আবু বকর কাসেমী

আবু বকর কাসেমী Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আবু বকর কাসেমী, Education Website, Dhaka.

Permanently closed.

| খতিব, বখতিয়ার খাঁ শাহী জামে মসজিদ উজানী

| প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও সেক্রেটারি :
• জামিয়া রশীদিয়া ঢাকা
• জামিয়া ইব্রাহীমিয়া মহিলা মাদ্রাসা

| প্রতিষ্ঠাতা, মাকতাবাতুল কাসেম ......
সাবেক ইমাম ও খতিব, দারুল উলূম দেওবন্দ কাদীম মসজিদ, ভারত

16/04/2026

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
🤍

নেক আমল বা সদকা বলতে আমরা সাধারণত কেবল অর্থ দান করাকেই বুঝি। কিন্তু প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের শিখ...
16/04/2026

নেক আমল বা সদকা বলতে আমরা সাধারণত কেবল অর্থ দান করাকেই বুঝি। কিন্তু প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের শিখিয়েছেন যে, প্রতিটি ভালো কাজই সদকা। কোনো মুসলমান ভাইকে দেখে মুচকি হাসা, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা কিংবা কাউকে ভালো পরামর্শ দেওয়া—এসবই নেক আমল এবং সদকার অন্তর্ভুক্ত।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
“প্রত্যেক নেক আমলই সদকা।” —(সহীহ বুখারী: ৬০২১)

আল্লাহ তায়ালা আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে নেক আমলের মাধ্যমে বরকতময় করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

🌙 যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের বিশেষ আমল পরিকল্পনা ✨যিলহজ্জের এই ১০টি দিন মহান আল্লাহর কাছে বছরের শ্রেষ্ঠ সময়। এই দিনগুলোর প...
15/04/2026

🌙 যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের বিশেষ আমল পরিকল্পনা ✨

যিলহজ্জের এই ১০টি দিন মহান আল্লাহর কাছে বছরের শ্রেষ্ঠ সময়। এই দিনগুলোর প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদতের মাধ্যমে উজ্জ্বল করার জন্য নিচের আমলগুলো আমরা আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে যুক্ত করতে পারি:

১. ফরয ও নফল সালাতে বিশেষ যত্ন

সব ইবাদতের মূল হলো পাঁচ ওয়াক্ত সালাত। এই দিনগুলোতে প্রতিটি সালাত জামাতের সাথে, পূর্ণ মনোযোগ ও খুশু-খুযুর সাথে আদায়ের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। ফরযের পাশাপাশি *তাহাজ্জুদ, ইশরাক এবং সালাতুদ দুহা (চাশতের নামাজ)* আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা বাড়ানো।

২. যিকিরে জিহ্বাকে সজীব রাখা

রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দিনগুলোতে বেশি বেশি তাকবীর, তাহমীদ ও তাসবীহ পড়তে উৎসাহিত করেছেন। কাজ করতে করতে, হাঁটাচলা কিংবা অবসরে মনে মনে পড়ুন:
* সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার।
* বিশেষ করে ৯ই যিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ই যিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামাজের পর
* তাকবীরে তাশরীক (আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ) পাঠ করা ওয়াজিব।

৩. কুরআন তিলাওয়াত ও খতমের পরিকল্পনা

এখন থেকেই লক্ষ্য স্থির করুন যেন এই ১০ দিনের মধ্যে অন্তত একবার কুরআন খতম করা যায়। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি অংশ অর্থসহ পড়ার চেষ্টা করুন যাতে কুরআনের হেদায়েত অন্তরে প্রবেশ করে।

৪. সিয়াম বা রোজা পালন

যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা অনেক সওয়াবের কাজ। যারা সব দিন পারবেন না, তারা অন্তত *৯ই যিলহজ্জ 'আরাফার দিনের' রোজা* যেন মিস না করি। এই একটি রোজার বিনিময়ে আল্লাহ বিগত এবং আগামী—এই দুই বছরের গুনাহ মাফ করে দেন।

৫. তাওবাহ ও ইস্তিগফার

গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো তাওবা। অতীতের সব ভুলের জন্য লজ্জিত হয়ে বারবার পড়ুন— *আস্তাগফিরুল্লাহ*। অন্তরের কলুষতা দূর করার এটাই সেরা সময়।

৬. দান-সদকা ও মানুষের সেবা

সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব-দুঃখীদের পাশে দাঁড়ানো। অল্প হলেও প্রতিদিন কিছু সদকা করার অভ্যাস করা, কারণ এই দিনগুলোর যেকোনো নেক আমল আল্লাহর কাছে অন্য সময়ের চেয়ে অনেক বেশি প্রিয়।

৭. কুরবানীদাতার জন্য বিশেষ আমল

যারা কুরবানী করার নিয়ত করেছেন, যিলহজ্জের চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানী সম্পন্ন না করা পর্যন্ত নিজেদের চুল, নখ ও চামড়ার কোনো অংশ না কাটা মুস্তাহাব। এটি হজ্জের ইহরামের সাথে একটি আধ্যাত্মিক সাদৃশ্য তৈরি করে।

৮. আত্মশুদ্ধি ও আচরণের পরিবর্তন

কেবল পশু কুরবানী নয়, নিজের ভেতরের অহংকার, ক্রোধ, হিংসা এবং লোকদেখানো মানসিকতাকেও কুরবানী দিতে হবে। কারো হক নষ্ট করে থাকলে তা ফিরিয়ে দেওয়া, আত্মীয়তার সম্পর্ক জোড়া লাগানো এবং কথাবার্তায় নম্রতা বজায় রাখা জরুরি।

৯. দোয়ার বিশেষ মুহূর্তগুলো কাজে লাগানো

আরাফার দিন হলো বছরের শ্রেষ্ঠ দোয়ার দিন। নিজের জন্য, পরিবারের জন্য এবং মজলুম মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি 'দোয়া লিস্ট' তৈরি করে ফেলুন এবং নিভৃতে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করুন।

১০. পরিবারে ইবাদতের পরিবেশ

ঘরের সবাইকে এই দিনগুলোর গুরুত্ব জানান। সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একসাথে যিকির বা দ্বীনি আলোচনা করুন, যেন পুরো ঘর আল্লাহর রহমতে ভরে ওঠে।

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের এই বরকতময় দিনগুলোতে সর্বোত্তম আমল করার এবং আপনার প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন।

© এডমিন পোস্ট

🌙 *যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের বিশেষ আমল পরিকল্পনা* ✨যিলহজ্জের এই ১০টি দিন মহান আল্লাহর কাছে বছরের শ্রেষ্ঠ সময়। এই দিনগুলোর...
15/04/2026

🌙 *যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের বিশেষ আমল পরিকল্পনা* ✨

যিলহজ্জের এই ১০টি দিন মহান আল্লাহর কাছে বছরের শ্রেষ্ঠ সময়। এই দিনগুলোর প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদতের মাধ্যমে উজ্জ্বল করার জন্য নিচের আমলগুলো আমরা আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে যুক্ত করতে পারি:

১. ফরয ও নফল সালাতে বিশেষ যত্ন

সব ইবাদতের মূল হলো পাঁচ ওয়াক্ত সালাত। এই দিনগুলোতে প্রতিটি সালাত জামাতের সাথে, পূর্ণ মনোযোগ ও খুশু-খুযুর সাথে আদায়ের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। ফরযের পাশাপাশি *তাহাজ্জুদ, ইশরাক এবং সালাতুদ দুহা (চাশতের নামাজ)* আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা বাড়ানো।

২. যিকিরে জিহ্বাকে সজীব রাখা

রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দিনগুলোতে বেশি বেশি তাকবীর, তাহমীদ ও তাসবীহ পড়তে উৎসাহিত করেছেন। কাজ করতে করতে, হাঁটাচলা কিংবা অবসরে মনে মনে পড়ুন:
* *সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার।*
* বিশেষ করে ৯ই যিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ই যিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামাজের পর
* *তাকবীরে তাশরীক* (আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ) পাঠ করা ওয়াজিব।

৩. কুরআন তিলাওয়াত ও খতমের পরিকল্পনা

এখন থেকেই লক্ষ্য স্থির করুন যেন এই ১০ দিনের মধ্যে অন্তত একবার কুরআন খতম করা যায়। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি অংশ অর্থসহ পড়ার চেষ্টা করুন যাতে কুরআনের হেদায়েত অন্তরে প্রবেশ করে।

৪. সিয়াম বা রোজা পালন

যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা অনেক সওয়াবের কাজ। যারা সব দিন পারবেন না, তারা অন্তত *৯ই যিলহজ্জ 'আরাফার দিনের' রোজা* যেন মিস না করি। এই একটি রোজার বিনিময়ে আল্লাহ বিগত এবং আগামী—এই দুই বছরের গুনাহ মাফ করে দেন।

৫. তাওবাহ ও ইস্তিগফার

গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো তাওবা। অতীতের সব ভুলের জন্য লজ্জিত হয়ে বারবার পড়ুন— *আস্তাগফিরুল্লাহ*। অন্তরের কলুষতা দূর করার এটাই সেরা সময়।

৬. দান-সদকা ও মানুষের সেবা

সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব-দুঃখীদের পাশে দাঁড়ানো। অল্প হলেও প্রতিদিন কিছু সদকা করার অভ্যাস করা, কারণ এই দিনগুলোর যেকোনো নেক আমল আল্লাহর কাছে অন্য সময়ের চেয়ে অনেক বেশি প্রিয়।

৭. কুরবানীদাতার জন্য বিশেষ আমল

যারা কুরবানী করার নিয়ত করেছেন, যিলহজ্জের চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানী সম্পন্ন না করা পর্যন্ত নিজেদের চুল, নখ ও চামড়ার কোনো অংশ না কাটা মুস্তাহাব। এটি হজ্জের ইহরামের সাথে একটি আধ্যাত্মিক সাদৃশ্য তৈরি করে।

৮. আত্মশুদ্ধি ও আচরণের পরিবর্তন

কেবল পশু কুরবানী নয়, নিজের ভেতরের অহংকার, ক্রোধ, হিংসা এবং লোকদেখানো মানসিকতাকেও কুরবানী দিতে হবে। কারো হক নষ্ট করে থাকলে তা ফিরিয়ে দেওয়া, আত্মীয়তার সম্পর্ক জোড়া লাগানো এবং কথাবার্তায় নম্রতা বজায় রাখা জরুরি।

৯. দোয়ার বিশেষ মুহূর্তগুলো কাজে লাগানো

আরাফার দিন হলো বছরের শ্রেষ্ঠ দোয়ার দিন। নিজের জন্য, পরিবারের জন্য এবং মজলুম মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি 'দোয়া লিস্ট' তৈরি করে ফেলুন এবং নিভৃতে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করুন।

১০. পরিবারে ইবাদতের পরিবেশ

ঘরের সবাইকে এই দিনগুলোর গুরুত্ব জানান। সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একসাথে যিকির বা দ্বীনি আলোচনা করুন, যেন পুরো ঘর আল্লাহর রহমতে ভরে ওঠে।

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের এই বরকতময় দিনগুলোতে সর্বোত্তম আমল করার এবং আপনার প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন।

© এডমিন পোস্ট

নববর্ষ শুরু হলে মুমিনের করণীয় কি কি হতে পারে?সময়ের চাকা ঘুরে আমাদের জীবনে আরও একটি নতুন বছরের আগমন ঘটে। একজন মুমিনের কা...
14/04/2026

নববর্ষ শুরু হলে মুমিনের করণীয় কি কি হতে পারে?

সময়ের চাকা ঘুরে আমাদের জীবনে আরও একটি নতুন বছরের আগমন ঘটে। একজন মুমিনের কাছে প্রতিটি নতুন দিন বা বছর কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা পরিবর্তন নয়, বরং আত্মোপলব্ধি এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক নতুন সুযোগ।

বিগত বছরের ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে এবং আগামীর দিনগুলোকে নেক আমলের মাধ্যমে সাজাতে শায়খুল হাদীস হাফেয মাওলানা আবু বকর কাসেমী দা.বা. আমাদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন:

* *আল্লাহর শুকরিয়া:* হায়াতে আরও একটি বছর বরকত হিসেবে পাওয়ার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
* *তাওবা ও ইস্তিগফার:* পেছনের গুনাহ ও ভুলগুলোর জন্য লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
* *নেক আমলের সংকল্প:* নতুন বছরে নিয়মিত ইবাদত ও ভালো কাজের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করা।
* *পরোপকার:* মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার মানসিকতা তৈরি করা।
* *দোয়া ও মুনাজাত:* নিজের, পরিবারের এবং উম্মাহর কল্যাণে বেশি বেশি দোয়া করা।

আসুন, বিজাতীয় সংস্কৃতি পরিহার করে ইসলামের সুমহান আদর্শে নিজের জীবনকে সাজাই। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েতের পথে অবিচল রাখুন। আমীন।

#ইসলামিক_জীবন #নববর্ষ #মুমিনের_করণীয়
#শায়খুল_হাদীস #আবু_বকর_কাসেমী
#নতুন_বছর #নতুন #ইসলামিক

পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও নতুন বছরের শুভেচ্ছাসূর্য উদয় এবং অস্তের অমোঘ নিয়মে আবর্তিত হয় সময়। এক একটি বছর অতিক্রান্ত হওয়া মানে...
13/04/2026

পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও নতুন বছরের শুভেচ্ছা

সূর্য উদয় এবং অস্তের অমোঘ নিয়মে আবর্তিত হয় সময়। এক একটি বছর অতিক্রান্ত হওয়া মানে আমাদের জীবন থেকে মহামূল্যবান কিছু সময় হারিয়ে যাওয়া। বাঙালি সংস্কৃতিতে ‘পহেলা বৈশাখ’ বা বাংলা নববর্ষ একটি প্রাচীন ঐতিহ্য। তবে একজন মুসলিম হিসেবে এই দিনটি উদযাপনে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত, তা কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

১. উৎসবের সংজ্ঞায় ইসলাম

ইসলামে উৎসব কেবল বিনোদন নয়, বরং তা ইবাদত ও আকিদার সাথে সম্পৃক্ত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় হিজরত করেন, তখন সেখানে মদিনাবাসীদের দুটি উৎসবের দিন ছিল (নওরোজ ও মেহেরজান)। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

> “আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে সেই দিন দুটির পরিবর্তে তার চেয়ে উত্তম দুটি দিন (উৎসবের জন্য) দান করেছেন; তা হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা।” (সুনানে আবু দাউদ: ১১৩৪)

এই হাদিস থেকে স্পষ্ট হয় যে, মুসলিমদের নিজস্ব স্বকীয়তা ও উৎসবের সীমানা নির্ধারিত।

২. শিরক ও বিজাতীয় সংস্কৃতির সংমিশ্রণ

পহেলা বৈশাখ উদযাপনের বর্তমান রীতিতে অনেক ক্ষেত্রে এমন কিছু বিষয় পরিলক্ষিত হয়, যা সরাসরি ইসলামী আকিদার সাথে সাংঘর্ষিক। যেমন:

* মঙ্গল শোভাযাত্রা ও মূর্তি প্রদর্শন:

বিভিন্ন পশু-পাখির প্রতিকৃতি বা মূর্তিকে মঙ্গলের প্রতীক মনে করা। অথচ ইসলামে কল্যাণ বা অকল্যাণের মালিক একমাত্র আল্লাহ। আল্লাহ তায়ালা বলেন:

> “আর যদি আল্লাহ তোমাকে কোনো কষ্টের ছোঁয়া দেন, তবে তিনি ছাড়া তা দূরকারী আর কেউ নেই। আর যদি তিনি তোমার মঙ্গল চান, তবে তাঁর অনুগ্রহ রদ করার কেউ নেই।” (সূরা ইউনুস: ১০৭)

* বিজাতীয় সাদৃশ্য:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সতর্ক করে বলেছেন:

> “যে ব্যক্তি অন্য কোনো জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে।” (সুনানে আবু দাউদ: ৪০৩১)

৩. নতুন বছর ও আত্মোপলব্ধি

নতুন বছরের আগমনে আনন্দ প্রকাশ করা বা শুভেচ্ছা বিনিময় করা নাজায়েয কিছু নয়, যদি তাতে কোনো শিরকি বা হারাম কাজ না থাকে। তবে একজন মুমিনের জন্য নতুন বছর হওয়া উচিত ‘মুহাসাবা’ বা আত্মউন্নয়নের সময়। খলিফাতুল মুসলিমীন হযরত ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) বলতেন, “তোমাদের হিসাব নেওয়ার আগে তোমরা নিজেরাই নিজেদের আমলের হিসাব নাও।”

৪. পহেলা বৈশাখ উদযাপনে একজন মুসলিমের করণীয়

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে একজন মুসলিম পহেলা বৈশাখকে নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করতে পারেন:

* হালাল বিনোদন:

ইসলামি শরিয়তের সীমানায় থেকে আনন্দ প্রকাশ করা।

* দোয়া ও শুকরিয়া আদায়:

বিগত বছরের গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং আগামী বছরের কল্যাণের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা।

* অপচয় বর্জন:

উৎসবের নামে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় বা অপচয় না করা; কারণ ইসলাম এমন কিছু সমর্থন করে না।

* সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা:

এমন কোনো কাজে লিপ্ত না হওয়া, যা অন্য ধর্মের ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ।

সুতরাং, বাঙালি হিসেবে বাংলা নববর্ষের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি আমাদের টান থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই আবেগ যেন আমাদের ঈমানি চেতনাকে ছাড়িয়ে না যায়। আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূলের সন্তুষ্টির ভেতরে থেকে কল্যাণময় সমাজ গড়ার অঙ্গীকারই হোক আমাদের নতুন বছরের প্রকৃত চেতনা।

আল্লাহ তাআলা আমাদের নতুন বছরকে রহমত ও বরকতময় করুন। আমিন।

✍️ রশীদ আহমাদ তাকী ইবরাহীমী

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। 🤲আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই আল্লাহ তায়ালার এক একটি নেয়ামত। কিন্তু এই ব্যস্ত পৃথ...
13/04/2026

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। 🤲

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই আল্লাহ তায়ালার এক একটি নেয়ামত। কিন্তু এই ব্যস্ত পৃথিবীর মোহে পড়ে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই আমাদের মূল গন্তব্যের কথা। একজন মুমিনের প্রকৃত সফলতা তো কেবল দুনিয়ার চাকচিক্যে নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির মধ্যেই নিহিত।

✅ আজকের কথামালা—

১. দিনের শুরুতে অন্তত একবার হলেও আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন।
২. বিপদে ধৈর্য হারাবেন না, মনে রাখবেন— অন্ধকার রজনীর পরেই ভোরের আলো ফুটে ওঠে।
৩. মানুষের সাথে আপনার ব্যবহার যেন হয় নবীজি (সা.)-এর আদর্শের প্রতিফলন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে দ্বীনের পথে অবিচল থাকার এবং নেক আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন। ✨

📌 নিবেদনে :
শায়খুল হাদীস হাফেয মাওলানা আবু বকর কাসেমী দা.বা.

(এডমিন পোস্ট)

#ইসলামিক_নসিহত #দ্বীনের_কথা #আল্লাহর_স্মরণ #আবু_বকর_কাসেমী #ইসলামিক_পোস্ট #ধৈর্য #তাকওয়া

13/04/2026

জামিয়া রশীদিয়া ঢাকা এর মাদানী নেসাব‌‌‌ ১ম বর্ষের ছাত্রদের তামরীন বা অনুশীলনের একাংশ।

12/04/2026

জামিয়া রশীদিয়া ঢাকা এর মাদানী নেসাব ১ম বর্ষের ছাত্রদের আরবি ভাষা অনুশীলন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আবু বকর কাসেমী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share