Stethoscope Lover's

Stethoscope Lover's

Share

Online medical & Dental admission programme

22/02/2023

চুকনগর গণহত্যা

☞ চুকনগর গণহত্যা একটি সামরিক গণহত্যা যা পাকিস্তান সেনাবাহিনী ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত করে।
☞ গণহত্যাটি ১৯৭১ সালের ২০ মে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুুুুুকনগরে ঘটে।
☞ বিশ্বের কোনো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ একক গণহত্যা।
☞ হত্যাকাণ্ডে নিহতদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে চুকনগরে একটি স্মৃতিসৌধ স্থাপন করা হয়েছে যা "চুকনগর শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ" নামে পরিচিত।

19/02/2023

কোন যন্ত্র দিয়ে কি মাপা হয়:-

• রক্তচাপ - স্ফিগমোম্যানোমিটার
• প্রস্বেদন - গ্যানং পটোমিটার
• অক্সিজেনের ঘনত্ব ও হৃদকম্পন - পালস অক্সিমিটার
• আদ্রর্তা - হাইগ্ৰোমিটার
• বায়ুর চাপ - ব্যারোমিটার
• pH - pH মিটার
• ভূমিকম্প - সিসমোগ্ৰাফ
• গ্যাসের চাপ - ম্যানোমিটার
• নিউক্লিয়াসের শক্তিকে কাজে লাগানোর যন্ত্র - রিঅ্যাক্টর
• তাপ - ক্যালরিমিটার
• তাপমাত্রা - থার্মোমিটার
• সমুদ্রের গভীরতা - ফ্যাদোমিটার
• তড়িৎ প্রবাহ - অ্যামিটার
• আপেক্ষিক রোধ - মিটার ব্রীজ
• বৈদ্যুতিক বিভব - ভোল্টমিটার
• বিভব পার্থক্য ও তড়িচ্চালক শক্তি - পটেনশিওমিটার
• সূর্যের উত্তাপ নির্নয় - পাইরোমিটার
• অজানা রোধ --পোস্টঅফিস বক্স
• কম্পাংক মাপার যন্ত্র - সনোমিটার
• বিকিরণ মাপার যন্ত্র - রেডোমিটার
• দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব মাপার যন্ত্র - ল্যাকটোমিটার

19/02/2023

🔰কোষ

✅গবলেট কোষ = ক্ষুদ্রান্ত্রে+ বৃহদান্ত্রে ( বৃহদান্ত্রে বেশি )
✅সার্টলী ও লিডিগ কোষ = শুক্রাশয়ে
✅রুগী(যোনি+পাকস্থলী) ও প্যারাইটাল কোষ = পাকস্থলীতে
✅মাস্ট কোষ( ত্বক,অস্থিমজ্জা+যকৃত) , কাফফার কোষ = যকৃতে
✅পোডোসাইট = নেফ্রন
✅মাইক্রোগ্লিয়া = মস্তিষ্কে
✅সোয়ান কোষ - নিউরনের অ্যাক্সনে
✅মেসেঞ্জিয়াল কোষ = বৃক্কে
✅ভিলাই = ক্ষুদ্রান্ত্রে

✅মাইক্রোভিলাই = মানবদেহের ৩ জায়গাতে মাইক্রোভিলাই থাকে।। এগুলো হলোঃ
১। ক্ষুদ্রান্ত্র
২। প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকা এবং
৩। পিত্তথলি।

19/02/2023

☘️ আলফা কনার গতি →10^7 m/s -2.5×10^-7 m/s

☘️H পরমাণুর ব্যাস → 1×10^-8 cm বা 0.1nm

☘️ নিউক্লিয়াসের ব্যাস → 1×10^-12 - 10^-13 cm

☘️ বোর ব্যাসার্ধ → 5.29×10^-11 /0.5292×10-8 cm

☘️ রিডবার্গ ধ্রুবক- 109739 c/m

17/02/2023

#সংবিধানের সমাধান ( যেখান থেকে প্রশ্ন হয় প্রতি বছর)
======================
🔘✿➢ সংবিধানের সংখ্যাসমূহঃ

🔘✿➢১.সংবিধানের মোট ভাগ - ১১টি।
🔘✿➢২.সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ -১৫৩ টি।
🔘✿➢৩.সংবিধানের মোট তফসিল -৭ টি।
🔘✿➢৪.সংবিধানের মূলনীতি - ৪ টি।
🔘✿➢৫.সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য -৩৪ জন।
🔘✿➢৬.সংবিধান বলা হয়েছে সংরক্ষিত মহিলা আসন -৫০ টি।
🔘✿➢৭.সংবিধান সংশোধন করতে প্রয়োজন -২/৩ অংশ ভোট।
🔘✿➢৮.রাষ্ট্রপতির অভিশংসন করতে প্রয়োজন -২/৩ অংশ ভোট।
🔘✿➢৯.এক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নিয়োগ হবেন সবোর্চ্চ -২ বার।
🔘✿➢১০.রাষ্ট্রপতির বয়স হতে হবে সর্বনিম্ন -৩৫ বছর।
🔘✿➢১১.প্রধানমন্ত্রীর বয়স হতে হবে সর্বনিম্ন-২৫ বছর।
🔘✿➢১২.সংসদ সদস্যের বয়স হতে হবে সর্বনিম্ন - ২৫ বছর।
🔘✿➢১৩.সংবিধানে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ - ১৪ বছরের নিচে।
🔘✿➢১৪.সংবিধানে প্রধান বিচারপতির অবসরসীমা -৬৭ বছর।
🔘✿➢১৫.সংবিধানে পিএসসি চেয়ারম্যানের অবসরসীমা -৬৫।
🔘✿➢১৬.সংবিধানে মহাহিসাব নিরীক্ষকের অবসর সীমা -৬৫ বছর।
🔘✿➢১৭.সংবিধানে বলা হয়েছে সংসদ অধিবেশন বিরতি থাকতে পারবে সবোর্চ্চ - ৬০ দিন।
🔘✿➢১৮.সংবিধানে বলা হয়েছে সংসদ নির্বাচন বাধ্যতামূলক দিতে হবে আসন শূন্য হওয়ার -৯০ দিনের মধ্যে।
🔘✿➢১৯.সংবিধানে বলা হয়েছে সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদ অধিবেশন আহ্বান করতে হবে সবোর্চ্চ -৩০ দিনের মধ্যে।
🔘✿➢২০.সংবিধানে বলা হয়েছে অধ্যাদেশ কার্যকর হবে - ৩০ দিনের মধ্যে।
……………

15/02/2023

#হাইভোল্টেজ_সাম্প্রতিক
#বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পদ
★ ২২তম রাষ্ট্রপতি- সাহাবুদ্দিন চুপ্পু
★ ১২তম গভর্নর- আব্দুর রউফ তালুকদার
★১৩তম সিইসি- কাজী হাবিবুল আউয়াল
★২৪তম মন্ত্রী পরিষদ সচিব- মাহবুব হোসেন
★ ১৬তম জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি -আব্দুল মুহিত
★ ১৪তম পিএসসির চেয়ারম্যান - সোহরাব হোসেইন
★ ১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেল - আমিন উদ্দিন

14/02/2023

মানবদেহ:

1: হাড়ের সংখ্যা: 206

2: পেশী সংখ্যা: 639

3: কিডনির সংখ্যা: 2

4: দুধের দাঁতের সংখ্যা: 20টি

5: পাঁজরের সংখ্যা: 24 (12 জোড়া)

6: হার্ট চেম্বারের সংখ্যা: 4

7: বৃহত্তম ধমনী: মহাধমনী

8: স্বাভাবিক রক্তচাপ: 120/80 mmhg

9: রক্তের ph: 7.4

10: মেরুদণ্ডে কশেরুকার সংখ্যা: 33

11: ঘাড়ে কশেরুকার সংখ্যা: 7

12: মধ্যকর্ণে হাড়ের সংখ্যা: 6

13: মুখের হাড়ের সংখ্যা: 14

14: মাথার খুলিতে হাড়ের সংখ্যা: 22

15: বুকের হাড়ের সংখ্যা: 25টি

16: বাহুতে হাড়ের সংখ্যা: 6

17: মানুষের বাহুতে পেশী সংখ্যা: 72

19: প্রাচীনতম সদস্য: চামড়া

20: সবচেয়ে বড় খাদ্য: লিভার

21: বৃহত্তম কোষ: স্ত্রী ডিম্বাণু

22: ক্ষুদ্রতম কোষ: বীর্য কোষ

23: ক্ষুদ্রতম হাড়: মধ্যকর্ণের স্টিরাপস

24: প্রথম প্রতিস্থাপিত অঙ্গ: একটি কিডনি

25: পাতলা অন্ত্রের গড় দৈর্ঘ্য: 7 মি

26: বড় অন্ত্রের গড় দৈর্ঘ্য: 1.5 মি

27: একটি নবজাতক শিশুর গড় ওজন: 3 কেজি

28: এক মিনিটে হৃদস্পন্দন: 72 বার

29: শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা: 37 ডিগ্রি সেলসিয়াস

30: গড় রক্তের পরিমাণ: 4 থেকে 5 লিটার

31: লাল রক্ত ​​​​কোষের জীবনকাল: 120 দিন

32: শ্বেত রক্তকণিকার জীবনকাল: 10 থেকে 15 দিন

33: গর্ভকালীন সময়কাল: 280 দিন (40 সপ্তাহ)

34: মানুষের পায়ে হাড়ের সংখ্যা: 33

35: প্রতিটি কব্জিতে হাড়ের সংখ্যা: 8

36: হাতের হাড়ের সংখ্যা: 27

37: বৃহত্তম অন্তঃস্রাবী গ্রন্থি: থাইরয়েড গ্রন্থি

38: বৃহত্তম লিম্ফ্যাটিক অঙ্গ: প্লীহা

40: বৃহত্তম এবং শক্তিশালী হাড়: ফিমার

41: ক্ষুদ্রতম পেশী: স্টেপেডিয়াস (মধ্য কান)

41: ক্রোমোজোম সংখ্যা: 46 (23 জোড়া)

42: নবজাতক শিশুর হাড়ের সংখ্যা: 306

43: রক্তের সান্দ্রতা: 4.5 থেকে 5.5 পর্যন্ত

44: সর্বজনীন দাতার রক্তের গ্রুপ: O

45: সার্বজনীন গ্রহণকারী রক্তের গ্রুপ: AB

46: বৃহত্তম লিউকোসাইট: মনোসাইট

47: ক্ষুদ্রতম লিউকোসাইট: লিম্ফোসাইট

48: লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বৃদ্ধিকে বলা হয়: Polyglobulie

49: শরীরের ব্লাড ব্যাঙ্ক হল: প্লীহা

50: জীবনের নদী বলা হয়: রক্ত

51: স্বাভাবিক রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা: 100 mg/dl

52: রক্তের তরল অংশ হল: প্লাজমা

06/02/2023

দুঃখ নিয়ে কিছু প্রশ্নঃ
🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁

বাংলার দুঃখ বলা হয়----দামোদর নদীকে
চট্টগ্রামের দুঃখ বলা হয়---চাকতাই নদীকে
কুমিল্লার দুঃখ বলা হয়---গোমতী নদীকে
চীনের দুঃখ বলা হয়--হোয়াংহো নদীকে
আফ্রিকার দুঃখ বলা হয়--সাহারা মরুভূমি
খাগড়াছড়ির দুঃখ--খরস্রোতা চেঙ্গি

05/02/2023

B1-C2-Tips & Tricks

⭕ জীবজগতে 3 প্রকার কোষ বিভাজন দেখা যায়। যথা-
👉অ্যামাইটোসিস
👉মাইটোসিস
👉মায়োসিস

💠 যে সকল কোষে বিভাজন হয় না- প্রাণীদেহের স্নায়ুকোষ, পরিণত জননকোষ বা গ্যামেট (শুক্রাণু, ডিম্বাণু, হৃৎপেশী কোষ, পেশী কোষ, সকল রক্তকোষ (RBC, WBC, Platelets), উদ্ভিদের স্থায়ী কোষসমূহ
যে সকল কোষ দ্রুত বিভাজিত হয় - ভ্রূণ কোষ, মূল ও কান্ডের শীর্ষ, মেরিস্টেম কোষ।

💠 অ্যামাইটোসিস বা প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন -
কোনো কোনো এককোষী জীবের সংখ্যাবৃদ্ধির ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ এবং একমাত্র প্রক্রিয়া।
সংঘটন স্থানঃ ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা, কতক ইস্ট (এককোষী বিশেষ করে আদিকোষী)
ব্যাকটেরিয়ার ছি-ভাজন প্রক্রিয়াও কতকটা অ্যামাইটোসিস এর মতোই বা সমার্থক।

💠 মাইটোসিস বা সমীকরণিক বা ইকোয়েশনাল কোষ বিভাজন
ক্যারিওকাইনেসিস - নিউক্লিয়াসের বিভাজন
সাইটোকাইনেসিস - সাইটোপ্লাজমের বিভাজন

মাইটোসিস নামে অভিহিত করেন- ওয়ালার ফ্লেমিং

সংঘটন স্থানঃ উদ্ভিদ ও প্রাণীর দৈহিক কোষে, যেমন: উদ্ভিদের কাণ্ড বা তার শাখা-প্রশাখার শীর্ষ, মূলের বর্ধিষ্ণু শীষ, ক্যাম্বিয়াম।

জীবদেহের সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ মাইটোসিস প্রক্রিয়ারই ফল।
জননাঙ্গের গঠন এবং বৃদ্ধিও মাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হয়ে থাকে।
এ প্রক্রিয়ায় প্রতিটি ক্রোমোসোম লম্বালম্বিভাবে দুটি ক্রোমাটিডে বিভক্ত হয়।
মাইটোসিসের ফলে একটি নিউক্লিয়াস থেকে দুটি নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়।
অপত্য কোষগুলো মাতৃকোষের সমান সম্পন্ন হয়, কারণ জীবনের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রক (জিনসমূহ বহনকারী) ক্রোমোসোমগুলোর প্রতিটি
পদ্মালম্বিভাবে বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষের নিউক্লিয়াসে যায়।
অপত্য কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার সমান থাকে।
অপত্য কোষ বৃদ্ধি পেয়ে মোটামুটি মাতৃকোষের সমান আয়তনের হয়।

⭕ কোষচক্র
একটি কোষ সৃষ্টি, এর বৃদ্ধি এবং পরবর্তীতে বিভাজন- এ তিনটি কাজ যে চক্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় তাকে কোষ।
মানুষের ক্ষেত্রে ২৪ ঘন্টা, ইস্টের ক্ষেত্রে ১০ মিনিট।
একটি জেনেটিক প্রোগ্রাম দ্বারা কোষচক্র নিয়ন্ত্রিত হয়।
কোষ চক্র নিয়ন্ত্রণকারী দুধরনের প্রোটিন হচ্ছে:
1) প্রোটিন কাইনেজ, ii) সাইক্লিন

💠 দুটি অংশে বিভক্তঃ
১. ইন্টারফেজ (৯০-৯৫%) - ২ টি M ফেজ-এর মধ্যবর্তী অবস্থা
২. M ফেজ বা মাইটোসিস পর্ব সময় মাত্র (৫-১০%)

ইন্টারফেজ কে সাধারণত ৩টি উপ-পর্যায়ে ভাগ করা - G1, S এবং G2

👉G1=এই পর্যায়ের শুরুতেই সাইক্লিন নামক প্রোটিন তৈরি হয় যা Cdk-এর সাথে যুক্ত হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়ার গতি ত্বরান্বিত করে ও নিয়ন্ত্রণ করে। যে কোষটি বিভাজিত হবে না তা আমৃত্যু এই উপ-পর্যায়েই আরম্ভ হয়ে যায়।
👉S=এই উপ-পর্যায়ের প্রধান কাজ হলো নিউক্লিয়াসের কোমোসোমস্থ DNA সূত্রের প্রতিলিপন।
👉G2= এই উপ-পর্যায়ের প্রধান কাজ হলো মাইক্রোটিউবিউল গঠনকারী পদার্থ সংশ্লেষণ যা দিয়ে মাইটোসিস পর্যায়ে স্পিন্ডল তন্তু তৈরি হয়। G2 থেকে মাইটোসিস-এ প্রবেশ করতে হলে ম্যাচুরেশন প্রোমোটিং ফ্যাক্টর (MPF) প্রয়োজন হয়।

⭕মাইটোসিসের ৫ টি পর্যায় -
👉প্রোফেজ- প্রথম ও সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী পর্যায়, ক্রোমোসোমগুলো খাটো, মোটা ও স্পট হয়ে দৃষ্টিগোচর হয় এবং এর বৃদ্ধি পায়।

👉প্রো মেটাফেজ- স্পিন্ডল যন্ত্র গঠন শেষ হয়, প্রতিটি ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার একটি ক্রোমোসোমাল তন্তুর এর সাথে সংযুক্ত হয়। এ সময় ক্রোমোসোম একটু আন্দোলিত হয় যাকে ক্রোমোসোমীয় নৃতা বলে। ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার সংযুক্তকারী তত্ত্বকে ট্রাকশন ফাইবার বলে।

👉মেটাফেজ - এ পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো কুন্ডলিত থাকায় সর্বাধিক খাটো এবং মোটা দেখায়। ক্রোমোসোমের মোটা ও খাটো হওয়ার, এ পদ্ধতিকে কন্ডেনসেশন (Condensation) বলে। একটি অতিমাত্রায় করেলিং প্রক্রিয়ায় এটি হয়ে থাকে বলে একে সুপার কয়েলিং বলে। মেটাকাইনেসিস ঘটে। ক্রোমোসোমগুলো স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে অবস্থান করে। এ পর্যায়ে কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা ও আকৃতি নির্ণয় করা যায়।

👉অ্যানাফেজ - সেন্ট্রোমিয়ারের পূর্ণ বিভক্তির ফলে প্রতিটি ক্রোমাটিড একটি অপত্য ক্রোমোসোমে পরিণত হয়। প্রতিটি ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার মেরুর দিকে অগ্রগামী এবং বাহু দুটি পশ্চাদবর্তী থাকে। চলনশীল অবস্থায় প্রতিটি ক্রোমোসোমকে সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থানের ভিত্তিতে V (মেটাসেন্ট্রিক), L (সাবমেটাসেন্ট্রিক) J (অ্যাক্রোসেন্ট্রিক) ও I (টেলোসেট্রিক) প্রভৃতি আকৃতির দেখায়। অপত্য কোমোসোমগুলো মেরুর কাছাকাছি পৌঁছালে এ ধাপের সমাপ্তি ঘটে।

⭕অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস

অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিসের ফলে টিউমার, ক্যান্সার সৃষ্টি হয়।
P নামক প্রোটিন সাধারণত কোষকে বিভাজন হতে বিরত রাখে। এটি defective হলে কোষচক্র নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। ফলে ক্যান্সার সৃষ্টি হয়। মানুষের প্রায় অর্ধেক সংখ্যক কোষেই defective p53 আছে। ক্যান্সার কোষ সইক্লিন Cdk এর নিয়ন্ত্রন নষ্ট।
টিউমার সৃষ্টি হওয়াকে বলা হয় Oncogenesis কোষ চক্র বিনষ্টকারী জিন হলো Oncogene বলে যে সব রাসায়নিক পদার্থ ক্যান্সার সৃষ্টিতে উৎসাহিত করে তাদেরকে বলা হয় Mutagens.

⭕কোষের মৃত্যু

২ টি উপায়ে কোষে মৃত্যু হয়-
👉Necrosis= পুষ্টির অভাব হলে অথবা বিষাক্ত দ্রব্যের কারণে ক্ষতি হলে কোষ মরে যায়।
👉Apoptosis= এটি হলো জেনেটিক্যালি নিয়ন্ত্রিত মৃত্যু। আমাদের দেহে প্রতিদিন যে লক্ষ লক্ষ কোষের মৃত্যু হয় তার অধিকাংশ রক্ত কোষ ও অন্ত্রের এপিথেলিয়াম লাইনিং কোষ।

⭕মায়োসিস

এই প্রক্রিয়ায় মাতৃকোষ থেকে চারটি কোষ সৃষ্টি হয়।

নিম্নশ্রেনির জীবে মায়েসিস হয় নিষেকের পর জাইগোটে; আর উচ্চ শ্রেণির জীবে মায়োসিস হয় নিষেকের পূর্বে জনন মাতৃকোষে

ক্রোমোসোম মাত্র একবার বিভক্ত হয়।
কায়াজমা সৃষ্টি ও ক্রসিং ওভার হয় বলে হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে জিন বিনিময় ঘটে।
মায়োসিস হলো বৈচিত্র্য সৃষ্টির একটি উপায়।

মায়োসিস ২ ধাপে হয়= মায়োসিস ১ ও মায়োসিস ২

মায়োসিস ১= ক্রোমোসোম অর্ধেক হয়। ৪ টি পর্যায়ে বিভক্ত- প্রোফেজ-১, মেটাফেজ-১, এনাফেজ-১, টেলোফেজ-১

মায়োসিস ২= মায়োসিস-১ এ প্রাপ্ত ২টি অপত্য নিউক্লিয়াস পুনরায় মাইটোসিসের অনুরূপ পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়ে ৪ টি হ্যাপ্লয়েড কোষ বা নিউক্লিয়াস গঠন করে।

💠 প্রোফেজ-১ এর ৫ টি ধাপ।

👉লেপ্টোটিন - নিউক্লিয়াসের জলীয় অংশ হ্রাস পায়; প্রাণিকোষের সেন্ট্রোমিয়ারগুলো নিউক্লিওঝিল্লির একস্থানে জড়ো হওয়ায় একত্রে একে ফুলের তোড়ার মতো দেখায়। মাকে বুকে (Bouqet) বলে।

👉জাইগোটিন - সিন্যাপস হয়, জোড়বন্ধ দুটি সমসংস্থ ক্রোমোসোম একত্রে বাইভ্যালেন্ট নামে পরিচিত। প্রাণিকোষের ক্ষেত্রে সেন্ট্রিওলে বিষক্রিয়া সূচনা ঘটে।

👉প্যাকাইটিন- বাইভেলেন্টর প্রতিটি ক্রোমোসোম সেন্ট্রোমিয়ার অংশ ব্যতীত দৈর্ঘ্য বরাবর বিভক্ত হয়। এর ফলে প্রতিটি বাইভেলেন্ট থেকে চারটি ক্রোমাটিভের সৃষ্টি হয়। এই চারটি ক্রোমাটিডকে একত্রে ট্রেট্রাড বলে। একই ক্রোমোসোম হতে প্রাপ্ত দুটি ক্রোমাটিড পরস্পরের সিস্টার ক্রোমাটিড, আর ভিন্ন ক্রোমোসোম হতে প্রাপ্ত দুটি ক্রোমাটিড পরস্পরের ননসিস্টার ক্রোমাটিড নামে পরিচিত।
ননসিস্টার ক্রোমাটিডের জোড়াস্থলকে কায়াজমা (X- আকৃতির) বলে। ক্রোমোসোম অংশের বিনিময়কে ক্রসিং ওভার বলে।

👉ডিপ্লোটিন - দশার শুরুতে হোমোলোগাস ক্রোমোসোমগুলোর সেন্ট্রোমিয়ার দুটির মধ্যে বিকর্ষণের ফলে বাইভেলেন্ট মধ্যে এক বা একাধিক স্থানে ফাঁস সৃষ্টি করে। দুই বা ততোধিক বাহু পরস্পর আবর্তনের ফলে পাশাপাশি লুপ ৯০ ডিগ্রী কোণে করে অবস্থান করে। একটি মাত্র কায়াজামা থাকলে এটি ১৮০ ডিগ্রী হতে পারে।

👉ডায়াকাইনেসিস - ক্রোমোসোমগুলো আরো বেশি খাটো এবং মোটা দেখায়।

05/02/2023

💢একনজরে কিছু আপডেট

💥মেডিকেলঃ ভর্তি পরীক্ষা ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। সার্কুলার প্রকাশিত হবে ৮ ফেব্রুয়ারি রাতের মধ্যে। আবেদন শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি। আবেদন ফি ১০০০ টাকা।

💥 আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের (AFMC): ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ১৮ মার্চ। এইচএসসির ফল প্রকাশের পর নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাবে।

💥 MIST: এর ভর্তি পরীক্ষা ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসির ফল প্রকাশের পরই বিস্তারিত সার্কুলার প্রকাশিত হবে।

💥 IUT: এর ভর্তি পরীক্ষা মার্চের মধ্যেই হতে পারে। এইচএসসির ফল প্রকাশের পর বিস্তারিত সার্কুলার প্রকাশিত হবে।

💥 BUP: এর ভর্তি পরীক্ষা মার্চের শেষ সপ্তাহের শুক্র-শনিবার হতে পারে। এইচএসসির ফল প্রকাশের পরপরই সার্কুলার প্রকাশিত হবে।

💥 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। একজন শিক্ষার্থী চাইলে সব ইউনিটেই আবেদন করতে পারবে। আবেদন ফি ১০০০ টাকা। বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে।

💥বুয়েটঃ প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষা মে মাসে হতে পারে। ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ১৮ মে। বাকিটা সার্কুলার বা নিউজ প্রকাশিত হলে জানা যাবে।

03/02/2023

👉 শান্ট

✅ সংজ্ঞা:
🔹 গ্যালভানোমিটার বা সূক্ষ্ম ও সুবেদী বৈদ্যুতিক যন্ত্রের মধ্য দিয়ে যাতে
উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে না পারে তার জন্য যন্ত্রের সাথে
সমান্তরালে স্বল্প মানের যে রোধ যুক্ত করা হয়।

✅ প্রবাহমাত্রা:
🔹 শান্টের প্রবাহ = মূল প্রবাহ × (যন্ত্রের রোধ)/(যন্ত্রের রোধ+শান্টের
রোধ) অর্থাৎ, I_s =I× G/(G+S)
🔹 যন্ত্রের প্রবাহ = মূল প্রবাহ × (শান্টের রোধ)/(শান্টের রোধ+যন্ত্রের
রোধ) I_G=I×S/(G+S)

✅ শান্টের গুণক:

🔹 (G+S)/S কে শান্টের গুণক ক্ষমতা বা শান্টের গুণক বলা হয়।

✅ বিশেষ তথ্য:
🔹 শান্টের রোধ শূন্য হলে সকল বিদ্যুৎ প্রবাহ শান্টের মধ্য দিয়ে যাবে।
🔹 শান্টের রোধ অসীম হলে সকল প্রবাহ গ্যালভানোমিটারের মধ্য দিয়ে
যাবে।
🔹 শান্ট সমান্তরাল শ্রেণিতে রোধক সজ্জার ব্যবহারিক প্রয়োগ।

✅ শান্টের ব্যবহার:
🔹 শান্টের ব্যবহারিক প্রয়োগ দেখা যায় ভোল্টমিটার ও অ্যামিটারে।
🔹 গ্যালভানোমিটারের বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা হ্রাস করা যায় ও অতি বিদ্যুৎ
প্রবাহজনিত ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায়।
🔹 উচ্চ বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা পরিমাপে একে ব্যবহার করা হয়।

🟥 আচ্ছা কমেন্ট করে বলো তো-
গ্যালভানোমিটারের তড়িৎ বর্তনীতে শান্ট ব্যবহার করা হয় কী উদ্দেশ্যে?

(a) গ্যালভানোমিটারের বিদ্যুৎ প্রবাহ বাড়ানোর জন্য
(b) গ্যালভানোমিটারের বিদ্যুৎ প্রবাহ কমানোর জন্য
(c) গ্যালভানোমিটারের বিভব পার্থক্য বাড়ানোর জন্য
(d) গ্যালভানোমিটারের বিভব পার্থক্য কমানোর জন্য..

03/02/2023

মেডিকেলে চান্স নিশ্চিত করার উপায় ~ পর্ব-০ ২

👉 কত ঘন্টা পড়া উচিত
✍️✍️ এক্ষেত্রে দুই ভাবে তুমি কাজ করতে পারো
✍️✍️ মেডিকেল অ্যাডমিশন টেষ্ট এর জন্য যে বই গুলো মুলবই হিসেবে পড়া উচিত
বোটানি: আবুল হাসান স্যার
জুলজি: গাজি আজমল স্যার
পদার্থবিজ্ঞান : আবু ইসহাক স্যার (প্রথম+দ্বিতীয় পত্র)
রসায়ন: হাজারী ও নাগ স্যার (প্রথম + দ্বিতীয়)
পাশাপাশি অতিরিক্ত তথ্যের জন্য পড়তে পারো
বোটানি: গাজি আজমল /আজিবুর স্যার
জুলজী: আলিম স্যার
পদার্থবিজ্ঞান: তপন স্যার
রসায়ন: প্রথম পত্র - গুহ স্যার, দ্বিতীয় পত্র-কবির স্যার।

✍ আমি প্রতি বিষয়ের জন্য একজন লেখকের বই পড়েছি এবং অন্যান্য লেখকের বই এর তথ্যের জন্য কোচিং থেকে দেওয়া বই পড়েছি । তবে যদি একজন লেখকের বই পরো তবে অতিরিক্ত বই গুলোর অনুশীলনীর প্রশ্ন গুলো solve করতে হবে ।

পদার্থ,রসায়ন ,যুলজি,বোটানি। কোনো একটা chapter পড়ার সময় কিছু বিষয়ে মাথায় রেখো । পড়ার সময় বিভিন্ন চার্ট,টেবিল,bold line,উদাহরণ,বই এর বিভিন্ন অংশ যেখান থেকে সহজে ৪ টা অপশন তৈরি করা যায়, অনুশীলনী প্রশ্ন,বোর্ড প্রশ্ন এই অংশ গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। একটা বই যতবার রিভিশন দিবে প্রতিবার এ বই নিজে মার্ক করার চেষ্টা করবে কারণ প্রতিবার তোমার অভিজ্ঞতা যত বাড়বে তুমি বুঝতে শিখবে কোন তথ্য গুলো না জানলেও চলবে।পাশাপাশি এক্সাম এর আগে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো দেখে যেতে পারবে।
১. তোমার কোচিং থেকে যে পড়া গুলো দেওয়া হবে সে পড়া গুলো শেষ করতে যত সময় লাগবে ততক্ষণ পড়তে হবে ।

২. তুমি যখন তোমার অ্যাডমিশন প্রিপারেশন শুরু করবে তখন থেকে প্রতি দিন বা প্রতি সপ্তাহে এ পড়ার পরিমাণ বাড়াবে । আমি যখন আমার admission journy শুরু করি তখন আমি ৫ বা ৬ ঘন্টা পড়তাম প্রতিদিন । এবং প্রতি দিন ই কিছু না কিছু সময় বাড়ানোর চেষ্টা করতাম। এভাবে
পরীক্ষার আগে ১৩ ঘন্টা পড়তে পারতাম ।

আর কখনো কারো পড়ার সময়ের সাথে তুলনা দিও না কেননা দুই জন ব্যাক্তির সময়ের পার্থক্য থাকবেই। তুমি তোমার জায়গা থেকে নিজের সর্বোচ্চ টা দেওয়ার চেষ্টা করবে।

👉কোন কোচিং এ পড়বো বা কতটি কোচিং করবো
✍️✍️ কোচিং করার ক্ষেত্রে মূলধারার কোচিং গুলোই করা উচিৎ। যেমন: রেটিনা উন্মেষ মেডিকো। আর যদি মনে করো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে তোমার দুর্বলতা আছে তবে কোনো বড় ভাইয়া বা আপুর কাছে পড়তে পারো কোচিং এর পাশাপাশি ।

একটা কোচিং এ ফার্স্ট টু লাস্ট করা উচিত ভালোভাবে। এর পর শেষ সময়ে অন্য কোনো কোচিং এর এক্সাম ব্যাচ এ ভর্তি হতে পারো প্রস্তুতি যাচাই এর জন্য ।
👉 কোচিং এক্সাম

✍️✍️ এক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে
১. Full preparation নিয়ে এক্সাম দেওয়া উচিত
২. এক্সাম মার্ক কত করে পেলে চান্স হবে বলাটা সম্ভব না । তবে চেষ্টা করতে হবে একটা এক্সাম দেওয়ার সময় এমন ইনফো যেগুলো তুমি একবার হলেও পড়েছ সেগুলো ভুল করা যাবে না।
৩. কোচিং এক্সাম এ পজিশন নিয়ে চিন্তিত হয়ও না । You should compete with yourself ।
৪. প্রতি এক্সাম এ হয়ে যাওয়া ভুল গুলো বই এ মার্ক করে রাখতে হবে। এতে করে ভরতি পরীক্ষার আগে খুব কম সময়ে নিজের ভুল গুলো দেখে যেতে পারবে।
মার্ক কম পাওয়ার ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন জরুরি l
ধর ,কোনো এক পরীক্ষায় তুমি ১০০তে ৮০ পেলে । Say Alhamdulillah । কারণ বই এর যে ২০ টি লাইন তোমার মনে নেই প্রশ্ন কর্তা সেগুলোই ধরিয়ে দিয়েছেন যা হয়তো ভরতি পরীক্ষায় আসলে তোমার ভুল হতো ।

👉 প্রতিদিন ডায়েরি লেখা
✍✍ ডায়েরি লেখা তোমাকে পড়াশুনা গোছাতে সাহায্য করবে। তাই প্রতিদিন ই ডায়েরি লেখার চেষ্টা করতে হবে।পরের দিন কি পড়বে তা আগের দিন ডায়েরি তে লিখে রাখো।
👉 রিভিশন
✍️✍️ অ্যাডমিশন টাইম এ করা একটা বড় ভুল হলো প্রতিদিন রিভিশন না দেওয়া। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট সময় রিভিশন এর জন্য রাখতে হবে।
👉 GK English
✍️✍️ Gk-- বিগত বছরগুলোর প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখবে প্রশ্ন খুব কঠিন হচ্ছে না। অর্থাৎ basic থেকে আসতেসে।
যেহেতু gk সম্পুর্ণ নতুন টপিক তাই প্রতিদিন ৩০ অথবা ৬০ মিনিট gk পড়া উচিৎ । পড়ার ক্ষেত্রে বিগত বছরগুলোর MAT,BCS,DAT,DU এবং সম্ভব হলে অন্যান্য ভার্সিটি প্রশ্ন সলভ করতে হবে।
👉 কিছু গুরুত্ব পূর্ণ টপিক
✍ মুক্তিযুদ্ধ
✍খেলাধুলা
✍ সংস্কৃতি
✍ স্থাপত্য
✍ সাম্প্রতিক তথ্য
✍✍ English- বাজারে অনেক বই রয়েছে ইংলিশ এর জন্য পাশাপাশি কোচিং থেকেও বই দেওয়া হয়ে। Synonym Antonym,appropriate preposition এর মত টপিক গুলো প্রতিদিন কিছু না কিছু পড়ার চেষ্টা করতে হবে।আর অবশ্যই previous year এর bcs MAT,DAT ,DU । প্রশ্ন গুলো সলভ করতে হবে।

ENGLSIH আর GK তোমাকে ভর্তি পরীক্ষায় অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের তুলনায় এগিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।বিশেষ করে English।

👉 Question bank
✍️✍️ মূলবই এর যেকোন টপিক পড়ার আগে ওই টপিক থেকে বিগত বছর গুলোতে কি কি প্রশ্ন এসেছে এবং কতগুলো প্রশ্ন এসেছে তা দেখতে হবে। সেই সাথে তা মূল বইয়ের কোন লাইন থেকে এসেছে তা মার্ক করে নিতে হবে। এতে পরীক্ষার আগে ইম্পর্ট্যান্ট টপিক পড়তে সুবিধা হবে। পাশাপাশি তোমার কোয়েশ্চন সম্পর্কে ভালো ধারণা আসবে।

👉 রুটিন
✍️✍️রুটিন তৈরির ক্ষেত্রে টাইম based routine করা ভালো। অর্থাৎ দিনের কোন সময় গুলো তোমার পড়ার জন্য রাখবে তা আলাদা করে নাও। এবং ওই সময় এ কোচিং এর পড়া শেষ করো। সম্পুর্ণ দিনকে অনেক গুলো session এ ভাগ করে নাও। প্রতি session ৩০ মিনিট করে । প্রত্যেক সেশন এর পর ৫ অথবা ১০ মিনিট বিরতি রেখো।একটানা অনেক সময় পর্যন্ত না পড়াই ভালো। রাত জাগার চাইতে সকালে বেশির ভাগ পড়া পড়ে ফেলার চেষ্টা করতে হবে।

👉 Proper sleep
✍️✍️ প্রতিদিন অন্তত ৬ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে। যদি মনে হয় তোমার আরো বেশি সময় ঘুমানো দরকার তবুও সমস্যা না ।তোমাকে দিনের বাকি টা সময় যথাযথ ব্যাবহার করতে হবে । পর্যাপ্ত ঘুম তোমার পড়া মনে রাখার জন্য খুবই প্রয়োজন।

✍️✍️কিছু টিপস:
১.সকালে বেশি পড়ার চেষ্টা করতে হবে । ঘুম থেকে উঠার পরের সময়টা কাজে লাগাও।
২.যেই তথ্য কঠিন মনে হয় সেটা দাগিয়ে রাখো । শুধু বার বার রিডিং পরে যাও
৩. পড়ার সময় stopwatch ব্যাবহার করতে পারো এতে তোমার পড়ার অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে পারবে। চেষ্টা করবে প্রতিদিন পড়ার সময়টা কিছু হলেও বাড়াতে।
৩.💥💥Depression কাটানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় নামাজ পড়া। প্রতিদিন অল্প করে হলেও কোরআন শরীফ পড়বে।
৪.Reading room এর দেয়ালে নিজের মনে না রাখা তথ্য গুলো একটা পৃষ্ঠায় লিখে টানিয়ে রাখতে পারো। হাতেও লিখে রাখতে পারো কিছু তথ্য । কাজগুলো করার একটাই কারণ পড়াগুলো বার বার সহজে দেখতে পারো
৫. সংখ্যা বাচক তথ্য গুলো মনে রাখার জন্য একই সংখ্যার বিভিন্ন তথ্য এক জায়গায় লিখে রাখতে পারো।যেমন ধরো ৩০০ লেখা সকল তথ্য এক সাথে লিখে রেখো ।পড়তে সুবিধা হবে।
৬. মনে রেখো,💥💥💥ভালো রেজাল্ট করার সম্ভবনা তোমার পরিশ্রমের সমানুপাতিক । আর সামনানুপাতিক এর পরিবর্তে সমান চিন্হ লেখতে যে ধ্রুবক প্রয়েজন তা হলো তোমার শিক্ষক মা বাবা আর চারপাশের মানুষের দোয়া।

পরিশেষে বলব আল্লাহর উপর ভরসা রেখো আর পরিশ্রম করে যাও।আল্লাহ্ তোমার পরিশ্রমের সর্বোচ্চ মূল্য দিতে জানেন ।
নিজেকে মেধাবী নয় পরিশ্রমী ভেবো।
শেষ কথা
আফসোস, আক্ষেপ, দুশ্চিন্তা কিংবা টেনশনের পরিমাণ বা গভীরতা নিয়ে পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন আসবে না। কাজেই টেনশন করে কোন লাভ নেই।

তোমার আগে অনেকেই মেডিকেল এডমিশনে সফল হয়েছে যারা তোমার মতই শিক্ষার্থী। তারা পারলে তুমিও পারবে সব সময় এমনভাবে নিজেকে মোটিভেট করতে হবে।

সর্বোপরি নিজের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। তাহলে দেখবে আমার মতো একদিন সফল হবে❤️

আর তাও যদি পড়ার ইচ্ছা না করে তাহলে এক দিন সময় করে DMC থেকে ঘুরে যবে দেখবে অটোমেটিক পড়ার গতি বেড়ে যাবে🙏

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Dhaka