তাওবাতান নাসুহা - Taubatan Nasuha
নিশ্চয়ই আল্লাহই আমার ও তোমাদের রব সুতরাং তাঁরই ইবাদত করো। এটাই সরল পথ। — (সূরা আলে-ইমরান, আয়াতঃ ৫১)
জনপদের অধিবাসীরা কি এতই নির্ভয় হয়ে গেছে যে, আমার আজাব রাতারাতি তাদের কাছে আসবে না, যখন তারা গভীর ঘুমে নিমগ্ন থাকবে?
সূরাতুল আরাফ, আয়াতঃ ৯৭
যেখানে ইবলিশের দোয়াও ফিরানো হয়নি!
তোমার গুনাহ যতই বেশি হোক..... চিন্তা যতই খারাপ হোক... কখনও আল্লাহর কাছে দোয়া করা বন্ধ কোরো না।
কারণ -
আল্লাহ ইবলিসের দো'আও কবুল করেছিলেন, যখন সে বলেছিলঃ "হে আমার রব! আমাকে পুনরুত্থানের দিন পর্যন্ত অবকাশ দিন।"
আল্লাহ বললেনঃ "তোমাকে অবকাশ দেওয়া হলো।"
- (সূরা হিজর: ৩৬-৩৮)
তাহলে তুমি কেন আশা হারাবে? তোমার দোয়া তো তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বান্দার দোয়া, ইবলিসের মতো অভিশপ্ত নয়!
27/05/2026
*প্রশ্নঃ ঈদুল আজহার সুন্নাহ কোনটি? সালাত আদায়ের পরে খাওয়া, নাকি খেয়ে গিয়ে সালাত আদায় করা? সুস্পষ্ট নিয়ম কী?*
উত্তরঃ উপরের প্রশ্নের কোনোটিই সুন্নাহ নয়। সুন্নাহ হলো যিনি কোরবানি করবেন তার জন্য। যিনি কোরবানি তার জন্য সুন্নাহ হলো-
না খেয়ে সেদিন ঈদের নামাজ পড়তে যাবেন। নামাজ থেকে ফিরে কোরবানির গোশত দিয়ে খাওয়া শুরু করবেন। এটা হলো সুন্নাহ।
ভালো করে মনে রাখবেন—এটা শুধু যিনি কোরবানি দেবেন তার জন্য। বাকিদের জন্য নয়।
*সূত্রঃ তিরমিজী ও ইবনে মাজাহ।*
25/05/2026
মহান আল্লাহ, আপনি আমাদের কুরবানীর সকল বিধান যথাযথভাবে পালন করে শুধুমাত্র আপনার সন্তুষ্টি অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।
25/05/2026
কোন দিন না ফেরার চেয়ে, দেরিতে বাড়ি ফেরা উত্তম।
সকলের ঈদ যাত্রা শুভ হউক।
*অগ্রিম ঈদ মোবারক।*
23/05/2026
কুরবানীর মাধ্যমে আল্লাহ দেখতে চান বান্দা তাঁর প্রতি কতটা অনুগত এবং কেবল তাঁকে খুশি করার জন্য এই ত্যাগ করছে কি না।
রক্ত প্রবাহিত করা বা মাংস খাওয়ার চেয়ে বড় বিষয় হলো অন্তরের নিয়ত। যদি কুরবানী কেবল লোকদেখানো বা উন্নত মানের মাংস খাওয়ার জন্য হয়, তবে তা আল্লাহর কাছে কবুল হওয়ার যোগ্যতা হারায়।
এটি মূলত হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সেই মহান ত্যাগের স্মৃতি বহন করে, যেখানে তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় পুত্রকে কুরবানী করতে প্রস্তুত হয়েছিলেন।
কুরবানীর মাংস গরীব-দুঃখী ও আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়ার বিধান রয়েছে, যা সমাজে সম্প্রীতি বাড়ায়।
তাই কুরবানী দেওয়ার সময় লোকদেখানো মানসিকতা পরিহার করে বিশুদ্ধ নিয়তে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
মহান আল্লাহ, আপনি আমাদের সহীহভাবে কুরবানী দেওয়ার তাওফিক দান করুন।
আমীন।
(ক্রমাগত কুফরী করার কারণে) আল্লাহ তাদের হৃদয় ও শ্রবণশক্তির ওপর মোহর মেরে দিয়েছেন, এদের দৃষ্টিশক্তির ওপরও এক ধরনের আবরণ পড়ে আছে এবং তাদের জন্যে (পরকালের) কষ্টদায়ক শাস্তি রয়েছে।
[সূরা আল-বাকারা, আয়াতঃ ৭]
Click here to claim your Sponsored Listing.