Ustaz Fazle Rabbi

Ustaz Fazle Rabbi

Share

This page is conducted by Ustaz Fazle Rabbi for dawah purposes. Stay connected.

Photos from Ustaz Fazle Rabbi's post 15/05/2026

মিডিয়ার ইসলামফোব!

কিশোর গ্যাং এর সদস্যদের মাথায় টুপি বসিয়ে দিয়েছে ডিবিসি চ্যানেলের ফটো কার্ড নির্মাতা। এখন টুপি সরিয়ে দিয়েছে। ডিবিসি চ্যানেলের যে সাংবাদিক এটা করেছে তাকে অবশ্যই ব্যাখ্যা দিতে হবে। এটা সে কেন করল? বরিশালে কিশোর গ্যাং একজন মৎস্য ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে। এখানে টুপি, পাঞ্জাবি কোত্থেকে আসল? খুনির নাম পরিচয় সব আছে। কিন্তু কল্পনায় তাকে কি হুজুর বানিয়ে দেয়া হল! অথচ সে কিশোর অপরাধী। এমন চিন্তার মানুষ কখনোই সাংবাদিকতা করার অধিকার রাখে না। মিডিয়ার ইসলামফোব অনেক পুরনো। সুযোগ পেলেই তারা ইসলামী আদর্শ, চিন্তা, সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কাজ করে। প্রথম আলো, ডেইলি স্টার গংদের কথা তো সর্বজনীন। তাই এদের বিরুদ্ধে কথা বলুন, আওয়াজ তুলুন।

05/05/2026

আজ ঐতিহাসিক ৫ মে, শাপলা চত্বরে দেশের লাখো আলেম ওলামা, মাদ্রাসার ছাত্র, সাধারণ মানুষ ইসলামের জন্য একত্রিত হয়েছিল কেবল নবীপ্রেমের জায়গা থেকে। দ্বীনের জন্য। রাতের অন্ধকারে গণহত্যা চালানো হলো, তখন প্রথম আলো একের পর নিউজ করেছে। মানুষের চেয়েও তাদের কাছে গাছের মূল্য বেশি। একটা নিরীহ আন্দোলনকে মিডিয়া ট্রায়ালে সন্ত্রাসী আন্দোলন হিসেবে দেখানোর কত কসরত করেছে তারা।

প্রথম আলো পত্রিকা বর্জন করা ঈমানী দায়িত্ব। শহীদ উছমান হাদী রহ. এজন্যই বলতেন, প্রথম আলো শুধু পত্রিকা নয়, প্যারালাল রাষ্ট্র। সচেতন হোন, সচেতন করুন।

20/04/2026

শ্রদ্ধেয় লেখিকা নিশাত তাম্মিম বেশ গুরুতর দুইটা অভিযোগ করেছেন।

১। কসম করে বলতেসেন 'অন্তত' ৮০% আলেম, লেখক ও সেলেব্রিটি নারী ফিতনায় আক্রান্ত।

২। আলেম, লেখক ও সেলব্রিটিরা তাদের লেখালেখি, দাওয়াত ও ইল্ম 'নারী পটানোর' কাজে ব্যবহার করেন।
..

প্রথমত করেছেন, সাধারণ মানুষের ব্যাপারে অভিযোগ করলেও প্রমান দিতে হয়। আর যারা ইসলাম নিয়ে কাজ করেন(আলেম-উলামা ও দাঈ) তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মারাত্মক, সম্মানহানিকর ও স্পর্শকাতর অভিযোগ দিতে হলে আরও বেশি নিশ্চয়তা ও সতর্কতার সহিত অভিযোগ আনতে হয়।

প্রমান ছাড়া এমন কথা বলা সরাসরি তোহমত তথা অপবাদ হিশেবে গন্য হবে। ইসলামে অপবাদ দেওয়া কাবীরা গুনাহ। শারীয়া ক্বায়িম থাকলে অপবাদ আরোপকারীকে ৮০ বেত্রাঘাত করা হতো।

ইসলাম নিয়ে কাজ করা কমিউনিটির ব্যাপারে বলা হচ্ছে "অন্তত ৮০% নারী ফিতনায় আক্রান্ত" তাহলে বাকী থাকল কতজন? আমভাবে আলেম-উলামা ও দাঈদের সম্মান, বিশ্বাসযোগ্যতা ও চরিত্রের উপর আঘাত হানলেন।

এই দাবির মাধ্যমে ৮০% এর চেয়েও বেশি দাঈদের ব্যাপারে মানুষের অন্তরে অবিশ্বাস ও সন্দেহের বীজ কাজ করলেন। দাঈদের কারেক্টার এসাসিনেশিনও করলেন। প্রমান ছাড়া এমন দাবি করা হলে অতিসত্বর তাওবা করা এবং আলিম উলামা ও দাঈদের কাছে মাফ চাওয়া উচিত।

দ্বিতীয়ত, এটা চিরাচরিত নারীসুলভ ডিলিউশনাল দাবি কিনা জানি যে, this world revolve around women. যারা দাওয়াহ করে, ইসলাম নিয়ে কাজ করে তাদের ৮০% ইসলাম নিয়ে কাজ করে নারী পটানোর জন্য?

সিরিয়াসলি?

আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্রহনন করেও থামেন নাই, একেবারে ডিরেক্ট কাজের নিয়তকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলবেন?

এসব দাবি আমরা আগে অন্যসব গোষ্টিকে করতে দেখতাম। যারা ইসলাম পছন্দ করতো না, আলেম উলামা ও দাঈদের ব্যাপারে এসব অপবাদ আরোপ করত।

আমি সুধারনা রেখে বলছি, শ্রদ্ধেয় লেখিকা হয়তো অনিচ্ছাকৃতভাবে অথবা ভুলক্রমেই আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্রে কালেম লেপন ও অপবাদ আরপ করে ফেলেছেন। কিন্তু ভুল এত বড় এবং আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্র, সম্মান বিশ্বাসযোগ্যতা সংশ্লিষ্ট হলে সংশোধনও প্রকাশ্যে হওয়া জরুরী।

উনার উচিত আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্রে আঘাত এবং নিয়তকে উদ্দোশ্যপ্রনিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য জন্য ক্ষমা চাওয়া।

অনেকে বলতেসেন, উনি পোস্ট এডিট করেছেন। করতে পারেন, বাট এত বড় অপরাধ, কারেক্টার এসাসিনেশিন, ইসলামপন্থী-আলেমে উলামাদের ব্যাপারে বিষেদগারা করে নিরবে এডিট করলেই বিষয়টা শেষ হয়ে যায় না। ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত উনাকে আলেম উলামা ও দাঈদের উপর অপবাদ আরোপকারী হিশেবেই গন্য করা হবে এবং সেই অপবাদের দায় উনাকে বহন করতে হবে।

Osama

14/04/2026

মঙ্গল-অমঙ্গল কোনো দিনের সাথে সম্পৃক্ত নয়। তা নির্ধারণের ক্ষমতাও কারো নেই। পৃথিবীর সকল কল্যাণ ও অকল্যাণ কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে, তার ইচ্ছাতেই সব হয়। তাই বৈশাখী মঙ্গল শোভাযাত্রাকে মঙ্গল অর্জনের মাধ্যম মনে করার এই শিরকী আয়োজন থেকে বিরত থাকুন। কেবল মহান রবের উপর ভরসা করুন। পূর্ণ তাওয়াক্কুল করুন।

12/04/2026

মা'ফ করব না... ভাইয়ের উদ্দেশ্যে বোন।

যারা বোনের হক মেরে খেয়েছেন। অথবা যারা খাওয়ার ইচ্ছা আছে তারা ছবিটা একবার দয়া করে দেখবেন।

৭৫ বছর বয়সে বড় বোন যখন মৃ'ত্যুশয্যায় তখন তিন ভাই মিলে এসে বোনের কাছে মাফ চেয়েছে। এর আগের দীর্ঘ একুশ বছর তাদের ভেতরে কোন কথা হয়নি। ঝামেলা হয়েছে সম্পত্তি নিয়ে। স্থানীয়ভাবে যতটুকু শোনা গেছে ওই তিন ভাই আসলেই ওই বোনের প্রতি অবিচার করেছে। প্রাপ্য যে সম্পত্তি ছিল সেটা দেয়নি। বোনকে দিতে চেয়েছিল বাড়ির পুকুরের ভেতরে, তাও সেটা ন্যায্য অংশ নয়। এই কারণে বোন রাগ করে কোন সম্পত্তি আর নেয়নি।

বোনের যখন অবস্থা খারাপ তখন তিন ভাই একসাথে মিলে এসে বোনের কাছে মাপ চেয়েছে। বলে রাখা ভালো উনাদের বংশগত এজমার সমস্যা রয়েছে। তাদের পরিবারের সবাই মৃত্যুর আগে এরকম শ্বাসকষ্ট হয়। এখন বোনের যখন এই অবস্থা তিন ভাই মিলে এসে মাফ চেয়েছে বোন অক্সিজেন মাস্ক পরা অবস্থায় কাগজে লিখে দিয়েছে," মাফ করব না।"

এই দুনিয়াতে লেখাটা হয়তোবা তিন শব্দের মনে হতে পারে। সৃষ্টিকর্তার কাছে এই তিন শব্দ তিন দুনিয়ার ওজনের চাইতেও বেশি মনে রাখবেন।

তাই বোনের হক মারবেন না। যেখান দিয়ে যতটুকু পায় তার ন্যায্য হোক তাকে জীবিত থাকতে বুঝিয়ে দেবেন।

@ডাক্তার সাজ্জাদ

Photos from Ustaz Fazle Rabbi's post 07/04/2026

মিশর সফরে দুইবার পিরামিডে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। প্রতিবারই বিস্ময়ে চোখ ছানাবড়া হওয়ার অবস্থা। আধুনিক সভ্যতাতেও দাঁড়িয়ে মানুষ অবাক হয়ে ভাবে, প্রায় পাঁচ হাজার বছর পূর্বে কী করে এত নিখুঁত নির্মাণশৈলীতে এত বৃহৎ স্থাপনা তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের কাছে এখনো তা বিস্ময়, বড়রকম রহস্য।

শক্ত গ্রানাইড পাথরের ২৩ লক্ষ চাঁই ব্যবহার করা হয়েছে এর নির্মাণে। যার প্রতিটার ওজন ২-১৫ টন পর্যন্ত। মিশরে ছোটবড় প্রায় ১৩৮ টির মত পিরামিড আছে। কিন্তু পিরামিডের ছবি দেখলে আমরা বড় তিনটি পিরামিডের ছবি দেখি। সবচেয়ে বড় পিরামিডটি রাজা খুফুর পিরামিড। এরপরেরটা খুফুর পুত্র খাফরা, এবং তৃতীয়টা খুফরার পুত্র মেনকিউরের। এরা সবাই মিশরের চতুর্থ রাজবংশের রাজা ছিল। প্রাচীন মিশরীয় ধর্মমতে, বিশ্বাস করা হত, মৃত্যুর পরেও প্রয়োজন হবে ধন, দৌলত ও অন্যান্য জাগতিক বিষয়াদির। পরকালে জায়গায় জায়গায় ধনসম্পদ দিয়ে পার হতে হবে। তাই রাজা ও রাণীদের মৃত্যুর পর মৃতদেহের সাথে সাথে দিয়ে দেওয়া হত সোনা, রূপা ও মূল্যবান রত্নাদি। তাঁদের দেহকে সংরক্ষণ করে মমি বানিয়ে পিরামিডের মত নিরাপদ জায়গায় কবর দেয়া দিত।

আরেকটা ফ্যাক্ট হলো, খুফুর পিরামিডটি চতুর্দশ শতক পর্যন্ত অর্থাৎ প্রায় ৪ হাজার বছর পৃথিবীর মানবসৃষ্ট সবচেয়ে বড় স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত হত! ছবিতে এত বড় মনে হয় না। একদম কাছে গেলে এর উচ্চতা বোঝা যায়। কিছু ছবি যুক্ত করে দিলাম। একেকটা চাঁই আমার চেয়েও বড়। এরকম ২৩ লক্ষ চাঁই রয়েছে। ভাবুন একবার।

মিশরে অনেক নবী রাসূলগণ এসেছে। প্রাচীন সভ্যতার সাথে ইসলামী ইতিহাস ঐতিহ্যের সংযোগ আছে গভীরভাবে। মুসা আ. ও ফিরআউনের ঐতিহাসিক ঘটনা বিশ্বাসীদের জন্য কেবল শিক্ষাই। সম্ভব হলে এসব ইতিহাস কুরআন হাদীস থেকে পড়ুন ও জানুন।

04/04/2026

বাঙালী স্বভাবগতভাবে “রেসিস্ট”

সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই মেয়েটির ভিডিও আমরা দেখেছি। সবার মন কেড়েছে। দেখতে মায়াবী হওয়ায় এবং সাদা চামড়া হওয়ায় অনেকের দরদ উথলে পড়ছে। যিনি দায়িত্ব নিয়েছেন অবশ্যই ভাল কাজ করেছেন। আমরা শিশুটির উজ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি। তবে এর অন্য পিঠও আছে।

সেইম বয়সের লাখো লাখো পথশিশু দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, তারা কেন ভাইরাল হয় না, তাদের জন্য এত দরদ কেন আসে না? আসলে যারা বৈষম্যহীন সমাজের কথা বলে, জাতে ওঠা মানুষগুলো, মিডিয়া, বাম পারার মানবাধিকার সংগঠন ও কর্মীগুলো আরো বেশি রেসিস্ট।

অধিকাংশ পথশিশু সবারই কমবেশি লাইফের স্টোরি সিমিলার, তাহলে ওর বেলায় দরদ উথলে পড়লে বাকিদের বেলায় কেন দরদ আসে না? সবার জন্যই যদি আমরা ভাবতাম এবং এমন দরদ দেখাতাম!

ইসলাম ঠিক এই জায়গায় ব্যতিক্রম। ইসলামের দৃষ্টিতে সবাই সমান। বিন্দুমাত্র বৈষম্যের সুযোগ এখানে নেই। আমরা দেখতে চাই, দেশের প্রতিটা পথশিশু সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে বেড়ে উঠছে।

01/04/2026

মুসলিমবঙ্গের বাসিন্দাদের এতোই দূর্ভাগ্য যে, প্রফেশনাল ক্লাউন, আল্ট্রা সিম্প আর স্ত্রী দেখিয়ে পয়সা কামানো পিওর দাইয়ুসরা আজ তাদের নীতি-নৈতিকতা শেখাচ্ছে। এরাও নাকি ইনফ্লুয়েন্সার!

১৮ বছরের আগে সতীত্ব হারালে, হারাম রিলেশন করলে, পার্কে, চিপা চাপায় টিনএজ ছেলে মেয়ে নস্টিফস্টি করলে, প্রতিদিন দেশের হসপিটালগুলোতে হিসাব বিহীন জারজ সন্তান এবোরশন করালে, এই দেশে ডাস্টবিনে নবজাতক পাওয়া গেলেও কোনো রা আওয়াজ দেবে না এরা।

মজার বিষয় হলো, এরাও নিজেকে মুসলিম দাবি করে। অথচ ঈমান ভঙ্গের তরতাজা কারণ পাওয়া যায়। সুস্পষ্ট দ্বীনের বিরুদ্ধাচারণ করার পরেও এরা সুশীল মুসলিম। আহা বাঙ্গু সেকু সমাজ! আল্লাহর লানত এদের উপর। ছোট্ট মেয়ে লুবাবা বাম পাড়ায় আগুন ঢেলেছে।

Photos from Ustaz Fazle Rabbi's post 19/03/2026

নীলনদের মাঝে ইফতার

আজহারের একঝাঁক তরুণ স্কলার ও বন্ধুদের সাথে নৌকায় ভাসতে ভাসতে নীলনদের মাঝে ইফতার। চারদিকে পানি, অক্সিজেনে ভরা মুক্ত বাতাস, আর ডুবন্ত সূর্যের নরম আলোর সাথে ইফতারের এমন অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে জীবনের স্মরণীয় মুহূর্ত।

দুপুরের পর আমরা নৌকা করে নদীর বুকে হারাই, কায়রো থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ক্বনাতির অঞ্চলে নীদনদের মাঝে। সফরসঙ্গী আজহারের মাস্টার্স শিক্ষার্থী প্রিয় আসিফ ভাই সাহস করে নদীতে গোছল করলেও আমার সুযোগ হল না। শুধু দেখলাম। জীবনে প্রথম নৌকা চালানোর অভিজ্ঞতা হলো। কিছু সময়ের জন্য নীলনদের মাঝি বনে গেলাম। মাঝনদীতে তখন আমরা কজন শুধু। আকাশে সন্ধ্যার রঙ বদলাচ্ছিল, আর আমরা অপেক্ষা করছিলাম মাগরিবের আজানের। আতা ভাইয়ের দক্ষ হাতের মজাদার বিরিয়ানীর সাথে নীলনদের মাঝেই আমরা ইফতার করলাম। নদীর বাতাসে বসে ইফতার করতে করতে মনে হচ্ছিল, আল্লাহ কত অগণিত নিয়ামত দুনিয়াজুড়ে। এক জীবনে কতটুকুই আর দেখা সম্ভব।

আলহামদুলিল্লাহ এমন একটি সন্ধ্যার জন্য, এমন কিছু প্রিয় মানুষের জন্য, আর এমন অসংখ্য নিয়ামতের জন্য।

اللهم لك الحمد كما ينبغي لجلال وجهك وعظيم سلطانك

18/03/2026

ইফতারের দস্তরখানা।

আল আজহার মসজিদ, ইসলামিক কায়রো, মিশর।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Dhaka
5740