21/03/2023
have been writing for a long time but never published them just tried something new!
পাই (π) বাবাজির পরিচয়-১
পাই (π) কি ভাবে পাই ??? পাই কি ? পাই কে জানতে হলে আমাদের বৃত্তকে চিনতে হবে । এখন মূল কথা হল বৃত্ত কি ?এর সাথে এই পাই-এর সম্প....
13/11/2022
StoryHead He's practicing freestyle educational content making through storytelling on YouTube.
24/07/2022
Hear!Hear!
অনেকর কাজে লাগতে পারে!
14/05/2022
আজ যখন আমি লেখাটা লিখি তখন বাজে ১২ঃ০২ । লেখাটা ক্সেজুলে থাকবে তাই হয়তোবা আপনারে লিখাটি পরে পাবেন ।
আমাকে আমার এক বন্ধু একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছিলো ,"মানুষ একা কেন বাঁচতে পারে না ?"।
ওর কথার উত্তর আমার মাথায় আসে এবং যা আমি বলি যে , " মানুষ সামাজিক জীব তাই আমরা একা থাকতে পারি না আমাদের কার না কারো সঙ্গের প্রয়োজন হয় ।", কিন্তু ও আমাকে অবাক করে আরেকটি প্রশ্ন ছুরে মারে আমার মুখে , তাহলো " একজন নির্দিষ্ট মানুষের কেন প্রয়োজন হয়?"। এখন আমি হতবাক কারণ মানুষ বেতিরেকে অনেক কম প্রজাতির প্রাণী রয়েছে যারা এক নির্দিষ্ট সঙ্গির সাথে বসবাস করে থাকে। বিষয়টির প্ররেক্ষাপট আমি মানুষের মানসিক চাহিদার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখবো।
যদি আমরা একজন মানুষের জীবনচক্র দেখি তাহলে দেখা যায় যে মানুষেরা একে অপরের উপর মানসিক ভাবে নির্ভরশীল। আর আমাদের সমাজ আমাদের কখনো একা থাকার স্কোপ দেয় না ,মানুষের একা যে থাকতে হয় তার পরিচর্চা করা হয়না , ফলে আমরা একা থাক্তেই ভয় পাই । যেমন আমরা শৈশবে আমাদের বাবা-মায়ের উপর নির্ভরশীল আমাদের সকল মানসিক চাহিদাই তারা পূরন করেন । পরবর্তিতে তা বন্ধ এক পর্যায় তা প্রিয় মানুষের কাছে হস্তান্তর করি আমরা নিজেরা কারণ তাই তো আমাদের স্বভাব । কিন্তু আমরা চাইলেই মানুষদের কাছথেকে দূরে চলে যেতে পারবো না তাহলে আমরা নিজেরাই ভুগবো। এখন কথা হলো তাহলে একজনই কেনো ? আপনারা কি জানেন কেনো ??
13/05/2022
এখন রাত ২ঃ২২ বাজে , কাল সকাল ৯ টায় আমার পরীক্ষা আর ৭ঃ৩০ এ বাস দেখি কি হয় !!!
আজ যে বিষয় নিয়ে বলবো তার মূল হলো "অভিযোজন" । এই জিনিসটা কি আসলে । আমার গেছে লেখায় একটি কমেন্ট এসেছিলো আমার বন্ধু উন্মেশ সুত্রধরের কাছ থেকে । সে জানতে চেয়েছিল আমি " অভিযোজন ক্ষমতার খেলা " বলতে কি বুঝিয়েছি । তাকে উদ্দেশ্য করেই আজকের লেখা।
আগে আমাদের বুঝতে হবে অভিযোজন ক্ষমতা বলতে আমরা কি বুঝি। ভাই আমি সোজা মানুষ যেই শব্দ বুঝি না তা ভেঙ্গে ফেলি । সেই সুবাদেই অভিযোজন কে ভেঙ্গে আমরা পাই "অভি" ও "যোজন" । "অভি" যার সুন্দর বাংলা অর্থ হল "উপযুক্ত" আর "যোজনের" সুন্দর বাংলা অর্থ হচ্ছে "যোগ করা বা পরিবর্তন হওয়া"। তাহলে আমি যদি দুই শব্দকে এক সাথে অর্থ দেওয়ার চেষ্টা করি তাহলে পাবো উপযুক্ত পরিবর্তন। কি জন্য পরিবর্তন নিজের অস্তিত্য রক্ষার্থের জন্য পরিবর্তন। আর নিজের অস্তিত্য রক্ষা করার জন্য যে আমাদের সৃষ্টি করেছেন সেই আমাদের মধ্যে সেই অনুভূতি দিয়ে দিয়েছেন ।
এখন বিষয়টি আপনার হাতে আপনি নিজের সবটুকু দাওার পরও মন খারাপ করে বসে থেকে নিজে্র কপালকে দোষ দিবেন অথবা নিজেকে দোষী সাব্ব্যস্ত করে নিজের জীবন নরকের ন্যায় করবেন নাকি নিজে যেই পরিস্থিতিতে আছেন তা মেনে নিয়ে সামনের দিন গুলোকে আর সুন্দর কিভাবে করা যায় তা নিয়ে কাজ করবেন।
সিদ্ধান্ত সম্পুর্ন আপনার নিজের ।
কিন্ত আমার মনে হয় , তার জন্য কাওকে ক্ষমা করে দাওয়া বা কাওকে আপন করে নওয়া আমার মনে হয় বেশি ক্ষতির নয় যদি সে আসলেই তার যোগ্য হয় ।।।
-Maruf Islam Munna
Photo:- Maruf Islam Munna
12/05/2022
রাত বাজে ৩ঃ৩৭ এখন চোখে ঘুম তাও লিখতে বসলাম।
আজ সারাটা দিনে আমার পরিচিত এক NDC এর ছাত্রের জন্মদিন ছিল। একটা জিনিস খেয়াল করলাম আপনি যেই পরিস্থিতিতে আছেন সেই অনুযায়ি অস্থায়ী বন্ধুদের আচরনও পরিবর্তন হবে, আর এর কারণ কি তা নিয়ে আমি কোনো কথা বলবো না এটা সম্পূর্ন প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব ইচ্ছা, কিন্তু আমি কথা বলবো আমার ভাবনা নিয়ে। আমার পরিচিত যারা রয়েছে তারা জানে আমার কার কাছে NDC মানে কি ! কারণ তাদের অনেকেই দেখেছে আমার অনূভূতির কতটা বড় একটা অংশ এই প্রতিষ্ঠানটির সাথে সম্পর্কিত। সেই দিকে যাব না যাই বিশয় নিয়ে বলবো তা হলো " সফলতা " আমি NDC এর নামটা নেওয়ার কারণ হলো আমার কাছে মনে হয়েছিল এবংকি এখন মনে হয় NDC তে টিকা মানে সফলতা। কিন্তু এটাই কি সামগ্রিক সফলতা ?
তখন এ ভাবতে বসলাম এই সফলতা টা কি ? এটা খায় নাকি মাথায় দেয় ? দেখলাম এটা একটা আত্নতৃপ্তির অনূভুতি; যা আমাদের কোনো কাজের ফল নিয়ে মনে সন্তুষ্টির অনূভভ জাগায়। দেখলাম কারো সফলতা এক ইয়া বড় রাজপ্রাসাদে এক বিসাল ঘরে একলা থাকতে , কারো সফলতা একটি ৫"×৮" এর একটি ছোট কুড়েঘরে নিজের কারো করলে একটি বালিশ ভাগাভাগি করে থাকতে। কারো কাছে ব্যাংকে সারাজীবন কষ্ট করে শত শত কোটি টাকায় সফলতা , কার কাছে সারাটা দিন রোদে রিক্সা চালিয়ে ৫০০ টা টাকার বাজার নিয়ে ঘরে ফেরা সফলতা। বাস্তবে সামগ্রিক সফলতা বলতে কিছু নেই সব এ মানুষের অভিযোজন ক্ষমতার খেলা।
যে অভিযোজীত হতে পারে , যে জানে ও বিশ্বাস করে সে তার সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করেছে জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাওার , যে নিজের সবটুকু দিয়ে দিয়েছে ভালোবাসার মানুষকে ভালোরাখতে তার কাছে তাই তার সফলতা।আর সেই হচ্ছে প্রক্রিত অর্থে সফল ।।।
- Maruf Islam Munna
Photo:- Maruf Islam Munna
11/05/2022
আজ অনেক কাছের একটা বন্ধুর সাথে অনেক দিন পর অনেকক্ষন কথা হল ১১ঃ০২ থেলে ২ঃ২১ এর একটু আগ পর্যন্ত কেন জানি অনেক ভাল লাগতাছে যখন অর সাথে কথা বলছিলাম তখন কেমন জানি অনুভব হচ্ছিল। এক কথায় এক মিশ্র অনুভুতি।কিন্তু একটি জিনিস বুঝতে পেরেছি ; আপনি যতক্ষন কারো সাথে কথা বলবেন আপনার ভাল লাগবে। তাতে আপনার যত কষ্টই হোকনা কেন ,যত যন্ত্রনার মধ্যে দিয়েই যান না কেন , আপনার ভালো লাগবে। আর যাই হোক শান্তি পাবেন। এক বুক শান্তি অনূভব করবেন!
।
।
।
।
।
।
।
।
।
তাই বলবো নিজের মাঝে না জমিয়ে বিলিয়ে দেন যার যা রয়েছে আপনার কাছে । হতে পারে তা অভিমান, রাগ ,ঘ্রীনা কিংবা এক আকাশ ভালোবাসা।
-Maruf Islam Munna
10/05/2022
আজ আমি আমার পরীক্ষার জন্য অপরিচিতা গল্পটা পড়ছিলাম। পড়ার এক মূহুর্তে কেন জানি অন্যরকম অনুভুতি হলো। লেখায় ছেলেটার নাম বলা হয় নি কিন্তু ভেবে দেখেন একজন প্রেমিক হিসেবে তার অবস্থানটা কোথায় ?
তার পুর্বে যারা অপরিচিতা পড়েনি তাদের জন্য কিছু সারসংক্ষেপ বলি।
মুল গল্পের দুই পক্ষ , এক পাত্র পক্ষ আরেকটি কনে পক্ষ । পাত্র পক্ষে আছে পাত্রের মামা যে কখন ঠকতে রাজি না বলে ভাগ্নের বিয়েতে যৌতুকের গহনা মাপার জন্য সেকরা নিয়ে জান , দুই মা যে নিজে এক পর্যায় গরিব ছিলেন কিন্তু স্বামির ওকালতির বদৌলতে শুখের মুখ দেখে কিন্তু স্বামি তা ভগ করতে পারেননি আর পাত্র যে ২৩ বছরের মায়ের আদরের মেরুদন্ডহিন ছেলে যে ভালোকে ভালো আর মন্দকে মন্দ বলতে শিখেনি কিন্তু পরবর্তীতে তার হাঁড় শক্ত হয়। দ্বিতীয় পক্ষ হলো কনে পক্ষ যেখানে প্রথমত কনের অত্যন্ত নম্র ,ভদ্র ও আত্নসম্মানওয়ালা মানুষ আরেকজন কনে হুবাহু বাবার মতন আত্নসম্মানওয়ালা মানুষ কল্যানি।
জিনিসটা সহজ করে বলি ছেলে মেয়ের বিয়ে হবে ছেলের মামা আর মেয়ের বাবার মাঝে পন নিয়ে কথা । বিয়ের দিন মামা যৌতুকের গহনা মাপার জন্য সেকরা নিয়ে যান পরে কনের বাবা বরকে ডাক দিয়ে বলেন এতে তার কোনো মত আছে নাকি না । কনের বাবা যখন দেখলেন বর হলো মেরুদন্ডহিন তখন এ তিনি মনে মনে বিয়ে ভেঙ্গেদেন পরে বরপক্ষের সবার আদর সমাদর করে বিদেয় দেন যা বরপক্ষের কাছে অপমানজনক তারা ফিরে যায় পররে বরের কল্যানির সাথে হুট দেখা তখন তার মনে কি মায়া কি ভালোবাসা সে তাকেই বিয়ে করবে কিন্তু কল্যানি যে তখন মুক্ত পাখি সে যে কারো হাতে ধরা দিবে না ।
এখন আমার কথা হলো শেষে কবিগুরু কিছু কথা বলেগেছেন যা একজন প্রেমিকের জানা উচিত বলে আমার মনে হয়ঃ
১। দূরে থেকেও ভালবাসা যায়।
২। সময় থাকতে নিজের পায়ের মাটি বলি বা পিঠের হাঁড় বলি শক্ত করে নেও ।
৩। যাকে চাও তাকে হেলা করো না করলে যখন পাবে না তখন ভুগবে এবং একরাশ আফছছ নিয়ে বাচঁবে যদি আসলেই ভালোবেসে থাকো ।