আলহামদুলিল্লাহ কোন এক সময় প্রিয় ভাইদের সাথে
HM Mohiuddin Ashrafi
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HM Mohiuddin Ashrafi, Education, Galachipa, Dhaka.
08/04/2025
আজকে সূর্যাস্তের সময় সৌদি আরবের আকাশে উড়ন্ত পাখির পিঠে বসা শিশুরূপী মেঘ।
জানিনা এইটা কিসের আলামত 😥
সংগ্রহ
27/03/2025
গলাচিপা ওলামায়ে কেরামদের আনন্দ ভ্রমণে রাতের দৃশ্য
03/07/2024
অনেক দিনপর রেফারেন্স সহ পেলাম।
সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত।
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার, ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী।প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন।(সুবহানআল্লাহ)
আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সবাইকে যানার বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুক।আমিন-ইয়া রব।
আমিন।
(রেফারেন্সঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন সহীহুল বুখারীঃ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ১৪৬১ আহমাদঃ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সগীরঃ৬৪৭২)
#ফজরের সালাতের ১০টি ফজিলত....
এগুলো জানার পর কারো আর ফজর সালাতেে গাফেলতি, অলসতা আসবেনা ইনশাআল্লাহ্।
🔘১. ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী,কেননা
রাসূল (সাঃ) বলেছেন,
মুনাফিকের জন্য ফজর সালাত আদায় কষ্টকর।
__(বুখারী-৬৫৭,৬৪৪,২৪২০,৭২২৪;মুসলিম-৬৬১)
🔘২. রাসূল (সাঃ) বলেন,
যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়।অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তালা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।
__(সহিহ মুসলিম,তিরমিজি--২১৮৪)
🔘৩. রাসূল (সাঃ) বলেছেন,
যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে,আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে।
__(বুখারী-মুসলিম)
🔘৪. রাসূল (সাঃ) বলেছেন,
যে ব্যক্তি ফজর সালাত জামাতের সাথে আদায় করে,আল্লাহ্ তা'আলা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!
__(সহিহ মুসলিম-১০৯৬)
🔘৫. রাসূল (সাঃ) বলেছেন,
যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে,আল্লাহ্ তা'আলা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।
__(আবু দাউদ-৪৯৪,,তিরমীযি)
🔘৬. যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহ্ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন। অর্থাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহ্কে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মত দেখবে।__(বুখারী-৫৭৩)
🔘৭. যে নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে,সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা।
__(সহিহ মুসলিম-৬৩৪)
🔘৮. ফজরের সালাত আদায়কারী,রাসূল (সাঃ) এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন।
__(সুনানে আবু দাউদ,মুসনাদে আহমাদ)
🔘৯. ফজরের দু রাকাত ফরজ সালাত, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।
__(সহিহ মুসলিম--১২৪০)
🔘১০. ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে,প্রফুল্ল হয়ে যায়।
__(সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম)
সুবহানআল্লাহ......আল্লাহ্ আমাদের উপরোক্ত সব নিয়ামতের ভাগিদার করুন...।
আমীন।
11/06/2024
খতমে শিফা পড়ার নিয়ম:
••••••••••••••••••••••••••••
‘শিফা’ শব্দের আরবী মূল শব্দ ‘شِفاء’ যার অর্থ রোগমুক্ত করা বা রোগ নিরাময়।
এভাবে ‘খতমে শিফা’ অর্থ: রোগ নিরাময় করার খতম। কেউ অসুস্থ হলে তার রোগমুক্তির আশায় এই খতম পড়ানো হয়। "মাকসুদুল মোমেনীন" বইয়ে এই খতমটি যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে :
‘‘খতমে শিফা
لا اله الا الله (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্)
এই পবিত্র কালেমা একলক্ষ পঁচিশ হাজার বার পাঠ করাকে ‘‘খতমে শিফা’’ বলে। একে খতমে তাহলীলও বলা হয়। এই খতম পাঠ করিয়া এর সোয়াব মৃত লোকের রূহের উদ্দেশ্যে বখশিশ করিয়া দিলে নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা এর উসিলায় তাহাকে মাফ করিয়া দিবেন ও বেহেশত দান করবেন। যদি কোনো ব্যক্তি কোনো কঠিন বিপদের সম্মুখীন হয় অথবা কোনো কঠিন রোগে আক্রান্ত হইয়া দীর্ঘদিন ভুগিতে থাকে, তবে উক্ত কালাম তাহার নিকট বসিয়া সশব্দে পাঠ করিতে থাকিবে, যেন সেই রোগী উহা শুনিতে পায়। আল্লাহর ফযলে খতম শেষ হইবার পূর্বেই ইহার আশ্চর্য ফল বুঝিতে পারা যায়। কোনো মুমূর্ষু লোকের নিকট বসে এই খতম পাঠ করলে তাহার রোগ যন্ত্রনা লাঘব হয় এবং পরমায়ূ শেষ হইয়া থাকিলে আছানির সহিত মৃত্যু হয়। এই খতম একজনে পাঠ করাই ভাল, তবে জরুরী প্রয়োজনে ১০/১৫ জন একত্র বসিয়া একদিনেও খতম করা চলে।’’
উল্লেখযোগ্য যে,"মাকসুদুল মোমেনীন" বইয়ে অনেক অনির্ভরযোগ্য কথা থাকলেও বুযুর্গানে দীনের কিছু খতম সঠিকভাবে লিখেছে। এজন্য যে কোনো কথার উপর চোখ বন্ধ করে আমল না করে যাচাই করে নিতে হবে।
তাছাড়া খতমে শিফার আরো বিভিন্ন নিয়ম বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া যায়। যেমন; আল্লাহ তাআলার একটি বিশেষ নাম 'ইয়া সালামু' সোয়া লক্ষ বার পড়ে দুআ করাকেও খতমে শিফার আমল বলা হয়।
এছাড়া আরও একটি নিয়ম নীচে লেখা হলো:
১। ইস্তেগ্ফার- ১১বার
২। সূরা ফাতিহা- ১০০ বার
৩। দরূদ শরীফ- ১০০ বার
৪। সূরা আলাম নাশরাহ- ৭৯ বার
৫। সূরা ইখলাছ- ১০০ বার
৬। পুনরায় সূরা ফাতিহা- ৭বার
৭। পুনরায় দরূদ শরীফ- ১০০বার
৮। তারপর এই দোয়া (একশত বার): فَسَهِّلْ يَا اِلٰهِىْ كُلَّ صَعْبٍ بِحُرْ مَتِ سَيِّدِ الْاَ بْرَارِ سَهِّلْ سَهِّلْ بِفَضْلِكَ يَاعَزِيْزُ
উচ্চারণ: ফাসাহ্হিল ইয়া ইলাহি কুল্লা ছা’বিন বিহুরমাতি সায়্যেদিল আবররি সাহ্হিল- সাহ্হিল বিফাদ্বলিকা ইয়া আজীজ। অত:পর
৯। يَا قَاضِىَ الْحَاجَاتْ ইয়া ক্বদ্বিয়াল হাযাত- ১০০বার
১০। يَا كَفِىَ الْمُهِمَّاتْ ইয়া কাফিয়াল মুহিম্মাত- ১০০বার
১১। يَا دَافِعَ الْبَلِيَّ
22/05/2024
নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের মতো।
হাত লাগলেই শেষ।
সেইটা স্বামীর হাত হোক বা অন্য কোনো পুরুষের।
এই হাত লাগা শুধু শারীরিক স্পর্শে না,
পুরুষের সঙ্গতায়ও নারীর লজ্জা কেটে যায়।
যে মেয়ে যত বেশি পুরুষের সংস্পর্শে যাবে,
তার লজ্জা তত কমবে।
যেমন-চিত্র নায়িকারা।
বিকিনি পড়তেও দ্বিধা করেনা।
পুরুষের মাঝে থেকে চক্ষু লজ্জা উঠে গেছে।
কনজারভেটিভ ফ্যামিলির মেয়েকে ওড়না ছাড়া
দাঁড়াতে বললেও সে লজ্জায় মরে যাবে।
ইদানিং ফেসবুক এই লজ্জা নিবারণের
ভূমিকা পালন করছে।-
ফেসবুকে বন্ধু বেশি।
অতি-আধুনিকরা ছেলে বন্ধুর সঙ্গে
পিরিয়ড নিয়ে কথা বলে।
ফ্ল্যার্ট করতে গিয়ে শরীর নিয়ে নগ্ন কথা
বলে- মাইন্ড করলে বলে '' জাস্ট
কিডিং, টেক ইট ইজি।'
ইজিলি নিতে নিতে সেই অশালীন
বিষয় আর অশালীন লাগে না।
লজ্জা শেষ !
আবার ফেসবুকে প্রেমিক বেশি!!
কেউ প্রেমে পড়েছে তো,
প্রেমিক রোমান্সের ছলে অশ্লীল কথা বলে।
স্বামীর মতো।
এরপর ব্রেকআপ হয়।
আবার কারো প্রেমে পড়ে।
আবারো চুম্মা-চাটি,আরো কত কি করে !!
আবার ব্রেকাপ।
লজ্জা -শরমের মাথা খেয়ে মেয়েটা এক সময় নির্লজ্জ
হয়ে যায়।
'প্রেম নারীর লজ্জাশীলতাকে গ্রাস করে,
পুরুষের সব বিলীন হয়ে যায়।
নারীর কাছে পুরুষের উপস্থিতি ইয়াবার মতো।
প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে।
পরে ২০-২৫ টা খেলেও কাজ হয় না।
ব্যস !
এক সময় পুরুষের প্রতি ফিলিংস কাজ করেনা।
প্রেমিকের ভালবাসা তার কাছে পানসে লাগে।
একটার পর একটা পুরুষ বদল করে।
কিন্তু স্থির হতে পারে না।
জানাশোনা শেষ হলেই - আর ভালো লাগে না।
বোরিং লাগে।
কারণ, ডিফারেন্ট টেস্ট নিতে নিতে ভালবাসার
অনুভূতিই শেষ !
মুরব্বীরা বলতেন বিয়ের পরে মেয়ের
লজ্জা কমে।
বাচ্চা হবার পরে আরো কমে যায়।
তখন বুঝতাম না।
ভাবতাম লজ্জা 'ফোঁড়ার' মতো কিছু।
বিয়ের পরে গলে যায়।
tongue emoticon
এখন বুঝি।
আগে মেয়েদের কাছে স্বামীই ছিলো পুরুষ।
তাই বিয়ের পরের কথা এসেছে।
এখন বিয়ে লাগে না পুরুষের কাছে
আসতে- ফেসবুক হলেই চলে।
ফেসবুক সেই স্বামীর ভূমিকা পালন করে।
লেখাটি না বুঝলে আরেকবার পড়ুন,
তারপরে মন্তব্য করুণ।
আর যাদের এই লেখা পড়ে গায়ে লাগবে লেখাটা বিশেষ ভাবে তাদের জন্য..
18/05/2024
ু_হুরায়রা_রাঃ_থেকে_বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সা. বলেছেন, 'কিয়ামত কায়েম হবে না, যে পর্যন্ত না ইলম ওঠিয়ে নেয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে, হারজ বৃদ্ধি পাবে। (হারজ অর্থ খুনখারাবী) তোমাদের সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে, উপচে পড়বে।' (বুখারি, হাদিস ৯৭৯)
এ ছাড়াও কিয়ামতের আগে মানুষের মধ্যে যে ৫৬ আচরণের প্রকাশ ঘটবে। ১. নামাজের প্রতি মানুষের গুরুত্ব থাকবে না। ২. আমানতের খেয়ানত করবে। ৩. সুদের লেনদের করবে। ৪. মিথ্যা কথা বলাকে হালাল মনে করবে।
৫. সামান্য বিষয়ে অন্যের প্রাণ সংহার করবে। ৬. উচু উচু ভবন নির্মাণ করবে। ৭. আত্মিয়তার সর্ম্পক ছিন্ন করবে। ৮. ইনসাফ উঠে যাবে। ৯. জুলুম অত্যাচার ব্যাপক আকার ধারণ করবে। ১০. তালাক বেড়ে যাবে। ১১. আকস্মিক মৃত্যু বেড়ে যাবে।
১২. সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য মনে করা হবে। ১৩. দুর্নীতি পরায়ন মানুষদের সেবক মনে করা হবে। ১৪. অপবাদ আরোপের পরিমাণ বেড়ে যাবে। ১৫. লোকেরা সন্তান নেয়া বন্ধ করে দিবে।
১৬. নীচ লোকেরা সম্পদশালী হবে। ১৭. ভদ্রলোকেরা নিষ্পষিত, লাঞ্চিত হবে। ১৮. আমানতের খেয়ানত হবে। ১৯. শাসক শ্রেণির লোকেরা অহরহমিথ্যা কথা বলবে। ২০. নেতৃবর্গ জালেম হবে।
২১. আলেম ও কারিগণ বদকার হবে। ২২. স্বর্ণের দামকমে যাবে এবং রুপার দাম বেড়ে যাবে। ২৩. গুনাহের পরিমাণ বেড়ে যাবে। ২৪. জান মালের নিরাপত্তা কমে যাবে। ২৫. শরিয়তের দন্ড বিধি অকার্যকর হবে। ২৬. ব্যাপকভাবে মদ্যপান ছড়িয়ে পড়বে। ২৭. কোরআন শরিফ সঞ্জিত করা হবে।
২৮. দাসি স্বীয় মুনিবকে ভর্ৎসনা দিবে। ২৯. নিচু শ্রেণির লোকেরা দেশের শাসক বনে যাবে। ৩০. নারী-পুরুষ কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করবে। ৩১. পুরুষরা মহিলার বেশ এবং মহিলারা পুরুষের বেশ ধারণ করবে। ৩২. গাইরুল্লাহর নামে শপথ করা হবে। ৩৩. মুসলমানরাও নির্দ্বিধায় মিথ্যা সাক্ষ্য দিবে। ৩৪. সম্মানের রেওয়াজ উঠে যাবে।
৩৫. দুনিয়া লাভের আশায় দ্বীন ইলম শিক্ষা করা হবে।৩৬. আখেরাতের কাজের দ্বারা দুনিয়া অর্জন করা হবে।৩৭. জাতীয় ও রাষ্ট্রিয় সম্পদকে নিজের মনে করা হবে।৩৮. আমানতের মালকে লুটের মাল মনে করা হবে। ৩৯.সমাজের নিচ ও নিকৃষ্ট লোককে নেতা বানানো হবে। ৪০.সন্তান পিতা-মাতার অবাধ্য হবে। ৪১. বন্ধু বন্ধুর ক্ষতি করবে।
৪২. লোকেরা স্ত্রীর আনুগত্য করবে। ৪৩. বদকার লোকেরা মসজিদে শোরগোল করবে। ৪৪.গায়িকা মহিলাদের শাসন করা হবে। ৪৫. বাদ্য যন্ত্র ও এর উপকরণের যত্ন নেয়া হবে। ৪৬. মদের দোকান বেড়ে যাবে।
৪৭. জুলুম করাকে গর্বের বিষয় মনে করা হবে। ৪৮.আদালতে ন্যায় বিচার বিক্রি হবে। ৪৯. পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। ৫০. কোরআনকে গানের সুরে তিলাওয়াত করা হবে। ৫১. হিংস্র পশুর চামড়া ব্যবহার করা হবে। ৫২. উম্মতের শেষ যুগের লোকেরা প্রথম প্রথম যুগের লোকদের উপর অপবাদ আরোপ করবে। ৫৩. আল্লাহর পক্ষ থেকে লাল বর্ণের তুফান আসবে। ৫৪. ভূমিকম্প আসবে। ৫৫. অথবা আকাশ থেকে পাথর বর্ষিত হবে। ৫৬. জাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে। (সুরা: ইসরা ৫৯, বুখারি, হাদিস ৯৭৯, তিরমিজি, হাদিস ২২১২, সুরা: হজ, আয়াত ১-২, তিরমিজি, হাদিস
১৪৪৭)
হাফেজ মাওলানা শাহিন মাহমুদ পটুয়াখালী
17/05/2024
হাফেজ মাওলানা শাহিন মাহমুদ ভাই পটুয়াখালী
হাফেজ মাওলানা শাহীনমাহমুদ পটুয়াখালী #mahfil_video #live #islamicvideo #islamic #islam
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka