বটতলার স্কুল । BotTolar School

বটতলার স্কুল । BotTolar School It's never too late to learn.

ভাষা শেখার অ্যাপগুলো কি আসলেই কার্যকরবর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে নতুন একটি ভাষা শেখার জন্য আলাদা করে সময় বের করা বেশ কঠিন। ...
22/09/2026

ভাষা শেখার অ্যাপগুলো কি আসলেই কার্যকর

বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে নতুন একটি ভাষা শেখার জন্য আলাদা করে সময় বের করা বেশ কঠিন। তাই অনেকেই এখন স্মার্টফোনের বিভিন্ন ভাষা শেখার অ্যাপের ওপর ভরসা করছেন। বাসে, ট্রেনে বা অবসরের ফাঁকে প্রতিদিন কিছুটা সময় ব্যয় করে নতুন ভাষা আয়ত্ত করার এই পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। হয়তো আপনার স্মার্টফোনেও এমন কোনো অ্যাপ রয়েছে, যা প্রতিদিন নিয়ম করে আপনাকে ভাষা শেখার কথা মনে করিয়ে দেয়। গত পাঁচ মাস ধরে আমিও এমন একটি অ্যাপের সাহায্য নিচ্ছি। প্রতিদিন নিয়ম করে নির্দিষ্ট পাঠ বা লেসন শেষ করার এক অদ্ভুত তাড়না কাজ করে। কয়েক মাস এভাবে যাওয়ার পর একদিন হঠাৎ রাস্তায় দুজন জার্মান নাগরিকের কথোপকথন শুনে চমকে উঠলাম—আরে, আমি তো তাঁদের কথার টুকটাক বুঝতে পারছি! কিন্তু পরক্ষণেই একটি প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খেতে শুরু করল। এভাবে শুধু অ্যাপের ওপর ভরসা করে কি সত্যিই কোনো ভাষায় অনর্গল কথা বলা সম্ভব? নাকি এটি নিছকই একটি গেমের নেশা? চলুন, বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে এর আসল উত্তরটা খুঁজে বের করা যাক।

ভাষা শেখার অ্যাপগুলো কীসে ভালো
ডুওলিঙ্গো বা ব্যাবেলের মতো অ্যাপগুলো একটি বিশাল ভাষাকে ছোট ছোট, গেমের মতো লেসনে ভেঙে ফেলে। যুক্তরাষ্ট্রের নর্দান অ্যারিজোনা ইউনিভার্সিটির ফলিত ভাষাবিজ্ঞানের অধ্যাপক লুক প্লনস্কির মতে, এগুলোর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এরা অডিও, টেক্সট ও ভিজ্যুয়ালের এক দারুণ মিশেল তৈরি করে। ফলে নতুন একটি শব্দ দেখতে কেমন, শুনতে কেমন এবং এর মানে কী, তা সহজেই আপনার মাথায় গেঁথে যায়।

এ ছাড়া অ্যাপগুলো বিরতি দিয়ে অনুশীলনের সুযোগ করে দেয়। ধরুন, আপনি টানা ৩০ মিনিট ধরে কিছু শব্দ মুখস্থ করলেন। তার চেয়ে যদি ওই ৩০ মিনিটকে ১০ মিনিট করে তিন দিনে ভাগ করে নেন, তবে শব্দগুলো বেশি দিন মনে থাকবে।

অ্যাপগুলো ঠিক এই কাজটাই করায়। ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার হিস্পানিক ভাষাবিজ্ঞানের অধ্যাপক জিলিয়ান লর্ডের মতে, ছোট ছোট বাক্য আর শব্দভান্ডার শেখার ক্ষেত্রে অ্যাপগুলো সত্যিই দারুণ কাজ করে।

এগুলোর মানসিক বা ইমোশনাল আবেদনও কিন্তু সাংঘাতিক! ডুওলিঙ্গোর ক্যারেক্টার লিলির সেই ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য কিংবা এক্সপি ও স্ট্রিক বাঁচিয়ে রাখার তাগিদ; এগুলো আপনাকে অনেকটা গেমের নেশায় আটকে রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ইউনিভার্সিটির ড্যানিয়েল ইজবেলের মতে, ভাষা শেখাটা কোনো স্প্রিন্ট বা স্বল্প দূরত্বের দৌড় নয়, বরং এটি একটি ম্যারাথন। এই অ্যাপগুলো সেই লম্বা দৌড়ে টিকে থাকতে প্রতিদিন আপনাকে তাগিদ দেয়।

অ্যাপগুলো ঠিক কোথায় হোঁচট খায়
এত সব ভালো কথার পর একটি দুঃসংবাদ দিই। শুধু অ্যাপ দিয়ে আপনি কখনোই বাস্তব জীবনের আড্ডায় বাজিমাত করতে পারবেন না।

ড. জিলিয়ান লর্ড বলছেন, ‘অ্যাপে হয়তো আপনাকে একটি শব্দ উচ্চারণ করতে বা নির্দিষ্ট উত্তর দিতে বলা হয়। কিন্তু বাস্তব জীবনের কথোপকথন তো আর কোনো স্ক্রিপ্ট বা পূর্বনির্ধারিত পাণ্ডুলিপি মেনে চলে না!’ মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় তাৎক্ষণিক অর্থ বোঝা, ভুল-বোঝাবুঝি সামলানো এবং অন্যের কথার ধরনে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার মতো জটিল কাজ অ্যাপ দিয়ে শেখা যায় না। ড. ইজবেলের ভাষায়, অ্যাপ আপনাকে হয়তো সাবওয়ের সাইনবোর্ড পড়া বা রাস্তা চেনার মতো মৌলিক বিষয়গুলো শিখিয়ে দেবে, কিন্তু স্কুল বা অফিসে সাবলীলভাবে কথা বলার জন্য তা মোটেও যথেষ্ট নয়।

আরও কিছু বড় সমস্যা রয়েছে। অ্যাপগুলো ব্যাকরণের কঠিন নিয়মগুলো এড়িয়ে চলে, অথচ বয়স্করা অনেক সময় বাক্যের গঠনটা নিখুঁতভাবে বুঝতে চান। ভাষার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বিশাল সংস্কৃতিকে অ্যাপগুলো শুধু কয়েকটা উৎসব বা পর্যটন তথ্যের মধ্যে আটকে ফেলে। এ ছাড়া ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, ৬৪ শতাংশ মানুষ মাত্র চার মাস পরেই অ্যাপটি ব্যবহার করা ছেড়ে দেন! অর্থাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনি যে এক হাজার দিনের স্ট্রিক দেখেন, তার বিপরীতে হাজার হাজার মানুষ এক মাসেই হাল ছেড়ে দেন। কারণ, এখানে অফলাইন ক্লাসের মতো মানুষের কোনো সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকে না।

বিশেষজ্ঞদের টিপস
তাহলে এখন উপায় কী? অ্যাপ কি আনইনস্টল বা ডিলিট করে দেবেন? একদমই না! ড. প্লনস্কি বলছেন, ‘অবশ্যই অ্যাপ ব্যবহার করুন। শুরুতে ভাষাটির সঙ্গে পরিচিত হতে এর চেয়ে মজার উপায় আর নেই।’ তবে ড. লর্ডের পরামর্শ হলো, এর পাশাপাশি আপনাকে বাস্তব দুনিয়ায় নামতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি সরাসরি কোনো ক্লাসে ভর্তি হয়ে যান, যেখানে আসল মানুষের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ থাকে।

আর হ্যাঁ, যে ভাষাটি শিখছেন, সেই ভাষার মুভি, টিভি শো, পডকাস্ট বা গান শোনার অভ্যাস করুন। যেমন, আপনি যদি কোরিয়ান শিখতে চান, তবে ডুওলিঙ্গোর পাশাপাশি কে-ড্রামা দেখতে পারেন! শুধু সাবটাইটেল পড়ার চেয়ে তাঁদের কথা শোনার দিকে বেশি মনোযোগ দিন।

তো আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? আমি ঠিক করেছি, নিয়মিত অধ্যবসায় ধরে রাখতে আমার অ্যাপের ‘স্ট্রিক’ আমি ঠিকই বাঁচিয়ে রাখব। কিন্তু সেই সঙ্গে বাস্তব মানুষের সঙ্গে আড্ডা দিতে একটি অফলাইন ক্লাসেও ভর্তি হয়ে যাব। সেখানেই হবে আমার আসল পরীক্ষা!

সূত্র: পপুলার সায়েন্স
- শিউলী সুলতানা / bigganchinta
ছবি: গেটি ইমেজ

#ভাষা_শেখার_অ্যাপ

শিশুর অবস্থান জানতে কোন ধরনের জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহার করতে পারেন, জানুন বিস্তারিতশিশু বাইরে থাকলে সে ঠিক কোথায় আছে, তা ...
22/09/2026

শিশুর অবস্থান জানতে কোন ধরনের জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহার করতে পারেন, জানুন বিস্তারিত

শিশু বাইরে থাকলে সে ঠিক কোথায় আছে, তা জানা থাকলে অভিভাবকের দুশ্চিন্তা কিছুটা কমতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ঘটনায় এই উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুর অবস্থান সম্পর্কে ধারণা রাখতে ছোট জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে শিশুদের জন্য ট্র্যাকার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শুধু প্রযুক্তি বা দাম দেখলেই হবে না। ডিভাইসটি ছোট, সহজে বহনযোগ্য এবং যতটা সম্ভব চোখের আড়ালে রাখা যায় কি না, এসবও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, শিশুর হাতে নজরকাড়া স্মার্টওয়াচ থাকলে সেটি নিরাপত্তার বদলে বাড়তি ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে। কীভাবে কাজ করে এসব ট্র্যাকার, কী সুবিধা দেয়, বাংলাদেশে কোন ধরনের ট্র্যাকার পাওয়া যায় এবং কেনার আগে কোন বিষয়গুলো খেয়াল করবেন, জেনে নিন।

জিপিএস ট্র্যাকারের সুবিধা
জিপিএস ট্র্যাকার মূলত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করে তা নির্দিষ্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিভাবকের ফোন বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাঠায়।

এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, শিশু বাইরে থাকার সময় তার সর্বশেষ অবস্থান জানা যায়। কোনো কারণে নির্ধারিত জায়গা থেকে দূরে চলে গেলে জিওফেন্স বা নির্দিষ্ট এলাকার সীমানা অতিক্রমের সতর্কবার্তাও কিছু ট্র্যাকার দিতে পারে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো লোকেশন হিস্ট্রি। অনেক ডিভাইস আগের অবস্থানগুলো সংরক্ষণ করে। ফলে শিশুটি কোন পথ দিয়ে কোথায় গেছে, তার একটি ধারণা পাওয়া যায়।

কিছু ট্র্যাকারে আবার এসওএস বাটনও থাকে। শিশু বিপদে পড়লে বাটন চেপে অভিভাবকের কাছে সতর্কবার্তা বা কল পাঠাতে পারে।

তবে জিপিএস ট্র্যাকারকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। এটি কেবল শিশুর অবস্থান সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিতে পারে। ডিভাইসের ব্যাটারি শেষ হয়ে যেতে পারে, নেটওয়ার্ক না-ও থাকতে পারে, আবার শিশুর কাছ থেকে ট্র্যাকার খুলেও ফেলা হতে পারে।

জিপিএস ট্র্যাকার কীভাবে কাজ করে?
অনেকে মনে করেন, জিপিএস স্যাটেলাইট সরাসরি কোনো ব্যক্তিকে অনুসরণ করে। আদতে বিষয়টি তা নয়।

জিপিএস স্যাটেলাইট পৃথিবীর দিকে বেতার সংকেত পাঠায়। ট্র্যাকার সেই সংকেত গ্রহণ করে নিজের অবস্থান হিসাব করে। জিপিএস স্যাটেলাইট নিজে মাটিতে থাকা কোনো ফোন বা ট্র্যাকারকে অনুসরণ করে না।

এরপর ট্র্যাকারকে অন্য একটি উপায়ে সেই অবস্থান অভিভাবকের কাছে পাঠাতে হয়। শিশুদের জন্য ব্যবহৃত ফোর-জি জিপিএস ট্র্যাকারগুলো সাধারণত এ কাজের জন্য মোবাইল নেটওয়ার্ক ও সিম ব্যবহার করে।

সহজ করে বললে—

তাই শুধু ‘জিপিএস আছে’ দেখলেই হবে না। ট্র্যাকারটি কোন মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, ফোর-জি সমর্থন করে কি না, অ্যাপ কেমন, লোকেশন কত ঘন ঘন আপডেট করে এবং ব্যাটারি কতক্ষণ চলে—এসবও দেখতে হবে।

লোকেশন নির্ভুলতাও সব জায়গায় একই নয়। খোলা আকাশের নিচে জিপিএস ভালো কাজ করলেও ভবন, গাছপালা, দেয়াল কিংবা ঘরের ভেতরে সংকেত বাধাগ্রস্ত হতে পারে। জিপিএস ডটগভের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ স্মার্টফোন খোলা আকাশে প্রায় ৪ দশমিক ৯ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে অবস্থান দেখাতে পারে; ভবন বা অন্য বাধার কাছে নির্ভুলতা কমে যেতে পারে।

দেশের বাজারে কী ধরনের জিপিএস ট্র্যাকার পাওয়া যায়
বাংলাদেশের বাজারে শিশু, ব্যক্তি, গাড়ি বা পোষা প্রাণীর জন্য ব্যবহার করা যায়, এমন বিভিন্ন ধরনের ট্র্যাকার পাওয়া যায়। তবে সব ডিভাইস শিশুদের জন্য সমান উপযোগী নয়। বিশেষ করে গাড়ির ট্র্যাকার অনেক সময় গাড়ির ব্যাটারি বা স্থায়ী বিদ্যুৎ–সংযোগের জন্য তৈরি; এসব শিশুর জন্য কেনার আগে ব্যাটারি ও আকার যাচাই করা জরুরি। আর এখানে দরদামের একটি সম্ভাব্য ধারণা দেওয়া হলো, কমবেশি হতে পারে।

ছোট, বহনযোগ্য ট্র্যাকার
জিএফ-২১

ছোট ট্র্যাকারটি বাংলাদেশে ৩ হাজার ৩০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এর আকার প্রায় ২.৫ × ৩.৫ × ১.৫ সেন্টিমিটার এবং ওজন ২০ গ্রাম। এতে জিপিএস, এজিপিএস, ওয়াই–ফাই, এলবিএস পজিশনিং, জিওফেন্স, লোকেশন হিস্ট্রি এবং এসওএসের মতো সুবিধার কথা বলা হয়েছে। তবে একই তালিকায় জিপিএস অ্যাকুরেসি ৫০-৫০০ মিটার পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাটারি ৪৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ার (এমএএইচ) এবং ব্যাটারি লাইফ দাবি করা হয়েছে ২-৩ দিনের।

এ ধরনের ডিভাইসের আকারে ছোট। শিশুর ব্যাগ, পোশাকের ভেতরের নির্দিষ্ট অংশ বা অন্য কোনো নিরাপদ জায়গায় রাখা তুলনামূলক সহজ। তবে কেনার আগে অ্যাপ, নেটওয়ার্ক সমর্থন, প্রকৃত ব্যাটারি ব্যাকআপ ও লোকেশন আপডেটের মান পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।

সাইনোট্র্যাক এসটি-৯০৩

এর দাম ৩ হাজার ৪৫০ টাকা। তালিকাভুক্ত তথ্য অনুযায়ী, এতে ১ হাজার ৫০ এমএএইচ ব্যাটারি, জিওফেন্স, রিয়্যাল-টাইম ট্র্যাকিং এবং আইপি৬৭ ওয়াটারপ্রুফ রেটিং আছে। ব্যাটারি ২০ ঘণ্টার মতো কাজ করে এবং ৭-১০ দিন পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই থাকার দাবি করা হয়েছে।

ডিভাইসটি ছোট এবং লুকিয়ে রাখা যায়, এ কারণে শিশুর জন্য বিবেচনা করতে পারেন। তবে এটি মূলত ব্যক্তিগত ও যানবাহন—দুই ধরনের ট্র্যাকিংয়ের জন্য বাজারজাত করা হয়। তাই শিশুর জন্য কেনার আগে ডিভাইসটির আকার, বহনের পদ্ধতি এবং অ্যাপের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা উচিত।

সাইনোট্র্যাক এসটি-৯১৫

এর দাম দেখাচ্ছে ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা। এতে ১০ হাজার এমএএইচ ব্যাটারি, জিপিএস/এজিপিএস/এলবিএস পজিশনিং, জিওফেন্স, রুট হিস্ট্রি এবং ওয়াটারপ্রুফিংয়ের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া বলা হয়েছে, ব্যাটারি ৭ দিন কাজ করবে, মুভ মোডে ৩০ দিন এবং স্ট্যান্ডবাইয়ে ১২০ দিন সেবা দেবে।

তবে এর ওজন প্রায় ২০০ গ্রাম এবং আকার ৭ × ৮ × ২ সেন্টিমিটার। ফলে এটি শিশুর শরীরে লুকিয়ে রাখার জন্য ছোট ট্র্যাকারগুলোর মতো সুবিধাজনক নয়। মূলত গাড়ি ও মোটরসাইকেলসহ যানবাহনের জন্য তৈরি হওয়ায় শিশুর ব্যবহারে আকারটাই বড় সীমাবদ্ধতা।

ইজিট্র্যাক্স পিএল২০০ কিডস ট্র্যাকার

বাংলাদেশে সরাসরি শিশুদের জন্য বাজারজাত করা একটি ডিভাইস ইজিট্র্যাক্স পিএল২০০। এর দাম ৮ হাজার টাকা। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, এতে ফোর-জি এলটিই, টু-জি ফলব্যাক, জিপিএস/বিডিএস, জিএলওএনএএসএস, এসএএস, দুইমুখী কল, লাইভ ম্যাপ এবং ৯০ দিনের লোকেশন হিস্ট্রি সুবিধা আছে। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অ্যাপ এবং ওয়েব ড্যাশবোর্ডও দেওয়া হয়। কোম্পানি এক বছরের ওয়্যারেন্টি দেয় এবং ডিভাইসটি বিটিআরসি অনুমোদিত বলে উল্লেখ করেছে।

এ ধরনের ট্র্যাকারের সুবিধা হলো, এর পুরো সিস্টেমই শিশু বা ব্যক্তিগত ট্র্যাকিং মাথায় রেখে তৈরি। তবে দাম তুলনামূলক বেশি। আর কোনো ডিভাইস কেনার আগে বিটিআরসি অনুমোদন, সিম ও ডেটা খরচ, অ্যাপের কার্যকারিতা এবং সেবা চালু রাখতে অতিরিক্ত মাসিক বা বার্ষিক খরচ আছে কি না, এসব পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত।

স্মার্টওয়াচের ভেতরের ট্র্যাকার

হোকো ওয়াই১০৮ -এর মতো ফোর-জি কিডস স্মার্টওয়াচে জিপিএস, এলবিএস ও ওয়াইফাই পজিশনিং, এসওএস কল, সিম কলিং এবং আইপিএক্স৭ ওয়াটারপ্রুফিং সুবিধা আছে। বর্তমানে এর দাম ৩ হাজার ৯৯০ টাকা। ৭৩০ এমএএইচ ব্যাটারির কাজ করে ১-২ দিন।

সতর্কতা

কেনার সময় শুধু দাম দেখবেন না
বাংলাদেশের বাজারে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যেও কিছু ‘জিপিএস ট্র্যাকার’ দেখা যায়। আবার ৩ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকার ডিভাইসও আছে।

কিন্তু কম দামের প্রতিটি ডিভাইস যে একই মানের লোকেশন দিতে পারবে, এমন নয়। কিছু ডিভাইসের নামের মধ্যে জিপিএস থাকলেও বাস্তবে জিপিএস, এলবিএস, ওয়াইফাই পজিশনিং—সব একসঙ্গে ব্যবহার করে। আবার কিছু পণ্য মূলত গাড়ির জন্য তৈরি।

শিশুর জন্য কেনার ক্ষেত্রে তাই এসব বিষয় আগে দেখুন—

ফোর-জি বা বর্তমান মোবাইল নেটওয়ার্ক সমর্থন করে কি না

জিপিএসের পাশাপাশি অন্য পজিশনিং ব্যবস্থা আছে কি না

ব্যাটারি বাস্তবে কতক্ষণ চলে

লোকেশন কত ঘন ঘন আপডেট হয়

লোকেশন হিস্ট্রি রাখা যায় কি না

জিওফেন্স অ্যালার্ট আছে কি না

এসওএস বোতাম আছে কি না

ডিভাইসটি কত ছোট ও হালকা

পানি ও ঘাম থেকে সুরক্ষা আছে কি না

কোন অ্যাপ ব্যবহার করতে হয় এবং সেটি নিয়মিত আপডেট হয় কি না

সিম ও ডেটা ব্যবহারে আলাদা খরচ আছে কি না

ডিভাইসটি বাংলাদেশে বৈধভাবে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেয়েছে কি না

জিপিএস ট্র্যাকার ছাড়াও কি প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায়?
হ্যাঁ। তবে কোন প্রযুক্তি কী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি বোঝা জরুরি।

ব্লুটুথ ট্র্যাকার

এয়ারট্যাগ বা অ্যান্ড্রয়েডের ফাইন্ড হাব–সমর্থিত ট্র্যাকারের মতো ডিভাইস খুব ছোট এবং ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এয়ারট্যাগ নিজে মোবাইল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় না; এটি ব্লুটুথ সংকেত পাঠায়, আশপাশের অ্যাপল ডিভাইস সেই সংকেত শনাক্ত করলে লোকেশন ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্কে পাঠাতে পারে। অ্যাপল বলছে, ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্কে এক বিলিয়নের বেশি অ্যাপল ডিভাইস যুক্ত আছে।

অ্যান্ড্রয়েডের ফাইন্ড হাব ও ব্লুটুথ ট্র্যাকার ট্যাগের অবস্থান আশপাশের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে খুঁজে পেতে পারে।

তবে শিশুর জন্য এটিকে ফোর-জি জিপিএস ট্র্যাকারের সরাসরি বিকল্প ভাবা ঠিক হবে না। কারণ, এটি সাধারণত নিজে থেকে নিয়মিত জিপিএস লোকেশন পাঠায় না। আশপাশে উপযুক্ত ডিভাইস থাকা এবং নেটওয়ার্কে সেই তথ্য পৌঁছানোর ওপর নির্ভর করে। গুগল নিজেও ট্র্যাকার ট্যাগকে মূলত চাবি, লাগেজ, বাইক ইত্যাদি জিনিস খুঁজে পাওয়ার উপযোগী পণ্য বলে।

স্মার্টফোন

বড় শিশুদের ক্ষেত্রে নিজের ফোনই একটি লোকেশন শেয়ারিং ডিভাইস হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে ফোনের ব্যাটারি শেষ হয়ে যাওয়া, ফোন হারানো বা বন্ধ করে রাখা—এসব সমস্যা আছে। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে আবার হাতে ফোন তুলে দেওয়া সব সময় বাস্তবসম্মত নয়।

জিওফেন্সিং

এটি আলাদা কোনো হার্ডওয়্যার নয়; জিপিএস ট্র্যাকার বা ফোনের ওপর চালানো একটি সফটওয়্যার ফিচার। অভিভাবক নির্দিষ্ট একটি এলাকা, যেমন স্কুল বা বাসা, নির্ধারণ করে দিতে পারেন। শিশু সেই এলাকার বাইরে গেলে অ্যালার্ট আসতে পারে।

স্কুল বা পরিবারের নিজস্ব নিরাপত্তাব্যবস্থা

প্রযুক্তির পাশাপাশি স্কুলে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় পরিচয় যাচাই, অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া শিশুকে অন্য কারও সঙ্গে না পাঠানো, নিরাপদ পিক-আপ ব্যবস্থা, সিসিটিভি এবং জরুরি যোগাযোগের ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ট্র্যাকার এসব ব্যবস্থার বিকল্প নয়।

ট্র্যাকার কোথায় রাখা হবে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ

শিশুর নিরাপত্তার জন্য ট্র্যাকার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া যায়—ডিভাইসটি যেন যতটা সম্ভব চোখের আড়ালে থাকে।

হাতে বড় ও আকর্ষণীয় স্মার্টওয়াচ পরিয়ে দিলে শিশুর সঙ্গে একটি মূল্যবান ডিভাইসও দৃশ্যমান হয়ে যায়। বরং ছোট, হালকা এবং স্বাভাবিক পোশাক বা ব্যবহারের সঙ্গে মিশে যায়, এমন ডিভাইস বিবেচনা করা যেতে পারে।

তবে ট্র্যাকার এমন জায়গায় রাখা উচিত নয়, যেখানে তা শিশুর শরীরে আঘাত করতে পারে, শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বা সহজে হারিয়ে যেতে পারে।

শিশুকে জানিয়ে রাখা ভালো যে তার সঙ্গে একটি নিরাপত্তা ডিভাইস আছে এবং সেটি কীভাবে ব্যবহার করতে হবে। নিরাপত্তার নামে শিশুর কাছেও বিষয়টি পুরোপুরি গোপন রাখা প্রয়োজন নেই।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা
জিপিএস ট্র্যাকার শিশুকে নিরাপদ রাখার জাদুকরি কোনো যন্ত্র নয়। এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর।

ডিভাইসটি কাজ করবে তখনই, যখন এর ব্যাটারি আছে, নেটওয়ার্ক আছে, অবস্থান নির্ণয় করতে পারছে এবং সেই তথ্য নিরাপদভাবে অভিভাবকের কাছে পৌঁছাচ্ছে। ঘরের ভেতর বা উঁচু ভবনের এলাকায় অবস্থান নির্ভুলতাও কমতে পারে।

তাই শিশুর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো একাধিক স্তরের ব্যবস্থা রাখা—শিশুকে প্রয়োজনীয় সচেতনতা শেখানো, নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা, জরুরি যোগাযোগের ব্যবস্থা রাখা এবং প্রয়োজন হলে একটি ছোট, নির্ভরযোগ্য ট্র্যাকার ব্যবহার করা।

ট্র্যাকার থাকলে অন্তত একটি প্রশ্নের উত্তর দ্রুত পাওয়া যেতে পারে, ‘আমার সন্তানকে শেষ কোথায় দেখা গেছে?’

নিখোঁজ হওয়ার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে এই তথ্যটুকুও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সূত্র: জিপিএস ডটগভ, অ্যাপল, ইজিট্র্যাক্স বাংলাদেশ, হোকো বাংলাদেশ ও বিডিস্টল
Collected from: Prothom Alo
ছবি: এআই/প্রথম আলো, গ্রাফিকস: প্রথম আলো

#শিশুর_অবস্থান_জানতে #জিপিএস_ট্র্যাকার

ষষ্ঠ থেকে স্নাতকের শিক্ষার্থীরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদান, যেভাবে আবেদনদুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অসচ্ছল ও মেধাবী শিক...
22/09/2026

ষষ্ঠ থেকে স্নাতকের শিক্ষার্থীরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদান, যেভাবে আবেদন

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন চিকিৎসা অনুদান দেয় সরকার। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে দেওয়া এ অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা চিকিৎসা অনুদান হিসেবে এককালীন ১০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের এ–সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ৩১ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

যেভাবে আবেদন করতে হবে

চিকিৎসা অনুদান পেতে শিক্ষার্থীকে এই লিংকে (https://www.eservice.pmeat.gov.bd/medical/) প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে দুর্ঘটনার প্রমাণ হিসেবে জেলা সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার প্রত্যয়নকৃত গুরুতর আহতের চিকিৎসা সনদ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-সংক্রান্ত রিপোর্ট এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র আপলোড করতে হবে।

অনুদানপ্রাপ্তির সময়সীমা

আবেদন জমা দেওয়ার তিন থেকে চার মাসের মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে অনুদানের অর্থ পাঠানো হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হবে।

আবেদনের শর্তাবলি

দুর্ঘটনা ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময়কাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছর বা সর্বোচ্চ এক বছরের ব্যবধানের মধ্যে হতে হবে। চিকিৎসা মেয়াদে একজন শিক্ষার্থী কেবল একবারই আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষার্থীকে পূর্বের শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। অথবা এসএসসি ও এইচএসসি (বা সমমান) পর্যায়ে জিপিএ ৫-এর মধ্যে ন্যূনতম ৩ দশমিক ৫০ এবং স্নাতক পর্যায়ে জিপিএ ৪-এর মধ্যে ৩ প্রাপ্তির কপি আপলোড করতে হবে।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অভিভাবকের বার্ষিক আয় দুই লাখ টাকার কম হতে হবে। তবে সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তানেরা অফিস প্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

দুর্ঘটনার প্রমাণস্বরূপ জেলা পর্যায়ের সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্তৃক ‘গুরুতর আহত’ মর্মে প্রত্যয়নকৃত চিকিৎসা সনদের স্পষ্ট কপি আপলোড করতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

অনলাইনে আবেদনের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র, জন্মনিবন্ধন সনদ, মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষার্থীর ছবি, স্বাক্ষর এবং শিক্ষার্থী বা তার মা-বাবার সচল অনলাইন ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হবে। ব্যাংক হিসাবের প্রমাণ হিসেবে চেকের পাতা বা ব্যাংক স্টেটমেন্টও আপলোড করতে হবে।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত নির্দেশনা

শিক্ষার্থী অথবা তাঁর মা-বাবার নামের নিজস্ব অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নম্বর ও সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। প্রমাণ হিসেবে চেকের পাতা বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট আপলোড করা বাধ্যতামূলক। তবে মা-বাবার অনুপস্থিতিতে বৈধ অভিভাবকের ব্যাংক হিসাব বিবেচনা করা হবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল অ্যাকাউন্টের কারণে টাকা বাউন্সড (ফেরত) হলে ট্রাস্ট আর পুনরায় টাকা পাঠাবে না।

কোনো শিক্ষার্থী আবেদনকালে তালিকায় নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম না পেলে প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে ইআইআইএন নম্বর উল্লেখ করে ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে আবেদন পাঠাতে হবে। এই আবেদন ডাকযোগে অথবা [email protected] ই-মেইলে পাঠানো যাবে।

লেখা: রাশেদুল আলম রাসেল, ঢাকা

Ref: Prothom Alo
Image: এআই/প্রথম আলো

#শিক্ষার্থীরা_চিকিৎসা_অনুদান_পাবেন #চিকিৎসা_অনুদান #অসচ্ছল_ও_মেধাবী_শিক্ষার্থী

21/09/2026

Water Vehicle at BuriGonga River | Episode – 35

রফরফ-২
ঢাকা-চাঁদপুর-ঢাকা
A Launch at Buriganga River in Bangladesh.

আইইএলটিএসে ৯-এ ৯ পেয়েছেন রাইসা, পড়ুন তাঁর পরামর্শঢাকা বিশ্ববিদ‍্যালয়ের ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্রী ছিলেন রাইসা শাম্মা...
21/09/2026

আইইএলটিএসে ৯-এ ৯ পেয়েছেন রাইসা, পড়ুন তাঁর পরামর্শ

ঢাকা বিশ্ববিদ‍্যালয়ের ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্রী ছিলেন রাইসা শাম্মা। এখন পড়ছেন ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোতে। আইইএলটিএসে ৯-এর মধ‍্যে ৯-ই পেয়েছেন তিনি। পড়ুন তাঁর অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ।

আইইএলটিএস পরীক্ষায় ৯–এ ৯ পাওয়া আমার জন্য শুধু একটি ভালো ফল নয়; বরং ছোটবেলা থেকে তৈরি হওয়া কিছু অভ্যাসের ফল। অনেকে হয়তো অবাক হবেন, পরীক্ষার আগে আমি খুব বেশি সময় নিয়ে প্রস্তুতি নিতে পারিনি। কিন্তু আমার বিশ্বাস, কোনো দক্ষতা এক দিনে তৈরি হয় না। ইংরেজি ভাষার সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ, নিয়মিত পড়ার অভ্যাস, ইংরেজি কনটেন্ট দেখা এবং শেখার আগ্রহ আমাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগে পড়েছি। এখন পড়ছি ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোর মাস্টার অব ম্যানেজমেন্ট অ্যানালিটিকস বিভাগে। উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত জীবনের প্রয়োজনে আমি আইইএলটিএস পরীক্ষা দিয়েছিলাম।

আমি সব সময় মনে করি, আইইএলটিএসের জন্য শুধু শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়। পরীক্ষার কৌশল জানা দরকার, তবে তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন ভাষার সঙ্গে নিয়মিত সম্পর্ক তৈরি করা। লিসেনিং, রিডিং, রাইটিং ও স্পিকিং—প্রতিটি অংশেই ভালো করার জন্য আলাদা কিছু কৌশল আছে। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সেগুলোই ছোট করে বলি।

লিসেনিং
ইংরেজি ‘লিসেনিং’ বা শোনার দক্ষতা বাড়ানোর পেছনে আমার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে ইংরেজি শোনার অভ্যাস। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন ইংরেজি অনুষ্ঠান, খবর, সিনেমা ও অন্যান্য কনটেন্ট দেখতাম। শুরুতে সবকিছু বুঝতে পারতাম না। বিশেষ করে বিভিন্ন দেশের উচ্চারণ বুঝতে কিছুটা কঠিন লাগত। ধীরে ধীরে অভ্যাস তৈরি করি। প্রথমে সাবটাইটেল দিয়ে দেখতাম, পরে চেষ্টা করতাম সাবটাইটেল ছাড়া বুঝতে। এভাবে কান ইংরেজি ভাষার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যায়। আমার মনে হয়, লিসেনিং শেখার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়মিত শোনা। যাঁরা ইংরেজি শেখা শুরু করছেন, তাঁরা সহজ কনটেন্ট দিয়ে শুরু করতে পারেন। অ্যানিমেটেড সিনেমা, সহজ গল্প, পডকাস্ট বা সংবাদ শোনা যেতে পারে। শুরুতে সব শব্দ বুঝতে না পারলেও সমস্যা নেই। নিয়মিত শুনলে ধীরে ধীরে শব্দ, উচ্চারণ ও বাক্যের ধরন বোঝা সহজ হয়। আইইএলটিএসের লিসেনিং অংশে শুধু ইংরেজি বোঝার ক্ষমতা থাকলেই হবে না, পরীক্ষার ধরন সম্পর্কেও ধারণা থাকতে হবে। অনেক সময় পরীক্ষায় এমন কিছু তথ্য থাকে, যা মনোযোগ নষ্ট করতে পারে। যেমন কোনো নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বরের ক্ষেত্রে ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে। তাই মক টেস্ট দেওয়া এবং কী ধরনের প্রশ্ন আসে, তা আগে থেকে বোঝা খুব জরুরি।

রিডিং
আমার ইংরেজি রিডিং বা পড়ার দক্ষতা তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বই পড়ার অভ্যাস। ছোটবেলা থেকে বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষার বই-ই পড়তাম। ধীরে ধীরে সহজ বই থেকে কঠিন বইয়ের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। আমার কাছে ভোকাবুলারি (শব্দভান্ডার) বাড়ানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দকে বাস্তব ব্যবহারের মধ্যে দেখা। শুধু একটি শব্দের অর্থ মুখস্থ করলে সেটা বেশি দিন মনে থাকে না। কিন্তু একটি বাক্যে বা গল্পে শব্দটি কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তা বুঝলে সহজে মনে থাকে। অনেকে আইইএলটিএসের আগে অনেক শব্দ মুখস্থ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা হলো, দীর্ঘদিনের রিডিংয়ের অভ্যাস থাকলে ভোকাবুলারি স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে। রিডিং পরীক্ষায় আমার কৌশল ছিল, প্রথমে পুরো প্যাসেজ পড়ে এর মূল বিষয় বোঝা। এরপর গুরুত্বপূর্ণ শব্দ, নাম, সংখ্যা বা বিশেষ তথ্য চিহ্নিত করা। বারবার পুরো প্যাসেজ পড়লে সময় নষ্ট হয়; বরং প্রথমে একটি ধারণা তৈরি করে পরে প্রশ্ন অনুযায়ী উত্তর খুঁজলে সময় বাঁচে। আমি মনে করি, রিডিং শুধু আইইএলটিএসের জন্য প্রয়োজনীয় নয়; এটি আমাদের চিন্তাভাবনা, বিশ্লেষণক্ষমতা এবং নিজের ভাবনা প্রকাশ করার দক্ষতাও বাড়ায়।

রাইটিং
আইইএলটিএসের রাইটিং অংশ অনেকের কাছেই কঠিন মনে হয়। কারণ, এখানে শুধু ইংরেজি জানা যথেষ্ট নয়; নিজের চিন্তাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে প্রকাশ করতে হয়। আমার ক্ষেত্রে ছোটবেলা থেকে লেখার অভ্যাস অনেক সাহায্য করেছে। কোনো কিছু পড়ে তার সারাংশ লেখা, নতুন শব্দ লিখে রাখা এবং নিজের চিন্তা লিখে রাখার অভ্যাস ছিল। এমন ছোট ছোট চর্চাই পরে বড় কাজে এসেছে। রাইটিং ভালো করার জন্য প্রথমে গ্রামারের ভিত্তি ভালো করতে হবে। বিশেষ করে সেনটেন্স স্ট্রাকচার, টেন্স এবং সাবজেক্ট ভার্ব অ্যাগ্রিমেন্টের মতো বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে জানতে হবে। অনেকে মনে করেন, কঠিন শব্দ ব্যবহার করলেই ভালো লেখা হয়। আসলে বিষয়টি এমন নয়। পরিষ্কার, যুক্তিসংগত ও সুন্দরভাবে সাজানো লেখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আইইএলটিএস রাইটিংয়ে কমপ্লেক্স সেনটেন্স তৈরি করার দক্ষতা দরকার। কয়েকটা ছোট বাক্য আলাদা আলাদা না লিখে কীভাবে একই ভাবকে সুন্দরভাবে একসঙ্গে প্রকাশ করা যায়, সেটা শিখতে হবে। রাইটিং টাস্কে শুধু তথ্য লিখলেই হবে না, তথ্যের অর্থও বুঝিয়ে বলতে হবে। কোনো গ্রাফ বা চার্ট দেওয়া হলে শুধু সংখ্যা উল্লেখ না করে সেখানে কী পরিবর্তন হয়েছে, কেন হতে পারে, সেটিও বিশ্লেষণ করতে হবে।

স্পিকিং
স্পিকিংয়ের ক্ষেত্রে আমার সবচেয়ে বড় পরামর্শ হলো, ভয় না পেয়ে কথা বলা শুরু করতে হবে। অনেকেই ইংরেজি বুঝতে পারেন, লিখতে পারেন, কিন্তু কথা বলার সময় আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন।

আমি ছোটবেলা থেকেই চেষ্টা করেছি ইংরেজিতে কথা বলতে। আশপাশে যাঁরা ভালো ইংরেজি বলতেন, তাঁদের কথা শুনতাম। তাঁরা কীভাবে বাক্য তৈরি করছেন, কীভাবে উচ্চারণ করছেন—এসব লক্ষ করতাম। আমার কাছে স্পিকিং উন্নত করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিয়মিত কথোপকথন। বন্ধুদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলা, নিজের চিন্তা ইংরেজিতে প্রকাশ করার চেষ্টা করা—এসব অভ্যাস খুব কাজে দেয়। আইইএলটিএস স্পিকিংয়ে মুখস্থ উত্তর দিয়ে ভালো করা কঠিন। কারণ, এটি আসলে একটি স্বাভাবিক কথোপকথন। পরীক্ষার্থীকে নিজের অভিজ্ঞতা, পছন্দ, মতামত ও চিন্তা স্বাভাবিকভাবে প্রকাশ করতে হয়। পরীক্ষায় সাধারণ কিছু বিষয় বারবার আসে। কোথায় থাকেন, কী পছন্দ করেন, কী ধরনের বই পড়েন বা কী ধরনের কনটেন্ট দেখেন। এগুলোর উত্তর মুখস্থ না করে নিজের জীবন থেকে উদাহরণ দিয়ে বলার অভ্যাস করতে হবে। আমার বিশ্বাস, একজন ভালো বক্তা হওয়ার জন্য শুধু ইংরেজি শেখা যথেষ্ট নয়। একজন ভালো শ্রোতা হতে হবে, অনেক কিছু জানতে হবে এবং নিজের চিন্তা পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করার অভ্যাস করতে হবে। শেষ পর্যন্ত আইইএলটিএস আমাকে শিখিয়েছে, কোনো দক্ষতা রাতারাতি তৈরি হয় না। ছোট ছোট অভ্যাস, নিয়মিত চর্চা এবং শেখার আগ্রহই একসময় বড় সাফল্য এনে দেয়।

Ref: Prothom Alo
ছবি: রাইসার সৌজন‍্যে

#আইইএলটিএস

21/09/2026

Students’ Bus of Begum Badrunnessa Govt. Girls College, Dhaka || 21.09.26

Address: Begum Badrunnesa Government Girls College
Contact: 0257300699
[email protected]
[email protected]
7 Bakshi Bazar, Dhaka-1211. Bangladesh.
EIIN: 108155

কিছুক্ষণ পড়ার পর মাথা ফাঁকা লাগে কেনবইয়ের পাতায় চোখ তোমার। বেশ কিছুক্ষণ ধরে পড়ার টেবিলে বসে আছো। হুট করে টের পেলে, পড়ার ...
21/09/2026

কিছুক্ষণ পড়ার পর মাথা ফাঁকা লাগে কেন

বইয়ের পাতায় চোখ তোমার। বেশ কিছুক্ষণ ধরে পড়ার টেবিলে বসে আছো। হুট করে টের পেলে, পড়ার কিছুই মাথায় ঢুকছে না। একই লাইন বারবার পড়তে হচ্ছে। একটু আগে কী পড়েছ, সেটা তো মনে থাকছেই না। হুট করে খেয়াল হলো, কতক্ষণ ধরে চোখ বইয়ের পাতায় থাকলেও মন ছিল অন্য কোথাও।

এটা শুধু তোমার একার সমস্যা নয়। পড়ার সময় মনোযোগ কমে যাওয়া, মন অন্যদিকে চলে যাওয়া বা একই তথ্য বারবার পড়েও বুঝতে না পারা বেশ স্বাভাবিক বিষয়। এর পেছনে কিছু বিষয় কাজ করতে পারে। মস্তিষ্কের ওয়ার্কিং মেমোরির সীমাবদ্ধতা, মনোযোগের ওঠানামা, মানসিক ক্লান্তি, পড়ার বিষয়টি কঠিন, আগ্রহের অভাব, ঘুমের ঘাটতি কিংবা আশপাশের নানা ধরনের মনোযোগ কেড়ে নেওয়া বিষয়।

মস্তিষ্ক একসঙ্গে কত তথ্য মনে রাখতে পারে

পড়ার সময় নতুন তথ্য প্রথমে আমাদের ওয়ার্কিং মেমোরিতে আসে। সহজ করে বললে, এটি মস্তিষ্কের সাময়িক কাজের জায়গা। এখানে নতুন তথ্য ধরে রেখে সেটি নিয়ে আমরা চিন্তা করি, আগের জানা তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখি এবং অর্থ বোঝার চেষ্টা করি। কিন্তু এই জায়গার ধারণক্ষমতা সীমিত। একসঙ্গে অনেক নতুন তথ্য নিয়ে কাজ করতে গেলে এই ব্যবস্থার ওপর চাপ পড়ে।

ধরো, তুমি বিজ্ঞানের একটি কঠিন অধ্যায় পড়ছ। সেখানে একসঙ্গে নতুন কয়েকটি ধারণা, সংজ্ঞা, সূত্র ও উদাহরণ দেওয়া আছে। আগে থেকে বিষয়টি সম্পর্কে তোমার ধারণা কম হলে প্রতিটি তথ্য বুঝতে মানসিক পরিশ্রম বেশি করতে হবে। ফলে কিছুক্ষণ পর মনে হতে পারে, আর কিছুই মাথায় ঢুকছে না।

বইয়ের দিকে তাকিয়ে আছ, কিন্তু মন অন্য কোথাও

আরেকটি বড় কারণ হলো মনোযোগ সরে যাওয়া। পড়ার সময় হঠাৎ মনে পড়ল, বন্ধুকে কী উত্তর দেবে, কালকের পরীক্ষা কেমন হবে, বিকেলে কোথায় যাবে, এমন নানা চিন্তা মাথায় আসতে পারে। এটাকে বলা হয় মাইন্ড ওয়ান্ডারিং বা মনের অন্যদিকে চলে যাওয়া। পড়ার সময় এভাবে মন অন্যদিকে চলে গেলে পড়া বোঝার ক্ষমতা কমতে পারে।

তাই এটাকে আমরা স্মৃতির সমস্যা বলব না। এটা মনোযোগের ঘাটতি। তুমি কয়েক পৃষ্ঠা পড়েছ ঠিকই, কিন্তু পুরো সময় যদি মনোযোগ দিয়ে না পড়ো, তাহলে পরে মনে রাখার মতো তথ্যও খুব একটা থাকবে না। তাই কখনো তোমার মনে হতে পারে, ‘এতক্ষণ পড়লাম, কিন্তু কিছুই তো মনে নেই!’

একটানা পড়লে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হবে

হ্যাঁ, দীর্ঘ সময় একই ধরনের মানসিক কাজ করতে থাকলে ক্লান্তি ও মনোযোগের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তবে এর কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই যে ২৫ মিনিট বা ৪০ মিনিট পর মস্তিষ্ক অবশ্যই ক্লান্ত হয়ে যাবে। মানুষের মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা কাজের ধরন, আগ্রহ, ঘুম, পরিবেশ ও বিষয়টি কত কঠিন—এসবের ওপর নির্ভর করে। ব্যক্তিভেদে এটা বদলে যায়।

তাই কারও ২০ মিনিট পর বিরতির দরকার হতে পারে। আবার কেউ ৪৫ মিনিট বা তার বেশি সময় ভালোভাবে পড়তে পারে।

ফোন কি পড়ায় মনোযোগ নষ্ট করে

ফোন পাশে থাকলে মস্তিষ্কে বিপুল পরিমাণ ডোপামিন বের হয়ে পড়ার ক্ষমতা ‘বন্ধ’ হয়ে যায়, এমন দাবির পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ নেই। তবে ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন বা অন্য ডিজিটাল বিষয় মনোযোগে বাধা তৈরি করতে পারে। স্মার্টফোনের উপস্থিতি ও ব্যবহারের সঙ্গে মনোযোগ, স্মৃতি ও মাথা খাটানোর মতো কাজে কিছু নেতিবাচক প্রভাবের সম্পর্ক আছে। যদিও প্রভাবটি সব ক্ষেত্রে একই নয়।

তাই পড়ার সময় ফোনে বারবার চোখ না দেওয়াই ভালো। বিশেষ করে নোটিফিকেশন বন্ধ করে ফোনটি হাতের নাগালের বাইরে রাখলে অযথা মনোযোগ সরে যাওয়ার সুযোগ কমে।

পানি ও ঘুমের কথাও মনে রাখতে হবে

শরীরে পানির ঘাটতি হলেও মনোযোগ ও কিছু মানসিক কাজের দক্ষতা কমতে পারে। পানিশূন্যতার সঙ্গে মনোযোগ ও কাজের কিছুটা ঘাটতির সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

তবে পড়তে বসে মাথা ফাঁকা লাগার প্রধান কারণ হিসেবে ‘মস্তিষ্কে অক্সিজেন বা গ্লুকোজ কমে গেছে’ বলা ঠিক নয়। স্বাভাবিক অবস্থায় মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ ও জ্বালানি সরবরাহের জটিল ব্যবস্থা রয়েছে। তাই শুধু বই নিয়ে বসে থাকার কারণে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়ে যায়, এমন ধারণা সঠিক নয়।

ঘুমের বিষয়টি বরং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ, শেখা ও স্মৃতিতে সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে কিশোর–কিশোরীদের জন্য ঘুম শেখা ও স্মৃতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাহলে কীভাবে পড়ব

একটানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বইয়ের সামনে বসে থাকার চেয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়া ও প্রয়োজনমতো বিরতি নেওয়া বেশি কাজে দিতে পারে। তবে সবার জন্য ২৫ মিনিট পড়া ও ৫ মিনিট বিরতি নিতে হবে, এমন কোনো জাদুকরি নিয়ম নেই।

পোমোডোরো নামে পরিচিত এই পদ্ধতিতে সাধারণত নির্দিষ্ট সময় পড়ার পর ছোট বিরতি নেওয়া হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নির্দিষ্ট বিরতি নেওয়া কিছু ক্ষেত্রে ক্লান্তি ও মনোযোগের অভিজ্ঞতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। তোমার জন্য যে ব্যবস্থা কাজ করে, সেটিই বেছে নাও।

বিরতিতে ফোনে ঢুকে ৫ মিনিটের বদলে ৩০ মিনিট নষ্ট করে ফেলো না। এর চেয়ে উঠে একটু হাঁটো, পানি খাও ও চোখকে বিশ্রাম দাও। শারীরিক নড়াচড়া করে ছোট বিরতি নিলে মনোযোগ বাড়তে পারে এবং শেখা সহজ হতে পারে। যদিও পড়ার ফলাফলের ওপর এর প্রভাব সবার ক্ষেত্রে এক নয়।

Ref: kishoralo
ছবি: পেক্সেলস

#কিছুক্ষণ_পড়ার_পর_মাথা_ফাঁকা_লাগে

21/09/2026

Today’s Gulshan Area || 21.09.26

#আজকের_গুলশান_এলাকা #গুলশান_শ্যুটিং_ক্লাব #গুলশান_১নং #গুলশান_২নং #গুলশান_এভিনিউ . .

কালো কি কোনো রংকোনো বস্তুর ওপর দৃশ্যমান সব তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো পড়ার পর যদি তা সবটুকু শুষে নেয় এবং বলতে গেলে কোনো আলো ফেরত...
21/09/2026

কালো কি কোনো রং

কোনো বস্তুর ওপর দৃশ্যমান সব তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো পড়ার পর যদি তা সবটুকু শুষে নেয় এবং বলতে গেলে কোনো আলো ফেরত না পাঠায়, তাহলে তাকে আমরা কালো বলি। তাহলে কালো কি কোনো রং? সাধারণ ভাষায় আমরা বলি, ওই জিনিসের রং কালো। কিন্তু কোনো বস্তুর রং বলতে কী বোঝায়? বোঝায় কোনো বিশেষ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মি, যা ওই বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়। কালো বস্তু যদি কোনো রশ্মিই প্রতিফলিত না করে, সবটুকু শুষে নেয়, তাহলে তাকে কালো রঙের বস্তু বলব কেন? অন্যদিকে যদি কোনো রশ্মিই ফেরত না আসে, তাহলে সেই বস্তুকে আমরা দেখবই বা কীভাবে? দৃশ্যমান হতে হলে কিছু না কিছু আলো তো আসতে হবেই। আসলে কালো বস্তু থেকেও সামান্য কিছু আলো ফেরত আসে। বস্তুর পৃষ্ঠতল সামান্যতম হলেও মসৃণ। ফলে সামান্য আলো প্রতিফলিত হয়, যা আমাদের দৃষ্টিকোণে ধরা পড়ে। যত কম আলো প্রতিফলিত হয় তত বেশি কুচকুচে কালো। প্রতিফলিত রশ্মির পরিমাণের তারতম্যভেদে বস্তুর রং ধূসর, হালকা কালো বা খুব কালো হতে পারে।

Ref: আব্দুল কাইয়ুম, সম্পাদক, বিজ্ঞানচিন্তা
ছবি: সংগৃহীত

#কালো_রং

বিস্কুট কীভাবে পেলাম২০১৮ সালের কথা। ১৪তম আঞ্চলিক স্কাউট সমাবেশে অংশ নিতে গাজীপুরের বাহাদুরপুরে রোভার স্কাউট প্রশিক্ষণকেন...
21/09/2026

বিস্কুট কীভাবে পেলাম

২০১৮ সালের কথা। ১৪তম আঞ্চলিক স্কাউট সমাবেশে অংশ নিতে গাজীপুরের বাহাদুরপুরে রোভার স্কাউট প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গিয়েছিলাম। সেখানে ক্যাম্পিং করার সময় একদিন আমাদের একটি বিস্কুট কারখানায় ঘুরতে নিয়ে যাওয়া হলো।

কয়েক হাজার স্কাউট লাইন ধরে ঘুরে দেখল কারখানা। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময়ই ভেসে আসছিল বিস্কুটের মিষ্টি গন্ধ। কারখানার ভেতরে গিয়ে দেখলাম, কীভাবে ধাপে ধাপে মচমচে বিস্কুট তৈরি হচ্ছে। ঘোরাঘুরি শেষে আমাদের সবাইকে খেতে দিল বিস্কুট। সেদিন বিস্কুট সম্পর্কে বেশ কিছু অজানা তথ্যও জানানো হয়েছিল।

ক্যাম্প শেষে বাসায় ফিরে ঘাঁটাঘাঁটি করে জানলাম, বিস্কুটের ইতিহাস বেশ চমৎকার। কোনো এক প্রজন্মের কাছে বিশেষ কিছু বিস্কুট নস্টালজিয়া, আবার কারও কাছে শৈশবের দারুণ স্মৃতি। চলো, আজ সেই বিস্কুটের জন্ম হলো কীভাবে জেনে নিই।

বিস্কুট কী ও এর নানা রকমফের

বিস্কুট মূলত ময়দা দিয়ে তৈরি একধরনের সেঁকা খাবার। সাধারণত এই খাবার শক্ত, চ্যাপটা ও ইস্ট ছাড়া তৈরি করা হয়। বেশির ভাগ বিস্কুটই মিষ্টি স্বাদের। এগুলো তৈরিতে চিনি, চকলেট, আইসিং, জ্যাম কিংবা বিভিন্ন ফলের ফ্লেভার ব্যবহার করা হয়। আবার কিছু বিস্কুট নোনতা স্বাদের থাকে।

বাজারে বিভিন্ন ধরনের বিস্কুট পাওয়া যায়, যার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত বিস্কোটি, স্যান্ডউইচ, ডাইজেস্টিভ, জিঞ্জার, সল্টি, বোরবন, ওটস কুকিজ, বেলা, টোস্ট, শর্টব্রেড, চকলেট চিপ কুকিজ, আনজাক ও স্পেকুলাস বিস্কুট।

‘বিস্কুট’ নামটি এল যেভাবে

ছোট, শক্ত আর ময়দা দিয়ে সেঁকা খাবারকে বেশির ভাগ ইংরেজিভাষী দেশে বিস্কুট বলা হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র আর কানাডায় বিস্কুট বলতে বোঝানো হয় একধরনের তুলতুলে নরম পাউরুটিকে। আমরা যেটাকে বিস্কুট বলি, সেটাকে তারা বলে কুকি বা ক্র্যাকার। কানাডায় আবার এই নরম পাউরুটি থেকে আলাদা বোঝাতে একে টি বিস্কুট বলা হয়।

যুক্তরাজ্য আর আয়ারল্যান্ডে কুকি বলতে বোঝায় বিশেষ একধরনের মিষ্টি বিস্কুটকে, যাতে সাধারণত চকলেট চিপস বা কিশমিশ থাকে। অন্যদিকে স্কটল্যান্ড আর গার্নসিতে একসময় নরম পাউরুটিজাতীয় খাবারকেও বিস্কুট বলা হতো।

বিস্কুট (Biscuit) শব্দটি এসেছে পুরোনো ফরাসি শব্দ বেসকুইট (Bescuit) থেকে। এটি মূলত লাতিন দুটি শব্দ—‘bis’ (দুবার) ও ‘coquere’ (সেঁকা বা রান্না করা) থেকে এসেছে। তাই বিস্কুট শব্দের মূল অর্থ হলো দুইবার সেঁকা খাবার।

আগের দিনে বিস্কুট বানানোর সময় সত্যিই দুটি ধাপে সেঁকা হতো। প্রথমে ওভেনে বিস্কুটটি ভালোভাবে বেক বা সেঁকে নেওয়া হতো। এরপর কম আঁচে আবার ওভেনে রেখে শুকানো হতো, যেন এটি দীর্ঘদিন মচমচে ও ভালো থাকে।

ব্রিটিশ শাসনের সময় এই উপমহাদেশে ইংরেজি বিস্কুট শব্দটি চালু হয়। ইংরেজদের চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাস এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় ভাষায় শক্ত সেঁকা রুটির অন্যান্য নাম থাকলেও ইংরেজি বিস্কুট শব্দটিই সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

বিস্কুটের শুরু যেভাবে

আমরা আজ যেসব বিস্কুট খাই, তার ইতিহাস কিন্তু অনেক পুরোনো। একদম শুরুতে, নব্যপ্রস্তর যুগে মানুষ গরম পাথরের ওপর শস্যের মণ্ড ছড়িয়ে সেঁকে নিত। নব্যপ্রস্তর যুগ বা নিওলিথিক যুগ হলো মানব ইতিহাসের সেই প্রাচীন সময়, যখন মানুষ শিকার ছেড়ে প্রথম কৃষিকাজ, পশুপালন ও স্থায়ীভাবে বসবাস করা শুরু করেছিল। তবে মাটির নিচ থেকে পাওয়া পুরোনো নিদর্শন দেখে নিশ্চিত বলা যায় না, সেগুলো আসলেই বিস্কুট ছিল, নাকি কেকজাতীয় কোনো খাবার, নাকি অন্য কোনো খাবার।

পরবর্তীকালে রোমানদের সময়ে একধরনের বিস্কুট তৈরি শুরু হয়, যা দেখতে অনেকটা আজকের রাস্ক বিস্কুটের মতো। সাধারণ রুটিকে দ্বিতীয়বার আগুনে সেঁকে একদম মুচমুচে করে ফেলা হতো। সহজে নষ্ট হতো না বলে রোমান সৈন্য ও ভ্রমণকারীদের কাছে এই খাবার ছিল বেশ জনপ্রিয়।

মধ্যযুগীয় বিস্কুট ও ওয়েফার

চতুর্দশ শতাব্দীর দিকে ইংরেজি ভাষায় ‘বিস্কুট’ শব্দটির ব্যবহার বাড়তে শুরু করে। এ সময়ে মিষ্টি ও নোনতা দুই ধরনের বিস্কুটই মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এর পাশাপাশি প্যানকেকের মতো কিছু নতুন পদও তৈরি হতে থাকে।

মধ্যযুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিস্কুটগুলোর একটি ছিল ওয়েফার। এটি তৈরি করা হতো মিষ্টি খামির দিয়ে আগুনে সেঁকে। ধীরে ধীরে প্রযুক্তি উন্নত হলে লোহার বিশেষ ছাঁচ ব্যবহার করে একে সুন্দর সুন্দর আকৃতি দেওয়া হতে থাকে। সে যুগে পেটের হজম ভালো রাখতে কিংবা স্রেফ আনন্দের ছলে আড্ডা দিতে মানুষ বিস্কুট খেত।

সবচেয়ে বড় ক্রিম বিস্কুট

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিম দেওয়া বিস্কুটটির ওজন ছিল প্রায় ৮৩ দশমিক ৪৫ কেজি। ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর কোস্টারিকার সান হোসে শহরে মনডেলেজ কোস্টারিকা নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই রেকর্ড গড়ে। বিস্কুটটি বানানোর জন্য আয়োজকেরা ওই দিন সকালেই বিস্কুটের খামির তৈরি শুরু করেন। তারপর খামির সুন্দর ছাঁচে ফেলে সেঁকা ও ঠান্ডা করার কাজ চলে। বিস্কুটের একেকটি পাশ পুরোপুরি সেঁকতে পাঁচ ঘণ্টা করে সময় লেগেছিল। কাজ শেষে রাত ১১টার দিকে বিস্কুটের ভেতরে ক্রিম ভরে ওজন করা হয়। রেকর্ড নিশ্চিত হওয়ার পরপরই বিশাল এই বিস্কুট সেখানে থাকা মানুষের মধ্যে কেটে ভাগ করে দেওয়া হয়।

ভুল থেকে তৈরি চকলেট চিপ বিস্কুট

ঘটনাটি ১৯৩০ সালের। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস রাজ্যের এক সরাইখানার মালিক রুথ গ্রেভস ওয়েকফিল্ড একদিন তাঁর রান্নাঘরে বিস্কুট বানাচ্ছিলেন। তিনি ভাবলেন, বিস্কুটের খামিরের মধ্যে নেসলে কোম্পানির চকলেটের ছোট ছোট টুকরা মিশিয়ে দিলে ওভেনের গরমে চকলেট গলে পুরো বিস্কুটটিই চকলেট স্বাদের হয়ে যাবে। কিন্তু বিস্কুট সেঁকা শেষে তিনি দেখলেন, ওভেনের গরমে চকলেট মোটেও পুরোপুরি গলে যায়নি। বরং বিস্কুটের গায়ে ছোট ছোট টুকরা হয়ে জমাট বেঁধে আটকে আছে। এভাবেই ভুল করে তৈরি হয়ে গেল জনপ্রিয় চকলেট চিপ বিস্কুট।

ব্রিটিশদের বিস্কুট ছিল ওষুধ

ব্রিটেনে প্রথম বিস্কুট তৈরির রেসিপি এসেছিল ইতালি থেকে, যা পাওয়া গিয়েছিল রসায়ন ও চিকিৎসার একটি বইতে। মজার ব্যাপার হলো, সেই বইতে প্লেগ রোগের চিকিৎসা, পায়ের আঙুলের দুর্গন্ধ দূর করার উপায় এবং বিস্কুট বানানোর নিয়ম পাশাপাশি লেখা ছিল। তখনকার ব্রিটিশ বিস্কুটগুলো দেখতে আঙুলের মতো লম্বা ও শক্ত স্পঞ্জের মতো। এগুলোতে সুগন্ধি মসলা মেশানো হতো। সেই সময় মানুষ বিস্কুট কোনো সাধারণ নাশতা হিসেবে খেত না। মূল খাবার খাওয়ার পর মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে ও হজমের সমস্যার কারণে ঢেকুর ওঠা বন্ধ করতে ওষুধের মতো এই বিস্কুটগুলো খাওয়া হতো।

মহাকাশে নভোচারীদের তৈরি প্রথম বিস্কুট

ভবিষ্যতের দীর্ঘ মহাকাশযাত্রায় নতুন খাবার তৈরির উপায় খুঁজতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) বিস্কুট বানানোর পরীক্ষা চালানো হয়। নভোচারী লুকা পারমিতানো ও ক্রিস্টিনা কোচ শূন্য মাধ্যাকর্ষণে কাজ করার উপযোগী বিশেষ একটি নলাকার ওভেনে প্রথমবারের মতো চকলেট চিপ বিস্কুট তৈরি করেন। পৃথিবীতে বিস্কুট সেঁকতে ২০ মিনিট লাগলেও মহাকাশে উপযুক্ত তাপমাত্রা ও সময় খুঁজে পেতে লেগে যায় অনেকটা সময়। এর মধ্যে দুটি বিস্কুট ১২০ ও ১৩০ মিনিট ধরে সেঁকার পর সবচেয়ে সফলভাবে তৈরি হয়। পরীক্ষা শেষে বিস্কুটগুলো না খেয়ে নিরাপদে সিল করে স্পেসএক্স ড্রাগন মহাকাশযানে পৃথিবীতে ফেরত পাঠানো হয়, যাতে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন এগুলো খাওয়ার জন্য পুরোপুরি নিরাপদ কি না।

Ref: আসহাবিল ইয়ামিন / kishoralo
মডেল: ফারিয়া, দোকান: বীর চট্টলা, ছবি: জুয়েল শীল

#বিস্কুট

Address

Kemal Ataturk Avenue, Banani C/A
Dhaka
1213

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বটতলার স্কুল । BotTolar School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to বটতলার স্কুল । BotTolar School:

Shortcuts

Share