S.R. Channel

S.R.  Channel

Share

"সময় প্রতি মুহূর্তে কিছু না কিছু শিক্ষা দিয়ে যায় "

"Time teaches us something every moment."

18/05/2026
02/02/2026

এই জানোয়ারটাকে চিনে রাখুন।

জানোয়ারটার নাম শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমান। সে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ।

জানোয়ারটা ও তার স্ত্রী বিথী এই শিশুকে কীভাবে নির্যাতন করেছে, দেখুন!

আজ (২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

***
এই মামলার ভবিষ্যৎ কী হবে?

- প্রেডিকশন টা বলি...

টাকার বিনিময়ে সে গরীব পরিবারটাকে চাপ দিয়ে দফারফা করবে। মামলা তুলে নিবে। যেহেতু সে প্রভাবশালী তার পেছনে দাঁড়াবে অন্য জানোয়ারেরা।

এরপর সে ফিরবে নিজ পেশায়।

(বিস্তারিত নিউজ কমেন্টে)

(দুঃখিত শিশুটির ছবি ব্যবহার করার জন্য) ©

01/02/2026

আমি জাস্ট ভাবতেসি এরা বাচ্চাদের -রে'ইপ- করে তারপর তাদের মাংস দিয়া পার্টি করতো। ঠিক কী পরিমাণ ভয়ংকর সাইকো না হলে এই কাজ সম্ভব! বড় বড় রাজনীতিবিদ ধনকুবেরদের পার্টিতে বাচ্চাদের মাংস সার্ভ করা হতো, বডিপার্ট কেনাবেঁচা চলতো!

ট্রাম্প ইলন মাস্ক বিলগেটস থেকে শুরু করে 'বাঙ্গু ফে'মিনিস্টদের একনজর দেখে ফেইন্ট হয়ে যাওয়া' জোহরান মামদানির মা-ও এই তালিকায় আছে। ওয়েস্টের (অ)সভ্যতার সবচে সুন্দর চিত্র পৃথিবী দেখলো।

শুধুমাত্র আমেরিকায় না, সব জায়গায় এর প্রচলন আছে। এটা কোনো গুপ্ত সংঘ টাইপের কিছু লোকের কাজ না। পুরো পশ্চিমা বিশ্বব্যবস্থার চিত্র। বাংলাদেশও এর বাইরে না। সমাধান হলো সিস্টেমটাই উপড়ে ফেলা।

যারা ওয়েস্ট থেকে নানা তন্ত্রমন্ত্র আমদানি করে এবং এর বিরোধিতা করলে পাবলিক প্লেসে সন্ত্রাসী ট্যাগ দেয়, তাদের বোধবুদ্ধি এখনো উদয় হবে না। ওয়েস্টের মানুষের মতো মোল্লারা কি এত স্মার্ট হয়েছে হ্যাঁ!

01/02/2026

আমি জাস্ট ভাবছি এরা বাচ্চাদের মাংস দিয়ে পার্টি করতো। ঠিক কী পরিমাণ ভয়ংকর সাইকো না হলে এই কাজ সম্ভব! বড় বড় রাজনীতিবিদ ধনকুবেরদের পার্টিতে বাচ্চাদের মাংস সার্ভ করা হতো চিকেনের পাশাপাশি!
ট্রাম্প ইলন মাস্ক বিলগেটস থেকে শুরু করে 'বাঙ্গু ফেমিনিস্টদের একনজর দেখে ফেইন্ট হয়ে যাওয়া' জোহরান মামদানির মা-ও এই তালিকায় আছে। ওয়েস্টের সভ্যতার সবচে সুন্দর চিত্র পৃথিবী দেখলো।

- আসিফ মুহাম্মাদ (পরিমার্জিত)

27/01/2026

চীনের সিনচিয়াং-এর সাইলিমু হ্রদের ভাসমান বরফের উপর অস্তগামী সূর্যের আলোর প্রতিফলনে সৃষ্টি হয়েছে এক অপরূপ দৃশ্যের।

Photos from S.R.  Channel's post 27/01/2026

ছবিগুলো দেখে কী মনে হচ্ছে? ভোটের আগে লিফলেট বিলি করছে, ভোট পাওয়ার জন্য?

লতিফুল ইসলাম শিবলীর 'ইমাম' বইয়ের ট্যাগলাইনে পড়েছিলাম, 'নেতৃত্ব হলো আমানত'। সেই আমানত এক্সপেক্টেশনের চেয়ে অনেক বেশিই রক্ষা করছেন আমাদের নির্বাচিত ডাকসু নেতারা।কবে দেখেছিলেন, নিজেদের দায়িত্বের এবং দেওয়া প্রতিশ্রুতির আমলনামা এভাবে বিলি করতে?

ডাকসুর নির্বাচনের পর থেকে প্রশাসনের এবং বাজেটের এতশত সীমাবদ্ধতার পরেও, নিজেরা দেশ-বিদেশের স্পন্সরশিপ এনে, বিভিন্ন এলামনাইদের থেকে ফান্ড জোগাড় শিক্ষার্থীদের জন্য ডাকসু কী কী করেছে, প্রতিশ্রুতির চেয়েও কতগুণ বেশি কাজ করেছেন মাত্র ৪ মাসে, সেটার আমলনামা বিলি করছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।

শেষ কথা, "আরো দাও প্যানেল ধরে ভোট"।
R.Channel

14/01/2026

আমার মন টা আজকে খুশি লাগতেছে তোমাদের এ কাজ দেখে. আমাদের সবার এ দায়িত্ব আমার ভাই শহিদ ওসমান হাদীর বিচার আদায় করে নেওয়া✊

28/12/2025

ওরা যাতে রিচ ডাউন করে দিতে না পারে,
তাই পোস্ট সামনে পড়লে রেসপন্স করবেন ইনশাআল্লাহ।

26/12/2025

এই ছবিটা ভালো করে দেখুন—এটাই আজকের শাহবাগ।
হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে আছে হাদির ন্যায়বিচারের দাবিতে। কাউকে ভাড়া করে আনা হয়নি, কোনো প্যাকেট বিতরণ হয়নি—মানুষ এসেছে নিজের বিবেকের ডাকে। কারণ মানুষ বুঝে গেছে, দেশে এখন আর নিয়ম চলে না—চলে দাদাবাবুদের দাপট।

এখন প্রশ্নটা সোজা—দেশটা কার কন্ট্রোলে?
এমন অবস্থা যে অনেকেই বলছে, “ড. ইউনুসও কি সত্যিই কন্ট্রোলে আছেন?”
কারণ বাস্তবতা বলছে—কন্ট্রোল অন্য জায়গায়, যেখানে আইন কথা বলে না, দাদাবাবুদের দাপট চলে

এখন যদি এখান থেকেই সতর্ক না হন, তাহলে জুলাইয়ের বিপ্লবে যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, তাদেরকে একে একে নিষ্ক্রিয় করা হবে। আজ পোস্ট উধাও, কাল পেজ উধাও, পরশু বিপ্লবীরাও উধাও—এই হচ্ছে ধাপে ধাপে প্ল্যান। তাই এই প্রতিবাদ থামানো যাবে না। থামালেই তারা বুঝে নেবে—“ভয় পাইছে, ঘরে ঢুকছে।”

হাদির ওপর হামলার বিচার না হলে মনে রাখবেন—আর কারও বিচার হবে না। যাকে খুশি তুলে নিয়ে যাবে, কেউ কিছু করতে পারবে না। ২দিন আগে ২০ বছেরের জুলাই অগ্নি কন্যা নাম খেতো এক মেয়েকে বাসা থেকে নিয়ে গেছে, সে নাকি চাঁদা বাজি করছে আর ওয়াকের বিরুদ্ধে বলছে, আপনার পালা এলে পাশে তাকিয়ে দেখবেন—ভিড় আছে, কিন্তু পাশে কেউ নাই।

আর হাদিকে কে টেকডাউন করল—এটা নিয়ে গোয়েন্দাগিরির দরকার নাই। সোজা হিসাব:
হাদির ভিডিও প্রধান উপদেষ্টার পেজ থেকেও উধাও।
হাদিকে নিয়ে যত কনটেন্ট—সব ক্লিন।
মানে যারা এই কাজ করছে, তারা এমন লেভেলে যে প্রশ্ন করলেই আপনাকেও থামিয়ে দেওয়া হবে

আসিফ মাহমুদের ৩ মিলিয়ন ফলোয়ারের পেজ উধাও, বড় বড় পেজ উধাও।
আর যে লোক হাদিকে মারতে লেগেছিল, তার অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার লেনদেন—কিন্তু ব্যাংক নাকি “কিছুই দেখেনি”!
আমরা ৫০ লাখ ঘোরালেই ব্যাংক ফোন দেয়, আর দাউদ ফয়সালের অ্যাকাউন্টে ১৬৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়, অথচ ব্যাংক থেকে কোনো ধরনের প্রশ্নই তোলা হয় না! এবার বুঝছেন, খেলা কোন লেভেলে চলছে?
এতেই বোঝা যায়—খেলা এমন জায়গায় গেছে, যেখানে সরকারের হাতও ছোট।

ইনকিলাব মঞ্চ এখন স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছে—তারা থামবে না।
আজ রাতেও সিটিং চলবে, কাল থেকে আরও বড় হবে। সামনে ৩ জানুয়ারী জামাতের নেতৃত্বে জোটদের নিয়ে মহাসমাবেশ—সব মাথায় রাখুন। এখন কিছু না করলে পরে আফসোস করার সুযোগও থাকবে না।

আর তুলনা দেখুন—ডেইলি স্টার বা প্রথম আলোর ঘটনায় ১২ ঘণ্টায় গ্রেফতার হয় ৩৩ জন।
আর হাদির ঘটনায় দিন পেরোয়, সপ্তাহ পেরোয়—কেউ ধরা পড়ে না।
এখন আবার প্রশ্ন—নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

১৭ বছরেও হাসিনার আমলে ইলিয়াসের পেইজ বন্ধ হয়নাই, আর এখন তার পেইজ নাই, বাংলাদেশ থেকে তার কনটেন্ট দেখা যায় না, আর এখন বড় বড় পেজ উধাও। আপনি আমি তো তাদের কাছে মশার মতো।

একটা জিনিস চিন্তা করুন—খালেদা জিয়া যখন সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন, তখন তারেক জিয়া আসতে পারেননি। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিনি বলেছিলেন, “এটা আমার হাতে নেই।” এখন প্রশ্ন হলো, এই দুই সপ্তাহে এমন কী হলো যে এখন তারেক জিয়া আসতে পারলেন? যেদিন তিনি ল্যান্ড করলেন, দেখলেন ৩০০ ফিট এলাকায় সেনাবাহিনী, পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজারের মতো লোক তাকে ঘিরে নিরাপত্তা দিচ্ছে। এত সিকিউরিটি যদি এখন দেওয়া যায়, তাহলে খালেদা জিয়া সংকটে থাকার সময় দেওয়া যেত না? তখনো তো তিনি আসতে পারতেন! কিন্তু না, তিনি আসেননি, কারণ তখন হয়তো কোনো ডিল হয়নি। এখন ডিল ফাইনাল হয়ে গেছে বলেই তিনি আসতে পারছেন। বোঝাই যাচ্ছে, ভেতরে কী ডিল হয়েছে। তখন যদি একই সিকিউরিটি দেওয়া যেত, তাহলে তখন আসতে সমস্যা ছিল না। আর তখন তিনি বলেছিলেন নিয়ন্ত্রণ তার হাতে নেই—এখন কীভাবে এই নিয়ন্ত্রণ ফিরে এলো? এটা ভেবেই দেখুন।

চোখ বন্ধ করে ভাবলেই সব পরিষ্কার।
আজ হাদির পালা, কাল আপনার পালা—এই সাইকেলটাই চলছে।
কন্ট্রোল এখন সরকারের হাতেও নেই

তাই এখনই আওয়াজ তুলুন।
আমরা কমরেড—হার মানার জন্য না।
যেখানে কণ্ঠ আছে, সেখান থেকেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠবে।
এই সুযোগ হাতছাড়া করলে, পরে আর সুযোগ থাকবে না।

26/12/2025

ভাড়া করে যদি লোক আনাই হলো,তাহলে প্রতিদিন দূর দূরান্ত থেকে শহীদ হাদির কবর যিয়ারত করতে কারা আসছে: ঢাবি শিক্ষিকা শেহেরিন আমিন ভুঁইয়া

মু আ হা ইবনে জালাল
সহকারী অধ্যাপক

বিএনপি নেত্রী সাবেক সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি শহীদ ওসমান প্রসঙ্গে বলেছিলেন হাদি আমাার কাছে একজন গুরুত্বপূর্ন গিনিপিগ ছাড়া আর কিছুই নয়।তিনি আব্দুর নূর তুষারের টকশোতে আরো বলেছিলেন,হাদির জানাজায় এতো লোক ভাড়া করে আনা হয়েছে।

এরই জবাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনে আলোচিত শিক্ষক শেহেরিন আমিন ভুঁইয়া ফেসবুক বার্তায় বলেন,

আমার ভাই কে গিনিপিগ বললেন,
বললেন, ভাড়া করে লোক আনা হয়েছে জানাজায়....

ভাড়া করে যদি লোক আনাই হলো, তাহলে প্রতিদিন দুর দুরান্ত থেকে শহীদ হাদির কবর যিয়ারাত করতে কারা আসছে? কেন আসছে??

ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকছে, একটা বার ভিতরে ঢুকার জন্য কান্নায় ভেঙে পরছে, আমাদের সিকিউরিটি টিম এই মানুষ গুলোর আবেগ সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে, আমাদের কল দিচ্ছে।

আমাদেরও মায়া লাগছে, এতো ভালোবাসা , এতো মায়া মানুষের!! আমরা তো সিকিউরিটির দায়িত্বে , আমাদের না চাইতেও কঠোর হতে হচ্ছে। সবাইকে ঢুকতে দিতে পারছিনা, কিন্তু তাই বলে কেউ চলে যাচ্ছে না। গ্রিল ধরে কান্না করছেন, দোয়া করছেন... আমাদের শহীদ ভাই এর জন্য।

তাই,আপনারা এসব কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে, বলিয়েন। এসব বিবেকহীন কথায় আমার ভাই শহীদ হাদির প্রতি ভালোবাসা এক বিন্দুও কমবে না, তবে আপনাদের প্রতি মানুষের ঘৃণা ঠিকই জন্মাবে , জন্মাচ্ছে।

25/12/2025

😍জিএস ফরহাদ এর বিয়েতে আমিরে জামায়াতের ৩টি উপদেশ😍
💕💕সবাইকে পড়ার অনুরোধ💕💕

ফরহাদ ভাইয়ের আকদ সম্পন্ন হলো আজ। জামায়াতে ইসলামের আমীর তার বক্তব্যে শহীদ হাদী ভাইয়ের জন্য দোয়া করলেন এবং ফরহাদ ভাইকে তিনটা উপদেশ দিলেন।

১. মা-বাবাকে কখনো মনে করবা না তোমার সাথে থাকে। বরং তুমিই তোমার মা-বাবার সাথে থাকবে৷

২. আজকে যেই নারীকে তুমি নিকাহ করলে তাকে তার মা দীর্ঘদিন গর্ভে ধারণ করেছে; তাকে জন্ম দিয়েছে। বুকে আগলে বড়ো করেছে, শিক্ষিত করেছে। সে তার পরিবারের সেবা করেনি, তার পরিবারই এতোদিন তাকে সেবা করে এসেছে। আজ সে বিকশিত। এখন তার সময় তার পরিবারকে সেবা করার৷ কিন্তু এই সময়ে তার পরিবার তাকে তুলে দিচ্ছে তোমার হাতে৷ তাকে সর্বোচ্চ সম্মান করবা, ভালোবাসবা৷ তার ইজ্জত-আব্রুর খেয়াল রাখবা। দায়িত্ব তোমার।

৩. শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, বাবা-মায়ের সম্মান করবা৷ বাবা-মায়ের হকের প্রতি সর্বোচ্চ খেয়াল রাখবা৷ তবে খেয়াল রাখবা বাবা-মায়ের হক আদায় করতে গিয়ে স্ত্রীর প্রতি অবিচার না হয়ে যায়। দুটোর মধ্যে ব্যালেন্স করবা৷

আমার মনে অল্প কথায় মোটামুটি করণীয় সংক্রান্ত মৌলিক ব্যাপারগুলো চলে এসেছে তার বক্তব্যে। খুবই ব্যালেন্সড বক্তব্য।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka