাইল ফোন, এসএমএস, ভয়েস কল ও ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং এর মাধ্যমে সমন পাঠানো যাবে। মামলার আবেদন করার সময় প্রতিপক্ষের মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং ইমেইল (যদি থাকে) উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে সমন জারি প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে এবং মামলা বিচারের জন্য দ্রুত প্রস্তুত হবে।
৮। একজন বিবাদী এখন আর একবারের বেশি একতরফা রায়-ডিক্রি বাতিলের আবেদন করতে পারবে না। এতে ডিক্রি হয়ে যাওয়ার পরে সেটা বাতিলের সুযোগ আগের চেয়ে কমে আসবে।
৯। মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের পরিমান বাড়িয়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা করা হয়েছে যা আগে বিশ হাজার টাকা ছিল। এতে মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলা দায়েরকারীকে এখন আরও বেশি জরিমানা করা যাবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত বিবাদিকে মামলার খরচের পাশাপাশি আরও পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া যাবে।
১০। আপিল দায়েরের পরে আপিলকারী বা অপরপক্ষ শুনানির তারিখে কোর্টে উপস্থিত না থাকলে কোর্ট তাৎক্ষনিক বা একটি তারিখ ধার্য করে রায় দিয়ে দিতে পারবে। এতে করে আপিলে গিয়ে মামলা বিলম্বিত করার সুযোগ থাকবে না।
১১। পর্যাপ্ত সাক্ষ্য রেকর্ড করা হয়ে থাকলে আপিল আদালত মামলাটি রিমান্ডে প্রেরনের পরিবর্তে আবশ্যিকভাবে চুড়ান্ত নিষ্পত্তি করবে।
নতুন এই বিধানের ফলে দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তি আগেরচেয়ে দ্রুততর হবে। তবে এর পূর্ণ সুবিধা পেতে হলে পর্যাপ্ত পরিমান বিচারক নিয়োগ করতে হবে। আশা করি সরকার প্রয়োজনীয় বিচারকের পদ সৃষ্টি করে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দ্রুত বিচার প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করবে।
গত ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ইং তারিখে বর্তমান সরকার এক ক্ষুদেবার্তায় বিচার বিভাগ সংস্কার বিষয়ে মতামত চেয়ে তা ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রেরণ করার জন্য বলে। সেই মতে বিষয়টির উপর নিম্নোক্ত মতামত কর্তৃপক্ষ বরাবরে পাঠানো হয়েছে:
আমার সুদীর্ঘ সময়ে আইন পেশায় নিয়োজিত থেকে বিচার বিভাগের যে সকল বিষয়গুলো সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের একান্ত প্রয়োজন বলে আমি মনে করি যা নিম্নে উপস্থাপন করা হলো:
সারা দেশের আদালতে পুঞ্জিভূত বিচারের অপেক্ষায় থাকা মামলার সংখ্যা বিবেচনায় বিচার ব্যবস্থার বিদ্যমান অবকাঠামো যথেষ্ট নয়।ফলে বিচার প্রার্থীগণ যথা সময়ে বিচার পাচ্ছে না।একজন আইনজীবী হিসেবে মনে করি বিচারের অপেক্ষায় থাকা মামলার সংখ্যা বিবেচনায় আদালত,বিচারক ও প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি করে বিচারকার্য পরিচালনা করলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।অন্যথায় বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকবে যা কখনই কাম্য নয়।এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে,নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচারাধীন মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন হলে যেমন ভুক্তভোগী বিচার প্রার্থীগণ ন্যায় বিচার পাবেন তেমনি দেশে অপরাধ এবং অপরাধ প্রবণতা বহুলাংশে কমে আসবে এতে কোনো সন্দেহ নেই।বিষয়টি সরকার ভেবে দেখবে বলে আশা করি।
সংক্ষেপে বলতে গেলে বিচারহীনতাই দেশের সকল প্রকার অপরাধ ও দুর্নীতির মূল কারণ বলে আমি মনে করি।
প্রেরক-
এম এ মজিদ বিশ্বাস
সিনিয়র এডভোকেট, ঢাকা জজ কোর্ট, ঢাকা
প্রধান উপদেষ্টা মানবিক উকিল ফোরাম
তারিখ: ০৭-১২-২০২৪ইং
08/01/2025
?
কিছুক্ষণের ভিতরে ফৌজদারী কার্যবিধি 1898 এর
আপিল ও রিভিশন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় আসবেন আমাদের প্রিয় কামরুল স্যার।
সাথেই থাকুন।
06/01/2025
With our inspiration and
Humane Lawyer Forum chief adviser Adv MA Mazid Biswas
গত ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ইং তারিখে বর্তমান সরকার এক ক্ষুদেবার্তায় বিচার বিভাগ সংস্কার বিষয়ে মতামত চেয়ে তা ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রেরণ করার জন্য বলে। সেই মতে বিষয়টির উপর নিম্নোক্ত মতামত কর্তৃপক্ষ বরাবরে পাঠানো হয়েছে:
আমার সুদীর্ঘ সময়ে আইন পেশায় নিয়োজিত থেকে বিচার বিভাগের যে সকল বিষয়গুলো সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের একান্ত প্রয়োজন বলে আমি মনে করি যা নিম্নে উপস্থাপন করা হলো:
সারা দেশের আদালতে পুঞ্জিভূত বিচারের অপেক্ষায় থাকা মামলার সংখ্যা বিবেচনায় বিচার ব্যবস্থার বিদ্যমান অবকাঠামো যথেষ্ট নয়।ফলে বিচার প্রার্থীগণ যথা সময়ে বিচার পাচ্ছে না।একজন আইনজীবী হিসেবে মনে করি বিচারের অপেক্ষায় থাকা মামলার সংখ্যা বিবেচনায় আদালত,বিচারক ও প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি করে বিচারকার্য পরিচালনা করলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।অন্যথায় বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকবে যা কখনই কাম্য নয়।এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে,নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচারাধীন মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন হলে যেমন ভুক্তভোগী বিচার প্রার্থীগণ ন্যায় বিচার পাবেন তেমনি দেশে অপরাধ এবং অপরাধ প্রবণতা বহুলাংশে কমে আসবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। বিষয়টি সরকার ভেবে দেখবে বলে আশা করি।
সংক্ষেপে বলতে গেলে বিচারহীনতাই দেশের সকল প্রকার অপরাধ ও দুর্নীতির মূল কারণ বলে আমি মনে করি।
প্রেরক-
এম এ মজিদ বিশ্বাস
সিনিয়র এডভোকেট, ঢাকা জজ কোর্ট, ঢাকা
তারিখ: ০৭-১২-২০২৪ইং
দেওয়ানি কার্যবিধ ১৯০৮ এর
class -4
খুব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন
আমাদের সিনিয়র মেন্টর সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী Adv Md Anower Hossain স্যার।
Good morning
All my dear friend
Support 🫱🏻🫲🏼
Happy new year
2025